ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (রোববার, ২৩ জানুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি
৯:০২ অপরাহ্ন
মহামারি করোনাকালে লোকসান সামলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে পোল্ট্রি শিল্প। সরকারের প্রণোদনায় আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে এ খাতটি। পোল্ট্রি সেক্টরের মুরগি ও ডিম রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে, এমন প্রচারণায় গণমানুষের মধ্যে ব্রয়লার মুরগি ও ডিম খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এক বছর আগে করোনার শুরুতে এ খাতটি ভেঙে পড়লেও এখন পোল্ট্রি শিল্প বেশ মজবুত অবস্থানে ওঠে এসেছে। এ খাতে নতুন বিনিয়োগ বেড়েছে। বাজারে পোল্ট্রি মুরগি ও ডিমের দাম অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পোল্ট্রি সেক্টরের ব্যবসা রমরমা হয়ে ওঠেছে।
পোল্ট্রি শিল্পে এখন আর বিনিয়োগের ঘাটতি নেই। প্রচুর বড় বড় কোম্পানি দাঁড়িয়ে গেছে এবং তাঁরা ক্রমাগতভাবে দেশেই বিনিয়োগ করে চলেছেন। এখন কোয়ান্টিটি নয় বরং কোয়ালিটির দিকেই ঝুঁকেছে দেশীয় পোল্ট্রি শিল্প। অনেক বাধা পেরিয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তারা রপ্তানি শুরু করেছেন। দেশের উদীয়মান খাত হিসেবে পোল্ট্রি শিল্পে দেশীয় বিনিয়োগ ৪৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বিমান বাংলাদেশের যাত্রীদের উন্নতমানের খাবার সরবরাহের তাগাদা থেকেই বিদেশ থেকে উন্নতজাতের পোল্ট্রি মুরগি আমদানির প্রয়োজন দেখা দেয়। আর এ চাহিদা থেকেই স্থাপিত হয় ‘বিমান পোল্ট্রি কমপেস্নক্স’। ইউরোপ থেকে উন্নতজাতের মুরগির বাচ্চা দেশে এনে দেশেই শুরু হয় লালন-পালন। এসব মুরগির জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের চাহিদা যদিও প্রাথমিকভাবে আমদানিকৃত ফিডের মাধ্যমেই পূরণ করা হতো; তবে বেসরকারি পর্যায়ে পোল্ট্রি পালন শুরু হওয়ায় দেশের ভেতরেই গড়ে উঠতে থাকে ফিড তৈরির কারখানা।
প্যারেন্টস্টক ফার্মের পর গড়ে উঠে গ্রান্ড প্যারেন্টস্টক (জিপি) খামার। ফিড মিল থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক খামারেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে। প্রযুক্তির আশির্বাদে আমূলে পাল্টে যেতে শুরু করে দেশীয় ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ। এ সময়ে দুয়েকটি ছোট আকারের পোল্ট্রি প্রসেসিং পস্ন্যান্টও গড়ে উঠে। বড় বড় কোম্পানি গড়ে উঠে; এদের মধ্যে কেউ কেউ ছোট খামারিদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়িয়ে নিজস্ব কোম্পানিতে উৎপাদিত ফিড, বাচ্চা, ওষুধ ইত্যাদি সরবরাহের মাধ্যমে ক্ষুদ্র পরিসরে ইন্টিগ্রেটেড ফার্মিং শুরু করে।
মানুষের ব্যস্ততা, চাহিদা ও রুচির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সারা বিশ্বেই প্রসেসড ফুডের চাহিদা বাড়তে থাকে। শুরুতে বিদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস থেকে প্রস্তুতকৃত খাদ্য বাংলাদেশে এলেও ধীরে ধীরে দেশীয় উদ্যোক্তারাও এ ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে শুরু করেন। একটি দু’টি করে বেশ কয়েকটি দেশীয় কোম্পানির বিভিন্ন পদের পোল্ট্রিজাত খাদ্যের পসরা সাজাতে শুরু করে রাজধানী ঢাকার বড় বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে। আকর্ষণীয় ও উন্নতমানের বাহারি মোড়ক ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে শুরু করে। ফলে এ সময় পণ্যের ব্রান্ডিংও বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দেশের মানুষ সাধারণত জীবন্ত মুরগি কিনতেই অভ্যস্ত।
অবশ্য কোভিড-১৯ মহামারির সময় প্রসেসড মার্কেট নতুন করে আশা জাগিয়েছে। একদিকে বাড়ির বাইরে কিংবা কাঁচাবাজারে গেলে জীবাণু সংক্রমণের ভয়; অন্যদিকে রোগ প্রতিরোধে এন্টিবডি তৈরি বা ইমিউনিটি বৃদ্ধির অনুসঙ্গ হিসেবে প্রোটিন খাদ্য- ডিম ও মাংস গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা থেকে প্রসেসড মুরগির চাহিদা বেড়েছে। বলা যায়, এ কারণে করোনা মহামারি চলাকালীন অন্যান্য শিল্পের চাকা বন্ধ হয়ে গেলেও ঘুরতে শুরু করে পোল্ট্রি প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির চাকা।
পোল্ট্রি শিল্পেও নতুন নতুন মডেল ও কনসেপ্ট এসেছে। আন্তর্জাতিকভাবে সেগুলোর অনুমোদনও দেয়া হয়েছে। অনেক দেশেই পোল্ট্রি জোন হয়েছে; কম্পার্টমেন্টালাইজেশন করা হয়েছে- যা পোল্ট্রি রপ্তানিকে আগের তুলনায় বেশ খানিকটা সহজতর করেছে। বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক সংবাদ হচ্ছে- দেশীয় উদ্যোক্তাদের অদম্য প্রচেষ্টায় ২০১৯ সালে ভারতের আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে পোল্ট্রি ও ফিস ফিডের রপ্তানি শুরু হয়েছে এবং চলতি বছরে নেপালে রপ্তানি হতে যাচ্ছে একদিন বয়সি মুরগির বাচ্চা।
পোল্ট্রি খাতে পরিবর্তন আনতে হলে তৃণমূল খামারিদের সঙ্গে নিয়েই ইন্টিগ্রেশন শুরু করতে হবে। ক্ষুদ্র খামারিদের দক্ষতা বাড়াতে হবে, পোল্ট্রি বিজ্ঞান সম্পর্কে তাদের পরিষ্কার ধারণা দিতে হবে। আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে তাদের আপডেট করতে হবে। দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে জুতসই দেশজ প্রযুক্তি ও কৌশলকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে পারফরম্যান্স বাড়ানো যায়, কীভাবে নিরাপদ ও অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত গ্রিন চিকেন মিট ও ডিম উৎপাদন করা যায় সে উপায় খুঁজে বের করতে হবে।
পোল্ট্রিতেও কৃষির হারে বিদ্যুৎও পানির বিল নির্ধারণ করতে হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও করতে হবে। সরকারিভাবে বিনামূল্যে জীবাণুনাশক ও পানি বিশুদ্ধকরণ ঔষধ, টিকা, ইত্যাদি প্রদান করতে হবে। ক্ষুদ্র খামারিদের ব্যাংক ঋণ সুবিধার আওতায় আনতে হবে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সাধারণত গ্রাম পর্যায়ের তৃণমূল খামারিদের ঋণ দিতে চায় না- যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা রয়েছে। এ কারণে তাদের স্থানীয় মহাজন বা সুদের মহাজনের হাতে জিম্মি হতে হয়।
দু‘হাজার লেয়ার দিয়ে শরু করে এখন সাড়ে আট হাজার লেয়ার এবং তেরো‘শ ব্রয়লারের মালিক ভোলার লালমোহনের হাফেজ সোহেল। হাফেজী, ক্বওমী এবং ভোকেশনাল পড়া অবস্থায় স্বাবলম্বী হওয়া এবং পরিবারকে সাপোর্ট দেয়ার তাড়নায় শুরু করেন মুরগি এবং মাছের খামার। সময়ের স্রোতে আজ একজন সফল খামারি তিনি। এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে উঠে আসে সংগ্রামী জীবনের গল্প।
এক সময় এলাকায় নিয়মিত ক্রিকেট খেলায় ভালো নামডাক ছিল। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেলে পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব চলে আসে তার কাঁধে। ফলে পরিবারের কথা চিন্তা করে এক বন্ধুর সাথে কিছু মাস মুরগির খামারে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শুরু করেন খামার।
সোহেল জানান, ১০ লাখ টাকা চালান দিয়ে এবং ডিলারের কাছে ৯লাখ টাকা বকেয়া রেখে শুরু করেন খামার। তবে, তার সেই ব্যাচ শেষ হওয়ার আগেই শোধ করে দেন ডিলারের বকেয়া। তারপর ২০১৭ সালের প্রথম দিকের ১ম ব্যাচ এর লাভ দিয়ে পরে তিন হাজারের একটা পুরো সেট তিনি সম্পূর্ণ করেন। যেখানে তার লাভ হয়েছিলো প্রায় ১৫ লাখ টাকার মত। এভাবেই চলতে থাকে হাফেজ সোহেলের খামার ব্যবসা ।
খামারে ভালো উৎপাদন, ডিমের দাম ভালো থাকা আর খামারে নিজেই কাজ করাতে ভালো লাভের মুখ দেখেছেন তিনি । লকডাউনের ভিতরে লাভ কিছুটা কম হলেও লস হয়নি বলে এগ্রিভিউ২৪.কম কে জানান হাফেজ সোহেল।
বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, আজ ৫ বছর ধরে খামার করছি তবে ২০২১ সালটাতে এসে খুব একটু সুবিধা করতে পারছি না, বর্তমানে বাজারে ফিডের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যা খামারিদের নাগালের বাইরে। যে হারে ফিডের দাম বাড়ছে সেই হারে বাড়ছে না বাজারে মুরগির দাম। এছাড়া ডিমের দামও খুব বেশি উঠানামা করে ফলে বেশি টাকা দিয়ে ফিড কিনে যদি চালানও না উঠে তবে সেখানে খামারিদের হতাশ হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
তিনি বলেন, ফিডের সাথে সাথে বাজারে মুরগি এবং ডিমের দামও বাড়াতে হবে। একদিকে ফিডের দাম বাড়বে আর অন্যদিকে মুরগি আর ডিমের দাম কমবে এতে করে খামারিদের লস ই হবে। তবে, এই সেক্টরে দাম উঠা-নামা করলে এবং সঠিক পরিচর্যা আর নিয়ম মেনে খামার করতে পারলে লাভের অংকটাই বেশি বলে জানান সোহেল।
পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২২/০১/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
সাদা ডিম=৭.৩০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩০-৩৫
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৭.৯০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৭.৭০
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০-৩২
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৪৮-৫০
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৮
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮৩
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/১২৮ কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫০
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২১/০১/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
সাদা ডিম=৭.৩০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩০-৩৫
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩১-৩৩
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৪-৫৫
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১২৮ কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/২০৫কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি)-এর ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে সাতটির সঙ্গে পোলট্রিশিল্পের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বিধায় আলাদাভাবে এই শিল্পের গুরুত্ব অনায়াসেই চলে আসে। কারণ বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষির উপখাত হিসেবে পোলট্রি খাতের অবদান ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং প্রায় ২০ লাখ মানুষের স্বনিয়োজিত কর্মসংস্থান প্রত্যক্ষভাবে এই খাতে রয়েছে। যদি পরোক্ষ অংশটি যোগ করা হয়, তবে এই অঙ্কটি দাঁড়ায় প্রায় ৮০ লাখ।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ বলছে, মানুষের প্রাণিজ আমিষ চাহিদার ৪৫ শতাংশ এখন পোলট্রি খাতনির্ভর এবং এ খাতে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে আত্মকর্মসংস্থান তথা উৎপাদন আয় বাড়ানোর অপূর্ব সুযোগ রয়েছে।
পোলট্রিশিল্পের সঙ্গে সংযুক্ত সংগঠনের নেতারা মনে করেন, দেশে প্রতি বছর গড়ে ১৫ লাখ জনশক্তি শ্রমবাজারে যোগ হচ্ছে। আবার শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে এক শতাংশ হারে কমছে আবাদি জমি— যা এক বিস্ময়কর চিত্র। এ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তা তথা পুষ্টিনিরাপত্তায় এক জ্বলন্ত ভূমিকা রাখতে পারে এই খাতটি।
খাদ্য কৃষি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, মানব দেহের শক্তির ৬০ শতাংশ আসবে শস্যজাতীয় পণ্য থেকে, ১৫ শতাংশ আসবে আমিষজাতীয় খাদ্য থেকে এবং এই আমিষের ২০ শতাংশ হবে প্রাণিজ আমিষ অর্থাৎ মাছ, মাংস ও ডিম থেকে। বর্তমানে বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন একজন মানুষ ৭ গ্রাম ডিম এবং ১৪ গ্রাম মুরগির মাংস খেয়ে থাকে, যা থেকে আমিষ আসে যথাক্রমে এক ও তিন গ্রাম; অথচ এই সংখ্যাটি হওয়ার কথা কমপক্ষে ১৫ গ্রাম। একটি প্রবাদ আছে ‘সুস্থ খাবার সুস্থ জাতি’ এবং এর জন্য প্রয়োজন পোলট্রি উৎপাদনে জীবাণুমুক্ত ব্যবস্থাপনা।
একসময় এই শিল্পটি ছিল আমদানিনির্ভর; কিন্তু বর্তমান বাজারে ক্রমাগত চাহিদার কারণে এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত পোলট্রি খাদ্যের প্রায় ৯৫ শতাংশই আধুনিক ফিড মিলগুলোয় উৎপন্ন হচ্ছে এবং এই খাদ্যে ব্যবহূত ভুট্টার প্রায় ৪০ শতাংশ দেশীয় খামারে উৎপাদিত হচ্ছে। এই পোলট্রিশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের ৪০ শতাংশই নারী, যা নারীর ক্ষমতায়নে কৃষির পরই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে।
দেশের আধুনিক হ্যাচারিগুলোতে যান্ত্রিক উপায়ে প্রতি সপ্তাহে এক দশমিক ১০ কোটি ডিম ফোটানো হয় এবং এই শিল্পের বর্জ্য থেকে তৈরি হয় বায়োগ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার।
বাংলাদেশে সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে মুরগির মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়, যা ঢাকা শহরের বিভিন্ন পাঁচতারকা হোটলসহ শপিংমলগুলোতে সরবরাহ করা হয়। এ ব্যাপারে দাতা সংস্থা কিংবা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আগামীতে এ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ৫০ হাজার কোটি টাকা এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এক কোটি জনশক্তির হবে বলে আশা করা যায়।
কারণ এই খাতের ব্যবসা আর পাঁচটি ব্যবসার মতো নয় এবং গ্রামাঞ্চলে অগণিত খামারি সনাতনি কায়দায় খামার পরিচালনা করে থাকেন, যেখান থেকে ডিম কিংবা মাংস সরবরাহ একটি স্পর্শকাতর বিষয়; কিন্তু এই ব্যবসায় উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ অন্যান্য ব্যবসার আদলে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে— যার মধ্যে রয়েছে রোগবালাই, আপদকালীন সময়ের জন্য প্রণোদনা, কর মওকুফ সুবিধা, কাঁচামাল ও পণ্য আমদানিতে শুল্ক অব্যাহতি, নীতি সহায়তার অনুপস্থিতি, অ্যাডভান্স আয়কর, পোলট্রি খাতকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের মর্যাদা না দেয়া, ওষুধের ওপর থেকে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, ডিডিজিএসের ওপর থেকে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট বলবত, ঋণের ক্ষেত্রে বর্ধিত হারে সুদের হার ইত্যাদি।
বর্তমানে পোলট্রি কৃষির উপখাত হলেও ঋণ নিতে হয় শতকরা ১৬ টাকা হারে; অথচ কৃষি খাতে ঋণের সুদ মাত্র ৫ শতাংশ। একটি বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতিটি পোলট্রি ফার্মের ৬৫ শতাংশ খরচ হয় ফিডে, যার মূল উপাদান ভুট্টা। এর উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে অনায়াসেই ডিম-মাংসের দাম কমে আসবে। কারণ ভুট্টার প্রায় ৪০ শতাংশ দেশীয় খামারে উৎপাদিত হয়। দেশে অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য হিমাগারের ব্যবস্থা রয়েছে, বিশেষত আলু, দুধ, মাছ ইত্যাদি; কিন্তু ডিম কিংবা মাংসের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয় না। সরকার পোলট্রিকে শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, ফলে প্রতিটি খামারের নিবন্ধন জরুরি— যা প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করবে।
অপুষ্টিতে ভুগছে পোলট্রি খাত : করোনায় দেশের যেসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর অন্যতম হলো ‘পোলট্রি খাত’। বাংলাদেশ ‘পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল’ (বিপিআইসিসি)-এর হিসাবমতে, জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ফিড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় ৫২৯ কোটি টাকা এবং সামগ্রিকভাবে পোলট্রিশিল্পে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আর গত ১২ বছরের মধ্যে পোলট্রির দর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছিল এই দুর্যোগের কারণেই। ২০২০ সালের জুন মাসের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩৫-৪০ শতাংশ ফিডের উৎপাদন এবং প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাক্টের বিক্রি কমে গেছে।
বস্তুত পোলট্রি খাতের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারির অবস্থা এখন চরম সমস্যাক্রান্ত। তারা নিপতিত হয়েছেন উভয় সংকটে। একদিকে পোলট্রি খাদ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে কমেছে মুরগি ও ডিমের দাম। গত বছর পোলট্রি ফিডের দাম টনপ্রতি ছিল ৩১ হাজার টাকা, তখন ডিমের দাম ওঠে সাত-আট টাকায়, আর এ বছর পোলট্রি খাদ্যের টন ৪১ হাজার টাকা, অথচ ডিমের দাম কমে নেমে এসেছে চার-পাঁচ টাকায়! লকডাউনে কমেছে মুরগির দাম। এ অবস্থায় দেশের কয়েক লাখ প্রান্তিক খামারি দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
লকডাউনে পোলট্রি খামারিদের অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে পড়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ— দুটিই পড়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। তবে বাস্তবতা হলো, পোলট্রি ফিডের মূল্যবৃদ্ধি একটি বড় সমস্যা। পোলট্রি ফিডের অন্যতম উপকরণ ভুট্টা পোলট্রি ফিড হিসেবে দাম বাড়াটা অযৌক্তিক বটে। করোনায় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমনিতেই উৎপাদন মূল্য পাচ্ছেন না, তার ওপর পোলট্রি ফিডের দাম বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
পোলট্রি দেশের অন্যতম শিল্প খাত। তাই এ খাতকে শুধু বাঁচিয়ে রাখা নয়, এর শ্রীবৃদ্ধিও ঘটানো উচিত। এ অবস্থায় মৎস্য ও প্রাণিখাদ্য প্রস্তুতকারক ফিড ইন্ডাস্ট্রির স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিড রপ্তানির বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি ২০২৫ সাল নাগাদ পোলট্রি মাংস, ডিম ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের রপ্তানি মার্কেটে প্রবেশের সক্ষমতা অর্জনের জন্য বর্তমান বছরের বাজেটের জন্য তিনটি প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে পোলট্রি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে।
প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে : সরকারের দেয়া বিদ্যমান সুবিধাগুলো অগ্রিম কর, অগ্রিম আয়কর, কর ও শুল্ক, ভ্যাট ইত্যাদি আরো অন্তত ১০ বছর অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত রাখা। এ ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, বিশ্বের বড় বড় দেশের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অস্থিরতার কারণে রপ্তানিকারক দেশগুলো প্রয়োজনীয় কাঁচামাল রপ্তানির পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছে। বিগত কয়েক মাস যাবৎ মৎস্য ও প্রাণিখাদ্যে ব্যবহূত কাঁচামালের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া কাঁচামাল পরিবহনে কনটেইনার ও জাহাজ ভাড়াও প্রায় ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় কোভিডের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী ১০ বছরের জন্য কর অব্যাহতি সুবিধা প্রয়োজন।
এছাড়া উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে ২ থেকে ৫ শতাংশ কর কর্তনের বিধানটি রহিত করার প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া উদ্যোক্তারা পশুখাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট ট্যাক্স ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশের প্রস্তাব করেছে।
কারণ হিসেবে বলা হয়, আগে কর্পোরেট ট্যাক্সের হার ছিল শূন্য শতাংশ। ২০১১ সালে তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ; ২০১৪-১৫ সালে তা কমিয়ে ৩ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে তা আবারও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। গত বছর করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হয়েছিল। এবারও যদি সে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়, তাহলে এ শিল্পের ক্ষতি অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।
অপার সম্ভাবনার পোলট্রিশিল্পে নজর দিন : করোনার অভিঘাত শেষ হলে দেশে প্রাণিসম্পদের মেলা শুরু করতে হবে, যা হবে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। গ্রামাঞ্চলে অগণিত খামারি সনাতনি কায়দায় খামার পরিচালনা করে থাকে, যেখান থেকে ডিম কিংবা মাংস উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ অন্যান্য ব্যবসার আদলে করা যায় না।
কারণ যখন উৎপাদন হয়, তখনই বিক্রি করতে হয়, ফলে অস্থিতিশীল বাজারে উৎপাদকরা পুঁজি হারাচ্ছেন। তাছাড়া চাহিদার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সরবরাহ না থাকা, রোগবালাই, আপদকালীন প্রণোদনা না থাকা, কাঁচামাল ও পণ্য আমদানিতে শুল্ক, আয়কর, পোলট্রি খাতকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের মর্যাদা না দেয়া, ওষুধের ওপর উচ্চ আমদানি শুল্কহার, ঋণের ক্ষেত্রে বর্ধিত হারে সুদহার ইত্যাদিও রয়েছে।
পোলট্রি কৃষির উপখাত হলেও ঋণ নিতে হয় ডাবল ডিজিটে অথচ কৃষি খাতে ঋণের সুদ মাত্র ৫ শতাংশ। বিদেশি কোম্পানির আগ্রাসনও দেশীয় খামারিদের সর্বনাশ করছে। অন্যদিকে কৃষিতে বিদ্যুৎ বিলে প্রণোদনা ও ছাড় থাকলেও পোলট্রি খামারিদের শিল্প খাতের বিল পরিশোধ করতে হয়। ফ্রোজেন মাংস আমদানি করে দেশীয় খামারিদের ক্ষতি করা হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের পোলট্রিশিল্প চলে যাচ্ছে বিদেশি কোম্পানিদের হাতে। এ ব্যাপারে প্রাণী স্বাস্থ্যসেবাকে জরুরি ঘোষণা করা, প্রতি উপজেলায় হাসপাতাল নির্মাণসহ পোলট্রি ভ্যাকসিন-সেবা নিশ্চিতকরণ ও প্রাণিসম্পদ সেবাকে জরুরি সেবার আওতায় এনে এর লোকবল কাঠামো আধুনিকায়ন সময়ের দাবি হিসেবে দেখা দিয়েছে।
লেখক: ড. মিহির কুমার রায়
অধ্যাপক ও ডিন, সিটি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা
পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২০/০১/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
সাদা ডিম=৭.৩০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩০-৩৫
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৮.০০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৭.৮০
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩১-৩৩
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৪-৫৫
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৯/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১৫
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৪০ কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/২১০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৭.১০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৪
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/ কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৯/০১/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৭.৩০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩০-৩৫
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৪২/কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩১-৩৩
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৪-৫৫
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৫
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬২
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৭
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৪০ কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/২১০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩০
সোনালী রেগুলার=২৬
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৯০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৬/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৮০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৪
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
পোল্ট্রি খামারের দিকে বর্তমানে অধিক লাভ আর মাংসের চাহিদা পূরণে অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে এই খাতে যদি খাবারসহ আরো নানাবিধ অপচয় কমানো যায় তাহলে এই খাতে আরো লাভবান হওয়া সম্ভব। সুতরাং প্রত্যেক খামারিদের খামারে খাদ্য অপচয় রোধ সম্পর্কে জানা একান্ত দরকার।
খামারে খাদ্যের অপচয় রোধে করণীয়: পোলট্রি খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে। পোলট্রি খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে।
খাদ্যের পাত্র পূর্ন করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে। খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।
পোলট্রি খামারে কৃমির সংক্রমণ বিশেষ করে সোনালী বা কক মুরগীতে গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে।মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।