১:৫৫ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ৬ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৪ ৮:৩৬ অপরাহ্ন
পবিপ্রবি’র নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম
ক্যাম্পাস

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এর ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪) মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এর আদেশক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব (সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, ফার্মাকোলজি বিভাগ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ-কে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে যোগদানের তারিখ হতে ০৪ (চার) বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হলো।

অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বরিশাল জেলার সদর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবী মরহুম কাজী আব্দুল খালেক ও মাতা কাজী রাবেয়া বেগম।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম ১৯৯৪ সালে বাকৃবি ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) পাস করেন, ১৯৯৮ সালে ফার্মাকোলজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ২০১১ সালে জাপানের কাগাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি এবং জাপানের কাগাওয়া মেডিক্যাল বিশবিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি এবং নিউরোলজি বিভাগ থেকে পোস্ট ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্ণাঢ্য কর্ম জীবনের অধিকারী অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম ২০০২ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে ২০০৪ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১১ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৬ সালে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম ১৯৯৯ সালে আচার্য স্বর্ণ পদক, ২০১১ সালে জাপানের কাগওয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রপতি পদক, ২০২৩ সালে বাউরেস থেকে গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড-২০২৩, জাপানে আন্তর্জাতিক অ্যালডোস্টেরন ফোরাম থেকে আইএএএফ অ্যাওয়ার্ডে প্রথম স্থান অর্জন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কতৃক ‘শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরষ্কার -২০১৪’ শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরষ্কার -২০১৫’ শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরষ্কার -২০২৩ ‘ লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি জাপান সরকার কতৃক জেএসপিএস পোস্ট-ডক্টরাল রিসার্চ ফেলোশিপ, পোস্ট-ডক্টরাল রিসার্চ ফেলোশিপ, গবেষণা সহকারী ফেলোশিপ , টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ফেলোশিপ এবং ফাইজার লিমিটেড, জাপান এর ট্রাভেল গ্রান্টঅ্যাওয়ার্ডসহ
নানা গুরুত্বপূর্ণ পদক ও বহু পুরস্কার অর্জন করেন। অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ ও কনফারেন্সে যোগদান করে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। রিসার্চগেটের তথ্যমতে উচ্চমাত্রার সূচকের জাতীয় বা আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত তার রিসার্চ আর্টিকেলের মোট সংখ্যা ১০৯টি । গুগোল স্কলার্সের তথ্য মতে তাঁর সাইটেশন সংখ্যা ২ হাজার ১ শত ৮০, এইচ-ইনডেক্স সংখ্যা ২৫, আই ১০-ইনডেক্স সংখ্যা ৫৯। তিনি বাকৃবি’র ফার্মাকোলজি বিভাগে এপর্যন্ত দেশি-বিদেশি ০৯ (নয়) জন পিএইচ.ডি ছাত্র-ছাত্রী এবং ৮৫ (পঁচাশি) জন এমএস শিক্ষার্থীর তত্ত্বাবধান করেছেন ।
একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম, ভেটেরিনারি ফর্মুলারি প্রিপারেশন কমিটি, ডিজিডিএ, ঢাকা, এর আহবায়ক ,
বাংলাদেশ ফিজিওলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর ভেটেরিনারি রিসার্চ উপদেষ্টা , ওয়ান হেলথ বাংলাদেশ এর আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড এর
সাধারণ সদস্য, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ ̈াসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা এর সাংগঠনিক সম্পাদক , বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন এবং গবেষণাসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পেশাজীবী এবং সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত রয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪ ৮:৫৯ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক ও খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর নিযুক্ত
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিক্ষাবিদ পশু পালন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া-কে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে আগামী ৪(চার) বছরের জন্য নিয়োগ দান করেছেন । প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম ভাইস-চ্যান্সেলর। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু পালন অনুষদের পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার পূবাইলের বড় কয়ের গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবী আলহাজ¦ মোঃ আবদুল গাফ্ফার ভূঁইয়া ও মাতা ছোলেমা খাতুন।

শিক্ষা জীবনে কৃতিত্বের অধিকারী প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া ১৯৮১ সনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু পালন অনুষদ থেকে কৃতিত্বের সাথে বিএসসি এএইচ অনার্সে ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট এবং ১৯৮৩ সালে কৃতিত্বের সাথে এমএসসি এইচ এনিম্যাল ব্রিডিং-এ ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের দ্যা ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে সম্মানের সাথে পশু প্রজনন বিষয়ে পিএইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি পোস্ট ডক্টরাল ও ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট হিসাবে জাপান, জার্মানী ও যুক্তরাষ্ট্রে কৃতিত্বের সাথে কাজ করেছেন। তিনি ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে জার্মানীর হোয়েন হেইম বিশ^বিদ্যালয়ে এডজাঙ্ক প্রফেসর হিসাবেও সম্মানের সাথে কাজ করেছেন।
প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া ১৯৮৩ সনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সনে সহকারী প্রফেসর, ১৯৯২ সনে সহযোগী প্রফেসর ও ১৯৯৭ সনে প্রফেসর পদে উন্নীত হন।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া পশু পালন অনুষদের ডিন, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও তিনি প্রায় শতাধীক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওর্য়াকশপ ও কনফারেন্সে যোগদান করে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল সেশনে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজে পৃথিবীর বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত বই এর সংখ্যা ৭টি, কীনোট এবং প্রসিডিং পাবলিকেশন্সের সংখ্যা ৬৭টি এবং তাঁর ১৮৬টি গবেষণামূলক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্ণালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ইতোমধ্যে বাংলাদেশে রেড চিটাগাং ক্যাটল জাতের উদ্ভাবক এবং বাংলাদেশ রেড চিটাগাং ক্যাটল ব্রিডিং এসোসিয়েশনের সভাপতি।

তিনি ৮ জন পিএইচ.ডি ছাত্র-ছাত্রীর গবেষণার প্রধান সুপারভাইজার এবং ১২ জন পিএইচ.ডি ছাত্র-ছাত্রীর গবেষণার কো-সুপারভাইজার হিসাবে নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ৬০ জন এম.এস শিক্ষার্থীর গবেষণা তত্ত¡াবধান করেছেন। তিনি বিভিন্ন দেশী-বিদেশী গবেষণা প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসাবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির তিন বার নির্বাচিত সদস্য, এছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সংগঠন বিনোদন সংঘ, সাহিত্য সংঘ, পদচিহ্নসহ বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউনিভার্সিটি টিচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠতম সদস্য হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি হুমবোল্ড এসোসিয়েশন অব বাংরাদেশ, বাংলাদেশ বায়োটেকনোলজিক্যাল সোসাইটি, ব্রিটিশ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনশন অব বাংলাদেশ,বাংলাদেশ এনিম্যাল হাজব্যান্ড্রী এসোসিয়েশন,কমনওয়েলথ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংগঠনের আজীবন সদস্য হিসাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পেশাজীবী এবং সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত রয়েছেন।
প্রফেসর ড. এ.কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত এবং এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৮, ২০২৪ ৮:২৫ অপরাহ্ন
বাকৃবির জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত:০১ সেপ্টেম্বর থেকে সকল প্রকার শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু
ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) সিন্ডিকেটের জরুরি অধিবেশন ২৮ আগস্ট ২০২৪ (বুধবার) বিকেল ০৩টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসভবনন্থ অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়ত্বপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. খন্দকার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের জরুরি অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ হচ্ছে
আগামী ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ রোজ রবিবার হইতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম চালু হবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহ ও পিএইচডি ডরমেটরি আগামী ৩১ শে আগস্ট ২০২৪ তারিখ রোজ শনিবার খুলে দেওয়া হবে; বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষা ও গবেষনার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল- মিটিং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে; বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল সমূহের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে হল প্রশাসন কর্তৃক প্রণীত নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে; এবং অনুষদের শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ডিন কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত সমন্বিত নীতিমালা মেনে চলতে হবে। জরুরি এ সিন্ডিকেট অধিবেশনে সদস্যবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রুহুল আমিন, সাবেক ইউজিসি প্রফেসর ড. এস. এম. বুলবুল এবং সিন্ডিকেট সচিব বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দের মধ্যে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এর সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সাবেক মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২৪ ৮:২৭ অপরাহ্ন
জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতর এবং বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের সাথে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের পরিচালকের অফিসকক্ষে ওই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভার শুরুতে জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলামকে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয় । নতুন পরিচালকের নেতৃত্বে বাকৃবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের কার্যক্রম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, পূর্বের ধারাবাহিকতায় আমরা একসঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কাজ চালিয়ে যেতে পারব। বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যগণ সবসময়ই বাকৃবির সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে এসেছে এবং আমরা আশা করি যে, আপনার নির্দেশনায় এই প্রচেষ্টা আরও ফলপ্রসূ হবে।

জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে আমরা একত্রে কাজ করতে প্রস্তুত। সাংবাদিক সমিতি এবং জনসংযোগের সদস্যদের মধ্যে কোনো বিভেদ থাকবে না। আমরা পরস্পরকে সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ইতিবাচকভাবে দেশ ও জাতির সামনে তুলে ধরতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের নতুন পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম। এছাড়াও বাকৃবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু ও মোখলেছুর রহমান খান,বাকৃবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মো: রাফী উল্লা ফুয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক তানিউল করিম জীমসহ সাংবাদিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২৪ ৫:০৫ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে হাতেনাতে বৈদ্যুতিক তার চোর ধৃত
ক্যাম্পাস

বাকৃবি আবাসিক এলাকার এবিসি মাঠ সংলগ্ন গ্যারেজের সার্ভিস লাইনের তার চুরি করার সময় মোঃ হাবিবুর রহমান নামে এক চোর বাকৃবি নিরাপত্তা শাখার কর্মীদের কাছে হাতেনাতে ধরা পরেছে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট ২০২৪) এ ঘটনা ঘটে। ধৃত চোরের পিতার নাম মৃত ইদ্রিস আলী এবং সে বাকৃবি শেষ মোড়ের বাসিন্দা বলে নিরাপত্তা শাখা নিশ্চিত করেছেন।

বাকৃবি নিরাপত্তা কাউন্সিলের নতুন পরিচালক হিসেবে অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ আজ সকালে যোগদান করেছেন। ধৃত চোরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা কাউন্সিলের নতুন পরিচালক অধ্যাপক ড.মাসুম আহমাদ ।
উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে বাকৃবি ক্যাম্পাসে একাধিক বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনা ঘটেছে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২৪ ১:৩৭ অপরাহ্ন
প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে এক দিনের বেতন দেবেন বাকৃবির শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা
ক্যাম্পাস

বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে এক দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেবেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়েছে, দেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় বন্যাপীড়িত এলাকার মানুষদেরকে সহযোগীতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের প্রশাসন বিভাগের প্রেরিত পত্রের প্রেক্ষিতে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/ কর্মচারীগণের ০১ দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ‘প্রধান উপদেষ্টার ত্রান ও কল্যাণ তহবিল’-এ জমা প্রদান করার গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণের এক দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কর্তনপূর্বক ‘প্রধান উপদেষ্টার ত্রান ও কল্যাণ তহবিল’-এ জমা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২৪ ২:০৮ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে জন্মাষ্টমী পালিত
ক্যাম্পাস

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাকৃবিতে সোমবার (২৬ আগস্ট ২০২৪ ) শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি ও শুভ জন্মাষ্টমী পালন করেছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান উদযাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এর দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড.খন্দকার মো:মোস্তাফিজুর রহমান ,ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক , শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার,সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড.আসাদুজ্জামান সরকার ,রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন , বাকৃবি নিরাপত্তা কাউন্সিল এর সভাপতি অধ্যাপক ড.মাসুম আহমেদ , প্রোক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম ,
কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড.গোপাল দাস সনাতন সংঘের সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য, অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস,অধ্যাপক ড. সচ্চিদানন্দ দাস, অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা, জনসংযোগ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলামসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ বাকৃবি ক্যাম্পাসের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২৪ ৩:৩১ অপরাহ্ন
প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির বাকৃবির ট্রেজারার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নিযুক্ত
ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী গ্র্যাজুয়েট ও কৃষি অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবিরকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম ট্রেজারার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) পালন করবেন। ২১ আগস্ট ২০২৪ ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আদেশক্রমে বাকৃবির সংস্থাপন শাখার এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায় ।

প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির ১৯৭৫ সালে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দ বাড়ি গ্রামের
এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবক ও অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষক মোহাম্মদ শামছুল হক ও মাতা মাহমুদা বেগম।

শিক্ষা জীবনে প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির ১৯৯০ সনে সানন্দ বাড়ি হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং ১৯৯২ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুর থেকে এইচএসসি ডিগ্রী লাভ করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১৯৯৬ সালে কৃতিত্বের সাথে বি এস সি এজি ইকন প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন এবং ২০০০ সালে এমএস ইন কৃষি অর্থনীতি ডিগ্রী অর্জন করেন । পরে তিনি জার্মানীর জিসেন ইউনিভার্সিটি থেকে ২০১৩ সালে এগ্রিকালচারাল সায়েন্স বিষয়ে পিএইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করেন ।

প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির ২০০২ সনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৫ সনে সহকারী প্রফেসর, ২০১১ সনে সহযোগী প্রফেসর এবং ২০১৫ সনে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওর্য়াকশপ ও কনফারেন্সে যোগদান করে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল সেশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজে পৃথিবীর বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন।
কর্মজীবনে প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগীয় প্রধান, হাউজ টিউটর, ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তিনি কৃষি অর্থনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে এফএও, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জার্মানীর ডাড এ কাজ করেছেন।

তাঁর এই বর্ণাঢ্য শিক্ষকতা জীবনে ৩৯টি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা রয়েছে। ৪০জন এম.এস. শিক্ষার্থীর সুপারভাইজার, ২জন পিএইচ.ডি শিক্ষার্থীর সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
একজন নিবেদিত প্রাণ কৃষি অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির বিএনপিপন্থী শিক্ষক সংগঠন সোনালী দলের প্রচার সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। তিনি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন ্এর মধ্যে তিনি সদস্য, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি, সদস্য, বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতি সমিতি, সদস্য, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট, সদস্য, বাংলাদেশ কৃষিবিদ সমিতি ছাড়াও তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পেশাগত সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত রয়েছেন ।

২০২৪ সালের এই আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী এবং এক দফা স্বৈরাচার সরকার পতনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বাকৃবি ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ময়মনসিংহ সিটি এলাকায় মিছিলসহ সকল কর্মসূচীর সভা সংগঠিত করার জন্য বাকৃবি শিক্ষকদের সমন্বয়কারী হিসাবে ভূমিকা পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২৪ ২:৫৬ অপরাহ্ন
বাকৃবির নতুন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হক
ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী গ্র্যাজুয়েট এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হককে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। ২১ আগস্ট ২০২৪ ভাইস-চ্যান্সেলর (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আদেশক্রমে বাকৃবির সংস্থাপন শাখার এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায় ।

প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হক ১৫ নভেম্বর ১৯৬২ সনে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। শিক্ষা জীবনে তিনি ১৯৭৮ সনে মির্জাপুর এস.কে হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং ১৯৮০ সনে মির্জাপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ থেকে ১৯৮৪ সনে কৃতিত্বের সাথে বিএসসি এজি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সনে এমএস ইন ক্রপ বোটানি ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৬ সনে মাস্টার অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্স, ১৯৯৯ সনে ডক্টর অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্স, ২০০২ থেকে ২০০৪ সন পর্যন্ত পোস্ট- ডক্টরাল রিসার্চ, ২০০৮ থেকে ২০০৯ সন পর্যন্ত ফেলোআপ রিসার্চ এবং ২০১১ সনে জেএসপিএস ব্রীজ ফেলো ডিগ্রী অর্জন করেন।

প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল হক ১৯৮৮ সনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সনে সহকারী প্রফেসর, ২০০০ সনে সহযোগী প্রফেসর এবং ২০০৬ সনে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। এছাড়াও ২০১৩ সনে তিনি জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োসায়েন্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি সেন্টারের ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ এ চাকরিজীবনে তিনি বিভিন্ন সময় বায়োটেকনোলজি ও ক্রপ বোটানী বিভাগের প্রধান, হল প্রভোস্ট, হাউস টিউটর, হাউস টিউটর জেনারেল, বাকৃবি কমিউনিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য এর দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে বাঁধনের উপদেষ্টা এবং দরিদ্র মেধাবী ছাত্রীদের সাহায্যার্থে দাতব্য প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে পালন করছেন।

তাঁর এই বর্ণাঢ্য শিক্ষকতা জীবনে ১৫০টি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা রয়েছে। ১২০জন এম.এস. শিক্ষার্থীর সুপারভাইজার, ৮৮জন এম.এস. শিক্ষার্থীর কো- সুপারভাইজার, ১৫জন পিএইচ.ডি শিক্ষার্থীর সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ বিএনপি সমর্থিত সোনালী দলের সদস্য, কোষাধ্যক্ষ, সহ-সভাপতি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২১, ২০২৪ ১০:১৪ অপরাহ্ন
কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বাকৃবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) নিযুক্ত
ক্যাম্পাস

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী গ্র্যাজুয়েট এবং সংস্থাপন শাখার এডিশনাল রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীনকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে । তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করবেন। ২১ আগস্ট ২০২৪ ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আদেশক্রমে বাকৃবির সংস্থাপন শাখার এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায় ।

কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন ১৯৬৮ সালে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম আব্দুল মান্নান ও মাতা মরহুমা আয়েশা খাতুন।
শিক্ষা জীবনে ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন ১৯৮৪ সনে কৃষি বিশ^বিদ্যালয় হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি এবং ১৯৮৬ সালে নাসিরাবাদ কলেজ, ময়মনসিংহ থেকে এইচএসসি ডিগ্রী লাভ করেন। পরে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ থেকে ১৯৯১ সালে কৃতিত্বের সাথে বিএসসি এজি এবং একই বিশ^বিদ্যালয় থেকে ২০০৩ সালে এমএস ইন এগ্রোনমী ডিগ্রী লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন ২০০৩ সনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থাপন শাখার পরিষদ বিভাগে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০০৮ সনে ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ২০১২ সনে এডিশনাল রেজিস্ট্রার পদে উন্নীত হন।

ছাত্র জীবনে ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী একজন সাহসী ও ত্যাগী রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ন্যয়সঙ্গত দাবী আদায়ে সর্বদা সোচ্চার থাকতেন। ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন তার ছাত্র রাজনীতির সময়কালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (বাকসু ১৯৯০-৯১) এ বিপুল ভোটে বার্ষিকী সম্পাদক নির্বাচিত হোন এবং সে সময় তিনি সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহসী ছাত্রনেতা হিসাবে তিনি ১৯৯০ এর স্বৈরাচার এরশাদ রিরোধী আন্দোলনের অগ্র সৈনিক ছিলেন। এছাড়াও তিনি পেশাজীবী সংগঠন এ্যাব, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছাড়াও তাঁর কর্মময় জীবনে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন । এখনও নিজ এলাকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততা অব্যাহত রয়েছে যা সর্বমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। এছাড়া একজন পেশাজীবী নেতা হিসাবে তিনি দীর্ঘ ১৬ বছরের অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে সর্বদা সরব ছিলেন এবং ২০২৪ সালের এই আগস্ট মাসে বৈষম্য ও কোঠা বিরোধী এবং এক দফা স্বৈরাচার সরকার পতনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরাসরি অংশ গ্রহণ করে তিনি একাধিকবার সরকারী পেটোয়া বাহিনী কতৃক লাঞ্চিত হয়েছেন এবং বিভিন্ন মামলা-হামলার হুমকীর সম্মুখিন হয়েছেন। ।

ব্যক্তিগত জীবনে ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বিবাহিত এবং দুই কন্যা সন্তানের জনক।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop