৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ১:৩৩ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের মান উন্নয়নে সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক
কৃষি বিভাগ

কৃষিপণ্য ও খাদ্যের গুণগতমান উন্নয়নে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা প্রদান করবে ডেনমার্ক। কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়েও উদ্যোগ নেবে ডেনমার্ক।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সাথে সাক্ষাৎকালে ঢাকায় যুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন (Winnie Estrup Petersen) এ সহযোগিতার কথা জানান।

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। দেশের আম, আনারস, কলা, টমেটো, আলু ও শাকসবজি প্রভৃতি রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সম্ভাবনা অনেক। এক্ষেত্রে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রয়োজন। উত্তম কৃষিচর্চা (জিএপি) মেনে খাদ্য উৎপাদনেও ডেনমার্কের সহযোগিতা দরকার। এছাড়া, পূর্বাচলের ২ একর জমিতে আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ ও আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে ডেনমার্কের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন কৃষিখাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের গুণগতমান উন্নয়নে ও এগ্রিবিজনেসে ডেনমার্ক সহযোগিতা করবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও ট্রেড মিশন পাঠানোর বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের কৃষিখাত, ডেইরি, নিরাপদ খাবার, খাদ্য অপচয় কমানো, ফুড ভ্যালু চেইন ও ল্যাব উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, কৃষিখাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের ব্যাপারেও দুই দেশ সম্মত হয়।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মোঃ রুহুল আমিন তালুকদার, উপসচিব এসএম ইমরুল হাসান, ডেনমার্কের ঢাকা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আলি মুস্তাক বাট উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সিলেটের কানাইঘাটে নবনির্মিত কৃষক প্রশিক্ষণ ভবনের উদ্ধোধন
কৃষি বিভাগ

কানাইঘাট জকিগঞ্জ (সিলেট-৫) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড: হাফিজ আহমদ মজুমদার কানাইঘাট উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেছেন।

গত সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় উদ্বোধন অনুষ্টানে  তার সাথে উপস্থিত ছিলেন- কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনা (ভূমি) মুনমুন নাহার আশা, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, আওয়ামীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম হারুন, জেলা পরিষদের ১৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আলমাছ উদ্দিন, ১৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ইমাম উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওঃ জামাল উদ্দিন, দিঘীরপার ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, কানাইঘাট সদর ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রভাষক আফসর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, থানার সেকেন্ড অফিসার সোহেল মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হেকিম শামিম, শাহাব উদ্দিন, উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ,আলংগীর হোসেন,আজাদ মিয়া,মূদুল পাল প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৫:২০ অপরাহ্ন
দারিদ্র্য কমাতে নেওয়া হচ্ছে স্মার্ট কৃষি প্রকল্প
কৃষি বিভাগ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার অস্বাভাবিক আচরণ চলছে। অতিবৃষ্টি কিংবা অনাবৃষ্টি, আগাম-অকাল বন্যা যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিগড়ে যাওয়া আবহাওয়ার প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষিরা। ১০ বছর আগে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় কৃষির এই ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়। কৃষির ঝুঁকি প্রশমনে অর্থ সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ্বব্যাংক। সে আলোকে এবং কৃষির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমাতে একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার।

প্রকল্পের আওতায় কৃষির বহুমুখীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও কৃষকের জীবিকা উন্নয়নের উদ্যোগ থাকবে। চাষাবাদে সেচসহ অন্যান্য ব্যয় বর্তমানের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যও আছে এতে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের বীজ উৎপাদন করা হবে অন্তত ২০০ টন। দেশের ১৭টি উপজেলার ২৭টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে এ প্রকল্প।

‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট (সিএসএডব্লিউএমপি)’ নামের এই প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার একনেক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিশন বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তা কৃষির বহুমুখীকরণ ও প্রান্তিক চাষির জীবনযাত্রা উন্নয়নের মাধ্যমে সার্বিক দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নেওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। ২০২৬ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা। ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। এই অর্থের ৮৫ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত করার আগে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। ডিএই, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি মাঠ পর্যায়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে।

প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুসারে, প্রকল্প এলাকায় অন্তত ১২টি স্মার্ট প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষিতে প্রয়োজনীয় সেচের পানির ব্যবহার এখনকার তুলনায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। প্রকল্প এলাকায় প্রতিবছর ১২০ টন দানাদার বীজ, ৪০ টন ডাল ও সমপরিমাণ তেলজাতীয় শস্যের বীজ উৎপাদন করা যাবে। দেশে কৃষিতে বীজ সংকট প্রকট। পাটসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় সব বীজই আমদানি করতে হয়। তাই উৎপাদিত এই বীজ খুবই কাজে আসবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে একটি হলো বিভিন্ন ধরনের তিন হাজার ২০০টি যন্ত্রপাতি কৃষকের মাঝে বিতরণ। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে- বারিড পাইপ, সোলার সিস্টেম, কম্বাইন্ড হারভেস্টার, মেইজ সেলার মেশিন, বীজের আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র, বীজ আলাদাকরণ চালুনি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, বীজ সংরক্ষণ পাত্র ও ডিজিটাল ওয়েট মেশিন ইত্যাদি। ২৩ হাজার সোলার সিস্টেম রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সোলার সিস্টেম সেচ এবং কৃষিপণ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থাকবে প্রকল্পের অধীনে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে চাষিদের মাঝে ফুটপাম্প ও স্প্রেমেশিন বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাকেরগঞ্জে চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে ফুটপাম্প ও স্প্রেমেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা স্মৃতি হাসনা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষককের মাঝে ১ টি ফুটপাম্প ও ১ টি স্প্রেমেশিন দেওয়া হয়। সেই সাথে ৮ জন পানচাষির প্রত্যেকে ২০ কেজি করে ইউরিয়া, এমওপি, টিএসপি এবং জিপসাম সার বিতরণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে চলতিমাসে উজিরপুর, গৌরনদী, ঝালকাঠি সদর এবং নেছারাবাদ উপজেলার ৫২ জন কৃষকের মাঝে একই পরিমাণ সার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে ৫ ধরনের জৈব বালাইনাশকসহ আঠালো ফাঁদ ও ফেরোমন ফাঁদ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৪:২৮ অপরাহ্ন
বিনামূল্যে সার ও বীজ পাওয়ায় মৌলভীবাজারে বেড়েছে বোরো ধানের আবাদ
কৃষি বিভাগ

ধানের বাজার দর ভালো থাকায় মৌলভীবাজার জেলার হাওরাঞ্চলে পুরোদমে চলছে বোরো আবাদ। গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় সাড়ে চারশ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ বেড়েছে।

৩৫ হাজার কৃষকদের মধ্যে বিনামুল্যে হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ সরবরাহ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তাই চালতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও উৎপাদন বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের।। আমন ধানের মতো বোরো ধানেও যাতে ভালো দাম পাওয়া যায়-এমন প্রত্যাশা দেশের কৃষকদের।

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় জেলার হাকালুকি কাওয়াদীঘী, হাইল হাওরসহ অন্যান ছোট হাওর ও উপরিভাগে বোরো ফসল চাষাদের রীতিমত মহোৎসব চলছে। দিগন্তজোড়া হাওরের বুকে সবুজের চাষাবাদ। হাওর এলাকার একমাত্র ফসল হওয়ায় এটার ওপর নির্ভরশীল কৃষকরা। সঠিক সময়ে বীজ ও সার পাওয়াতে হাওরের যে সব জায়গায় কোন আবাদ হত না এবার সে সব জায়গায় বোরো আবাদ হচ্ছে। শ্রমিক ও ডিজেলের চড়া দাম সহ নানা সংকট মাথায় নিয়েই শীতের কনকনে ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা।

আমন ধানের মতো বোরো ধানেও যাতে ভালো দাম পাওয়া যায়-এমন প্রত্যাশা তাদের। বলে জানান স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।

সরকারের পক্ষ থেকে সার ও বীজ পাওয়াতে কাউয়াদিঘি এলাকায় ব্যাপক বোরো চাষ বাড়ছে বলে জানান, মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরের ফতেপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশ।

একইসাথে বিনামুল্যে কৃষকদেরকে বীজ দেওয়াতে বোরো চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে জানান মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী।

চলতি বছর হাওর অধ্যুষিত এ জেলার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫শত ৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৭০২ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ২:৫১ অপরাহ্ন
মুশুদ্দি কৃষকদের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

কঠোর প্ররিশ্রম করে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদ করে সাবলম্বি হয়েছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের সবজি চাষীরা। এ গ্রামটি এখন ‘বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁরা এখন স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছেন। হয়েছে অর্থকুড়ি, বাড়িঘর ও দালান। সবজি আবাদই এমন ভাগ্যের পরিবর্তন এনে দিয়েছে ওই এলাকার কৃষকদের। বছরজুড়ে আবাদি জমিতে বিভিন্ন রকমের সবজি আবাদ করে এমন ভ্যাগের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন তারা। ভালো মানের সবজি আবাদ হওয়ায় উপজেলার পাশাপাশি জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এই বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানায়, উপজেলায় ৫৫০ হোক্টর সবজি আবাদ হয়েছে। শুধু মুশুদ্দি ইউনিয়নে ১০৩ হোক্টর। সবজি আবাদের জন্য নারী ও পুরুষরা মাঠে সমানভাবে কাজ করে। প্রণোদনা, পরামর্শ ও বিভিন্ন প্রদর্শনীতে কৃষকদের আগ্রহতে বেড়েই চলছে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামটি সবজি প্রধান এলাকা। এই এলাকার কৃষকরা সবজি আবাদের পাশাপাশি কিছু জমিতে ধানও চাষ করে। বছর জুড়েই লাউ, মিষ্টি কুমড়া, করলা, শিম, শসা, চিচিংগা, রবরটি, ঢেঁড়স, পুইশাক, লাউশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ বিভিন্ন রকমে সবজি পর্যায়ক্রমে একের পর এক আবাদ হচ্ছে। দেশের ১০টি মডেল সবজির গ্রামের মধ্যে মুশুদ্দি একটি। রাসায়ানিক সারের পরিবর্তে জৈব সার দিয়ে আবাদ করা হয়ে এই সবজি। পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেক্স ফেরোমিও ও আলোর ফাঁদ। কম্পোষ্ট ও জৈব সার ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠছে সবজি গাছ।

কামাড়পাড়া গ্রামের কৃষক রাজ্জাক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জাতের সবিজ একের পর এক আবাদ করে আসছি। এই মৌসুমে ৭৫ শতাংশ জমিতে শিম, লাউ, বেগুন, করলা ও পটল আবাদ করেছি। সব খরচ বাদে প্রতি বছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় থাকে।

সবজি চাষী হারুন বলেন, শুধু আমিই না, আমার মতো যারা সবজি আবাদ করে সবারই ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। এক সময় আমরা এই এলাকায় শুধু ধান চাষ করতাম। ধান চাষের চেয়ে সবজি আবাদে পাঁচ গুণ লাভ। কৃষক আসাদ বলেন, বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদ করে আমার ভাগ্যের পরির্বতন হয়েছে। এক সময় অনেক কষ্টে দিন পার করতাম। শুধু আমি না ইউনিয়নের শতশত কৃষক এখন স্বাবলম্বী। কৃষকদল গঠন করে এখানে সবজি আবাদ করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষ অফিস থেকে কর্মকর্তরা মাঠে এসে সব পরামর্শ দিচ্ছে। এখন আমরা অনেক খুশি।

সবজির আড়তদার আব্দুল কাদের বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে মুশুদ্দি বাজারে থেকে সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে বিষ ও রাসায়নিক সারমুক্ত সবজি ক্রয় করে পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাঠাই।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া বলেন, ‘ মুশুদ্দি ইউনিয়নটি মূলত সবজি প্রধান এলাকা। এই এলাকায় কৃষকরা বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করে থাকে। আমরা মাঠে গিয়ে সব সময় তাদের পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি। এই এলাকায় বর্তমানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি আবাদ করছেন কৃষকরা।’

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম জানান, মুশুদ্দি ইউনিয়নের সব সবজি চাষীদের কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের পরামর্শ ও প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। সবজি চাষে ওই এলাকার মাটি খুবই উর্বর এবং উপযোগী। তাই কৃষকরা সবজি আবাদে খুবই আগ্রহী। বর্তমানে গ্রামটি এখন ‘বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সবজি আবাদ করে মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষকরা এখন লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ১:৪৮ অপরাহ্ন
বিপর্যয়ের মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভূ-প্রকৃতি
কৃষি বিভাগ

যান্ত্রিক উপায়ে অপরিকল্পিতভাবে পানি উত্তোলনের কারণে ধীরে-ধীরে নিম্নমুখী হচ্ছে পানির স্তর। ভু-গর্ভের বহুস্তরের মাটি কেটেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উঁচু এলাকাগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না খাবার পানি। পাশাপাশি সেচের পানিরও অভাব দেখা দিয়েছে।

এ কারণে বরেন্দ্র এলাকাখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরসহ জেলার নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট এবং শিবগঞ্জ উপজেলার এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে পানির জন্য মানুষের হাহাকার যেন নিত্যসঙ্গী।

স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভাষ্য মতে, অপরিকল্পিত নলকূপ স্থাপন করে লাগামহীন পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক মেশিনে মাটির গভীরে গিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না ব্যবহারযোগ্য পানি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোলাহাট উপজেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ দিতে না পারায় ফাটল ধরেছে জমিতে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গত বছরের চেয়ে আরও নিচে নেমে যাওয়ায় শ্যালো মেশিনে উঠছে না পানি। ড্রামে পানি নিয়ে এসে ধানে স্প্রে করছেন কৃষক।

পশু-পাখির কল-কাকলীতে ভরে থাকতো ভাতিয়ার বিল। কিন্তু হারিয়ে গেছে সেই সৌন্দর্য্য। চেনার উপায় নেই বিল ভাতিয়াকে। পানির অভাবে যৌবন-যৌলুষ কিছুই নেই। যেখানে থৈ-থৈ পানিতে ফুটে থাকতো পদ্ম। হাজার হাজার মানুষ সেই সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসতেন, সে জায়গাতে আজ এক চিলতে পানিও নেই। প্রচণ্ড দাবদাহে মাটি ফেটে বিলের চারদিক হাহাকার করছে। শুকনা বিলের কোথাও ঘাস নেই।

বিলভাতিয়া মাঠে আসা কৃষক সহিমুদ্দিন জানান, ‘ভাই ত্যাতে পানি ন্যাই। ফলে পদ্মচাক্কা, শাপলা, শালুক, চাকা, মাখনা সিংগারা, ভ্যাটসহ নানা প্রকার জলজ উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।’

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ভোলাহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালিউর রহমান জানান, দিনের পর দিন মানুষ মাটি কেটে বিল ভরাট, আবাদি জমি তৈরি এবং স্লুইচ গেট দিয়ে ইচ্ছে মত পানি বের করার কারণে বিলভাতি পানি শূন্য হয়ে গেছে। সরকার যদি প্রকল্প গ্রহণ করে দীঘি তৈরি করে তাহলে পানি সংরক্ষিত হবে, কৃষি, জলজ উদ্ভিদ ও দেশী মাছ পাওয়া যাবে, জানান তিনি।

ভোলাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খান জানান, ‘জলজ উদ্ভিদ ফিরে পেতে হলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল-বিলভাতিয়ার উপর সরকারকে ব্যাপক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। খনন করে পানি ধরে রাখলে জলজ উদ্ভিদকে বাঁচানো যাবে। সেই সাথে কৃষি-ফসল উৎপাদনে কৃষকের পানির সমস্যা হবে না। সব চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, ভারসাম্য আসবে স্থানীয় প্রাকৃতিক পরিবেশে।’

প্রকৃতির বিরুপ প্রভাব শুধু ভোলাহাটের বিলভাতিয়া বিলেই নয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মার শাখা নদী পাগলা সরু নালায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানালেন, বিপর্যস্ত প্রকৃতির বৈরিতায় পাগলা এখন মরা নদী, সরু নালা। দূর-দূরান্তের কৃষিজীবীরা ভারী মেশিনের সাহায্যে পাগলা নদী থেকে পানি নিয়ে যায় আবাদী জমিতে। এর বিরুপ প্রভাব পরেছে পাগলা নদীতে, দাবি এই কর্মকর্তার।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে উঁচু ভূমির বরেন্দ্র এলাকায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রেজা জানান, তার এলাকাটি আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকা। পানির সঙ্গে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা দশমিক পাঁচ কিন্তু রানীহাটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় আর্সেনিকের মাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে।

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বরেন্দ্র এলাকায় বসানো হয়েছে গভীর নলকূপ। এর কারণে সেচ নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষক। যার বিরূপ প্রভাব পড়েছে প্রকৃতিতেও।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
বরিশালের উজিরপুরে বোরো চাষিদের মাঝে ব্রির সার বিতরণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বোরো চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার বিতরণ উদ্ভোধন করা হয়েছে। সোমবার
উজিরপুরে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণকক্ষে ব্রির উদ্যোগে এই বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

তিনি বলেন, ধানের সর্বোচ্চ ফলন পেতে নতুন জাত সম্প্রসারণ করা জরুরি। তাই বীজউদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে এসব জাত কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সহজ হবে। তাহলেই বরিশাল অঞ্চলে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে ধানচাষির জীবনমান হবে উন্নত।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ, ব্রির ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. প্রিয়লাল বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রশান্ত হাওলাদার প্রমুখ। পরে বাবুগঞ্জে একই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

ব্রির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন জানান, চলতি বোরো মৌসুমে তালিকাভূক্ত কৃষকের ৪ হাজার বিঘারও অধিক জমির মধ্যে ১ হাজার ৩ শ’ ৫০ বিঘার জন্য বিঘাপ্রতি ইউরিয়া ১ শ’ ২০ কেজি, ডিএপি ৪০ কেজি, এমওপি ৬৫ কেজি, জিপসাম ৪৫ কেজি এবং জিংক ৩ কেজি হারে সার বিতরণ চলমান আছে। ইতোমধ্যেই তাদের চাহিদামতো যেসব ধানবীজ দেওয়া হয়েছে, তা হলো- ব্রি হাইব্রিড ধান৩, ব্রি হাইব্রিড ধান ৫, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮৯ এবং ব্রি ধান৯২। তবে বাকি কৃষকরা কেবল বীজ সহায়তা পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১:৫৯ অপরাহ্ন
ভাসমান কৃষি দুইশ’ বছরের পুরনো- কৃষি সচিব
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভাসমান কৃষি দুইশ’ বছরের পুরনো। এই ঐতিহ্য আমাদের ধরে রাখতে হবে। ভাসমান ধাপের সবজি পুরোটাই নিরাপদ। তাই এর উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। আর বিজ্ঞানী এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই তা সম্ভব।

২১ জানুয়ারি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ভাসমান বেডে শীতকালিন সবজি উৎপাদনের আধুনিক কৌশল বিষয়ক মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহ এবং তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং ফরিদপুরের অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মনোজিত কুমার মল্লিক, বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, খুলনার আঞ্চলিক বেতার কৃষি অফিসার শারমিনা শামীম প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথি বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তার সফরসঙ্গি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ, পিরোজপুরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী চঞ্চল কুমার মিস্ত্রী, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতিহা পাঠ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১:৪৩ অপরাহ্ন
হাইব্রিড লাউ চাষে সাফল্য
কৃষি বিভাগ

অধিক ফলনশীল জাতের হাইব্রিড লাউ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন মৌলভীবাজারের এক কৃষক। সুলতানা নামের এই লাউ চাষে তার সফলতা এলাকার অনেক কৃষককে উৎসাহিত করেছে। আর  কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছে জেলার কৃষি বিভাগ।

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার বনগাঁও গ্রামের কৃষক ইমাম হোসেন তার ৩৩ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘সুলতানা’ জাতের হাইব্রিড লাউ চাষ করেন।  মাত্র ৫৫ দিনের মাথায় গাছে লাউ আসা শুরু করে। তার জমিতে এখন সারি সারি গাছে ঝুলছে লাউ।

হাইব্রিড লাউগুলোর ওজন হয় ৩ থেকে ৪ কেজি। টানা তিন মাস গাছে লাউ মিলে। ইমাম হোসেন জানালেন, তার লাউ চাষে খরচ হয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাকা। এখন প্রতি পিস লাউ বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

তার দেখাদেখি এই লাউ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এলাকার অনেক কৃষক। অল্প জায়গা এই জাতের লাউ চাষ করে কৃষকরা অধিক লাভবান হতে পারবে বলে জানালেন, শ্রীমঙ্গলের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কংকন মল্লিক। লাউ চাষে আগ্রহীদের নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop