১:২৫ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ১২:০৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় পরীক্ষামূলক চা চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে পরীক্ষামূলক চা চাষে সফলতা মিলেছে। এবছরের শুরুর দিকে লাগানো চারায় পাতা ও কুঁড়ি ধরেছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, লালমাই পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া চা চাষের জন্য উপযোগি। তবে পানির সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে।

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে সারাবছরই সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ হয়। এবার চা চাষেও সাফল্যের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে পাহাড়ের রতনপুর এলাকায় দশ একর জায়গায় ছয় হাজার চায়ের চারা রোপন করেন তারিকুল ইসলাম নামে এক উদ্যোক্তা। বেশীর ভাগ চা গাছেই কুঁড়ি মেলে পাতা গজিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

লালমাই পাহাড় চা চাষের জন্য সম্ভাবনাময় বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও। তারিকুল নিজ উদ্যোগে চা বাগান করলেও কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে বলেও জানান তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
লোকসানের কবলে আমন চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে লোকসানের কবলে পড়ে আমন ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক। এতে উপজেলার প্রায় ৮ হাজার হেক্টর অনাবাদী পড়ে থাকছে। বছরের ৬ মাস ফসলি মাঠ পানির নিচে থাকায় মাঠজুড়ে জন্মেছে জলজ আগাছা। ধান গাছ না থাকায় গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ মাঠ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত তিন দশক আগেও বোনা আমন চাষে এখানকার কৃষকদের আগ্রহ ছিল লক্ষ্যনীয়। কৃষকরা মনের আনন্দে কেওড়া, গচ্চা, হিরবাইন, বটেশ্বর, তিলিবাজাল, বালাম, কাতিয়াশাইলসহ নানান প্রজাতির ধান বুনতো। মৌসুম শেষে কৃষক-কৃষাণীর মুখে দেখা দিত হাসির ঝিলিক। কৃষকের আঙ্গিনা ভরপুর থাকতো আমন ধানে। গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের দৃশ্য যে কারো নজর কাড়তো। কিন্তু কালের বিবর্তনে আমন ধান হারিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে কৃষকের নেই গোয়াল ভরা গরু। গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের দৃশ্য এখন মোটেও চোখে পড়েনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক জানান, চলতি বছর ৩শ’ ৩৪ হেক্টর জমিতে বোনা আমন চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৪শ’ হেক্টর কম। জলবায়ু পরিবতনের পাশাপাশি আমন ধান চাষ অলাভজনক হওয়ায় কৃষকরা ধীরে ধীরে আগ্রহ হারাচ্ছে। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা হওয়ায় কৃষককে বোনা আমনের পাশাপাশি পাট চাষ, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করার পরামর্শ দেন তিনি।

উপজেলার সালেপুর গ্রামের কৃষক বাবুল জানান, আমন ধানের বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত হাল, বীজ ও মজুরী খরচ উঠাতেই হিমশিম খেতে হয়। তাছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, আগাম বর্ষা, ইঁদুরের উপদ্রব সব সামলিয়ে প্রাপ্ত ধানের দ্বিগুনেরও বেশি খরচ হয়। সব শেষে ফসল ঘরে তোলার পর ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হয় কৃষক।

একাধিক কৃষক জানান, ইরি-বোরো মওসুম পরবর্তী সময়ে বর্ষার আগেই বোনা আমন চাষের উপযুক্ত সময়। বর্ষার পানির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে উঠা এ ধান গাছ ভরা বর্ষায় কোমর পানিতেও টিকে থাকে। কিন্তু বর্তমানে বিকল্প কৃষি ব্যবস্থাপনা না থাকায় এখানকার কৃষকরা বর্ষাকালে অলস সময় কাটায় মাসের পর মাস। এ ধান চাষে কৃষককে দেয়া হয় না ভূর্তুকি অথবা প্রণোদনা। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর কর্তৃক সমন্বিত উদ্যোগ ও কৃষি প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হলে চাষীদের মাঝে ফিরে আসতে পারে বুনো আমনের সেই সোনালী অতীত। আমন আবাদ হতে পারে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি। এতে কমে আসবে অনাবাদী জমি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ২:৪৬ অপরাহ্ন
বেলকুচিতে তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলায় তেলজাতীয় ক্রপিং প্যাটার্ন সরিষা বোরো পতিত ভিত্তিক সরিষা প্রদর্শনীতে কৃষক মাঠদিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে আদাচাকী ঈদগাহ মাঠে বেলকুচি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শন ও আলোচনা সভায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হানিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মশিউর রহমান। তিনি কৃষকদের আধুনিক উচ্চ ফলনশীন জাতের চাষাবাদ এবং সার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক জসীম উদ্দিন,ঢাকা খামার বাড়ি তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের (DAE), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ প্রসাদ পাল। ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া,কৃষি কর্মকর্তা মিশু আক্তার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ২:১৪ অপরাহ্ন
‘কৃষক অ্যাপের’ মাধ্যমে রংপুরে ধান কিনবে সরকার
কৃষি বিভাগ

চলতি আমন মৌসুমে রংপুরে শতভাগ ধান ‘কৃষক অ্যাপের’ মাধ্যমে কিনবে সরকার। ফলে কৃষক নির্বাচন ও তালিকা তৈরিতে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং হয়রানি বন্ধ হবে পুরোপুরি। তবে নতুন এই ব্যবস্থা সম্পর্কে খুব একটা প্রচারণা না থাকায় বেশিরভাগ কৃষকের এ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নেই।

লাভের আশায় ধান নিয়ে সরকারি খাদ্যগুদামগুলোর সামনে দিনের পর দিন পড়ে থাকার দৃশ্য এখন আর নেই। টাকার বিনিময়ে স্লিপ কেনাবেচার অভিযোগও এখন আর করছেন না কৃষকেরা। চোখে পড়ে না অসৎ কর্মকর্তা আর দালালদের সিন্ডিকেট। ইউনিয়ন পর্যায়ে তৈরি তালিকা থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকের মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে। এরই ভিত্তিতে সহজেই সরকারের ঘরে ধান সরবরাহ করছেন কৃষক।

তবে প্রচার-প্রচারণার অভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনও ভালো ধারণা সৃষ্টি হয়নি অধিকাংশ কৃষকের।

এক কৃষক বলেন, আমরা সবসময় মাঠে থাকি, এ ‘কৃষক অ্যাপ’ কী আমরা বুঝি না। অন্য এক কৃষক বলেন, গুটি কয়েক মানুষই ‘কৃষক অ্যাপ’টি ব্যবহার করে।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রিয়াজুর রহমান রাজু জানান, গত বছর জেলার ৩টি উপজেলায় ‘কৃষক অ্যাপ’র মাধ্যমে ধান কেনা হলেও এবার ৮টি উপজেলার সবকটিতেই এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

চলতি মৌসুমে জেলার কৃষকদের কাছ থেকে ১০ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরইমধ্যে এক তৃতীয়াংশ ধান কেনা সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১:৩৬ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় জয়পুরহাট জেলায় ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বাসস’কে জানায়, জেলায় এবার সরিষা চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমি। যার মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৫ শ হেক্টর, পাঁচবিবি উপজেলায় ৪ হাজার ৬ শ ৩০ হেক্টর, আক্কেলপুর উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর, ক্ষেতলাল উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর এবং কালাই উপজেলায় ৫শ ২০ হেক্টর। এতে সরিষার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ২৩ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে সরিষা চাষ ১০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় সরিষা চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও উন্নতমানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১২:২১ অপরাহ্ন
মাগুরায় বৃষ্টিতে ফসল নষ্টে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টিতে সাড়ে তিন হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরও প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা দেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিতে মাগুরায় তলিয়ে যায় ধান, মসুর ডাল, সরিষা, পেঁয়াজ, সবজিসহ নানা ধরনের ফসলের ক্ষেত। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ৪ উপজেলার ৩ হাজার ৫১০হেক্টর জমির ফসল বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে। আংশিক নষ্ট হয়েছে আরো ২২হাজার ৮১৬ হেক্টর জমির ফসল।

ঋণ নিয়ে জমি চাষ করে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছেন সহায়তা।

এদিকে, সরকারি সহায়তা দেয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হায়াত মাহমুদ।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে মাগুরায় ৮৬ হাজার কৃষকের ৫০ কোটি টাকার ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরে আবাদ হচ্ছে বারোমাসি পেঁয়াজ বীজ
কৃষি বিভাগ

দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রথমবারের মত ফরিদপুরে শুরু হয়েছে গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ বীজের চাষ। ফরিদপুরের উৎপাদিত বীজ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানালেন চাষিরা। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বললেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

দেশের পেঁয়াজ বীজের চাহিদার ৭০ ভাগ উৎপাদিত হয় ফরিদপুরে। আর এ জেলার পেঁয়াজ বীজের সুখ্যাতিও দেশজুড়ে। উৎপানর বাড়াতে প্রতি বছর নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রথমবারের মত এবছর ফরিদপুরে গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ বীজের চাষ হচ্ছে।

আকারে বড় এবং কম পচনশীল গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ সারা বছরই চাষ করা যাবে। শনিবার জেলা সদরের অম্বিকাপুর মাঠে আদর্শ কৃষাণী শাহীদা বেগমের জমিতে এই বীজ বপনের উদ্বোধন করা হয়। শাহীদা বেগমসহ কৃষকরা জানান সারা বছর চাষযোগ্য এ বীজ আগামীতে সারা দেশে সরবরাহ করা হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল জানান, এ জাতের পেঁয়াজের আবাদ বাড়লে ভবিষ্যতে আর পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনোজিত কুমার মল্লিক, উপ-পরিচালক হজরত আলীসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১:২২ অপরাহ্ন
হিলিতে তীব্র শীত, রবিশস্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তীব্র শীত অব্যাহত রয়েছে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা ঝরছে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশায় গম ও সরিষার আবাদ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।

হিলির দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমান বলেন, শীত আর কুয়াশায় গমের আবাদ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছি। শীতের কারণে গমের গাছ বাড়ছে না। কয়েকদিন আগেও যেমন ছিল এখনও তেমন আছে। রস না থাকায় গাছ একেবারে ঝিম ধরে আছে। শীতের কারণে গমে লাল বর্ণের একটি রোগ আসে, যেটা নিয়ন্ত্রণে ওষধ স্প্রে করতে হয়। এতে খরচ একটু বেশি। তবে শীত গেলে ঠিকমতো রোদ ও বাতাস পেলে এগুলো কেটে যাবে।

একই গ্রামের কৃষক সুজন হোসেন বলেন, পরে বোনা সরিষার ফলনে সমস্যা হতে পারে। গাছগুলো হলুদ হয়ে যাবে। অনেক গাছ মারাও যাবে। ঠিকমতো ফলন হবে না। শীতের কারণে রবিশস্য আবাদ করে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, যে কুয়াশা পড়ছে তাতে তীব্রতা সেরকম নেই। ফসলের তেমন কোনও সমস্যা হবে না। তবে এরপর যদি আরও বেশি কুয়াশা ঝরে তাহলে আলুর সমস্যা হতে পারে। গম শীতের ফসল আর সরিষার কোনও সমস্যা হবে না।

আবহাওয়া অধিদফতর দিনাজপুরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনাজপুর অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯০ শতাংশ, গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যা ৮-১২ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়িতে কারখানায় তৈরি হচ্ছে জৈব সার
কৃষি বিভাগ

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় প্রথমবারের মতো কারখানায় তৈরি হচ্ছে জৈব সার। দৈনিক ১০ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও এখনও বাজারজাতকরণ শুরু হয়নি। পুরোদমে উৎপাদন শুরু হলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমবে, এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে- এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে ফাতেমা নগর এলাকায় পাহাড়ের ওপর তৈরি করা হয়েছে জৈব সার কারখানা। বিভিন্ন এলাকায় জৈব সার তৈরি করা হলেও বাণিজ্যিকভাবে এই প্রথম উৎপাদন করছে শিবলী ফার্মস নামে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক ট্যাংকি রয়েছে। গোবর, লতাপাতাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে জৈব সার তৈরি করা হয়। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘খাগড়াছড়ি জৈব সার’।

শিবলী ফার্মস এর ব্যবস্থাপক আমজাত হোসেন মজুমদার বলেন, এখানে গোবর ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া আমাদের ৫০ একরের মত বাগান আছে যার লতাপাতা ও পরিত্যক্ত জিনিসও দিচ্ছি। সঙ্গে আমরা ট্রাইকোডার্মা দিচ্ছি। মাটিত যে কোন জিনিসকে দ্রুত পচিয়ে ফেলে।

দৈনিক ১০ টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও পরীক্ষামূলকভাবে তিন টন উৎপাদন করা হচ্ছে। কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের।

সারের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে। অনুমোদন পেলেই শুরু হবে বাজারজাতকরণ।

শিবলী ফামর্স এর সুপারভাইজার আওয়াল হোসেন জানান, শ্রমিক যারা আছে তাদের দেখিয়ে দেই। আর আমাদের বাগানেও এই জৈব সারটা ব্যবহার করি। এটা চাষিদের কাছে গেলে অনেক ভালো হবে।

এই জৈব সার বাজারে আসলে কৃষকদের রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরশীলতা কমে আসবে বলে আশাবাদ কৃষি বিভাগের।

খাগড়াছড়ির পানছড়ির কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পানছড়ি উপজেলায় এটা বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আর কৃষি এবং কৃষকের জন্য একটা ভালো সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
যমুনার চরে মরিচ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার যমুনা চরে এবার দেশীয় মরিচ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। হাইব্রিড জাতের মরিচ রোগ বালাই বেশি থাকায় গত কয়েক মৌসুমে কাঙ্খিত ফলন পাননি তারা। তবে কৃষকরা বলেছেন এবার ফলন ভালো হলেও দাম একেবারেই কম। এতে উৎপাদন খরচের উঠবে কিনা তা নিয়েই সংশয়ে রয়েছে তারা।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটের চরগুলোতে মরিচের ভালো আবাদ হয়। গত দুই বছর চরাঞ্চলে চাষীরা হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ করলেও এবার দেশি জাতের মরিচ চাষে ঝুঁকছে।

কৃষি বিভাগ বলছে এবার জেলায় ৭ হাজার একশো হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়। এবছর উৎপাদন ভালো হয়েছে।

কৃষকরা জানান, গত বছর পাইকারি বাজারে মরিচ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। এবার সেই মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে।

মরিচ চাষে কৃষকদের কৃষি বিভাগ সব রকম সহায়তা করছে বলে জানান বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ দুলাল হোসেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop