৩:০৫ অপরাহ্ন

রবিবার, ৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২৩ ৭:২০ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে ‘বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

দীন মোহাম্মদ দীনু: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যায়ে (বাকৃবি) ‘বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মূল বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ আবহাওয়া বিভাগের প্রধান ড. মো. শামীম হাসান ভুইঁয়া।পরে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ‘কৃষি আবহাওয়া তথ্য উন্নয়ন প্রকল্প’ এর অর্থায়নে

এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এ.বি.এম আরিফ হাসান খান রবিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং এগ্রোমেটেরিওলজি বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা।

মূল বক্তব্যে ড. মো. শামীম হাসান ভূঁইয়া বলেন, জলবায়ুর যে কোনো পরিবর্তন  পরিবেশ এবং এর বাসিন্দাদের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী ফ্যাক্টর যা জীবের জীবনধারা নিয়ন্ত্রণ করে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলি ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটিয়েছে। জীবন ও সম্পত্তির এই ক্ষয়ক্ষতিগুলি জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে কিনা তা প্রশ্ন তোলে।তিনি আরও জানান বিভিন্ন উপজেলায় বর্তমানে ২৭৪টি আবহাওয়া পর্যেবক্ষণাগার বসানো হয়েছে। স্থবির কুয়াশার পূর্বাভাসের মাধ্যমে ছত্রাকজনিত রোগের পূর্বাভাস পাওয়া যাবে।
এছাড়া ১৩টি ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে এখন ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয়। এতে অনেক তাড়াতাড়ি ও সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২৩ ৭:০০ অপরাহ্ন
খুবিতে কুয়াসের উদ্যোগে ন্যাচার বেসড সল্যুশন বুট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
কৃষি গবেষনা

‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এসোসিয়েশন অফ স্টুডেন্টস ইন এগ্রিকালচারাল এন্ড রিলেটেড সাইন্স’ (কুয়াস) ক্লাবের উদ্যোগে ‘Nature based Solution Boot-Camp’ শীর্ষক সেমিনার নুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ আগস্ট) স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উঠানে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

‘প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান’ এ প্রতিযোগিতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন থেকে মোট ১৫ টি দল অংশগ্রহণ করে। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় দল হিসেবে নাম লেখায় ব্যাক স্পেসার ও রিসাইকেল পিয়েল।

উল্লেখ্য, টিম রিসাইকেল পিয়েল-বায়োএনজাইম-বিষাক্ত রাসায়নিক ক্লিনজারের চূড়ান্ত প্রাকৃতিক সমাধান দেখান। ‘সবুজ ফিল্টার’ : একটি বায়োইনস্পায়ারড কম খরচে কম শক্তি চালিত জল ডিস্যালিনেশন মেকানিজম গ্রিন মস ব্যবহার করে তাদের প্রাকৃতিক সমাধান দেখান ক্যাম্পের শীর্ষ দল ব্যাক স্পেসার।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় রাউন্ডে বিজয়ীরা ন্যাশনাল রাউন্ডে অংশগ্রহণ করবেন এবং সেখানকার বিজয়ীরা নেদারল্যান্ডসের ওয়েনিংগেন ইউনিভার্সিটি এন্ড রিসার্চ এর শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন কুয়াস এর সভাপতি অভিজিৎ কুমার পাল। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন।

অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে ছিলেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মতিউল ইসলাম, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মাসুদুর রহমান ও বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনেের প্রফেসর ড.কাজী মুহাম্মাদ দিদারুল ইসলাম।

অতিথিরা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি কো-কারিকুলার এক্টিভিটি বাড়াতে হবে। তাদের ভাবনা থেকেই নতুন কিছু সৃষ্টি হবে। তারা মনে করেন শিক্ষার্থীদের ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে এই ক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২৩ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
কানাইঘাটে বালাইনাশকের নিরাপদ ব্যবহার শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় কৃষি অফিসের উদ্যোগে ১ আগস্ট দুপুর ১২ ঘটিকার সময় কৃষি অফিসের হল রুমে  বালাইনাশক বিক্রেতা, কোম্পানী প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও ডিএই কর্মকর্তাদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে  উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের  সিলেট অঞ্চলের উপ পরিচালক ড. মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট জেলার অতিরিক্ত উপ -পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: এমদাদুল হক এর সভাপতিত্বে ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ হায়দার আলি টুটুল এর পরিচালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোজাদ্দেদ আহমেদ,উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বৃন্দ, উপজেলার সার ও কীটনাশক বিক্রেতায় জড়িত ডিলার বৃন্দ এবং বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানির প্রতিনিধি।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২০, ২০২৩ ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
ধানের ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতার ব্লাইট রোগ
কৃষি বিভাগ

ধানের রোগবালাইয়ের কারণে উৎপাদনে গড়ে ১০ শতাংশ হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে, সঠিক পদ্ধতিতে সঠিক সময়ে প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে তা ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে। অধিক উৎপাদন ও আয় পেতে ধানের প্রধান রোগ নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।

ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতার ব্লাইট রোগ

Xanthomonas oryzae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এই রোগ হয়, এই রোগে পাতার উপরের অংশ থেকে শুরু করে এক বা উভয় প্রান্ত দিয়ে নিচের দিকে শুকিয়ে যেতে থাকে। এবং পাতা ফ্যাকাশে হলুদ হয়ে যায়। এ রোগে আক্রান্ত গাছের পাতা শুকিয়ে যায় এবং দানা খালি থাকে যার কারণে উৎপাদনশীলতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়।

 

নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত

রোগমুক্ত প্রত্যয়িত বীজ ব্যবহার করতে হবে।

এই রোগের বিস্তার রোধ করার জন্য,সময়ে সময়ে নিষ্কাশন ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

মাটি পরীক্ষার পর নাইট্রোজেন সুষম পরিমাণে ব্যবহার করতে হবে,সুপারিশকৃত পরিমাণের বেশি নাইট্রোজেন ব্যবহার করলে এ রোগের বিস্তার ও বিস্তারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

 

এ রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ৭৫ গ্রাম এগ্রিমাইসিন ১০০ এবং ১.৫ কেজি কপার-অক্সিক্লোরাইড ৫০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে হেক্টর প্রতি তিন থেকে চার বার স্প্রে করতে হবে। এই রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই প্রথম স্প্রে করতে হবে এবং তারপরে প্রয়োজন অনুসারে ১০-১২ দিনের ব্যবধানে স্প্রে করতে হবে।

এলাকা নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধী ও প্রত্যয়িত স্ট্রেইনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

 

খাপ ব্লাইট (ঝলসে যাওয়া)

এই রোগের উপসর্গ সাধারণত পাতায় ও পাতার খাপে ২-৩ সেন্টিমিটার লম্বা এবং কিছুটা সবুজ বাদামী রঙের দাগের আকারে দেখা যায়, যা পরে হালকা হলুদে পরিণত হয় যা কিছুটা নীলাভ ধূসর বর্ণে পরিণত হয়। বেল্ট।  এই রোগের লক্ষণগুলি সাধারণত ২-৩ সেন্টিমিটার লম্বা দাগের আকারে দেখা যায় এবং পাতা এবং পাতার চাদরে সামান্য সবুজ বাদামী বর্ণ ধারণ করে যা পরে হালকা হলুদে পরিণত হয় যা কিছুটা নীলাভ ধূসর বর্ণে পরিণত হয়। বেল্ট তীব্র সংক্রমণের সময়, স্ক্লেরোটিয়া দানার উপরও তৈরি হয় এবং দানাগুলি অসুস্থ কানে খালি থাকে। ঘন রোপণ এবং অতিরিক্ত পরিমাণে নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার এই রোগের বিকাশ ও বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

 

নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি

ক) ঘনভাবে রোপণ করবেন না।

খ) অতিরিক্ত নাইট্রোজেন সার ব্যবহার করবেন না।

গ) মাটি পরীক্ষার পর সুষম নাইট্রোজেন সার প্রয়োগ করুন।

ঘ) ফসলের ঘূর্ণন অনুসরণ করুন।

ঙ) সংক্রমিত ও রোগাক্রান্ত গাছপালা এবং ফসলের অবশিষ্টাংশ সংগ্রহ করে নিরাপদ স্থানে পুড়িয়ে ফেলুন।

চ) এর প্রতিরোধের জন্য কার্বেনডোজিম 50 ডব্লিউপি 500 গ্রাম বা হেক্সোকোনাজল 500 মিলি 500 লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি হেক্টর হারে আক্রান্ত ধান ফসলে স্প্রে করতে হবে।

ছ) ফসলে এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলে নাইট্রোজেন সারের পরিমাণ কমাতে হবে এবং পটাশ ব্যবহার করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২৩ ৮:৩৯ পূর্বাহ্ন
যশোরে পাট চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

যশোরে পাট চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। পাট চাষে লাভবান হওয়ায় যশোরের শার্শা উপজেলার কৃষকদের মধ্যে পাট চাষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় এবারও লাভের আশা করছেন চাষিরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শার্শা উপজেলায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগের বছরের মতো এবারও পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। শার্শা উপজেলা অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা হওয়ায় সেখানে পাটের আবাদ কিছুটা বেশি হয় থাকে।

স্থানীয় পাট চাষিরা বলেন, প্রত্যেক বিঘা জমিতে পাট চাষে বীজ, সার, কীটনাশক, পরিচর্যা ও আনুসাঙ্গিক খরচসহ রোদে শুকিয়ে তা ঘরে তোলা পর্যন্ত ১৬-১৮ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। ফলন ভালো হলে আমরা লাভবান হতে পারবো বলে আশা করছি।

শার্শা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা জানান, এবারের মৌসুমে শার্শা উপজেলায় পাট চাষ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতে পাটের চাষ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২৩ ৩:৩০ অপরাহ্ন
পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

দেশের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ‘কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা জেরদারকরণ প্রকল্প’ এর অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

১০ জুন রাজধানীর খামরাবাড়ির আ.কা.মু. গিয়াস উদ্দীন মিলকী অডিটরিয়ামে এ কর্মশালার আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার। তিনি বলেন, আমাদের এখন প্রায় ১৭ কোটি মানুষ। দিন দিন আবাদি জমির পরিমান কমে যাচ্ছে। বর্তমানে ৮০-৮৫ লাখ হেক্টর আবাদি জমি রয়েছে। এ জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার আমাদের করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উক্তি ‘দেশে এক ইঞ্চি জমি অনাবাদি থাকবে না’। এ কথাটার অনেক গভীরতা আছে। আমাদেরকে বিভিন্ন আধুনিক প্রযক্তির মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পুষ্টির বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সুচারুভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ, ডিএই’র পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের পরিচালক মো. রেজাউল করিম, প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের পরিচালক মো. জয়নাল আবেদিন, কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক ড. সুরজিত সাহা রায়। প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন প্রকল্প পরিচালক মো. বনি আমিন।

কর্মশালায় জানানো হয়, দেশের ৪৯ জেলার ১৫৫ উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ১৪৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ৭২ হাজার টাকা। ২০২৭ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে লীড এজেন্সী হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সহযোগী সংস্থা হিসেবে থাকবে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)।

প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, বিদ্যমান শস্য বিন্যাস পরিবর্তন ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদনশীলতা বর্তমান অবস্থা থেকে ৮-১০% বৃদ্ধি করা, ১৩ হাজার ৭১৮টি বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী স্থাপন, ১৫৫টি পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ ফসল গ্রাম সৃজন, ৩ লাখ ৮ হাজার ৬১৮টি কৃষক পরিবারের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, ৩৭ হাজার ২০০ জন কৃষক-কৃষাণির আয়বর্ধন কাজে সম্পৃক্তকরণ, ৬ হাজার ৩৬০ ব্যাচ কৃষক, কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ ও বারটানের আঞ্চলিক কার্যালয়ে ৭টি মিনি নিউট্রিশন ল্যাব স্থাপন করা হবে। এছাড়াও প্রকল্পের পটভূমিতে বলা হয়েছে, দেশের চর, হাওর, আদিবাসি অধ্যুষিত এলাকার খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা মেটানো, ডাইভারসিফাইড শস্য উৎপাদন, উন্নত কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পের এ অবহিতকরণ কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বারটানের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ২শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২৩ ৭:৩৮ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহে আউশ আবাদে সমস্যা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে করণীয় ‘শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা ও কৃষক পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতাভুক্ত জেলাসমূহ ‘আউশ আবাদে সমস্যা ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে করণীয় ‘শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা ও কৃষক পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠান শনিবার ১০ জুন ২০২৩ বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা ) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া। ডিএই এর পরিচালক সরেজমিন উইং এর পরিচালক কৃষিবিদ মো:তাজুল ইসলাম পাটোয়ারী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক কৃষিবিদ ড.মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম এবং ডিএই এর অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ সুশান্ত কুমার প্রামানিক, অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো আশরাফ উদ্দিন ।অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাকৃবির কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড.মো: রমিজ উদ্দিন। কর্মশালায় অতিথিগণ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দেন এবং মাঠের প্রকৃত অবস্থা জানার চেষ্টা করেন। আউশ ধান এর ব্যাপক বিস্তারে নানাবিধ প্রস্তাবনা জানতে চান। কর্মশালার দ্বিতীয় পর্বে কৃষক পুরষ্কার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রকল্প এলাকার কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় যোগ দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২৩ ২:১৫ অপরাহ্ন
জিসিএসবি আয়োজিত জেরিয়াট্রিক কেয়ার ইন বাংলাদেশ : এন ওভারভিউ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠি
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: নবীনদের কাছে প্রবীনদের গুরুত্ব তুলে ধরা, বার্ধক্যকালীন সময়ে প্রবীনদের সম্মানিত করার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন এবং নবীনের হাত ধরে প্রবীণের নিরাপদ বার্ধক্য’ এই স্লোগানকে ধারণ করে জেরিয়াট্রিক কেয়ার সাপোর্ট বাংলাদেশ (জিসিএসবি)-এর আয়োজনে ‘জেরিয়াট্রিক কেয়ার ইন বাংলাদেশ : এন ওভারভিউ ” শীর্ষক সেমিনার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (২০ মে ২০২৩ ) সকাল ১০টায় জিসিএসবি’র সভাপতি ডাঃ কাজী মোঃ ইস্রাফীলের সভাপতিত্বে বারডেম হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে (৩য় তলা) অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল নিউট্রিশন কাউন্সিল এর মহাপরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বারডেম জেনারেল হসপিটাল এর মহাপরিচালক প্রফেসর ডা এমকেআই কাইয়ুম চৌধুরী,ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল এর সিইও প্রফেসর ডা.এমএ রশীদ । সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা.অরুপ রতন চৌধুরী।


জিসিএসবি এর দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করেন জিসিএসটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ অনুপম হোসাইন।তিনি তার বক্তব্যে বলেন জিসিএসবি স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ শীঘ্রই প্রবীণ নাগরিক বান্ধব দেশ হিসাবে বিশ্বে পরিচিত হবে। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। বিয়য়ভিত্তিক আলোচনা করেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক ডা.আরীফ মোরশেদ খান। নিপসমের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ নাসরিন সুলতানা। বক্তব্য রাখেন জিসিএসবি সাধারণ সম্পাদক শাহনাজ শাম্মি, সেমিনার আয়োজক কমিটির সদস্য-সচিব সিএম সাইফুল ইসলাম।
সেমিনারে মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। 
বক্তারা বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে নবীনরা প্রবীণদের সম্মান করার ক্ ক্ষেত্রে তাদের মানসিক পরিবর্তনের পাথেয় খুঁজে পাবে। জেরিয়াট্রিক কেয়ার সাপোর্ট টিমের এমন ব্যতিক্রমী
এবং সময়োপযোগী কর্মকান্ড অব্যাহত রাখার জন্য আহবান জানান।
সেমিনারে প্রায় ২০০ জন জিসিএসবি সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৪, ২০২৩ ৫:০৫ অপরাহ্ন
ক্ষুদ্র এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যে বাকৃবিতে খাদ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনী
কৃষি বিভাগ

মাইক্রো, ছোট, মাঝারি উদ্যোক্তরা ফুড বেভারেজের ৯৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে। একটা বয়সের পর শরীরে ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয় । যার মূল কারণ শরীরে সঠিকভাবে পুষ্টি গ্রহণ না করা। কথাগুলো বলেছেন প্রফেসর ড.লুৎফুল হাসান উপাচার্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) স্বাস্থ্যকর খাদ্য পণ্য নিশ্চিত করণে ক্ষুদ্র এবং মাঝারি (এমএসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় খাদ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই প্রদশর্নী গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এমএসএমইকে সঠিকভাবেভাবে পরিচালনা করতে পারলে একটি বৃহৎগোষ্ঠী উপকৃত হবে।

রোববার (১৪ মে) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিসের সম্মেলন কক্ষে ওই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাকৃবির ফুড টেকনোলজি এবং গ্রামীণ শিল্প বিভাগ এবং গ্লোবাল এলায়েন্স ফোর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আলোচনা সভায় ফুড টেকনোলজি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. আফজাল রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন (ভার্চুয়ালি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপদ কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম, বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জাতীয় সমিতির( নাসিবের) সভাপতি মো নুরুল গনি।

এছাড়া নাসিবের ময়মনসিংহ ও জাতীয় পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনের সামনের মুক্তমঞ্চে একটি খাদ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এখানে ৭ টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন খাদ্য পণ্য প্রদর্শন করা হয়। যেগুলো প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রক্রিয়াকরণ করে তৈরি করা হয়েছে।

প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।
এ সময় প্রকল্প প্রধান ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ বলেন, শিল্প কারখানাগুলোর খাদ্য পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে যথেষ্ট জ্ঞানের অভাব আছে। তাই ইন্ডাস্ট্রি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন করতে আমরা এই প্রোগ্রামের আয়োজন করেছি। এতে জ্ঞান ভাগাভাগির মাধ্যমে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে। গেইনের সাথে বাকৃবির প্রজেক্ট চলছে । এর একটি উদ্দেশ্য হলো মার্কেটে প্রচলিত কম খরচের খাদ্য পণ্যগুলো শনাক্তকরণ, যা খাদ্য নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে খাদ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনী ক্ষুদ্র এবং মাঝারি উদ্যোগক্তাদের শক্তিশালী করে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের সক্ষমতা অর্জনই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. আব্দুল আলিম বলেন, এমএসএমই চাইলেই সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার প্রধান করতে পারে না। পণ্য উৎপাদনের জন্য তাদের ক্ষুদ্র অর্থ প্রদান করা হয়, যার জন্য চাইলেও স্বাস্থ্যকর খাবার প্রদান করতে পারে না। কারণ ভোক্তারা স্বাস্থ্যকর খাবার থেকেও বেশি তারা দাম কমের দিকে নজর বেশি দেয়। সরকার এখন বিভিন্ন প্রোগ্রামের মাধ্যমে এমএসএমইকে সমর্থন করে থাকে কারণ তা না হলে বড় কোম্পানিগুলো এইসব পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে অনেক সুবিধা ভোগ করবে। তাই প্রত্যেক জেলার এমএসএমএইকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খাবার গুণগত মান উন্নয়ন করণে প্রদর্শন ও প্রোগ্রামের আয়োজন করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৪, ২০২৩ ১:৩৯ অপরাহ্ন
মোখা আতঙ্কে ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত বরিশালের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে ধানে ভালো ফলন হওয়ায় খুশি দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা। এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোখা তাদের চিন্তিত করে তুলেছে। আর তাই এখন পুরোদমে চলছে মাঠে থাকা পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা। যদিও শ্রমিক সঙ্কটে কিছুটা হতাশা রয়েছে, তারপরও কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে জমিতে থাকা প্রায় ৯০ ভাগ ধান ইতোমধ্যে কাটা হয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় জমিতে থাকা বাকি ধান কেটে দ্রুত ঘরে তোলার আহ্বান জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগ ও আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, যদি প্রবল শক্তি নিয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করে ঘূর্ণিঝড় মোখা, তাহলে উপকূলের নিচু এলাকা প্লাবিত হবে। সেই সাথে ভারী বর্ষণ ও ঝড়ো বাতাসে পাকা ধান গাছের ক্ষতি হতে পারে। তাই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই উপকূলীয় এলাকায় ধান পেকে যাওয়ায় তা কেটে তোলার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

বরিশাল বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে বিভাগের ছয় জেলায় বোরো আবাদের ল্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৯৩ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে। আর আবাদ হয়েছে এক লাখ ৯৪ হাজার ২৩৩ হেক্টর জমিতে।

এ দিকে ঘূর্ণিঝড় মোখা সম্পর্কে আগেভাগেই সতর্ক ছিল বরিশাল কৃষি বিভাগ। বিরূপ আবহাওয়ায় ফসলের যাতে ক্ষতি না হয় সে লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কৃষকদের সচেতন করার পাশাপাশি বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিভাগের ছয় জেলায় প্রায় ৯০ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। আর ধান কাটতে গত তিন দিন ধরে ব্যস্ত সময় পার করেছেন বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের কৃষকরা। এর মধ্যে যারা শ্রমিক পাচ্ছেন না- সেসব কৃষক পরিবারের পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও এগিয়ে এসেছেন ধান কাটায় সাহায্য করতে।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের উলাল বাটনার ধানের জমির মালিকরা জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখা তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। অতিরিক্ত টাকা দিয়েও শ্রমিক পাচ্ছেন না ধান কাটার।

এ দিকে বরিশাল সদর উপজেলার কৃষক শুক্কুর মিয়া জানিয়েছেন, সারের মূল্য বৃদ্ধিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও আবহাওয়ার কারণে বোরো ধানের ফলন এবার ভালো হয়েছে। ধান পেকে যাওয়ায় কেটেও ফেলেছেন অনেকে। এখন ন্যায্য দাম পাওয়ার অপেক্ষা। তবে ভালো দাম না পেলে ব্যয় ওঠা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বরিশালের উপ-পরিচালক মুরাদুল হাসান জানান, বরিশাল জেলায় ৬১ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ ভাগ ধান কাটা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ শওকত ওসমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে উদ্ভূত সমস্যা মোকাবেলা এবং ফসল রার জন্য আগেভাগেই মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করা হয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ ভাগ ধান কাটা সম্ভব হয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop