৯:১২ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
শেরপুরে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

শেরপুর আমন মৌসুমে শেরপুর জেলায় অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মমিনুর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করেন হুইপ আতিউর রহমান আতিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্ত ওয়াজিউর রহমান। উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আসাদুজ্জামান রৌশন প্রমুখ।

আজ বেলা ১১ টায় জেলা খাদ্য গুদামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হুইপ আতিক বলেন, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ধান ও চাল ক্রয় করা হবে। ফলে কৃষকের হয়রানি কমবে। তিনি খাদ্য কর্মকর্তাদের মান সম্মতভাবে ধান-চাল ক্রয় করার জন্য নির্দেশনা দেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ওয়াজিউর রহমান বলেন, সদর উপজেলায় ৮ হাজার ১০২ মেট্রিক টন চাল, ৮শ ৪৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও নালিতাবাড়ী ৯শ ৪৫ মেট্রিক টন চাল ও ৭শ ৮০ মেট্রিক টন ধান, নকলায় ৩শ ৯২ মেট্রিক টন চাল ও ৫শ ৩৭ মেট্রিক টন ধান, শ্রীবরদীতে ৬শ ৩১ মেট্রিক টন চাল ও ৫শ ৯০ মেট্রিক টন ধান এবং ঝিনাইগাতীতে ৭শ ৫৬ মেট্রিক টন চাল এবং ৫শ ৩৭ মেট্রিক টন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলার ২৭২টি মিলের সাথে সিদ্ধ চালের চুক্তি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ২২ পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। প্রতি কেজি চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা ও ধান ২৭ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ২:৩৫ অপরাহ্ন
চলনবিলের কৃষকরা সরিষা ক্ষেতে ছবি তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায়
কৃষি বিভাগ

দিগন্তজোড়া হলুদ রঙের সরিষা ফুলে সেজে ওঠেছে চলনবিলের সরিষার ক্ষেতগুলো। মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন চলনবিলে ঘুরতে আসা মানুষজন। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছে স্থানীয় কৃষকদের। কারণ চলনবিলে ঘুরতে এসে অধিকাংশ মানুষজন ছবি তোলার জন্য সরিষা ক্ষেতের মধ্যে নেমে পড়ছেন। এতে ক্ষতি হচ্ছে ফসলের।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে দেখা যায়, চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল সেতু এলাকার সড়কের দুপাশের সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ১৮ থেকে ২০জন বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তুলছেন।

সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামের কৃষক ছরোয়ার হোসেন, মন্টু মিঞা, ছোহরাব আলী, সিরাজ উদ্দিন ও মইনুল ইসলাম বলেন, লোকজন হাইহিল ও বুট জুতা পড়ে সরিষার ক্ষেতের মধ্যে ছবি তোলার জন্য রীতিমতো হুমরি খেয়ে পড়েন। তখন পায়ের নিচে পড়ে সরিষা গাছ ভেঙে যায় ও গাছ থেকে ফুল ঝড়ে যায়। নিষেধ করলেও শোনেননা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, সরিষার ক্ষেতে ছবি তোলার সময় অধিক সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ক্ষেতের আইলে দাড়িয়েও ছবি তোলা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশে এ বছর ৪৫৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
চৌদ্দগ্রামে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ও উফশী ধানের বীজ এবং সার বিতরণ করা হয়। 

আজ সকাল ১০টায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের হাতে সার ও বীজ তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের সাড়ে পাঁচ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ৫ কেজি করে ধান বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি, ১০ কেজি করে এমওপি সার, এছাড়া প্রত্যেক কৃষকের মাঝে ৩ কেজি করে হাইব্রিড ধান বিতরণ করা হয়।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মনজুরুল হক, পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আখতার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান, জেলা কৃষকলীগ নেতা মমিনুর রহমান ফটিক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত রায়, সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান মজুমদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফ সোলায়মান, শাহ আলম প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১:০২ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়িতে চাষ হচ্ছে নতুন প্রজাতির ফল, রক মেলন
কৃষি বিভাগ

খাগড়াছড়িতে নতুন প্রজাতির ফল ‘রক মেলন’ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কৃষক প্রবীর চাকমা। ভালো ফলন পেয়েছেন। বিক্রি করে লাভও হয়েছে বেশ। পার্বত্য অঞ্চলে রক মেলনের চাষ এই প্রথম। সুমিষ্ট বিদেশী এই ফলটির চাষে সাফল্য জেলার অন্য কৃষকদের দেখাচ্ছে নতুন স্বপ্ন। পার্বত্য অঞ্চলে ‘রক মেলন’ এর আবাদ আগামীতে বাড়বে বলেই ধারণা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ১ নম্বর গড়গয্যাছড়ি গ্রামে প্রবীর চাকমার বাড়ি। ইউটিউব থেকে ধারণা নিয়ে তিনি পাহাড়ে চাষ করেন নতুন প্রজাতির ফল ‘রক মেলন’ এর। পার্বত্য অঞ্চলে এই প্রথমবারের মতো ফলটির আবাদ হয়। পরীক্ষামূলকভাবে ১ হাজার ৮০০ ‘রক মেলনে’র চারা এনে রোপন করেন নিজের ২০ শতক জায়গায়।

স্বল্প পরিমাণ এই জায়গাতেই ১০ মণের অধিক ফলন হয়। সেখান থেকে তিনি প্রতি কেজি ৩শ’ টাকা দরে প্রায় ৫মণ রক মেলন ফল বিক্রি করেছেন। সফলতা পাওয়ায় আগামী বছর থেকে ব্যাপকভাবে এর চাষ করবেন বলে জানান তিনি।

রক মেলন সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতীয় ফল। তাই বাজারে চাহিদাও প্রচুর। প্রবীর চাকমার বাগানে ফলটি দেখতে ও কিনতে আশাপাশের এলাকা থেকে মানুষ আসছেন।

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, রক মেলন হলো দেশীয় বাঙ্গির বিদেশী জাত। আর, পার্বত্য অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি রক মেলন চাষাবাদের জন্য উপযোগী।

আগামীতে পার্বত্য অঞ্চলের অনেক কৃষকই রক মেলন ফল চাষে এগিয়ে আসবেন বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ন
নাটোরে চাষ হচ্ছে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ব্ল্যাক রাইস
কৃষি বিভাগ

নাটোরে চাষ হচ্ছে বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ব্ল্যাক রাইস। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্লাভিনয়ের্ড খুব বেশি পরিমাণে থাকায় এই চালের রঙ কালো হয়। কালো চাল ডায়াবেটিস, স্নায়ুরোগ ও বার্ধক্য প্রতিরোধক। এতে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল রয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চীনে চতুর্দশ শতক থেকে সপ্তদশ শতকে মিং যুগে এই ব্ল্যাক রাইস বা কালো ধানের চাষ হতো। কিন্তু রাজা বা রাজপরিবার ছাড়া কারও এই কালো চালের ভাত খাওয়ার অধিকার ছিল না। প্রজাদের জন্য এই চাল নিষিদ্ধ ছিল বলে এই চালকে বলা হয় নিষিদ্ধ চাল বা ফরবিডেন রাইস। কালের বিবর্তনে জাপান ও মিয়ানমারে এই ধানের চাষ শুরু হয়। এরপর থাইল্যান্ডে শুরু হয় এর চাষাবাদ। সেখান থেকে এই ধানের চাষ শুরু হয় বাংলাদেশে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তা সীমাবদ্ধ ছিল পাহাড়ি অঞ্চলে। পার্বত্য এলাকায় এই চালকে বলা হয় পোড়া বিন্নি চাল।

নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম বলেন, ‘সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের গাজীপুর বিলে চাষ হয়েছে ব্ল্যাক রাইস। স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অর্গানিক পল্লী অ্যাগ্রো ফার্মস অ্যান্ড নার্সারির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল কৃষি বিভাগের সহায়তায় এই ধানের চাষ করেছেন।

সরেজমিনে গাজীপুর বিলে দেখা যায়, কৃষক ও উদ্যোক্তা টুটুল তার এক বিঘা জমিতে চাষ করেছেন ওই ব্ল্যাক রাইস। দেখা যায়, অন্য ধানগাছের মতো হলেও ব্ল্যাক রাইস ধানের শীষের কিছু ধানের রঙ কালো। তবে শীষের আকৃতি তুলনামূলক বড়। ধানের খোসা সরিয়ে দেখা যায়, চালগুলোর রঙ কালো।

মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল জানান, তিনি ময়মনসিংহ থেকে ওই ধানের এক কেজি বীজ সংগ্রহ করেছিলেন। সব খরচসহ তার এক বিঘায় ব্যয় হয়েছে ১৩ হাজার টাকা।

ফলন সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহমুদুল ফারুক ও মেহেদুল ইসলাম জানান, জমির অতিরিক্ত রস থাকায় ধানগাছগুলো আগেই পড়ে গিয়েছিল। ফলে কিছুটা চিটা হয়েছে। তবে তাদের পরীক্ষালব্ধ ফলাফল অনুযায়ী ওই জমিতে প্রায় ১১-১২ মণ ধান পাওয়া যাবে। যা শুকানোর পর ১০ মণে টিকবে। গড়ে প্রতি মণে ২৫ কেজি চাল হলেও মোট ২৫০ কেজি চাল পাওয়া যাবে। যার বাজারমূল্য সর্বনিম্ন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা হিসেবে ৩৭৫০ থেকে ৫ হাজার টাকা। এতে স্বাভাবিক ধান করার চেয়ে লাভ অনেক বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক জানান, কালো চাল সাধারণ চালের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী ও স্বাস্থ্যসম্মত। তুলনামূলক বিচারে অ্যানথোসায়ানিন, প্রোটিন ও ফাইবার অন্যসব চালের থেকে কালো চালে বেশি থাকে। চালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বক পরিষ্কার করে ও শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে শরীরকে ফুরফুরে রাখে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে কৃষকদের মধ্যে বীজ-সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহে ৬ হাজার ৮’শ কৃষকদের মাঝে সার ও ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি বিভাগের আয়োজনে এ প্রনোদনা বিতরণ করা হয়।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরতী দত্ত। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনাইদ হাবীব।

কৃষি বিভাগ জানান, সরকারের রবি মৌসুমে প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো উচ্চ ফলনশীল আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সদর উপজেলার ৬ হাজার ৮’শ কৃষকের প্রত্যেককে ২০ কেজি রাসায়নিক সার ও ৫ কেজি ধান বীজ বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৪:০৬ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে ড্রাগন চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহের মাটি ও আবহাওয়া বিদেশী ফল ড্রাগন চাষের উপযোগী হওয়ায় সেখানে এর আবাদ দিনদিন বাড়ছে। এই ফল বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। আর, চাষ বাড়তে থাকায় হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থান। পুষ্টিসমৃদ্ধ এই বিদেশী ফলের আবাদ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। 

বিদেশি ফল ড্রাগন চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে ঝিনাইদহের চাষীদের মাঝে। জেলা সদর, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও কালীগঞ্জসহ ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগন চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে এই ফল।

কৃষকরা জানালেন, এক বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করতে খরচ হয় এক লাখ টাকা। উৎপাদিত ফল বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হয়।

ড্রাগন চাষ করে একদিকে বেকার যুবকরা যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন, তেমনি এই ফলের বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেক শ্রমিক।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানালেন, ড্রাগন একটি পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ ফল। আর এর চাষও লাভজনক। তাই এর চাষ বাড়াতে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহে এবছর ১৫০ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
রাঙামাটির পাহাড়ে মসলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

দুর্গম ও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থায় রাঙামাটিতে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। ফলে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হন কৃষকেরা। এজন্য ওজনে হাল্কা, পরিবহণে সহজ মসলা চাষের প্রকল্প হাতে নিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।

আদি থেকেই জুম চাষের পাশাপাশি পাহাড়ের ঢালে চাষ করা হয় আদা, হলুদ। এসব চাষে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ভূমি ক্ষয় হচ্ছে, তেমনি ঝুঁকি বাড়ছে পাহাড়ধসের। আর উৎপাদিত পণ্যে প্রকৃত মুনাফাও পাচ্ছেন না কৃষকরা।

পাহাড়ি জমিতে তাই ভিন্ন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ওজনে হালকা, আমদানিনির্ভর, অধিক মূল্যের কৃষিপণ্য মসলা চাষ থাকছে প্রকল্পের আওতায়। ২৬ হাজার একর জমিতে নির্বাচিত কৃষকের বাগানে শোভা পাচ্ছে আলুবোখারা, দারুচিনি, গোলমরিচ, তেজপাতার মতো বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য উৎপাদন।

মসলা বাগান প্রতিদিনই দেখতে আসে আশপাশের অনেক কৃষক, এমন চাষাবাদে আগ্রহ হচ্ছেন তারাও। তবে মসলার ফলন পেতে তিন বছরের মতো দীর্ঘসময় লাগায় অন্যান্য ফসলও পাশাপাশি আবাদ করা হচ্ছ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মসলা চাষ প্রকল্পের পরিচালক শফিকুর ইসলাম জানান, আমদানি নির্ভরতা কমাতে আলুবোখারা, দারুচিনি, গোলমরিচ, তেজপাতার মতো বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য চাষ শুরু করা। তিনি আরও বলেন, এ মসলার ফলন ৩/৪ বছরের মধ্যে আসবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন, ভূ-প্রকৃতি বিবেচনা করে অধিক মুনাফার জন্য এমন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

এ প্রকল্পে ৩৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৬শ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ২:৫৬ অপরাহ্ন
সারের দাম বৃদ্ধি ও সংকটে বিপাকে হিলির আলু চাষিরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলিতে শুরু হয়েছে আলু চাষ। মাঠে মাঠে আলুর বীজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আমন ধানের কাটা-মাড়াই শেষের দিকে। আলু চাষে প্রয়োজন বেশি সার। বিশেষ করে জমি তৈরি করার সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার সার প্রয়োজন। আলু চাষিরা অভিযোগ করছেন, স্থানীয় বাজারে সারের সঙ্কট ও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।

এদিকে কৃষি দপ্তর বলছে, পর্যাপ্ত পরিমাণ সার রয়েছে ডিলারদের কাছে। ডিলারদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন না তারা।

হিলির বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, আমন চাষিরা ধান কেটে ওই জমি আলু চাষের জন্য প্রস্তুত করছেন। এছাড়াও অনেক জমিতে আলুর বীজও রোপণ করতে শুরু করেছেন তারা। কিন্তু সার সঙ্কট ও দাম বেশি হওয়ায় আলু চাষে অনিহা প্রকাশ করছেন অনেক কৃষক। ডিলারদের নিকট তারা চাহিদার তুলনায় টিএসপি ও ফসফেট সার পাচ্ছেন না। পেলেও বেশি দাম ধরায় বিপাকে পড়ছেন তারা।

হিলির হরিহরপুর গ্রামের ইমরান আলী বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আমন ধান কাটার পর এই জমিতে আলু চাষ শুরু করেছি। গতবারও ভালো ফলন পেয়েছি, এবারও ভালো ফলনের আশায় আলুর বীজ রোপণ করতে শুরু করেছি।’

‘আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো। তবে টিএসপি ও ফসফেট সারের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে এবং ডিলার ও ব্যবসায়ীরা ১১০০ টাকা মূল্যের বস্তা টিএসপি সারের দাম নিচ্ছেন প্রায় ১৬০০ টাকা। সার সরবরাহ ঠিকমতো পেলে আলু চাষে আমরা আরও আগ্রহী হতাম’, বলেন তিনি।

হরিহরপুর গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক বলেন, ‘আড়াই বিঘা জমির আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ। এই আড়াই বিঘাতেই আলুর চাষ করেছি, প্রয়োজনীয় সব সার দিয়ে মাটি তৈরি করে বীজ রোপণ করছি। কিন্তু সার ঠিকমতো পাচ্ছি না, যদিও পাচ্ছি তা আবার বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।’

হিলির হরিহরপুর বাজারের সারের ডিলার মিজান বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের এলাকায় আলু ও সরিষার মৌসুম চলছে। এসব ফসল ফলাতে কৃষকের প্রচুর সারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ১০ ভাগ সারও আমরা পাচ্ছি না। ফলে কৃষকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। তবে আমরা কৃষকদের কাছ থেকে সারের মূল্য বেশি নিচ্ছি না।’

হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা কৃষি অফিসার ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, ‘আলু চাষের জন্য হিলির ৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১৯টি সারের ডিলার আছে। তাদের নিকট পর্যাপ্ত সার রয়েছে। সারের কোনো সঙ্কট নেই। তবে যদি কোনো সারের ডিলার অনিয়ম কিংবা দাম বেশি নেয়, তা প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় আমন ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় আমন ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার (২৯ নভেম্বর) উপজেলার ভানুগাছ সরকারি খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চিফ হুইপ ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশেকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছলম ইকবাল মিলন, পৌর মেয়র জুয়েল আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনি খান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা দীপক মন্ডল প্রমুখ।

চলতি মৌসুমে উপজেলায় অভ্যন্তরীণ আমন ধান ২৭ টাকা কেজি প্রতি ১১শ’ ৮৭ মেট্টিক টন ধান ও ৪০ টাকা কেজি প্রতি ১১৭ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল কেনা হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop