১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
সিভাসু’তে ওয়ান হেল্থ ডে-২০২১ উদযাপন
ক্যাম্পাস

নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সোমবার চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘ওয়ান হেল্থ ডে-২০২১’ উদযাপন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সেমিনার এবং কুইজ প্রতিযোগিতা। সিভাসু, ওয়ান হেল্থ বাংলাদেশ এবং গ্লোবাল হেল্থ ডেভেলপমেন্ট-এর যৌথ উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 

বিকাল আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বের করা শোভাযাত্রায় সিভাসু’র শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। এরপর সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার ও কুইজ প্রতিযোগিতা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথি হিসেব ছিলেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল হেল্থ ডেভেলপমেন্ট-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, বাংলাদেশ এবং আইইডিসিআর-এর সাবেক পরিচালক প্রফেসর ডা. মাহমুদুর রহমান।

প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন-চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. ইমরান বিন ইউনুস, সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ এ- ট্রেনিং সেন্টার-এর পরিচালক প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার (ওয়াইল্ডলাইফ ম্যানেজমেন্ট এ- ন্যাচার কন্জারভেশন ডিভিশন, চট্টগ্রাম) রফিকুল ইসলাম চেীধুরী এবং ওয়ান হেল্থ ইয়াং ভয়েস, বাংলাদেশ-এর সভাপতি ইশরাত জাহান ইশা।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ওয়ান হেল্থ ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক প্রফেসর ড. শারমীন চৌধুরী।

সেমিনার শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২১ ৭:২৪ অপরাহ্ন
সিকৃবিতে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “ইন্টারন্যাশনাল পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অন দ্যা হিডেন ডায়মেনশন্স অব প্রভার্টি” শিরোনামে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সারা পৃথিবীতেই দারিদ্র বিমোচন করতে হবে।

কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শাহ আলমগীরের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাটি বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী লেলিন রহমান।

এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আজমল হুদা মিঠু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ আখতারুজ্জামান খান। সেমিনার আয়োজন কমিটির আহŸায়ক ড. মাকসুদা মান্নাফের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা দারিদ্র দূরিকরণ করতে হলে চাকরীর নিশ্চয়তা বিধান, সামাজিক মূল্যায়ন নিশ্চিতকরণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরন, আয় বৈষম্য ও শিক্ষার বৈষম্য দূরিকরনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এসময় বক্তারা বলেন, ভালোবাসার মাধ্যমে দারিদ্র দূরিকরন সম্ভব। সেমিনারে মাটি জার্মানির কোঅর্ডিনেটর রেইনার এগন বিওব্স, ক্রিস্টোফ পল, রেজিনা আনরুহ সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য দারিদ্র বিমোচন বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, বলিভিয়া, তানজিনিয়া এবং বাংলাদেশসহ ৬টি দেশে গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২১ ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
ক্যাম্পাসে চা বাগান করছে চুয়েট
ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসের ঢালু পাহাড়ে চা বাগান করা হচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে চা বাগান সৃজন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রশাসনিক ভবন ও স্বাধীনতা চত্বর সংলগ্ন প্রয় দুই একর জায়গাজুড়ে এ বাগান তৈরি করা হবে। রাঙ্গুনিয়ার কোদালা চা বাগান থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া দুই হাজার চারাগাছ রোপণ করা হবে। বাগান সৃজনে সহায়তাও করেছে কোদালা চা বাগান।

এ প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, ‌‘চুয়েট ক্যাম্পাস প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা। বছরজুড়ে পরিবেশ সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনে বিভিন্ন কাজ করি। অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ চলমান থাকে। এরই অংশ হিসেবে একটি চা বাগান করা হচ্ছে। বাগানটি তৈরি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা লোকজন এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।’ বাগানটির রক্ষণাবেক্ষণে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন উপাচার্য।

চা বাগানটির সৃজন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম সাদিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. আয়শা আখতার, যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, একাডেমিক ও ছাত্রবৃত্তি শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলামসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ১:০৫ অপরাহ্ন
“বাকৃবিতে ‘শেখ রাসেল স্মৃতি চত্ত্বর’ প্রতিষ্ঠা করা হবে”
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবিঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন ও ‘শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে বাকৃবিতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত আমাদের আবেগ ও ভালোবাসায় শেখ রাসেল- বিষয়ক আলোচনা সভায় তিনি বাকৃবিতে ‘শেখ রাসেল স্মৃতি চত্ত্বর’ প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দেন।

বাকৃবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. একেএম জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আজহারুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর এর কিউরেটর ও সাবেক সচিব নজরুল ইসলাম খান।

প্রধান অতিথি ড. শামসুল আলম বলেন শেখ রাসেলের মত আর কোন শিশুর এমন মৃত্যু আমরা দেখতে চাই না।একটি শিশুও যেন আর কখনও এমন নির্মমতার শিকার না হয়। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা সেদিন বঙ্গবন্ধুর উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। দীর্ঘ দিন পরে হলেও দিবসটিকে স্বীকৃতি দেয়ায় আমি সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই ।

মূল আলোচক নজরুল ইসলাম খান বলেন , বঙ্গবন্ধু যেভাবে শেখ রাসেলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন ,সকল শিশু-কিশোরদের ভালোবাসা ও তাদের স্বপ্নগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের বঙ্গবন্ধুর রাসেলকে নিয়ে দেখা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যেন শিশুরা সঠিকভাবে বেড়ে ওঠতে পারে।তিনি তার বক্তব্যে ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের ভয়াবহতার বিবরণ দেন।

ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, সেদিন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠপুত্র রাসেলের আর্তচিৎকারে স্রষ্টার আরশ কেঁপে উঠলেও টলাতে পারেনি খুনী পাষাণদের মন। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যের মত এই নিষ্পাপ মহাশিশুকেও ৭৫-এর ১৫ আগস্ট ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়।

তিনি আরও বলেন ,শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধিবোধ সম্পন্ন মানুষদের কাছে ভালবাসার নাম। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর শিশুপুত্র শেখ রাসেলের দন্ডপ্রাপ্ত খুনিরা এখনও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পলাতক আছে। সেই সকল দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা আজ সময়ের দাবি। আমাদের শিশুদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দিতে হবে। তাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তোলতে হবে । তিনি বলেন,শুধু বাংলাদেশেই না, সারা বিশ্বেই যেন শিশু-কিশোররা নিরাপদে থাকে আজকের দিনে এটিই আমার প্রত্যয়।

বাকৃবি শিক্ষক সমিতি, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরাম, বাকৃবি ছাত্রলীগ, অফিসার পরিষদ, কর্মচরী পরিষদসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ,কর্মচারী, আমন্ত্রিত অতিথিগণ সভায় যোগ দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৩, ২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
বিশ্বসেরা তালিকায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ গবেষক
ক্যাম্পাস

বিশ্বসেরা গবেষকদের নিয়ে প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২১-এ স্থান পেয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪ গবেষক। তালিকায় বাংলাদেশের ১ হাজার ৭৮৮ জন গবেষকের মধ্যে স্থান পেয়েছেন তারা।

তারা হলেন https://www.adscientificindex.com/?university=Sylhet+Agricultural+University

সম্প্রতি এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, ‌এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স-২০২১’ তালিকায় বিশ্বের ২০৬টি দেশের ১৩ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত লাখ আট হাজার ৪৮০ জন গবেষকের নাম এসেছে। এতে বাংলাদেশের এক হাজার ৭৯১ জন রয়েছেন।এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ, গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশ-বিদেশে অবস্থানরত গবেষকেরা এ তালিকায় রয়েছেন।

গবেষকদের গুগল স্কলারের রিসার্চ প্রোফাইলের বিগত ৫ বছরের গবেষণার এইচ ইনডেক্স, আইটেন ইনডেক্স এবং সাইটেশন স্কোরের ভিত্তিতে র‍্যাংকিংটি প্রকাশ করেছে এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৫:৩১ অপরাহ্ন
ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ২০২১-২২ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা
ক্যাম্পাস

ফামিন জাহান ঐশী, পবিপ্রবি প্রতিনিধি: সম্প্রতি ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ‘র ২০২১-২২ সেশনের জন্য নতুন এক্সিকিউটিভ বোর্ড (ইবি) এবং কন্ট্রোল বোর্ড (সিবি) ঘোষণা করা হয়েছে। এক্সিকিউটিভ বোর্ডে লোকাল ডিরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইয়াসমিন তিথি।

এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী এস.এম. রিয়াজ-উস সালেহীন, ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ এক্সচেঞ্জ নির্বাচিত হয়েছেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহসিনা সুলতানা শৈলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ এক্সটার্নাল রিলেশনস পদে নির্বাচিত হয়েছেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আরিফুর রহমান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ ফিন্যান্স নির্বাচিত হয়েছেন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী চৈতী রায় বৃষ্টি।

কন্ট্রোল বোর্ডে হেড অফ কন্ট্রোল বোর্ড হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সুজিত মন্ডল। এছাড়া মেম্বারশিপ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং রিসার্চ এন্ড প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মিতু দত্ত। এছাড়া কোয়ালিটি বোর্ড মেম্বার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের আরো ২৬ শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যারা সংগঠনের গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করবে।

ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ২০২০-২১ সেশনের ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ আল মারুফের কাছে নবনির্বাচিতদের কাছে তার চাওয়া-পাওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে জ্ঞান চর্চা করা; কিন্তু আমরা যখন এক্সট্রা-কারিকুলাম এক্টিভিটিসের সাথে যুক্ত হই বা কোন ক্লাব/সংগঠনের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে চলে আসি, তখন আমাদের দায়িত্ব অনেকাংশে বেড়ে যায়। তখন আমাদের খেয়াল রাখতে হয় আমাদের সংগঠনের উন্নয়নের পাশাপাশি আমাদের যারা সাধারণ শিক্ষার্থী থাকে, তাদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আমরা কাজ করতে পারছি কি না।

এছাড়া আমরা আমাদের লেখাপড়াটাকে যদি ‘১’ ধরি, তাহলে এরপর ছাত্রজীবনে এক্সট্রা-কারিকুলাম এক্টিভিটিসের মাধ্যমে আমরা যা কিছুই শিখছি না কেন, সবকিছুই একটা একটা ‘০’ যুক্ত করে আমাদের একের সাথে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন সবার জন্য শুভকামনা তো থাকবেই, পাশাপাশি সবাইকে অনুরোধ করবো খেয়াল রাখার জন্য যেন তাদের ‘১’ এর মান ঠিক থাকে। ‘১’ এর মান ঠিক রাখতে পারলে শিক্ষাজীবন শেষে ১০ থেকে শুরু করে কয়েক লক্ষ বা কোটি নিয়েও আমরা বের হতে পারবো; কোন কারণে ‘১’ ছুটে গেলে, দিনশেষে হাতে শূন্যই থাকবে। তাই আশা করবো আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে কাজ করে যাবে। অভিনন্দন ও শুভকামনা তাদের জন্য।“

এছাড়াও ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ‘র ২০২০-২১ সেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্লাবন সাহা নবগঠিত কমিটির জন্য শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালীন বলেন, “সবাইকে অভিনন্দন ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ‘র নতুন কমিটি মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য। আমি আশা করবো আমার অনুজ যাদের উপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তারা আমাদের সকল শ্রদ্ধেয় শিক্ষক এবং এডভাইসার যারা রয়েছেন, তাদের পরামর্শ, সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতায় অনেক ভালো ভালো কাজ করবে।

সর্বোপরি এই সংগঠনের মাধ্যমে তারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যেমন একটি জ্ঞান আহরণের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিবে, তেমনি এর পাশাপাশি বাংলাদেশের কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের যারা রয়েছেন, প্রান্তিক পর্যায়ে যারা কাজ করছেন তাদেরসহ সকলেরই উপকার সাধন করার চেষ্টা করবেন। এছাড়াও আমাদের যেই সেক্টরগুলো রয়েছে যেখানে আরো কাজ করা সম্ভব ও সুযোগ রয়েছে, সেই খাতগুলো চিহ্নিত করে তারা বিশেষ নজর দিবেন বলে আশা করছি। নতুন কমিটির কাছে মূলত এগুলোই আমার আহবান থাকবে এবং সবার জন্য শুভকামনা। আশা করছি সবাই অনেক অনেক ভালো কাজ করবেন।“

নবনির্বাচিত লোকাল ডিরেক্টর ফারজানা ইয়াসমিন তিথির কাছে তার অনুভূতি ও কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের সাথে নবনির্বাচিত সকল কমিটি মেম্বারকে অভিনন্দন এবং অবশ্যই আমাদের পূর্বের কমিটির সবার জন্য অসংখ্য শুভকামনা; যারা আমাদের সুশৃঙ্খলভাবে পথ চলতে শিখিয়েছেন। সবার ভালোবাসা এবং পরিশ্রমের ফলস্বরূপ ইয়াস পবিপ্রবি আজকে এই জায়গায় এসে পৌঁছেছে। আমরা সাফল্যের সাথে চার বছরে পা রাখতে যাচ্ছি। সত্যি বলতে ইয়াস একটি পরিবারের নাম, যে পরিবার তার পরিবারের সদস্যদের দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে সাহায্য করে। নিজের পরিবারকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো এবং সামনের দিনগুলোতে আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে ইয়াস পরিবারের সবাইকে ঠিক আগের মতোই পাশে পাবো বলে আশা করছি। আমরা সবাই মিলে একসাথে চেষ্টা করবো আমাদের অগ্রজদের দেখানো পথ ধরেই ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ‘কে এক অনন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে।“

IAAS Bangladesh বা International Association of Students in Agricultural and Related Sciences Bangladesh কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা এবং প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ২০১৭ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে বাংলাদেশে যার যাত্রা শুরু হয় এবং বর্তমানে যেটি দেশের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে কাজ করে চলেছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালে ইয়াস বাংলাদেশের ২য় ক্যাম্পাস হিসেবে ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি ‘র যাত্রা শুরু হয়। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই পবিপ্রবি অঙ্গনে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয় যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আবিদুর রহমান আবিদ, সোহানুর সোহান, নুসরাত হুদা, দৃষ্টি রাণী দাস, প্লাবন সাহা, আবদুল্লাহ আল মারুফ সহ প্রমুখ শিক্ষার্থী; যারা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং ব্যক্তিগত উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। ১০ই অক্টোবর, ২০২১ তারিখে ইয়াস বাংলাদেশ তাদের ৪র্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন করতে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৪:১৫ অপরাহ্ন
শেকৃবির বিজ্ঞান ক্লাবের পরিযায়ী পাখি দিবস পালিত
ক্যাম্পাস

পরিযায়ী পাখির আবাসস্থলকে নিরাপদ রাখা, বিচরণস্থল সংরক্ষণ, পাখির নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিবছর ৯ই অক্টোবর বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালিত হয়।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ক্লাব রাজধানী ঢাকার মিরপুর দোয়ারি পাড়ায় প্রবর্তন ফাউন্ডেশন পরিচালিত স্কুলে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে সচেতনতামূলক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উক্ত অনুষ্ঠানে সচেতনতামূলক একটি অ্যানিমেশন ছায়াছবি ও একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

No description available.

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন। পরবর্তীতে শিশুদের জন্য একটি পাখি বিষয়ক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম তিনজন প্রতিযোগিকে পুরুস্কার প্রদান করা হয় এবং প্রতেক প্রতিযোগিকে শান্তনা পুরুস্কার হিসেবে রং পেন্সিল, চিত্রাংকন সামগ্রী ও খাবার প্রদান করা হয়।

এছাড়া আশেপাশের শিশুদের মাঝে পরিযায়ী পাখি সম্পর্কে সচেতনটা বৃদ্ধির জন্য লিফলেট ও ফ্লাইয়ার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, উক্ত অনুষ্ঠানটি East Asian – Australasian Flyway Partnership, বাংলাদেশ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) ও প্রবর্তন ফাউন্ডেশন এর যৌথ সহযোগিতায় সম্পূর্ণ হয়।

World Migratory Bird Day 2021, Sing, Fly, Soar – Like a bird! (পাখির মত গান গাই, উড়ে আর ভেসে বেড়াই)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শেকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত
ক্যাম্পাস

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভা যাত্রার মাধ্যমে বিশ্ব ডিম দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। শোভাযাত্রা শেষে জনসাধারণের মাঝে সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার(৮ অক্টোবর) পোল্ট্রি প্রোফেশনাল’স বাংলাদেশ (পিপিবি) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে শেকৃবি ক্যাম্পাসে ডিম দিবস উপলক্ষ্যে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডীন এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ, পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের উপদেষ্টা এনিম্যাল প্রোডাকশন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, এনাটমি, হিস্টোলজি ও ফিজিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রাসেল, পিপিবি’র কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার, পিপিবি’র কোর টিম সদস্য এবং ইবোনিক বাংলাদেশ লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ সঞ্জিত চক্রবর্তী, কোর টিম সদস্য ডাঃ আবদুর রহমান রাফি, শেকৃবি ইউনিটের কো-লিডার রূপ কুমার এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উক্ত আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে “Shinil Group”।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিল গ্রুপের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রাজিবুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ লিমা খন্দকার।

No description available.

এছাড়াও পিপিবি ভলান্টিয়ার টিমের হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, “ডিম একটি আদর্শ ও পরিপূর্ণ খাবার। ডিম খেলে হার্টের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

একটি নতুন প্রাণের বিকাশ হয় ডিমের মধ্য থেকে অর্থাৎ ডিমের মধ্যে সকল পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।” উপস্থিত বক্তারা সকলকে ডিম খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন এবং ডিমের পুষ্টিগুণ জনসাধারণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৭, ২০২১ ৬:১৮ অপরাহ্ন
সিকৃবিতে মাছের রোগ নির্ণয়ে ল্যাবরেটরি উদ্বোধন
ক্যাম্পাস

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদে মাছের রোগ নির্ণয়ের জন্য অত্যাধুনিক একটি ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করেন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মতিয়ার রহমান হাওলাদার। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, বৈজ্ঞানিক, ছাত্র-গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভাইস চ্যান্সেলর শুরুতেই মাছের পোনা অবমুক্ত করেন, তারপর ল্যাবরেটরির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ঘুরে ঘুরে দেখেন। রেফ্রিজারেটেড সেকার ইনকিউবেটর, অটোক্লেভ মেশিন, লামিনার এয়ার ফ্লও, ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রি এনালাইজার, হট এয়ার ওভেন, কমপাউন্ড মাইক্রোস্কোপসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি এই ল্যাবরেটরিতে স্থান পেয়েছে।

ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, এই ল্যাবরেটরি থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা হতে পারে, যা বাংলাদেশের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে অবদান রাখবে।

মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুনের তত্ত্বাবধানে ‘ফিশ ডিজিজ ডায়াগনোসিস ও ফার্মাকোলজি ল্যাব’ নামে ল্যাবরেটরিটি স্থাপন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২১ ১১:৪০ অপরাহ্ন
শেকৃবির ফিসারিজ অনুষদের নতুন ডিন ড. শাহাবুদ্দিন
ক্যাম্পাস

অনিক, শেকৃবি: শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন দায়িত্ব প্রাপ্ত হন।

ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদন ক্রমে রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয় – শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের বর্তমান ডিন অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবীব এর ডিন হিসেবে নিযুক্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে বিধায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ এর ২৩ (৫) উপ ধারা মোতাবেক সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে উক্ত অনুষদের পরবর্তী জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন, একোয়াকালচার বিভাগ’কে পরবর্তী দুই বছরের জন্য উক্ত অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

উল্লেখ্য যে অধ্যাপক ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন একই সাথে উক্ত অনুষদের একোয়াকালচার এবং একোয়াটিক এনভাইরনমেন্ট এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ সমূহের চেয়ারম্যান হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন ।

তিনি ২০০৭ সাল থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছেন।

অধ্যাপক ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন বাংলাদেশে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের বায়োফ্লক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে যথেষ্ট কৃতিত্ব ও প্রশংসা অর্জন করেছেন। তিনি জাপানের মিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন এবং এ বিশ্ববিদ্যালয় হতে গবেষণায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য প্রেসিডেন্ট এওয়ার্ড এবং থাইলেন্ডের এশিয়ান ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) হতে এম. এস. – তে শিক্ষা-গবেষণায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থিদের মধ্যে সর্বোচ্চ মেধার পরিচয় দেয়ায় তিনি গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি গবেষণা এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থায় (FAO) এ জাতীয় পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop