১২:১০ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৮ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে শূন্যচাষে বিনাসরিষা-৯’র চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে শূন্যচাষে বিনাসরিষা-৯’র চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলার উত্তর রাকুদিয়ায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার পরিচালক (গবেষণা) ড. আব্দুল মালেক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহ মো. আরিফুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান হাওলাদার, কৃষক এনায়েত করিম, মজিবর মুন্সি প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, দক্ষিণাঞ্চলেও তিন ফসল চাষ করা সম্ভব। এজন্য আমনের স্বল্পকালিন জাত বেছে নেয়া দরকার। সেই সাথে শূন্যচাষে বিনা সরিষা-৯ বপন করতে হবে। পরে রবি ফসল। আর তা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়বে। মাঠদিবসে শতাধিক কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ন
খুবিতে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন
কৃষি গবেষনা

বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : মন্ত্রী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন’। আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ৯টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তবে বাংলাদেশ পরিবেশের ক্ষতি না করেও আজ প্রথম সারির ভুক্তভোগী দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে। এজন্য বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল এডাপটেশন প্লান তৈরি করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রিসার্চ এবং নলেজ ম্যানেজমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ জলবায়ু ইস্যুতে বিশ্বের সোচ্চার দেশ প্রধানদের মধ্যে অন্যতম। তিনি এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করছেন। জাতিসংঘের স্বীকৃতিও পেয়েছেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌগলিক অবস্থানজনিত কারণে এখানে গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে বিশ্ব কতটা চিন্তিত সেটা বুঝতেই এই সম্মেলন।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবেশ বিষয়ে বিভিন্ন আইন করে গেছেন। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কারণে তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছেন। এ থেকেই আমরা বুঝতে পারি পরিবেশ নিয়ে ভাবনা এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের।

উপমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ১৯৭টি দেশ সবাই এখন বিশ্বাস করে আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঠিক রাখতে হবে। গত বছর অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনেও পরিবেশের নানা দিক স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশই চায় সুন্দর পরিবেশ ধরে রাখতে। তবে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। তাদের বিষয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বার্তা যে, আমাদের পরিবেশ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। সকলের গবেষণায় এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করে আসছে। এসব দুর্যোগের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হচ্ছে, আয়তন কমে আসছে। প্রতিবছর ২-৪টি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সুন্দরবন উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। সুন্দরবন না থাকলে এ উপকূলে মানব বসতি ও জীবনযাপন সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে ভাবতে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। সকলের চিন্তা-ভাবনায় আমাদের দেশ বিশ্বে আরও ভাল অবস্থান তৈরি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও সম্মেলনের চিফ প্যাট্রন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে তা ভবিষ্যতে মানবজাতি ও সভ্যতার জন্য হুমকী স্বরুপ। তিনি বলেন এই সম্মেলনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মেলনে শুধু দেশের জন্যই নয় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত নিয়েও আলোচনা হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সে দায়িত্ববোধ থেকেই এমন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্লিনারি স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত। প্যাট্রন হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের অরগানাইজিং সেক্রেটারি সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের অরগানাইজিং কমিটির কনভেনর প্রফেসর ড. দিলীপ কুমার দত্ত। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন শুরু হয়। এরপর অতিথিবৃন্দ এবং বিদেশি ডেলিগেটদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সম্মেলনের বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে খ্যাতনামা পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. আলী রেজা খান ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইডেনসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে ৬টি কি-নোট পেপার এবং ১২৫টি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সম্মেলনে ৬০ জন তরুণ গবেষকের গবেষণা নিবন্ধও উপস্থাপিত হবে।

উৎসঃখুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফেসবুক পেজ

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জমিতে সুষম সার ব্যবহার বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): পিরোজপুরের নেছারাবাদে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলার স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছিলেন এসআরডিআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এসআরডিআই’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী আমিনুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক মো. হারুন-অর-রশিদ, অজিত মিস্ত্রী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখা দরকার। এ জন্য জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হয়। সে কারণে মাটি পরীক্ষা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন সারের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জানা। এসব বিষয়ে নিজে সচেতন হতে হবে। অপরকেও করতে হবে উৎসাহিত।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঠে নিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহের কৌশল হাতে-কলমে শেখানো হয়। এসআরডিআই’র গোপালগঞ্জ,-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ৬০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে একই বিষয়ের ওপর অনুরূপ এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। মৃত্তিকা গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা জোরদারকরণ প্রকল্পের (এসআরডিআই অংগ) আওতাধীন এ প্রশিক্ষণে ৪০ জন কৃষক এবং ৫ জন কৃষি উদ্যোক্তা-এনজিও কর্মি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২২ ১০:২৫ অপরাহ্ন
আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

আম গাছে মুকুলের মধ্যে থাকে হাজার হাজার ফুল। তা থেকে জন্ম নেয় আমের গুটি। কিন্তু গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি-

ঝরে পড়ার কারণ:

বেশ কয়েকটি কারণে আমের মুকুল ঝরে পড়তে পারে-

১. অতিরিক্ত কুয়াশা, বৃষ্টি, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে।

২. মাটিতে রসের অভাব হলে।

৩. হপার পোকার আক্রমণে।

৪. আমের মুকুলে অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হলে।

প্রতিকার:

আমের মুকুল ঝরে পড়া রোধে করণীয়-

* আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আগাছামুক্ত ও খোলামেলা অবস্থায় রাখতে হবে।

* মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে। রোগাক্রান্ত ডাল, পাতা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

* এছাড়া গাছের নিচ থেকে মরা পাতা কুড়িয়ে তা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

* এ সময়ে গাছের গোঁড়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সেচ দিতে হবে।

* আম গাছে মুকুল আসার আগে ও ফল মটরদানার মতো হলে হপার পোকা দমনের জন্য স্প্রে করতে হয়। সাইপরমেথ্রিন ১০ ইসি (রিপকর্ড, রেলোথ্রিন, সিনসাইপার, ফেনম, বাসাড্রিন ) বা ল্যামডা সাই হ্যালাথ্রিন ২.৫ ইসি বা ফেন ভেলারেট ২০ ইসি গ্রুপের যেকোনো একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।

* পাওডারী মিলডিও রোগের জন্য ফুল আসার আগে একবার এবং ফুল ধরার পর একবার সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন কুমুলাস, ম্যাকসালফার, থিওভিট, রনভিট ২ গ্রাম হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হয়।

* অ্যানথ্রাকনোজ রোগের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি প্রোপিকনাজল (টিল্ট) বা ১ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম (ব্যাভিস্টিন/অটোস্টিন/ ফরাস্টিন) বা ২ গ্রাম ডাইথেন এম৪৫ মিশিয়ে ১০ দিন অন্তর গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।

* আম মারবেলের মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

লক্ষণীয়: গাছে যখন ৫০% ফল ধরবে; তখন কোনো প্রকার স্প্রে করা যাবে না। মুকুল ফোটার পর স্প্রে করা যাবে না। কেননা এ সময়ে অনেক উপকারী পোকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২২ ৩:২৭ অপরাহ্ন
রমজান উপলক্ষ্যে চালের দাম বাড়বে না: খাদ্য সচিব
কৃষি বিভাগ

আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে চালের দাম বাড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ নিশ্চয়তা দেন।

খাদ্য সচিব বলেন, রমজান উপলক্ষ্যে আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিতে পারি, চালের দাম বাড়বে না। কারণ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মার্চ মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে। মার্চ মাস থেকে ৫০ লাখ পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পাবে। চালের দাম ওই সময় বাড়বে না।

খাদ্য সচিব আরও বলেন, আমরা যদি ওরকম অবস্থা দেখি তাহলে ওএমএস আরও বাড়াব। খাদ্যের ব্যাপারে তো সরকারের কার্পণ্য নেই। খোলা বাজারে বিক্রিটা আরও বাড়াবো। যদি প্রয়োজন হয় ভোক্তার স্বার্থে সরকার চাল আমদানি করবে।

তিনি বলেন, আমরা কৃষকদের ন্যায্য মূল্য দিতে চাই। আমরা খুশি, কৃষক ভালো দাম পাচ্ছেন। যদি প্রয়োজন হয় জনস্বার্থে বা ভোক্তাদের স্বার্থে সরকার সরু চাল আমদানি করবে।

নাজমানারা খানুম জানান, ২০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এরপরও মিলাররা আমার কাছে চাল বিক্রি করতে চাচ্ছে। তার মানে, মোটা চালের দাম আর বাড়বে না। কোনো দুর্যোগ না হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় বোরো চাল বাজারে চলে আসবে। ফলে দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।

বিভিন্ন পর্যায়ে দাম বাড়ছে উল্লেখ করে খাদ্য সচিব বলেন, ব্যবসায়ীরা কতটা লাভে পণ্য বিক্রি করবে তার নির্দিষ্ট কোনও নীতিমালা না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হচ্ছে। তবে, সরবরাহ বাড়িয়ে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ৩:০৭ অপরাহ্ন
সরকার নির্ধারিত দামে সার মিলছেনা গাইবান্ধায়
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধায় চলতি বোরো মৌসুমে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ করছে কৃষকরা। খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি সার পাঁচ থেকে ১৩ টাকা বেশি নিচ্ছেন। ফলে কৃষকরা হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে তাদের।

কৃষকদের অভিযোগ, রশিদের মাধ্যমে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না ডিলাররা। সরকার নির্ধারিত দামের চাইতে বস্তা প্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি নিচ্ছে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার সাত উপজেলায় চলতি মৌসুমে এক লাখ ২৭ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকরা এখন জমিতে তৈরি  ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাষের আগে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ও মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার ছিটিয়ে দিবেন। পরে বোরোধান রোপন করবেন।

জানা যায়, জেলায় বিসিআইসির ১১১ জন এবং বিএডিসির ১১৮ জন ডিলারের মাধ্যমে সার সরবরাহ করা হয়। সরকারিভাবে এক বস্তা ট্রিপল সুপার ফসফেট-টিএসপি এক হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও চাষিদের কাছে বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৪৫০ টাকায়। আর, মিউরেট অব পটাশওÑএমওপি সার প্রতি বস্তা ৭৫০ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকায়। একইভাবে ডিএপি ও ইউরিয়া সার এর দাম প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৮৩০ থেকে ৮৬০ টাকায়।

ন্যায্যমূল্যে সার কিনতে না পারায় উৎপাদন খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন জেলার কৃষকরা। ফলে বাধ্য হয়ে অল্প পরিমানে সার দিচ্ছেন জমিতে বা কোথাও কোথাও গোবর সার ব্যবহার করে ধান লাগানো হচ্ছে।

এদিকে, সারের বাড়তি দামের জন্য ডিলার ও ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দুষছেন। সঠিক মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে কি না তা যাচাই করতে কৃষি বিভাগের কোনো তদারকি নেই বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. বেলাল হোসেন জানান, জেলায় সারের কোনো সংকট নাই। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের বাড়তি দাম নিলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ১২:৪০ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সদরে মালচিং পদ্ধতির উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মালচিং পদ্ধতির উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩.০০ টায় বহুলি ইউনিয়নের ধীতপুরে উক্ত মাঠ দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে আওতায় মাঠদিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও ডিএই বগুড়া অঞ্চল কৃষিবিদ মোঃ ইউসুফ রানা মন্ডল

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রোস্তম আলীর সভাপতিত্বে উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) ও ডিএই সিরাজগঞ্জ কৃষিবিদ আঃ জাঃ মঃ আহসান শহীদ সরকার।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক(পিপি) মোঃ আব্দুল করিম এবং উপপ্রকল্প পরিচালক ও আরডিএডিপি এস.এম আমিনুজ্জামান।

উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ আমেলিয়া জান্নাত।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জমিতে মালচিং ব্যবহারের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন। মালচিং উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করে। সূর্যের আলো মাটিতে না পৌঁছানোর ফলে ফসলের ক্ষেতের আদ্রতা সংরক্ষিত হয়ে থাকে, ফলে জমিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ কম লাগে।আগাছা জন্মাতে পারেনা, ফলে শ্রমিকের পিছনে বাড়তি খরচ লাগেনা। মালচিং ফিল্ম পদ্ধতিতে চাষ করলে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কম হয়, ফলে কীটনাশকের খরচ কমে আসে।শীতকালে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখে এবং গরমকালে মাটি ঠান্ডা রাখে। মালচিং ফিল্ম পদ্ধতিতে চাষ করলে ফসলের ফলন-১৫-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। একবার মালচিং ফিল্ম সেট করে কয়েকবার ফসল চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় জমিতে সুষম সার ব্যবহার বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, বঙ্গবন্ধু পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক আবু বকর সিদ্দিক, সমরেশ এদবর, কিষাণী রবিতা রাণী দে প্রমুখ।

প্রধান অতিথি একেএম আমিনুল ইসলাম আকন বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে জমিতে দরকার সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার। আর এ জন্য মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োগ করা উত্তম। এতে সারের অপচয় কমে। পাশাপাশি উদ্ভিদের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হয়। রাজস্ব বাজেটের আওতাধীন এই প্রশিক্ষণে ৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ২:৫৭ অপরাহ্ন
সারে ভর্তুকি দিয়ে উভয় সংকটে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক হারে সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উভয় সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

সচিবালয়ের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, সারের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী চিন্তিত। এটা নিয়ে কী করা যায় সেটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, এ বছর ভর্তুকি খাতে বাজেটে আছে ৯ হাজার কোটি টাকা। এবার আরও ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে সরকারের।আরও প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন। এজন্য সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি নিয়ে সরকার উভয় সংকটে রয়েছে।

এদিকে এত ভর্তুকি দিলে অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে, অন্যদিকে সারের দাম বাড়লে কৃষকের কষ্ট বাড়বে৷ উৎপাদন খরচ বাড়বে, খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং খাদ্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোভিড পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সারের মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়েছে, যা গতবছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। তাছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জাহাজ ভাড়াও প্রায় দুই গুণ বেড়েছে। সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উভয় সংকটে সরকার৷ তবে, বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের খাদ্য উৎপাদনের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন ভর্তুকি দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ইউরিয়া ৮২ টাকা, টিএসপি ৫০ টাকা, এমওপি সার ৪১ টাকা এবং ডিএপিতে ৭৯ টাকা। ২০০৯ সাল থেকে ২০২১- ২২ অর্থবছর পর্যন্ত সার, সেচসহ কৃষি উপকরণে মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমানে প্রায় ২৭ গুণ বেশি ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (১৩ফেব্রুয়ারী) বাবুগঞ্জের রহমতপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, মুগ দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় ডালফসল। এর পরিচর্যা কম লাগে। দু’একটা সেচ দিলেই চলে। এসব সুবিধায় এই অঞ্চলে মুগের আবাদ বাড়ানো দরকার। জাত হিসেবে বিনা মুগ-৮, বিনা মুগ-৯ এবং বিনা মুগ-১০ ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলোর ফলন ২ টনের মতো। তাই কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর ও বাবুগঞ্জের ৬০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop