৪:৫৩ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ৬ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২৪ ১:২৩ অপরাহ্ন
সিকৃবি ভিসির পদত্যাগ দাবিতে উত্তপ্ত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাস

পতিত স্বৈরাচারের দোসর দুর্নীতিবাজ জামালের একমাত্র গুন দুর্নীতি – বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক 

১৬ আগস্ট  শুক্রবার ছুটির দিনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলাতক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা অজ্ঞাত অবস্থান  থেকে  অফিস আদেশ জারির হিন চেষ্টার প্রতিবাদে শনিবার (১৭ আগস্ট) সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র , শিক্ষক , কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা বলেন অনিয়ম , দুর্নীতি  ও স্বজনপ্রীতির বরপুত্র ডা. জামাল ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে পতিত স্বৈরাচারের পতনের পর ছাত্র – জনতার রোষানল থেকে  প্রান ভিক্ষা চেয়ে  ও পদত্যাগের  আশ্বাস দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে পালিয়ে যান  ।
তিনি ৬ – ১৫ আগস্ট   পর্যন্ত ডিন কাউন্সিলের আহবায়ককে দায়িত্ব  দিয়ে ছুটির দরখাস্ত  পাঠান। পরে বৈষম্যবিরোধী  ছাত্রআন্দোলন ও সাধারন ছাত্রদের দাবির  প্রেক্ষিতে  ১৪ আগস্ট ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড.  মো. ছিদ্দিকুল ইসলামের  সভাপতিত্বে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতিতে ডিন কাউন্সিলের সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সকল প্রকার  রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত  গৃহীত হয়।  এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদ থেকে শিক্ষক কর্মকর্তারা পদত্যাগ করায়  উদ্ভূত পরিস্থিতিতে  বিদ্যমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সাপেক্ষে  একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সিদ্ধান্ত  হয়।
এই সকল সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে ১৬ সেপ্টেম্বর অগ্যাত স্থান থেকে ফ্যাসিস্ট  হাসিনা সরকারের আমলে  রুজুকৃত প্রফেসর ড. মো. ইউনুসের বিচারকার্য স্থগিতের দাবির প্রতিবাদ জানিয়ে  স্মারক লিপিতে স্বাক্ষরকরা সিকৃবির দুর্নীতিবাজ  ভিসি প্রফেসর ডা.  জামাল উদ্দিন  ভূঞা ১৮ আগস্ট থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম যথারীতি চলবে মর্মে অফিস আদেশ জারীর প্রেক্ষিতে ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্ট ছাত্র, শিক্ষক , কর্মকর্তা  ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে ।
যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছেন  বলে উল্লেখ করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্টরা।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ অফিস আদেশ প্রত্যাখ্যান করি।
কেননা দেশের এমন জরুরী পরিস্থিতিতে শুক্রবার ছুটির দিনে একজন পলাতক ও অবাঞ্ছিত উপাচার্য (যার অসীম দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে) কর্তৃক স্বাক্ষরিত (নীল রংয়ের কলম দ্বারা স্বাক্ষরিত, যা দাপ্তরিক নথি হিসেবে অগ্রহণযোগ্য) যে কোন বিজ্ঞপ্তি বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অফিস আদেশটির অস্তিত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নেই। পলাতক ও অবাঞ্ছিত উপাচার্য কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন স্বার্থান্বেষী মহল অজ্ঞাত স্থান থেকে এ ধরণের বিব্রতকর অফিস আদেশ প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যৌক্তিক দাবি আদায়ে বাঁধা প্রদান করতে চাচ্ছে।  ৬ আগস্ট থেকে  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞার পদত্যাগ দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ১৪ আগস্ট ডিন কাউন্সিলের জরুরী সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সবাই একমত হয়ে বিশ্ব বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম অনতিবিলম্বে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অধিকাংশ পদ হতে (পরিচালক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা, প্রক্টর, প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ইত্যাদি) শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ পদত্যাগ করায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ও ছাত্রদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বিধায় ১৮ আগস্ট হতে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২৪ ৭:৫০ অপরাহ্ন
প্রত্যয় স্কিমে অন্তর্ভুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে বাকৃবির কর্মকর্তারা
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবি থেকেঃ প্রত্যয় স্কিমে অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কর্মকর্তারা ১১তম দিনেও পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিসহ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে অভিন্ন নীতিমালা বাতিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কেল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের দাবি জানান কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন করিডোরে আলাদা আলাদা ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বাকৃবি শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা।বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি আরিফ জাহাঙ্গীর এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার আমজাদ এর সঞ্চালনায় প্রশাসন ভবনের করিডোরে বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তাগন বক্তব্য রাখেন।।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, প্রশাসনিক ভবনে ইতোমধ্যেই তালা দিয়েছেন। এছাড়াও, দুই দিন যাবৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখা বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।


এছাড়াও, প্রত্যয় স্কিম এবং অভিন্ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে আজ থেকে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক পূর্ণদিবস কর্মবিরতি অবস্থান ও প্রতিবাদ সভা পালন করছে জানান আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২৪ ৯:১৫ পূর্বাহ্ন
৭ম দিনের মতো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতি
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের আন্দোলনে অচলাবস্থা চলছে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ০৭ জুলাই রবিবার সপ্তম দিনের মতো সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রত্যয় স্কিমে অন্তর্ভুক্তিকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছেন।কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি পালন অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আল মামুনের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছফি উল্লাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার পরিষদের উদ্যোগে প্রশাসনিক ভবনের সামনে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। অফিসার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. আফরাদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি মোহাম্মদ ছায়াদ মিয়ার সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে অফিসার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অপর দিকে সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান এর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি মোঃ শরীফ হোসেন ভূইয়ার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সম্মুখে কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘প্রত্যয়’ স্কিম ঘোষণার পর থেকেই ক্ষুদ্ধ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকা আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন ৩৫টি পাবালিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই স্কিম বাতিলের দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের আহবানে একই দাবিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন কর্মকর্তরা। অপর দিকে বাংলাদেশ আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহবানে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছে কর্মচারীরা। ফলে অচলাবস্থা বিরাজ করছে সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে। এতে সেশনজটের আশঙ্কা করছে শিক্ষার্থীরা। যদিও শিক্ষক কর্মকর্তারা বলছেন পরবর্তীতে বিশেষ ক্লাস-পরীক্ষা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়া হবে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছফি উল্লাহ ভূঁইয়া বলেন শিক্ষা হচ্ছে জাতির মেরুদন্ড। তাই মেরুদন্ড  কে শক্ত করতে হলে, টেকসই ও মজবুত করতে হলে, শিক্ষায় বিনিয়োগ করতে হবে। এবং যারা এই শিক্ষাদাতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ সব স্তরের শিক্ষকের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। একটি স্বতন্ত্র পে-স্কেল থাকলে জাতির মেধাবী সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় আগ্রহী হয়ে উঠবে। সরকারি কর্মকর্তাদের আমরা বিশ্বাস করি না। ২০১৫ সালে যেভাবে তারা আমাদের রাস্তায় নামিয়েছে। সুপার গ্রেড আমাদের দেয়নি। সেসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, একটি কমিটিও হয়েছে। তবে নয় বছরেও আমরা সুপার গ্রেড পাইনি। তখনও আশ্বাস দিয়েছে। সুতরাং আশ্বাস দিলে হবে না। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিয়ে বসতে হবে। আমাদের সুপার গ্রেড দিতেই হবে।

অফিসার পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ ছায়াদ মিয়া বলেন বিদ্যমান পেনশন স্কিমের অধীনে যারা একই সুবিধাদি পেতেন নতুন স্কিমে তাদের একই স্কিমের অন্তভর্‚ক্ত করা হলে সেটি নিয়ে বৈষম্যের কথা উঠতো না। এটি বৈষম্যমূলক ও দুরভিসন্ধিমূলক। এসময় তিনি অবিলম্বে প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবী জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১, ২০২৪ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ইতালিতে সম্মান সূচক পুরষ্কার পেলেন সিকৃবির ড. ইব্রাহিম খলিল
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: সম্প্রতি ইতালির ইউনির্ভাসিটি অব উদিনথেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্নকারী সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের মৎস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী প্রফেসর ড. সরকার মোঃ ইব্রাহিম খলিল ২৮তম ইতালীয় ন্যাশনাল ফিশ প্যাথলজিকাল কনফারেন্সে মর্যাদাপূর্ণ সেরা পিএইচডি থিসিস পুরস্কার পেয়েছেন। প্রতি বছর ইতালীয় ফিশ প্যাথলজিক্যাল সোসাইটি (ঝওচও) ইতালীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে গত এক বছরে সম্পন্ন থিসিসের মধ্যে একটি পিএইচডি থিসিসকে সেরা থিসিস হিসেবে পুরষ্কার প্রদান করে। এটি ইতালিতে পিএইচডি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। পুরস্কারের অংশ হিসেবে একটি সনদপত্র, নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয় । ২৮ জুন ভলানিয়া সিটির ইউর্ভাসিটি অব ভলানিয়াতে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে ড. ইব্রাহিম খলিলকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ড. ইব্রাহিম খলিলের পক্ষে পিএইচডি কো-সুপারভাইজার ড. ডোনাটেলা ভলপাত্তিপুরস্কার গ্রহন করেন। উল্লেখ্য, ২০০৬ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পুরষ্কার এই প্রথম ইতালিয়ানদের বাহিরে কেউ অর্জন করল। এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন  দেশের পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের থিসিস মুল্যায়ন করে এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

এই পুরষ্কার প্রাপ্তিতে ড. ইব্রাহিম খলিল তার সুপারভাইজার, সহ-তত্ত¡াবধায়ক, তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২৪ ২:১৪ অপরাহ্ন
নব-প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার পরামর্শ ইউজিসি চেয়ারম্যানের
ক্যাম্পাস

নব-প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়নের পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর।

এজন্য শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর পূর্বে প্রয়োজনীয় শিক্ষা অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণ’ শীর্ষক নলেজ শেয়ারিং কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি ) কৃষি অনুষদের কনফারেন্স রুমে শনিবার সকালে (২৯ জুন ২০২৪) ইউজিসি এই কর্মশালা আয়োজন করে।

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান – এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাকৃবি’র এপিএ ও ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সাজেদা আক্তার ও কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম রাব্বানি বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আলমগীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান নিয়ে নানা সমালোচনা রয়েছে। উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছতে সরকার প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্ৰহণ করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারণের সাথে সাথে শিক্ষার মানোন্নয়ন করা না গেলে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক শ্রমবাজারের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়তে পারে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান বিষয়ে প্রফেসর আলমগীর আরও বলেন, জেলার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে প্রথমসারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো একই মানের শিক্ষা প্রদান ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য, মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, পর্যাপ্ত রিসোর্সের ব্যবস্থা করা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ছাড়া এই অভীষ্ট অর্জন করা কঠিন বলে তিনি মনে করেন। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষার কৌশলগত লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ মোট জিডিপির ০৬ শতাংশ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রফেসর সাজেদা আক্তার বলেন, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য লক্ষ্যগুলো সুনির্দিষ্ট ও সময়মতো করতে হবে। এছাড়া, আগামী অর্থবছরে এপিএতে বাকৃবির অবস্থান সুদৃঢ় করা এবং লক্ষ্য পূরণে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, নানা কারনে চাষযোগ্য জমি কমলেও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈপ্লবিক গবেষণার কারণে দেশ আজ খাদ্য ও বস্ত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ। উচ্চশিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে দেশের কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়কে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, এপিএ কর্মপরিকল্পনার আওতায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইউজিসির জ্ঞান বিনিময় এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তম চর্চাসমূহ দেশের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস্তবায়নের জন্য এই কর্মশালা আয়োজন করা হয়।

ইউজিসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ও এপিএ ফোকাল পয়েন্ট বিষ্ণু মল্লিক- এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউজিসি’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান, জেসমিন পারভীন, শাহ মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, বাকৃবি’র বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, রেজিস্ট্রারসহ ইউজিসি, বাকৃবি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ’র ফোকাল পয়েন্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৮, ২০২৪ ৫:৫৪ অপরাহ্ন
বাকৃবি পরিবহন শাখার নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পরিবহন শাখার নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম। আগামী রবিবার ( ৯জুন) থেকে তিনি নতুন পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করবেন।
শনিবার (৮ জুন) বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন শাখায় ওই দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলমকে আগামী দুই বছরের জন্য তাঁর নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বাকৃবির ফার্ম স্ট্রাকচার এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মো. সিদ্দিকুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। এসময় বিদায়ী পরিচালক এবং সদ্য দায়িত্ব প্রাপ্ত পরিচালককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে পরিবহন শাখার সদ্য সাবেক পরিচালক সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এনং সহযোগী পরিচাক খালিদ মাহমুদের সঞ্চলনায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. অলিউল্লাহ, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. হারুন-অর-রশিদ, বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহফুজা বেগম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম, গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের একাংশের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন, বাকৃবি নিরাপত্তা শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ফ্যাব ল্যাব পরিচালক ও সাবেক পরিবহন পরিচালক প্রফেসর ড.চয়ন কুমার সাহা, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আফরিনা মুস্তারিসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং পরিবহন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ।

এসময় অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, আজকের এই দিনটিতে নতুন একটি চ্যালেঞ্জ আমার উপর অর্পিত হলো। পরিবহন শাখা বাকৃবির সেবা দানকারী একটি শাখা। উপাচার্য, ছাত্র, ছাত্রী এবং শিক্ষক সকলের সেবা দিয়ে থাকেন এই শাখাটি। সবাই আমাকে সহযোগিতা করবেন যাতে মানসম্পন্ন সেবা দিতে পারি। ন্যায় এবং সততার সাথে যেন এই শাখাটি পরিচালনা করতে পারি এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২৪ ৬:৩৫ অপরাহ্ন
বাকৃবি শুরু হয়েছে দুইদিন ব্যাপী ন্যাশনাল ক্যারিয়ার কার্নিভ্যাল
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ গ্রাজুয়েটদের কাছে চাকুরির বাজার সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শুরু হয়েছে দুইদিন ব্যাপী ২য় ন্যাশনাল ক্যারিয়ার কার্নিভ্যাল

শুক্রবার (৭ জুন) সকাল ৯টায় বাকৃবির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার ক্লাবের (বাউসিসি) আয়োজনে ক্যারিয়ার কার্নিভাল শুরু হয়েছে। শনিবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রশিক্ষণ বিভাগের জিমনেশিয়ামে কার্নিভালের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

বাউসিসির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল। এ সময় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বাংলাদেশের সিনিয়র কারিগরি উপদেষ্টা সাসো মার্টিনভ।

কার্নিভ্যালের প্রথম দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে গবেষণা ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা, সরকারি চাকরি, কর্পোরেট চাকরি, নেতৃত্ব এবং গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান বিষয়ক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গবেষণা ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেশনে শিক্ষার্থীদের দিকনিদের্শনা দেন এফএও এর বাংলাদেশের সহকারী প্রতিনিধি নূর আহমেদ খন্দকার । সরকারি চাকরি বিষয়ক সেশনে বক্তব্য রাখেন শানিরুল ইসলাম শাওন। করপোরেট চাকরি বিষয়ক সেশনে শিক্ষার্থীদের দিকনিদের্শনা দেন এসিআই এনিমেল হেলথের হেড অব বিজনেস মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন ও ইনজিনিয়াস ক্রপ সাইন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদ।
দ্বিতীয় দিনে (৮ জুন) জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), প্রাণ, এসিআই, স্কয়ার, আড়ং ডেইরি, সিপি বাংলাদেশ, নালি গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ, ব্র্যাক, ড্যানিশ, আফতাব, নাহার এগ্রো, সিনজেনটা, প্রভিটা গ্রুপ, কাজী ফার্মস, মেসন, মেটাল এগ্রো লিমিটেড সহ প্রায় ৫০টির মতো কোম্পানির এবং দেশের প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্পন্নকারীদের সমন্বয়ে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। ওই সময়ে সরাসরি কোম্পানিগুলোর স্টলে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ারও সুযোগ থাকবে।

কার্নিভালের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, এই কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজার সম্পর্কে ধারণা অর্জন এবং কর্মজীবনের বিভিন্ন পথ অন্বেষণ করার একটি অনন্য সুযোগ প্রদান করবে। ক্যারিয়ার ক্লাবের সদস্যরা ৪০টিরও বেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে কার্নিভালে আমন্ত্রণ জানিয়েছে যা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীরা সেশনগুলো থেকে চাকরির বাজারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে শিখে উপকৃত হতে পারবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৯, ২০২৪ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বজনিন পেনশন স্কিম সর্বজনিন নয়, বৈষম্যমূলক প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে সিকৃবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি
ক্যাম্পাস

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহবানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে। ২৮ মে মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মবিরতি পালন অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ আল মামুনের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছফিউল্লাহ ভূইয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, প্রফেসর ড. মাসুদ আলম, প্রফেসর ড. মোঃ মোহন মিয়া, প্রফেসর ড. মোঃ শারফ উদ্দিন, প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়, প্রফেসর ড. সোহল মিঞা, প্রফেসর ড. মনিরুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন আগামী ১লা জুলাই থেকে যোগদানকৃতদের সর্বজনিন পেনশন ব্যবস্থাপনার আওতাভূক্ত করার যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে তা বৈষম্যমূলক। এ ধরনের বৈষম্য বাংলাদেশের সংবিধানের মুল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। প্রত্যয় স্কিমটি নামে সর্বজনিন হলেও আসলে সর্বজনিন নয়।

 

সরকারের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্র ও বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাহিরে রেখে একে সর্বজনিন বলার সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য যে প্রত্যয় স্কিম আরোপ করা হয়েছে তা তাদের পারিবারিক সুরক্ষা নষ্ঠ করবে। এ প্রত্যয় স্কিমের ফলে মেধাবীরা আর শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হবে না। শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. ছফিউল্লাহ ভূইয়া বলেন, প্রত্যয় স্কিম হল জাতিকে মেধাশুন্য করার একটা গভীর ষড়যন্ত্র। মেধাশুন্য জাতিকে দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া যাবেনা। জাতিকে সুপরিকল্পিত ভাবে মেধাশুন্য করার পায়তারা চলছে । প্রত্যয় স্কিম বাস্তবায়িত হলে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হবে। জাতির পিতা বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বায়ত্বশাসন দিয়েছিলেন এই কারণে যে তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন শিক্ষা গবেষণাও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সোনার বাংলা নির্মাণ করা সম্ভব হবে। আর প্রজ্ঞাপনকারির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়েত্বশাসন পালন করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৮, ২০২৪ ৩:৫২ অপরাহ্ন
বাকৃবি অফিসার পরিষদের নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অফিসার পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে ২৮ মে (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অফিসার পরিষদের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ আরীফ জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মোঃ অলিউল্লাহ এবং কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোঃ সাইদুর রহমান। অফিসার পরিষদের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবুল বাসার আমজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অফিসার পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির সদ্য সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ মোঃ খাইরুল আলম নান্নু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, ২০১৫ সালের পে-স্কেল অনুযায়ী আমরা সবাই রাষ্ট্রের কর্মচারী। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রধান কাজ বিশ্বমানের গ্রাজুয়েট তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সেবা প্রদান করা। বিশ্ববিদ্যালয় গৌরব অর্জন করলে সেখানে শুধু শিক্ষক বা শিক্ষার্থী নয় বরং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও কার্যপরিধি অনুযায়ী সমহারে অবদান থাকে। এজন্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য, গৌরব অর্জনে শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে একযোগে যার যার উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, শিক্ষক এবং কর্মচারী সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তাবৃন্দসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২৪ ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বজনিন পেনশন স্কিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্তি বাতিলের দাবিতে সিকৃবিতে মানববন্ধন
ক্যাম্পাস

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতনস্কেল প্রবর্তনের দাবিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহবানে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। ২৬ মে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ আল মামুনের সঞ্চালনায় এবং সভাপতি প্রফেসর ড.  মোহাম্মদ ছফি উল্লাহ ভূইয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. সাদ উদ্দিন মাহফুজ , ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. এম এম মাহবুব আলম।  শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড.  মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল, সহকারী প্রফেসর মো. শেখ ফরিদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন শিক্ষকরা আশংকা করছেন সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ফলে ১ জুলাই থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করা শিক্ষকরা বিদ্যমান এককালীন পেনশন সুবিধা পাবেন না। নতুন সংযোজিত স্কিমে ১ জুলাই ও তৎপরবর্তীকালে যোগদান করা শিক্ষকগণ ও এর আগে যোগদান করাদের মাঝে দুইটি শ্রেণির সৃষ্টি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এই বিভাজন শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশংকা করছেন ।

পৃথিবীতে সবচেয়ে কম বেতন বাংলাদেশের শিক্ষকদের উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তির পরিবেশ বিনষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ বাধাগ্রস্থ করতে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা কাজ করছে ।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. ছফি উল্লাহ ভূইয়া বলেন, জাতিকে সুপরিকল্পিত ভাবে মেধা শুন্য করার পায়তারা চলছে । এ প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চরম বৈষম্যের শিকার হবে। মেধাবীরা শিক্ষার্থীরা শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহ হারাবে। বক্তারা বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop