৯:১৩ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
গাইবান্ধার বালুচরে কীটনাশকমুক্ত সবজির বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

চলতি বছর বৃহৎ পরিসরে গাইবান্ধার বিভিন্ন বালুচরে কীটনাশকমুক্ত সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে।

এখন বাড়তি সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছ। পল্লী উন্নয়ন একাডেমী জানিয়েছে, চরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সবজির বাজার তৈরির চেষ্টা চলছে।

উচ্চ ফলনশীল বীজ আর কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে শীতকালীন সবজিতে ভরে উঠেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ির ভাসান চরসহ একাধিক চর। পঁচিশ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে বাধাকপি, ফুলকপি, মিষ্টিকুমড়া, মুলা, ভুট্টা, গাজর ও টমেটো।

সবজি বিক্রি করে এবার ঘরে মুনাফা তোলার আশা করছে কৃষকরা। কৃষকরা জানান, চরে শীত মৌসুমে  সবজিই বেশি আবাদ করা হয়। এখনও কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। বাজারে দামও ভালো, লাভও হবে।

কীটনাশকমুক্ত সবজি চাষের ফলে থাকছে না স্বাস্থ্য ঝুঁকি। চরে সবজির বাম্পার ফলনের কারণে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এখন সবজি  সংরক্ষণের জন্য দরকার হিমাগার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন,কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্যোগী হয়ে উঠেছে।এখন তাদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার করা যায় তাহলে তাদের জন্য ভালো হয়। তাদের সুবিধামতো সময়ে তারা এসকল সবজি বিক্রি করতে পারবে। এর ফলে তারা আরও লাভবান হবে।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক খলিল আহমদ বলেন,চরের মানুষের জীবনমান বাড়াতে কৃষিখাত নিয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২২ ৪:২৯ অপরাহ্ন
নাটোরে সরিষা থেকে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন!
কৃষি বিভাগ

নাটোর জেলায় এবার  রবি মৌসুমে চাষকৃত সরিষার আবাদি জমি থেকে সাত টনের অধিক মধু সংগ্রহ করা হয়েছে।উৎপাদিত এ মধুর বাজার মূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরিষার ক্ষেতে এবার দেড় হাজার মৌ-বক্স স্থাপন করা হয়। এসব মৌ-বক্স থেকে প্রায় সাত টনের উপর মধু আহরণ করা হয়।

সরিষার আবাদি জমিতে মৌ-বক্স স্থাপনের কারণে ফুলের পরাগায়ন ভালো হয়েছে । ফলে সরিষার উৎপাদন হবে আশাতীত। পাশাপাশি, বাড়তি উৎপাদন হিসেবে প্রচুর মধু সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

এবার জেলার সিংড়া উপজেলায় ৮,৩৫০ হেক্টর জমিতে এবার সরিষা আবাদ হয়। উপজেলার হাতিয়ান্দহ, লালোর, শেরকোল, চৌগ্রামসহ চলনবিলের হলুদ সরিষার মাঠ থেকে মৌ চাষিদের ব্যাপকভাবে মধু আহরণ করতে দেখা যায়।

সরিষা চাষি আসলাম হক জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় মৌ চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে এ বছরই প্রথম মধু উৎপাদন শুরু করেছি। সরিষার ফলন উঠার আগেই বাড়তি আয় করার সুযোগ পাচ্ছি।

সিংড়া উপজেলার  মৌ চাষি মান্নান মিয়া বলেন, বিসিক থেকে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি, এছাড়াও কৃষি বিভাগ আমাকে মৌ চাষের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এবার আমি ৬০টি মৌ-বক্স বসাই।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সেলিম রেজা বলেন, সরিষা থেকে মধু উৎপাদন করে বাড়তি আয় হওয়ায় কৃষকদের মাঝে সরিষা মধু চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি বলেন, কৃষি বিভাগ ১০জন কৃষককে মধু চাষের প্রশিক্ষণ দিয়ে ১০টি আধুনিক মৌ বাক্স প্রদান করে। তাঁরা ইতিমধ্যে আশানুরুপ মধু উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২২ ১:২৬ অপরাহ্ন
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অসময়ের বৃষ্টিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

নন্দীগ্রাম উপজেলার রায়পুরের আলুচাষি কৃষক আব্বাস আলী, এ বছর তিনি ৩০ বিঘা জমিতে আলু রোপণ করেন। হঠাৎ মাঘের বৃষ্টিতে আলুর ক্ষেতে পানি জমেছে। এখন জমে থাকা পানি সেচ দিয়ে সরানোর ব্যবস্থা করছেন। আবারও বৃষ্টি হয় তাহলে আলুর আবাদে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা আলু চাষের জন্য বিখ্যাত।এই উপজেলায় প্রচুর আলু উৎপাদন হয়। কিন্তু তা সংরক্ষণ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। অসময়ে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে আলুক্ষেতে পানি জমেছে। এসব ক্ষেতের আলু পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় যদি বৃষ্টি আরো বাড়ে, তাহলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন আলুচাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ আলুর জমিতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। আটকে থাকা পানি সরাতে জমির আল কেটে,সেচ দিয়ে,বালতি বা বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে জমির পানি সেচের কাজ করছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আলুক্ষেতের যেদিকেই চোখ যায় একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।

কৃষকরা জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত নন্দীগ্রাম উপজেলায় মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আলু তোলার জন্য কৃষকরা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ করে বৃষ্টিতে আলুর জমিতে পানি জমে যাওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন তারা। অসময়ে হঠাৎ বৃষ্টিপাতের কারণে আলু রক্ষায় ব্যাপক দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আদনান বাবু জানান, কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা আলুর জমি থেকে দ্রুত পানি বের করে দেওয়ার জন্য আলুচাষিদের পরামর্শ প্রদান করছেন। জমিতে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করলে আলুর ক্ষতি হবে না। তবে জমিতে পানি জমে থাকলে আলু আবাদে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে এই উপজেলায় আলুর চাষাবাদ হয়েছে তিন হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে। এবার আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ দুই হাজার মেট্রিক টন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে আলুর জমি থেকে দ্রুত পানি বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২২ ৫:১৭ অপরাহ্ন
যশোরে সৌরভ ছড়াচ্ছে বিদেশি ফুল ‘টিউলিপ’
কৃষি বিভাগ

শীতপ্রধান দেশ নেদারল্যান্ডের জাতীয় ফুল টিউলিপ । বিশ্বজুড়েই রয়েছে যার ব্যাপক চাহিদা ও কদর। টিউলিপ চাষে গড় তাপমাত্রা থাকতে হয় ৫৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে। তাই সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এ ফুলের চাষ হয় না।

তবে অনেকটা গ্রীষ্মপ্রধান হলেও বাংলাদেশের যশোর জেলার ঝিকরগাছার গদখালির ইসমাঈল  টিউলিপ চাষে সফলতা পেয়েছেন।তার বাগান জুড়ে ফুটে উঠেছে অপরুপ সৌন্দর্যের টিউলিপ ফুল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, শীত প্রধান দেশ ছাড়া টিউলিপ ফোটানো রীতিমতো সাধনার বিষয়। ইসমাইল হোসেনের সাফল্যের মধ্যদিয়ে গদখালীতে প্রথমবারের মতো দেশে বাণিজ্যিকভাবে টিউলিপ ফুল চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জমিতে টিউলিপ সারি সারি ফুটে রয়েছে। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই একের পর এক ফুল ফুটতে শুরু করেছে। বিভিন্ন রঙের ফুল ফুটেছে বাগানে। পুরো শেডটিতে বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

ফুলচাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।বাণিজ্যিকভাবে টিউলিপ চাষ করলে ফুলচাষীরা লাভবান হবেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, ‘নেদারল্যান্ডস থেকে সরকারি খরচে সাত প্রকারের পাঁচ হাজার বাল্ব আমদানি করা হয়। ওই বাল্ব ইসমাইল হোসেনের পাঁচ শতক জমিতে গত ৬ জানুয়ারি বপন করি। ২২ জানুয়ারি থেকে টিউলিপ ফুল ফুটতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে সানরাইজ, অ্যান্টার্কটিকা হোয়াইট (সাদা), লা বেলা রেড (লাল), মিল্কশেক রেড (লাল) প্রজাতির টিউলিপ ফুটেছে। পর্যায়ক্রমে সাত প্রজাতিরই ফুল ফুটবে বলে তিনি আশা করেন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২২ ৪:১০ অপরাহ্ন
মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে আলু চাষে ক্ষতির আংশকা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলিতে হঠাৎ বৃষ্টিতে আবাদি আলুর ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।কয়েকদিন পর থেকেই ক্ষেত থেকে আলু  তোলা হবে। এরই মধ্যে অসময়ের বৃষ্টিতে আলুর চাষের জমি এখন পানির নিচে। এই অবস্থায় যদি বৃষ্টি আরও  ২ থেকে ৩দিন থাকে তাহলে আলুর আবাদে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন কৃষকরা ।

আলু চাষি আবুল কালাম আাজাদ বলেন, হঠাৎ বৃষ্টিতে আলুর জমিতে পানি উঠেছে।এখন  জমে থাকা পানিগুলো সেচ দেওয়া হচ্ছে। পুনরায় বৃষ্টি হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে।

তিনি আরও জানান, যদি রোববার ও সোমবার  রোদ ওঠে তাহলে আলুর আবাদে ক্ষতিটা কম হবে।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ডা. মমতাজ সুলতানা বলেন, বর্তমানে উপজেলার ৪শ’ হেক্টর জমির আলু এখন পানির নিচে।

তিনি বলেন,উপজেলাতে এবার আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে। চলতি শীত মৌসুমে আলুর চাষাবাদ হয়েছে ৯৪৫ হেক্টর জমিতে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরে সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারাদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে ৩০ দশমিক ৩ মিলিমিটার।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২২ ১২:৩৫ অপরাহ্ন
বেগুনী রঙের বাঁধাকপি চাষে সফল গাইবান্ধার বেলাল
কৃষি বিভাগ

বেগুনী রঙের বাঁধাকপি চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন গাইবান্ধার কৃষক বেলাল হোসেন। নতুন জাতের এই সবজির ফলন ভালো আর দাম বেশি পাওয়ায় লাভবান হয়েছেন তিনি।

বেলাল হোসেনর এই  সাফল্য দেখে এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বেগুনী বাঁধাকপি চাষে। এজন্য পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে কৃষি বিভাগ।

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ভাষারপাড়া গ্রামের কৃষক বেলাল হোসেন। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, মরিচ, আলু, টমেটো, ক্যাপসিকামসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন তিনি।

এবার নতুন জাতের সবজি, বেগুনী রংয়ের বাঁধাকপি চাষ করে লাভবান হয়েছেন তিনি। দু’টি জমিতে ১০ হাজার বাঁধাকপির চারা রোপন করেন। কিছু দিন পরেই সারি সারি বেগুনী বাঁধাকপিতে ভরে যায় ক্ষেত। পাইকারি বিক্রি করছেন প্রতি পিস ২৫-৩০ টাকায়।

আলাদা সার ও কীটনাশক ছাড়াই ভালো ফলন হয়েছে এই বাঁধাকপির। বেলালের সফলতা দেখে স্থানীয় অনেক চাষীই আগামীতে বেগুনি রঙের এই বাঁধাকপি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. বেলাল হোসেন জানান,বেগুনী বাঁধাকপি চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে কৃষক বেলাল হোসেনকে।

তিনি বলেন, আগামীতে জেলায় বেগুনী রঙের বাঁধাকপির চাষ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২২ ১২:১২ অপরাহ্ন
ঝালকাঠিতে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধানের চারা রোপণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ঝালকাঠিতে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধানের চারা রোপণের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী।

বৃহস্পতিবার  নলছিটির ষাটপাকিয়ায় উপজেলার কৃষি অফিসের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, আমাদের জমি কমেছে। বাড়ছে জনসংখ্যা। বাড়তি মানুষের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন ফসলের উৎপাদন বাড়ানো। আর এ জন্য দরকার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার। এর অংশ হিসেবে সমলয় পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এর মাধ্যমে আবাদখরচ হ্রাস পায়। সময়ও লাগে কম। রোগপোকাকে করা যায় সহজভাবে নিয়ন্ত্রণ। তাই চাষাবাদে কৃষকরা লাভবান হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার রুম্পা শিকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আলী আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই’র অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. রিফাত শিকদার, উপজেলা কৃষি অফিসার ইসরাত জাহান মিলি, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোর্শেদা লস্কর, জেলা পরিষদের সদস্য খন্দকার মজিবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস. এম. নাহিদ বিন রফিক, ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম আব্দুল হক, মোল্লার হাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম. সাইদুর রহমান মিন্টু, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. কাজল হোসেন, ভৈরবপাশার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, স্থানীয় ইউপি. সদস্য শাহিন চৌধুরী, প্রদর্শনীচাষি সবুজ জোমাদ্দার প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, ৫০ একর বিশিষ্ট এ সমলয়প্লটে কৃষকের সংখ্যা ৮২ জন। তাদের ৩ শ’ কেজি হাইব্রিড ধানের বীজ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪.৫ টন ইউরিয়া, ৩ টন ডিএপি এবং এমওপি সার দেওয়া হয়েছে ২.৫ টন। অনুষ্ঠানে দুই শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২২ ৪:২৩ অপরাহ্ন
নদী ও খাল ভরাট হওয়ায় কৃষিতে সেচ বিঘ্নিত
কৃষি বিভাগ

অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে, নাব্যতা হারিয়ে পানিশূণ্য হয়ে পড়েছে নেত্রকোনার বেশিরভাগ নদী ও খাল। পানির অভাবে জমিতে সেচ দিতে পারছেনা কৃষকরা। ফলে অনাবাদি পড়ে থাকছে নদী তীরে অনেক ফসলি জমি। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব নদী খননের দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

শিগগিরই ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলোতে খনন কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

নেত্রকোনায় মগড়া, সোমেশ্বরীসহ ছোট-বড় ৫৭টি নদ-নদী রয়েছে। কিন্তু দিন দিন দখল আর দূষণে, ভরাট হয়ে গেছে জেলার বেশিরভাগ নদী। আশেপাশের ফসলি জমিগুলোতে পানি সেচ দেয়ার উপায়ও নেই এখন। ফলে অনাবাদি হয়ে পড়েছে নদী তীরোবর্তী অনেক ফসলী জমি। সেচযন্ত্র বসিয়ে ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। নদীর পুরনো রূপ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত খনন কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন কৃষক ও স্থানীয়রা।

স্থানীয় গবেষকরাও বলছেন কৃষি, প্রাণ বৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় নদী খননে দ্রুত উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। এদিকে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ধাপে ধাপে খনন কাজ বাস্তবায়ন ও দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান, নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহনলাল সৈকত।

সরকার দ্রুত নদী খনন করে পরিবেশের ভারসাম্য টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নেবে, এমনটাই প্রত্যাশা নেত্রকোনাবাসীর।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২২ ৩:২৯ অপরাহ্ন
চালের দাম কেন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না জানালেন কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আমন মৌসুমে উৎপাদন ভালো হলেও অগ্রহায়ণ মাসে চালের দাম বাড়ছে। মোটা চালের দামও বাড়ছে। নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চালের দাম কেন রাখা যাচ্ছে না তা জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষি মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমে তিনি কারণগুলো উল্লেখ করেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য-শস্যের দাম বাড়ার পেছনে এবার অনেকগুলো কারণ আছে। করোনা মহামারির কারণে এ বছর আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিকভাবে খাদ্য-শস্যের দাম বেড়েছে। সারের দাম বেশি। এ বছর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন ৪৫০ ডলারে গম বিক্রি হচ্ছে। আমরাও কিনছি। যেটা আগে ৩০০ ডলারের বেশি কোনো দিন ছিল না। ৪ গুণ বেড়েছে সারের দাম।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রতি বছর ২৪ লাখ নতুন মুখ যোগ হচ্ছে। পৃথিবীর অনেক দেশে ২৪ লাখ মানুষ নেই। ১০ লাখ রোহিঙ্গা, তাদেরও আমাদের খাওয়াতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চালের ওপর চাপ বাড়াতে; গম না খেয়ে মানুষ বেশি চাল খাচ্ছে। গত অর্থবছর এই সময় প্রায় ৪৮ লাখ টন গম আমদানি হয়েছিল। এ বছর জানুয়ারি পর্যন্ত আমদানি হয়েছে মাত্র ১৭-১৮ লাখ টন। মনে হচ্ছে, এই অর্থবছরে ৩০ লাখ টন গমও আমদানি হবে না। তাতে চালের ওপর প্রভাবটা পড়ছে। পশু খাদ্য হিসেবেও চাল ব্যবহৃত হয়। সেটাও একটা কারণ।

মানুষের আয় বাড়ছে, যারা আগে একবার খেতে তারা এখন দুবার খায়। যারা দুবার খেত তারা ৩ বার খায়। চর-হাওর এলাকার মানুষ খাবারের কষ্ট করতো, তাদের আয় বেড়েছে, তাদের ওই রকম অভাব নেই—তারাও বেশি খায়। সার্বিকভাবে চাহিদা বেড়েছে। এই চাহিদা মেটানোর জন্য অবশ্যই আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে, বলেন রাজ্জাক।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে এবং জমির পরিমাণ প্রতিনিয়ত কমছে। শিল্প কারখানা, বাড়ি-ঘর, বিভিন্ন অকৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য আমাদের অনেক উর্বর-আবাদি জমি চলে যাচ্ছে। ২০১৫-১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কৃষি উৎপাদন, বিশেষ করে দানা জাতীয় খাদ্য উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চাই। ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিদেশ থেকে আমাদের তেমন চাল আমদানি করতে হয়নি। সরকারি পর্যায়ে একদমই করা হয়নি, বেসরকারি পর্যায়ে সরু চাল এসেছে।

সিলেট-ময়মনসিংহ হাওর এলাকায় ২০১৭ সালে ভয়াবহ বন্যা হয়। ধানের প্রচণ্ড ক্ষতি হয়, তখন চাল আমদানির জন্য আমরা শুল্ক কমিয়ে দিয়েছিলাম। ফলে চালের দাম কমে যায়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২০ সাল পর্যন্ত অব্যাহতভাবে চালের দাম কমতে থাকে। পরে শুল্ক বাড়ানো হলে চালের দাম বেড়ে যায়। চালের দাম সীমিত আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা যাচ্ছে না। মোটা চালের দামও বাড়ছে, গত ৮-৯ মাস যাবত আমরা লক্ষ করছি। গত আমন উৎপাদন একটু খারাপ হয়েছিল, এবার ভালো হয়েছে। গতবার বোরোর উৎপাদন খুবই ভালো হয়েছে। তারপরও নবান্নের মাস, অগ্রহায়ণ মাসেও আমরা দেখছি চালের দাম বাড়ছে—বলেন কৃষিমন্ত্রী।

বোরো ধান চাষ সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে অসঙ্গতি থাকায় সরকার অস্বস্তিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রত্যেকটা ইউনিয়নে আমাদের একজন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আছেন। তার এলাকায় কতটুকু জমিতে কী পরিমাণ বোরো হয়েছে এবং কী কী ধরন আছে এটা বের করা কঠিন না। কেন এটা আমরা পারছি না। এই পরিসংখ্যান নিয়ে একটা অস্বস্তির মধ্যে আছে সরকার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২২ ২:৫৮ অপরাহ্ন
সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহ নেই কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ধান সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সরকারি দর আর বাজার দর খুব বেশি পার্থক্য না হওয়া, ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা নেওয়া, কড়াকড়ি আরোপসহ নানা ঝামেলার কারণে কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে অনাগ্রহী।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১ সালের ৫ নভেম্বর থেকে শুরু করা হয়েছে ধান সংগ্রহ অভিযান। চলতি বছরে কৃষকদের কাছ থেকে মোট ৪৩৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। সে অনুযায়ী ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়। উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে কৃষক বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতি কেজি ধানের সরকারি মূল্য ধরা হয়েছে ২৭ টাকা।

তবে ধান সংগ্রহ অভিযানের প্রায় তিন মাসে এ উপজেলায় ৪৩৫ মেট্রিক টনের মধ্যে মাত্র ৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার দিক দিয়ে একেবারেই সামান্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারিভাবে ধানের মূল্য ২৭ টাকা কেজি। সে অনুযায়ী এক মণ ধানের দাম ১ হাজার ৮০ টাকা। কিন্তু বাজারে প্রতি মণ ধান ১১০০ থেকে ১১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কৃষকদের ভাষ্য, সরকারিভাবে ধান বিক্রি করতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়। এজন্য খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে অনীহা কৃষকদের। বিশেষ করে শুকনো ছাড়া গুদামে ধান নেওয়া হয় না। ধানের মূল্য পেতেও নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় তাদের।

উপজেলার শহীদনগর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামের কৃষক আবু সাইদ, আফজাল হোসেন, কদম শেখ, আব্দুল মান্নান মাতুব্বর বলেন, আমরা সাধারণ হাট-বাজারে ধান বিক্রি করে যে সুবিধা পাই, গুদামে সেই সুবিধা পাই না। অনেক নিয়ম কানুন। অফিসারদের অসহযোগিতা, গুদামে অনেক কড়াকড়িভাবে ধান নেওয়া হয়। বেশি শুকাতে হয়, পরিষ্কার করতে হয়। তাছাড়া বাজারের চেয়ে গুদামে ধানের দামও কম। তাই আমরা গুদামে ধান বিক্রি করতে অনাগ্রহী।

তারা আরও বলেন, সরকারিভাবে ধান বিক্রি করলে টাকা নিতে হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকতে হয়। অনেক চাষির অ্যাকাউন্টও নেই।

লস্করদিয়া ইউনিয়নের জুংগরদী গ্রামের কৃষক আকবর মোল্লা, টোকন মোল্লা, আসাদ মাতুব্বর বলেন, আমরা যেখানে দাম বেশি পাবো, সেখানেই বিক্রি করবো। সরকারি দামের চেয়ে বাজারে ধানের দাম বেশি, তাই বাজারেই বিক্রি করছি। এছাড়াও হাট-বাজারে নিজেদের ইচ্ছামতো বিক্রি করতে পারি। আর গুদামে ধান বিক্রি করতে গেলে অনেক নিয়ম কানুন আর ঝামেলা।

এ ব্যাপারে নগরকান্দা উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আজাহার আলী বলেন, আমরা ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ধান সংগ্রহের কাজ শুরু করি। কিন্তু কৃষকরা আমাদের কাছে ধান বিক্রি করছেন না।

এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো হয়েছে। নানাভাবে কৃষকদের এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এমনকি কৃষকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তারা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে অনাগ্রহী এবং আসছেন না। আবার সরকারি দামের চেয়ে সাধারণ হাট-বাজারে ধানের মূল্য বেশি, যে কারণে কৃষকরা ধান বিক্রিতে গুদামমূখি হচ্ছেন না।

এ বিষয়ে নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেতী প্রু বলেন, সরকারি গুদামে ধান সরবরাহ করার জন্য প্রচার প্রচারণাসহ নানাভাবে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop