২:৫৩ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
ভৈরবে বোরো চাষের ব্যস্ততা
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভৈরবের কৃষকরা। চলছে চারা পরিচর্যা ও রোপণের কাজ। এবছর ভালো ফলন ও কাক্সিক্ষত দাম আশা করছেন চাষিরা।

ভৈরবের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ এখন ধানের চারায় ভরপুর। পুরো মাঠ যেন সবুজের গালিচা। চলছে চারা উত্তোলন, রোপন, সেচ ও সার দেয়ার ব্যস্ততা। এবছর ভৈরবের শ্রী-নগর, আগানগর, সাদেকপুর ও জোয়ানশাহী হাওরের প্রায় ৫ হাজার ৮’শ ৫০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হচ্ছে বোরো ধান।

এবার ধানের দাম বেশি হওয়ায় বোরো চাষে ঝুঁকছে ভৈরবের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।

চাষীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম।

অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত সুবিধা পেলে বোরো চাষ ও ধানের উৎপাদন বাড়বে আশা করছেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ৪:৫৯ অপরাহ্ন
দক্ষ জনবলের অভাবে খাদ্যে ভেজাল বন্ধ হচ্ছে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দক্ষ জনবলের অভাবে খাদ্যে ভেজাল বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার সকালে এফডিসিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ছায়া সংসদের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, খাদ্যের মান ভালো রাখাসহ ভেজাল মুক্ত করতে উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তবে অসংগতি কমাতে সময় আরও প্রয়োজন।’

এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যে ফরমালিন থাকতেই পারে। সঠিক পরিমাণের ফরমালিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না। সেভ ফুড অথরিটি সেটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, দিনমজুরের দাম বাড়ায় যান্ত্রিকীকরণের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। তাই তিন হাজার কোটি টাকা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মানুষের ক্যান্সার হয়েছে সবই যে ভেজাল খাদ্য খেয়ে হয়েছে তা না। যাদের হয়েছে তারা হয়তো তামাক খায় আরও অন্যান্য কারন তারপরও খাদ্যটাকে আমাদের নিরাপদ করতে হবে। নিরাপদ খাদ্যকে সবসময় গুরুত্ব দিতে হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ৪:২০ অপরাহ্ন
শিমের রাজ্যে চাষিদের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

নোয়াখালীর উপকূলীয় উপজেলা সূবর্ণচরে চলতি শীতে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। শত শত হেক্টর জমিতে শুধু শিম আর শিম।যেন শিমের রাজ্য সূবর্ণচর! শিমের ভালো বাজার মূল্য পেয়ে খুশি চাষিরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় শিম চাষ করে এখন হাজারও চাষির মুখে হাসি ফুটেছে।

শীত মৌসুমের অন্যতম প্রধান সবজি শিম। চলতি মৌসুমে নোয়াখালীর শস্যভাণ্ডার খ্যাত সূবর্ণচরের বিস্তীর্ণ মাঠ, জমি ও ঘেরের আইলে সর্জন পদ্ধতিতে মাচায় শিম চাষ করা হয়েছে। উপজেলার মোহাম্মদপুর ও চরকার্ক ইউনিয়নের যেদিকে দৃষ্টি যায়, সেদিকেই সবুজ-বেগুনী রংয়ের শিমের সৌন্দর্য। চলতি মৌসুমের পুরোটা জুড়ে থাকবে শিমের এই আবাদ। যদিও এ পর্যন্ত কয়েক দফা শিমের ফলন তোলা হয়েছে। তবে এখনও ফুল আসায় ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত প্রায় একইরকম ফলন হবে।

এবার সূর্বণচরে কৃষি অফিস থেকে সরবরাহ করা উচ্চ ফলনশীল জাত হইট্রা, বারি শিম, বিইউ শিম, ইপসা শিমসহ দেশীয় জাতের শিমের আবাদ করা হয়েছে। আগে বৃষ্টির পানিতে অথবা শিশিরে ফুল ভিজে শিম পঁচে যেত। বর্তমানে শিমের উন্নত জাত উদ্ভাবনের কারণে ওই সমস্যা নেই, কোনও ধরনের ঝামেলা ছাড়াই চাষ করা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, সূবর্ণচরে চলতি শীত মৌসুমে দুই হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে শিমের চাষ করেছেন সহস্রাধিক চাষি। প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ২৫ টন করে প্রায় পাঁচ হাজার ২৫০ টন শিম উৎপাদন হবে। বর্তমানে বাজারে শিমের ভালো দাম রয়েছে। মাসখানেক আগে শিমের প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০-১২০ টাকায়, এখন তা নেমেছে ৪০-৫০ টাকায়।

কিছুদিন আগেও বাড়ির আঙ্গিনায় সীমিত পরিসরে শিম চাষ করা হতো। এখন চাহিদা বেড়েছে, ফলনও বেড়েছে। ফলে কৃষি বিভাগের পরামর্শে অনাবাদী পতিত জমিকে আবাদী জমিতে রূপান্তরিত করে শিমের আবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয় শিম চাষিরা জানান, সূবর্ণচরের যে চাষি আগে এক একর জমিতে শিমের আবাদ করতেন, এখন তিনি তিন-চার একর জমিতে শিমের আবাদ করছেন। তারা জানান, কৃষি অফিস থেকে পরামর্শের পাশাপাশি সার ও বীজ পাচ্ছেন তারা। আর এবার শিমের ভালো দাম পেয়েছেন। বাকি মৌসুমেও লাভবান হবেন বলে আশা তাদের।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় চাষিরা শিম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলতি মৌসুমে শুধুমাত্র উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নেই ৯০০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। আগামী বছর তা ১২০০-১৫০০ হেক্টর পর্যন্ত বাড়ানের লক্ষ্য রয়েছে। তখন উৎপাদন আরও বাড়বে।

সূবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে সর্জন পদ্ধতিতে শিমের আবাদ হয়েছে। এর সিংহ ভাগ আবাদ হয়েছে চরকার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে। সর্জন পদ্ধতিতে নিচে মাছ, ওপরে মাচায় শিম। দুর্যোগপ্রবণ ও লবণাক্ত এলাকা হওয়ায় চাষিরা জমিগুলোকে চার ফসলি জমিতে রূপান্তর করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কৃষি বান্ধব নীতি ও পরিকল্পনার কারণে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের শিমসহ নানা ধরনের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে। তারা লাভবানও হচ্ছেন। কৃষিতে থেকে অর্জিত আয় দিয়েই তাদের পরিবার চলছে। পড়ালেখা করছে সন্তানরা। সব ব্যয় মিটিয়ে প্রতিবছর তাদের হাতে পুঁজিও থাকছে। এ কারণেই চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ কৃষকের উন্নয়ন হলেই কৃষির উন্নয়ন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ২:১৯ অপরাহ্ন
নওগাঁর বদলগাছীতে বেড়েছে গম চাষ
কৃষি বিভাগ

বদলগাছীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে গম চাষাবাদ হয়েছে। উপজেলার মথুরাপুর, বালুভরা, আধাইপুর, পাহাড়পুর, মিঠাপুর কোলা, বিলাশবাড়ী ও বদলগাছী ইউনিয়নের মাঠে ব্যাপক হারে চাষ করা হয়েছে গম। 

উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের হলুদ বিহার গ্রামের মজিদুল, বাবলুসহ অনেক কৃষক বলেন, বর্তমান ফসল উত্তোলনের সময় বাজারে ধানের দাম কম থাকায় ধান উৎপাদন করে খরচের টাকা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে ধানের থেকে গমের দাম বেশি থাকায় ও গম চাষে কম খরচ করে লাভ অনেক বেশি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা গম চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

আধাইপুর ইউনিয়নের কৃষক ইউনুছার রহমান বলেন, বদলগাছী কৃষি অধিদপ্তর থেকে এলাকার কৃষকদের গম চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ সভা করছে। বাজারে ধানের দাম অনেক কম। ফলে এলাকায় এবার গম চাষাবাদ অনেক বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮৬০ হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ৯০০ হেক্টর।

বদলগাছী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, গম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। গম চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের নিয়ে কৃষি অধিদপ্তর থেকে উদ্বুদ্ধকরণ সভা চালিয়ে যাচ্ছি। চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গমের বাম্পার ফলন হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১:৩৯ অপরাহ্ন
মাটির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মাটির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত ও বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতে উন্নতদেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে জোরালো কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তাদেরকে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ‘বার্লিন কৃষিমন্ত্রীদের সম্মেলনে’তিনি এ সব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এ সম্মেলনে যোগ দেন।  জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারের (বিএমইএল) আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী (২৪-২৮ জানুয়ারি) ১৪তম ‘গ্লোবাল ফোরাম ফর ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার (জিএফএফএ)’ এর শেষ দিনে কৃষিমন্ত্রীদের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। করোনার  কারণে এবার ভার্চুয়ালি কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সম্মেলনে বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশের কৃষিমন্ত্রী ও ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা  অংশগ্রহণ করেন।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বাংলাদেশে মাটির টেকসই ব্যবহারের নানা চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই ব্যবহার অনেক চ্যালেঞ্জিং। ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা মেটাতে মাটির অতিরিক্ত ব্যবহার, মাটির অবক্ষয়, দূষণ, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, মাটির পুষ্টি উপাদানের অবক্ষয়, মাটি ক্ষয় প্রভৃতি সমস্যা রয়েছে। তাছাড়া, নগরায়ন, শিল্পায়নসহ নানা কারণে বছরে কৃষি জমি কমছে ০. ৪৩ শতাংশ হারে। বাংলাদেশ সরকার মাটির টেকসই ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

সম্মেলনে জার্মান ফেডারেল মিনিস্টার অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অজদেমির, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক ইইউ কমিশনার জানুস্জ উজসিচোস্কি, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার উপমহাপরিচালক জ্যাঁ মেরি পগাম  ও বিভিন্ন দেশের কৃষিমন্ত্রীরা বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের জানান হয়, বৈশ্বিক খাদ্য উৎপাদনের ৭০ শতাংশ মাটির উপর নির্ভরশীল। সারা বিশ্বের মাটিই আজ হুমকির সম্মুখীন। নগরায়ন, শিল্পায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, জমির উৎপাদনশীলতা হ্রাস, দূষণ, লবণাক্ততা, মরুকরণ নানা কারণে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে বেশি জমি প্রয়োজন, কারণ খাদ্য চাহিদা বাড়ছে। এ বিষয়কে সামনে রেখে গত পাঁচ দিনে বিভিন্ন দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা একটি ‘যৌথ ইশতেহার’ প্রস্তুত করেন। মাটির টেকসই ব্যবহার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌথ ইশতেহারে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ২৯টি বিষয়ে (কল ফর অ্যাকশন) একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সম্মেলনে ৪টা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আলোচনা ও করণীয় নির্ধারিত হয়। প্রথমত, মাটির অবক্ষয়রোধ করণীয়। মৃত্তিকার গুণাগুণ ও বাস্তুতন্ত্রকে কীভাবে রক্ষা করা যায়। কারণ, এক-তৃতীয়াংশ প্রজাতি মাটির নিচে বসবাস করে।

দ্বিতীয়ত, অবক্ষয়সাধিত মাটির উন্নয়ন। এফএওর হিসেবে ইতোমধ্যে  বিশ্বের ৩৩ শতাংশ মাটি অবক্ষয় সাধিত/ডিগ্রেডেড হয়েছে, যা উদ্বেগজনক। কারণ, ১০ সেমি মাটির উন্নয়ন করতে প্রায় ২০০০ বছর লাগে। এছাড়া, মাটির অবক্ষয়ের কারণে আগামী ২৫ বছরে খাদ্যর দাম ৩০ বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে।

তৃতীয়ত, সীমিত জমির টেকসই ব্যবহার ও কৃষি জমিকে কীভাবে রক্ষা করা যায়।

চতুর্থত, কৃষকেরা কীভাবে জমির মালিকানা পেতে পারে। প্রকৃত কৃষকের নিকট জমির মালিকানা থাকলেই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব হবে। অথচ, ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ৫ বছরে বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন মানুষ তাদের নিজস্ব জমি থেকে মালিকানা হারাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১:০৭ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে পেঁয়াজ চাষে কৃষকের মাঝে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে
কৃষি বিভাগ

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে ২০২১-২২ রবি ফসল চাষ মৌসুমে ৮৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। পেঁয়াজ লাগানোর কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে।

বিগত বছর গুলোতে পেঁয়াজ চাষে তেমন আগ্রহ না থাকলেও বর্তমান সময়ে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া ও বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ার কারনে কৃষকদের মাঝে পেয়াঁজ চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জয়পুরহাট জেলায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৯৯৫ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৮৪৫ হেক্টর, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এক হাজার ২০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯ শ হেক্টর, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৯২০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯শ হেক্টর, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৯ শ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯১০ হেক্টর, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৯১০ হেক্টর লক্ষ্যমার বিপরীতে চাষ হয়েছে ৯৩০ হেক্টরে, ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৯৩০ হেক্টরের বিপরীতে চাষ হয়েছে ৯৩৫ হেক্টর এবং চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৯০০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বুধবার পর্যন্ত চাষ হয়েছে ৮৫০ হেক্টর।

চলতি মৌসুমের চারা পেঁয়াজের রোপণ কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে বলে জানায়, কৃষি বিভাগ ।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে জেলায় এবার পেঁয়াজ চাষ সফল করতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: কায়ছার ইকবাল বলেন, বাজারে এবার পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঠ পর্যায়ে র্কষকদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১২:৩০ অপরাহ্ন
এক জমিতেই ১১ ফসল
কৃষি বিভাগ

একই জমিতে ১১ প্রকারের ফসল চাষ করে এলাকাজুড়ে চমক সৃষ্টি করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বারঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা কৃষক আমিরুল ইসলাম।

জানা যায়, বছর দু’য়েক আগে নিজ জমিতে মাল্টার গাছ লাগিয়েছেন আমিরুল ইসলাম। গাছগুলোর ফাঁকা অংশগুলোতে গম, লাউ, আলু, মরিচ, পেয়াজ ও শিমসহ ১১ প্রকারের ফসল চাষ করে লাভবান হয়েছেন তিনি। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে৷

আমিরুল ইসলাম বলেন, কৃষি অফিসের আওতায় তিনি দুই বছর আগে তিন বিঘা জমিতে মাল্টার বাগান করেন।

বাগানে ফাঁকা জায়গা গুলোতে গম, আলু, শিম, লাউ, পেয়াজ মরিচসহ ১১টি ফসল আবাদ করেন। একসাথে ১১টি ফসল পেয়ে অনেকটা লাভবান হয়েছেন বলে জানান তিনি।

রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ জানান, লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ ও ব্যবস্থাপনার আওতাধীন আমরা কৃষক আমিরুল ইসলাম মাল্টা বাগান করার জন্য ১২০টি চারা দিয়েছিলাম। আর একই জমিতে কিভাবে ১১টি ফসল পাওয়া যায় সে বিষয়ে কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
টিউলিপ ফুলে নতুন সম্ভাবনা
কৃষি বিভাগ

হিমালয় কন্যা খ্যাত পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় চাষ হচ্ছে শীতপ্রধান দেশের ফুল টিউলিপ এর। হাজারো ফুলে ছেয়ে আছে বাগান। খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার। চাষীরা বলছেন, টিউলিপ ফুলের চাষ করে ভালো লাভের প্রত্যাশা করছেন তারা। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও জানালেন, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে এই ফুল চাষের। 

শীত প্রধান দেশের বসন্তকালীন ফুল হিসেবে পরিচিত টিউলিপ এবার ফুটেছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়ায়। পরীক্ষামূলকভাবে ভিনদেশি এই ফুল চাষ করছেন জেলার ৮জন ক্ষুদ্র চাষি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪০ শতক জমিতে ৬ প্রজাতির ৪০ হাজার টিউলিপের বীজ বপন করা হয়। বর্তমানে ফুল ফোটা শুরু হয়েছে। বেগুণী রঙ সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে বাগানজুড়ে । চাষীরা বলছেন, এই ফুল চাষে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অনেক।

টিউলিপের এই বিশাল বাগান দেখতে প্রতিদিনই ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা। ভিনদেশি এই ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ তারা।

পল্লি কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় চাষিদের মাধ্যমে এই টিউলিপ উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোস্যাল ডেভলেপমেন্ট অর্গানাইজেশন। সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানালেন, ফুলের বাজারজাতকরণেও তারা সহযোগিতা করবেন।

তেতুলিয়ায় টিউলিপ চাষের বেশ সম্ভাবনা দেখছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। তিনি বললেন, এই ফুলের বাণিজ্যিক সম্ভবনা নিয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন।

তিনি জানালেন, টিউলিপ চাষে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
বান্দরবানের পাহাড়ে চাষ হচ্ছে কফি
কৃষি বিভাগ

পাহাড়ি জেলা বান্দরবানে চাষ হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় কফি। পাহাড়ের আবহাওয়া আর মাটি কফি চাষের উপযোগী হওয়ায় এখন অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে ঝুঁকছেন কফি চাষে, পাচ্ছেন সফলতাও।

চা এর পরপরই কফির চাহিদা। সেই কফি চাষ হচ্ছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। জেলার সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের চিম্বুক ওয়াইজংশন পাহাড়ে মেনয়াং ম্রো নামে এক স্কুলশিক্ষক চাষ করছেন অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি, এতে তিনি পাচ্ছেন সফলতাও।

কফি চাষি মেনয়াং ম্রো জানান, সঠিকভাবে কফি চাষ করতে পারলে ভালো ফলন হয় আর বিক্রি করে লাভবান হওয়া যায়।

তিনি বলেন, শুরুতে আমি এক হাজার ২০০ গাছ লাগালেও এখন তিন একর জমিতে প্রায় তিন হাজার কফির গাছ রোপণ করেছি। শুস্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পেলে এ কফির চারার সঠিক যত্ন নেওয়া যায় আর এতে ফলন ভালো হয়, দাম পাওয়া যায় বেশি।

কফি চাষি মেনয়াং ম্রো  বলেন, বান্দরবানের চাহিদা ও দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ কফি এক সময় দেশের বাইরেও রপ্তানি হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

মেনয়াং ম্রোর সাফল্যের সংবাদে এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কফি চাষে। এরই মধ্যে জেলার চিম্বুক পাহাড়, লাইমি পাড়া, ফারুক পাড়া, কুহালং, রোয়াংছড়ি, নাইক্ষ্যংছড়িসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে কফি চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকেই। চিম্বুক পাহাড়ে এখন কফি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্নে জাল বুনে চলেছেন বাগান চাষি ঙুই ইন ম্রো, ইয়াঙ সম ম্রো, রুম ক্লাম ম্রো, মেন রুম ম্রো, রেন নক ম্রোসহ অনেক চাষি।

চিম্বুকের কফি চাষি রুম ক্লাম ম্রো বলেন, মেনয়াং ম্রো যখন কফির চারা লাগালেন, তখন আমরা তাকে নিষেধ করেছি লাগাতে, পরে যখন দেখি, তার বাগানে ভালো ফলন হয়েছে, তখনই তার দেখাদেখি আমরা বেশ কয়েকজন কফির চারা লাগালাম।

রুম ক্লাম ম্রো আরো বলেন, বান্দরবারের পাহাড়ের মাটি আর আবহাওয়া কফি চাষ করার জন্য উপযুক্ত আর যদি আমরা সঠিক পরিচর্যা করতে পারি, তবে প্রচুর কফি উৎপাদন হবে। আর এর ভালো দাম পাওয়া সম্ভব হবে।

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ২০১০ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয় কফি চাষ, আর তাতে দিনে দিনে সফলতা আসায় একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কৃষি কর্মকর্তারা।

বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানান, বান্দরবানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কফি চাষ বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের চারা, সার ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শুকানোর পর প্রতি কেজি কফি ৩২০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় আর এতে কৃষকরা ভালোই লাভবান হন।

তিনি আরও জানান, ঢাকার কফি ক্রয়-বিক্রয় প্রতিষ্ঠান নর্থএন্ড কোম্পানি বান্দরবানের এ কফি সংগ্রহ করে। ফলে দুর্গম পাহাড়ে চাষিদের উৎপাদিত কফি বিক্রিতে তেমন কোনো সমস্যাই হয় না।

বান্দরবান সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক আরও জানান, বান্দরবানের আবহাওয়া জলবায়ু মাটি ভালো হওয়ায় এখানকার বেশিরভাগ জায়গাই কফি চাষের উপযোগী। আর কৃষকদের আগ্রহ দেখে কৃষি বিভাগও তাদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গেল বছর বান্দরবানে ১৩৮ হেক্টর জমিতে কফির আবাদ হয়েছিল আর উৎপাদন হয়েছিল ২৬ মেট্রিক টন। আর এ বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে আবাদের বিপরীতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৮ মেট্রিক টন। জেলায় কফি চাষের সঙ্গে জড়িত আছেন প্রায় ছয়শ’ চাষি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ৪:১৩ অপরাহ্ন
মোরেলগঞ্জে ফসলি জমিতে লবণাক্ত পানি, উৎপাদন হ্রাস
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমিতে খালের পানি ঢুকে লবণাক্ততার কারণে দুই ইউনিয়নের ৪০০ একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। নিরুৎসাহিত হচ্ছে চাষাবাদ থেকে।

সরেজমিনে জানা গেছে, প্রমত্তা পানগুছি নদীর সংযোগ বহরবুনিয়ার সূর্যমুখী খালের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ খালের ত্রি-মোহনা থেকে লবণাক্ত পানি ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে। এ লবণাক্ততার কারণে বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ৩০০ একর ও বারইখালী ইউনিয়নের ১০০ একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন ব্যাপকহারে হ্রাস পেয়েছে।

এ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাহাদুর খান জানান, খালের ভাঙনের ফলে জমিতে পানি ঢুকে লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে ফসলের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। ইতোপূর্বে যে জমিতে ২০ মণ ধান উৎপাদিত হতো সে জমিতে পাঁচ-আট মণ ধান উৎপাদিত হচ্ছে। অনেক জমিতে ধানই হয়নি।

অপরদিকে ত্রি-মোহনার খালে ভাঙনে দুই পাড়ের কমপক্ষে ১০টি বাড়ি বিলীন হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ জানান, ত্রি-মোহনার আনন্দ খাল ভেঙে বহরবুনিয়ার ৩০০ একর ও বারইখালী ইউনিয়নের ১০০ একর ফসলি জমির ক্ষতি হচ্ছে।

ইউপি চেয়ারম্যান রিপন হোসেন তালুকদার জানান, লবণাক্ততা ঠেকাতে এলাকাবাসীর সহায়তার খালে বাঁধ দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে এ খালে স্থায়ীভাবে কালভার্ট কাম স্লুইস গেট নির্মাণ করা একান্ত জরুরি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কৃষ্ণেন্দু বিকাশ সরকার বলেন, স্লুইস গেট নির্মাণের মাধ্যমে এ সমস্যার নিরসন হতে পারে। তবে এটা একটা দাপ্তরিক প্রক্রিয়া।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop