১:৩৯ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২২ ৪:১৩ অপরাহ্ন
রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে বোরো ধানের চাষ শুরু
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের গজভাগ গ্রামের ৫০ একর এক ফসলি জমিতে চলিত অর্থবছরে হাইব্রিড জাতের বোরো ধান চাষের প্রকল্প নিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ।

সোমবার (৩১ জানুয়ারি) সমলয়ে চাষাবাদ (Synchronize Cultivation) ব্লক প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়ে কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে ২০২১-২২ অর্থবছরের রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্সূচির আওতায় জেলা কৃষি বিভাগ বড়লেখার গজভাগ গ্রামের ৬৬ জন প্রান্তিক কৃষককে উদ্বুদ্ধ করে আধুনিক পদ্ধতিতে হাইব্রিড জাতের বোরো ধান চাষের প্রকল্প নিয়েছে। প্রায় দেড়শ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে কৃষি বিভাগ কাজ করছে। এতে সরকারের প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষি অফিসার দেবল সরকারের সঞ্চালনায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে গজভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী, বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সামছুদ্দিন আহমেদ, কৃষি প্রকৌশলী সোনিয়া শাহানিয়া, বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম সরদার, উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ, দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান আজির উদ্দিন প্রমুখ।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম হোসেন, হাবিবুর রহমান, বিপুল দাস, ছাত্রলীগ নেতা মাছুম আজির, কৃষক ফখরুল ইসলাম, লালই মিয়া, নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তাই আমাদেরকেও কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে খুব দ্রুত সময়ে ধানের চারা রোপন করা সম্ভব। তাছাড়াও খরচ এবং লোকবলের প্রয়োজনও অনেক কম।আর এই পদ্ধতিতে ধান রোপন করলে ধানের ফলনও অনেক ভালো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২২ ২:০১ অপরাহ্ন
খরায় নষ্ট বছরে ৪০ লাখ হেক্টর জমির ফসল
কৃষি বিভাগ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৪০ লাখ হেক্টর জমির ফসল খরায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আকস্মিক বন্যায় নষ্ট হয় হাজার হাজার একর জমির পাকা ধান। আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মাধ্যমে কৃষকদের আগাম সতর্ক করা গেলে ক্ষতি কমানো সম্ভব।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল সোমবার ব্রি আয়োজিত ‘ইন্টিগ্রেটেড রাইস অ্যাডভাইজরি সিস্টেমস’ শীর্ষক ওয়েবিনারে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

ব্রি’র কৃষি আবহাওয়া এবং ক্রপ মডেলিং ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক নিয়াজ মো. ফারহাত রহমান প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়েছে, ধানগাছের কচি থোড় থেকে ফুল ফোটার সময় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার চেয়ে বেশি হলে ধান চিটা হয়ে যায়। অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতার কারণে গাছের ছত্রাক রোগ বাড়ে। পোকামাকড়ও বেড়ে যায়। কম বৃষ্টিপাতের কারণে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত জমির পরিমাণ দিন দিনই বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেনে কৃষি পরামর্শ সেবা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শস্যের ফলন ৭ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। এ ছাড়া উৎপাদন খরচ প্রায় ১৫ শতাংশ কমিয়ে কৃষকের আয় ৩১ থেকে ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করা যেতে পারে।

বাংলাদেশের মাত্র ৫ শতাংশ ধানচাষি আবহাওয়ার পূর্বাভাসভিত্তিক কৃষি পরামর্শ সেবা নিচ্ছেন জানিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, সবাই এ পূর্বাভাস পেলে ফলন ৭ শতাংশ বাড়বে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস ধান উৎপাদন ব্যবস্থায় সঠিকভাবে কাজে লাগানো হলে এক টাকা বিনিয়োগে ৫১ থেকে ৭৩ টাকা আয় করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলা রঞ্জন দাস বলেন, জাতীয় কৃষিনীতিতে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের মাধ্যমে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার জন্য সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে।

ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ধানের ৬০ ভাগ ফলন নির্ভর করে সঠিক ব্যবস্থাপনার ওপর। ব্রি এগ্রোমেট ল্যাবের তৈরি ধান চাষাবাদ এবং আবহাওয়াবিষয়ক পূর্বাভাস ও পরামর্শ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া গেলে কৃষকরা উপকৃত হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২২ ১:২৯ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে কোল্ড ইনজুড়ি থেকে বোরো বীজতলা রক্ষার চেষ্টা করছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা শৈতপ্রবাহের কারণে প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে বোরো বীজতলা রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা ও গভীর নলকূপের গরম পানি সেচ দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন কৃষকরা।

জেলায় চলতি ২০২১-২০২২ নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূিচর আওতায় বোরো চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৪শ ৩১ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বোরো বীজ গুলোর মধ্যে রয়েছে বিআর- ১৬, ২৮, বিআর-২৯ ও ব্রি-ধান ৫০, ৫৮ ও ৫৯। কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বোরো বীজ সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রসহ জেলার ১ শ ১৪ জন বীজ ডিলারের মাধ্যম বীজ বিক্রি সম্পন্ন করা হয় ।

খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২০২২ নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূিচর আওতায় এবার ৬৯ হাজার ৪ শ ২৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ৬৫ হাজার ২ শ ৭৫ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের রয়েছে ৪ হাজার ১৫০ হেক্টর জমি। এতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৫৮ মে.টন। বোরো চাষ সফল করতে বর্তমানে জেলার কৃষকরা বোরো বীজতলর পরিচর্যা করছেন কৃষি বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে।

বর্তমানে জেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা শৈতপ্রবাহের কারণে প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে বোরো বীজতলা রক্ষায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা ও গভীর নলকূপের গরম পানি সেচ কাজে ব্যবহারের জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম।

জেলায় বোরো ধান চাষ সফল করতে সারের মজুদ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২২ ১২:৩০ অপরাহ্ন
শেরপুরে সরিষার বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

শেরপুরে সরিষার হলুদ ফুলে ছেঁয়ে গেছে দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠ। হিমেল বাতাসে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্য। দেখে মনে হয় ফাগুনের আগেই হলুদ বরণে সেজেছে প্রকৃতি। কৃষকরা জানান, এবার ফলন অনেক ভালো হবে। সরিষা বিক্রি করে গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার আশা করছেন তারা।

দিগন্তজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। এ যেন হলুদের চাদর মোড়ানো সরিষা ফসলের মাঠ। সরিষা ফুলের গন্ধে ভরে গেছে ক্ষেতের পাশের গ্রামগুলো। আমন ধান কাটার পর বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষার মূল্য চড়া হওয়ায় কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শেরপুর জেলা সদরসহ পাঁচ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে নকলা ও শ্রীবরদী উপজেলায়। এ উপজেলার কৃষকরা ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষকেরা জানান, অল্প খরচে স্বল্প সময়ে বেশি লাভের আশায় তারা সরিষা আবাদ করেছেন। গেলো দুই মৌসুমে লকডাউন, বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকের ক্ষতি হলেও এবার সরিষার ভালো ফলনে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন তারা।

এদিকে, রোদের ঝলমল আলোয় প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে ভিড় করছে মানুষ।

জমিতে সরিষা চাষ করলে সরিষার ফুল ও সরিষা ঝরে পড়ে মাটিতে মিশে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। যা পরবর্তীতে বোরো আবাদে অধিক ফলন পেতে সার হিসেবে কাজ করে বলে জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মুহিত কুমার দে বলেন, সরিষা একটা লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধু উৎপাদন। কৃষকেরা সরিষা চাষের পাশাপাশি মধু উৎপাদনেও এগিয়ে এসেছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে সরিষার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। এরইমধ্যে তা প্রায় পূরন হয়ে গেছে। যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২২ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
খুলনায় প্রায় ৫শ’ খাল বেদখল
কৃষি বিভাগ

খুলনায় বেদখল হয়ে গেছে অন্তত অর্ধসহস্র সরকারি খাল। কোথাও কোথাও প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন স্থাপনা। কোথাও বা বেআইনিভাবে এসব খালকে কৃষি জমি হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। ফলে চাষের জন্য পানির যেমন সঙ্কট হচ্ছে তেমনি বর্ষা মৌসুমে দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা। 

খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় জালের মত ছড়িয়ে রয়েছে ২ হাজারেরও বেশি ছোট বড় খাল। সরকারি এসব জলাশয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ২০০ কিলোমিটার। তবে এর মধ্যে ৫২২টি খাল ভরাট হয়ে অস্তিত্ব হারিয়েছে।

প্রভাবশালীরা খালে বাধ দিয়ে মাটি ও বালি ফেলে ভরাট করে ফেলেছে। গড়ে তুলেছে স্থাপনা। আবার কোন কোন খালের জায়গা কৃষিজমি হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ভূমিহীনদের।  ফলে একদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে অসুবিধা হচ্ছে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে চাষের জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলার কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, খালগুলো দখলমুক্ত করে খনন করা জরুরি। এদিকে, খুলনার জেলা প্রশাসক জানালেন, সরকারি খাল কৃষি জমি হিসেবে বরাদ্দ দেয়ার কোন সুযোগ নেই। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সরকারি খালগুলো দ্রুত দখলমুক্ত করে খনন করা হলে সেখানকার চাষাবাদ ও জীবনযাত্রা অনেকটাই সহজ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ৪:০০ অপরাহ্ন
পাবনার চাটমোহরে সরিষার বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

পাবনার চাটমোহর সহ চলনবিল অঞ্চলে পাকা সরিষা কর্তন শুরু করেছে চাষিরা। চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার চাষ ব্যাপক ফলন হয়েছে। আশানুরুপ ফলনে মহা খুশি কৃষক।

সরিষার ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা। এ মৌসুমে সরিষার চাষ ভালো হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌচাষিদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে মোট ৬হাজার ৩শ’৩০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। সরিষার ফলন বাড়াতে কৃষকদের মাঝে মৌসুমের শুরুতে বিএডিসি কর্তৃক উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে কৃষকদের সরিষা বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। উন্নত ফলনশীল জাতের বারী-৯,১১,১৪,১৫,১৭,১৮, বিনা- ৪, টরি-৭ জাতের সরিষার চাষ সহ স্থানীয় জাতের সরিষার চাষ হয়েছে।

চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া পাড় মাঝগ্রামের সরিষা চাষী আলা উদ্দিন জানান, তিনি ১৪ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। ইতিমধ্যে ৫ বিঘা সরিষা কেটেছেন বাকী সরিষা দু’চারদিনের মধ্যে কাটা শুরু করবেন। এ বছর সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। তার পাশ্ববর্তী জমিতে সরিষা কাটা শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি অফিসার এ.এ. মাসুম বিল্লাহ বলেন, উপজেলায় সরিষা চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে ব্যাপক উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি সরিষা সংরক্ষণের জন্য যথাপোযুক্ত পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সরিষার ফুল ও পাতা জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায় বলে তিনি জানান।

সরিষা কর্তনের এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলন সহ ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষী। সরিষা চাষ বেশ লাভজনক, বর্তমানে সরিষা ২ হাজার ৩শ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা মন বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১:৩২ অপরাহ্ন
বিলাঞ্চলে জমি চাষাবাদের একমাত্র ভরসা নৌকা টিলার
কৃষি বিভাগ

বিলাঞ্চলের মাটি নরম ও প্রায় বারো মাসই পানিতে ডুবে থাকায় পাওয়ার টিলার কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে জেলার উজিরপুর উপজেলার বিলাঞ্চলের জমি চাষাবাদের জন্য কৃষকের কাছে গত দুইবছর ধরে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্থানীয়ভাবে তৈরিকৃত নৌকা টিলার।

সরেজমিনে উজিরপুরের পশ্চিম সাতলা গ্রামের কৃষক হেমান্ত সমদ্দারসহ একাধিক কৃষকরা জনকণ্ঠকে বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিলাঞ্চলের কৃষকের কাছে গরুর হালই ছিলো একমাত্র ভরসা। কালের বিবর্তনে গরুর হাল অনেকটা বিলুপ্ত হওয়ায় বিলাঞ্চলের কৃষকের বোরো মৌসুমে অনেকটা বিপাকে পরতে হয়। এরইমধ্যে গত দুইবছর পূর্বে সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা গ্রামের জলিল মোল্লা নামের এক চাষী স্থানীয় ওয়াকর্শপ দিয়ে নিজের মেধায় বিলাঞ্চলের নরম মাটিতে ও পানির মধ্যে জমি চাষাবাদের জন্য একটি নৌকা টিলার নির্মান করেন। স্টীল বডির একটি নৌকার ওপর ডিজেল চালিত পাম্প মেশিন বসিয়ে বিশেষ কৌশলে নৌকার পেছনে লাগানো ট্রাক্টরের ২০টি লোহার লাঙ্গল দিয়ে চাষবাদ করা হয় বলেই স্থানীয়ভাবে এ যন্ত্রের নাম দেয়া হয়েছে নৌকা টিলার।

কৃষকরা আরও বলেন, প্রথম বছরেই বিলাঞ্চলের পুরো এলাকায় জলিল মোল্লার নৌকা টিলারটি ব্যাপক সারা ফেলে। ফলশ্রুতিতে গত দুই বছরে উজিরপুরের বিলাঞ্চলের জমি চাষাবাদের জন্য স্থানীয়ভাবে অসংখ্য নৌকা টিলার নির্মান করা হয়েছে।

নৌকা টিলারের প্রথম নির্মাতা জলিল মোল্লা বলেন, প্রতিটি নৌকা টিলার নির্মানে খরচ হচ্ছে ৬৫ হাজার টাকা। গত বছর প্রতি বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য চাষীদের কাছ থেকে ১২শ’ টাকা নেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য নেওয়া হচ্ছে ১৪শ’ টাকা।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নৌকা টিলারের দুইজন চালক, জ্বালানী খরচসহ অন্যান্য সকল খরচ মিটিয়ে প্রতিদিন লাভ হচ্ছে প্রায় তিন হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
পাবনার সুজানগরে সূর্যমুখীর বাণিজ্যিক চাষ বাড়ছে
কৃষি বিভাগ

পাবনার সুজানগরে আগে স্বল্প পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হলেও এ বছর তা বেড়েছে। বিশেষ করে উপজেলার চরাঞ্চলের জমিতে ব্যাপকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরসুজানগর, চরভবানীপুর চরবিশ্বনাথপুর, ভাটাপাড়া, শ্যামনগর এবং চরখলিলপুরে রয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। ঐ সব চরাঞ্চলের জমিতে ধানপাট তেমন ভাল হয় না। চলতি মৌসুমে ঐ সব জমিতে স্থানীয় কৃষকরা সূর্যমুখী ফুল চাষ করেছেন। গত বছর ১০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হলেও এবার ১৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার চরসুজানগর গ্রামের কৃষক বাদশা শেখ বলেন, সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎপাদন খরচ কম। তাছাড়া ফলন হয় বেশ ভালো। সে কারণে লাভ বেশি হয়।

উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করতে সার-বীজসহ উৎপাদন খরচ হয় ১২-১৫ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের বীজ উৎপাদন হয় ৬-৭ মণ। বর্তমানে হাট-বাজারে প্রতি মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ বিক্রি হচ্ছে চার হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎপাদন খরচের চেয়ে লাভ বেশি। সে কারণে কৃষকরা সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুঁকছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
তরমুজ চাষে ব্যস্ত পটুয়াখালীর কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন পটুয়াখালীর কৃষকরা। গতবছর তরমুজের ভালো দাম পাওয়ায়, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। তবে তরমুজ চাষের বীজ, কীটনাশক ও সারের দাম বাড়ায় ক্ষোভ জানান কৃষকরা।

সারাদেশে যে পরিমাণ তরমুজের চাহিদা তার বড় একটি অংশ পটুয়াখালী জেলায় উৎপাদন হয়। এছাড়া এই অঞ্চলের তরমুজ সুমিষ্ট হওয়ায়, দেশজুড়ে এর বাড়তি চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি গতবছর তরমুজ কেজি হিসেবে বিক্রি এবং দাম ভালো পাওয়ায়, কৃষকরা এবার বাড়তি আগ্রহ নিয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষে নেমেছেন। আমন ধান কাটার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

তবে বিগত বছরের চেয়ে এবার তরমুজের বীজ, সার এবং কীটনাশকের দাম বেড়েছে বলে জানালেন কৃষকরা। পাশাপাশি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জমি চাষেও বেশি খরচ হচ্ছে। এর ফলে, এবার তরমুজের উৎপাদন খরচ বাড়বে বলে জানান তারা।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মহিউদ্দিন জানান, কৃষকদের তরমুজ চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। তাই দিনদিন এই জেলায় তরমুজের আবাদী জমির পরিমাণ বাড়ছে।

ভালো দাম পেতে এবং মৌসুমের আগেই তরমুজ বাজারে তুলতে আগাম তরমুজ চাষ করেছেন কেউ কেউ। যার ফলনও পেতে শুরু করেছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৫:১১ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদনে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার’ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদনে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার’ বিষয়ক দুইদিনের কৃষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ নগরীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, উজিরপুরের মুন্ডুপাশা কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের সভাপতি মো. ফজলুল হক, বেতাগীর বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ইউপি. সদস্য মো. আব্দুল মন্নান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, পুষ্টি ও নিরাপদ খাবার উৎপাদনে প্রয়োজন জৈব বালাইনাশক ব্যবহার। এর সাথে আরো কিছু করণীয় রয়েছে। এর অংশ হিসেবে অপরিপক্ক ফসল সংগ্রহ না করা। কোনো ফল যেন কৃত্রিমভাবে পাকানো না হয়। তাহলেই এর গুণগতমান অক্ষুন্ন থাকবে। ফল-সবজি হবে সুস্বাদু।

প্রশিক্ষণে বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও ভোলা জেলার কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop