৭:৩৭ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
বলেশ্বর নদীর তীরে ভেসে এল মৃত হরিণ
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের জিলবুনিয়া গ্রামের বলেশ্বর নদীর তীরে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে একটি মরা হরিণ।

বুধবার (২৬ মে) বিকেলে মৃত হরিণটি উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাদ দিয়ে জয়নুল আবেদীন জানান, বিকেলে বলেশ্বর নদীর তীরে রায়েন্দা ইউনিয়নের ঝিলবুনিয়া এলাকায় মৃত ওই হরিণকে দেখতে পায় এলাকাবাসী। তাদের দেয়া খবরে শরণখোলা রেঞ্জের বনকর্মীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনে হরিণটি মরে গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ৩:২৯ অপরাহ্ন
শরণখোলায় পানিবন্দি ৩ হাজার পরিবার, মারা যাচ্ছে হাঁস-মুরগি!
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভোলানদীর তীরবর্তী শরণখোলা উপজেলার পাঁচটি গ্রামের তিন হাজার পরিবার রাতের বৃষ্টি এবং সকালের জোয়ারে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । এতে করে শোবার ঘর, রান্নাঘর পানিতে তলিয়ে যাওয়াসহ হাঁস-মুরগি মারা গিয়েছে অনেক। চরম বিপাকে পড়া এসব মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

খুড়িয়াখালী গ্রামে কয়েকজন জানান, রাতেও বুঝতে পারনি এতো পানি হবে। সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ পানি এসে আমাদের বাড়ি-ঘর তলিয়ে যায়। সবাইকে নিয়ে রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছি। ভাটিতে পানি কমলে বাড়ি যাবো। না হয় রাতে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হবে।

চরগ্রামের জলিল গুরু ও সাইদুল শিকদার জানান, বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিটি ঝড়েই আমাদের ডুবতে হয়। মূল্যবান মালামাল নষ্ট হয়। হাঁস, মুরগি মারা যায়। সকালের হঠাৎ পানিতে চরগ্রামের সবার বাড়ি ঘর তলিয়ে গেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বাচ্চু মুন্সি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ফলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের পাঁচটি গ্রামের অন্তত ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নদীর পাশে বাড়ি হওয়াই আমাদের কাল হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরদার মোস্তফা শাহিন জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বৃদ্ধি পাওয়া পানিতে শরণখোলা উপজেলার কিছু মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছি।

এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও চেয়ারম্যানদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করবেন। তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লিখে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৪, ২০২১ ১২:০২ পূর্বাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আমের চাষ বাংলাদেশে!
প্রাণ ও প্রকৃতি

বিশ্বের সবচেয়ে দামি আমের খেতাব পাওয়া মিয়াজাকি বা ‘সূর্যডিম’ আম এখন বাংলাদেশ। দেশের উঁচু পাহাড়ে দেখা যাচ্ছে এমন রঙিন আম। এক বা দুইটি নয়- এরকম প্রায় ১২০টি গাছে আম ধরেছে। কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী নামক এক কৃষক প্রথমবারের খাগড়াছড়িতে এটি চাষ করে পেয়েছেন সাফল্য।

জানা যায়, খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে মহালছড়ি উপজেলা। উপজেলার ধুমনিঘাট এলাকায় ৩৫ একর জায়গাজুড়ে ‘ক্রা এ্এ এগ্রোফার্ম’ গড়ে তুলেছেন কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী। ২০১৬ ও ১৭ সালে মিয়াজাকি আমের চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। মিয়াজাকির অন্য নাম সূর্যের ডিম বা এগ অব সান।

সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় ১২০০ ফুট উঁচুতে ক্রা এ্এ এগ্রোফার্ম। পাহাড়ের ঢালু অংশে সারি সারি মিয়াজাকি জাতের আমের গাছ। প্রতিটি গাছের বয়স ৩ থেকে ৪ বছর। প্রতিটি গাছেই এবার আম ধরেছে। একেকটি গাছে ৩০ থেকে ৪০টি পর্যন্ত আম দেখা গেছে। প্রতিটি আমের ওজন প্রায় ৩০০ গ্রাম। পুরো আম লাল রঙে মোড়ানো। রঙিন এই আম দেখতে অনেকেই বাগানে ভিড় করছেন।

দর্শনার্থীরা জানান, রঙিন আম দেখতেই এখানে এসেছি। মিয়াজাকি আম খাগড়াছড়িতে এর আগে কোথাও চাষ হয়নি। আমটি দেখতেও সুন্দর এবং খেতেও সুমিষ্ট।

কৃষক হ্ল্যাশিমং চৌধুরী জানান, আমার বাগানে প্রায় ৬০ প্রজাতির আম রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমি প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে এ জাতের আমের আবাদ শুরু করেছি। চার বছর আগে দেশের বাইরে চারা সংগ্রহ করে থেকে মিয়াজাকি আমের চাষাবাদ করেছি। মিয়াজাকি মূলত বিদেশি জাতের আম। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম হিসেবে বিবেচিত হয়।

তিনি বলেন, বিদেশি প্রজাতি হওয়ায় আমরা ভিন্নপদ্ধতি অবলম্বন করে আমটি চাষাবাদ করেছি। পাহাড়ের ঢালুতে এর আবাদ করেছি। রোপণের চার বছর পর ভালো ফলনও পেয়েছি। আমটির রঙ অত্যন্ত সুন্দর। দাম বেশি হওয়ায় এটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয় না। দেশের বিভিন্ন সুপার শপে এটি পাওয়া যাবে। অনেক শৌখিন ক্রেতাও আমটি বাগান থেকে কিনে নিয়ে যান। পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকরা এটি চাষ করে লাভবান হতে পারবেন বলে জানান তিনি।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সূর্যডিম বা মিয়াজাকি হলো জাপানিজ আম। বিশ্ব বাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। বিশ্ববাজারে এর দাম প্রায় ৭০ ডলার বা ৬ হাজার টাকা। সে হিসেবে প্রতি ১০ গ্রাম আমের দাম ১ ডলারের মতো। অনেক কৃষক নতুন এ জাতের আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুন্সী রাশীদ আহমেদ জানান, সম্প্রতি খাগড়াছড়িতে মিয়াজাকি জাতের আমের আবাদ শুরু হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম। গায়ের রঙ এবং আকারের কারণে এটিকে সূর্যের ডিম বলা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের মাটি ও আবহাওয়াতে মিয়াজাকির ফলন অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। প্রাকৃতিকভাবে রঙিন হওয়ায় এ আম দেখতেও বেশ সুন্দর। সুস্বাদু হওয়ায় এই আমের দামও বেশি।

তিনি জানান, বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে আমাদের দেশের কৃষক লাভবান হবেন। চাষাবাদ পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। বাজারে প্রচলিত আমের তুলনায় এর দাম কয়েকগুণ বেশি। পাহাড়ি অঞ্চলে কৃষকরা এ জাতের আম চাষ করে লাভবান হতে পারবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২১ ৯:৪৩ অপরাহ্ন
বালুচরে লোকালয় থেকে অজগর সাপ উদ্ধার
প্রাণ ও প্রকৃতি

সিলেট শহরতলীর উত্তর বালুচরে ধরা পড়েছে একটি অজরগ সাপ।মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় উত্তর বালুচরের সোনার বাংলা আবাসিক এলাকা বি- ব্লকের মিল্টু মাল নামের এক ব্যক্তির বাড়ীর উঠান থেকে সাপটি ধরা হয়।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বালুচরের সোনার বাংলা আবাসিক এলাকায় অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে মিল্টু মাল নামের এক ব্যক্তির বাড়ির উঠান থেকে সাপটি ধরা হয়।এরপর প্রাধিকারের সাবেক সভাপতি জনাব বিনায়ক শর্মা খবর পেলে আজ বিকেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠন প্রাধিকার, বাপা, ভূমিসন্তান বাংলাদেশ এবং বন বিভাগের যৌথ অভিযানে সাপটিকে উদ্ধার করা হয়।

এ প্রসঙ্গে মিল্টু মাল বলেন, সাপটি এর আগেও উনার বাড়িতে এসে হাসের বাচ্চা খেয়েছিলো। এরপর থেকেই তিনি খেয়াল রাখতেন এবং পরিশেষে সাপটি উনি ধরতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে সাপের ছবি ভিডিও করে ফেসবুকে ছাড়লে বিষয়টি খুব তাড়াতাড়িই ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর প্রাধিকারের সাবেক সভাপতি জনাব বিনায়ক শর্মা খবর পেলে ঘটনাস্থলে প্রাধিকার, বাপা, ভূমিসন্তান বাংলাদেশ এবং বন বিভাগ উপস্থিত হয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। সাপটির ওজন আনুমানিক ৩.৫ কেজি এবং লম্বায় প্রায় ৫ ফুট।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রাধিকারের সভাপতি জনাব আবু ইরবাত আহমেদ রাফি, সাবেক সভাপতি জনাব বিনায়ক শর্মা, বাপা সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব আব্দুল করিম কিম,ভূমিসন্তান বাংলাদেশ এর সমন্বয়ক জনাব আশরাফুল কবির এবং বন বিভাগের সদস্যবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২১ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিবগঞ্জে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হয়েছে আম পাড়া
প্রাণ ও প্রকৃতি

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাটে ঐতিহাসিক রাজারবাগানে গুটি জাতের আম পাড়ার মধ্য দিয়ে জেলায় আম বাজারজাতকরণের উদ্বোধন করা হয়। তবে এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনার প্রভাব হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় আম বাজারজাতকরণ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।

শুক্রবার বিকালে সাড়ে ৫টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল আমপাড়া কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল বলেন, সারা দেশে ফরমালিনমুক্ত আম সরবরাহ করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। করোনা থেকে মুক্ত থাকতে শ্রমিকসহ আমের সঙ্গে জড়িত সবাইকে মাস্ক, পিপিই ও হ্যান্ড গ্লোভস সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা আম ব্যাপারী ও ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তাদের জন্য কানসাট এবং শিবগঞ্জ বাজারে একাধিক আবাসিক হোটেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রশাসনিকভাবে সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

তবে, করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় কানসাট আমবাজারসহ বিভিন্ন আম বাজারগুলো স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যবস্থা, হাত ধেয়ার ব্যবস্থা এবং হোটেলগুলো বাইরের আম ব্যবসায়ীদের থাকার উপযোগী করা জরুরি বলে মনে করেন আম ব্যবসায়ীরা।

কানসাট আম আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক উমর ফারুক টিপু জানান, আমরা আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আম ক্রয়-বিক্রয় ও প্যাকেটজাত করার ঘোষণা দিয়েছি। প্রতিটি আড়তের প্রবেশ মুখে বসানো হচ্ছে হাত ধোয়ার মেশিন।

এসময় জেলা প্রশাসক মুঞ্জুরুল হাফিজ, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আম সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ৫:১১ অপরাহ্ন
নাটোরে আম পাড়া কার্যক্রম শুরু
প্রাণ ও প্রকৃতি

নাটোর জেলায় রাসায়নিক পদার্থের অপব্যবহার রোধ করে পরিপক্ক ফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফল উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের উদ্বুদ্ধ করতে গাছ থেকে নিরাপদ আম সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ শুক্রবার(২১ মে) সকাল দশটায় জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার শালাইনগর এলাকার একটি আম বাগানে কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ।

আরো পড়ুন :  ‘আম অর্থনীতি’ বদলে দিচ্ছে রংপুরের মানুষের জীবন

আম বাগানে স্থানীয় আম উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের সমাবেশে জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সকলের বেশী করে শাক-সব্জি ও ফল খাওয়া উচিৎ। দেশীয় সুস্বাদু ফল আম এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ফল চাষীদের ফল সংগ্রহ এবং এর বিপনন ও পরিবহন কার্যক্রমে কোন প্রতিবন্ধকতা দেখা দিলে জেলা প্রশাসন তা নিরসন করবে। বিশেষ ট্রেন ও ডাকযোগে ব্যবসায়ীরা রাজধানীতে আম পাঠাতে পারবেন। ফলের আড়ত এবং বাগানগুলোতে প্রশাসনিক মনিটরিং ব্যবস্থা চলমান থাকবে বলে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন।

আরো পড়ুন : নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম পাড়া

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক সুব্রত কুমার সরকার কৃষকবৃন্দের প্রতি ক্ষতিকর স্প্রে থেকে বিরত থাকা এবং ব্যাগিং পদ্ধতি অনুসরণে সমবেত কৃষকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দেবী পাল সমাবেশ প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগাতিপাড়া উপজেলঅ পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম গকুল ও উপজেলা কৃষি অফিসার মমরেজ আলী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
মাছ আর শামুক সংগ্রহে ব্যস্ত পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী-পুরুষ
প্রাণ ও প্রকৃতি

পাহাড়ের চারপাশে ছড়িয়ে ছিঁটিয়ে আছে অসংখ্য ঝিড়ি। তবে শুকিয়ে যাওয়া ঝিড়ির সংখ্যাও কম নয়। জীবিত ঝিড়িগুলোতে জমে থাকা পানিতে মাছ আর শামুক ধরতে প্রতিদিনই দল বেঁধে নেমে পড়ছেন বিভিন্ন বয়সী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী-পুরুষ।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পাথরের খাদে-খাদে লুকিয়ে থাকা মাছ আর শামুক খোঁজায় ব্যস্ত সময় পার করছেন অনেকে। মাছ ধরার যন্ত্র হিসেবে কেউ ব্যবহার করছেন ছোট মশারি, বেতের তৈরি জাল যাকে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ভাষায় য়াক শে (মারমা ভাষা) বা লুই (চাকমা ভাষা) বলে। কারোর বেতের তৈরি জালে উঠছে বেশি সংখ্যক কালো শামুক আবার কারোর ছোট মাছ। কিন্তু ঝিড়িতে পানি না থাকায় আগের মত মাছ আর শামুক পাওয়া যায় না। বড় মাছ নেই বললেই চলে।

মাছ ধরতে আসা লাইমি পাড়ার বাসিন্দা ক্লংথুন বম জানান, বর্ষাকালে পানি বেশি হওয়ায় মাছ ধরা সম্ভব হয় না। এখন পানি কম । ছোট-ছোট মাছ ধরতে আসছি। মাছের সাথে শামুকও পাচ্ছি।
ফারুক পাড়ার আরেক বাসিন্দা জুম তং বম নামে আরেকজন জানান, সকাল থেকে বিভিন্ন ঝিড়িতে গেছি। ছোট বড় মিলে আধা কেজির মাছ পেয়েছি। আগের মত মাছ নাই ।

চিম্বুক পাড়ার গ্যাৎসামনি পাড়ার ভানরাম বম জানান, সকাল থেকে আসছি। বড়-বড় মাছ আগের মত ঝিড়িতে পাওয়া যায় না। ছোট ছোট মাছ পাওয়া যায়। সবজি দিয়ে ছোট-ছোট মাছ খাব।

বান্দরবান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অনিল কুমার সাহা জানান, প্রাকৃতিক জলাশয়ের প্রাচুর্য্য কমে গেছে। মা মাছের আশ্রয়স্থলগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সারাবছর যেখানে পানি থাকে সেসব জায়গায় আমরা অভয়াশ্রম তৈরি করব। বর্ষার সময় এ মা মাছগুলো ডিম দিবে। মাছ সব সময় বিপরীত মুখী যায়। এই মাছের পোনাগুলো বিভিন্ন ঝিড়িতে ছড়িয় পড়বে।

তিনি আরো বলেন, আমরা এগুলো সংরক্ষণ করার জন্য সবাইকে সচেতন করব। আর মাছগুলো রক্ষা করতে পারলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষেরা চাহিদা পূরণ করতে পারবে সেই সাথে পুষ্টি মানও বজায় থাকবে।- বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
‘আম অর্থনীতি’ বদলে দিচ্ছে রংপুরের মানুষের জীবন
প্রাণ ও প্রকৃতি

রংপুর অঞ্চলের মানুষ এক সময় ধানের ওপর নির্ভরশীল ছিল। প্রতি মৌসুমে পাঁচ থেকে ১০ বিঘা জমি ধান চাষ করে উৎপাদন ফলনের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করে কষ্টে জীবনযাপন করতেন তারা। এখন ধানের পরিবর্তে সেই জমিতে আম চাষ করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন কৃষকরা। রংপুরের এই ‘আম অর্থনীতি’ বদলে দিয়েছে মানুষের জীবন চিত্র।

রংপুর ব্রান্ড হাঁড়িভাঙা জাতের আমকে এখন রংপুরের নতুন অর্থকরী ফসল বলা হচ্ছে। জেলার মিঠাপুকুর, রংপুর সদর, বদরগঞ্জের বিস্তৃত এলাকার হাজার হাজার কৃষক এ আম চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন কৃষক পরিবারগুলো। পরিবারে এসেছে আর্থিক সচ্ছলতা। কৃষক, দিনমজুর থেকে অনেকেই হয়েছেন আমচাষী। প্রতি বছরই বাড়ছে আম চাষের পরিধি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর রংপুরের আট উপজেলায় ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমির আমগাছে ফলন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে বদরগঞ্জ উপজেলায়।

এরপর রংপুর মহানগর এলাকায় ২৫ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৬০ হেক্টর, কাউনিয়ায় ১০ হেক্টর, গঙ্গাচড়ায় ৩৫ হেক্টর, মিঠাপুকুরে ১ হাজার ২৫০ হেক্টর, পীরগঞ্জে ৫০ হেক্টর, পীরগাছায় ৫ হেক্টর ও তারাগঞ্জ উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে।

রংপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ। এর সীমানায় পৌঁছালেই চোখে পড়ে এক নতুন দৃশ্য। কোথাও কোথাও ধানি জমির আইলের চারদিকে সারি করে আমগাছ লাগানো হয়েছে। পথের ধারে, প্রতিটি বাসাবাড়ির পরিত্যক্ত জায়গা, বাড়ির উঠানেও আমগাছ। সব গাছেই প্রায় একই আকারের শত শত আম ঝুলছে।

জেলার মিঠাপুরের আখিরাহাট, পদাগঞ্জ, মাঠেরহাট, বদরগঞ্জের গোপালপুর, নাগেরহাট, সর্দারপাড়া, রংপুর নগরের বড়বাড়ী, সদর উপজেলার শ্যামপুর, লাহেড়ীরহাট, সদ্যপুষ্করিণী ইউনিয়নের বকশিপাড়া, কাঁটাবাড়ি এলাকায় গিয়ে একই দৃশ্য দেখা যায়।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জুন মাসের শুরুর দিকে হাঁড়িভাঙা আম বাজারে আসতে শুরু করবে।

বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর উত্তরপাড়া এলাকার কৃষক আবিজার হোসেন বলেন, এক দোন (২৪ শতক) জমিতে ধান আবাদ করতে পানি, সার, হাল-চাষ, শ্রমিক এবং কাটা-মাড়াই করতে কমপক্ষে ছয় থেকে সাত হাজার টাকা লাগে। খুব ভালো আবাদ হলে এই জমিতে ধান হয় ২০ মণ, যার মূল্য ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা।

তিনি জানান, এক দোন জমিতে আমগাছ থাকে ৪০ থেকে ৪৫টি। কীটনাশক, সার আর শ্রমিকসহ খরচ হয় সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। আম বিক্রি হয় সর্বনিম্ন ৪০ হাজার টাকায়।

সোহেল মিয়া বলেন, এক দোন জমিতে ধান আবাদ করে লাভ তিন হাজার টাকা আর আম বিক্রি করলে লাভ ৩২ হাজার টাকা। তাই ধান চাষ করা হচ্ছে শুধু খাবারের জন্য। আর আম চাষ করা হচ্ছে লাভের জন্য।

গোপালপুর এলাকার আমচাষী আসাদুজ্জামান লিটন জানান, এ বছর পাঁচ দোন (২৪ শতক) জমির ২০০টি আমগাছে মুকুল আসার সময়ই দেড় লাখ টাকা বিক্রি করেছেন। আরও পাঁচটি বাগান আছে তার। এসব আমবাগানে গত দুই বছর আগেও তিনি ধান চাষ করেছিলেন। আমে লাভ বেশি হওয়ায় ধান চাষ বাদ দিয়েছেন।

মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ সরদারপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলাম জানান, তার বাড়ির ভিটা এক একর (১০০ শতক) জমিতে। বাড়ির উঠান থেকে শুরু করে ১৫০টি আমগাছ লাগিয়েছেন তিনি।

হামিদুল ইসলামের দাবি, আমে পরিশ্রম ও ঝুঁকি কম হলেও লাভ বেশি। এই জমির আম তিনি কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। তার অন্য কোনো আবাদ নেই। আম বিক্রির টাকা দিয়ে এক ছেলেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াচ্ছেন।

হাঁড়িভাঙা আমকে ঘিরে বেকারের সংখ্যাও কমেছে রংপুরসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলায়। বিশেষত মিঠাপুকুরের লালপুর, পদাগঞ্জ, তেয়ানিসহ আশপাশের গ্রামের বেকার যুবকরা এখন আম ব্যবসায় জড়িয়ে বেকারত্ব দূর করেছেন।

আজহারুল ইসলাম নামের এক আমচাষী বলেন, আমি আগে কৃষিকাজ করতাম। এখন হাঁড়িভাঙা আমের ব্যবসা করি। গত বছর পাঁচ একর জমির আম আগাম কিনে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি।

তিনি আরও বলেন, এবার ১০ একর জমির আম কেনা হয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে ৫০ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারব।

আরো পড়ুন: নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম পাড়া

মিঠাপুকুরের আখিরাহাট এলাকার তাজুল ইসলাম জানান, আট থেকে ১০ বছর আগেও এসব এলাকার মানুষ চরম অভাবে ছিলেন। তিন বেলা তো দূরের কথা, অনেকের এক বেলাও খাবার জুটত না। এলাকার মাটি লাল হওয়ার কারণে এখানে বছরে একবার ধান হতো। বাকি আট মাস জমি পড়ে থাকত। কিন্তু হাঁড়িভাঙা আম তাদের ভাগ্য বদলে দিয়েছে।

সদরুল ইসলাম নামের এক আমচাষী জানান, এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় প্রচুর আম ধরেছে। কিছুদিন আগের শিলাবৃষ্টিতে কিছুটা ক্ষতি হলেও সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে পারলে এলাকার হাজার হাজার আমচাষী লাভবান হবেন।

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, রংপুরে এখন ব্যাপকভাবে হাঁড়িভাঙা আম চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে। তিনি বলেন, খুব একটা পরিশ্রম ও অর্থ খরচ না হওয়ায় মানুষ আম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

মাসুদুর রহমান আরও বলেন, রংপুরের আট উপজেলায় এ বছর ১৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বোরোধান আবাদ হয়েছে। অন্যদিকে হাঁড়িভাঙা আম চাষ হয়েছে ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও ৩ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে অন্যান্য জাতের আম।

রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, আম বাজারজাতে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয় এবং পরিবহনে ব্যবসায়ীদের কোনো হয়রানির শিকার হতে না হয়, সেজন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথা বলব। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সূত্র: যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
নওগাঁয় শুরু হয়েছে আম পাড়া
প্রাণ ও প্রকৃতি

প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময়সূচি শেষ হওয়ায় হস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে দেশে আম উৎপাদনকারী অন্যতম জেলা নওগাঁয় গুটি আম পাড়া। তবে ২৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া কথা রয়েছে জেলা প্রশাসকের গাছ থেকে গোপালভোগ ও রানীপছন্দ আম পাড়ার মধ্য দিয়ে।

আম পাকাতে রাসায়নিকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জেলায় কোন জাতের আম গাছ থেকে কবে পাড়া শুরু হবে তা কয়েক বছর ধরে নির্ধারণ করে আসছে প্রশাসন।

নওগাঁয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামশুল ওয়াদুদ জানান, অনাবৃষ্টি ও রোগ-বালাইয়ে আমের সামান্য ক্ষতি হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার পর আম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।গতবারের চেয়ে এ বছর জেলায় আমের উৎপাদন ৫০ হাজার মেট্রিক টন বেড়ে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন হবে। তাতে দেশ-বিদেশে আম বিক্রি করে চাষিরা লাভবান হবেন বলে আশা করেন তিনি।

শামশুল ওয়াদুদ জানান, সরকারি হিসেবে জেলার বরেন্দ্র এলাকা হিসেবে পরিচিত সাপাহার, পোরশা, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, মহাদেবপুরসহ ১১টি উপজেলার ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে এবার আম চাষ হয়েছে। জমির এই পরিমাণ গত বছরের চেয়ে এক হাজার ৫৫ হেক্টর বেশি।

এবার নওগাঁর গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, হীমসাগর, নাকফজলী, আম্রপালী, আশ্বিনা, বারি-৪ এবং ঝিনুক আমের চাষ হয়েছে। মহামারী পরিস্থিতিতে খাদ্যপণ্য পরিবহনে বিধি-নিষেধ না থাকায় আম কেনাবেচায় কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বেঁধে দেওয়া সময়ে পাড়া হলে আম স্বাভাবিক নিয়মে পাকবে। ফলে ভোক্তারা রাসায়নিকমুক্ত পরিপক্ক ও সুস্বাদু আম বাজারে পাবেন।

নওগাঁয় গাছ থেকে আম পাড়ার সূচি

গোপালভোগ ও রানিপসন্দ আম পাড়া শুরু ২৫ মে

ক্ষীরসাপাত ও হীমসাগর আম পাড়া শুরু ২ জুন

নাকফজলী আম পাড়া শুরু ৪ জুন

লেংড়াআম পাড়া শুরু ১০ জুন

ফজলি আম পাড়া শুরু ২০ জুন

আমরুপালী আম পাড়া শুরু ২২ জুন

আশ্বিনা, বারি-৪ ও ঝিনুক আম পাড়া শুরু ৮ জুলাই

আম পাড়া শুরু হওয়ায় বৃহস্পতিবারই নওগাঁয় আমের বাণিজ্যিক কেনাবেচা শুরু হচ্ছে। আমচাষিরা বলছেন, বাজার ঠিক থাকলে এবার তারা আম বিক্রি করে লাভবান হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২১ ৫:৪৫ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটের গাছে গাছে রসালো কাঁঠাল
প্রাণ ও প্রকৃতি

জয়পুরহাটের শহর থেকে শুরু করে একেবারে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে গাছে গাছে দুলছে পুষ্টি ও ওষুধিগুণ সমৃদ্ধ সুমিষ্ঠ ফল কাঁঠাল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বারি কাঁঠাল- ১, ২ ও বাউ কাঁঠাল-১ ছাড়াও কোষের বৈশিষ্ট অনুসারে কাঁঠাল তিন প্রকারের হয়ে থাকে । এ গুলো হচ্ছে খাজা, আদরাসা ও গালা জাত। দেশে বিভিন্ন জেলায় কাঁঠালের চাষ হলেও জয়পুরহাট জেলাও পিছিয়ে নেই।

জেলায় ২০২০-২১ মৌসুমে ৪‘শ ৫৪ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের চাষ হয়েছে। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৩৫০ মেট্রিক টন কাঁঠাল। কাঁঠালের ইংরেজি নাম Jackfruit হলেও বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Artocarpus heterophyllus. কাঁঠালে প্রচুর পরিমানে শর্করা, আমিষ ও ক্যারোটিন রয়েছে। কাঁঠালের শাঁস ও বীজকে চীন দেশে বলবর্ধক হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। কাঁঠালের পোড়া পাতার ছাইয়ের সাথে ভূট্টা ও নারিকেলের খোসা একত্রে পুড়িয়ে নারিকেল তেলে সঙ্গে মিশিয়ে ঘা বা ক্ষত স্থানে ব্যবহার করলে ঘা শুকিয়ে যায়।  শিকড়ের রস জ্বর এবং পাতলা পায়খানা নিরাময়ে ভালো কাজ করে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ স ম মেফতাহুল বারি।

কাঁঠাল কাঁচা অবস্থায় ও পাকার পর বীজ তরকারি হিসেবেও খাওয়া হয় এবং তোতা বা মোথা গুলো গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়।

কৃষি বিভাগ আশা করছেন, আবহাওয়া ভালো থাকায় জেলায় এবার কাঁঠালের বাম্পর ফলন হবে ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop