৩:৪৮ অপরাহ্ন

সোমবার, ১৬ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ১:৩৭ অপরাহ্ন
কৃষি ও পর্যটনে সম্ভাবনার হাতছানি সবুজ পাহাড়ে ঘেরা চাম্বি লেক
কৃষি বিভাগ

চারদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ। যেন সবুজের মেলা বসেছে। পূর্বপাশে সমতল ভূমি, বাকি তিন পাশ সবুজ পাহাড়ে ঘেরা। লাল মাটির উঁচুনিচু টিলা ও আঁকাবাঁকা রাস্তা পার হয়ে দেখা মিলে চাম্বি লেক’র।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির চাম্বি লেক সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন কেন্দ্র। চুনতি ইউনিয়নের পানত্রিশা গ্রামের জয়নগরে চাম্বি খালে বাঁধ দিয়ে নির্মিত হয়েছে চাম্বি রাবার ড্যাম। আর এই রাবার ড্যামকে ঘিরে গড়ে উঠছে পর্যটন। চুনতি চাম্বি রাবার ড্যাম বদলে দিচ্ছে এই এলাকার কৃষি ও পর্যটন।

জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে তৎকালীন চুনতি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী চুনতি ইউনিয়নের পানত্রিশার জয়নগর এলাকার চাম্বি খালে একটি রাবার ড্যাম নির্মাণ ও রাবার ড্যামকে ঘিরে একটি পর্যটন এলাকা সৃষ্টির উদ্যোগ নেন। প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনার প্রয়াত সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মো: জয়নুল আবেদীন বীরবিক্রম, পিএসসি‘র প্রচেষ্টায় এলজিইডির অংশগ্রহণম‚লক ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ সেক্টর প্রকল্পের অধীনে রাবার ড্যামের বাস্তবায়ন শুরু হয়। ওই সময় দেশের ১০টি রাবার ড্যাম প্রকল্পের মধ্যে এটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১৫ সালে ড্যামের বাস্তবায়ন শুরু হয়। ওই এলাকার কৃষকদের নিয়ে গঠিত হয় চাম্বি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি। এলজিইডির অংশগ্রহণমূলক ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ সেক্টর প্রকল্পের অধীনে উত্তর-দক্ষিণে ২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের রাবার ড্যামের বাঁধ দিয়ে নির্মিত হয় এটি। ২০১৮ সালের ২০ জানুয়ারি এটির উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনের পর ড্যামের জমানো পানি দিয়ে পানত্রিশা, ফারাঙ্গা ও নারিশ্চার বহু জমি চাষাবাদের সুযোগ সৃষ্টি হয়। মূলত এটি একটি সেচ প্রকল্প।

এলজিইডির উক্ত প্রকল্পের নির্দেশনা মোতাবেক চাম্বি খাল ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি রাবার ড্যামের কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন স্পট দেখাশুনা করে এবং এলজিইডি মনিটরিং করেন। এই রাবার ড্যাম প্রকল্পের পর্যটন স্পটে ৯ জন কর্মচারী রয়েছে। রাবার ড্যামের জমানো পানি দিয়ে প্রতিবছর চুনতির পানত্রিশা, ফারাঙ্গা ও নারিশ্চার প্রায় ৫০০ একর জমি চাষাবাদ হয়। আর ৫ শতাধিক একর লেকের জায়গার জমানো পানিতে (যা উজানে প্রায় ২ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত) মৎস্য চাষ হয়। একদিকে রাবার ড্যামের জমানো পানি উজানে সৃষ্টি করেছে আকর্ষণীয় চাম্বি লেক। স্থলভাগে গড়ে উঠেছে পর্যটন এলাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এক হাজার বিদেশী পর্যটকসহ বহু দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে। উদ্বোধনের পর থেকে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাবার ড্যামের বাঁধের উপর মনোরম একটি ফুট ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। রাবার ড্যামের জমানো পানি উজানে সৃষ্টি করেছে আকর্ষণীয় চাম্বি লেক। লেকের জমানো পানি উজানে প্রায় ২ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। লেককে আনা হয়েছে মৎস্য প্রকল্পের আওতায়।পূর্বপাশে সমতল, বাকি তিন পাশে সবুজ পাহাড়ে ঘেরা স্বচ্ছ পানির চাম্বি লেক। চাম্বি লেক থেকে একটু দূরে রয়েছে হাতির প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র। এখানে রয়েছে ৩টি কৃত্রিম পানির ফোয়ারা, ৫টি বিভিন্ন পাখির ভাস্কর্য, ৫টি প্রাণির ভাস্কর্য, ১টি জীবন্ত লজ্জাবতী বানর, খাঁচায় বন্দী আছে সাধারন ৩টি বানর, একটি স্পিড বোট, প্যাডেল বোট ২টি, লাইফ বোট ১টি, নৌকা ৩টি, সম্প্রতি ৯লক্ষ টাকা ব্যয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে ফ্যামিলি ট্রেন, পর্যটকদের জন্য চালু করা হয়েছে ‘শুধু আমরাই’ রেস্টুরেন্ট। লেকের মাঝখানে আছে মায়া দ্বীপ। যেখানে যাওয়ার জন্য রয়েছে ড্রামভেলা। পাহাড়ের টিলায় তিনটা গোলঘর; যেখান থেকে পুরো পাহাড়ের নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য এক পলকে উপভোগ করা যায়। এছাড়াও পর্যটকদের অবকাশ যাপনের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে রিসোর্ট। লেকে রয়েছে মনোরম পিকনিক স্পট। এই শীতে চাম্বিলেক পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে ভ্রমণ পিপাসুদের। এ লেকে যারা একবার এসেছেন প্রকৃতি তাদের বারবার আসতে বাধ্য করবে।

চাম্বি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি মাহাবুবর রহমান চৌধুরী জানান, চাম্বি রাবার ড্যামের কারণে কৃষি, মৎস্য ও পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। রাবার ড্যামের জমানো পানি দিয়ে প্রতি বছর ৫০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা সম্ভব।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আহসান হাবিব জিতু জানান, চুনতি পানত্রিশা রাবার ড্যাম প্রকল্প সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র ও এটি কৃষি, মৎস্য সেক্টরে অবদান রাখছে। স্থানীয় সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন এটির আরো সৌন্দর্য্য বর্ধনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
নওগাঁয় সরিষা ক্ষেত থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত চাষিরা
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ফসলের মাঠ সরিষা ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। এখন সরিষার ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত খামারিরা। ক্ষেতের পাশে ও ফাঁকা স্থানে মৌবাক্স স্থাপন করে চাষিরা একদিকে যেমন মধু সংগ্রহ করে লাভবান হচ্ছেন, অন্যদিকে ফুলের কৃত্রিম পরাগায়নে ফসলের উপকার হচ্ছে।

আগামীতে নওগাঁ মধু উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে। এছাড়া এ জেলায় ব্যাপকভাবে বাণিজ্যিকভিত্তিতে মধু সংগ্রহ সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলার ১১টি উপজেলায় ৩২ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে ৩৩ হাজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এ পরিমাণ জমি থেকে চলতি বছর ২৭ হাজার ৩০০ কেজি মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলার মান্দা উপজেলার নুরুল্লাহবাদ ইউনিয়নের কৈইকুড়ি গ্রাম, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রাম ও শংকরপুর গ্রাম, ভারশোঁ ইউনিয়নের ভারশোঁ গ্রামে সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করছেন মৌচাষিরা।

মৌমাছি ফুল থেকে রেণু সংগ্রহ করে পরাগায়ন হওয়ায় ফলন বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয়ভাবে কেউ মধু সংগ্রহ না করলেও রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার দর্শনপাড়া থেকে এসে দুই উদ্যোক্তা মধু সংগ্রহ করছেন কৈইকুড়ি ও শ্রীরামপুর গ্রামে।

মধু সংগ্রহের সময় নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সরিষা ক্ষেতের পাশে অভিনব উপায়ে ইউরোপিয়ান মেলিফেরা জাতের মৌমাছি দিয়ে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মৌবাক্স দিয়ে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত দেখা যায় তাদের। ৩০০ টাকা কেজি হিসেবে এ মৌসুমে জেলা থেকে প্রায় ৮২ লাখ টাকার মধু সংগ্রহ হবে।

উপজেলার দোডাঙ্গী সরিষা চাষি আব্দুল লতিফ বলেন, তিনি এবছর আড়াই বিঘা সরিষা আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার আবাদও ভালো হয়েছে। খামারিরা এসে আমার ক্ষেতের পাশেই মৌবাক্সগুলো স্থাপন করেছেন। মৌমাছিরা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন। ফুলে পরাগায়নের ফলে ফলনও ভালো হবে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস।

উদ্যোক্তা রুমিনুল ইসলাম রুস্তম বলেন, ক্ষেতের পাশে ১৩০টি মৌবাক্স স্থাপন করেছেন। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে মৌবাক্সগুলো স্থাপন করেছি। প্রতিটি বাক্সে ৮টি করে ফ্রেম আছে। এপর্যন্ত তিনবারে ২৬ মণ মধু সংগ্রহ করেছি। সরিষা মৌসুমে চার মাসে প্রায় ৬০-৭০ মণ মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি।

প্রতিকেজি মধু পাইকারি দাম ৩০০ টাকা কেজি। ১২ হাজার টাকা মণ হিসেবে ৭০ মণের দাম ৮ লাখ ৪০ টাকা। সরিষা মৌসুমে বাড়ি আসা যাওয়া, শ্রমিক ও পরিবহন খরচ হবে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তবে সরিষা মৌসুমে বেশি পরিমাণ মধু সংগ্রহ করা হয়।

বছরে ৭ মাস মধু সংগ্রহ করা হয়। মূলত সরিষা, কালোজিরা ও লিচু ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করেন। আর বাকি সময় মৌমাছিকে রয়েল জেলি খাইয়ে পুষতে হয়। রাজশাহী থেকে পাইকারি ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন প্রসাধনী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসে পাইকারি মূল্যে কিনে নিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, একসময় প্রাকৃতিকভাবে মধু সংগ্রহ করা হত। কিন্তু প্রকৃতিতে বন জঙ্গলের পরিমাণ কমে গেছে। মৌমাছি আর আগের মতো জঙ্গলগুলোতে মৌচাক বাঁধতে দেখা যায় না। কিন্তু বর্তমানে কিছু খামারি কৃত্রিম পদ্ধতিতে ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করে মধু সংগ্রহ করছেন।

মধু সংগ্রহ করায় একদিকে যেমন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। অপরদিকে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে এবং ফসলও ভালো হচ্ছে। শিক্ষিত বেকাররা যদি প্রশিক্ষণ নিয়ে মধু চাষ শুরু করে তাহলে তাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বেকারত্ব দূর হবে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল ওয়াদুদ বলেন, গত বছর সরিষার জমিতে ২০ হাজার ২৩২টি মৌবাক্স স্থাপন করা হয়েছিল। যেখান থেকে প্রায় ২৬ হাজার ২৪৫ কেজি মধু উৎপাদন হয়েছিল। এবছর মৌবাক্সের সংখ্যা আরো বাড়বে।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত কিছু মৌচাষি আছে যারা প্রতিবছর কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরিষা মৌসুমে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ করেন। ক্ষেতের পাশে মৌবাক্স স্থাপন করায় ফুলে কৃত্রিম পরাগায়নের ফলে সরিষার ফলনও ভালো হয়। মধু উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সাথে কৃষকের মতবিনিময়
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল) : বরিশালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের সাথে কৃষকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ জেলার বাকেরগঞ্জের উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষি অফিসের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. রুহুল আমিন তালুকদার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাধবী রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও এফএও’র সিনিয়র অ্যাডভাইজার মো. মাহমুদ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম ইমরুল হাসান।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুনীতি কুমার সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মুছা ইবনে সাঈদ, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার নাহিদ আফরিন, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, বাখরকাঠি আইপিএম কৃষক ক্লাবের সভাপতি প্রদীপ কুমার ঘোষ, কৃষক কাঞ্চন হাওলাদার প্রমুখ।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, কৃষকরাই খাদ্য-পুষ্টির ধারক ও বাহক। তাইতো দেশ আজ দানাশস্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখনকার কৃষি হবে বাণিজ্যিকীকরণ। তবেই আমরা উন্নত দেশের অংশীদার হতে পারব।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মিসিং মিডল ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের আওতাধীন কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ৮ টি সেচযন্ত্র এবং ৮টি ভ্যান বিতরণ করেন। এছাড়া বাখরকাঠি আইপিএম কৃষক ক্লাবে স্থাপিত কল সেন্টারের মালামাল দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অর্ধশতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৮, ২০২১ ৫:০৩ অপরাহ্ন
কৃষক আবদুল কাদিরের অন্য রকম ‘শিল্পকর্ম’
কৃষি বিভাগ

৩৫ শতক জমিতে লাল ও পালংশাকের চারা সারিবদ্ধভাবে রোপণ করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি। আরও আছে শহীদ মিনার ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার নকশা। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কৃষক আবদুল কাদির তাঁর জমিতে এ শিল্পকর্ম গড়ে তুলেছেন।

আবদুল কাদির (৫০) ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াখালবলা গ্রামের বাসিন্দা। খালবলা বাজারের শিববাড়ির সামনে দিয়ে নদীর পাড়ের কাঁচা রাস্তা ধরে কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পর হাতের বাঁ পাশের একখণ্ড জমিতে চোখে পড়বে আবদুল কাদিরের এ শিল্পকর্ম

কাদির বলেন, তিনি রাজনীতি করেন না। ছা পোষা কৃষক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি তাঁর রয়েছে অগাধ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সেই ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মুখচ্ছবি ফসলের জমিনে চারা রোপণের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। সবার প্রথমে তিনি গড়েছেন নৌকার আদল। এর ওপরে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের মুখের আদল ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে তিনি এক মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব ফুটিয়ে তুলেছেন। আরও আছে শহীদ মিনারের নকশা।এর আগে ২০২০ সালে তিনি ‘মুজিব ১০০ বর্ষ’ নামে আরেকটি শিল্পকর্ম করেন।

কাদির বলেন, তাঁর জন্ম বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর। তিনি তাঁর বাবা তারা মিয়ার মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা শুনেছেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা জেনেছেন। এসব শুনে শুনে তাঁর মনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জন্ম নেয়। এ কাজে তাঁর কয়েকজন কাছের বন্ধু ও ‘বন্ধুমহল পাড়া খালবালা ডিজিটাল ক্লাবের’ সদস্যরা তাঁকে নানাভাবে পরামর্শ দেন।

কাদির আরও বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কিছু করা যায় কি না, তা নিয়ে তিনি তাঁর সহপাঠী মো. হাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেন। হাফিজুর একজন চিত্রশিল্পী। তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনায় কাদির তাঁর ৩৫ শতক জমি আবাদের উপযোগী করেন। সেই জমিতে মুখচ্ছবির লাইন এঁকে দেন হাফিজুর। তিনি সেই লাইনে লালশাক, পালংশাক, শর্ষে ও গম বীজ বপন করেন।

পাড়াখালবলা গ্রামের পাঁচ-ছয়জন বাসিন্দা বলেন, আবদুল কাদিরের কাজটি দেখার জন্য প্রতিদিন দূর–দূরান্ত থেকে লোকজন আসছেন। ছবি তুলে নিয়ে যাচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
সারের অতিমূল্যে বিপাকে কৃষক
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহ, নওগাঁ, রংপুর ও কুড়িগ্রামের কৃষক ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের বাজারে এমন অস্থিরতার চিত্র পাওয়া গেছে।

সরকার টিএসপি সারের দাম প্রতিবস্তা এক হাজার ১০০ টাকা বেঁধে দিলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকায়।

প্রতিবস্তা এমওপি বা পটাশ সার ৭৫০ টাকার জায়গায় ৯৫০ টাকায় এবং ডিএপি ৮০০ টাকার জায়গায় ৯৫০ টাকা থেকে এক হাজার টাকায় কিনতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষক।

দেশে বছরজুড়ে যত রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয়, তার অর্ধেকই ইউরিয়া সার। টিএসপি, ডিএপি ও এমওপির মত নন-ইউরিয়া সারগুলো শুকনো মওসুমে ফসলের মাঠ প্রস্তুতের সময় ব্যবহৃত হয়। আর ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয় ফসলের বাড়ন্ত সময়ে।

কৃষকরা বলছেন, বর্তমানে আলু, ডাল, পেঁয়াজসহ অন্যান্য রবিশস্যের মাঠ প্রস্তুতির জন্য ইউরিয়া ছাড়া অন্য সারগুলোর চাহিদা বেড়েছে। এ সুযোগে এসব সারের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যদিও ইউরিয়া সার সরকার নির্ধারিত দরে প্রতিবস্তা ৮০০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ যে সত্যি কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের কথাতেও তা স্পষ্ট। গত মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ে সমন্বয় সভা শেষে তিনি বলেছিলেন, দেশে সারের কোনো সঙ্কট না থাকলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গুজব ছড়িয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ‘অসাধু এ সিন্ডিকেটের’ বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ার করেছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিনমণ এলাকার কৃষক মহিকুল ইসলাম বলেন, সরকার এক হাজার ১০০ টাকায় দাম নির্ধারণ করে দিলেও সেই দামে সার তিনি পাননি; কিনতে হয়েছে এক হাজার ৪০০ টাকায়।

“অনেক দোকানে পর্যাপ্ত সারও পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা যাচ্ছে ১৫ বস্তা চাইলে ১০ বস্তা পাচ্ছি।“

জসিম উদ্দিন নামে এক ডিলার দাবি করেন, বর্তমানে আলুর জমি তৈরিতে যে পরিমাণ নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা তৈরি হয়েছে, বাজারে সেই পরিমাণ সার ‘নেই’। তাই দাম কিছুটা বেড়ে গেছে। পটাশ ৮০০ টাকা সরকারি মূল্য, সেটা এখন এক হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:১৪ অপরাহ্ন
বগুড়ায় কৃষকদের প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে
কৃষি বিভাগ

বগুড়া জেলায় রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসলের জন্য প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার প্রণোদনা দেয়ার কাজ চলছে। এতে ১ লাখ ৫ হাজার কৃষক এই প্রণোদনার আওতায় এসেছে। একজন কৃষককে এক বিঘার জন্য এই প্রণোদনা দেয়া হবে বলে জানান বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. এনামুল হক ।

২০২১-২২ অর্থ বছরের জন্য গমে এক বিঘা করে ১০ হাজার কৃষককে (১৫ কেজি বীজ ও ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি) ভূট্টা ১০ হাজার কৃষক (২ কেজি বীজ ও ১০ কেজি ডিএপি – ১০ কেজি এমওপি), সরিষার জন্য ১৩ হাজার কৃষককে ১৩ হাজার বিঘার জন্য (১ কেজি বীজ), সূর্যমুখি চাষে ২ হাজার কৃষককে ৭০০ গ্রাম বীজ, শীতকালিন পেঁয়াজে ১০০০ কৃষককে আধা কেজি বীজ, ৫০০ জন কৃষককে মসুর ডালের জন্য ৪ কেজি বীজ দেয়া হয়েছে।

রবি সফল মুগ ডালের জন্য জনপ্রতি ৪ কেজি করে বীজ আগামী জানুয়ারি মাসে দেয়া হবে। অর্থের অংকে রবি ফসলের জন্য প্রায় ৩ কোট ৯৫ লাখ ২৬ হাজার টাকার কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে জেলায় ৪৮ হাজার বিঘা হাইব্রিড বোরোর জন্য জন্য ২ কেটি ২১ লাখ ৭৬ হাজার টাকার বীজ, সার ও ২০ হাজার জন কৃষককে উফশী বোরোর জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার সার ও বীজ বিতরণের কাজ সম্পন্ন করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

হাইব্রিড বোরোর জন্য একজন কৃষক পাচ্ছেন ১০ কেজি বীজ ও একজন কৃষক উফশী বোরোর জন্য পেয়েছেন ৫ কেজি করে ডিএপি ২০ কেজি ও ১০ কেজি এমওপি সার এবং ৫ কেজি বীজ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৮, ২০২১ ২:৫০ অপরাহ্ন
ভারত থেকে আমদানি করা চাল নিম্নমানের, খালাস বন্ধ
কৃষি বিভাগ

এমভি বিএনসি আলফা নামে জাহাজে করে ভারত থেকে সিদ্ধ চালের একটি চালান এসে পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। সরকারিভাবে আমদানিকৃত চালের চালানে নিম্নমানের চালের বিষয়টি সামনে আসার পর গত বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) খালাস বন্ধ করে দেয় খাদ্য বিভাগ।

শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাদ্য বিভাগের চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, ভারত থেকে এমভি বিএনসি আলফা নামে একটি জাহাজে করে ৭ হাজার ৬০০ টন চাল এনে খালাস শুরু করা হয়েছিল। জাহাজটি থেকে প্রায় ১ হাজার টন চাল খালাসও করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার জাহাজটি থেকে চাল খালাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যে মানের চাল আনার কথা বলা হয়েছিল তা না আনায় খালাস কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, সরকারিভাবে আমদানি করা চালের চালানটি ভারতের নেকফ ইন্ডিয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করে। গত বৃহস্পতিবার সকালে বন্দরের ৩ নম্বর জেটিতে খালাসকালে নিম্নমানের বিষয়টি সামনে আসে। গত সপ্তাহে চালবাহী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। বুধবার থেকে চাল খালাস শুরু হয়। প্রায় ১ হাজার টনের মতো চাল খালাস করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে চাল খালাসকালে নিম্নমানের চাল দেখা যায়। পরে বস্তা খুলে দেখা যায় চালের মান খুবই খারাপ। এ সময় খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জাহাজ থেকে চাল খালাস বন্ধ করে দেন।

জানা গেছে, চাল খালাস হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন খাদ্য গুদামে পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম দেওয়ানহাট সিএসডি, হালিশহর সিএসডি, সিলেট সিএসডি, কুমিল্লার চকবাজার এলএসডি গুদাম, চাঁদপুরের মতলব এলএসডি গুদামসহ ১০টি গুদামে এ চাল পাঠানো হয়েছে। গুদামে পৌঁছার পর এসব চাল পরীক্ষা করে যদি খারাপ পাওয়া যায় তাহলে পুনরায় জাহাজে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। তার আগ পর্যন্ত জাহাজটিকে বহির্নোঙরে থাকতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৮, ২০২১ ১২:৫৮ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আলু চাষে ঝুঁকছেন কৃষক
কৃষি বিভাগ

ফুলবাড়ীতে চলতি মৌসুমে আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তারা তীব্র শীত ও কনকনে ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে ভোর থেকেই মাঠে আলু লাগাতে ব্যস্ত থাকছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ এ বছর আলু চাষে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত উপজেলার স্হানীয় জাত ৮০ হেক্টর ও উফশী জাত ৭০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করেছে। যেভাবে প্রান্তিক চাষিরা আলু চাষে ঝুঁকছেন তাতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান কৃষি বিভাগ। কৃষি অফিস ও কৃষকরা জানিয়েছেন প্রতি বিঘা জমিতে এস্টারিজ, রোসাগোল বীজ দিয়ে ভালো ফলন হলে ১০০ থেকে ১১০ মণ পর্যন্ত বিঘা আলু উত্পাদন হয়। বিঘাপ্রতি আলু চাষবাদ করতে খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৭, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ন
বরিশালে কৃষকের মাঝে নগদ অর্থসহ আইসিটি মালামাল বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে করোনা মহামারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস এবং জৈবকৃষি রক্ষায় আইসিটি উপকরণসহ আর্থিক অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মিসিং মিডল ইনিশিয়েটিভ (এমএমআই) প্রকল্পের মাধ্যমে আজ সকাল ১১ টায় বাবুগঞ্জ উপজেলার মধ্য রাকুদিয়া আইপিএম ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও এফএও সিনিয়র অ্যাডভাইজার মো. মাহমুদ হোসেন, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. হারুন-অ-রশিদ, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম ইমরুল হাসান। এফএও আঞ্চলিক সমন্বয়ক মোহাম্মদ আবু হানিফের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, মধ্য রাকুদিয়া আইপিএম ক্লাবের সভাপতি রিতা ব্রহ্ম, সেলিনা বেগম, রাশিদা বেগম, খোকন হাওলাদার প্রমুখ।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মিসিং মিডল ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের মাধ্যমে মধ্য রাকুদিয়া আইপিএম ক্লাবে ১৬লক্ষ ৮০ হাজার টাকার অনুদান ও কৃষি কাজে তথ্য সংগ্রহের জন্য ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও একটি আইপ্যাড প্রদান করেন প্রধান অতিথি।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার কৃষকের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কাজ করছেন। সরকারের যে উদ্যোগ সেটা তাদের দিয়েই বাস্তবায়ন হচ্ছে। করছে তারা, এরকম ক্লাব প্রতিটি গ্রামে, ইউনিয়নে এবং প্রতিটি উপজেলা থাকলে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য নিয়ে বাজারজাত এবং বিপণনের যে সমস্যা সেই সমস্যাগুলো অনেকাংশে লাঘব হবে।

জানাযায়, বাবুগঞ্জের মধ্য রাকুদিয়া গ্রামে নিরাপদ ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে আইপিএম ক্লাবে ১১৫ জন্য নারী ও ৫৩ জন্য পুরুষের সমন্বয়ে মোট ১৬৮ জন সদস্য নিরাপদ ফসল উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের মাধ্যমে তাদের কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৭, ২০২১ ৪:৪০ অপরাহ্ন
গাইবান্ধায় আমন ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। চাষিরা এখন ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবছর বন্যা না হওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা ধান চাষে সফলতার মুখ দেখছেন। তাই ধানের ব্যাপক ফলনে দারুণ খুশি চাষিরা। আমন ধান চাষে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতাসহ মাঠে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে গাইবান্ধার বিভিন্ন উপজেলায় দেখা যায়, কৃষকরা ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। কেউ ধান কাটছেন। কেউ কাটা ধানের আটিগুলো বাড়ি নিচ্ছেন, কেউ কাজের ফাঁকে জমির আইলে খাবার খাচ্ছেন।

সাঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাদেকুজ্জামান বলেন, এবছর সাঘাটায় ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাত যেমন ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭১, ব্রি ধান-৭২ ও ব্রি ধান-৮৭ সহ বিভিন্ন ধানের চাষ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। সাঘাটা উপজেলায় ১৩ হাজার ৩শ ১২ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, এবছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকদের কৃষি পরামর্শ দিতে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন। রোপা আমন ধান কাটার কাজ এগিয়ে চলছে।

এবছর জেলার ৭ উপজেলায় এক লাখ ২৯ হাজার ৪শ ৮০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ২৮ হাজার ৯০ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop