৬:৫০ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৪/১২/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.৪০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=৬.৪৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩৮/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২০-২২
লেয়ার সাদা=২০
ব্রয়লার=৫২-৫৩

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৭

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৬.৯০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৬.৬৫

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
সাদা ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১৬-১৮
লেয়ার সাদা=১৪
ব্রয়লার=৪৬-৪৮

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২১-২২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৩

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৮/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০২

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩৮/কেজি
সোনালী মুরগী =২২৫/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৬
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১৩৮/১৪৪ কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭৫

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.২০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৮০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫০

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ২:৪৯ অপরাহ্ন
বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্রুডিং এ খাবার দেবার সময়…
পোলট্রি

ডাঃ শুভ দত্ত: ব্রয়লার বাচ্চাকে ব্রুডিং এ খাদ্য দেবার সময় নিয়ে আমরা অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দে থাকি। কেউ বলে বাচ্চা ব্রুডারে ছাড়ার ২-৩ ঘন্টা পর খাদ্য দিতে হবে। কেউ বলে ৪ ঘন্টা পর, কেউ বলে ৬ ঘন্টা পর তো কেউ বলে বাচ্চা ব্রুডারে ছাড়ার ১০ ঘন্টা পর খাদ্য দিতে হবে। সবগুলোই হয়তো সঠিক তবে সবচেয়ে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি হলো ব্রুডারে বাচ্চা ছাড়ার পূর্বেই খাদ্যের পাত্রে খাদ্য দিয়ে দেয়া যেন বাচ্চার ব্রুডিং শুরু হবার সাথে সাথে খাদ্য খেতে পারে।

ব্রয়লার বাচ্চাকে স্টারভেশনে না রেখে দ্রুত খাদ্য দিয়ে ব্রুডিং করার পিছনে কিছু উপকার আছে যা বিভিন্ন গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে। যেমন, একটি গবেষণায় জানা গেছে, বাচ্চা না খেয়ে থাকলে তার কুসুমথলি ধীরে ধীরে শোষিত হয়। অপরদিকে যে বাচ্চা দ্রুত খাদ্য গ্রহন করে তার কুসুম থলি দ্রুত শোষিত হয় (Moran and Reinhart, 1980)।
অপর এক গবেষণা জানা গেছে, ব্রুডিং এর প্রথমদিকে না খেয়ে থাকা বাচ্চার চেয়ে খাদ্য গ্রহন করা বাচ্চার গাট একটিভিটি অনেক বেশি থাকে। ফলে এই বাচ্চাগুলোর কুসুম থেকে বিভিন্ন নিউট্রিয়েন্ট সহজে ইনটেস্টাইনে প্রবেশ করে। ফলে কুসুমথলি দ্রুত শোষিত হয় ( Noy et. al, 1996)। যা বাচ্চার দৈহিক ওজন বৃদ্ধি ত্বরানিত করে।
একই ধরনের আরেকটি গবেষণায় জানা যায় যে, ব্রুডিংর এর প্রথম দিকে না খেয়ে থাকা বাচ্চা কুসুমথলিতে বিদ্যমান নিউট্রিয়েন্ট সহজে গ্রহন করতে পারে না। উক্ত গবেষণায় বলা হয়, ডায়জেস্টিভ সিস্টেম সক্রিয় হবার সাথে কুসুমথলি শোষিত হওয়া পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ( Santos Silversides, 1996)। আর ডায়জেস্টিভ সিস্টেম সক্রিয় হয় যখন থেকে বাচ্চা খাদ্য গ্রহন করতে শুরু করে।
এছাড়াও দেরিতে খাদ্য ও পানি দিলে বাচ্চার ওজন বৃদ্ধি বিশেষ করে ব্রেস্ট মাসল বৃদ্ধিতে নেগেটিভ প্রভাব পরতে পারে (Noy & Skylan, 2001), (Kidd et al, 2007)
দেরিতে খাদ্য ও পানি দিলে বাচ্চার গ্রোথ ৫% পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে (Uni and Ferket, 2004)
দেরিতে খাদ্য ও পানি দিলে বাচ্চার ডায়জেস্টিভ ও ইমিউন সিস্টেম ধীর গতিতে গঠিত ও সক্রিয় হয় (Bhanja et al, 2010)।
দেরিতে খাদ্য ও পানি দিলে ইমিউন সিস্টেমের ম্যাচুরেশন ঠিক মত হয় না। ফলে বাচ্চা প্যাথোজেন দ্বারা সহজেই আক্রান্ত হয় (Dibner et al, 1999)।
এছাড়া বিশ্বের অন্যতম প্রেডিগ্রি প্রডিউসার প্রতিষ্ঠান “এভিয়াজেন” তাদের ব্রিডার ম্যানেজমেন্ট ম্যানুয়ালে চিকস প্লেসমেন্টের সাথে সাথে খাদ্য দেবার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।
তাছাড়া বেশি দুরত্বের স্থানে বা যেখানে বাচ্চা পৌছাতে অনেক সময় লাগবে এমন স্থানে বাচ্চা ডেলিভারী করার সময় বাচ্চাকে ডিহাইড্রেশন ও স্টারভেশন মুক্ত রাখতে হ্যাচারী থেকেই বাচ্চার বক্সে কিছু বিশেষ ধরনের খাদ্য দিয়ে দেয়া হয় যা বাচ্চাকে দ্রুত খাদ্য দেবার প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করে।
সাধারনত হ্যাচারীতে হ্যাচার থেকে সকাল ৫-৭ টার মাঝে হ্যাচ হওয়া বাচ্চা বের করে আনা হয়। তারপর গ্রেডিং করে বাচ্চাগুলো বক্সে রাখা হয়। সেই বাচ্চা সাধারনত সন্ধ্যার দিকে হ্যাচারী থেকে বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে রওয়ানা হয়। অতঃপর সেই বাচ্চা খামারে পৌছাতে পৌছাতে রাত ১০ টা বেজে যায়। দুরে হ্যাচারী হলে পরের দিন সকাল ১০ টায় বাচ্চা খামারে পৌছে। অর্থাৎ হ্যাচ হবার পর থেকে খামারে পৌছাতে দীর্ঘ ১৮-৩৬ ঘন্টা বাচ্চা না খেয়ে থাকে। এমতাবস্থায় যদি খামারে পৌছার পর বাচ্চাগুলোকে আরো ২-১০ ঘন্টা খাদ্য দেয়া না হয় তবে সেটা যে ভাল ফলাফল বয়ে আনবে না সেটা উপরের গবেষণাগুলো থেকেই বুঝা যাচ্ছে।
সুতরাং বাচ্চা খামারে পৌছার সাথে সাথে খাদ্য ও পানি একসাথে দিয়ে ব্রুডিং শুরু করতে হবে। ব্রুডিং শুরুর পর যত দেরিতে খাদ্য দিবেন আপনার বাচ্চার খাদ্যতন্ত্র তত দেরিতে এ্যকটিভ হবে এবং গ্রোথ পারফরম্যান্স তত খারাপ হতে শুরু করবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৫:৫৯ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৩/১২/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.২০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
সাদা ডিম=৬.৩৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৭০
সাদা ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২০-২২
লেয়ার সাদা=২০
ব্রয়লার=৫২-৫৩

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৭.০৫
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৬.৮০

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
সাদা ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১৬-১৮
লেয়ার সাদা=১৪
ব্রয়লার=৪৯-৫০

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২১-২৩
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৩

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮২
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/১৩৫ কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭৫

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.২০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২৫/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
মৎস্য ও পোল্ট্রি ফিডের বিকল্প ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’
পোলট্রি

প্যারোট পোকা হাঁস-মুরগি ও মাছের প্রাকৃতিক খাবার। এই পোকা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হচ্ছে ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে। অল্প খরচে এই পোকা উৎপাদন করে হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এতে খামারিদের বেশি দামে বাজার থেকে ফিড কিনতে হবে না। তারা নিজেরাই পোকা উৎপাদন করতে পারবেন।

রংপুর বিভাগের কয়েকটি স্থানে গড়ে উঠেছে পোকার খামার। বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকরা ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদনে দেখছেন কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ।

পোকার খামারিরা জানান, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদন আমেরিকার সংস্কৃতি। চলতি বছর রংপুর বিভাগের কয়েকটি স্থানে যুবকরা এই পোকা উৎপাদন শুরু করেছেন।

বর্তমানে স্বল্প সংখ্যায় উৎপাদিত হচ্ছে এই পোকা। তবে দিনদিন এর পরিধি বাড়ছে। ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যরোট পোকা উৎপাদন বৃহৎ আকার ধারণ করলে এটি এক দিকে যেমন অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে অন্যদিকে হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য চাহিদা পূরণ হবে। এখান থেকে প্রস্তুত হবে বিপুল পরিমাণে জৈব সার।

ময়লা-আবর্জনা, তরকারির অবশিষ্টাংশ, মুরগির বিষ্ঠা ও খৈলের সংমিশ্রণে দুর্গন্ধযুক্ত খাদ্যে তৈরি হয় ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’। প্রত্যেক ফ্লাই ৯০০ থেকে ১ হাজার পিউপা দিয়ে মারা যায়। এসব পিউপা একটি পাত্রে নিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত খাবারে রাখা হয়। ১৪-১৬ দিনের মধ্যে এসব পিউপা থেকে জন্ম নেয় প্যারোট পোকা।

‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপন্ন করতে দরকার মশারি নেট, কয়েকটি পাতিল ও কয়েকটি কাঠের টুকরো। একজন খামারি বড় পরিসরে এই পোকা চাষ করলে প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ কেজি পর্যন্ত পোকা উৎপন্ন করে লাভবান হতে পারবেন।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই গ্রামের স্নাতক শিক্ষার্থী নুর আমিন বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ কেজি পোকা উৎপন্ন করছি। এসব পোকা মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পোকার উৎপাদন দিনদিন বাড়ছে। আগামী ৪-৫ মাস উৎপাদিত পোকা দিয়েই মুরগির খাবারের চাহিদা মেটানো যাবে।’

লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রামের কলেজ পড়ুয়া নিবারণ চন্দ্র রায় বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে পোকা উৎপাদন করা সহজ। রংপুরের এক খামারির কাছে ৩ দিন দেখেই এ পদ্ধতি শিখে ফেলেছি। এখন ২ কেজি ফ্লাই দিয়ে পোকা উৎপাদন করছি।’

‘ভবিষ্যতে উৎপাদিত পোকা দিয়ে নিজের পুকুরে মাছ চাষ করার কথা ভাবছি,’ যোগ করেন তিনি।

রামদেব গ্রামের মাস্টার্স শিক্ষার্থী দীপ্ত কুমার মোহন্ত বলেন, ‘৩ সপ্তাহ আগে ১ কেজি “ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই” দিয়ে ছোট পরিসরে “পোকার খামার” শুরু করি। ৩ সপ্তাহে ৫ কেজি “ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই” উৎপাদন করি। খামারটি বড় করতে কাজ করছি।’

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামিম আশরাফ বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদন করার পর বর্জ্যের যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে উৎকৃষ্টমানের জৈব সার। পোকার খামারের সঙ্গে অনেকে যুক্ত হচ্ছেন। ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
৫২০ বাচ্চা দিয়ে শুরু, ৫ বছরে খামারে মুরগির সংখ্যা ৭ হাজার
পোলট্রি

ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ঘোষপালা গ্রামের খামারি আকাইদ হোসেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি শুরু করেন ব্রয়লারের খামার। আর সেই ব্রয়লার খামার থেকেই লাভ লসের হিসাব কষে শুরু করেন সোনালি মুরগির চাষ। আর এভাবেই ভাগ্যবদল হয় সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আকাইদের। এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে আসে আকাইদের ভাগ্যবদলের গল্প।

পড়া-লেখার পাশাপাশি কেন খামার শুরু করলেন?

আকাইদ: চাকরি না করার নেশা থেকেই মূলত আমার খামার করা। আমার ইচ্ছা হলো চাকরি করবো না। তবে, মানুষকে চাকরি দিবো। আর সেই নেশা থেকেই পেশা হিসাবে নিয়েছি এই খামারকে। আল্লাহর রহমতে দেখেছিও আলোর মুখ।

কিভাবে শুরু করলেন এই খামার?

আকাইদ: আমি যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার ভাইয়েরা খামার দিয়েছিলো। তবে তখন সেই খামারে তারা তেমন লাভ করতে পারেনি। বরং লস করেছিলো। যার কারণে তারা খামার বন্ধ করে দেয়। তবে আমার ভিতরে খামার করার ছিলো প্রচুর নেশা। ২০১৬ সালে আমি যখন এসএসসি পাশ করি তখন আবার পরিবারের সহায়তায় শুরু করি ব্রয়লার খামার। ২৫ হাজার ৪৮০টাকা দিয়ে আমি খামার শুরু করি। তখন আমার খামারে ছিলো ৫২০টি বাচ্চা। তবে শুরুতে আমার অভিজ্ঞতা না থাকাই লাভ-লসের হিসাবে আমার লোসের পাল্লাটা ভারি ছিলো। তবে, প্রথমদিকে বাজারে সঠিক দাম পাওয়াতে লাভ হয়েছিলো কিছুটা। আর তাতে করে আমি ৫‘শ থেকে মুরগির খামার আরো বড় করে মুরগির সংখ্যা করি ১ হাজার। আর সর্বশেষ ২০১৬-১৭ সালে আমার লসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিলো প্রায় ২ লাখ টাকার মত।

লস হওয়ার ‍পিছনে কারণ কি বলে আপনি মনে করেন?

আকাইদ: আমি প্রাথমিক অবস্থায় অনভিজ্ঞ ছিলাম। সিজনালী বাচ্চাও পাইনি। তারউপর যখন বাচ্চা পেলাম তখন একটি বাচ্চার দাম ছিলো ৭৯ টাকা করে। আর সেই মুরগি আমি বিক্রি করেছি কেজি প্রতি মাত্র ৯৫ টাকা করে। সবমিলিয়ে অনভিজ্ঞতা আর বাজার হিসাব না বুঝাতে আমাকে লসের ভার বহন করতে হয়েছে।

তারপরে কিভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখলেন?

আকাইদ: ২০১৮ সালে এসে আমি পোল্ট্রি খামার বাদ দিয়ে শুরু করি সোনালি মুরগি পালন। আর তাতেই আসে আমার সোনালি দিন। সাথে আছে অভিজ্ঞতাও। আর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সোনালি মুরগিতে ভাগ্যবদল করতে সামর্থ হই। প্রথমে আমি ২ হাজার বাচ্চা দিয়ে শুরু করে প্রায় ২৪ হাজার লস করি। তারপর ২০১৮‘র শেষের দিকে লস কাটিয়ে ২৬‘শ বাচ্চায় লাভ করি ৭০ হাজার টাকা। ২০১৯ সালে এসে সেড আরো বড় করি। তখন আমার খামারে বাচ্চার সংখ্যা ৫ হাজার।

এরপর ২০২০ সালে এসে ৪৮‘শ বাচ্চার এক চালানে আমার লাভ হয় প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মত। করোনার পরে ৫হাজার বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭ হাজারে। মোটকথা করোনার আগে-পরে আমার লাভ হয় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত। ২০২১ সালে এসে আবার আল্লাহর রহমতে আমার লাভ দিয়ে শুরু হয়। তখন আমি ৪ হাজার বাচ্চায় লাভ করি প্রায় ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। আর এভাবেই চলছে। আল্লাহর রহমতে এখন খামারের ভালো অবস্থা যাচ্ছে ।

শেষের দিকে লাভ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, এই ব্যবসায় কখনও হতাশ হওয়া ঠিক না। লেগে থেকে কাজ করতে হবে। আমি প্রথমে অনভিজ্ঞ ছিলাম। আর শেষের অভিজ্ঞতা আর বাজার পলিসি জানার কারণে লসের ভার বহন করতে হচ্ছে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১২, ২০২১ ৬:০৪ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (রোববার, ১২ ডিসেম্বর) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১২/১২/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.২০
ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.৩৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২০-২২
লেয়ার সাদা=২৫
ব্রয়লার=৫০-৫১
কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১৫
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১৬-১৮
লেয়ার সাদা=১৮
ব্রয়লার=৪৯-৫০
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
সাদা ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২১-২৩
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৩
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.১৬
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮২
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৬
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২
টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/১৩৮ কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৭
সোনালী রেগুলার=২২
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.২০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১২, ২০২১ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
মুরগির খামারে খাদ্য অপচয় রোধে ৬ করণীয়…
পোলট্রি

আমাদের দেশে এখন বেশির ভাগ খামারিরা মুরগির খামারের সাথে জড়িত। আর এই খামার করতে গিয়ে অনেক সমস্যায় পড়েন খামারিরা। এরমধ্যে বেশির ভাগ খামারিরা পড়েন খাদ্য সমস্যায়। নানা কারণে তাদের খামারের খাদ্য অপচয় হচ্ছে। খাদ্য অপচয় রোধ করতে পারলে খামারিরা হবে আরো লাভবান। এই জন্য জানতে হবে খামারের খাদ্য অপচয় কমানোর উপায়।

মুরগির খামারে খাদ্য অপচয় কমিয়ে আনার উপায়:

১। খামারে মুরগিতে কৃমির সংক্রমন বিশেষ করে সোনালি বা কক মুরগির গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ প্রদান করতে হবে।

২। খামারে খাবারের পাত্র পূর্ণ করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

৩। মুরগির খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে।

৪। খামারে মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।

৫। মুরগির খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করে থাকে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

৬। মুরগির খামারে খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১১, ২০২১ ৯:৪৬ অপরাহ্ন
ওয়াপসা- বিবি’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
পোলট্রি

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন : পোল্ট্রি রিসার্চ গ্রান্ট, বিভাগীয় কমিটি গঠন, আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার আয়োজনের ঘোষণা।

শনিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২১: ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সদস্যের আনন্দঘন উপস্থিতির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন- বাংলাদেশ শাখা’র (ওয়াপসা-বিবি) বার্ষিক সাধারন সভা। সংগঠনটির সভাপতি মসিউর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যাবলী শুরু হয় রাজধানীর মহাখালিস্থ এস.কে.এস টাওয়ারে।

মসিউর রহমান বলেন, বিজ্ঞান ও শিল্প একে অন্যের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। পোল্ট্রি একটি বিজ্ঞানভিত্তিক শিল্প তাই দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের অগ্রগতিতে বিজ্ঞান ও গবেষণাকে যথোপযুক্তভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং সেক্ষেত্রে ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করতে পারে।

ব্রয়লার মাংস নিয়ে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জনাব মসিউর বলেন- গবেষণাটি কিভাবে হয়েছে, নমুনা সংগ্রহ, গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণার উদ্দেশ্য প্রভৃতি বিষয় খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি- এ ধরনের গবেষণাগুলো চৎড়নষবসধঃরপ এলাকা ধরেই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে গবেষণা না করেই অনেকক্ষেত্রে বলে দেয়া সম্ভব, জবংঁষঃ কী আসতে পারে। এ ধরনের গবেষণার লক্ষ্য কি দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়ন? নাকি ক্ষতি সাধন করা- সে বিষয়েও আমরা ঠিক বুঝতে পারছি না। যে এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সে এলাকার পানিতে মাত্রাতিরিক্ত দূষণের খবর প্রচার করেছে চ্যানেল-২৪ টিভি অথচ ট্যানারি কিংবা গার্মেন্টস শিল্পকে দোষী না বানিয়ে ভিলেন বানানো হচ্ছে পোল্ট্রি শিল্পকে। বরাবরের মত এ গবেষণাতেও আন অর্গানাইজড সেক্টর এবং অনিবন্ধিত পোল্ট্রি খামার ও ফিড মিল কে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। অর্গানাইজড সেক্টর নিয়ে গবেষণা হচ্ছেনা। সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকেও আমলে নেয়া হচ্ছেনা। তাই এ বিষয়ে আমাদের কাজ করা দরকার।  বেশ ক’বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক এক অধ্যাপকের ভুল গবেষণার বলি হতে হয়েছিল দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পকে। সে কারণেই এ ধরনের গবেষণাগুলো সম্পর্কে আমাদের ভালভাবে জানা দরকার। এর পাশাপাশি অরগানাইজড সেক্টর নিয়ে একাধিক গবেষণাও করা দরকার। তা না হলে দেশীয় পোল্ট্রি শিল্প কতটা অগ্রগতি অর্জন করেছে; ডিম ও মুরগির মাংসের ছঁধষরঃু কতটা ওসঢ়ৎড়াব করেছে- সে সম্পর্কে সাধারন ভোক্তারা কিছুই জানতে পারছেন না। ফলে তাঁরা ভুলের মাঝেই রয়ে যাচ্ছেন এবং মুরগির মাংস ও ডিম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণাই পোষণ করছেন। বর্তমান কমিটি চেষ্টা করবে এ বিষয়েও কিছু কাজ করতে এবং জনমনে বিরাজমান বিভ্রান্তিগুলো দূর করতে।

জনাব মসিউর বলেন, সদস্য সংখ্যা এবং প্রায়োগিক ক্ষেত্রে অবদান বিবেচনায় ওয়াপসা- বাংলাদেশ শাখা বিগত বছরগুলোতে বিশ্বে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে। “এ সম্মান আমরা ধরে রাখতে চাই। আমি মনেকরি শুধুমাত্র সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে নয় বরং মৌলিক গবেষণা, ইনোভেটিভ এপ্রোচ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পোল্ট্রি খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার মাধ্যমেই আগামীতে ওয়াপসা-বাংলাদেশ শাখা তার স্বকীয়তা, স্বাতন্ত্র্য ও সম্মান অক্ষ‚ন্ন রাখবে।”  জনাব মসিউর বলেন, প্রত্যেকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবদানের মধ্য দিয়েই আজকের অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা সামনে এগুতে চাই এবং সেজন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

২০২১-২২ সালের জন্য একটি কর্ম-পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ওয়াপসা-বিবি’র সাধারন সম্পাদক মো. মাহাবুব হাসান। তিনি জানান, ২০২২ সালের ২-৪ জুন একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং ২০২৩ সালের ২-৪ মার্চ আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে ওয়াপসা-বিবি’র নেটওয়ার্ক কে আরও শক্তিশালী করা এবং বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গৃহীত কর্মসূচীকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ওয়াপসা-বিবি’র বিভাগীয় কমিটি গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত  নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অনুরূপ কমিটি গঠন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয় পর্যায়ের পোল্ট্রি উদ্যোক্তা ও খামারিগণ স্থানীয় কমিটিতে নেতৃত্ব দেবেন। জনাব হাসান বলেন, ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় কয়েকটি মডেল খামার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। নিরাপদ ডিম ও মাংস উৎপাদন এবং লাভজনক খামার প্রতিষ্ঠায় সাধারন খামারিদের উদ্বুদ্ধ করাই এর লক্ষ্য। খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনটি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল তৈরির কাজও চলছে। ঝষড়ি মৎড়ঃিয ইৎড়রষবৎ রিঃয ষড়ি ফবহংরঃু ভববফ বিষয়ে আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিঃ, ডধঃবৎ গধহধমবসবহঃ বিষয়ে নারিশ পোল্ট্র্রি এন্ড হ্যাচারি এবং চড়ঁষঃৎু ডধংঃব গধহধমবসবহঃ বিষয়ে প্যারাগন গ্রপ প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল তৈরির কাজ করছে। তাছাড়া বিশ্ব ব্যাংকের কনসালট্যান্ট ড. ওয়াসেল সাদাতের নেতৃত্বে একটি গবেষক দল ব্রয়লার মাংসের কোয়ালিটি ও তার কনজাম্পশন বাড়ানো বিষয়েও একটি গবেষণা পরিচালনা করছেন। আগামী বছর ২০২২ সালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিপিআইসিসি’র সাথে যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘বিশ্ব ডিম দিবস’ উদযাপন করা হবে। তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি পোল্ট্রি ফেস্ট আয়োজনেরও পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২২ সালের ফ্রেবুয়ারি মাস নাগাদ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত রূপায়ন শপিং স্কয়ারে ওয়াপসা-বিবি কার্যালয় স্থানান্তরিত করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জনাব হাসান। তিনি বলেন, পোল্ট্রি বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘ওয়াপসা-বিবি রিসার্চ গ্রান্ট’ প্রদান করা হবে। বড় ১০টি কোম্পানীর অর্থায়নে ৫০ লাখ টাকার একটি ফান্ড গঠন করা হবে- যা থেকে প্রতি বছর ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন গবেষককে রিসার্চ গ্রান্ট প্রদান করা হবে। পরবর্তীতে এ সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানান জনাব মাহাবুব হাসান।

২০২০-২১ সালের আর্থিক বিবরণী এবং ২০২১-২২ সালের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন সংগঠনের কোষাধক্ষ্য ডা. বিপ্লব কুমার প্রামাণিক। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন নির্বাহী সদস্য ডা. মো. নুরুল ইসলাম (শাওন)।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. এস ডি চৌধুরি। তিনি বলেন, বিভাগীয় কমিটিতে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তেমনিভাবে কেন্দ্রিয় কমিটিতেও শিক্ষকদের আসন রাখার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে ওয়াপসা-বিবি ম্যানেজমেন্ট।  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন সরদার- প্রান্তিক খামারিদের জন্য সরকারি ভর্তুকী বা প্রণোদনার; রাবি’র ডেপুটি চীফ ভেটেরিনারিয়ান ড. মো. হোমায়েতুল ইসলাম- দেশে একটি পোল্ট্রি মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করার; এবং এসিআই  এনিমেল হেলথ এর চীফ টেকনিক্যাল এডভাইজর ড. এম এ ছালেক- ওয়াপসা-বিবি’র উদ্যোগে দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা করার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

প্রশ্ন-উত্তর পর্বে ওয়াপসা-বিবি সভাপতি জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে দু’টি করে সেদ্ধ ডিম দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। সরকার সপ্তাহে একটি ডিম খাওয়ানোর ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। করোনার প্রভাব কাটিয়ে স্কুলগুলো স্বাভাবিক নিয়মে চালু হলে সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মসিউর রহমান। তিনি বলেন, শুধু তাই নয় সরকারের পক্ষ থেকে স্কুলগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে- যেন স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন এবং বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার ও ডিম খাওয়ানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। জনাব মসিউর আরও বলেন, সরকার নানাভাবে পোল্ট্রি শিল্পকে সহায়তা প্রদান করছেন। দেশীয় পোল্ট্রি শিল্প- মাংস, ডিম ও মাংসজাত প্রোডাক্ট রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ বাস্তবতায় দেশীয় পোল্ট্রি পণ্যের বিদেশী বাজার অনুসন্ধান ও নতুন নতুন বাজার তৈরিতে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোকে কাজে লাগাতে পারলে তা দেশীয় পোল্ট্রি শিল্পের অগ্রগতিতে এবং বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে সহায়ক হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১১, ২০২১ ৬:০৬ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (শনিবার, ১১ ডিসেম্বর) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১১/১২/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.২০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
সাদা ডিম=৬.৩৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২০-২২
লেয়ার সাদা=২৫
ব্রয়লার=৫০-৫১

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৭.১৫
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৬.৯০

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
সাদা ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১৬-১৮
লেয়ার সাদা=১৮
ব্রয়লার=৪৭-৪৮

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৩০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =২১-২৩
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৩

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২৫

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৬
সোনালী রেগুলার=২১

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.০৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২২০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০৭
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=২৬
সোনালী রেগুলার=২১

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৯০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২০৭/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.০০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=২৬
সোনালী রেগুলার=২১

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=৬.৩০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
সাদা ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৪/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১১, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ন
ফেসবুক ডাক্তার হতে সাবধান…
পোলট্রি

আমাদের দেশে কেউ অসুখে আক্রান্ত হলে বেশিরভাগ মানুষই সর্বপ্রথম নিজেই নিজের মত করে ঔষধ সেবন করেন কিংবা ফার্মেসিতে যেয়ে সমস্যার কথা বলে ঔষধ কিনে আনেন । একইভাবে পোল্ট্রি খামারিগন যদি সমস্যায় পড়েন তাহলে নিজেই ডাক্তারি করেন, না হয় পাশের খামারির পরামর্শে ঔষধ খাওয়ান । বর্তমানে এক শ্রেণির খামারি দেখা যায় যারা মুরগির সমস্যা হলে ফেসবুকে পোল্ট্রি সংক্রান্ত বিভিন্ন গ্রুপে পোষ্ট দিয়ে তার প্রতিকার/চিকিৎসা চান আর খামারিরাও নিজের মেধা, প্রজ্ঞা এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে দারুণ দারুণ সব পরামর্শ দেন । বাস্তবতা হচ্ছে এইসব পরামর্শ কতটা যুক্তিযুক্ত কিংবা খামারীবান্ধব ?

এক খামারি সেদিন পোষ্ট দিলেন যে তার ব্রয়লার মুরগির বয়স ২০ দিন, অনবরত খাদ্য ছিটাচ্ছে। সমাধান কি ?  এই খামারি খুব বিপদেই পড়ে এই পোষ্ট দিয়েছেন আমি নিশ্চিত কিন্তু এই পোষ্টে প্রায় ৪০-৫০ জন কমেন্ট করে সমাধান দিয়েছেন যা হয়ত সেই খামারির বিপদ আরোও বাড়িয়ে দিবে । ১ টা সমস্যায় যদি ৩০-৪০ টা সল্যুশন পাওয়া যায় তাহলে ব্যাপারটা হয়ে ওঠে “কোনটা রেখে কোনটা নিবো” এই টাইপের । সল্যুশনগুলার দিকেও একটু নজর দেই -কয়েকজন কমেন্ট করেছেন আমাশয় হয়েছে, আর বেশিরভাগই দিয়েছেন ট্রিটমেন্ট । কেউ এনপ্রোভিন দিতে বলেছেন, কেউ এনজাইম, কেউ কক্সিকিউর, আরেকজন এপ্রোলিয়াম, অন্যজন সিপ্রোসিন, কেউবা টলটাজরিল, কেউ রেনামাইসিন আবার কেউ কেউ সিপ্রোসিন, এপ্রোলিয়াম, রেনামাইসিন একসাথে চালাতে বলেছেন, সাথে এনজাইম ।  রুবেল নামের এক ভদ্রলোক দেখলাম কমেন্টে নিজের নাম্বার দিয়ে ফোন দিতে বললেন চিকিৎসার জন্য । খামারি সেজে আমি নিজেই ফোন দেই, দেখি তিনি কি বলেন । একই সমস্যার কথা বলে সমাধান চাইলাম, বললেন আয়রনের সমস্যা, এনটক্স দেন ২৪ ঘন্টা, ঠিক হয়ে যাবে। পরিচয় জানলাম, তিনি একজন খামারি।

আরেকজন খামারি তার মুরগির সমস্যার কথা লিখে গ্রুপে পোষ্ট দিয়েছেন, সমস্যাটা হলো মুরগির বয়স ২৩ দিন, ৯০০ মুরগির মাঝে ৫০-৬০ টা মুরগি মাথা উপর করে হা করে শ্বাস নিচ্ছে, কি করবেন । এই পোষ্টেও প্রায় ৫০ এর অধিক কমেন্ট ও সল্যুশন । কেউ বলছে ঠান্ডা লেগেছে, কেউ বলছে পেটে পানি জমেছে, কেউ বলছেন ফাঙ্গাসের সমস্যা আবার কেউ বলছেন রানীক্ষেত হতে পারে  আর একদল তো ফ্রি তে চিকিৎসা দিয়েছেন – কেউ ব্রডিল, কেউ টাইলোডক্স, কেউ সিপ্রোসিন, আরেকজন টিলমোকসিন ও ডক্সিসাইক্লিন, অন্যজন পালমোকেয়ার, লিভোফ্লক্সাসিন, এমোক্সাসিলিন, নাপা, ক্যালিক্স, টু প্লাস দিতে বললেন, কেউবা আবার মাইক্রোনিডের সাথে ডক্সিভেট দিতে বললেন ।

একটা সমস্যার জন্য যদি এতগুলা সল্যুশন হয় তাহলে খামারির অবস্থা কি হতে পারে ভাবা যায় !  আমাদের দেশে খুবই অবাক করা বিষয় যে, ভেটেরিনারিয়ানগন যে পরিমান ফ্রি তে চিকিৎসা দেন তা অন্য কোন দেশে আছে কিনা সন্দেহ । এমনও হয়েছে যে নিজের ফার্ম দেখতে গিয়েছি অন্য ফিড ব্যবহার করা পাশের খামারি তার মুরগি দেখানোর জন্য দাঁড়িয়েছিলেন ঘন্টারও বেশি সময় । এমনটা অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে এবং ফ্রি তে চিকিৎসা দিচ্ছেন (কেউ কেউ স্বল্প ভিজিটে) এমন হাজার হাজার উদাহরণ দেওয়া যাবে । এছাড়া ফোনেও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার ভালো সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন নিজের খামারকে ঝুঁকির মুখে ফেলছেন ?

মুরগির খাবার ছিটানোর অসংখ্য কারণ আছে, সত্যিকারের কারণ না জেনেই চিকিৎসা দেওয়াটা যেমন বোকামি তেমনি মুরগির প্রতি বড় ধরনের এক নিষ্ঠুরতা । মুখ হা করে শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা । এইসব ফেসবুক ডাক্তারদের থেকে সাবধান থাকা জরুরি । আমাদের স্মার্ট খামারি ভাইগন, আসুন আমরা শুধু ফেসবুকে পোষ্ট দেওয়ার মাধ্যমে স্মার্টনেস না দেখিয়ে নিজেদের কাজের মাধ্যমে আরোও বেশি স্মার্ট হই…

 

ডাঃ খালিদ হোসাইন
সম্পাদক
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop