৬:৩৯ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১:৩৬ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় জয়পুরহাট জেলায় ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বাসস’কে জানায়, জেলায় এবার সরিষা চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমি। যার মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৫ শ হেক্টর, পাঁচবিবি উপজেলায় ৪ হাজার ৬ শ ৩০ হেক্টর, আক্কেলপুর উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর, ক্ষেতলাল উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর এবং কালাই উপজেলায় ৫শ ২০ হেক্টর। এতে সরিষার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ২৩ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে সরিষা চাষ ১০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় সরিষা চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও উন্নতমানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১২:২১ অপরাহ্ন
মাগুরায় বৃষ্টিতে ফসল নষ্টে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টিতে সাড়ে তিন হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরও প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা দেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিতে মাগুরায় তলিয়ে যায় ধান, মসুর ডাল, সরিষা, পেঁয়াজ, সবজিসহ নানা ধরনের ফসলের ক্ষেত। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, ৪ উপজেলার ৩ হাজার ৫১০হেক্টর জমির ফসল বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে। আংশিক নষ্ট হয়েছে আরো ২২হাজার ৮১৬ হেক্টর জমির ফসল।

ঋণ নিয়ে জমি চাষ করে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছেন সহায়তা।

এদিকে, সরকারি সহায়তা দেয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হয়েছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হায়াত মাহমুদ।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে মাগুরায় ৮৬ হাজার কৃষকের ৫০ কোটি টাকার ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরে আবাদ হচ্ছে বারোমাসি পেঁয়াজ বীজ
কৃষি বিভাগ

দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই প্রথমবারের মত ফরিদপুরে শুরু হয়েছে গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ বীজের চাষ। ফরিদপুরের উৎপাদিত বীজ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানালেন চাষিরা। আর কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বললেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।

দেশের পেঁয়াজ বীজের চাহিদার ৭০ ভাগ উৎপাদিত হয় ফরিদপুরে। আর এ জেলার পেঁয়াজ বীজের সুখ্যাতিও দেশজুড়ে। উৎপানর বাড়াতে প্রতি বছর নানা উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রথমবারের মত এবছর ফরিদপুরে গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ বীজের চাষ হচ্ছে।

আকারে বড় এবং কম পচনশীল গ্রীষ্মকালীন বারি-৫ জাতের পেঁয়াজ সারা বছরই চাষ করা যাবে। শনিবার জেলা সদরের অম্বিকাপুর মাঠে আদর্শ কৃষাণী শাহীদা বেগমের জমিতে এই বীজ বপনের উদ্বোধন করা হয়। শাহীদা বেগমসহ কৃষকরা জানান সারা বছর চাষযোগ্য এ বীজ আগামীতে সারা দেশে সরবরাহ করা হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল জানান, এ জাতের পেঁয়াজের আবাদ বাড়লে ভবিষ্যতে আর পেঁয়াজ আমদানির প্রয়োজন হবে না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মনোজিত কুমার মল্লিক, উপ-পরিচালক হজরত আলীসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১:২২ অপরাহ্ন
হিলিতে তীব্র শীত, রবিশস্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তীব্র শীত অব্যাহত রয়েছে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা ঝরছে। সেই সঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশায় গম ও সরিষার আবাদ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন কৃষকরা।

হিলির দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমান বলেন, শীত আর কুয়াশায় গমের আবাদ নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছি। শীতের কারণে গমের গাছ বাড়ছে না। কয়েকদিন আগেও যেমন ছিল এখনও তেমন আছে। রস না থাকায় গাছ একেবারে ঝিম ধরে আছে। শীতের কারণে গমে লাল বর্ণের একটি রোগ আসে, যেটা নিয়ন্ত্রণে ওষধ স্প্রে করতে হয়। এতে খরচ একটু বেশি। তবে শীত গেলে ঠিকমতো রোদ ও বাতাস পেলে এগুলো কেটে যাবে।

একই গ্রামের কৃষক সুজন হোসেন বলেন, পরে বোনা সরিষার ফলনে সমস্যা হতে পারে। গাছগুলো হলুদ হয়ে যাবে। অনেক গাছ মারাও যাবে। ঠিকমতো ফলন হবে না। শীতের কারণে রবিশস্য আবাদ করে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, যে কুয়াশা পড়ছে তাতে তীব্রতা সেরকম নেই। ফসলের তেমন কোনও সমস্যা হবে না। তবে এরপর যদি আরও বেশি কুয়াশা ঝরে তাহলে আলুর সমস্যা হতে পারে। গম শীতের ফসল আর সরিষার কোনও সমস্যা হবে না।

আবহাওয়া অধিদফতর দিনাজপুরের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনাজপুর অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক শূন্য ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯০ শতাংশ, গতিবেগ ঘণ্টায় ৩-৪ কিলোমিটার, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যা ৮-১২ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়িতে কারখানায় তৈরি হচ্ছে জৈব সার
কৃষি বিভাগ

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় প্রথমবারের মতো কারখানায় তৈরি হচ্ছে জৈব সার। দৈনিক ১০ টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও এখনও বাজারজাতকরণ শুরু হয়নি। পুরোদমে উৎপাদন শুরু হলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমবে, এলাকায় নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে- এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে ফাতেমা নগর এলাকায় পাহাড়ের ওপর তৈরি করা হয়েছে জৈব সার কারখানা। বিভিন্ন এলাকায় জৈব সার তৈরি করা হলেও বাণিজ্যিকভাবে এই প্রথম উৎপাদন করছে শিবলী ফার্মস নামে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক ট্যাংকি রয়েছে। গোবর, লতাপাতাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে জৈব সার তৈরি করা হয়। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘খাগড়াছড়ি জৈব সার’।

শিবলী ফার্মস এর ব্যবস্থাপক আমজাত হোসেন মজুমদার বলেন, এখানে গোবর ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া আমাদের ৫০ একরের মত বাগান আছে যার লতাপাতা ও পরিত্যক্ত জিনিসও দিচ্ছি। সঙ্গে আমরা ট্রাইকোডার্মা দিচ্ছি। মাটিত যে কোন জিনিসকে দ্রুত পচিয়ে ফেলে।

দৈনিক ১০ টন সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও পরীক্ষামূলকভাবে তিন টন উৎপাদন করা হচ্ছে। কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের।

সারের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে। অনুমোদন পেলেই শুরু হবে বাজারজাতকরণ।

শিবলী ফামর্স এর সুপারভাইজার আওয়াল হোসেন জানান, শ্রমিক যারা আছে তাদের দেখিয়ে দেই। আর আমাদের বাগানেও এই জৈব সারটা ব্যবহার করি। এটা চাষিদের কাছে গেলে অনেক ভালো হবে।

এই জৈব সার বাজারে আসলে কৃষকদের রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরশীলতা কমে আসবে বলে আশাবাদ কৃষি বিভাগের।

খাগড়াছড়ির পানছড়ির কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পানছড়ি উপজেলায় এটা বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। আর কৃষি এবং কৃষকের জন্য একটা ভালো সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
যমুনার চরে মরিচ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার যমুনা চরে এবার দেশীয় মরিচ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। হাইব্রিড জাতের মরিচ রোগ বালাই বেশি থাকায় গত কয়েক মৌসুমে কাঙ্খিত ফলন পাননি তারা। তবে কৃষকরা বলেছেন এবার ফলন ভালো হলেও দাম একেবারেই কম। এতে উৎপাদন খরচের উঠবে কিনা তা নিয়েই সংশয়ে রয়েছে তারা।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনটের চরগুলোতে মরিচের ভালো আবাদ হয়। গত দুই বছর চরাঞ্চলে চাষীরা হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষ করলেও এবার দেশি জাতের মরিচ চাষে ঝুঁকছে।

কৃষি বিভাগ বলছে এবার জেলায় ৭ হাজার একশো হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ করা হয়। এবছর উৎপাদন ভালো হয়েছে।

কৃষকরা জানান, গত বছর পাইকারি বাজারে মরিচ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। এবার সেই মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে।

মরিচ চাষে কৃষকদের কৃষি বিভাগ সব রকম সহায়তা করছে বলে জানান বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ দুলাল হোসেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ৩:৫৮ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে রবি মৌসুমে ফসল চাষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ
কৃষি বিভাগ

কৃষি উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি রবি ২০২১-২২ মৌসুমে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে ব্যাপক কর্মসূিচ গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে জেলায় ৬১ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসল চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফসল গুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ৫ হাজার ৭ হেক্টর, মরিচ ৩২০ হেক্টর, মাসকলাই ২৯০ হেক্টর, খেসারী ২০ হেক্টর, মটর ৩০ হেক্টর, মসুর ২২০ হেক্টর, পেঁয়াজ ৯০০ হেক্টর, রসুন ৩০০ হেক্টর, ধনিয়া ৩০ হেক্টর, আলু ৪০ হাজার ৩৫০ হেক্টর, মিষ্টি আলু ১৭৫ হেক্টর, গম ২ হাজার ৩৫০ হেক্টর, সরিষা ১১ হাজার ৫০ হেক্টর, ভূট্টা ৮০০ হেক্টর ও তিল ৪০ হেক্টর। এ সব ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন।

কৃষি বিভাগ জানায়, এসব ফসল চাষ সফল করতে জেলায় সারের মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে। নভেম্বর মাসের মজুদ সারের পরিমান ছিল ইঊরিয়া ৪ হাজার ১৯০ মেট্রিক. টন, টিএসপি ১ হাজার ৯১ মে.টন, এমওপি ১ হাজার ৫৯৩ মেট্রিক টন ও ডিএপি ৩ হাজার ১১৯ মেট্রিক টন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের বিভিন্ন ধরনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের ফলে রাসায়নিক সারের কোন প্রকার সংকট সৃষ্টি হয়নি এবং বাজারে বীজ সরবরাহে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। ভালো মানের কারণে বিএডিসির বীজ স্থানীয় কৃষকদের নিকট বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

ফসল উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাটে চলতি রবি ২০২১-২২ মৌসুমে বিভিন্ন ফসল চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম।

অন্যান্য ফসল সংরক্ষণের তেমন কোন ব্যবস্থা না থাকলেও জেলায় ১৫ টি কোল্ড ষ্টোরেজ রয়েছে। যেখানে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় বলে জানায়, কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ২:২১ অপরাহ্ন
শিবচরে মাঠজুড়ে কৃষকের হলুদ স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

মাদারীপুরের শিবচরে উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠজুড়ে হলুদ সরিষার ফুলে ছেয়ে গেছে। চির সবুজের বুকে যেন কাঁচা হলুদের আলপনা। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে এখন মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত। সরিষার বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে হাসি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা কৃষকদের।

শীত মৌসুমে প্রকৃতির অলঙ্কার হয়ে উঠেছে এই হলুদ সরিষার ক্ষেত। কিছু দিন পরেই মাড়াই করে তৈলের প্রস্তুত করা হবে এসব সরিষা। ভালো ফলন ও সরকারি প্রণোদনা পাওয়ায় এই উপজেলায় সরিষা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৩২৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় ৩০০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার ২৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ বেশি হয়েছে। একই জমিতে বছরে একাধিক ফসল ফলাতে কৃষিতে সকল ফসলের প্রণোদনার অংশ হিসেবে সরিষা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫ শত জন কৃষকের মাঝে সরিষার উফশী জাতের বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

উল্লেখিত পরিমাণ উপকরণ সহযোগিতা ১ জন কৃষক ১ বিঘা জমি সরিষা চাষের জন্য গ্রহণ করেছেন।

ঢালিকান্দি গ্রামের সরিষা চাষি খবির শেখ জানান, এবার ১ বিঘা জমিতে সরিষা রোপন করেছেন। একই গ্রামের আব্দুল খালেক জানান, বাজারে তেল এবং খৈলের দাম বেড়েছে। তাই সরিষাও বাজারে বেশি দামে বিক্রি হবে এবং অধিক লাভবান হওয়া যাবে। এবার সরিষার ভাল দাম পাওয়া যাবে এমন আসায় তিনি প্রায় পৌনে চার বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। এমন আসা নিয়ে প্রায় ২বিঘা জমিতে সরিষা রোপন করেছেন।

আরেক চাষি বড় কেশাবপুর গ্রামের মো: রফিকুল মোল্লা জানান, তিনি ১০ কাঠা জমিতে সরিষা চাষ করেছেন। কোনরূপ প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সরিষার বাম্পার ফলন হবার সম্ভাবনা আছে। বাজারদর ভালো থাকলে এবছরে অধিক লাভ হবার সম্ভাবনা আছে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপম রায় বলেন, উপজেলার কৃষকদের মাঝে সরকারিভাবে সরিষা বীজ প্রদান করাসহ উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে বা ক্ষেত পরিদর্শনসহ ভালো ফলন পেতে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

এ বছরে ৩২৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। ফলে শিবচর উপজেলার তৈল জাতীয় শস্য উৎপাদনে নিবিড়তা বৃদ্ধি করতে সরিষা চাষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ১২:০৩ অপরাহ্ন
শতবর্ষীয় পাকুড় গাছে ৬০টি মৌচাক
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শতবর্ষী এক পাকুড় গাছে বাসা বেঁধেছে মৌমাছির দল। তবে দু-একটি নয়, এক গাছেই বাসা বেঁধেছে ৬০টি মৌমাছির দল। আর এসব চাক দেখে মনে হয় যেন এক মৌমাছির গাছ।

শতবর্ষী পাকুড় গাছটি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের মেঘেরচর মাঝিপাড়া গ্রামে। একসঙ্গে মৌচাক দেখার জন্য প্রতিদিনই পাকুড়তলায় ভিড় করেন লোকজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নিভৃতপল্লীর সরকারি একটি খাস জমিতে দাঁড়িয়ে আছে শতবর্ষী একটি পাকুড় গাছ। গাছের নিচেই রয়েছে সনাতন ধর্মাবম্বীদের ছোট্ট একটি মন্দির। পাকুড় গাছের গোড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ডালে নির্বিঘ্নে বাস করছে মৌমাছির দল। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় একবার হলেও পাকুড়তলায় থমকে দাঁড়াচ্ছেন লোকজন। সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন ২০টি চাক থেকে তিন মণ মধু বিক্রি করেছেন। সেই মধু বিক্রির টাকায় মন্দিরের জন্য কিনেছেন ইট।

মেঘেরচর গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র বলেন, এক মাস হলো মৌচাকগুলো বসেছে। ৮০-৯০টি চাক ছিল। মধু সংগ্রহের কারণে কিছু মৌমাছি উড়ে গেছে। তবে এখনো ৬০টির মতো মৌচাক রয়েছে। তবে এর আগে এ গাছে এত মৌচাক কখনোই লাগেনি।

মৌচাক দেখতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, এক গাছে এত মৌচাক এর আগে কখনো দেখিনি। আমি মনে করি এ জায়গাটি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। যেন বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

চন্দ্রা রানী নামে একজন বলেন, আশপাশে অনেক গাছ রয়েছে। সেখানে মৌচাক বসেনি। শুধু পাকুড় গাছেই মৌচাক লাগে। এছাড়া আমাদের এখানে ভালো কোনো মন্দির নেই। এ গাছের মধু বিক্রি করে মন্দিরের উন্নয়ন কাজ করতে পারছি। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

গাইবান্ধা বিসিক শিল্প নগরীর সহকারী মহাব্যাবস্থাপক রবিন চন্দ্র রায় বলেন, মৌমাছিরা সংঘবদ্ধভাবে এক জায়গায় থাকতে ভালোবাসে। এদের বিরক্ত না করলে বহুদিন পর্যন্ত এক জায়গায় অবস্থান করে। একদিকে গ্রামাঞ্চল অন্যদিকে ওই এলাকায় প্রচুর সরিষার আবাদ হয়। ফলে মৌমাছিরা সহজেই মধু সংগ্রহ করতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
​বিরামপুরে বোরো চাষীরা বীজতলার পরিচর্যায় ব্যস্ত
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আমন ধান কাটা মাড়াইয়ের পরেই বোরো চাষিরা বীজতলা প্রস্তুতিসহ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক, মুকন্দপুর ইউনিয়নের পলিখাপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, হাবিবপুর গ্রামের আমজাদ হোসেন জানান, শীত পড়ার আগেই বীজ বপণ করলে বীজের চারা ভাল গজায় এবং চারার রোগ বালাই কম হয়। এতে চারার গোঁছা মোটা ও পুষ্ঠ হয়। ফলে চারা রোপণের সময় বীজের অপচয় কম হয় এবং অল্প চারায় অধিক জমি রোপণ সম্ভব হয়।

চলতি ডিসেম্বর মাসের ২০ তারিখের পর থেকে দেশে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে। তাই কৃষকরা বোরোর বীজতলার চারার যত্ননিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই বোরোর জমিতে পানি সরবরাহের পর চারা রোপণের মৌসুম শুরুহবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার নিকছন চন্দ্র পাল জানান, চলতি মাসে বোরো মৌসুমে কৃষি প্রণোদনার আওতায় বিরামপুর উপজেলায় ২ হাজার ২’শ ২০ জন কৃষককে কৃষি প্রণোদনার ডিএপি, এমওপি সার ও বিভিন্ন জাতের ধান বীজ প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, উপজেলার পৌর এলাকাসহ ৭টি ইউনিয়নে ১৫ হাজার ১’শ হেক্টর জমিতে বোরো রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বোরো আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের মধ্যে বিনামূল্য ৪ হাজার ৬’শ ১০জনকে হাইব্রিড জাতের বীজ ও ১ হাজার ৭’শ ৭০ জনকে উচ ফলনশীল জাতের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রারার অনুপাতে কৃষকরা প্রায় ৮’শ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরী এবং বীজ বপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। বপণকৃত বীজের মধ্যে রয়েছে ব্রি-২৮,২৯,৭৪,৮১,৮৯,৯২, বিনা-১৮, জিরাশাইল ও বিভিন্ন হাইব্রীড জাতের ধান চাষের প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop