৭:৫২ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
বিলুপ্তির পথে বজেন্দ্র বর্মনের বকপাখির অভয়াশ্রম
প্রাণ ও প্রকৃতি

পরিচর্চা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দিনে দিনে হারিয়ে যেতে বসেছে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের বাড়ির বকপাখির অভয়াশ্রম।

জানা গেছে, দেশ স্বাধীনের পূর্ব থেকেই বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের বাড়িতে বক পাখির এ অভয়াশ্রমটি গড়ে উঠে। নালিতাবাড়ী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে বাঘবের ইউনিয়নে বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের বাড়িতে এ বকপাখির অভয়াশ্রমটি। শেরপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরে।

শতশত বক পাখি তাঁর বাড়ির বাঁশ ঝাড়ে অবস্থান করে। শুধু বক পাখিই নয়। বকপাখির পাশাপাশি অন্যান্য পাখিও ছিল এ অভয়াশ্রমে। এক সময় এসব পাখির কলকাকলীতে বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের বাড়ি ও চারপাশ মুখরিত হয়ে উঠতো।

এসব পাখির অভয়ারণ্য দেখতে প্রতিদিন বহু দূর দুরান্ত থেকে শতশত মানুষের ভিড় জমে উঠতো ওই বাড়িতে। বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মন বক পাখিগুলোকে নিজে পরিচর্চা করতেন। বকগুলো তার ঘরে নেমে এসেও আহার করতো। বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ইশারায় তার শরীরে এসে বসতো বক পাখিগুলো। তখন থেকেই বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের বাড়িটি বক বাড়ি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

বছর কয়েক আগে বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের মৃত্য হয়। তিনি মারা যাওয়ার পর থেকেই বিপর্যয়ের মুখে পরে পাখিগুলো। বর্তমানে বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ছেলে-মেয়ে নাতি নাতনীরা পরিচর্চা ও দেখাশুনা করলেও তা বজেন্দ্র বর্মনের সমতুল্য নয়। ফলে পরিচর্চা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও পাখি শিকারীদের অত্যাচারে দিনে দিনে বকগুলো এখন প্রায় বিলপ্তির পথে।

বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ছেলে সতিন্দ্র চন্দ্র বর্মন জানান, তারা সংখ্যালঘু হওয়ায় প্রতিবেশিরা অনেকেই তাদের কথা কর্ণপাত করেন না। তারা রাতের আধারে বাঁশ ঝাড়ে উঠে পাখিগুলোকে ধরে নিয়ে যায়। কাউকে কিছু বলতে গেলে শিকারীরা উল্টো তাদের উপর চড়াও হয়।

বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ছেলে সুকেন্দ্র চন্দ্র বর্মন জানান, পাখির অবস্থান ও পদচারণার কারণে তাদের বাঁশ ঝাড়টি বেড়ে উঠতে পারছে না। এতে বর্তমানে যে পরিমানে পাখি রয়েছে তার অবস্থানের ক্ষেত্রে স্থান সংকুলান হয়ে উঠছে না।

তিনি জানান, এখনও যে পরিমানের পাখি রয়েছে তা দেখার জন্য প্রতিদিন লোকজন ভিড় করে। বজেন্দ্র চন্দ্র বর্মনের ছেলে রমেশ চন্দ্র বর্মন জানান, বর্তমানে যে পরিমানের বক পাখি রয়েছে সরকারিভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে এখনও অভয়াশ্রমটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব। বকগুলো আহার করতে গেলে আশপাশের শিকারীরা ধরে নিয়ে যায়।

আবার রাতের অন্ধকারে প্রতিবেশিরা বাঁশ ঝাড়ে উঠে ধরে নিয়ে যায়। তার মতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বকপাখির অভয়াশ্রমটি রক্ষার পাশাপাশি আরো বৃদ্ধি করাও সম্ভব। তিনি বলেন, পাখির অভয়াশ্রমটি টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আশ্বাসও পাওয়া গেলেও কোন কাজ হয়নি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২১ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
লকডাউনে হৃষ্টপুষ্ট সাফারি পার্কের পশু-পাখি
প্রাণ ও প্রকৃতি

করোনায় মানুষে চলমান কাজ থেমে গেলেও থেমে যাইনি পশু পাখির সতেজতা। কারণ পশু পাখির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ হলো নির্মল প্রকৃতি। আর করোনার বিধিনিষেধের মাঝে পশু-পাখি পাচ্ছে তার শতভাগ।ঠিক তেমনি কারণে শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। প্রকৃতির নির্জনতায় বেড়েছে প্রাণীদের প্রজনন সক্ষমতা। প্রাণীদের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে মোটাতাজাও হয়ে উঠেছে পশু পাখি। তাদের ঘরেও এসেছে অনেক নতুন অতিথি। লকডাউনের এ সময়ে মৃত্যু কিংবা অসুস্থতার শিকার হয়নি প্রাণী।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, দুই দফা লকডাউনে আট মাসের বেশি বন্ধ রাখা হয় পার্কটি। এসময় বেশ কিছু প্রাণী বাচ্চা প্রসব করেছে।

দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে পার্কে জেব্রার ৫টি, চিত্রা হরিণের ১৩টি, ওয়াইন্ড বিস্টের ৬টি, উট পাখির ১১টি, ইমু পাখির ৫টি এবং ময়ুরের ১১টি বাচ্চা এসেছে।

প্রাণীদের প্রজনন ও বিশেষ পরিচর্যার কথা বিবেচনা করে প্রতি বছর তুলনামূলক কম দর্শনার্থী আসার সময় অর্থাৎ মার্চ থেকে থেকে মে এই তিনমাস পার্ক বন্ধ রাখার জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে বন্যপ্রাণীরা মানুষের ওপর বেশ বিরক্ত। করোনার সময়ে সে জায়গায় তারা বেশ খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে। কেবল বন্যপ্রাণী নয়, যেসব প্রাণী খাঁচায় ছিল তাদের আচরণেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এটা ধরে রাখতে পারলে একদিকে যেমন বাড়বে প্রাণীদের সংখ্যা অন্যদিকে দর্শনার্থীরা পাবেন বাড়তি আনন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২১ ৮:৪২ পূর্বাহ্ন
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ফুল সুজিপানা
প্রাণ ও প্রকৃতি

প্রকৃতিতে নানাভাবে দখল করে আছে ফুল। ফুল যেন আরো সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে প্রকৃতির। এই ফুলের মাঝেও রয়েছে সবচেয়ে বড় এবং ছোট ফুল। পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট ফুল হিসাবে প্রমাণিত সুজিপানা ফুল। এই ফুল এতটাই ক্ষুদ্র যে এর একটি কণা দেখতে লাগে মাইক্রোস্কোপ।একবীজপত্রী উদ্ভিদ বর্গের লেমনেসিয়া গোত্রের অন্তর্গত অবাধ ভাসমান জলজ সপুষ্পক উদ্ভিদ। বৈজ্ঞানিক নাম ওলফিয়া আরিজাহ।

প্রায় পুকুর বা জলাশয়ে এটি দেখে থাকবেন। এক ধরনের শ্যাওলা বলতে পারেন একে। তবে এগুলো এক ধরনের ফুল। যেগুলো অনেক বেশি ক্ষুদ্র হয়ে থাকে।

পানিতে চরে বেড়ানো পাখিদের প্রিয়খাদ্য এটি। দ্রুত বংশবৃদ্ধিতে অন্যান্য গাছগাছালিকে সহজেই ছাড়িযে যায় এবং খরা, ঠান্ডা, খাদ্যাভাব ইত্যাদি পরিবেশগত দুর্যোগেও টিকে থাকতে পারে। শুধু যে পাখিদের খাদ্য তা কিন্তু নয়। বিভিন্ন দেশে মানুষের খাদ্যাভ্যাসেও রয়েছে এটি। সালাদ হিসেবে খাদ্যযোগ্য প্রোটিন, ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘বি’ সমৃদ্ধ। মায়ানমার, লাওস ও উত্তর থাইল্যান্ডে।

সপুষ্পক হলেও সুজিপানায় দৈবাৎ ফুল ফোটে, বংশবৃদ্ধি মূলত অঙ্গজ-মুকুলে। এগুলো বাংলাদেশ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আছে গত এক শতক ধরে। এই ক্ষুদ্র ফুল উৎপাদনকারী উদ্ভিদটি হচ্ছে থ্যালাস (যে উদ্ভিদ পাতা, শাখা-প্রশাখা এবং মূলে বিন্যস্ত নয়) প্রজাতির উদ্ভিদ।

সবুজ বা হলুদাভ সবুজ বর্ণের এই উদ্ভিদটির কোনো মূল নেই। উদ্ভিদটির দৈর্ঘ্য ১ থেকে ৫ মি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর কোনো স্বতন্ত্র কাণ্ড ও পাতা নেই। গোটা উদ্ভিদটাই আসলে চ্যাপ্টা ছোট একটি পত্রকল্প কাঠামো বা ফ্রন্ড। এ ফ্রন্ড নিচে ঝুলন্ত এক বা একাধিক কৈশিক মূলসহ একক বা দলবদ্ধ থাকে।

ফুল সাধারণত উদ্ভিদটির ওপরের স্তরে জন্মে থাকে। এর একটি করে পুংকেশর ও গর্ভকেশর থাকে। এর সম্পূর্ণ পুষ্পবিন্যাসের দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ১ মি.মি. হয়ে থাকে। ওলফিয়া শতকরা ৮০ ভাগ প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। আদর্শ পরিবেশে এগুলোর জীবনকাল ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিগুণ হয়ে যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২১ ৫:৩০ অপরাহ্ন
আগামী তিন দিনে আরও বাড়তে পারে বৃষ্টি
প্রাণ ও প্রকৃতি

দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী তিন দিন বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ পুর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিও হচ্ছে। আর দেশের কোথাও কোথাও থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হলে বৃষ্টি আরও বাড়বে। তখন হয়তো টানা বৃষ্টি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।’

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশের দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৬টা থেকে আজ (রোববার) সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি অনেকটাই বেড়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে কক্সবাজারে ১০১ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১১ মিলিমিটার।

এছাড়া, চট্টগ্রামে ৭৬, সন্দ্বীপে ৬৮, মাইজদীকোর্টে ৬৭, ফেনীতে ৪৫, সিলেটে ৫০, বগুড়ায় ২৭, বদলগাছীতে ২৬, সৈয়দপুরে ২৭, তেঁতুলিয়ায় ২০, ডিমলায় ৪৫, চুয়াডাঙ্গায় ৬৯, বরিশালে ৪৫, পটুয়াখালীতে ৭৪, খেপুপাড়ায় ৭২, ভোলায় ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
ঝড়বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের ভয়ঙ্কর আভাস
প্রাণ ও প্রকৃতি

মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় থাকায়  ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

শনিবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশে আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, সকালের বৃষ্টির রেশ অনেকটাই কেটে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দুপুরের দিকে হয়তো আবারও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারী কোনো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই।

তাপমাত্রার তথ্যে বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপতাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তেঁতুলিয়ায় ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ২ দিন আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে আগামী ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৯:২৯ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারে সূর্যমুখী চাষ বেড়েছে ১০ গুণ
প্রাণ ও প্রকৃতি

সূর্যমুখী চাষের দিকে ঝুঁকছেন বর্তমানের অনেক তরুণরা। এটিতে লাভজনক হওয়ায় হওয়ায় গত এক বছরে মৌলভীবাজারে সূর্যমুখী চাষ বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। এ বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ৮৭ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর কুলাউড়ায় মোট আট হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছিল। এ বছর হয়েছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ৮৭ হেক্টর জমিতে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ ও সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজারে এ বছর সূর্যমুখী চাষ হয়েছে ৫৬৫ হেক্টর জমিতে। গত বছর হয়েছিল ৫৮ হেক্টর জমিতে। সাত উপজেলায় তিনটি ভেরাইটি হাইসান-৩৩, হাইসান-৩৬, নতুন বীজ আরডিএস-২৭৫ হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী চাষ হয়েছে।

সূর্যমুখী চাষি সৈয়দ হুমায়েদ আলী শাহিন জানান, ‘আগে অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান তোলার পর এই জমিগুলো পতিত থাকত। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে আমরা গত বছর থেকে সূর্যমুখী চাষ করছি।’

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন জানান, এ বছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি হাইসান-৩৩ জাতের সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। উপজেলায় প্রায় ১১০ জন কৃষককে নিয়ে প্রদর্শনী করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. ফরহাদুল হক জানান, ফসল অনেক ভালো হয়েছে। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা যাবে। প্রতি হেক্টরে দুই টন বা প্রতি বিঘায় আট মণ সূর্যমুখী বীজ পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
টেকনাফে পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৫ জন নিহত
প্রাণ ও প্রকৃতি

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে দুই পরিবারের পাঁচজন নিহত হওয়ার ১৫ ঘণ্টার মাথায় টেকনাফের হ্নীলায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী ভিলেজারপাড়ায় এ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- ভিলেজার পাড়ার সৈয়দ আলমের সন্তান- আব্দু শুক্কুর (১৬) মো. জোবাইর (১২) আব্দুর রহিম (৫) কোহিনুর আক্তার (৯) জয়নবা আক্তার (৭)।

হ্নীলা ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বার হোছেন আহমেদ জানান, ছৈয়দ আলমের বাড়ি পাহাড়ের পাদদেশে। পাশে উঁচু পাহাড়। সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া বর্ষণ থেমে থেমে অব্যাহত রয়েছে। এতে নরম হয়ে রয়েছে পাহাড়ের মাটি। মঙ্গলবার রাতের টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের কিছু অংশ ধসে গিয়ে ছৈয়দ আলমের বাড়ির ওপর পড়ে। এতে চালাসহ চাপা পড়ে বাড়ির ঘুমন্ত সদস্যরা। মাটির নিচে চাপা পড়ে ছৈয়দ আলমের তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। সেখান থেকে প্রথমে দুইজন ও পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে রাতেই চেয়ারম্যানসহ সবাই ঘটনাস্থলে যান।

চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, ‘অতিবৃষ্টির কারণে পানখালীর ভিলেজার পাড়ায় পাহাড়ধস হলে স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ আলমের ৫ সন্তান মাটির নিচে চাপা পড়ে। সেখান থেকে প্রথমে ২ জন ও পরে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় আরো ২ জন গুরুতর আহত হয়েছে।’

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানান, সোমবার দুপুর ১২টা হতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ১৩৩ মিলিমিটার। সাগরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত বলবত রয়েছে। আরও দু-তিনদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘটতে পারে পাহাড় ও ভূমিধসের ঘটনাও।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ৯:৩৯ অপরাহ্ন
ইউটিউব দেখে অসময়ে তরমুজ চাষে সফল বোরহান
প্রাণ ও প্রকৃতি

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের রাঙামুলারকান্দি গ্রামের তরমুজ চাষি বোরহান মাহমুদ। অসময়ে তরমুজ চাষ করে বেশ সফলতাও পেয়েছেন।

তিনি ইউটিউব থেকে কৃষি ফসলের ভিডিও দেখতে গিয়ে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ’ বিষয়ে জানতে পারেন। পরে ভিডিও দেখে ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ আবাদ চাষ করার উদ্যোগ নেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, তার জমিতে ছোট ছোট মাচায় ঝুলছে কালো রঙের নানান আকৃতির তরমুজ। মালয়েশিয়া ফেরত যুবক বোরহানের তরমুজ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সারা ফেলেছে। তরমুজ খেতে ও দেখতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে তার বাগানে ছুটে আসছেন লোকজন।

শুধু দেখতে নয়, বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন তরমুজ কিনতেও ছুটে আসছেন। জমি থেকেই বিক্রি করছেন সেই তরমুজ। পাইকারিভাবেও তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে।

দেশে সচরাচর গ্রীষ্মকালে তরমুজের ব্যাপক আবাদ হলেও দেশে প্রথমবারের মতো বর্ষাকালীন সময়ে তরমুজের আবাদ করে আশানুরূপ সাফল্য পেয়েছেন নবীন তরমুজ চাষি বোরহান মাহমুদ। অসময়ে তরমুজের ফলন দেখে খুশি গ্রামাবাসী।

সঠিক পরিচর্যা ও দেখভালের কারণে ভালো ফলন হওয়ায় অধীক লাভবান তিনি। বোরহান ব্যাপক আকারে তরমুজের চাষাবাদ করতে সহযোগীতা চান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের।

নবীন তরমুজ চাষি বোরহান মাহমুদ জানান, দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় থাকার পর বছর দুই আগে দেশে ফিরে আসেন। দেশে আসার পর বিভিন্ন ব্যবসার কথা চিন্তা করেন। কিন্তু কোনো ব্যবসায়ই তার মনমতো হচ্ছিল না। সিদ্ধান্ত নিলেন কৃষিকাজের।

গতানুগতিক কোনো কৃষি আবাদে না গিয়ে ভিন্ন ধরনের কিছু করার চিন্তা করলেন বোরহান। ইউটিউব থেকে কৃষি ফসলের ভিডিও দেখতে গিয়ে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ’ বিষয়ে জানতে পারেন। ভিডিওটি দেখে সিদ্ধান্ত নেন ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ আবাদ করার।

নিজেদের ২ বিঘা পতিত জমিতে রোপণ করেন বীজ। সেই বীজ থেকে চারা হলে তৈরি করেন মাচা। সেই মাচায় এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে বোরহানের স্বপ্নের ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ।

সেই তরমুজগুলো যাতে কোনো পোকা কেটে দিতে না পারে সেজন্য ক্ষেতজুড়ে ‘আলোক ফাঁদ’ বসিয়েছেন। তরমুজগুলো ঢেকে দিয়েছেন নেটের ব্যাগ দিয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা শান্ত, মনজুর হোসেন তুষারসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষিত বেকার যুবক জানান, স্বল্প সময়ে ফলন পাওয়া এবং অধিক লাভজনক হওয়ায় বোরহানের দেখাদেখি তারাও এ তরমুজ আবাদে ঝুঁকেছেন।

করোনাকালে চাকরির কথা না ভেবে তারা তরমুজ আবাদ করার জন্য বোরহানের কাছে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন পরামর্শ নিচ্ছেন।

বোরহান জানান, তার জমিতে এখন প্রায় চার হাজার বিভিন্ন সাইজের তরমুজ রয়েছে। প্রতিদিনই ক্ষেত থেকেই বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। প্রতিটি তরমুজ একশ টাকা থেকে শুরু করে তিনশত টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে।

জমি তৈরিসহ দুই বিঘা জমিতে আমার সর্বমোট খরচ হয়েছে আশি হাজার টাকা। আর জমিতে থাকা তরমুজগুলো আশা করি বিক্রি করতে পারবো চার লাখ টাকার উপরে। সব খরচ বাদ দিয়ে সে তিন লাখ টাকা আয় করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বোরহান।

স্থানীয় দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন মুশা জাগো নিউজকে জানান, শখের বসে বোরহান এ তরমুজের আবাদ শুরু করে। বর্তমানে সে তরমুজের আবাদ করে বেশ লাভবান।

ব্ল্যাক ডায়মন্ড তরমুজ খেতে প্রচুর মিষ্টি। উপরিভাগ কালো হলেও ভেতরে টকটকে লাল। অসময়ে তরমুজ আবাদ করে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছেন বোরহান।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. হজরত আলী জাগো নিউজকে বলেন, বেকারত্ব দূর করতে তরমুজ চাষ বেশ লাভজনক কাজ।

বেকার যুবকদের তরমুজ চাষে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তরমুজ চাষে ফরিদপুরের শিক্ষিত বেকার-যুবকরা এগিয়ে এলে প্রশিক্ষণসহ সরকারি সব সুবিধা ও সব ধরনের সহযোগীতা করা হবে।

 

সুত্রঃ জাগোনিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৩, ২০২১ ৪:২২ অপরাহ্ন
প্রবল বৃষ্টিপাতে পর ভূমিধস, নিহত ৩৬
প্রাণ ও প্রকৃতি

প্রবল বৃষ্টিপাতের পর ভারতের মহারাষ্ট্রে ভূমিধসে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছে। রাজ্যের রাইগাদ জেলায় তিনটি ভূমিধসের ঘটনায় আরও ৩০ জন আটকা পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া সাতারায় আরেকটি ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ১২ জন আটকা পড়েছে। খবর নিউজ এইটিনের।

পুলিশ জানিয়েছে, রাইগাদের মাহাদ তেহসিলের তালাই গ্রামের কাছে ওই ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তারা বলছে, গত কয়েকদিন ধরে মহারাষ্ট্রের লাগাতার বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছে, ভূমিধসের স্থান থেকে তারা ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে, আরও বহু লোক আটকা পড়ে থাকতে পারে।মহারাষ্ট্রের কনকান অঞ্চলের কাছাকাছি সাত্তারিও পানিতে ডুবে গেছে। মুম্বাইয়ের গোবান্দি এলাকায় একটি বাড়ি ধসে পড়ার ঘটনায় তিনজন নিহত হয়। আর আহত হয় সাতজন। চিপলুনের মিরজোলি গ্রামে একটি ভূমিধসের পর অন্তত ৫৬ জন গ্রামবাসীকে গবাদিপশুসহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে একটি যাত্রীবাহী বাস কোলহাপুর জেলার একটি নদীতে ভেসে গেছে। ওই বাসটিতে ১১ জন আরোহী ছিল। তবে বাসটি ভেসে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তাদের উদ্ধারে সক্ষম হয় কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৯, ২০২১ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
লটকনের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
প্রাণ ও প্রকৃতি

 

লটকন ফল খাওয়া যায়। আবার লটকনে আছে অনেক পুষ্টি। এ সব মানুষের ভাবনার বাইরে ছিল। ফল হিসেবে লটকন পরিচিত হয়েছে বেশ কিছু দিন আগে। বনে বাদাড়ে পড়ে থাকত। বুনো ফল হিসেবেই মানুষ একে চিনত। অথচ লটকন পুষ্টিকর অর্থকরী একটি ফল।

লটকনের বৈজ্ঞানিক নাম ব্যাকারিয়াস্যাপাডিয়া। ইংরেজিতে লটকনকে বলা হয় বার্মিজ গ্রেপ। বাংলাদেশে লটকন এলাকাভেদে বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন হাড় ফাটা, ভুবি, কানাইজু, লটকা, লটকাউ, লোটকা ইত্যাদি। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র লটকন গাছ হয়। বাংলাদেশ ছাড়া মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডে লটকন বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়। মৌসুমী এই ফলটির পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা প্রচুর। যেমন-

১. লটকনে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ আছে। সিজনের সময় প্রতিদিন দুই-তিনটি লটকন খাওয়া মানে দৈনন্দিন ভিটামিন ‘সি’র চাহিদা পূরণ হওয়া। এ ছাড়া ফলটিতে রয়েছে আমিষ, লৌহ ও খনিজ পদার্থ।

২. লটকন গাছের শুকনো গুঁড়ো পাতায় ডায়রিয়া উপশম হয়। এর গাছের পাতা ও মূল খেলে পেটের পীড়া ও পুরাতন জ্বর নিরাময় হয়। এমনকি গনোরিয়া রোগের ওষুধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এ ফলের বীজ।

৩. প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনের কোয়ায় খাদ্যশক্তি থাকে প্রায় ৯২ কিলোক্যালরি। এতে ক্যালরি আছে জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রায় দ্বিগুণ।

৪. লটকনে ভিটামিন বি-১ আছে ১০.০৪ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন বি-২ আছে ০.২০ মিলিগ্রাম। ফলে পাকা লটকন খাদ্যমানের দিক দিয়ে খুবই সমৃদ্ধ।

৫. অ্যামাইনো অ্যাসিড ও এনজাইম আছে লটকনে যা দেহ গঠন ও কোষকলার সুস্থতায় কাজে লাগে। এসব উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ৬. লটকন খেলে সহজেই বমি ভাব দূর হয়। তৃষ্ণাও নিবারণ করে। মানসিক চাপ কমায়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop