৬:৩২ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ৩:০৭ অপরাহ্ন
সরকার নির্ধারিত দামে সার মিলছেনা গাইবান্ধায়
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধায় চলতি বোরো মৌসুমে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ করছে কৃষকরা। খুচরা বিক্রেতারা প্রতি কেজি সার পাঁচ থেকে ১৩ টাকা বেশি নিচ্ছেন। ফলে কৃষকরা হয়ে পড়েছেন দিশেহারা। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে তাদের।

কৃষকদের অভিযোগ, রশিদের মাধ্যমে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও তা মানছেন না ডিলাররা। সরকার নির্ধারিত দামের চাইতে বস্তা প্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি নিচ্ছে।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার সাত উপজেলায় চলতি মৌসুমে এক লাখ ২৭ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকরা এখন জমিতে তৈরি  ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাষের আগে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ও মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার ছিটিয়ে দিবেন। পরে বোরোধান রোপন করবেন।

জানা যায়, জেলায় বিসিআইসির ১১১ জন এবং বিএডিসির ১১৮ জন ডিলারের মাধ্যমে সার সরবরাহ করা হয়। সরকারিভাবে এক বস্তা ট্রিপল সুপার ফসফেট-টিএসপি এক হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও চাষিদের কাছে বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৪৫০ টাকায়। আর, মিউরেট অব পটাশওÑএমওপি সার প্রতি বস্তা ৭৫০ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকায়। একইভাবে ডিএপি ও ইউরিয়া সার এর দাম প্রতি বস্তা ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিক্রি হচ্ছে ৮৩০ থেকে ৮৬০ টাকায়।

ন্যায্যমূল্যে সার কিনতে না পারায় উৎপাদন খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন জেলার কৃষকরা। ফলে বাধ্য হয়ে অল্প পরিমানে সার দিচ্ছেন জমিতে বা কোথাও কোথাও গোবর সার ব্যবহার করে ধান লাগানো হচ্ছে।

এদিকে, সারের বাড়তি দামের জন্য ডিলার ও ব্যবসায়ীরা একে অপরকে দুষছেন। সঠিক মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে কি না তা যাচাই করতে কৃষি বিভাগের কোনো তদারকি নেই বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. বেলাল হোসেন জানান, জেলায় সারের কোনো সংকট নাই। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. অলিউর রহমান জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সারের বাড়তি দাম নিলে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ১২:৪০ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সদরে মালচিং পদ্ধতির উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে মালচিং পদ্ধতির উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩.০০ টায় বহুলি ইউনিয়নের ধীতপুরে উক্ত মাঠ দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়।

আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পে আওতায় মাঠদিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও ডিএই বগুড়া অঞ্চল কৃষিবিদ মোঃ ইউসুফ রানা মন্ডল

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রোস্তম আলীর সভাপতিত্বে উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) ও ডিএই সিরাজগঞ্জ কৃষিবিদ আঃ জাঃ মঃ আহসান শহীদ সরকার।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক(পিপি) মোঃ আব্দুল করিম এবং উপপ্রকল্প পরিচালক ও আরডিএডিপি এস.এম আমিনুজ্জামান।

উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ আমেলিয়া জান্নাত।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জমিতে মালচিং ব্যবহারের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা করেন। মালচিং উৎপাদন খরচ কমাতে সাহায্য করে। সূর্যের আলো মাটিতে না পৌঁছানোর ফলে ফসলের ক্ষেতের আদ্রতা সংরক্ষিত হয়ে থাকে, ফলে জমিতে রসের ঘাটতি হয় না এবং সেচ কম লাগে।আগাছা জন্মাতে পারেনা, ফলে শ্রমিকের পিছনে বাড়তি খরচ লাগেনা। মালচিং ফিল্ম পদ্ধতিতে চাষ করলে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কম হয়, ফলে কীটনাশকের খরচ কমে আসে।শীতকালে মাটিতে প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা ধরে রাখে এবং গরমকালে মাটি ঠান্ডা রাখে। মালচিং ফিল্ম পদ্ধতিতে চাষ করলে ফসলের ফলন-১৫-২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। একবার মালচিং ফিল্ম সেট করে কয়েকবার ফসল চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২২ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় জমিতে সুষম সার ব্যবহার বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান, বঙ্গবন্ধু পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক আবু বকর সিদ্দিক, সমরেশ এদবর, কিষাণী রবিতা রাণী দে প্রমুখ।

প্রধান অতিথি একেএম আমিনুল ইসলাম আকন বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে জমিতে দরকার সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার। আর এ জন্য মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োগ করা উত্তম। এতে সারের অপচয় কমে। পাশাপাশি উদ্ভিদের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হয়। রাজস্ব বাজেটের আওতাধীন এই প্রশিক্ষণে ৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ২:৫৭ অপরাহ্ন
সারে ভর্তুকি দিয়ে উভয় সংকটে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক হারে সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উভয় সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

সচিবালয়ের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, সারের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী চিন্তিত। এটা নিয়ে কী করা যায় সেটা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।

মন্ত্রী বলেন, এ বছর ভর্তুকি খাতে বাজেটে আছে ৯ হাজার কোটি টাকা। এবার আরও ২৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগবে সরকারের।আরও প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন। এজন্য সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি নিয়ে সরকার উভয় সংকটে রয়েছে।

এদিকে এত ভর্তুকি দিলে অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হবে, অন্যদিকে সারের দাম বাড়লে কৃষকের কষ্ট বাড়বে৷ উৎপাদন খরচ বাড়বে, খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং খাদ্যপণ্যের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কোভিড পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সারের মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়েছে, যা গতবছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। তাছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জাহাজ ভাড়াও প্রায় দুই গুণ বেড়েছে। সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উভয় সংকটে সরকার৷ তবে, বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের খাদ্য উৎপাদনের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন ভর্তুকি দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ইউরিয়া ৮২ টাকা, টিএসপি ৫০ টাকা, এমওপি সার ৪১ টাকা এবং ডিএপিতে ৭৯ টাকা। ২০০৯ সাল থেকে ২০২১- ২২ অর্থবছর পর্যন্ত সার, সেচসহ কৃষি উপকরণে মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। ২০০৫-০৬ অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমানে প্রায় ২৭ গুণ বেশি ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত মুগ ডালের আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (১৩ফেব্রুয়ারী) বাবুগঞ্জের রহমতপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, মুগ দক্ষিণাঞ্চলের সম্ভাবনাময় ডালফসল। এর পরিচর্যা কম লাগে। দু’একটা সেচ দিলেই চলে। এসব সুবিধায় এই অঞ্চলে মুগের আবাদ বাড়ানো দরকার। জাত হিসেবে বিনা মুগ-৮, বিনা মুগ-৯ এবং বিনা মুগ-১০ ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলোর ফলন ২ টনের মতো। তাই কৃষকরা বেশ লাভবান হবেন। প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর ও বাবুগঞ্জের ৬০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২২ ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
কৃষিবিদ দিবস উপলক্ষ্যে কেআইবি’র ভার্চুয়াল সভা
কৃষি বিভাগ

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারী – কৃষিবিদ দিবস।১৯৭৩ সালের এই দিনে কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময় প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা দেয়ার ঘোষণা দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি কৃষিবিদ দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন।

দিনটি উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) কর্তৃক সন্ধ্যা ৭ টায় এক ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

উক্ত ভার্চুয়াল সভায় সকল কৃষিবিদদের উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাসচিব কৃষিবিদ মোঃ খায়রুল আলম প্রিন্স।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২২ ১২:২৪ অপরাহ্ন
জনপ্রিয়তা বাড়ছে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষে
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর ও বাগেরহাটের ফকিরহাটে জনপ্রিয় হচ্ছে সমলয় উচ্চ ফলনশীল জাতের বোরো আবাদ শুরু হয়েছে। এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় আধুনিক যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষক স্বল্প সময়ে বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারছে।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বরুন্ডি গ্রামের একশ কৃষককে প্রণোদনার মাধ্যমে পাচ্ছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ। দেড়শ বিঘা জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে তৈরি করা হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা।

আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষকদের সাশ্রয় হচ্ছে অর্থ ও সময়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বীজতলা তৈরি, রোপণ ও ধান কাটার এই পদ্ধতিতে খুশি স্থানীয় চাষিরা।

সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

সিংগাইর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শান্তা ইসলাম বলেন, পূর্বে বিঘা প্রতি যেখানে ১২-১৩ হাজার খরচ হতো সেটা কমে এসে ৭-৮ হাজার টাকার মধ্যে এক বিঘা জমিতে চাষ হচ্ছে। এখানে কৃষকের শ্রমও কমছে, খরচও বাঁচছে।

সিংগাইর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান স্বপন বলেন, মেশিনের মাধ্যমে তারা ধানের চারা উৎপাদন করতে পারে। সেই চারা কিভাবে মেশিনের মাধ্যমে রোপণ করা যায়, সেটা একটা প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় সরকার করে যাচ্ছে।

এদিকে, বাগেরহাটের ফকিরহাটেও সমলয় পদ্ধতিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের বোরো ধান চাষাবাদে চারা রোপণ শুরু হয়েছে।

এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল ঘরে তোলা পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় আধুনিক যন্ত্রপাতি। প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে ফসল রক্ষা, সেচ ও সার ব্যবহারে রয়েছে আধুনিক সব পদ্ধতি।

সমলয় চাষাবাদ পদ্ধতিতে কৃষক স্বল্প সময়ে বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারছে বলে জানায় কৃষি অধিদপ্তর।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন বলেন, সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদের জন্য যন্ত্রপাতি ও শস্য কর্তন থেকে শুরু করে সকল খরচ সরকার বহন করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষককে সহায়তা প্রদান করা হবে।

সরকারের পরীক্ষামূলক এই পদ্ধতি দেখে আগামীতে নিজেরাই এমনভাবে চাষাবাদ করবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ৬:৫০ অপরাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআরডিআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন এবং ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী মো. আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক মো. সেলিম রেজা প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখা দরকার। এ জন্য জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হয়। সে কারণে মাটি পরীক্ষা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন সারের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জানা। এসব বিষয়ে নিজে সচেতন হতে হবে। অপরকেও করতে হবে উৎসাহিত।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঠে নিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহের কৌশল হাতে-কলমে শেখানো হয়। মৃত্তিকা গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা জোড়দারকরণ প্রকল্পের আওতাধীন ৪৫ জন কিষাণ-কিষাণী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই বিষয়ের ওপর অনুরূপ এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের রাজস্ব বাজেটের আওতায় এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ৫০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ১:১৯ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পানের বরোজ ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষি বিভাগ

চাঁদপুরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পানের বরোজ। পানের বরোজ হলুদ হওযায় পান পাতা লতা থেকে ঝড়ে পড়ছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাজার হাজার পান চাষি।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা পান চাষের জন্য বিখ্যাত। এখানে মহানলী, চালতা বোটা ও নলডোগ এই তিন জাতের পান চাষ হয়ে থাকে। উপজেলার মহজমপুর, আলগী উত্তর, আলগী দক্ষিণ ও চরভৈরবীসহ বিভিন্ন এলাকায় সবচেয়ে বেশি পান চাষ করা হয়। এখানকার উৎপাদিত পান চাঁদপুর ছাড়াও ফেনী, নোয়াখালী, শরীয়তপুর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

তবে মাঘের শীত ও কুয়াশায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পান। হলদেটে ও ঝড়ে পড়া এসব পানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে কৃষক। কৃষকরা জানান, কুয়াাশার কারণে পান পেকে যায় এবং ঝড়ে পড়ে। বাজারে বিক্রি করতে গেলেও আশানুরূপ দাম পাওয়া যায়না।

পানচাষি আলম জানান, তীব্র শীত যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে তারা বড় ধরনের লোকসানে পড়বেন।

কৃষি বিভাগের সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন কৃষকরা। সংকট মোকাবেলায় সরকারিভাবে সহায়তার পাশাপাশি কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতা চান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

জনবল সংকট ও সরকারিভাবে পর্যাপ্ত কার্যক্রম না থাকায় কাজ কিছুটা ব্যহত হচ্ছে বলে স্বীকার করেছে জেলা কৃষি বিভাগ।

জেলার হাইমচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, সরকারকে বারবার বলা হচ্ছে যেন এখানে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। পান চাষিদের যে ক্ষতি হচ্ছে এ থেকে উত্তরণের জন্য তাদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় প্রায় ২৩৭ হেক্টর জমিতে পান চাষ হয়। এর মধ্যে হাইমচর উপজেলার ২২০ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়। এখানে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার পান কেনা-বেচা হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২২ ১২:৪৩ অপরাহ্ন
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জেগে ওঠা জমিতে ধান চাষ
কৃষি বিভাগ

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের জেগে ওঠা জমিতে চলছে বোরো ধানের চাষ। হ্রদের পানি কমতে থাকায় জগে ওঠা জমিতে এখন চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাহাড়ী চাষীরা। তবে সেচ সংকট, ডিজেল আর কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের। 

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাশয়, রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ । শীত মৌসুমে হ্রদের পানি কমতে থাকলে ভেসে উঠে চাষাবাদযোগ্য জমি। স্থানীয়ভাবে এসব জমিকে বলা হয় জলেভাসা জমি। পলি ভরাট এসব জমিতে ধান চাষ করে পাহাড়ী চাষীরা। কিšতু পানির অভাবে আর কৃষি উপকরণে দাম বাড়ায় এবার সংকটে তারা।

নভেম্বর মাস থেকে জলেভাসা এসব জমিতে চাষাবাদ শুরু হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে হ্রদের পানি বেড়ে তলিয়ে যায় ফসলের মাঠ। এর আগেই ফসল ঘরে তুলতে হয়।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, চাষীদের বীজ ও সেচের পানির সংকট নিরসনে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

চলতি বছর জেলায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জলেভাসা জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop