৮:২৬ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
  • হোম
  • নরসিংদীর চরাঞ্চলে বাড়ছে বাদাম চাষ
ads
প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২৬ ৩:৩২ অপরাহ্ন
নরসিংদীর চরাঞ্চলে বাড়ছে বাদাম চাষ
কৃষি বিভাগ

স্বল্প খরচ ও কম পরিশ্রমে অধিক ফলন এবং ভালো বাজারদরের কারণে দিন দিন বাদাম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন নরসিংদীর চরাঞ্চলের কৃষক। এখানে উৎপাদিত বাদামের গুণমান ভালো হওয়ায় দেশব্যাপী এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হচ্ছে। আবাদের পরিধি আরও বাড়াতে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দেওয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের বীজ সহায়তা, প্রণোদনা ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদের বাদাম চাষে সহযোগিতা ও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মেঘনা নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে বাড়ছে বাদাম চাষ। বাদামের দাম আগের তুলনায় অনেকটা বেশি হওয়ায় প্রতি বছর চরাঞ্চলে এ ফসলের চাষ বাড়ছে। এখানে উৎপাদিত বাদামের মান ভালো হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে চাহিদা।

চলতি মৌসুমে নরসিংদীর রায়পুরার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের চাঁনপুর, মাঝের চর, মৌহিনিপুর, সদাগর, কান্দির চরে ও সদর উপজেলার চরদিঘলদী, আলোকবালী এবং বেলাবো উপজেলার চর বেলাবোতে বাদামের চাষ বেশি হয়েছে।

কৃষকরা জানান, তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে বাদামের আবাদ। বাদাম চাষে সার প্রয়োজন হয় না। বিষও লাগে না। ফলন ভালো পাওয়া যায়। আবার জমিতে বাদামের আবাদ শেষে সেখানে অন্যান্য চাষ করা যায়। এক বিঘা জমিতে বাদাম চাষে ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হয়। সেখান থেকে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার ফসল বিক্রি করা সম্ভব।

রায়পুরা উপজেলার মাঝের চর গ্রামের কৃষক জালাল উদ্দিন বলেন,  ‘এ বছর প্রায় ১০ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি দুই লাখ টাকা খরচ পড়েছে। আল্লাহ যদি দেন, ফসল ঠিকমতো উঠাতে পারি, পানি যদি মাইর না দেয়, ৫ লাখ টাকার বিক্রয় আসবে বলে আশা করছি।’

এদিকে, বাদাম রোদে শুকানো থেকে শুরু করে বাছাই করা পর্যন্ত নানা প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়েছে স্থানীয় নারী ও পুরুষদের কর্মসংস্থান।

বাদাম চাষের পরিধি বৃদ্ধি, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণসহ নানা বিষয়ে স্থানীয় কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছে কৃষি বিভাগ।

নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সালাউদ্দিন টিপু বলেন, ‘যে মাটিতে অন্য কোনো ফলন হয় না সেখানে বাদাম চাষ করা হচ্ছে। ফলে আমরা পতিত জমি চাষের আওতায় নিয়ে আসতে পারছি। আমাদের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষক লাভবান হচ্ছে। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি জানান, জেলায় এ বছর ২৯০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৩১০ হেক্টর।

শেয়ার করুন

ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop