১০:১২ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৯:০৩ অপরাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বারির উদ্যোগে কৃষক সমাবেশ এবং মুগের বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাকেরগঞ্জে কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কামারখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) পটুয়াখালীর সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বৃহত্তর বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের ডাল উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. সালেহ উদ্দিন।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার।

সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাজী নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গুঠিয়া আইডিয়াল কলেজের সহকারি অধ্যাপক ড. এস.এম. মাহফুজুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস.এম. নাহিদ বিন রফিক, কামারখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোলাম কবির, শরশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শাহআলম খান, কৃষক জয়নাল আবেদিন হাওলাদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ডালজাতীয় ফসল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তাই অন্যান্য ডালফসলের পাশাপাশি মুগের আবাদ বাড়ানো দরকার। এর উৎপাদন খরচ কম। বাজারমূল্য বেশি। ফলে মুগ আবাদে কৃষকরা লাভবান হবেন।

প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান বলেন, বরিশাল অঞ্চলের মাটি মুগের জন্য উৎকৃষ্ট। তাই এর আবাদ সম্প্রসারণে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের সহায়তা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ১ বিঘা বিশিষ্ট প্লটের জন্য ৩ কেজি হারে ৭৫ জন চাষিকে বিনামূল্যে ২ শ’ ২৫ কেজি বারি মুগ-৬’র বীজ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৪:৫২ অপরাহ্ন
মেহেরপুরে সমলয় পদ্ধতিতে ধান চাষ
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুরে কৃষিকে সনাতন পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণে প্রণোদনা কর্মসুচির আওতায় বোরো ধান রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষিবিভাগের আধুনিক সমলয় পদ্ধতিতে বীজতলা, ধান রোপণ ও কর্তনে বেশ আগ্রহী চাষীরা।

সদর উপজেলার নবীনগর মাঠে যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষামূলক ভাবে বোরো ধান রোপণ করা হচ্ছে।

ধান রোপণের ১৮ দিন আগে ৪শ’ কেজি উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের বীজ প্রথমে সাড়ে ৪ হাজার ট্রেতে স্থাপন করা হয়। ওই বীজতলার চারা দিয়ে ৫০ একর জমিতে ধান রোপণ করা হচ্ছে। কুয়াশা থেকে বাঁচাতে রাতে পলিথিন দিয়ে বীজতলা ঢেকে দেয়া হয়।

কৃষক আফসার আলী জানান, আগে আমরা চারা লাগাতে ১৫শ’ টাকা খরচ করতাম। এখন এই পদ্ধতিতে চাষে ৫-৬শ’ টাকা খরচ হয়। চারাও হয়েছে ভাল।

কৃষকরা বলছেন, প্রচলিত উপায়ে চাষাবাদে আগে বিঘাপ্রতি খরচ হতো ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা। সমলয় পদ্ধতিতে খরচ হচ্ছে বিঘা প্রতি ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

সরকারের যুগোপযোগি এ সিদ্ধান্তে মেহেরপুরে চলছে সমলয় পদ্ধতির ধান চাষ। অল্প জমিতে বেশি ফসল পেতে কৃষিকে করা হচ্ছে যান্ত্রিকীকরণ।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ বলেন, যেহেতু কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে তাই অল্প জমিতে যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির ছোঁয়া লাগিয়ে যাতে উৎপাদন বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কৃষিবিভাগ।

অল্প খরচে সমলয় পদ্ধতির ধান চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৪:২৯ অপরাহ্ন
একুশে পদক ২০২২ এর জন্য মনোনীত ২৪ জনের ৫ জনই কৃষিবিদ
কৃষি বিভাগ

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২২ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। উক্ত ২৪ জন ব্যক্তিত্বের মাঝে প্রথিতযশা কৃষিবিদ/ কৃষিবিজ্ঞানী রয়েছেন ৫ জন, এর মাঝে গবেষণায় অবদানের জন্য ৪ জন কৃষিবিদ এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১ জন কৃষিবিদ । এ বছর যে সকল কৃষিবিদ একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন তাঁরা হলেন-

১. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং খ্যাতনামা কৃষি অর্থনীতিবিদ ডঃ আব্দুস সাত্তার মন্ডল (গবেষণা)

২. দলগতভাবে গবেষণায় ধান গবেষোণা ইনস্টিটিউটের ৩ জন কৃষিবিদ – গবেষক ডঃ এনামুল হক, গবেষক ডঃ শাহানাজ সুলতানা, গবেষক ডঃ জান্নাতুল ফেরদৌস

৩. চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর গৌতম বুদ্ধ দাশ

একজন কৃষিবিদ হিসেবে ব্যাপারটি আমাদের সকলের জন্যেই গর্বের ও আনন্দের ।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের একুশে পদক দেবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন চার লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি বোরো মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।ছয় জেলায় মোট ৩লাখ ৬৩ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে চলতি রবি-২০২১-২০২২ মৌসুমে ১৫ লাখ ৬২হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা।অতিরিক্ত ফলন অর্জনে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কৃষকদের বোরো ধান চাষে সবধনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলা ভিত্তিক বোরো ধান চাষের জমির পরিমাণ এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে- যশোর জেলায় ১,৫৭,৮৮৫ হেক্টর জমিতে ৬লাখ ৮৮হাজার ১১৩ মেট্রিক টন চাল।ঝিনাইদহ জেলায় ৭৮হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে ৩লাখ ৩৯ হাজার ৪৯২ টন চাল।মাগুরা জেলায় ৩৬হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৫৪হাজার ১৩৩ টন চাল।কুষ্টিয়া জেলায় ৩৫হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৮ টন চাল। চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩৫হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে ১লাখ ৪৬হাজার ৩১৬ টন চাল এবং মেহেরপুর জেলায় ১৯হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে ৭৯হাজার ৬২১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

যশোর কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক দীপংকর দাশ বলেন, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বোরো চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক কৃষকদের সহজ শর্তে ফসলি ঋণও প্রদান করেছে। গত কয়েক বছর যাবত বাজারে ধান ও চালের দাম ভালো পাওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা বোরো ধান চাষের ক্ষেত্রে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

কৃষকেরা যাতে বোরো চাষে সফলতা আনতে পারেন সে ব্যাপারে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ২:০৭ অপরাহ্ন
বৃষ্টিতে জয়পুরহাট ও ঠাকুরগাঁওয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশংকা
কৃষি বিভাগ

মাঘের হঠাৎ বৃষ্টিতে জয়পুরহাট ও ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর রাত থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে জয়পুরহাট জেলার অধিকাংশ আলুক্ষেত ডুবে গেছে।

উৎপাদিত আলু হিমাগারে রাখার জন্য ক্ষেত পরিচর্যা করলেও অসময়ের বৃষ্টিতে ডুবে যাওয়া আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলায় আলু, সরিষা, গম, বোরোর বীজতলা ও ভুট্টা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

জয়পুরহাটে এবার আলু চাষ হয়েছে মোট ৪০ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে। এরই মধ্যে হিমাগারে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে জেলার প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির আলুক্ষেত পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। আর ১৫ থেকে ২০ দিন পর এই আলু কৃষকদের ঘরে তোলার কথা।

কিন্তু হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে ডুবে গেছে আলুর ক্ষেত। অধিকাংশ কৃষক এখন ডুবে যাওয়া আলুক্ষেতের পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার অনেকে আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কাদা-পানি উপেক্ষা করে আলু সংগ্রহ করছেন ক্ষেত থেকে।

জেলায় গত দু’দিনে ১৭ দশমিক ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলেও আলুর তেমন ক্ষতি হবে না বলছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তেমন লক্ষণীয় ক্ষতি হয় নাই। তবে আর যদি বৃষ্টি না হয় তখন আলু বা ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না।’

এদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ক্ষেতে পানি জমে হেলে পড়েছে গম ও সরিষা। কিছু কিছু জমিতে পানি জমে হেলে পড়া সরিষা ক্ষেত ডুবে গেছে। এতে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। এছাড়া, বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে আলুরও। কৃষকরা কিছু কিছু জমি থেকে আগাম জাতের আলু তুললেও বেশির ভাগই এখনও উঠানো সম্ভব হয়নি। জমিতে পানি জমার কারণে আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারাও।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন বলেন, কৃষকদের ক্ষেতে জমা পানি বের করে দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। জরিপ করে ফসলের মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ১২:২০ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশায় বীজতলা নষ্ট, বিপাকে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

মাঘের শীত আর ঘন কুয়াশার ফলে লালমনিরহাটের বোরো বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও লালচে আবার কোথাও কোথাও সাদাটে হয়ে গেছে চারা গাছ। জেলার শতকরা ২৫-৩০ ভাগ বীজ তলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

বীজতলা নষ্ট হওয়ায় কৃষকরা গভীর সংকটে পড়েছেন চাষাবাদ নিয়ে।সংকট দেখা দিয়েছে বোরোর কাঙ্খিত লক্ষমাত্রা অর্জনে।

এদিকে বীজ ,সার ও জ্বালানী ও শ্রমিক মুজরি বেশী হওয়ায় কৃষকরা অর্থের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। এতে করে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন জেলার কৃষকরা।

চলতি বোরো মৌসুমে লালমনিরহাট জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে । এ লক্ষ্যে ২হাজার ৩৯৫’ হেক্টর জমিতে বীজতলা করা হয়েছে। কৃষকরা বীজতলা পরিচর্যার পাশাপাশি জমি প্রস্তুতের কাজ ও করছেন, চলছে সেচ ব্যবস্থার প্রস্তুতি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, শীতের কারণে চারা লাল হয়ে গেছে এখনই না লাগালে নষ্ট হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেও বোরো উৎপাদনের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষি অধিদপ্তর পরামর্শ প্রদান ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২২ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
গাইবান্ধার বালুচরে কীটনাশকমুক্ত সবজির বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

চলতি বছর বৃহৎ পরিসরে গাইবান্ধার বিভিন্ন বালুচরে কীটনাশকমুক্ত সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে।

এখন বাড়তি সবজি সংরক্ষণের জন্য হিমাগারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছ। পল্লী উন্নয়ন একাডেমী জানিয়েছে, চরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সবজির বাজার তৈরির চেষ্টা চলছে।

উচ্চ ফলনশীল বীজ আর কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে শীতকালীন সবজিতে ভরে উঠেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ির ভাসান চরসহ একাধিক চর। পঁচিশ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে বাধাকপি, ফুলকপি, মিষ্টিকুমড়া, মুলা, ভুট্টা, গাজর ও টমেটো।

সবজি বিক্রি করে এবার ঘরে মুনাফা তোলার আশা করছে কৃষকরা। কৃষকরা জানান, চরে শীত মৌসুমে  সবজিই বেশি আবাদ করা হয়। এখনও কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। বাজারে দামও ভালো, লাভও হবে।

কীটনাশকমুক্ত সবজি চাষের ফলে থাকছে না স্বাস্থ্য ঝুঁকি। চরে সবজির বাম্পার ফলনের কারণে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এখন সবজি  সংরক্ষণের জন্য দরকার হিমাগার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন বলেন,কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্যোগী হয়ে উঠেছে।এখন তাদের উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার করা যায় তাহলে তাদের জন্য ভালো হয়। তাদের সুবিধামতো সময়ে তারা এসকল সবজি বিক্রি করতে পারবে। এর ফলে তারা আরও লাভবান হবে।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর মহাপরিচালক খলিল আহমদ বলেন,চরের মানুষের জীবনমান বাড়াতে কৃষিখাত নিয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২২ ৪:২৯ অপরাহ্ন
নাটোরে সরিষা থেকে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন!
কৃষি বিভাগ

নাটোর জেলায় এবার  রবি মৌসুমে চাষকৃত সরিষার আবাদি জমি থেকে সাত টনের অধিক মধু সংগ্রহ করা হয়েছে।উৎপাদিত এ মধুর বাজার মূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরিষার ক্ষেতে এবার দেড় হাজার মৌ-বক্স স্থাপন করা হয়। এসব মৌ-বক্স থেকে প্রায় সাত টনের উপর মধু আহরণ করা হয়।

সরিষার আবাদি জমিতে মৌ-বক্স স্থাপনের কারণে ফুলের পরাগায়ন ভালো হয়েছে । ফলে সরিষার উৎপাদন হবে আশাতীত। পাশাপাশি, বাড়তি উৎপাদন হিসেবে প্রচুর মধু সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।

এবার জেলার সিংড়া উপজেলায় ৮,৩৫০ হেক্টর জমিতে এবার সরিষা আবাদ হয়। উপজেলার হাতিয়ান্দহ, লালোর, শেরকোল, চৌগ্রামসহ চলনবিলের হলুদ সরিষার মাঠ থেকে মৌ চাষিদের ব্যাপকভাবে মধু আহরণ করতে দেখা যায়।

সরিষা চাষি আসলাম হক জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় মৌ চাষের প্রশিক্ষণ নিয়ে এ বছরই প্রথম মধু উৎপাদন শুরু করেছি। সরিষার ফলন উঠার আগেই বাড়তি আয় করার সুযোগ পাচ্ছি।

সিংড়া উপজেলার  মৌ চাষি মান্নান মিয়া বলেন, বিসিক থেকে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি, এছাড়াও কৃষি বিভাগ আমাকে মৌ চাষের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এবার আমি ৬০টি মৌ-বক্স বসাই।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সেলিম রেজা বলেন, সরিষা থেকে মধু উৎপাদন করে বাড়তি আয় হওয়ায় কৃষকদের মাঝে সরিষা মধু চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি বলেন, কৃষি বিভাগ ১০জন কৃষককে মধু চাষের প্রশিক্ষণ দিয়ে ১০টি আধুনিক মৌ বাক্স প্রদান করে। তাঁরা ইতিমধ্যে আশানুরুপ মধু উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২২ ১:২৬ অপরাহ্ন
বগুড়ার নন্দীগ্রামে অসময়ের বৃষ্টিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

নন্দীগ্রাম উপজেলার রায়পুরের আলুচাষি কৃষক আব্বাস আলী, এ বছর তিনি ৩০ বিঘা জমিতে আলু রোপণ করেন। হঠাৎ মাঘের বৃষ্টিতে আলুর ক্ষেতে পানি জমেছে। এখন জমে থাকা পানি সেচ দিয়ে সরানোর ব্যবস্থা করছেন। আবারও বৃষ্টি হয় তাহলে আলুর আবাদে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা আলু চাষের জন্য বিখ্যাত।এই উপজেলায় প্রচুর আলু উৎপাদন হয়। কিন্তু তা সংরক্ষণ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। অসময়ে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে আলুক্ষেতে পানি জমেছে। এসব ক্ষেতের আলু পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় যদি বৃষ্টি আরো বাড়ে, তাহলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন আলুচাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ আলুর জমিতে বৃষ্টির পানি জমে আছে। আটকে থাকা পানি সরাতে জমির আল কেটে,সেচ দিয়ে,বালতি বা বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে জমির পানি সেচের কাজ করছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আলুক্ষেতের যেদিকেই চোখ যায় একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে।

কৃষকরা জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত নন্দীগ্রাম উপজেলায় মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। আলু তোলার জন্য কৃষকরা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ করে বৃষ্টিতে আলুর জমিতে পানি জমে যাওয়ায় মারাত্মক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন তারা। অসময়ে হঠাৎ বৃষ্টিপাতের কারণে আলু রক্ষায় ব্যাপক দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আদনান বাবু জানান, কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা আলুর জমি থেকে দ্রুত পানি বের করে দেওয়ার জন্য আলুচাষিদের পরামর্শ প্রদান করছেন। জমিতে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করলে আলুর ক্ষতি হবে না। তবে জমিতে পানি জমে থাকলে আলু আবাদে ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে এই উপজেলায় আলুর চাষাবাদ হয়েছে তিন হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে। এবার আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ দুই হাজার মেট্রিক টন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদেরকে আলুর জমি থেকে দ্রুত পানি বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২২ ৫:১৭ অপরাহ্ন
যশোরে সৌরভ ছড়াচ্ছে বিদেশি ফুল ‘টিউলিপ’
কৃষি বিভাগ

শীতপ্রধান দেশ নেদারল্যান্ডের জাতীয় ফুল টিউলিপ । বিশ্বজুড়েই রয়েছে যার ব্যাপক চাহিদা ও কদর। টিউলিপ চাষে গড় তাপমাত্রা থাকতে হয় ৫৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে। তাই সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এ ফুলের চাষ হয় না।

তবে অনেকটা গ্রীষ্মপ্রধান হলেও বাংলাদেশের যশোর জেলার ঝিকরগাছার গদখালির ইসমাঈল  টিউলিপ চাষে সফলতা পেয়েছেন।তার বাগান জুড়ে ফুটে উঠেছে অপরুপ সৌন্দর্যের টিউলিপ ফুল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, শীত প্রধান দেশ ছাড়া টিউলিপ ফোটানো রীতিমতো সাধনার বিষয়। ইসমাইল হোসেনের সাফল্যের মধ্যদিয়ে গদখালীতে প্রথমবারের মতো দেশে বাণিজ্যিকভাবে টিউলিপ ফুল চাষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, জমিতে টিউলিপ সারি সারি ফুটে রয়েছে। জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই একের পর এক ফুল ফুটতে শুরু করেছে। বিভিন্ন রঙের ফুল ফুটেছে বাগানে। পুরো শেডটিতে বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

ফুলচাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।বাণিজ্যিকভাবে টিউলিপ চাষ করলে ফুলচাষীরা লাভবান হবেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, ‘নেদারল্যান্ডস থেকে সরকারি খরচে সাত প্রকারের পাঁচ হাজার বাল্ব আমদানি করা হয়। ওই বাল্ব ইসমাইল হোসেনের পাঁচ শতক জমিতে গত ৬ জানুয়ারি বপন করি। ২২ জানুয়ারি থেকে টিউলিপ ফুল ফুটতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে সানরাইজ, অ্যান্টার্কটিকা হোয়াইট (সাদা), লা বেলা রেড (লাল), মিল্কশেক রেড (লাল) প্রজাতির টিউলিপ ফুটেছে। পর্যায়ক্রমে সাত প্রজাতিরই ফুল ফুটবে বলে তিনি আশা করেন

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop