২:০৩ অপরাহ্ন

শনিবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৪
ads
ads
শিরোনাম
  • হোম
  • নতুন জাতের আমন ধান, এক বিঘা জমিতে ২৭ মণ ধান
ads
প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
নতুন জাতের আমন ধান, এক বিঘা জমিতে ২৭ মণ ধান
কৃষি বিভাগ

মাত্র এক বিঘা জমিতে ২৭ মণ ধান! ধানের নাম আমন। রাজবাড়ীর নিম্নাঞ্চলের কৃষকরা যখন দিশাহারা তখন হাইব্রিড অ্যারাইজ এজেড-৭০০৬ জাতের আমন ধান চাষিদের আলোর মুখ দেখায়। নতুন জাতের আমন ধানের চাল মধ্যম চিকন; ভাতও হয় ঝরঝরে ও খেতেও সুস্বাদু।

জানা যায়, বন্যায় সহনশীল হওয়ায় রাজবাড়ীতে কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ ধান। জাতটি শুধু বন্যায় সহনশীলই নয়, যে কোনো জাতের ধানের চেয়ে উচ্চফলনশীলও। তেমনি রোগবালাইও অনেক কম। বন্যায় ক্ষতি পোষাতে এ জাতের আমন ধানের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে রাজবাড়ী অঞ্চলের কৃষকদের।

আর উচ্চফলনশীল এ জাতের বীজ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছে জার্মানভিত্তিক কোম্পানি বায়ার ক্রপ সায়েন্স।

এ জাতের ধান চাষ করে সাফল্যও পাচ্ছেন তারা। ৩৩ শতাংশে বিঘাপ্রতি এ জাতের ২৬ থেকে ২৭ মণ ধান পাচ্ছেন কৃষকরা।

বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিমিটেডের ফরিদপুর আঞ্চলিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মানসুর রহমান জানান, এ জাতের আমন ধানের বিশেষায়িত হচ্ছে বীজ রোপণের পর অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যায় দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ক্ষেত তলিয়ে থাকলেও ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না।

পক্ষান্তরে নতুন জাতের আমন ধানের এ জাতটি যেমন বন্যা সহনশীল, তেমনি উচ্চফলনশীলও। পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগসহ অন্য জাতের ধানের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বেশি। রয়েছে ধান ঝরে না পড়ার গুণও। হাইব্রিড এ জাতের ধান চাষ করে বিঘাপ্রতি ২৬ থেকে ২৭ মণ ধান পাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। দুই হাজার ছয় জাতের আমনের ধানের চাল মধ্যম চিকন। ভাতও হয় ঝরঝরে ও খেতেও সুস্বাদু।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, আমাদের ব্লকে ২০০ বিঘা জমি আছে। এর মধ্যে এবার প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। কারণ এ জাতের আমন ধানে রোগবালাই কম। আমরা যে জাতের ধান চাষ করতাম তার থেকে নতুন এ জাতের ধানের ফলন বেশি হয়েছে।

ধানচাষি আব্দুল গফুর মণ্ডল বলেন, আমরা আগে যে জাতের আমন ধান চাষ করতাম; তার থেকে প্রায় দ্বিগুণ ফসল হচ্ছে নতুন এই জাতের ধান থেকে। এর চেয়ে বড় কথা হচ্ছে জাতটি বন্যায় সহনশীল ও রোগবালাই কম। এ জাতের ধান চাষ করে আমরা আগের চেয়ে বেশি লাভবান হব।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, গতানুগতিক পুরনো জাতের ধান চাষ থেকে কৃষকদের সরে আসতে হবে। কারণ দীর্ঘদিন একই জাতের ধান আবাদ করলে রোগব্যাধি বেশি হয়। নতুন অ্যারাইজ এজেড-৭০০৬ জাতের ধান উচ্চফলনশীল ও বন্যা সহনশীল। পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগ প্রতিরোধী।

ধান ঝরে পড়ে না। এ ধরনের হাইব্রিড জাতের ধান চাষ যদি আমরা বাড়াতে পারি, তা হলে কৃষক লাভবান হবেন। রাজবাড়ী সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে বলেও জানান কৃষি অফিসের ওই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop