৮:০৭ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ২:০৫ অপরাহ্ন
বরিশালে জিংকসমৃদ্ধ ব্রিধান৭৪ নিয়ে কৃষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে জিংকসমৃদ্ধ ব্রিধান৭৪ নিয়ে কৃষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ নভেম্বর জেলার গৌরনদীর এলাহি রাইস মিল প্রাঙ্গণে বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, জিংক একটি অনুপুষ্টি। শরীরের জন্য এর চাহিদা অল্প। কিন্তু অত্যাবশ্যকীয়। তবে জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খেয়ে তা পূূরণ করা সহজ। ব্রি ধান৭৪ জিংকসমৃদ্ধ এমনই একটি ধানের জাত। ফলনও বেশ ভালো। মধ্যম মাত্রায় বস্নাস্ট প্রতিরোধী। তাই এই ধানের আবাদ বাড়িয়ে জিংকের অভাব মেটানো সম্ভব।

বার্থী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. রাজ্জাক হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের এরিয়া ম্যানেজার ডেনিশ মারান্ডি, স্থানীয় এক নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি. সদস্য আ. করিম লস্কর, দুই নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি. সদস্য মো. বজলুর রশিদ, সাবেক ইউপি. সদস্য মো. খায়রুল আহসান খোকন প্রমুখ। কর্মশালায় শতাধিক কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
ড্রাগন ফল চাষে স্বাবলম্বী সৈয়দ রওশন আলী
কৃষি বিভাগ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় ড্রাগন ফল চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা। টক-মিষ্টি ও মিষ্টি স্বাদের ড্রাগনের চাষে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন তারা। পরীক্ষামূলকভাবে এক একর জমিতে ড্রাগন চাষ করা কৃষকের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ফলটির চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের মাঝে। লোহাগড়ায় ড্রাগন ফল চাষের অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছেন সৈয়দ রওশন আলী। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লোহাগড়া উপজেলার এসএইচবিআর আলিম মাদ্রাসার সাবেক সিনিয়র শিক্ষক এখন ড্রাগনচাষী।

স্বল্প মূলধন ও অল্প জায়গায় ড্রাগন চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন সৈয়দ রওশন আলী। তার সাফল্য দেখে ড্রাগন চাষে এগিয়ে এসেছেন এ উপজেলার অন্য কৃষকেরা। উপজেলার ৩ নম্বর শালনগর ইউনিয়নের শেখ পাড়া বাতাসি গ্রামের মাঠে ড্রাগন চাষ করেছেন তিনি। সৈয়দ রওশন আলী বলেন, একটি বীজতলা থেকে প্রতি ১৫ দিন পরপর অন্তত ২০০টি ফল সংগ্রহ করা যায়। তেমন রোগ বালাই না থাকায় একটু পরিচর্যায় অনেক ভালো ফলন পাওয়া যায়, প্রথমে ৫৩২টি খুঁটিতে চারা রোপণ করেছি, প্রতিটি খুঁটিতে পাঁচটি চারা রোপণ করে মোট দুই হাজার ৬৬০টি চারা রোপণ করি। এতে দশ লাখ টাকা খরচ হয়েছে।

এপ্রিল থেকে মে মাসে ফুল আসে আর শেষ হয় নভেম্বর মাসে। ফুল আসার ৩০ থেকে ৪০ দিনের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায়। নভেম্বর মাস পর্যন্ত ফুল ফোটা এবং ফল ধরা অব্যাহত থাকে। রওশন আলী জানান, একটি ফলের ওজন ২৫০ গ্রাম থেকে এক কেজির ও বেশি হয়ে থাকে। একটি পূর্ণাঙ্গ গাছ থেকে ১০০ থেকে ১৩০টি পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে একটি গাছ হতে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। ড্রাগন প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে ফল বিক্রি হয়। এ সময় চলতি মৌসুমে প্রায় পঁচিশ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

লোহাগড়া উপজেলার কাউড়িখোলা গ্রামের শিক্ষিত যুবক প্রসাদ কুমার গাইন বলেন, বতর্মান যে অবস্থা তাতে চাকরি পাওয়া অনেক সমস্যা। আমি ড্রাগন বাগান করতে চাই। সৈয়দ রওশন আলী স্যারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে আমি এখান থেকে চারা নিয়ে ড্রাগন ফলের বাগান করব।

লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রইচউদ্দিন বলেন, সৈয়দ রওশন আলীর ড্রাগন চাষের সফলতা দেখে উপজেলায় অনেকেই এখন ড্রাগন ফলের চাষ করছেন। বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ বেশ জনপ্রিয় হলেও লোহাগড়ায় তেমন সাড়া পড়েনি। তবে সম্প্রতি ড্রাগন চাষ বেড়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে উপজেলাতে বাণিজ্যিকভাবে ফলটির চাষ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ১:১৩ অপরাহ্ন
পেঁয়াজের ঘাটতি হলে আমদানি করা হবে- কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিয়ে নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের ঘাটতি হলে আগামী বছর সেপ্টেম্বরে নেদারল্যান্ড থেকে আমদানি করা হবে।

 এ ছাড়া পেঁয়াজের উন্নত জাত উৎপাদন, পেঁয়াজ সংরক্ষণে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে নেদারল্যান্ড।

বর্তমানে সরকার কৃষি খাতে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। তবে তেলের মূল্যবৃদ্ধি, সারের চাহিদা এবং করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক উত্থানের কথা মাথায় রেখে, কৃষি ভর্তুকি ৯ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষির উন্নয়নে বিদেশি অর্থ সহায়তার প্রয়োজন নেই। দরকার কারিগরি সহায়তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ১২:৩৮ অপরাহ্ন
আগের নিয়মেই সার পরিবহণ সুফল পাবে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কারখানা থেকে সার পরিবহণে নিয়ম বদল করে জারি করা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ‘বিতর্কিত’ প্রজ্ঞাপনের ওপর ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কেন এটি বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন উচ্চ আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় সার পরিবহণ ডিলারদের মাধ্যমে আগের নিয়মে করতে বলা হয়েছে।

এদিকে উচ্চ আদালতের এমন নির্দেশনার পর সারা দেশের সারের ডিলার ও কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা বলছেন, ডিলারদের মাধ্যমে পরিবহণ হলে সারের দাম যেমন হাতের নাগালে থাকবে তেমনি সরকার ও কৃষক বিপুল অঙ্কের লোকসান থেকে বাঁচবে। আবাদের ভরা মৌসুমে পরিবহণ নৈরাজ্যের কারণে সারা দেশে সার মিল রেটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। টাকা দিয়েও কোথাও কোথাও সার মিলছে না বলে অভিযোগ উঠছে।

জানা যায়, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল), কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), ডাই অ্যামুনিয়া ফসপেট (ডিএপি) ও পতেঙ্গায় অবস্থিত ট্রিপল সুপার ফসপেট (টিএসপি) কারখানা থেকে চট্টগ্রাম ছাড়াও সারা দেশে সার সরবরাহ করা হয়। দেশের অন্যান্য স্থানে অবস্থিত কারখানা থেকেও একইভাবে সার সরবরাহ করা হয়। দেশে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার সারের ডিলার রয়েছে। বিসিআইসির এসব ডিলারের চাহিদা অনুযায়ী সার বরাদ্দ দিত কৃষি মন্ত্রণালয়। ডিলাররা নিজ খরচে কারখানা গেট থেকে নিজ নিজ এলাকায় ট্রাকে করে সার নিয়ে যেত এবং তা সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকদের হাতে পৌঁছে দিত।

সূত্র জানায়, প্রায় ১১ বছর আগে ইউরিয়া সার পরিবহণের কাজটি বিসিআইসি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। টেন্ডারের মাধ্যমে সার পরিবহণ কাজ দিয়ে দেওয়া হয় নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে। ইউরিয়া সারের মতো চলতি বছরের জুলাই থেকে টিএসপি ও ডিএপি সার পরিবহণের দায়িত্বও বিসিআইসি নিজেরাই নিয়ে নেয়। চলতি বছরের ২৮ মে বিসিআইসি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। বিসিআইসির পরিচালক (বাণিজ্যিক) আমিন উল আহসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের বিষয় ছিল ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জুলাই-২১ থেকে বিসিআইসি কর্তৃক উৎপাদিত টিএসপি ও ডিএপি সার কারখানা হতে পরিবহণ করে বাফার/কারখানা গুদাম হতে সরবরাহের লক্ষ্যে পরিবহণ ঠিকাদার নিয়োগ প্রসঙ্গে।’ এই প্রজ্ঞাপনের পর বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন চট্টগ্রাম ডিএপি, টিএসপি কমপ্লেক্সহ বিভিন্ন কারখানা কর্তৃপক্ষ সরকারি সংস্থা বিআরটিসির সঙ্গে সার পরিবহণের চুক্তি করে। চুক্তি শেষে কারখানা থেকে সার পরিবহণের জন্য নতুন করে টেন্ডার আহ্বান ও ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবে কারখানাগুলো। রিট দাখিলকারী সারের একাধিক ডিলার জানান, ইউরিয়া সার থেকে শুরু করে টিএসপি ডিএপিসহ সব ধরনের সার প্রায় ৪০ বছর ধরে নিবন্ধিত ডিলাররা পরিবহণ করতেন। এ ক্ষেত্রে সরকার সারের ওপর বস্তাপ্রতি নির্দিষ্ট অঙ্কের ভর্তুকি দিত। প্রতি বস্তা সারের দাম নির্ধারণ করে দিত। ডিলাররা নিজ নিজ জেলায় নিজ খরচে সার পরিবহণ করে নিয়ে তা কৃষকের কাছে পৌঁছে দিত। কিন্তু সার পরিবহণের দীর্ঘদিনের নিয়ম বদলে একটি সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার পর থেকে সার নিয়ে সারা দেশে কেলেঙ্কারি হয়। ট্রানজিটের নামে গায়েব হয়ে যায় হাজার হাজার টন সার। বিসিআইসি ও পরিবহণ ঠিকাদারদের সিন্ডিকেট রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে যান। বাফার গুদামে সার মজুত রেখে উৎকোচের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয়। বিসিআইসির একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্তে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২০০ কোটি টাকার প্রায় ৫৮ হাজার টন সার গায়েবের অভিযোগ ওঠে। এর সঙ্গে বিসিআইসির অসাধু কর্মকর্তা ছাড়াও ৬টি পরিবহণ ঠিকাদারকে দায়ী করা হয়। অন্যদিকে সার গায়েব ও পরিবহণ নৈরাজ্যের কারণে সারা দেশের কৃষকদের পাশাপাশি ডিলাররাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকেন।

সরকারও এই খাতে বিপুল লোকসানের মুখে পড়ে।

সূত্র জানায়, মূলত এসব কারণেই ডিলারদের পক্ষে ৩৮ ব্যক্তি উচ্চ আদালতে রিট দাখিল করেন। রিটে শিল্প মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় বিসিআইসিহ সংশ্লিষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠান ও এর দায়িত্বশীলদের বিবাদী করা হয়। এতে টেন্ডারের মাধ্যমে সার পরিবহণ ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বাতিল চাওয়া হয়। আগের নিয়মেই সার পরিবহণে ফিরতে সরকারকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয় উচ্চ আদালতে। ১৫ নভেম্বর বিচারপতি মামনুন রহমান এবং বিচারপতি খন্দকার দিলিরুজ্জামানের দ্বৈত বেঞ্চ বিসিআইসির ওই প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে চার সপ্তাহের রুল জারি করে বেশকিছু নির্দেশনা প্রদান করেন। যা সামগ্রিক অর্থে কৃষকদের জন্য সুফল বয়ে আনবে বলে মনে করছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে ধানের দাম কমায় দুশ্চিন্তায় কৃষক
কৃষি বিভাগ

বাজারে নতুন ধানের সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই কমতে শুরু করেছে ধানের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭৫ কেজির প্রতি বস্তা ধানের দাম কমেছে প্রকারভেদে ১শ থেকে দেড়শ টাকা। ধানের দাম কমতে শুরু করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। সদর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ধানের হাট গোপালগঞ্জে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ধানের সরবরাহ বেড়েছে।

হাট-সংশ্লিষ্টরা জানান, নভেম্বর মাসের শুরু থেকে বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন আমন। ক্রমান্বয়ে সরবরাহও বাড়ছে। গত সপ্তাহে গোপালগঞ্জ ধানের হাটে ধান উঠেছিল ৫শ বস্তার মতো। সোমবার বাজারে ১ হাজারেরও বেশি বস্তা ধান উঠেছে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হওয়ায় বাজারে নতুন ধানের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান হাট-সংশ্লিষ্টরা।

বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কমতে শুরু করেছে ধানের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭৫ কেজির প্রতি বস্তায় ধানের দাম কমেছে ১শ থেকে ১৫০ টাকা। গত এক সপ্তাহ আগে প্রতিবস্তা গুটি স্বর্ণা ধান বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার ৩০ টাকায়, সোমবার তা নেমে এসেছে ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। অনুরূপ কটরাপারী ২ হাজার ১০ টাকা থেকে নেমে ১ হাজার ৯২০ টাকায়, বিনা-৭ জাতের ধান ২ হাজার ২শ থেকে নেমে ২ হাজার ৫০ টাকায় এবং প্রতি বস্তা সুমন স্বর্ণ জাতের ধান ২ হাজার ৭০ থেকে নেমে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিআর-৫১ জাতের ধানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ধানের দাম কমতে শুরু করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। বাজারে ধান বিক্রি করতে আসা সদর উপজেলার কৃষক নাজির হোসেন বলেন, আমরা ভেবেছিলাম-যতই দিন যাবে, ততই ধানের দাম বাড়বে। কিন্তু দাম বৃদ্ধির পরিবর্তে গত সপ্তাহের তুলনায় আজ ধানের দাম কমেছে। এতে হতাশ তিনি। ধান বিক্রি করতে আসা বিরল উপজেলার কানাইবাড়ী এলাকার কৃষক গোলাম মোস্তফা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ধান আবাদ করতে গিয়ে খরচ হয়েছে বেশি। পোকার হাত রক্ষায় এবার আমন ক্ষেতে অধিক পরিমাণে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়েছে। এতে ফলন ভালো হলেও উৎপাদন খরচ পড়েছে বেশি। তাই ধানের ভালো দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে তাদের। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি।

বাজারে ধান ক্রেতারা জানান, মিল-মালিকরা যে দামে ধান কিনছে, সেই অনুযায়ীই তাদের ধান কিনতে হয়। বেশি দামে ধান কিনলে লোকসান গুনতে হবে তাদের। গোপালগঞ্জ পাইকারি ধান ক্রেতা বিভাকর বসাক জানান, কাটা-মাড়াই কেবল শুরু হয়েছে। নতুন অবস্থায় বাজার একটু উঠানামা করতেই পারে। কারণ এখনো বোঝা যাচ্ছে না প্রকৃত অবস্থা। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে ক্রেতার তুলনায় ধান বেশি হওয়ায় বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে কিছুটা প্রতিকূল অবস্থা গেলেও এবার দিনাজপুরে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার আশানুরূপ ফলন হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভালো থাকলে কৃষকরা আমন আবাদ করে লাভবানই হবেন।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ জানান, জেলায় চলতি আমন মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় এবার জেলায় চালের উৎপাদন ৭ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৯:৪১ অপরাহ্ন
কৃষি কর্মসংস্থানে আফ্রিকায় জমি লিজ নিতে চায় বাংলাদেশ
কৃষি বিভাগ

কন্ট্রাক্ট ফার্মিং করতে আফ্রিকায় জমি লিজ নিতে চায় বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়েছে। এই সভায় যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

সভায় বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র সচিব, কৃষি, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশি কৃষক ও উদ্যোক্তাদের দ্বারা আফ্রিকান দেশগুলোতে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ করার উপায় ও কৌশল নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, আফ্রিকার দেশগুলোতে জমি লিজ দিয়ে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক ও কৃষকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তিনি পরামর্শ দেন, আফ্রিকান দেশগুলোতে আমাদের শান্তিরক্ষা মিশনগুলো চুক্তিতে চাষের সুযোগের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

তিনি কৃষিক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতির সঙ্গে পরিচিত করতে আফ্রিকান দেশগুলোর সাথে কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ বিনিময় করার কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যা রয়েছে, তাই চুক্তিভিত্তিক কৃষি বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি কার্যকর উৎস হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কৃষকরা আফ্রিকার দেশগুলোতে যে পণ্যগুলি উৎপাদন করবে তা আমদানি ও বাণিজ্যিকী করণের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করা যেতে পারে। তিনি এ বিষয়ে আফ্রিকার উপযুক্ত দেশগুলোকে চিহ্নিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
আমন ধান সংগ্রহ অভিযান সফল করার আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আমন সংগ্রহ অভিযান সফল করতে খাদ্য বিভাগের মাঠ কর্মকর্তাদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, কৃষকের আমন ফসল উৎপাদন ভালো হয়েছে। সরকার আমন ধান ও চালের যৌক্তিক দামও নির্ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সচিবালয় থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ অভিযান ২০২১-২২ এর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যে সকল জেলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকিউরমেন্ট শতভাগ অর্জিত হবে, প্রয়োজনে তাদের আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। যে সকল জেলায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে না তাদের জবাবদিহি করতে হবে।

উত্তরাঞ্চলকে শষ্য ভান্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অঞ্চল থেকে বেশি ধান সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। ধান-চাল সংগ্রহকালে কোনো কৃষক কিংবা মিল মালিক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ধান চালের অভাব নেই। বিগত সময়ে ২৯ লাখ মেট্রিক টন আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে ৮ লাখ মেট্রিক টন। এ সময়ে দেশে চালের অভাব হয়নি। এতে প্রমাণ হয় চালের যথেষ্ঠ মজুত থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ চালের মজুদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।

তিনি বলেন, মিল মালিকদের শুধু লাভের কথা চিন্তা করলেই হবেনা। ভোক্তার দিকেও নজর রাখতে হবে। এ সময় তিনি মিল মালিকদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন‍ ‘ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

জানুয়ারি মাসের মধ্যে আমন সংগ্রহ সম্পন্ন করতে খাদ্য বিভাগের মাঠ কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবহাওয়া অনুকূলে আছে। এখনই প্রকিউরমেন্ট জোরদার করতে হবে। কোনো ভাবেই গাছাড়া ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

অবৈধ মজুতদারীর বিরুদ্ধে মনিটরিং জোরদার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফুড গ্রেড লাইসেন্স ছাড়া কেউ খাদ্য শষ্য মজুদ করতে পারবে না। ফুড গ্রেড লাইসেন্সধারীকে পাক্ষিক ক্রয় বিক্রয়ের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- খাদ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান ও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

খাদ্য অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মিল মালিকরা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে বার্ষিক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

‘কৃষি হলে পরিবেশ বান্ধব ও প্রকৃতি নির্ভর কৃষক হবে স্বনির্ভর’ এই স্লোগানে মানিকগঞ্জে বার্ষিক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১০ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটি, কৃষক গবেষণা ফোরাম ও বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি করম আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ রওশন আলম।

অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাহমিনা শহিদ, জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, বায়ড়া ইউনিয়ন কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক অতীন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব, জেলা পরিষদের সদস্য শামীমা চায়না, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (বারসিক) বিমল রায় ও প্রান্তিক কৃষকরা।

সম্মেলন শেষে জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৩:১১ অপরাহ্ন
সখীপুরে নাবী পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নাবী পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য করেন পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আতাউর রহমান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ান্তা বর্মণ, জেলা পাট কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান খান, উপজেলা পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. সবুজ মিয়া, পরিদর্শক রমেশচন্দ্র সূত্রধর, জহির রায়হান প্রমুখ।

এ সময় প্রত্যেক কৃষককে একটি পাটের ব্যাগ ও পাঁচশত টাকা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ২:৪৩ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম
কৃষি বিভাগ

এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে আবারও ৩ টাকা কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা। গতকাল যা বিক্রি হয়েছে ২৩ টাকায়। আমদানি বেশি হওয়াতে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা।অন্যদিকে তিন দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি ২০ টাকা কমেছে কাঁচা মরিচের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, যা তিন দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়। দেশের বাজারে দেশিয় মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াতেই কমতে শুরু করেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

হিলি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি হওয়াতে দাম কমেছে। তবে দাম কমলেও ক্রেতা নেই বলছেন ব্যবসায়ীরা। গত এক সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে গেছে পেঁয়াজের দাম।

কাঁচা মরিচ কিনতে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, হিলি বাজারে মরিচের দাম কমেছে। সেই জন্য আজকে ৫ কেজি কাঁচা মরিচ কিনলাম। তবে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০ টাকার মধ্যে থাকতো তবে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ বলেন, সম্প্রতি ভারত হতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দেশের বাজারে সেই তুলনায় চাহিদা কম রয়েছে। চাহিদা কম হওয়াতে দাম কমতে শুরু করেছে। সেই সাথে দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আগামীতে আরো কমতে পারে পেঁয়াজের দাম বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন ব্যবসায়ীরা আপাতত ভারত থেকে কোন প্রকার কাঁচা মরিচ আমদানি করছেন না। কারণ দেশিয় বাজারে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ভাল হয়েছে এবং প্রচুর পরিমান সরবরাহ রয়েছে। 

 

 

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop