৭:৫৩ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৯, ২০২২ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
গোপালগঞ্জে পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পান চাষীরা
কৃষি বিভাগ

গোপালগঞ্জে পানের বরজে পোকার আক্রমণে বিপাকে পড়েছে পান চাষীরা। ছত্রাক, পাতা পঁচা, কুঁচকে যাওয়া এবং পাতায় ছিটা দাগে নষ্ট হচ্ছে বরজের পান।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে তেমন পরামর্শ বা সহায়তা তাঁরা পাননি। তবে, কৃষি বিভাগ বলছে, সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

ক্ষুদ্র পরিসরে গোপালগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে পান চাষ হচ্ছে। সদর, কাশিয়ানী এবং মুকসুদপুরে বাংলা, মিঠা, দেশি ও ঝালি জাতের পান চাষ করছে কৃষকরা। করোনা অতিমারির কারণে গত বছর পানের ভালো দাম পায়নি। এবছর সেই ক্ষতি কাটিয়ে লাভের আশা করছিলেন। তবে, বরজে পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা।

চাষিদের অভিযোগ, পানে পোকার আক্রমণ নিয়ে কৃষি বিভাগের কোন সহযোগিতা পাননি।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দু কুমার রায় জানালেন, পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচতে বরজের চারপাশে বেড়া দিয়ে ঢেকে রাখাসহ প্রয়োজনীয় কীটনাশক ছিটানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৯, ২০২২ ১:৫৫ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভবনা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।উপজেলার বিস্তৃণ মাঠ জুড়ে এখন শুধু ভুট্টার উঠতি চারা শোভা পাচ্ছে। ঝিলমিল করে বাতাসে দুলছে ভুট্টার সবুজপাতা। কৃষকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে মাঠ থেকে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলার জন্য।

নাগরপুর উপজেলার অধিকাংশ প্রান্তিক চাষীরা গত কয়েক বছর যাবৎ ভুট্টার চাষ করে আসছে।অন্য ফসলের তুলনায় কম খরচে বেশি লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা চাষে কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভুট্টা চাষে কীটনাশক ও সেচ তেমন বেশি দিতে হয় না। বর্তমানে আটার বিকল্প ও গো খাদ্য হিসেবে ভুট্টা ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। তাছাড়া পোল্ট্রী শিল্পের জন্যও ভুট্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

বিঘা প্রতি আট থেকে দশ হাজার টাকা খরচ করে চাষীরা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার ভুট্টা বিক্রী করতে পারে। চলতি মৌসুমে ফলনের ভাল হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি ।

কৃষক আব্দুল জলিল ও রশিদ মিয়া জানান, ভুট্টার চাষ খুবই লাভজনক। সেচ ও কীটনাশক কম লাগে। আবার ভুট্টা ঘরে তুলার পর জমিতে পাট ও ধানের আবাদ করা যায়। একবিঘা জমিতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ মন ভুট্টা হয় যা ধানে তুলনায় অনেক বেশী। কৃষি বিভাগের পর্যাপ্ত সহযোগীতা পাওয়া গেলে তারা আরো বেশী লাভবান হবেন বলেও জানান।

মামুদনগর ইউনিয়নের ভুট্টা চাষী মো. আলী বলেন, ধানের চেয়ে ভুট্টা মারাই করা সহজ। এক জমিতে ভুট্টাসহ তিনটি ফসল আবাদ করা যায়। ভুট্টা চাষে খরচ কম হওযায় লাভ বেশী। অন্য বছরের তুলনায় এবার ফলন ভাল হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বিশ্বাস বলেন, চলতি মৌসুমে নাগরপুর উপজেলায় ১৫ শত হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এবার ১৮ হাজার একশত ৬০ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপাদিত হবে। কৃষি বিভাগ ভুট্টা চাষ বৃদ্ধি করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন ও সহোযোতিা করছে বলেও তিনি জানান।

ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং একই সাথে আগামীতে নাগরপুর উপজেলায় ভুট্টার আবাদ আরো বাড়বে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ঠদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২২ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
বরিশালের মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে কৃষিবিদদের সংবর্ধনা
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খানকে পদোন্নতিজনিত সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। রবিবার রাতে নগরীর ব্রি’র সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) উদ্যোগে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেআইবি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দও।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. নুরুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার প্রলয় চিচিম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, এনএসআই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. খালেকুজ্জামান, অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএম আশুতোষ চন্দ্র শিকদার, ডিএই পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, এটিআই’র সাবেক অধ্যক্ষ নিখিল রঞ্জন মন্ডল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকে কর্মরত সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার কৃষিবিদ একেএম সেলিম আহমেদকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন বিপিএম (বার) অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি কৃষিবিদ পরিবারের একজন সদস্য। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক কৃষিবিদ অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৭, ২০২২ ৪:১৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় ফসলি জমিতে কীটনাশক ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে ফসলি জমিতে কীটনাশক ছড়ানোর কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে কুমিল্লার কৃষকরা। কীটনাশক প্রয়োগের সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মানা জরুরি হলেও কৃষকরা এসবের তোয়াক্কা করছেন না।এর ফলে শ্বাসকষ্ট ও কিডনির রোগসহ বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা।

কুমিল্লা জেলায় চাষাবাদের সময় জমিতে ব্যবহার করা হয় কীটনাশক। যা পোঁকা-মাকড় দমনে ব্যবহার করা হলেও সঠিক উপায়ে ও পরিমাণমত এসব কীটনাশকের ব্যবহার জানা নেই তাদের।তাই অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটানোর কারণে বেশীরভাগই কৃষকদের জন্য তা ক্ষতিকর। সে সব নিয়মের তোয়াক্কা করছেন না কৃষকরা।

ফলে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন তারা। কিন্তু এ ব্যাপারে উদাসীনতা দূর হচ্ছে না।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ক্ষেতে কীটনাশক দেয়ার সময় স্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন নিয়মকানুন মানার জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু তা কোন কাজেই আসছে না।

কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৯:০৩ অপরাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বারির উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ এবং মুগের বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাকেরগঞ্জে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কামারখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সালেহ উদ্দিন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার।

সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাজী নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুঠিয়া আইডিয়াল কলেজের সহকারি অধ্যাপক ড. এস.এম. মাহফুজুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস.এম. নাহিদ বিন রফিক, কামারখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম কবির, শরশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহআলম খান, কৃষক জয়নাল আবেদিন হাওলাদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ডালজাতীয় ফসল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই অন্যান্য ডালফসলের পাশাপাশি মুগের আবাদ বাড়ানো দরকার। এর উৎপাদন খরচ কম। বাজারমূল্য বেশি। ফলে মুগ আবাদে কৃষকরা লাভবান হবেন।

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান বলেন, বরিশাল অঞ্চলের মাটি মুগের জন্য উৎকৃষ্ট। তাই এর আবাদ সম্প্রসারণে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের সহায়তা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ১ বিঘা বিশিষ্ট প্লটের জন্য ৩ কেজি হারে ৭৫ জন চাষিকে বিনামূল্যে ২ শ’ ২৫ কেজি বারি মুগ-৬’র বীজ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৪:৫২ অপরাহ্ন
মেহেরপুরে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুরে কৃষিকে সনাতন পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণে প্রণোদনা কর্মসুচির আওতায় বোরো ধান রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষিবিভাগের আধুনিক সমলয় পদ্ধতিতে বীজতলা, ধান রোপণ ও কর্তনে বেশ আগ্রহী চাষীরা।

সদর উপজেলার নবীনগর মাঠে যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষামূলক ভাবে বোরো ধান রোপণ করা হচ্ছে।

ধান রোপণের ১৮ দিন আগে ৪শ’ কেজি উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের বীজ প্রথমে সাড়ে ৪ হাজার ট্রেতে স্থাপন করা হয়। ওই বীজতলার চারা দিয়ে ৫০ একর জমিতে ধান রোপণ করা হচ্ছে। কুয়াশা থেকে বাঁচাতে রাতে পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দেয়া হয়।

কৃষক আফসার আলী জানান, আগে আমরা চারা লাগাতে ১৫শ’ টাকা খরচ করতাম। এখন এই পদ্ধতিতে চাষে ৫-৬শ’ টাকা খরচ হয়। চারাও হয়েছে ভাল।

কৃষকরা বলছেন, প্রচলিত উপায়ে চাষাবাদে আগে বিঘাপ্রতি খরচ হতো ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। সমলয় পদ্ধতিতে খরচ হচ্ছে বিঘা প্রতি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

সরকারের যুগোপযোগি এ সিদ্ধান্তে মেহেরপুরে চলছে সমলয় পদ্ধতির ধান চাষ। অল্প জমিতে বেশি ফসল পেতে কৃষিকে করা হচ্ছে যান্ত্রিকীকরণ।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ বলেন, যেহেতু কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে তাই অল্প জমিতে যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির ছোঁয়া লাগিয়ে যাতে উৎপাদন বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কৃষিবিভাগ।

অল্প খরচে সমলয় পদ্ধতির ধান চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৪:২৯ অপরাহ্ন
একুশে পদক ২০২২ এর জন্য মনোনীত ২৪ জনের ৫ জনই কৃষিবিদ
কৃষি বিভাগ

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২২ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। উক্ত ২৪ জন ব্যক্তিত্বের মাঝে প্রথিতযশা কৃষিবিদ/ কৃষিবিজ্ঞানী রয়েছেন ৫ জন, এর মাঝে গবেষণায় অবদানের জন্য ৪ জন কৃষিবিদ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১ জন কৃষিবিদ । এ বছর যে সকল কৃষিবিদ একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তাঁরা হলেন-

১. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং খ্যাতনামা কৃষি অর্থনীতিবিদ ডঃ আব্দুস সাত্তার মন্ডল (গবেষণা)

২. দলগতভাবে গবেষণায় ধান গবেষোণা ইনস্টিটিউটের ৩ জন কৃষিবিদ – গবেষক ডঃ এনামুল হক, গবেষক ডঃ শাহানাজ সুলতানা, গবেষক ডঃ জান্নাতুল ফেরদৌস

৩. চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর গৌতম বুদ্ধ দাশ

একজন কৃষিবিদ হিসেবে ব্যাপারটি আমাদের সকলের জন্যেই গর্বের ও আনন্দের ।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি বোরো মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।ছয় জেলায় মোট ৩লাখ ৬৩ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে চলতি রবি-২০২১-২০২২ মৌসুমে ১৫ লাখ ৬২হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা।অতিরিক্ত ফলন অর্জনে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কৃষকদের বোরো ধান চাষে সবধনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা ভিত্তিক বোরো ধান চাষের জমির পরিমাণ এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে- যশোর জেলায় ১,৫৭,৮৮৫ হেক্টর জমিতে ৬লাখ ৮৮হাজার ১১৩ মেট্রিক টন চাল।ঝিনাইদহ জেলায় ৭৮হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে ৩লাখ ৩৯ হাজার ৪৯২ টন চাল।মাগুরা জেলায় ৩৬হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৫৪হাজার ১৩৩ টন চাল।কুষ্টিয়া জেলায় ৩৫হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৮ টন চাল। চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩৫হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৪৬হাজার ৩১৬ টন চাল এবং মেহেরপুর জেলায় ১৯হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে ৭৯হাজার ৬২১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

যশোর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক দীপংকর দাশ বলেন, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বোরো চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক কৃষকদের সহজ শর্তে ফসলি ঋণও প্রদান করেছে। গত কয়েক বছর যাবত বাজারে ধান ও চালের দাম ভালো পাওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা বোরো ধান চাষের ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

কৃষকেরা যাতে বোরো চাষে সফলতা আনতে পারেন সে ব্যাপারে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ২:০৭ অপরাহ্ন
বৃষ্টিতে জয়পুরহাট ও ঠাকুরগাঁওয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা
কৃষি বিভাগ

মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে জয়পুরহাট ও ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর রাত থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে জয়পুরহাট জেলার অধিকাংশ আলুক্ষেত ডুবে গেছে।

উৎপাদিত আলু হিমাগারে রাখার জন্য ক্ষেত পরিচর্যা করলেও অসময়ের বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলায় আলু, সরিষা, গম, বোরোর বীজতলা ও ভুট্টা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

জয়পুরহাটে এবার আলু চাষ হয়েছে মোট ৪০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে। এরই মধ্যে হিমাগারে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে জেলার প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির আলুক্ষেত পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। আর ১৫ থেকে ২০ দিন পর এই আলু কৃষকদের ঘরে তোলার কথা।

কিন্তু হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে ডুবে গেছে আলুর ক্ষেত। অধিকাংশ কৃষক এখন ডুবে যাওয়া আলুক্ষেতের পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার অনেকে আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কাদা-পানি উপেক্ষা করে আলু সংগ্রহ করছেন ক্ষেত থেকে।

জেলায় গত দু’দিনে ১৭ দশমিক ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও আলুর তেমন ক্ষতি হবে না বলছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তেমন লক্ষণীয় ক্ষতি হয় নাই। তবে আর যদি বৃষ্টি না হয় তখন আলু বা ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না।’

এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ক্ষেতে পানি জমে হেলে পড়েছে গম ও সরিষা। কিছু কিছু জমিতে পানি জমে হেলে পড়া সরিষা ক্ষেত ডুবে গেছে। এতে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। এছাড়া, বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে আলুরও। কৃষকরা কিছু কিছু জমি থেকে আগাম জাতের আলু তুললেও বেশির ভাগই এখনও উঠানো সম্ভব হয়নি। জমিতে পানি জমার কারণে আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারাও।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষেতে জমা পানি বের করে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। জরিপ করে ফসলের মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ১২:২০ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নষ্ট, বিপাকে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

মাঘের শীত আর ঘন কুয়াশার ফলে লালমনিরহাটের বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও লালচে আবার কোথাও কোথাও সাদাটে হয়ে গেছে চারা গাছ। জেলার শতকরা ২৫-৩০ ভাগ বীজ তলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

বীজতলা নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা গভীর সংকটে পড়েছেন চাষাবাদ নিয়ে।সংকট দেখা দিয়েছে বোরোর কাঙ্খিত লক্ষমাত্রা অর্জনে।

এদিকে বীজ ,সার ও জ্বালানী ও শ্রমিক মুজরি বেশী হওয়ায় কৃষকরা অর্থের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। এতে করে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন জেলার কৃষকরা।

চলতি বোরো মৌসুমে লালমনিরহাট জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে । এ লক্ষ্যে ২হাজার ৩৯৫’ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। কৃষকরা বীজতলা পরিচর্যার পাশাপাশি জমি প্রস্তুতের কাজ ও করছেন, চলছে সেচ ব্যবস্থার প্রস্তুতি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, শীতের কারণে চারা লাল হয়ে গেছে এখনই না লাগালে নষ্ট হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও বোরো উৎপাদনের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষি অধিদপ্তর পরামর্শ প্রদান ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop