৭:০৬ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ন
নাটোরে কমছে সবজির দাম
কৃষি বিভাগ

নাটোরে টানা কয়েক সপ্তাহ সবজির দাম চড়া থাকার পর চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমেছে সবজির দাম। দাম নিয়ন্ত্রণে আসায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। আর বর্তমান দামে কৃষকরা লোকসান না গুনলেও দরপতন ঠেকাতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান কৃষকরা।

সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহ সবজির দাম চড়া থাকলেও চলতি সপ্তাহে দাম কমছে। এ সপ্তাহে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে এসেছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সকালে শহরের বৃহত্তম সবজির পাইকারি বাজার স্টেশন বাজারে ফুলকপি ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি, শিম ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি, ব্রোকলি ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজি, মুলা ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি, আলু ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি, টমেটো ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি, বেগুন ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ১২ থেকে ১৫ টাকা পিস ও লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস বিক্রি হয়।

সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। ক্রেতাদের দাবি, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও অন্য বছরের তুলনায় এ বছর সবজির দাম বেশি। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর প্রায় ভাগ দাম বেশি দাবি করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি করে ক্রেতারা।

কৃষকরা জানান, সবজির দাম কমলেও উৎপাদন ভালো থাকায় বর্তমান দামেও লাভবান হচ্ছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তাদের। তাই আগামীতে দাম কমে আসলে লোকসান গুনতে হবে বলে জানান কৃষকরা।

প্রতিদিন নাটোর জেলায় ৫২০ মেট্রিক টন সবজির চাহিদা থাকলেও বর্তমানে বাজারে সরবরাহ ৭ থেকে সাড়ে ৭০০ মেট্রিক টন সরবরা হচ্ছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন দেড় থেকে ২০০ মেট্রিক টন সবজি সরবরাহ হয় রাজধানীতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২২ ৪:৫০ অপরাহ্ন
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে কমেছে চাষাবাদ
কৃষি বিভাগ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ কৃষিতে খরচ বাড়ায় বরেন্দ্র এলাকায় এবার বোরো মৌসুমে অন্তত ২০ ভাগ কম জমিতে ধান চাষাবাদ হচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন, বাড়তি খরচের বোঝা আর অসামঞ্জস্য বাজার ব্যবস্থায় ধান চাষাবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা।

এ অবস্থায় কম খরচে অধিক লাভ পাওয়া যায় এমন ফসল চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

পৌষের প্রথম সপ্তাহে নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার মাঠে ধান রোপণে ব্যস্ততা বাড়ে। কিন্তু এবার পাল্টে গেছে সেই চিত্র। পৌষ পেরিয়ে মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহে বিস্তীর্ণ মাঠ ফাঁকা। জ্বালানি তেলসহ কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এ অঞ্চলের কৃষকের মধ্যে। তাই বোরো আবাদের ভরা মৌসুমেও অনেক কৃষক মাঠমুখী না হয়ে লাভ লোকসানের অঙ্ক কষছেন এখনো।

জমি প্রস্তুত করে ধান রোপণে নামা কৃষকেরা ফসলের কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া নিয়ে আছেন শঙ্কায়। কৃষকরা বলছেন, ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই ধান লাগানো হয়ে যেত। অথচ বাড়তি খরচের কারণে অনেকেই ধান লাগাচ্ছে না। ডিজেলের দাম বাড়তি হওয়ায় ধান লাগানো যাচ্ছে না।

চলতি মৌসুমে জেলার মাঠে জমিতে গভীর নলকূপে সেচ নির্ধারণ করা হয়েছে বিঘা প্রতি ১২শ’ থেকে বাড়িয়ে ১৫শ’ টাকা। আর ব্যক্তিপর্যায়ে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিনে সাড়ে তিন হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বাড়তি দরের সঙ্গে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জনপ্রতিনিধিদের। আর কম খরচের ফসল চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

নওগাঁর ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী রাম প্রসাদ ভদ্র বলেন, সরকারের উচিত কৃষকদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পাইয়ে দেওয়া। আর যদি ন্যায্য দাম তারা না পায় ভবিষ্যতে বোরো আবাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে এখানকার কৃষকরা।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ বলেন, আমরা কৃষকদের বলি আপনারা প্রয়োজনীয় পরিমাণ ধান আবাদ করে বাকিটুকু অন্যান্য ফসল যদি আবাদ করতে পারি তাহলে বেশি লাভ হবে।

জেলার ১১ উপজেলায় ৪ হাজার ৩০০ গভীর নলকূপ এবং ডিজেলচালিত ৮৪ হাজার শ্যালো মেশিনে চলছে বোরো আবাদে সেচ কাজ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহে বোরো রোপণের ধুম, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ানোর আশা
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন ময়মনসিংহের কৃষকরা। মাঘের শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে তারা মাঠে নেমেছেন। বোরো চাষে লাভবান হওয়ায় আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। এবার বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা স্থানীয় কৃষি বিভাগের।

ময়মনসিংহ সদরের সুহিলা গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, ৬৫ শতক জমিতে বোরো আবাদের জন্য দুই মাস আগে হাইব্রিড সুপার জাতের তিন কেজি ধান বীজ কিনে আনেন। এরপর বীজতলা প্রস্তুত করেছেন। এখন জমি চাষ করে সেচ দিয়ে চারা রোপণ শুরু করেছেন। চারা রোপণে ১০ জন শ্রমিক লাগবে। বর্তমানে প্রতিজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা। চারা রোপণের পর প্রয়োজনমতো ইউরিয়া, টিএসপি, ফসফরাস ও সালফার সার ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরও জানান, চারা রোপণের সাত দিনের মাথায় আগাছা দমনের জন্য এক ধরনের লিকুইড কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এরপর বোরো আবাদের পরিচর্যা শুরু। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ভালো ফলন হলে বোরো আবাদ থেকে ৩০-৪০ মণ ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মাসুদ।

গোপালনগর গ্রামের কৃষক আব্দুল বারী জানান, জানুয়ারির শুরু থেকে বোরো রোপণে কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। একসঙ্গে বোরো আবাদ শুরু করায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে শ্রমিকের মজুরি অনেকটাই বেশি। তবে লাভবান হওয়ায় বোরো আবাদে অধিকাংশ কৃষক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মতিউজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় দুই লাখ ৬০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জানুয়ারির শুরুতে থেকে বোরো চারা রোপণ শুরু হয়েছে। গত সোমবার পর্যন্ত জেলায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ করা হয়েছে। বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

সরকার বোরো আবাদের জন্য জেলায় ২৫ হাজার কৃষককে সার ও বীজ এবং ৫২ হাজার কৃষককে বীজ দিয়ে সহায়তা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ৪:১৮ অপরাহ্ন
মেহেরপুরের গাংনীতে কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ সবজি বাজার চালু
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুর জেলার গাংনীতে কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ সবজি বাজারে চালু হয়েছে। ওই বাজারে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি বাজারজাত করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করছেন। ক্রেতারা মুগ্ধ বিষমুক্ত সবজি পেয়ে।

উপজেলা শহরের হাসপাতাল বাজারে এই নিরাপদ সবজি বাজার চালু হয়েছে সম্প্রতি। প্রতিদিন এখানে নির্ধারিত কৃষকরা তাদের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি বাজারজাত করছে। নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্রে লাউ, কুচা, পুঁইশাক,আলু, বেগুন, করলা, ঝিঙ্গা, পটল, কলা, মুলা, বরবটি, টমেটো, চিচিংঙ্গা, সিম, কুমড়া, ফুলকপি ও বাধাকপি, শসা, গাজরসহ বিভিন্ন সবজি ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

নিরাপদ সবজি ক্রেতা রেজাউল হক বলেন, সাধারণ সবজি বাজারের চেয়ে নিরাপদ সবজি রাজারে দাম একটু বেশি হলেও স্বাস্থ্যকর সবজি পাচ্ছি এটাই বড় কথা। দাম একটু বেশি হলেও সবার উচিৎ নিরাপদ সবজি ক্রয় করে, নিরাপদ সবজি উৎপাদন করার জন্য কৃষকদের উৎসাহ দেয়া প্রয়োজন।

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন বলেন- মেহেরপুর জেলা সবজি চাষে বিখ্যাত। জেলার সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদন হয় গাংনী উপজেলা থেকে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের নিরাপদ সবজি চাষে প্রতি নিয়ত উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। চাষিরা নিরাপদ সবজির যেন সঠিক মূল্য পাই সেজন্য নিরাপদ সবজি বাজার করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম বলেন- বর্তমানে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের অবাধ ব্যবহারে নিরাপদ সবজি পাওয়া মুশকিল। নিরাপদ সবজি রাজারের মাধ্যমে মানুষ কীটনাশক ও রোগমুক্ত সবজি পাবে। আবার এই বাজারের মাধ্যমে কৃষকরা সবজির ন্যায্য মূল্য পাবে। এজন্যই নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্রটি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ৩:৫০ অপরাহ্ন
সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরের মাঠে মাঠে হলুদের গালিচা। পশ্চিমা শন শন বাতাসে দোল খায় দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখীর। হাওরের চারপাশে হাসি ছড়িয়ে আকাশের দিকে মুখ তোলে নয়নাভিরাম সূর্যমুখীরা। ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা মৌমাছি-ভ্রমরেরা। এ ফুল ও ফুলে উড়াউড়ি। ঘুরে ঘুরে হলুদ পরাগে মুখ রাঙিয়ে মধু আহরণ। কখনোবা সূর্যের দিকে হাত বাড়ায় সূর্যমুখী ফুল। সবুজ পাতার ফাঁক গলিয়ে এক চিলতে আলোর ঝিলিক।

এ যেনো আগুনরাঙা ফাগুনে প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়াতে শৈল্পিক প্রতিযোগিতা! তাইতো ফাগুনবেলা এমন চোখজুড়ানো ক্ষণ উপভোগ করতে সূর্যমুখীর মাঠে মাঠে সৌন্দর্য পিপাসুদের ভিড়। ফুলের সৌন্দর্য চোখ ভরে দেখছে অনেকে। কেউ বা সেলফোনবন্দিতে ব্যস্ত এমন সুন্দর মুহূর্ত।

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় তেলজাত এ ফসলের দিকে ঝুঁকছেন তারা। এবার হাওরে ৩০ একর জমিতে চাষ হয়েছে সূর্যমুখী। উৎপাদর লক্ষ্য ছাড়িয়ে যাওয়ার আশাবাদ কৃষি বিভাগের। এ দিকে বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখী মাঠে ভিড় করছে সৌন্দর্য পিপাসুরা। সরকারের প্রণোদনায় চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল সূর্যমুখী।আর এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।এবার সূর্যমুখীর ফলনও ভালো হয়েছে। এতে খুশি কৃষক।কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

নিকলী উপজেলার পাচরুখী হাওরের কৃষক জালাল উদ্দিন দেড় একর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন।তিনি জানান,এবার সূর্যমুখীর ভালো ফলন হয়েছে, এতে তিনি ভালো লাভবান হবার আশা করছেন।একই গ্রামের কৃষক মিয়া হোসেন এবার সূর্যমুখীর ভালো ফলন দেখে মুখে হাসির ঝিলিক।

নিকলী সদর ইউনিয়নের ওই ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিনামূল্যে বীজ দেওয়া থেকে শুরু করে উপজেলা কৃষি বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা করছে। তার ব্লকে সূর্যমুখীর হাসি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত পর্যটক। অনেকে ফুল ছিরে নিয়ে যায়। তবুও খুশি কৃষকরা।

নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, কৃষকদের কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। আগামীতে আরও বেশি জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হবে উল্লেখ করে কৃষি কর্মকর্তা জানালেন, এতে করে বিদেশ থেকে তেল আমদানি আস্তে আস্তে কমে আসবে। নভেম্বরের শেষ দিকে সূর্যমুখীর আবাদ হয়। ফসল ঘরে উঠবে আর কয়েকদিন পরই। এবার উপজেলায় ৩০ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ১২:৫৪ অপরাহ্ন
বোরো ধানে স্বপ্ন বুনছেন ফেনীর কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

ফেনীতে রোপা আমনে বাম্পার ফলনের পর এবার বোরো ধানে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন কৃষকরা। বীজতলা তৈরির পর তীব্র শীত উপেক্ষা করে উৎসাহ-উদ্দীপনায় কোমর বেঁধে বোরো ধানের চারা আবাদ করছেন তারা। অনেকে এখনো জমি তৈরি করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত ক’দিন ধরে জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জমি প্রস্তুত করতে এখন মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজ-চারা উঠানো এবং রোপণ করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলন আসবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এ বছর ৩০ হাজার ১শ ১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ১শ ১৫ হেক্টরে হাইব্রিড ও ২৬ হাজার ৯৫ হেক্টরে উচ্চফলনশীল (উফশী) বীজ আবাদ করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, বোরো আবাদ উপলক্ষ্যে জেলায় ১ হাজার ৪শ ৬৮ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ২শ ১শ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও ১ হাজার ৩শ ৫৩ হেক্টর জমিতে উফশী সহ ১ হাজার ৫শ ৬২ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হবে।

এদিকে কৃষকদের বোরো আবাদে উৎসাহিত করতে জেলায় ১০ হাজার কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রীড বীজ, ৪ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে উফশী বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার, ১০ কেজি করে বিনামূল্যে এমওপি সার দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এ বছর কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আশা করি সরকার থেকে যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশি ফলন আমরা পাব। অন্য জাতের চেয়ে ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা ব্রি-ধান ৮৯, ব্রি-ধান ১২ চাষ করছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর নামে এবার ব্রি-ধান ১০০ ও কিছু পরিমাণ কৃষককে চাষ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
গত বছরের ক্ষতি এবার পুষিয়ে নিতে চান আম চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এবার এই রাজ্যে ১০টি প্রচলিত জাতের আম বেশি চাষ হচ্ছে। বাগানে আম গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। তাদের প্রত‌্যাশা, এবার যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে তারা গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এবার চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬২২ বিঘা জমিতে আম চাষ হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে ৩০ হাজার ৯১১ বিঘা বেশি জমিতে আম চাষ হচ্ছে এবার। এ বছরে মোট ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৪০টি গাছে আমের ফলন হবে।

জেলার সদর উপজেলায় ৩৮ হাজার ৪৭০ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭০টি গাছ রয়েছে। শিবগঞ্জে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪ বিঘায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ৯ হাজার ৯৫০টি গাছ। গোমস্তাপুরে ৩১ হাজার ৫২৩ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১৩৫টি গাছ। নাচোলের ২ লাখ ৮ হাজার ২৭৩ বিঘাতে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭১০টি গাছ। ভোলাহাট উপজেলায় ২ হাজার ৭৪০ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৭ হাজার ৩৭৫টি আম গাছ রয়েছে।

আম বাগানি মুনিরুল ইসলাম বলেন, গতবারের চেয়ে এবার আম উৎপাদনের জন্য মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি। গত বছরে করোনার কারণে আমের দাম পাওয়া যায়নি। তাই অনেক ক্ষতি হয়েছে। এবার করোনার মধ্যে আমের বাজারদর যেন না কমে এদিকে সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন বলে আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এবারের মৌসুমের প্রথম থেকে আবহাওয়া ভালো আছে। ফলে গতবারের চেয়ে এবার আম ভালো ফলন হবে। আমের ফলন ভালো হলে গত বছরের লোকসানের টাকাগুলো উঠিয়ে নেএক্য়াস যাবে।

ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আহসান হাবিব জানান, গত বছরে আমের ভরা মৌসুমের সময় করোনা সংক্রমণ রোধে জেলায় বিশেষ লকডাউন দেওয়া হয়। ফলে আমের ন‌্যায্যমূল্য পাননি চাষি ও ব্যবসায়ীরা। এবার ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে আম বাজারে কড়াকড়ি করলে চাষিরা আম চাষে আরও নিরুৎসাহিত হবে। তবে বাজার মূল্য ঠিক রাখতে আম বহনের মাধ্যম কুরিয়ার সার্ভিসের ভাড়া যাতে না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এবং অনলাইন মার্কেটিং নিরাপদ রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাদ আর রঙের জন্য বহির্বিশ্বে আমাদের জেলার আমের সুনাম রয়েছে। কিন্তু বিমানের ভাড়া বেশি হওয়ায় আমের দামও বেড়ে যায়। এদিকে দাম বাড়লে বাইরের দেশের লোকজন আম কিনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সরকার যদি বিমানের ভাড়া কমায়, তাহলে বাইরে আমের দামও স্বাভাবিক থাকবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ৩:৪০ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জে প্রথমবারের মতো আনার চাষ
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ষাটকাহন গ্রামের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র আনোয়ার হোসেন ফয়সাল। লেখাপড়ার পাশাপাশি ফলজ গাছের প্রতি ভালোবাসা ছোটকাল থেকেই। এ কারণে নতুন কিছু করার ইচ্ছায় কৃষি অফিসের সহায়তায় বাড়ির পাশে নিজ জমিতে ভিনদেশি ফল আনারের চাষ করেছেন।

এক বিঘা জমিতে চাষ করা আনার বাগানে চারা লাগানোর ৬ মাসের মধ্যেই ফল ধরতে শুরু করেছে। প্রথমে এ ফল চাষে দুশ্চিন্তা থাকলেও বর্তমানে গাছ বড় হওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলন হওয়ায় লাভের আশা ফয়সালের। অপরদিকে তার এ ফলের বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এলাকার অন্য যুবকরাও।

পাকুন্দিয়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের আনার বাগান দেখে বর্তমানে আনার চাষে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

খাদ্য চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক ভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ফয়সালের মতো যুবকদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করলে বেকারত্ব যেমন দূর হবে তেমনি অর্থনৈতিক ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ৩:১১ অপরাহ্ন
যশোরে ২১ হাজার ৮৩১ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে জেলার আট উপজেলায় ২১ হাজার ৮৩১ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ চাষিরা জমিতে পেঁয়াজের চারা লাগানোর কাজ শেষ করেছেন। আগাম লাগানো নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমেছে বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমে জেলার আট উপজেলায় ১ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। উপজেলাওয়ারী: যশোর সদর উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে, মনিরামপুর উপজেলায় ৩৩০ হেক্টর জমিতে, শার্শা উপজেলায় ২১০ হেক্টর জমিতে, ঝিকরগাছা উপজেলায় ৫৪০ হেক্টর জমিতে, চৌগাছা উপজেলায় ৪৬০ হেক্টর জমিতে, কেশবপুর উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে, বাঘারপাড়া উপজেলায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে এবং অভয়নগর উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ জেলায় প্রতি বছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়ে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক কৃষকদের পেঁয়াজ চাষের জন্য কৃষি লোন প্রদান করেছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ চাষে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ২:২৩ অপরাহ্ন
কুমিল্লার চান্দিনায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় আজ সকালে দিনব্যাপী ‘আধুনিক ধান ও বীজ উৎপাদন’ প্রযুক্তির উপর দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এর আয়োজনে চান্দিনা উপজেলা কৃষি অফিস এর সহযোগিতায় ওই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

চান্দিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ সেন্টারে সকাল ১০টায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এর প্রধান এবং চীফ সাইন্টিফিক অফিসার ড. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. মামুনুর রশীদ, সাইন্টিফিক অফিসার একেএম সালাহউদ্দিন, তাসনিয়া ফেরদৌস এবং চান্দিনা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মনিরুল হক রোমেল। এসময় ৩০ জন কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে আধুনিক ধান জাতের চাষ এবং বীজ উৎপাদনের কলা-কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ সময়ে ধানের বিভিন্ন জাত, সার ব্যবস্থাপনা, রোগতাত্ত্বিক, পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাপনা, কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উপস্থিত কৃষকগণকে ধারনা প্রদান করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কিরন রানী সরকার, আবদুল কাদের জিলানী, গোলাম সারওয়ার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop