৮:৪৮ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (১৩ফেব্রুয়ারী) বাবুগঞ্জের রহমতপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, মুগ দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় ডালফসল। এর পরিচর্যা কম লাগে। দু’একটা সেচ দিলেই চলে। এসব সুবিধায় এই অঞ্চলে মুগের আবাদ বাড়ানো দরকার। জাত হিসেবে বিনা মুগ-৮, বিনা মুগ-৯ এবং বিনা মুগ-১০ ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলোর ফলন ২ টনের মতো। তাই কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর ও বাবুগঞ্জের ৬০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২২ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষ্যে কেআইবি’র ভার্চুয়াল সভা
কৃষি বিভাগ

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারী – কৃষিবিদ দিবস।১৯৭৩ সালের এই দিনে কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময় প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেয়ার ঘোষণা দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি কৃষিবিদ দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন।

দিনটি উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) কর্তৃক সন্ধ্যা ৭ টায় এক ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

উক্ত ভার্চুয়াল সভায় সকল কৃষিবিদদের উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাসচিব কৃষিবিদ মোঃ খায়রুল আলম প্রিন্স।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২২ ১২:২৪ অপরাহ্ন
জনপ্রিয়তা বাড়ছে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষে
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর ও বাগেরহাটের ফকিরহাটে জনপ্রিয় হচ্ছে সমলয় উচ্চ ফলনশীল জাতের বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় আধুনিক যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষক স্বল্প সময়ে বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারছে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বরুন্ডি গ্রামের একশ কৃষককে প্রণোদনার মাধ্যমে পাচ্ছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ। দেড়শ বিঘা জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে তৈরি করা হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা।

আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষকদের সাশ্রয় হচ্ছে অর্থ ও সময়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বীজতলা তৈরি, রোপণ ও ধান কাটার এই পদ্ধতিতে খুশি স্থানীয় চাষিরা।

সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

সিংগাইর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শান্তা ইসলাম বলেন, পূর্বে বিঘা প্রতি যেখানে ১২-১৩ হাজার খরচ হতো সেটা কমে এসে ৭-৮ হাজার টাকার মধ্যে এক বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে। এখানে কৃষকের শ্রমও কমছে, খরচও বাঁচছে।

সিংগাইর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান স্বপন বলেন, মেশিনের মাধ্যমে তারা ধানের চারা উৎপাদন করতে পারে। সেই চারা কিভাবে মেশিনের মাধ্যমে রোপণ করা যায়, সেটা একটা প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় সরকার করে যাচ্ছে।

এদিকে, বাগেরহাটের ফকিরহাটেও সমলয় পদ্ধতিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বোরো ধান চাষাবাদে চারা রোপণ শুরু হয়েছে।

এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় আধুনিক যন্ত্রপাতি। প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে ফসল রক্ষা, সেচ ও সার ব্যবহারে রয়েছে আধুনিক সব পদ্ধতি।

সমলয় চাষাবাদ পদ্ধতিতে কৃষক স্বল্প সময়ে বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারছে বলে জানায় কৃষি অধিদপ্তর।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন বলেন, সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য যন্ত্রপাতি ও শস্য কর্তন থেকে শুরু করে সকল খরচ সরকার বহন করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষককে সহায়তা প্রদান করা হবে।

সরকারের পরীক্ষামূলক এই পদ্ধতি দেখে আগামীতে নিজেরাই এমনভাবে চাষাবাদ করবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ৬:৫০ অপরাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআরডিআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী মো. আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক মো. সেলিম রেজা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখা দরকার। এ জন্য জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হয়। সে কারণে মাটি পরীক্ষা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন সারের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জানা। এসব বিষয়ে নিজে সচেতন হতে হবে। অপরকেও করতে হবে উৎসাহিত।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঠে নিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহের কৌশল হাতে-কলমে শেখানো হয়। মৃত্তিকা গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা জোড়দারকরণ প্রকল্পের আওতাধীন ৪৫ জন কিষাণ-কিষাণী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই বিষয়ের ওপর অনুরূপ এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের রাজস্ব বাজেটের আওতায় এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ৫০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ১:১৯ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পানের বরোজ ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষি বিভাগ

চাঁদপুরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পানের বরোজ। পানের বরোজ হলুদ হওযায় পান পাতা লতা থেকে ঝড়ে পড়ছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার পান চাষি।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা পান চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানে মহানলী, চালতা বোটা ও নলডোগ এই তিন জাতের পান চাষ হয়ে থাকে। উপজেলার মহজমপুর, আলগী উত্তর, আলগী দক্ষিণ ও চরভৈরবীসহ বিভিন্ন এলাকায় সবচেয়ে বেশি পান চাষ করা হয়। এখানকার উৎপাদিত পান চাঁদপুর ছাড়াও ফেনী, নোয়াখালী, শরীয়তপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

তবে মাঘের শীত ও কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পান। হলদেটে ও ঝড়ে পড়া এসব পানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে কৃষক। কৃষকরা জানান, কুয়াাশার কারণে পান পেকে যায় এবং ঝড়ে পড়ে। বাজারে বিক্রি করতে গেলেও আশানুরূপ দাম পাওয়া যায়না।

পানচাষি আলম জানান, তীব্র শীত যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে তারা বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন।

কৃষি বিভাগের সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন কৃষকরা। সংকট মোকাবেলায় সরকারিভাবে সহায়তার পাশাপাশি কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতা চান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

জনবল সংকট ও সরকারিভাবে পর্যাপ্ত কার্যক্রম না থাকায় কাজ কিছুটা ব্যহত হচ্ছে বলে স্বীকার করেছে জেলা কৃষি বিভাগ।

জেলার হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, সরকারকে বারবার বলা হচ্ছে যেন এখানে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। পান চাষিদের যে ক্ষতি হচ্ছে এ থেকে উত্তরণের জন্য তাদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় প্রায় ২৩৭ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। এর মধ্যে হাইমচর উপজেলার ২২০ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়। এখানে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার পান কেনা-বেচা হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ১২:৪৩ অপরাহ্ন
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জেগে ওঠা জমিতে ধান চাষ
কৃষি বিভাগ

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জেগে ওঠা জমিতে চলছে বোরো ধানের চাষ। হ্রদের পানি কমতে থাকায় জগে ওঠা জমিতে এখন চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাহাড়ী চাষীরা। তবে সেচ সংকট, ডিজেল আর কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের। 

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাশয়, রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ । শীত মৌসুমে হ্রদের পানি কমতে থাকলে ভেসে উঠে চাষাবাদযোগ্য জমি। স্থানীয়ভাবে এসব জমিকে বলা হয় জলেভাসা জমি। পলি ভরাট এসব জমিতে ধান চাষ করে পাহাড়ী চাষীরা। কিšতু পানির অভাবে আর কৃষি উপকরণে দাম বাড়ায় এবার সংকটে তারা।

নভেম্বর মাস থেকে জলেভাসা এসব জমিতে চাষাবাদ শুরু হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বেড়ে তলিয়ে যায় ফসলের মাঠ। এর আগেই ফসল ঘরে তুলতে হয়।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, চাষীদের বীজ ও সেচের পানির সংকট নিরসনে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

চলতি বছর জেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জলেভাসা জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৯, ২০২২ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
গোপালগঞ্জে পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পান চাষীরা
কৃষি বিভাগ

গোপালগঞ্জে পানের বরজে পোকার আক্রমণে বিপাকে পড়েছে পান চাষীরা। ছত্রাক, পাতা পঁচা, কুঁচকে যাওয়া এবং পাতায় ছিটা দাগে নষ্ট হচ্ছে বরজের পান।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে তেমন পরামর্শ বা সহায়তা তাঁরা পাননি। তবে, কৃষি বিভাগ বলছে, সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

ক্ষুদ্র পরিসরে গোপালগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ হচ্ছে। সদর, কাশিয়ানী এবং মুকসুদপুরে বাংলা, মিঠা, দেশি ও ঝালি জাতের পান চাষ করছে কৃষকরা। করোনা অতিমারির কারণে গত বছর পানের ভালো দাম পায়নি। এবছর সেই ক্ষতি কাটিয়ে লাভের আশা করছিলেন। তবে, বরজে পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা।

চাষিদের অভিযোগ, পানে পোকার আক্রমণ নিয়ে কৃষি বিভাগের কোন সহযোগিতা পাননি।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দু কুমার রায় জানালেন, পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচতে বরজের চারপাশে বেড়া দিয়ে ঢেকে রাখাসহ প্রয়োজনীয় কীটনাশক ছিটানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৯, ২০২২ ১:৫৫ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।উপজেলার বিস্তৃণ মাঠ জুড়ে এখন শুধু ভুট্টার উঠতি চারা শোভা পাচ্ছে। ঝিলমিল করে বাতাসে দুলছে ভুট্টার সবুজপাতা। কৃষকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে মাঠ থেকে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলার জন্য।

নাগরপুর উপজেলার অধিকাংশ প্রান্তিক চাষীরা গত কয়েক বছর যাবৎ ভুট্টার চাষ করে আসছে।অন্য ফসলের তুলনায় কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভুট্টা চাষে কীটনাশক ও সেচ তেমন বেশি দিতে হয় না। বর্তমানে আটার বিকল্প ও গো খাদ্য হিসেবে ভুট্টা ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। তাছাড়া পোল্ট্রী শিল্পের জন্যও ভুট্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বিঘা প্রতি আট থেকে দশ হাজার টাকা খরচ করে চাষীরা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার ভুট্টা বিক্রী করতে পারে। চলতি মৌসুমে ফলনের ভাল হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি ।

কৃষক আব্দুল জলিল ও রশিদ মিয়া জানান, ভুট্টার চাষ খুবই লাভজনক। সেচ ও কীটনাশক কম লাগে। আবার ভুট্টা ঘরে তুলার পর জমিতে পাট ও ধানের আবাদ করা যায়। একবিঘা জমিতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মন ভুট্টা হয় যা ধানে তুলনায় অনেক বেশী। কৃষি বিভাগের পর্যাপ্ত সহযোগীতা পাওয়া গেলে তারা আরো বেশী লাভবান হবেন বলেও জানান।

মামুদনগর ইউনিয়নের ভুট্টা চাষী মো. আলী বলেন, ধানের চেয়ে ভুট্টা মারাই করা সহজ। এক জমিতে ভুট্টাসহ তিনটি ফসল আবাদ করা যায়। ভুট্টা চাষে খরচ কম হওযায় লাভ বেশী। অন্য বছরের তুলনায় এবার ফলন ভাল হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস বলেন, চলতি মৌসুমে নাগরপুর উপজেলায় ১৫ শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এবার ১৮ হাজার একশত ৬০ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপাদিত হবে। কৃষি বিভাগ ভুট্টা চাষ বৃদ্ধি করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন ও সহোযোতিা করছে বলেও তিনি জানান।

ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং একই সাথে আগামীতে নাগরপুর উপজেলায় ভুট্টার আবাদ আরো বাড়বে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ঠদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২২ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
বরিশালের মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে কৃষিবিদদের সংবর্ধনা
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খানকে পদোন্নতিজনিত সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। রবিবার রাতে নগরীর ব্রি’র সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেআইবি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দও।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. নুরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিচিম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, এনএসআই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. খালেকুজ্জামান, অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএম আশুতোষ চন্দ্র শিকদার, ডিএই পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, এটিআই’র সাবেক অধ্যক্ষ নিখিল রঞ্জন মন্ডল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকে কর্মরত সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার কৃষিবিদ একেএম সেলিম আহমেদকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন বিপিএম (বার) অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি কৃষিবিদ পরিবারের একজন সদস্য। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক কৃষিবিদ অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২২ ৪:১৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় ফসলি জমিতে কীটনাশক ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে ফসলি জমিতে কীটনাশক ছড়ানোর কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে কুমিল্লার কৃষকরা। কীটনাশক প্রয়োগের সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মানা জরুরি হলেও কৃষকরা এসবের তোয়াক্কা করছেন না।এর ফলে শ্বাসকষ্ট ও কিডনির রোগসহ বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা।

কুমিল্লা জেলায় চাষাবাদের সময় জমিতে ব্যবহার করা হয় কীটনাশক। যা পোঁকা-মাকড় দমনে ব্যবহার করা হলেও সঠিক উপায়ে ও পরিমাণমত এসব কীটনাশকের ব্যবহার জানা নেই তাদের।তাই অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটানোর কারণে বেশীরভাগই কৃষকদের জন্য তা ক্ষতিকর। সে সব নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না কৃষকরা।

ফলে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা। কিন্তু এ ব্যাপারে উদাসীনতা দূর হচ্ছে না।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ক্ষেতে কীটনাশক দেয়ার সময় স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন নিয়মকানুন মানার জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু তা কোন কাজেই আসছে না।

কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop