৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২২ ১০:২৮ অপরাহ্ন
বাকৃবি-অর্থায়নকৃত প্রকল্প অনুমোদন পত্র বিতরণ ২০২২ অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্বাংমদ দীনু; বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হল বাকৃবি-অর্থায়নকৃত প্রকল্প অনুমোদন পত্র বিতরণ।

মঙ্গলবার(১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টায় বাকৃবি সৈয়দ নজরুল কনফারেন্স হলে বাকৃবি-অর্থায়নকৃত প্রকল্প অনুমোদন পত্র বিতরণ অনুষ্ঠান-২০২২ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে মোট ৫২টি প্রকল্পের মাধ্যমে মোট ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বাউরেস এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ জয়নাল আবেদীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।

অনুষ্ঠানে বাউরেসের সহযোগী পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. মমিনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউরেসের সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আবু হাদী নূর আলী খান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এম. এ. সালাম, কোষাধ্যক্ষ জনাব মোঃ রাকিব উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, বাকৃবি পিএইচডি রিসার্চ সারাবিশ্বে মুল্যায়িত হচ্ছে। পৃথিবীর অনেক দেশ এ ব্যাপারে আমাদেরকে অনুকরণ করছে। সারা বিশ্ব বাংলাদেশ থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞ নিতে আগ্রহ দেখায়।
এ সময় তিনি প্রতিটি প্রকল্প প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিকেটরকে তাগিদ দেন যেন তারা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের এ কাজে সম্পৃক্ত করেন। যাতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরা গবেষণায় আগ্রহী ও দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়াও তিনি গবেষণা কাজে এগিয়ে আসার জন্য বাকৃবি শিক্ষকদেরকে সাধুবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর, কো- প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটরসহ অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১১, ২০২২ ৭:৩১ অপরাহ্ন
শেকৃবিতে সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (সাউরেস) এবং প্ল্যান্ট ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে আজ ১১ডিসেম্বর সকাল ১০ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪র্থ তলার কনফারেন্স কক্ষে এক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ নজরুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্ল্যান্ট ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর সভাপতি ড. মোঃ আজিজ জিলানী চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

সেমিনারে সায়েন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেন আমেরিকার লিংকন ইউনিভার্সিটি অব মিশুরী এর অধ্যাপক ড. শফিউল্লাহ পাঠান ও জাপানের Iwate University এর সহযোগী অধ্যাপক ড. আবিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২২ ৫:৫৬ অপরাহ্ন
৬ মাসেও পায়নি শেকৃবির শিক্ষার্থীরা বৃত্তির টাকা
ক্যাম্পাস

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) প্রতি সেমিস্টারে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয় ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা। কিন্তু লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের ফলাফল ৬ মাস আগে প্রকাশিত হলেও এখনো বৃত্তির টাকা পায়নি পাশকৃত শিক্ষার্থীরা।

খোজ নিয়ে জানা যায়, কৃষি অনুষদের লেভেল-১ সেমিস্টার-২ শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশিত হয় চলতি বছরের জুন মাসে। ফলাফল প্রকাশের ৬ মাস পরেও বৃত্তির টাকা পায়নি পাশকৃত ২৯৮ জন শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি দফতরে চলে ধীর গতির কাজ। অর্থ সংক্রান্ত হলে আরও বাড়ে ভোগান্তি। এসবের ফলে সঠিক সময়ে বৃত্তি, কোন বিষয়ের অনুমোদন, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের অর্থসংক্রান্ত ফাইলসহ বিভিন্ন কাজে ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের।

লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর পাশকৃত শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকদের জানান, আমাদের লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে জুন মাসে। এখন লেভেল-২ সেমিস্টার-২ এর পরীক্ষা চলছে এবং ইতোমধ্যে লেভেল-২ সেমিস্টার-১ এর ফলাফল ডিন অফিসে জমা হয়েছে। আগামী রোববার বা সোমবার (৪ বা ৫ ডিসেম্বর) প্রকাশিত হতে পারে। অথচ এখনও আমরা লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর বৃত্তির টাকা পাইনি।

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন (২০০১) থেকে বৃত্তির টাকা সেমিস্টার প্রতি ১২০০ রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল এবং একাডেমিক খরচ বাড়লেও বাড়েনি আমাদের বৃত্তির টাকা। তবুও সামান্য এই টাকা দিতে প্রশাসনের নানান তাল বাহানা।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, লেভেল-১ সেমিস্টার-২ এর বৃত্তির ফাইল বিভিন্ন দফতরে অনুমোদিত হয়ে একাডেমিক অ্যান্ড স্কোলারশিপ দফতরে আসে। এরপর ওই দফতর চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর একাউন্ট অ্যান্ড ফিন্যান্স বিভাগে অনুমোদনের জন্যে পাঠায়। এখান থেকে অনুমোদিত হয়ে ফাইলটি পরবর্তী দফতরে যাবে। তবে সাংবাদিকদের সামনে অনেক খুঁজেও বৃত্তির ফাইলটির বের করতে পারেননি একাউন্ট অ্যান্ড ফিন্যান্স দফতরের সহকারী পরিচালক নাহিদা পারভীন।

একাডেমিক অ্যান্ড স্কোলারশিপ শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ হরি কমল দাশ বলেন, ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর কবে নাগাদ বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীরা পাবে এর কোন নির্ধারিত সময় নেই। ফলাফল আমাদের নিকট আসার পরেই কাজ শুরু হয়। আমরা প্রথমে ম্যানুয়ালি বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা করি। তারপর ক্রমান্বয়ে রেজিস্ট্রার, ডিন, উপাচার্যের কাছে অনুমোদিত হয়ে আমাদের নিকট আবার আসে। আমরা সেটিকে অর্ডার হিসেবে ফিন্যান্স অ্যান্ড একাউন্টস দফতরে পাঠায়। তারা বিল তৈরি করে এবং সর্বশেষে হল প্রভোস্ট বৃত্তির টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে হল ভিত্তিক শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়। এতগুলো দফতর ঘুরে শিক্ষার্থীদের হাতে যেতে বেশ সময় লেগে যায়।

তিনি আরও বলেন, অল্প সময়ে বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানোর ব্যাপারে সবকিছু ডিজিটাল ও সফটওয়্যার ভিত্তিক করার জন্যে উপরমহলে প্রস্তাব দিয়েছি কিন্তু এখনো অনুমোদন পায়নি।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম বলেন, বৃত্তির ফাইল আটকা আছে এটি আমার জানা ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পেতে অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকা উচিত। আমি এটি নিয়ে দ্রুত কাজ করব। আশা করি পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাদের বৃত্তির টাকা পাবে। সূত্র: নয়া শতাব্দী

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২২ ৭:০৫ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে নবান্ন উৎসব ‘নবরূপে নবান্ন’ উদযাপিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম উৎসবের আয়োজনে নবান্ন উৎসব ‘নবরূপে নবান্ন’ আয়োকন করা হয়েছে।

শনিবার(৩ ডিসেম্বর) বাকৃবি ছাত্রলীগের সার্বিক সহযোগিতায় এটি অনুষ্ঠিত হয়।

বাকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান সকাল সাড়ে ৯টায় বাকৃবি হেলিপ্যাডে কৃষক র‌্যালি উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করেন।

ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. খান মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, বিজয়ের মাসে এ উৎসব যুক্ত হয়ে বাঙালির প্রতিটি মানুষকে আরও উৎসবমুখর করে তুলেছে। এ সময় তিনি ‘নবরূপে নবান্ন’ উৎসব আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও মোবারকবাদ জানান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানসূচিতে বাকৃবি স্টেডিয়ামে আজ দুপুর ১টায় নতুন চালের ভাতে মধ্যাহ্নভোজ, দুপুর ২টায় নবান্ন মেলা, বিকেল ৪টায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাউল গান, সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় গ্রাম বাংলার প্রাচীন বিনোদনের উৎস ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২২ সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বাকৃবি জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে কনসার্টের অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২২ ১১:০০ অপরাহ্ন
জাপানের এনইএফ বৃত্তি পেল শেকৃবি’র ৩০ শিক্ষার্থী
ক্যাম্পাস

জাপানের নাগাও ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এনইএফ) পক্ষ থেকে বৃত্তি পেলেন রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ৩০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী।

আজ বৃহস্পতিবার(২৪ নভেম্বর)বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষার্থীদের এনইএফ বৃত্তির চেক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আগামী তিন বছর বার্ষিক ২৪০০০ টাকা (আনুমানিক) হারে বৃত্তি পাবে। বিভিন্ন লেভেল এর মোট ৩০জন শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তি দেওয়া হয়।

নাগাও ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (এনইএফ) জাপানের একটি বেসরকারি সংস্থা। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পরিবেশ সুরক্ষার জন্য নাগাও ১৯৮৯ সালের নভেম্বরে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত করেন।

সংস্থাটি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের আরও চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে এই বৃত্তির আওতাভুক্ত করা হয়েছে। অপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম এবং কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনইএফ বাংলাদেশ কমিটির সদস্য ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনইএফ বৃত্তি প্রদান কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন। সঞ্চালনা করেন শেকৃবি’র প্রক্টর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নাগাও ন্যাচারাল এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশনকে এ বৃত্তি প্রদানের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বৃত্তি প্রাপ্তদের পরিবেশ নিয়ে কাজ করার আহবান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২২ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
সিকৃবির নতুন ভিসি অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধিঃ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্যারাসাইটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা। সোমবার (২১ নভেম্বর)মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপ-সচিব মোছা: রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১০ (১) ধারা অনুযায়ী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞাকে চার বছর মেয়াদে সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সংগঠক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৮ বছরের কর্মজীবনে তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি সিকৃবির সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন, রেজিস্ট্রার, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), পরিচালক (ভেটেরিনারি ক্লিনিক্স), পরিচালক (শারীরিক শিক্ষা), পরিচালক (খামার), অতিরিক্ত পরিচালক (আইকিউএসি), বিভাগীয় প্রধান, হোস্টেল সুপার, সভাপতি (বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ক্রয় কমিটি) সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া একজন সংগঠক হিসেবে তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি, সিকৃবির গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় এক সম্ভ্রান্তÍ মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২২ ১১:৩৮ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অলিম্পিয়াডের বিজয়ী শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস

আবদুর রহমান (রাফি): জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর সহায়তায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশ ভেটেরিনারি অলিম্পিয়াডের বিজয়ী দল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম “সুপারবাগস”। কক্সবাজারের হোটেল রয়েল টিউলিপে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় ১৬ ও ১৭ নভেম্বর। এতে ফাইনাল রাউন্ডে ১২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৬৬ টি টিম অংশগ্রহণ করে। তারমধ্যে প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি করে ১২ টি টিম ফাইনাল রাউন্ডে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ লাভ করে। এর মধ্যে শ্রেষ্ট দলের মর্যাদা লাভ করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের “টিম সুপারবাগস”। সুপারবাগস দলের সদস্যরা হলেন লেভেল-৫ থেকে দলনেতা মুহতাদী মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ, লেভেল-৪ থেকে মুজাহিদুল ইসলাম তুষার, লেভেল-৩ থেকে ফরহাদ হোসেন সাগর, লেভেল-২ থেকে সোনিয়া হাসনাত জাহান এবং লেভেল-১ থেকে সুশীলা পাল।

বিজয়ী দল টিম সুপারবাগস কে তাৎক্ষণিকভাবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. লাম ইয়া আসাদ শুভেচ্ছা জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২২ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী
ক্যাম্পাস

চার বছরের জন্য খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী।

আজ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেয়া হয়।

Open photo

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী আগামী চার বছর তিনি খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করবেন। বিধি অনুযায়ী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন তিনি। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। রাষ্ট্রপতি যেকোন সময় তার নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলে, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বর্তমানে ড. আবুল কাশেম চৌধুরী পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তিনি ১৯৬২ সালের ১ অক্টোবর নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৮৮ সালে কৌলিতত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ড. আবুল কাসেম চৌধুরী ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক পরিচালিত পটুয়াখালী কৃষি কলেজের (বর্তমান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ওপ্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশা শুরু করেন এবং দীর্ঘ ৩৪ বছর সুনামের সঙ্গে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন।

তাছাড়া তিনি ২০০১ সালে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে থাইল্যান্ডের ক্যাসেটসার্ট ইউনিভার্সিটি থেকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।  আন্তর্জাতিক (২৯টি) ও জাতীয় (২৪টি) পর্যায়ে বিভিন্ন জার্নালে তার ৫৩টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া অধ্যাপক ড. চৌধুরী জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সফল কর্মজীবনের অধিকারী অধ্যাপক ড. চৌধুরী কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, কৃষি অনুষদের ডিন, পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন, রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য, একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক, হল প্রভোস্ট, প্রক্টর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের প্রধান, রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং স্বৈরাচার বিরোধী ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। শিক্ষকতার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অধ্যাপক ড. আবুল কাসেম চৌধুরী পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম চৌধুরীর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা মাধ্যমে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম সামনে আরও বেগবান হবে একই সাথে তাদের গবেষণা কার্যক্রমেও সাফল্য নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২২ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
বেগুনে নয়, চাষের মাটিতেই ভারী ধাতু: বাকৃবির গবেষণা
ক্যাম্পাস

বেগুনে ভারী ধাতুর উপস্থিতি তা থেকে ক্যানসারের ঝুঁকি নিয়ে গবেষণা করছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক। গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, শুধু বেগুনে নয়, যে মাটিতে ফসল উৎপাদন হচ্ছে তাতেই রয়েছে ক্ষতিকর ভারী ধাতু লেড, ক্যাডমিয়াম ও নিকেলের উপস্থিতি। অন্য সবজি বা ধান-গমেও মিলতে পারে এসব ক্ষতিকর ধাতু।

সম্প্রতি জামালপুরের ইসলামপুর ও মেলান্দহ উপজেলার মাটিতে চাষ হওয়া বেগুন নিয়ে বাকৃবির গবেষকরা একটি গবেষণা করেন। সেখানে দেখা গেছে, বেগুনে ভারী ধাতুর উপস্থিতি সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি। পরে এর কারণ খুঁজতে ফসলের মাটি পরীক্ষা করা হয়। মাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, মাটিতেও রয়েছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর ভারী ধাতুর (লেড, ক্যাডমিয়াম ও নিকেল) উপস্থিতি।

এই মাটিতে ফলানো অন্য ফসলেও এসব ভারী ধাতুর উপস্থিতি থাকতে পারে। তবে কী কারণে মাটিতে লেড, নিকেল ও ক্যাডমিয়ামের পরিমাণ বাড়ছে তা জানতে এবং এর প্রতিকারে আরও গবেষণা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করেন গবেষকরা। কারণ এসব ভারী ধাতু খাবারের সঙ্গে বছরের পর বছর নিয়মিত গ্রহণ করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির, অধ্যাপক ড. হারুনুর রশিদের সমন্বয়ে বেগুন ও মাটির নমুনা নিয়ে গবেষণা করা হয়। জামালপুরের ইসলামপুর ও মেলান্দহ উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে বেগুন ও মাটির নমুনা নিয়ে দুই বছর ধরে গবেষণা করা হয়। সম্প্রতি ওই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয় আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্টে’।

এ বিষয়ে বেগুন চাষি মো. শহিদুল্লাহ বলেন, বেগুন ক্ষেতের পোকা মারতে চার ধরনের বিষ দিতে হয়। এই চার জাতের বিষ একসঙ্গে মিশিয়ে ক্ষেতে দিলে পোকা মরে, না হলে মরে না। আমার এক বিঘা জমিতে ৯ মাসে প্রায় ৩৬ হাজার টাকার বিষ দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, তবে আগামীতে বেগুন ক্ষেতে বিষ না দিয়ে নেট হাউজ তৈরি করে ফেলবো। এতে নিজের ক্ষতি, ফসলের ও মাটির ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। আর এসব বিষ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির। কারণ, এই বছর বেগুনক্ষেতে দুই প্রকার বিষ দিয়ে পোকা মারলাম। কিন্তু, পরের বছর চার প্রকার বিষ দিয়ে পোকা মারতে হবে, না হলে বেগুন ক্ষেতের পোকা মরবে না। প্রতিবছর এভাবে বেগুন ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ বাড়াতে হয়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাকৃবির রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক কাজী ফরহাদ কাদির বলেন, গবেষণাটা শুরু হয় ২০২০ সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি ফান্ডে এবং পরবর্তীকালে একই দাতা সংস্থার আরেকটি ফান্ডে মোট দুই বছর আমাদের গবেষণা চলে। গবেষণায় আমরা জামালপুর জেলার ইসলামপুর ও মেলান্দহ উপজেলা থেকে বেগুন এবং যে মাটিতে বেগুন হচ্ছে সেই মাটি সংগ্রহ করে নিয়ে আসি। সেখানে ভারী ধাতুর পাশাপাশি অন্য কিছু পুষ্টি উপাদানের মাত্রা কতখানি আছে তা দেখি।

তিনি বলেন, আমাদের গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল, আমরা যে পরিমাণ বেগুন খাই সেখানে যে আয়রন, জিংক আছে তা আমাদের জন্য যথেষ্ট কি না তা দেখা। পাশাপাশি ক্ষতিকর উপাদান ভারী ধাতু আছে কি না তা জানার চেষ্টা করি। ভারী ধাতু লেড, নিকেল, ক্যাডমিয়াম ও কপার কতখানি আছে তা সহনীয় মাত্রার চেয়ে কম না বেশি; সেটা ক্ষতিকর হলে কতখানি ক্ষতি হতে পারে, তাও জানার চেষ্টা করেছি।

কাজী ফরহাদ কাদির বলেন, পাশাপাশি লেড, নিকেল ও ক্যাডমিয়াম পেলাম তা কোথা থেকে এলো। সেজন্য আমাদের মাটির সঙ্গে একটা যোগসূত্র স্থাপন করার চেষ্টা করেছি। সে ক্ষেত্রে গবেষণা করে দেখেছি লেড, নিকেল, ক্যাডমিয়াম ও কপার চারটি ধাতু মাটি থেকেই এসেছে। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি মাটিতে এই চারটি ধাতু সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি আছে।

বাকৃবির কৃষি রসায়ন বিভাগের আরেক অধ্যাপক জাকির হোসেন বলেন, মাটিতে লেড, ক্যাডমিয়াম, নিকেল ও কপারের উপস্থিতি সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি। এর কারণে শুধু বেগুন নয়, অন্যান্য সবজি, এমনকী ধান-গমেও আসতে পারে। এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে বড় ঝুঁকির কারণ। এসব ধাতু শুধু জামালপুরের ইসলামপুর ও মেলান্দহের মাটিতে বেশি আছে বিষয়টি এমন না। আমরা ভালুকা ও গাজীপুরের মাটিতেও এসব ধাতুর উপস্থিতি পেয়েছি। আমরা যদি মনে করি, গাজীপুর ও ভালুকায় কলকারখানা বেশি এই কারণে এসব জায়গার মাটিতে লেড, ক্যাডমিয়াম, নিকেলের উপস্থিতি বেশি। তা ঠিক নয়, কারণ, জামালপুরে তো কলকারখানা নেই। তাহলে সেখানে এসব ভারী ধাতু এলো কীভাবে?

তিনি আরও বলেন, মাটিতে ভারী ধাতুর যে উপস্থিতি পাওয়া গেছে, এর উৎস কী- রাসায়নিক সার, কীটনাশক, সেচের পানি নাকি অন্য কোনো উপায়ে মাটি নষ্ট হচ্ছে- এ বিষয়ে বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন। যে সমস্ত উৎস থেকে ভারী ধাতুগুলো আসছে সেগুলো যদি আমরা বন্ধ করে দিতে পারি, তাহলে মাটিতে ভারী ধাতুর পরিমাণ কমে যাবে এবং খাদ্যে কম অনুপ্রবেশ করতে পারবে। এ বিষয়ে গবেষণার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া পদক্ষেপে নিরাপদ ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। সূত্র: সিটিনিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২২ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
সিভাসু‘তে অনুষ্ঠিত হলো কাঁচাবাজারের মুরগী জবাই পরবর্তী করণীয় নিয়ে কর্মশালা
ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) এর ফিজিওলজি, বায়োকেমিষ্ট্রি ও ফার্মাকোলজি বিভাগ দ্বারা অনুষ্ঠিত হলো “কাঁচাবাজারের মুরগী ব্যবসায়ীদের বাজারজাত মুরগীর জবাই পূরবর্তী প্রাণীকল্যাণ বরং জবাই পরবর্তী মাংসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের” উপর প্রশিক্ষণ কর্মশালা ।

মঙ্গলবার(১৫ নভেম্বর) এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন কাঁচাবাজার হতে প্রশিক্ষণার্থীরা অংশগ্রহন করেন।

প্রশিক্ষণে বাজারজাত মুরগীর জবাই পূর্ববর্তী প্রাণীকল্যাণ নিশ্চিতকরণের উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম। বিশেষত জবাইয়ের পূর্বে মুরগী ধরার কৌশল, ছুরির অবস্থা, হালাল ইস্যু ইত্যাদি নিয়ে ড. আলম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেনটেশন এর মাধ্যমে সচিত্র বিষয়সমূহ আলোকপাত করেন। মুরগীর প্রাণীকল্যাণ ছাড়াও জবাই পরবর্তী মাংসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের উপর প্রশিক্ষক হিসেবে আলোকপাত করেন ডা. মোঃ রিদুয়ান পাশা। জবাই পরবর্তী স্থানসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ মাংস সরবরাহ সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে ড. পাশা আলোকপাত করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচী শেষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ শাহনেওয়াজ আলী খান। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় এর কোষাধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল।

এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আলমগীর হোসেন, খাদ্যবিজ্ঞান ও টেকনোলজী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফ আলী বিশ্বাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র অধ্যাপক ও পরিচালক (বহিরাঙ্গন) ড. এ কে এম সাইফুদ্দীন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনা ও সম্পসারন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ লুৎফুল আহসান। বক্তাগণ এই প্রশিক্ষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও সময়োপযোগী বলে মত দেন এবং এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মুরগী ব্যবসায়ীদের সচেতন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জবাইয়ের পূর্বে প্রাণীকল্যাণ এবং ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনে এবং জবাই পরবর্তী স্থান নিয়মিতভাবে পরিস্কার করলে ভোক্তাগন নিরাপদ মাংস বাজার থেকে সাচ্ছন্দ্যে নিয়ে আসতে পারবেন বলেও মত প্রদান করেন। প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এই ধরনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ যা মানবস্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত তা আয়োজন করার জন্য ফিজিওলজি বায়োকেমিষ্ট্রি ও ফার্মাকোলজী বিভাগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সদনপত্র বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop