১০:১৬ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৩, ২০২২ ৪:১৬ অপরাহ্ন
পটুয়াখালীতে চিনা বাদামের বাম্পার ফলন, খুশি কৃষকেরা
কৃষি বিভাগ

সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ব্যবহারে পটুয়াখালীতে চিনা বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে কিটনাশকের ব্যবহার ছাড়াই পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ করা যায়। ফলে নিশ্চিত হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন।

সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি কম বখরচে অধিক ফসল ফলানো সম্ভব হয়েছে। এই পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে কৃষি বিভাগসহ বিভিন্ন বেসরকাররি উন্নয়ন সংস্থা।

পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের উর্বর বেলে মাটিতে বাদামের ভালো ফলন হচ্ছে। তবে বাদাম চাষে পোকামাকড়ের আক্রমণ হওয়ায় কৃষক বিভিন্ন সময় ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় চাষাবাদে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির প্রয়োগ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে কৃষকদের।

ইউএসএআইডি’র অর্থায়নে একটি প্রকল্পের আওতায় চীনা বাদাম ক্ষেতে আঠাঁলো ফাঁদ, ফেরোমন ফাঁদ, পাচিং এসওপি এবং বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহার করা হচ্ছে।

পটুয়াখালী সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে কিভাবে পোঁকা দমন করা যায় সেই পদ্ধতিটি আমরা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছি।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন বলেন, আধুনিক ও কীটনাশকমুক্ত এসব পদ্ধতিতে চাষাবাদ ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষকরা যেমন অধিক ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তেমনি বাদাম চাষে তাদের আগ্রহ বাড়বে। এতে করে বাদাম থেকে তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৩, ২০২২ ১:০৫ অপরাহ্ন
হাটহাজারীতে শুরু হচ্ছে দুই দিন ব্যাপী কৃষি গবেষণা-সম্প্রসারণ-পর্যালোচনা ও কর্মসূচি বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি বিভাগের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে দুই দিন ব্যাপী সম্প্রসারণ-পর্যালোচনা ও কর্মসূচি বিষয়ক কর্মশালা ২৪ মে হাটহাজারীস্থ আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ড. মোছাম্মৎ সামছুন্নাহার পরিচালক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মোফাজ্জল করিম ও নোয়াখালী সরেজমিন গবেষণা বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মহী উদ্দিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন হাটহাজারী আরএআরএস এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জুলফিকার আলী ফিরোজ।

কৃষিতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাবনা নিয়ে কৃষি বিভাগের কৃষি গবেষণা, ধান গবেষণা, পরমাণু কৃষি গবেষণা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন, সুগার ক্রপ গবেষণা, ফলিত পুষ্টি গবেষণা, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশান এবং কৃষি সসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী,নোয়াখালী, লক্ষীপুর, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, চট্টগ্রাম, হর্টিকালচার সেন্টার, রামু, ঝিলংজা, হাটহাজারী সহ এনজিও প্রতিনিধিরা এই কর্মশালায় উপস্থিত থাকবেন।

তিনটি কারিগরি অধিবেশনে এই কর্মশালায় প্রায় অর্ধ শতাধিক বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বিজ্ঞানী উপস্থিত থাকবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২২ ৬:৫৪ অপরাহ্ন
বরিশালে ডাল-তেল-মসলা উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মসলা উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর ব্রির হল রুমে ডিএই’র উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. ফ. ম. মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই বরিশালের উপ-পরিচালক মো. হরুন-অর-রশীদ এবং কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

পটুয়াখালী সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মার্জিন আরা মুক্তার সঞ্চালনায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই ঝালকাঠির উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, ডিএই উপ-পরিচালক পটুয়াখালীর একেএম মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক একেএম ড. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী শিরিন আক্তার, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, ডিএই পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, ডিএই বরগুনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এস এম বদরুল আলম, ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. রিফাত সিকদার, ডিএই ভোলার জেলা অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এস.এম. মিজান মাহমুদ, নাজিরপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার দিগবিজয় হাজরা, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাজি উদ্দিন, ভোলা সদরের কৃষক আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ধানসহ অন্যান্য ফসলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও ডাল, তেল, মসলায় আমাদের ঘাটতি আছে। তাই এর উৎপাদন বৃদ্ধি করা জরুরি। এ জন্য উচ্চ ফলনশীল জাত ব্যবহার করা দরকার। সেই সাথে জমির পরিমাণ বাড়ানোর দিকেও নজর রাখতে হবে। তাহলেই আমদানি নির্ভরতা কমবে। দেশ হবে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত।

কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা এবং কৃষক মিলে ১০০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২২ ১:৩৫ অপরাহ্ন
গাইবান্ধায় বোরো ধান কর্তনে শ্রমিক সংকট, বিপাকে কৃষক
কৃষি বিভাগ

বৈশাখের টানা বৃষ্টি আর অন্যদিকে শ্রমিক সংকটে বিপাকে পড়েছেন গাইবান্ধার বোরো ধানের চাষিরা। পাকা ধান ঘরে তোলার জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েও কাটছে না শ্রমিক সংকট।

একদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, অন্যদিকে ধান কাটা-মাড়াইয়ের জন্য পর্যাপ্ত শ্রমিক না পাওয়ায় চোখের সামনেই নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পাকা ধান। এ অবস্থায় সরকারিভাবে ধান কাটার হারভেস্টার যন্ত্র সরবারহের দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা।

কৃষিবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবছর গাইবান্ধার সাত উপজেলায় এক লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ মেট্রিক টন।

কৃষকেরা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও শ্রমিক না পাওয়ায় ধান মাঠ থেকে ঘরে তুলতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। দ্বিগুণ বেতনেও পাওয়া যাচ্ছে না শ্রমিক। সঠিক সময়ে ধান তুলতে না পারলে বড় লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

ভবিষ্যতে এমন সংকট এড়াতে এবং চাষাবাদের খরচ কমাতে এখন থেকে আধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় জেলায় সরকারিভাবে হারভেস্টার মেশিনসহ কৃষি যন্ত্রের সরবারহ বাড়ানোর দাবি চাষীদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২২ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে বারিমুগ-৬’র ঊৎপাদনশীলতা বিষয়ক কৃষক সমাবেশ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে বারি মুগ-৬’র ঊৎপাদনশীলতা বিষয়ক মাঠ দিবস ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার উপজেলার চাঁদপাশা হাইস্কুলে বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. অপূর্ব কান্তি চৌধুরী।

তিনি বলেন, মুগ দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় ডাল ফসল। তাই এখানে সর্বোচ্চ উৎপাদন হওয়া চাই। তবে এজন্য উচ্চফলনশীল জাত ব্যবহার করতে হবে। সেই সাথে দরকার সময়মত পরিচর্যা আর রোগপোকা দমন। তাহলেই ফলন আশানুরূপ হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো রফি উদ্দিন এবং ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার।

বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাজি উদ্দিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাদারিপুরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা প্রিয়াংকা চক্রবর্তী, এসও মো. মামুনূর রশীদ, এসও শাহিন মাহমুদ, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।অনুষ্ঠানে ৮০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২২ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে কমছে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন
কৃষি বিভাগ

পটুয়াখালী সহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে নানা প্রতিকূলতায় কমছে তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন। গত এক দশকে এই জেলায় সরিষা এবং তিল ফসলের চাষাবাদ কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে, তবে সাম্প্রতিক সময় জেলায় সূর্যমুখী এবং চিনা বাদামের উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে। তবে এলাকা ভেদে কৃষকের মাঠে আবারও কিভাবে তেল জাতীয় ফসল গুলো ফিরিয়ে আনা যায় সে বিষয়ে কাজ করার কথা জানালেন কৃষিমন্ত্রী।

একটা সময় ছিল যখন কৃষকরা নিজেদের প্রয়োজনীয় ভোজ্য তেল নিজেরাই উৎপাদন করতো। আর এ জন্য চাষ হতো সড়িষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখী। এ ছাড়া সড়কের পাশে কিংবা জমির আইলে লাগানো ভেরেন্ডা(ভেড়ন) থেকেও কৃষক পরিবার গুলো তেল সংগ্রহ করতো। তবে গত কয়েক দশকে বাজারে সয়াবিন এবং পাম ওয়েল সহজলভ্য হওয়ায় এসব ফসলের চাষাবাদ আশংকাজনক ভাবে কমেছে। ফলে শহর থেকে প্রত্যান্ত গ্রামেও এখন আমদানি নির্ভর ভোজ্য তেলের উপর নির্ভর করতে হয়।

দক্ষিণের জেলা পটুয়াখালীতেও দিন দিন কমছে সরিষা এবং তিলের চাষ। দেরিতে আমান ধান কাটা, সেচের সুবিধা না থাকা, উচ্চ ফলনশীল বীজের সংকট এবং সার ও কিটনাশকের উচ্চমূল্যের কারনে তেল জাতীয় ফসলের আবাদে আগ্রহ কমছে।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার বহালগাছিয়া এলাকার কৃষক ইদ্রিস শেখ বলেন, আগে আমরা সব গিরস্ত বাড়ির লোকজনে সড়িষা চাষ করতাম। কিন্তু এখন আর কেউ চাষ করে না। এখন সব জায়গায় তো সয়াবিন তেলেই চলে, তাই বাজার থেকে সয়াবিন তেল কিনা আনি।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যসূত্র জানা যায়, পটুয়াখালী জেলায় গত বছল ৩৪৭ হেক্টর জমিতে সড়িষা আবাদ হলেও এ বছর আবাদ হয়েছে ২২৪ হেক্টর জমিতে, আর গত বছর ৩৭২ হেক্টর জমিতে তিল আবাদ হলেও এবার আবাদ হয়েছে ১০৯ হেক্টর জমিতে। তবে সরকারী সহযোগীতা খাকায় সূর্যমুখী এবং চিনা বাদামের ফলন বাড়ছে। গত বছর পটুয়াখালী জেলায় ৪০০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হলেও এবার ৭৭৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে আর গত বছর ৪৪০০ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হলেও এবার হয়েছে ৫৭৮৩ হেক্টর জমিতে।

সম্প্রতি পটুয়াখালী সহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে সফরে এসে এই এলাকার মাটি উপযোগী তেল ফসলের চাষাবাদ বাড়ানোর কথা জানালেন কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক। এ জন্য চরের উর্বর বালি মাটিতে চিনা বাদাম চাষের প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২২ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
ঝালকাঠির নলছিটিতে সমলয়ের বোরোধান কর্তন উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ঝালকাঠিতে কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে সমলয় পদ্ধতির বোরোধান কর্তন উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী। আজ জেলার নলছিটি উপজেলার ষাটপাকিয়ায় উপজেলার কৃষি অফিসের উদ্যোগে এই শস্য কর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। তাই কৃষকদের কথা চিন্তা করেই ভর্তূকিমুল্যে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করা হয়েছে। এই যন্ত্রের সাহায্যে ধান কাটা, মাড়াই এবং বস্তাবন্দি একই সাথে করা যায়। আর তা দ্রুত সময়ের মধ্যেই করা সম্ভব। এর মাধ্যমে কৃষিশ্রমিক সংকট দূর হয়। পাশাপাশি অর্থ ও শ্রম হয় সাশ্রয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই’র অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. রিফাত শিকদার, উপজেলা কৃষি অফিসার ইসরাত জাহান মিলি, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আলী আহমদ, নলছিটির সহকারি কমিশনার মাছুমা আক্তার, জেলা পরিষদের সদস্য খন্দকার মজিবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস. এম. নাহিদ বিন রফিক, ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম আব্দুল হক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. কাজল হোসেন, প্রদর্শনীচাষি জাকির হোসেন প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি অফিসার ইসরাত জাহান মিলি জানান, কৃষি প্রণোদনার কর্মসূচির আওতাধীন ৫০ একর বিশিষ্ট এ সমলয়প্লটে কৃষকের সংখ্যা ৮২ জন। তাদের ৩ শ’ কেজি হাইব্রিড ধানের বীজ বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছিল। সেই সাথে ছিল ইউরিয়া ৪.৫ টন, ডিএপি ৩ টন এবং ২.৫ টন এমওপি সার। বোরো ধানের হেক্টরপ্রতি ফলন হয়েছে ৯ টন প্রায়। অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২২ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
জয়পুরহাটে মিষ্টি কুমড়া চাষে ২০ গুন লাভ, কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটে এবার মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ কম ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকও খুব খুশি।

জানা গেছে, বিঘাপ্রতি মাত্র ২৫শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ করে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এতে খরচ বাদ দিয়েও লাভ থাকছে ২০ গুণেরও বেশি। বাজারে এমন দাম পাওয়ায় অনেকেই এখন মিষ্টি কুমড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

কৃষি বিভাগ বলছে, ভালো ফলনের ব্যাপারে কৃষকদের সব ধরণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ধান ও আলুর জন্য বিখ্যাত জয়পুরহাট জেলায় এবার ১৫৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে। সারা বছর কম-বেশি কুমড়ার চাষ হলেও আলুর মৌসুমে এর চাষ বেশি হয় বলে জানা গেছে। জমিতে অল্প পরিমাণ সার ও সেচ দিলেই ফলন আসতে শুরু করে গাছে।

ইতিমধ্যে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করে বেশ লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। ব্যবসায়ীরা সরাসরি কৃষকদের জমি থেকে পাইকারি দরে কুমড়া কিনে নিয়ে যাচ্ছে। খুচরা বাজারে ২৫-৪০ টাকা কেজি দরে কুমড়া বিক্রি হলেও কৃষক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছেন মাত্র ১৩ থেকে ১৫ টাকা দরে। এতেও বিঘাপ্রতি তাদের বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। সব খরচ বাদ দিয়েও ২০ গুণের বেশি লাভ থাকছে তাদের ।

স্থানীয় কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি ১২ শতক জমিতে থাইল্যান্ড ও সুইটি জাতের কুমড়ার চাষ করেছেন। এতে খরচ হয়েছে ১২শ টাকা। কুমড়া চাষের তেমন কোন খরচ নেই সামান্য সার দিলেই হয়।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান,  জেলায় এবার ১৫৫ হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ হয়েছে। এবার বাজার ভালো থাকায় কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। প্রতি হেক্টরে প্রায় ২০ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২২ ৯:৪২ অপরাহ্ন
বরিশালের কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক সহকারিদের উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক সহকারি, ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক সহকারি এবং স্টাফদের দুইদিনের উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ আজ শেষ হয়েছে। ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের উদ্যোগে এই ভ্রমণ আয়োজন করা হয়।

ভ্রমণের প্রথম দিন গোপালগঞ্জ সদর এবং দ্বিতীয় দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ভাসমান কৃষির কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞনিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহিদুল ইসলাম খান, পিএসও ড. আলিমুর রহমান, পিএসও ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, এসও মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও রাজি উদ্দিন, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বলেন, জলজ পতিত জমি চাষের আওতায় আনা এবং নিরাপদ ফসল উৎপাদন বাড়ানো এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উভয় অংগে সারা দেশে ৭১ টি উপজেলায় ভাসমান কৃষির কর্মকান্ড চলমান আছে। উদ্বুদ্ধকরণ এ ভ্রমণে ৮০ জন অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২২ ৬:০৬ অপরাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে ব্রি উদ্ভাবিত বোরো ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বোরোর জাত প্রদর্শনীর শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বাবুগঞ্জ উপজেলার গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রির ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. প্রিয় লাল বিশ্বাস এবং ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান কবীর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবুগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহ মো. আরিফুল ইসলাম।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু সায়েম, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম, ব্রির বৈজ্ঞানিক সহকারি আশিক ইকবাল, প্রদর্শনীচাষি মো. মোমিনুল ইসলাম, আব্দুল জলিল প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, প্রধান খাদ্য ধান। তাই আমাদের চাহিদা পূরণে এর উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য দরকার উচ্চফলনশীল জাত ব্যবহার। ব্রি উদ্ভাবিত বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে, যার ফলন হয় শতাংশপ্রতি ১ মন প্রায়। তবে এর পূর্বশর্ত সময়মতো চারা লাগানো। সে সাথে প্রয়োজন সুষ্ঠু সার প্রয়োগ আর সঠিক পরিচর্যা।

অনুষ্ঠানে অধিক ফলনশীল হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবন, গবেষণা ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতাধীন শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop