১১:১৯ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৭, ২০২৩ ১১:১২ পূর্বাহ্ন
বাকৃবিতে নরসিংদী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির বার্ষিক বনভোজন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত 
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়ামে নরসিংদী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি”র বার্ষিক বনভোজন ও নবীনবরণ শনিবার (২৫ নভেম্বর  ২০২৩) অনুষ্ঠিত হয় । বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ও সমিতির সভাপতি ডঃ এস. এম. লুৎফুল কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী, সহ-সভাপতি প্রফেসর ডঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডঃ আনিসুর রহমান। উপদেষ্টা সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ডাঃ ইসমাইল হোসেন, প্রভাষক আফরোজা সুলতানা ও শিবলী নোমান। আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির কার্যকরী কমিটির সকল পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ, সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং শিক্ষকদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্টানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয় এবং উপহার প্রদান করা হয়। সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভাষক, ৪১তম বিসিএস এ সুপারিশ প্রাপ্ত নব্য ক্যাডারগণ এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান সূচিতে আরো ছিলো বিভিন্ন রকম খেলাধুলা, রাফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণ।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে উদ্দীপনামূলক ও সুন্দর জীবন গঠনের দিক-নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন পরিশেষে সভাপতি সমিতির উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২৩ ৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনু, ময়মনসিংহ থেকে: শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা-এর নতুন রেজিস্ট্রার হয়েছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ। ড. হারুন গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে নেত্রকোণায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে যোগদান করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. গোলাম কবীর নতুন রেজিস্ট্রার-কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার যোগদানের পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর ভাইস-চ্যান্সেলরের সভাপতিত্ত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এবং নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়তে সকলের সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য ড. হারুন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সালে এস.এস.সি, ১৯৯৫ সালে এইচ.এস.সি, ১৯৯৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ হতে স্নাতক সম্মান ও ২০০০ সালে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। চাকরিরত অবস্থায় তিনি ২০১৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্স থেকে ‘প্ল্যান্ট জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর বেশকিছু গবেষণা নিবন্ধ আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অবস্থায় তিনি রোভার স্কাউট, রোটার‌্যাক্ট ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটির পাস্ট প্রেসিডেন্ট এবং বর্তমানে রোটারি আন্তর্জাতিক জেলা-৩২৮১ এর ডেপুটি গভর্ণর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২৩ ১২:২৮ অপরাহ্ন
উচ্চশিক্ষার মানবৃদ্ধিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ তৈরি করতে হবে – সিকৃবি ভিসি
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের উদ্যোগে চারটি গবেষণাগার উদ্বোধন করা হয়েছে। ১৪ নভেম্বর প্ল্যান্ট ও এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি, এনিম্যাল ও ফিশ বায়োটেকনোলজি, ফারমেন্টেশন টেকনোলজি এন্ড বায়োপ্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং, মাইক্রোবিয়াল বায়োটেকনোলজি ল্যাবরেটরি সমূহ উদ্বোধন করেন সিকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা ।

মৌসুমী পালের সঞ্চালনায় এবং বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মেহেদী হাসান খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডাঃ মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা বলেন,উচ্চশিক্ষার মানবৃদ্ধিতে শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে এ গবেষণাগারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছফি উল্লাহ ভূইয়া, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুল ইসলাম । অন্যান্যের মদ্যে বক্তব্য রাখেন প্ল্যান্ট ও এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সোনিয়া বিন্তে শহীদ, এনিম্যাল ও ফিশ বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, বায়োকেমিস্ট্রি ও কেমিস্ট্রি বিভাগের চেয়ারম্যান মোসাঃ রুবাইয়াৎ নাজনীন আখন্দ, মলিকুলার বায়োলজি ও জেনিটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মোঃ শরীফুল ইসলাম, ফার্মাসিউটিক্যালস্ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদ আক্তার মলি।

অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, দপ্তর   প্রধান, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২৩ ৬:১৬ অপরাহ্ন
কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাকৃবির গবেষকদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য – প্রফেসর ড. হাসিনা খান
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনুঃ বাংলাদেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সিংহভাগ কৃতিত্ব বাকৃবি’র শিক্ষক, গবেষকদের। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় গবেষকদের বিাভন্ন প্রতিবন্ধকতায় কাজ করতে হচ্ছে। কৃষির নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাকৃবি গবেষকদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বাকৃবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বার্ষিক সেমিনার এবং সেরা প্রকাশনা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. হাসিনা খান এসব কথা বলেন। অধ্যাপক ড. হাসিনা খান তার বক্তব্যে পুরস্কারপ্রাপ্ত সকলকে অভিনন্দন জানান এবং বাকৃবি শিক্ষক সমিতির এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন।


অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসলাম আলী এর সভাপতিত্বে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডিন কাউন্সিলের আহবায়ক প্রফেসর ড. আবুল মনসুর।
এসময় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন, প্রতিযোগিতার এ যুগে টিকে থাকতে হলে মানসম্মত গ্রাজুয়েট এর বিকল্প নাই। শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। তিনি সম্মানিত শিক্ষকদের লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেন।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম এবং ‘উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক প্রোগ্রামের গুণগত মানের নিশ্চয়তা’ শীর্ষক বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ড. সুকুমার সাহা।
উল্লেখ্য, ৫টি ক্যাটাগরিতে অনুষদওয়ারী ভাগ করে মোট ২০জনকে তাদের গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশনার উপর পুরস্কৃত করা হয়। সর্বোচ্চ প্রকাশনা ক্যাটাগরিতে সেরা গবেষক নির্বাচিত হন ফিসারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান। হোম ক্যাটাগরিতে এনাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. জিয়াউল হক, কৃষি রসায়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন, এনিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আকতারুজ্জামান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের জনাব মেছবাহ উদ্দিন। ফরেন ক্যাটাগরিতে সার্জারি এন্ড অবস্টেট্রিক্স বিভাগের প্রফেসর ড. মোমেনা খাতুন, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ড. শাকিল মাহমুদ, কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের ড. মোঃ ফুয়াদ হাসান, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। কোলাবরেশন ক্যাটাগরিতে প্যাথলজি বিভাগ থেকে যৌথভাবে প্রফেসর ড. রোখসানা পারভীন ও প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুজ্জামান, কৃষি শিক্ষা ও সম্প্রসারণ বিভাগের ড. খোন্দকার হুমায়ুন কবীর, কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান। রিভিউ ক্যাটাগরিতে মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ তানভীর রহমান, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল হান্নান, অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ এহসানুর রহমান, কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান।
সদস্য সচিব, প্রফেসর ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, এটা সত্যিই আশাব্যঞ্জক যে বাকৃবি এর উচ্চ মানের গবেষণা উৎপাদনশীলতা নির্দেশ করে ‘হোম রিসার্চ ক্যাটাগরিতে’ আবেদনের সংখ্যা কয়েক বছর ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবুও, ফ্যাকাল্টি সদস্যদের তাদের বাকৃবি-এর অধিভুক্তিগুলিকে বিদেশ থেকে তৈরি করা প্রভাব প্রকাশনাগুলিতে অন্তুর্ভুক্ত করার জন্য আরও উৎসাহিত করা উচিত যাতে বাকৃবি-এর দৃশ্যমানতা এবং উন্নত বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিং স্কেল বৃদ্ধি পায়।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সাল থেকে, বাকৃবি শিক্ষক সমিতি বিগত ক্যালেন্ডার বছরে বাকৃবি শিক্ষকদের দ্বারা প্রকাশিত একক সেরা বৈজ্ঞানিক নিবন্ধের জন্য ‘সেরা প্রকাশনা পুরস্কার’ প্রদান করে আসছে। একইভাবে, এই বছর বাকৃবি শিক্ষক সমিতি ২০২৩ সম্মানিত শিক্ষকদের তাদের ২০২২ সালে প্রকাশিত বাকৃবি -সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ প্রভাব পত্রের জন্য আবেদন করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। মোট ৯৯টি আবেদন চারটি ভিন্ন বিভাগে গৃহীত হয়েছে [হোম রিসার্চ ক্যাটাগরি, ফরেন রিসার্চ ক্যাটাগরি, কোলাবোরেটিভ রিসার্চ বিভাগ বিজ্ঞাপন পর্যালোচনা নিবন্ধ বিভাগ] বাকৃবি এর ছয়টি অনুষদে। সেরা প্রকাশনা পুরস্কার নির্বাচন কমিটির ২০২৩-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমিন বারী তার উদ্বোধনী বক্তৃতায় বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করেন, পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান এবং কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। সেরা প্রকাশনা পুরস্কার প্রদানের সেশনটি পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব, শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা পুরস্কার নির্বাচন কমিটি ২০২৩

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২৩ ৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
কর্মচারীদের স্ব-স্ব কাজে সৎ হওয়ার আহ্বান বাকৃবি ভিসির
ক্যাম্পাস

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ একটি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি একত্রে ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন। প্রত্যেকেই প্রশাসনের অংশ। প্রত্যেকেই যার যার অবস্থান থেকে প্রশাসক। সেভাবে অবস্থান তৈরির জন্য নিজেদের সুদৃঢ় করতে হবে। সঠিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্ব-স্ব কাজে সৎ হতে হবে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অর্থায়নে এবং গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (জিটিআই) এর পরিচালনায় কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘প্রশাসন ও অফিস ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। সোমবার ১৩ নভেম্বর সকাল ১০টায় জিটিআই শ্রেণীকক্ষে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও তিনি বলেন, প্রশিক্ষকরা যা দিবেন তা গ্রহণ এবং কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ না করলে প্রশিক্ষণের সফলতা আসবে না। ব্যক্তির পেশাগত দক্ষতা এবং জ্ঞান যতটুকু আছে তা বাড়ানোর প্রচেষ্টা থাকতে হবে। স্ব-স্ব কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলী অর্জন করতে হবে। সেলক্ষ্যে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা মেনে প্রশিক্ষণ গ্রহন ও কার্যক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করতে হবে।

জিটিআই এর পরিচালক প্রফেসর ড. বেনতুল মাওয়া এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদ, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মোঃ অলিউল্লাহ, ট্রেজারার জনাব মোঃ রাকিব উদ্দিন, এছাড়াও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ‘প্রশাসন ও অফিস ব্যবস্থাপনা’ কোর্সের কোর্স কো-অডিনেটর প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। অনুষ্ঠানে চীফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমান এবং জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনুসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৩ নভেম্বর হতে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ১২দিন ব্যাপি এ প্রশিক্ষণ কোর্সে বাকৃবি’র মোট ৩০জন কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২৩ ১০:৫১ অপরাহ্ন
আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস ২০২৩
ক্যাম্পাস

কৃষি ও সম্পর্কিত বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈশ্বিক কৃষিতে বিভিন্ন সমস্যা ও তার মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয়ে গেলো ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস ২০২৩। ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস আয়োজন করা হয়ে থাকে দেশব্যাপী কৃষি ও সংশ্লিষত শিক্ষার্থীদের মিলনমেলার জন্য। এবারের আলোচ্য বিষয় ছিল Delta Dynamics: Nurturing Sustainable Agriculture and Ecosystems।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মোহাম্মদ আলী এবং রেজিস্টার ও প্রক্টর প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বসু।

 

২ দিনব্যাপী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি’র প্রধান উপদেষ্টা ও কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পূর্ণেন্দু বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইয়াস বাংলাদেশের ন্যাশনাল এডভাইসার প্রফেসর ড. ইকতিয়ার উদ্দীন, ইয়াস বাংলাদেশ পবিপ্রবি’র লোকাল এডভাইসার প্রফেসর ড. সাজেদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মোয়াজ্জেম হোসেন এবং হর্টিকালচার ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহবুব রব্বানী। সম্মানিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজন এবং চলমান কৃষি ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে নিজেদের মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপস্থিত দর্শকদের সাথে মতবিনিময় করেন জনপ্রিয় কার্টুনিস্ট মোরশেদ মিশু। তিনি তার বর্তমান বিভিন্ন কাজ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ক্যাবি প্লান্টওয়াইসপ্লাস বাংলাদেশ থেকে ড. মালভিকা চৌধুরী।

 

এবছরের ন্যাশনাল কংগ্রেসের থিম Delta Dynamics: Nurturing Sustainable Agriculture and Ecosystem নিয়ে একটি প্যানেল ডিসকাশন আয়োজিত হয় যেখানে সম্মানিত প্যানেলিস্ট হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ ইকতিয়ার উদ্দীন, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসাদুল হক, প্রফেসর ড. মাহাবুব রব্বানী এবং প্রফেসর ড. সাজেদুল হক। সম্মানিত প্যানেলিস্ট তাদের মূল্যবান মতামত সেশনটিতে শিক্ষার্থীদের সাথে বিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর দান করেন।

 

এছাড়াও অন্যান্য সেশনের অংশ হিসেবে ছিলেন ইস্ট-ওয়েস্ট সিড নলেজ ট্রান্সফার। শিক্ষার্থীদের আয়োজনের ২য় দিন বাউফল উপজেলার চন্দ্রপাড়া গ্রামের তাদের প্রদর্শনী মাঠ এবং নার্সারি ফিল্ড ভিজিটের অংশ হিসেবে ভ্রমণ করেন। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে ওয়াগেনইংগেন ইউনিভার্সিটি এন্ড রিসার্চ এবং ইয়াস বাংলাদেশের সহযোগিতায় “ন্যাচার বেইজড্ সলিউশন বুটক্যাম্প বাংলাদেশ” এর ফাইনাল রাউন্ড এবং জলবায়ু ও কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে একটি পৃথক কেইস সলভিং কম্পিটিশনও ছিল।

 

এই আনন্দ আয়োজনের ২য় দিনের সাথে ছিলেন আনন্দ পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক আলী আদনান। এছাড়াও ক্যাবি সোশাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন, ডেভলপমেন্ট ফান্ড নাইট, কালচারাল নাইট, ইত্যাদি আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২ দিনের এই আয়োজনটি সমাপ্ত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২৩ ৬:৩৯ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব-স্মার্ট ইউনিবেটর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
ক্যাম্পাস

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ দেশে ইনোভেশন সংস্কৃতি তৈরি ও প্রযুক্তি ভিত্তিক স্টার্টআপসমূহের বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতাধীন ডিজিটাল উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব স্থাপনের ভিত্তিপ্রস্তর সকাল ১০.০০টায় ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এমপি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত ইনোভেশন হাব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল বলেন, প্রস্তাবিত ইনোভেশন হাব বাংলাদেশের উদ্যোক্তা তৈরীর সম্ভাবনাকে আরো অনেক বেগবান করবে। উদ্যোক্তা তৈরির জন্য কৃষিক্ষেত্র অনেক বড় এবং সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে। যার মধ্যে ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা তৈরি, সম্ভাবনাময় আইডিয়া বাছাই করণ, উদ্যোক্তাদের স্টার্টআপ ফান্ড দেওয়া, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, জ্ঞান অর্জন এবং প্রয়োগের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত ভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়া অন্যতম।

ইনোভেশন হাব বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী শাহানারা আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও কৃষি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিজিটাল উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ মোঃ নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ডিন পরিষদের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ আবুল মনসুর, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসলাম আলী, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মোঃ অলিউল্লাহ, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. এ.কে.এম. আদহাম, পরিকল্পনা ও উন্নয়নের পরিচালক প্রফেসর ড. খান মোঃ সাইফুল ইসলাম, আইআইএফএস এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল হক, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ আজহারুল ইসলাম, আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আওয়াল, আইএডিএস এর পরিচালক প্রফেসর ড. ইসমত আরা বেগম, ফুড টেকনোলজি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগের প্রফেসর ড. পলি কর্মকার, আইআইএফএস এর সহযোগী পরিচালক ড. রাখী চক্রবর্তী, ট্রেজারার মোঃ রাকিব উদ্দিন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, ইনোভেশন হাব বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য-সচিব এ. বি. এম. রেজাউর রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২৩ ৬:১৬ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের ২২তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপণী
ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হওয়া ২২তম বুনয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপণী বুধবার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১২টায় গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (জিটিআই) শ্রেণীকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অর্থায়নে এবং জিটিআই এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের।

জিটিআই এর পরিচালক প্রফেসর ড. বেনতুল মাওয়া এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে ডিন পরিষদের আহবায়ক প্রফেসর ড. মোঃ আবুল মনসুর, জিটিআই এর সাবেক পরিচালক প্রফেসর ড. মোজাহার আলী, প্রশিক্ষণ কোর্সের সিনিয়র কোর্স-কোর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট জনশক্তি, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট জনগণ, স্মার্ট সমাজব্যবস্থা এই চারটি ডাইমেনশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট জনশক্তি তৈরি এবং শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ থেকে লব্দ জ্ঞান শতভাগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।
জিটিআই এর প্রফেসর ড. মোঃ মোজাম্মেল হক এর সঞ্চালনায় আরোও বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদ, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মোঃ অলিউল্লাহ। অনুষ্ঠানে ট্রেজারার মোঃ রাকিব উদ্দিন, জিটিআই এর বোর্ড অব কো-অর্ডিনেশন সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম ফারুক, চীফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমানসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২৪ সেপ্টেম্বর হতে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২৫দিনের এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২০জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২৩ ৮:২৮ অপরাহ্ন
সিভাসুতে উদ্ভোধন হলো এপি-লাইব্রেরি
ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ওএনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) এর হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় এপিডেমিওলজি ব্যবহারিক শ্রেণীকক্ষে এপি-লাইব্রেরি উদ্ভোধন করা হয়।

সিভাসুতে চলমান সিভাসু এপি-এলামনাই গঠন প্রক্রিয়ার প্রথম সভায় প্রস্তাবিত একটি কার্যক্রম ছিলো এপি-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১২ই অক্টোবর ২০২৩ তারিখে এপি-লাইব্রেরি উদ্ভোধন করা হয়।অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান, ডিন, ভেটেরিনারি অনুষদ, সিভাসু। অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. এ.কে.এম. হুমায়ুন কবির (পরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগ)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডা. ফরহাদ হোসেইন (সাবেক পরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ); অধ্যাপক ড. শারমিন চৌধুরী (পরিচালক, ওয়ান হেলথ্ ইন্সটিটিউট, সিভাসু); অধ্যাপক ড. পঙ্কজ চক্রবর্তী (বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন ও সার্জারি, সিভাসু); অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ( মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগ, সিভাসু); অধ্যাপক ড. ভজন চন্দ্র দাশ (মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগ, সিভাসু); মোঃ হাবিবুর রহমান (লাইব্রেরিয়ান, সিভাসু); ডাঃ সুপন নন্দী (উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বাঁশখালি); ডাঃ সেতুভূষণ দাশ (উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বোয়ালখালি); সহকারী অধ্যাপক সাজেদা আক্তার (মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগ, সিভাসু); ডাঃ সাদ্দাম হোসেইন (প্রতিষ্ঠাতা, বার্ডস্ এন্ড পেট হসপিটাল, চট্টগ্রাম); রাশেদ মাহমুদ (রিসার্চ ম্যানেজার, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব, বাংলাদেশ), অধ্যাপক মোঃ আহসানুল হক (সিভাসু, জাতীয় সমন্বয়ক, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব, বাংলাদেশ) এবং এপি-মাস্টার্সরত শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের বক্তব্যে পরিচালক, লাইব্রেরিয়ান মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, “জ্ঞান অর্জনের জন্যে বইয়ের কোনো বিকল্প হতে পারেনা।”

মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক পঙ্কজ চক্রবর্তী বলেন, “সবসময় সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে যাওয়া হয় না, সেক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সহজেই এই লাইব্রেরিটি থেকে এপিডেমিওলজি সংক্রান্ত বই পড়তে পারবে।”

পরিচালক, ওয়ান হেলথ্ ইন্সটিটিউট অধ্যাপক শারমিন চৌধুরি বলেন, “এপিডেমিওলজির বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে পাওয়া যায় না, এমতাবস্থায় এমন লাইব্রেরির পরিকল্পনা প্রশংসনীয়।”

পরিচালক,প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ড. এ.কে.এম. হুমায়ুন কবির বলেন, “এপিডেমিওলজি সকল গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু। আমাদের অনেক তথ্য-উপাত্ত (রোগ-তথ্যাদি)থাকা সত্ত্বেও, আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনা, কেবলমাত্র উপযুক্ত এপিডেমিওলজিক জ্ঞান প্রয়োগের অভাবে।”

ডিন, ভেটেরিনারি অনুষদ, অধ্যাপক মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান লাইব্রেরিটির প্রসারে আশা ব্যক্ত করে বলেন, “এই ধরনের উদ্যোগ সিভাসুতে প্রথম এবং বেশ প্রশংসনীয়। অধ্যাপক মোঃ আহসানুল হক বরাবরই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এধরনের নতুন জিনিষ সংযোজন করাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।”

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে চলমান সিভাসু এপি-এলামনাই গঠনপ্রক্রিয়ার দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।রাশেদ মাহমুদ (আহ্বায়ক, সিভাসু এপি এলামনাই) সিভাসু এপি-এলামনাইয়ের প্রস্তাবিত সংবিধানটি উত্থাপন করেন যেখানে ৯-সদস্যের একটি কার্যনির্বাহী দলের প্রস্তাব করা হয়। সেই সাথে সংবিধানের বিভিন্ন বিষয় যেমন, কার্যনিবার্হী দলের মেয়াদ, সদস্য-ফি, কার্যক্রমসহ বিবিধ বিষয় আলোচনা করা হয় এবং এলামনাই গঠনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে সংবিধানটি অনুমোদনের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা হবে। উক্ত সভায় ১৫জন এলামনাই সদস্য এবং জুম প্লাটফরম যোগে ৫জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২৩ ৬:১৬ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে বিএসপি দ্বিবার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনুঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দি বাংলাদেশ সোসাইটি ফর প্যারাসাইটোলজির (বিএসপি) ১৪তম দ্বিবার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ‘প্রাণী এবং মানুষের গ্রীষ্মমন্ডলীয় পরজীবী জনিত রোগসমূহ: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ওই সম্মেলনের আয়োজন করে দি বাংলাদেশ সোসাইটি ফর প্যারাসাইটোলজি (বিএসপি) ও ইন্টার এগ্রো বিডি লিমিটেড ।


বাংলাদেশ প্যারাসাইটোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোতাহার হোসেন মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোলেমান খান। সেমিনারে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক চৌধুরী ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কেমিক্যাল বায়োলজি কলকাতা এর আইসিএমআর ইমিরিটাস সায়েন্টিস্ট শ্যামল রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আউয়াল , ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল গোলাম ফেরদৌস । অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য পাঠ করেন সেমিনার আয়োজক কমিটির সভাপতি।। অধ্যাপক ড. মো: আব্দুল আলীম , বিএসপি সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান এবং ধন্যবাদ দেন প্রফেসর ড. শিরিন আক্তার। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা সচিব সোলেমান খান বলেন ,আজকের সেমিনারের বিষয়বস্তু প্রাণি ও মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেমিনারে বিজ্ঞানীগণ যেসকল গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করবেন তা থেকে আমরা সকলেই উপকৃত হবো বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি আরও বলেন , কৃষির প্রাচীণ ও বৃহৎ এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজ পর্যন্ত বহু গ্রাজুয়েট বের হয়ে বিভিন্ন সেক্টরে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আজ যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে তার অন্যতম দাবীদার এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী গ্র্যাজুয়েটগণ।


সম্মেলনে গবেষকগণ বলেন, নানা ভাবে ক্ষতিকর পরজীবী খাদ্যের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করছে। মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকুলেও এসব পরজীবী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে এমনকি মৃত্যুও ঘটছে।গবেষকগণ আরও জানান আমাদের চারপাশের লাখ লাখ প্রজাতির পরজীবীর মধ্যে বিপুল সংখ্যক আবার আমাদের বা আমাদের পশুসম্পদের জন্য ক্ষতিকর তো নয়ই, বরং ভীষণ উপকারী। এই পরজীবীরা দলবদ্ধভাবে একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে । এইসব উপকারী পরজীবীদের বাচিঁয়ে রাখতে হবে। এবিষয়ে গবেষকদের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে এবং এ বিষয়ে জ্ঞান আরও বৃদ্ধি করতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop