৪:৩০ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২১ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শেরপুরে সারের কৃত্রিম সংকট
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার শেরপুরে সরকার নিযুক্ত রাসায়নিক সার ডিলারের ঘরে সারের কৃত্রিম সংকট। অবৈধভাবে মজুতকৃত ১ হাজার ৭৩ বস্তা সার কালোবাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রির সময় আটক করা হলেও আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার, ন্যায্যমূল্যে সার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন শেরপুরের কৃষকরা।

জানা য়ায়, শেরপুর উপজেলায় এ বছর সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রাকে টার্গেট করে আগাম সার মজুত করছেন শেরপুরের সার মজুতদার ব্যবসায়ীরা। উপজেলার ৭নং ভবানীপুর ইউনিয়নের সার ব্যবসায়ী আকন্দ ট্রেডার্সের গুদামে অবৈধভাবে মজুতকৃত ১ হাজার ৭৩ বস্তা সার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয় গত ২৭শে ডিসেম্বর।

অবৈধভাবে মজুতকৃত সার উদ্ধার অভিযানে নামে শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. ময়নুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন, বগুড়া-র‌্যাব ১২ সদস্যসহ শেরপুর থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

স্থানীয়রা জানায়, শেরপুরের ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যানের বাসার পাশে আকন্দ ট্রেডার্স এর একাধিক সারের গুদামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরপর ৭নং ওয়ার্ড ভিত্তিক খুচরা সার বিক্রেতা আব্দুল জলিল আকন্দের ছেলে আল মাহমুদ আকন্দ ও তার চাচা কলিম উদ্দিনের ঘরে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৬৩৩ বস্তা (ডিএপি) এবং ৪৪০ বস্তা (এমওপি) সার জব্দ করা হয়।

অবৈধভাবে মজুতকৃত সার শেরপুরে সরকার নিযুক্ত বিসিআইসি’র ১২ জন এবং বিএডিসির ২০ জন ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা যায়। এরপর ওই সকল সার কালোবাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রি শুরু হলে সংবাদ পায় শেরপুর উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে উল্লিখিত পরিমাণ সার আটকের পর বিশেষ তদবিরের কারণে সেখানে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য একটি আইওয়াশ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রধান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান নিজেও ওই সার ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রকাশ্যে জড়িত আছেন।

এ নিয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, ভবানীপুরের আকন্দ ট্রেডার্স-এর গুদামে অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগে ৫০ কেজি ওজনের ৬৩৩ ডিএপি এবং ৪৪০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। পরে ওই সার সরকারি ডিলার রেটে এলাকায় বিক্রির জন্য কমিটি করে দেয়া হয়।

কৃষকরা জানায়, সার আটকের পর ওই ব্যবসায়ীকে এবারে উচ্চ মূল্যে সার বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এটা স্রেফ আই ওয়াশ। শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আটক সার যশোরের নোয়াপাড়ার চালানে চান্দাইকোনা বাজারের জনৈক কনক ট্রেডার্সের নামে দেখা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:১৪ অপরাহ্ন
জয়পুরহাট চিনিকলে আখ মাড়াই শুরু হবে আগামীকাল
কৃষি বিভাগ

দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাট চিনিকলের ২০২১-২০২২ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবার।

চিনিকল সূত্র জানায়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার দ্ইুটি চিনিকল এলাকার ৩০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করা হবে দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠা জয়পুরহাট চিনিকলে। এরমধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট এলাকার ২৫ হাজার মেট্রিক টন আখ ও রংপুরের মহিমাগঞ্জ চিনিকল এলাকার ৫ হাজার মেট্রিক টন আখ।

চলতি ২০২১-২২ আখ মাড়াই মৌসুমে দুইটি মিল থেকে সংগৃহীত ৩০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ১ হাজার ৮শ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ। চিনি আহরণের শতকরা হার ধরা হয়েছে ৬ ভাগ। এটি হবে জয়পুরহাট চিনিকলের ৫৯ তম মাড়াই মৌসুম। জয়পুরহাট চিনিকলে প্রতিদিন ১৫শ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করার সক্ষমতা রয়েছে। রংপুরের মহিমাগঞ্জ চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ ক্রয় করে ট্রাকের মাধ্যমে জয়পুরহাট চিনিকলে পাঠাবে। সরকারি ভাবে ওই সব আখের মূল্য পরিশোধ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি মূলক কার্যক্রম বিশেষ করে আখ ক্রয় কেন্দ্রের সংস্কার ও মেরামতের পাশাপাশি ফ্যক্টারীর বিভিন্ন যত্রাংশের মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আখ না থাকায় এবার ২৫ দিন চিনিকল চালু রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চিনিকল সূত্র আরও জানায়, ২০২১-২২ মাড়াই মৌসুম উদ্বোধনের জন্য অন্যান্য বারের মতো এবারও চিনিকল চত্বরে এক সুধী সমাবেশ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে। সংসদ সদস্য এ্যাড: সামছুল আলম দুদু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রবীণ আখচাষিদের সঙ্গে নিয়ে ডোঙ্গায় আখ ফেলে মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান জানান, গতবারের মতো এবারও আখের মূল্য মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল ৩ শ ৫০ টাকা এবং বাইরের আখ ক্রয় কেন্দ্রে থেকে ৩ শ ৪৩ টাকা দরে আখ ক্রয় করা হবে। ই-পূর্জি ও ই-গ্যাজেটের মাধ্যমে পূর্জি বিতরণ ছাড়াও মোবাইল ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে আখচাষিদের আখের মূল্য পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ২:০৭ অপরাহ্ন
গাইবান্ধার চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার চাষ
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে বালুর মধ্যে পলিমাটি ফেলে মিষ্টিকুমড়ার চাষ করছেন কৃষকরা। ফলনও হচ্ছে ভালো। বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির তত্ত্বাবধানে চরাঞ্চলে এই মিষ্টিকুমড়ার চাষ চলছে। তবে বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃৃষকরা। 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরগুলোতে এখন শুধুই সবুজের ক্ষেত। চরের বালুর মধ্যে গর্ত করে উর্বর পলিমাটি ফেলে শতশত বিঘা জমিতে হচ্ছে মিষ্টি কুমড়ার চাষ। এসব চরে কাজল, ব্ল্যাক সুইট, কালো মানিক ও বিউটি জাতের মিষ্টিকুমড়ার চাষ করছেন কৃষকরা।

নতুন এই পদ্ধতিতে মিষ্টিকুমড়া চাষ করে বাম্পার ফলন পাচ্ছেন চাষীরা। তবে চরাঞ্চলে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মিষ্টিকুমড়ার ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় তারা।

জেলার চারটি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের চরগুলোতে মিষ্টিকুমড়া চাষের এই কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি।

গাইবান্ধার ১২৫টি ছোট-বড় চরে চলছে এই পদ্ধতির মিষ্টিকুমড়ার চাষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা
কৃষি বিভাগ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এবারের শীতে ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ইরি-বোরো ধানের আবাদ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করেছেন কৃষকরা।

গত কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ডুমুরিয়ায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর উফশি ও ৫ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিডসহ প্রায় ৭০ হেক্টর জমির ইরি বোরো ধানের বীজতলার অধিকাংশই লালচে হলুদ হয়ে গেছে।

ডুমুরিয়ার টিপনা এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, কোথাও কোথাও বীজতলায় ইরি বোরো ধানের চারাগুলে ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। বেশিরভাগ চারা হলুদ হয়ে গেছে। বীজতলার চারা এখন রোপণের অযোগ্য হয়ে গেছে।

কৃষক রাছিদ মোল্লা বলেন, এ বীজতলার চারা জমিতে রোপণ করলে তা এক সপ্তাহও বাঁচিয়ে রাখা যাবে না। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সময় মতো ধানের চারা বীজতলা থেকে তুলে জমিতে রোপণ করা যাচ্ছে না।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষিবিদ মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখতে হবে এবং দিনের বেলায় পানিটা সরিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে এটি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। বোরো ধানের বীজতলা রক্ষার জন্য ইউরিয়া ও জিপসাম সার প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিদিন বীজতলার কুয়াশা ঝেড়ে দেয়া এবং চারাগুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ৩:১৩ অপরাহ্ন
কালিয়াকৈরে মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ
কৃষি বিভাগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে সরিষা ফুল। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। সরিষা ফুলের মৌ-মৌ গন্ধ চারদিকে। প্রতিটি মাঠে সরিষার আবাদ হয়েছে চোখে পড়ার মতো। আর অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই কৃষকের ঘরে উঠবে সরিষা। কম খরচে বেশি লাভের আশায় কৃষকরা আগাম জাতের ও অধিক ফলনশীল এই ফসলের চাষ করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। ১৪শ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। উন্নত জাতের সরিষা আবাদ করা হয়েছে। স্বল্প সময়, কম খরচ ও কম পরিশ্রমে এ ফসলের আবাদ হয়ে থাকে পরবর্তীতে সরিষার জমিতে কম খরচে বোরো আবাদ করেন চাষিরা। ফলে সরিষার বিক্রির টাকা দিয়ে বোরো আবাদের খরচ কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারেন।

বাহাদুর গ্রামের কৃষক আবুল হাসান জানান, দুই বিঘা জমিতে উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। আবাদও ভালো হয়েছে। আর কিছু দিনের মধ্যে ফসল ঘরে উঠবে। এখন ভালো দাম পেলেই হয়। দেওয়ার বাজার এলাকায় হাবিবুর রহমান জানান, কিছু দিন পূর্বে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষা ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলা ১৪শ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন চাষিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ন
মাদারীপুরে রোপা আমনের ‘ফলন ভাল, দামও ভাল’
কৃষি বিভাগ

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তরা ঠিকমত তদারক করায় এই সুফল এসেছে। তাছাড়া এবার আমন ধানে ‘তেমন কোনো রোগ বালাই হয়নি’ এ জেলায়।

সরজমিনে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন এলাকায় ধানের বাজারও জমে উঠেছে।

সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের আনার উদ্দিন মৃধা বলেন, তিনি এবার পাট কাটার পর পাঁচ বিঘা জমিতে উচ্চফলনশীল রোপা আমনের চাষ করেছেন। তার খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় তার ৩০ থেকে ৩৫ মণ ধান হয়েছে।

“গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই আমাদের এত ভাল ফলন হয়েছে। আবার দামও ভাল আছে।”

আমন ধান কেবল ঘরে উঠছে। বাজারে নতুন ধানের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করছে। ডাসার উপজেলার শশিকর হাটের ধান ব্যবসায়ী হৃদয় সরকার ফুরফুরে কণ্ঠে বলেন, মোটা ধানের দাম ৯০০ আর চিকন ধানের দাম ৯৩০ টাকায় উঠেছে এবার। নতুন ধান হাটে আগামী সপ্তাহ থেকে বেশি পাওয়া যাবে।

তবে পুরনো ধান কোথাও কোথাও ৯৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

জেলার কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস বলেন, এই অঞ্চলে চলতি বছর ব্র্রি-৩৩, ৩৯, ৪৯, ৫১, ৫২, ৭৫, ৮৭ ও বিনা ধান-৭ জাতের রোপা আমন চাষ করায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়েছেন। তাছাড়া চলতি বছর রোপা আমন চাষ করার জন্য কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সারা বছরই কৃষকদের বিভিন্ন প্রক্ষিণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা এসএম সালাউদ্দিন।

তিনি বলেন, এবার এ জেলায় প্রতি হেক্টরে সাড়ে তিন টন চাল হিসেবে ৬০ হাজার ৮৮০ মেট্রিকটন চাল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
বীজহীন লেবু চাষ
কৃষি বিভাগ

মহেশপুরে সিডলেস (বীজহীন) কাগজি লেবু চাষ করা হচ্ছে। বেশি ফলন ও চাহিদা ভালো থাকায় এ চাষ লাভজনক। ফলে অনেকেই লেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বর্তমানে মহেশপুর থেকে এ লেবু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা হচ্ছে। 

উপজেলার ফতেপুর গ্রামের লেবু চাষি কুতুব গাজী জানান, ২০১৯ সালের প্রথম দিকে দুই বিঘা জমি নিয়ে ঐ জমিতে ২৫০টি বিজহীন লেবুর কলমকৃত চারা রোপণ করি। চারা কেনা, চারা রোপণ, জমি প্রস্তুত, জমি তৈরি, সেচ ও সারসহ বিবিধ খরচ মিলিয়ে প্রথম বছর তার প্রায় ১ লাখ টাকা ব্যয় হয়। পরের বছরেই ঐ সব লেবু গাছে লেবুর ফলন শুরু হয়। বর্তমানে জমি থেকে বিঘাপ্রতি প্রায় ১ লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান আলী জানান, এ উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে লেবুর আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হেক্টরে (বিজহীন) সিডলেস, পাঁচ হেক্টরে চায়না ও পাঁচ হেক্টরে অন্য জাতের কাগজি লেবু রয়েছে।

তিনি জানান, লেবু চাষ অত্যন্ত লাভজনক। এ চাষ করে অনায়াসেই বিঘাপ্রতি ১ থেকে দেড় লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। উপজেলায় লেবু উৎপাদন বাড়লে ব্যাপকভাবে দেশের বাইরে রপ্তানি করা যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতকালীন আম চাষ
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শীতকালীন আমের চাষ। লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বাড়ছে এই ধরনের আমের বাগান। গ্রীষ্ম মৌসুমের তুলনায় অন্য সময় আমের দাম বেশী পাওয়া যায় বলে অসময়ের আম চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসময়ে আমের উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমকেন্দ্রিক অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে।

গ্রীষ্মকালে সারাদেশে গাছে গাছে ঝুলতে দেখা যায় আম। তবে প্রকৃতির এই সাধারণ নিয়মের পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন শীতকালেও ফলছে আম। বিরল এমন দৃশ্য দেখা যায় আমের জেলা হিসেবে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন বাগানে।

সেখানে শোভা পাচ্ছে বারোমাসি জাত বারি-১১, গৌড়মতি, কাটিমনসহ নানা জাতের সুস্বাদু আম। গ্রীষ্ম মৌসুমে আমের দাম কমে যায় বলে অসময়ে আমের বাণিজ্যিক উৎপাদনে ঝুঁকছেন চাষীরা। চাহিদা ও বাজারমূল্য ভালো থাকায় শীতকালীন আম চাষ কৃষকদের মাঝে আশা জাগাচ্ছে।

বারোমাসি এসব আমের বাণিজ্যিক চাষ বাড়ালে আমকেন্দ্রিক অর্থনীতির চিত্র পাল্টে যাবে বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তারা।

এদিকে, সারাবছর যাতে আম চাষ করা যায়, সে লক্ষে আরও নতুন জাত উদ্ভাবনের গবেষণা চলছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। খামারীরা বলছেন সহজশর্তে ঋণ পাওয়া গেলে অসময়ে আম চাষ ও উৎপাদন আরও বাড়বে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ৪:৫০ অপরাহ্ন
নওগাঁয় কালো এলাচ চাষে স্বপ্ন দেখছেন মাহফিজুর
কৃষি বিভাগ

সবচেয়ে দামি মশলা কালো এলাচ চাষে স্বপ্ন দেখছেন নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার খঞ্জনপুর এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা মাহফিজুর রহমান। নিজের ৫ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ২০টি ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচের গাছ রোপণ করেছেন তিনি।

ইতোমধ্যে গাছগুলো ডালপালা ছড়িয়ে বিশালাকার ধারণ করেছে। বাণিজ্যিকভাবে বিপনন সুবিধা থাকলে প্রতি মৌসুমে শতক প্রতি প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কালো এলাচ বিক্রয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি।

মাহফিজুর রহমান জানান, এলাচের গাছ রোদ সহ্য করতে না পারায় ছায়াযুক্ত জায়গায় বা কোন গাছের নিচে রোপণ করতে হয়। এজন্য তিনি তার আম বাগানের মধ্যে ৫ শতাংশ জমি বেছে নিয়ে সেখানে এলাচের গাছ রোপণ করেছেন।

একটি এলাচ গাছ থেকে আরেক গাছের দূরত্ব দেওয়া হয়েছে ২২ ফুট। রোপণকৃত গাছ হতে পরিপক্ক ফল পেতে প্রায় ২ বছর সময় লেগে যায় ফলে গাছ রোপণের পর দীর্ঘ সময় পরিচর্যা করতে হয়।

তিনি আরও জানান, গাছ রোপণের পরে তেমন কোন পরিচর্যা করতে হয় না। তবে নিয়মিত সেঁচ দেওয়া, জৈব-রাসায়নিক সার ও সামান্য পরিমাণে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। মাটির গুণগত মান ভালো হবার ফলে এলাচ চাষে অনেকটা অনুকূল।

বাণিজ্যিকভাবে বিপনন সুবিধা থাকলে প্রতি মৌসুমে শতক প্রতি প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কালো এলাচ বিক্রয় করা সম্ভব।

উপজেলা সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ইন্দোনেশিয়ান কালো এলাচ দীর্ঘ সময় পরে ফল আসে। যার কারণে কালো এলাচ চাষ তেমন ফলপ্রসূ নয়। তবে যদি কেউ এলাচ চাষ করতে চায় তাহলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ৪:২২ অপরাহ্ন
ঘন কুয়াশায় আলুর আবাদ নিয়ে চিন্তিত কৃষক
কৃষি বিভাগ

রংপুর অঞ্চলের ঘন কুয়াশার কারণে আলুর আবাদ নিয়ে চাষিরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। গত কয়েকদিন থেকে শীতের প্রকোপের পাশাপাশি কুয়াশা পড়ছে। এই কুয়াশা আলুর জন্য ক্ষতিকারক। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, এই আবহাওয়ায় আলুর জন্য তেমন ক্ষতিকারক নয়। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে চলতি মৌসুমে প্রায় এক লাখ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হচ্ছে। কিছুটা বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরাও নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে ক্ষেত পরিচর্যায় নেমে পড়েছেন। আমন মৌসুমে বাম্পার ফলন হলেও গত মৌসুমে আলুতে খুব একটা লাভ করতে পারেননি আলু চাষিরা। এখনো অনেক হিমাগারে আলু সংরক্ষিত রয়েছে। এমন অবস্থায় বাড়তি খরচের বোঝা নিয়ে আলু চাষ হলেও শীতের বিষয়টি আবারও দুঃচিন্তার কারণ হয়েছে কৃষকদের। ঠান্ডা আবহাওয়া আলু চাষের জন্য উপকারিতা হলেও কুয়াশা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যে কারণে গত কয়েকদিনের শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে উদ্বিগ্ন কৃষকরা। জানুয়ারির প্রথম দিকে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে আলু চাষিদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিবে।

পীরগাছা উপজেলার আলু চাষি বুলবুল মিয়া, মাহাবুবসহ অনেকেই কুয়াশাজনিত কারণে আলুর আবাদ নিয়ে চিন্তিত বলে জানালেন। এদিকে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা চাষিদের উদ্বিগ্ন না হয়ে নিয়মিত পরিচর্যা করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

কৃষিবিদদের পরামর্শ, আতঙ্কিত হয়ে আগাম কীটনাশক ব্যবহার করা হলে হিতে বিপরীত ঘটতে পারে। যখন কোন প্রাকৃতিক সমস্যা দেখা দিবে তখনই নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওবায়দুর রহমান বলেন, বর্তমান যে আবহাওয়া বিরাজ করছে তাতে আলুর ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা কম। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের ছত্রাকনাশক ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop