৩:৪৯ অপরাহ্ন

সোমবার, ১৬ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ১, ২০২২ ২:২০ অপরাহ্ন
ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে আখ মাড়াই শুরু
কৃষি বিভাগ

ঋণ ও লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে আখ মাড়াই শুরু করেছে ঠাকুরগাঁও সুগার মিল। তবে এ থেকে উত্তরণের উপায় না খুঁজে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের খেয়ালখুশি মতো মিলটি পরিচালনা করছেন বলে মিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন।

জানা যায়, চলতি মৌসুমে ২০২১-২২ অর্থ বছরে প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এতে প্রায় ৩৫০০ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা। সুগার মিলের ব্যবস্থাপনায় নিজস্ব ফার্মে এক হাজার একর লিজ নেয়া জমিতে আখ উৎপাদন করা হয়েছে। এছাড়াও আগামী মার্চ পর্যন্ত ৪-৫ হাজার চাষি প্রায় ১০ হাজার একর জমিতে আখ রোপণ করে। এ পর্যন্ত ১৪০০ একর জমিতে আখ রোপণ করা হয়েছে। এ মৌসুমে প্রায় ১২০০ কৃষক মিলে আখ সরবরাহ করবে।

ঠাকুরগাঁওয়ের কয়েকজন আখচাষি জানান, মিল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে চাষিরা আখ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। যদি উন্নত জাতের আখ সরবরাহ করা হতো তাহলে তারা ফলন ভালো পেতেন। ফলে মৌসুম শেষ হওয়ার আগেই মিল আর বন্ধ হতো না। এখন যে আখ চাষ হচ্ছে তাতে ফলন পাওয়া যাচ্ছে না। একবার আখ রোপণ করলে প্রায় দেড় বছর অন্যান্য ফসল ফলানো যায় না।

এদিকে অধিক লাভের আশায় কিছু আখচাষি পাওয়ার ক্রেশার মেশিন দিয়ে আখ মাড়াই করে গুড় উৎপাদন করে বাজারে বিক্রি করে। তাদের মতে, যে আখ মিলে দিলে পাওয়া যায় ১০-১১ হাজার টাকা, সেই আখ নিজেরা মাড়াই করলে পাওয়া যায় ২১-২৪ হাজার টাকা। তাছাড়া মিল সময়মতো টাকা পরিশোধ করে না।

ঠাকুরগাঁও সুগার মিল সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে লোকসান হয়েছে ৭৬৩ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মিলটিতে স্থায়ী জনবল ৪৮৩ জন, মৌসুমী ৩৪৩ জন, মাস্টাররোলে আছেন ২৩৯ জন। এই জনবলকে প্রতি মাসে মৌসুমে বেতন দেয়া লাগে ২ কোটি ৭১ লাখ ৯২ হাজার টাকা, আর মৌসুম ছাড়া ১ কোটি ৭১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। সবমিলে বছরে বেতন-বোনাস ২৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। বেতন-বোনাস দিয়ে আরও লোকসান হবে প্রায় ৭৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকাসহ মোট ৭৬৪ কোটি ১০ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, মিলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর লাভেই চলছিল। এখন যতদিন যাচ্ছে ততই লোকসানের দিকে ধাবিত হচ্ছে। লোকসান থেকে বাঁচাতে হলে মিলটিকে আধুনিকায়ন করতে হবে। কৃষকরা উন্নত জাতের আখের আবাদ করলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হবে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমান জানান, এটা আসলে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তি, শিল্প মন্ত্রণালয় দেখাশুনা করে। মিলটি ঋণ ও লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে আমার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। আর যে সমস্ত আখচাষি পাওয়ার ক্রেশার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে আখ মাড়াই করে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১, ২০২২ ১:৫৬ অপরাহ্ন
কাহারোলে আলুখেতে পচন ও ছত্রাক রোগের আক্রমণ
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় তীব্র শীতকে অপেক্ষা করে আলুখেতকে রক্ষার জন্য খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। গত কয়েকদিনের ঠাণ্ডা ও কুয়াশায় আলুর খেতে পচন ও ছত্রাক রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। আলু চাষিরা খেতে আলুকে রক্ষা করার জন্য বালাই নাশক প্রয়োগসহ পরিচর্যা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আলু উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় ও বর্তমান বাজারে আলুর দাম কম থাকায় আলু চাষের ভালো একটা লাভ হবে না বলে মনে করছেন চাষিরা। 

কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে এবার ২ হাজার ৩’শ ৭৮ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্যমাত্রাকে ছড়িয়ে ২ হাজার ৫’শ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিকেজি দেশী আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি ও ডায়মন্ড, কাডিলাল প্রতিকেজি ১৪ টাকা ও গেনুলা প্রতিকেজি ৯ টাকা। গতকাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে আলু চাষিরা কুয়াশার হাত হতে রক্ষার জন্য কীটনাশক প্রয়োগ করছে আলুর জমিতে।

নয়বাদগ্রামে আলু চাষি হামিদ জানান, পৌষ ও মাঘ মাসে আলু খেতে লেটব্রাইড ও পচন রোগসহ নানা প্রকার রোগ দেখা দেয়। আবাদের শুরুতে আলু নিয়ে ভালোই ছিলাম কিন্তু কয়েকদিন ধরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে রোগ বালাইয়ের আশঙ্কা করছি। প্রতিদিনই ঔষধ স্প্রে সহ পরিচর্যা করতে হচ্ছে।

কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. সাদেক বলেন, এখন পর্যন্ত আলু খেতে তেমন কোন রোগ বালাই আক্রমণ করে নাই। কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে আলুখেতে স্প্রে করার জন্য। কৃষি বিভাগ কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছে আলু খেতে রোগ বালাই দমনের জন্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১, ২০২২ ১:২০ অপরাহ্ন
বগুড়ায় চাষ হচ্ছে মরুভূমির ত্বিন ফল
কৃষি বিভাগ

বগুড়ায় প্রথম বারের মতো ব্যক্তি উদ্যোগে শুরু হয়েছে মরুভূমির ত্বিন ফলের চাষ। শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া পালপাড়ায় সিঙ্গাপুরফেরত যুবক সোয়েব সাদিক নবীন পরীক্ষামূলকভাবে এই ত্বিন ফলের চাষ করছেন। তার বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে ত্বিন ফল। দেশের চাষিদের মধ্যে এই ফল ও চারা খুব অল্প মূল্যে বিক্রি করা তার লক্ষ্য।

সরজমিনে দেখা যায়, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া গ্রামে সোয়েব সাদিক দুই বিঘা জমিতে ত্বিন ফলের বাগান করেছেন। বাগানে ৬০০ ত্বিনগাছ রয়েছে। বাগানের গাছে গাছে লকলক করছে সবুজ পাতা। প্রতিটি পাতার গোড়ায় ঝুলছে ত্বিন ফল। দু-একটি ফল পাকতে শুরু করেছে। পাকা ফল রসে পরিপূর্ণ। নতুন বাগান হওয়ায় স্হানীয় অনেক মানুষই আগ্রহ নিয়ে ত্বিন ফলের এ বাগান দেখতে আসছেন। মরুর দেশের ফল ‘ত্বিন’ ডুমুরজাতীয় ফল। স্বাদে খুব মিষ্টি ও রসাল, পুষ্টিগুণে ভরা এই ফল মধ্যপ্রাচ্যে অনেক জনপ্রিয়।

সোয়েব বলেন, মরুর দেশের ফল বগুড়ার মাটিতে চাষ করতে গিয়ে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। মাটিতে জৈব ও ভার্মি কম্পোস্ট সার ছাড়াও বালু, তুষ, ছাই মিশিয়ে ফল উৎপাদনের উপযোগী করে তুলতে হয়েছে। প্রথম মৌসুমেই সফল হওয়ায় সবাই জানছেন এই বাগানের কথা। ত্বিনবাগান ও চাষ পদ্ধতি জানতে অনেকেই ভিড় করছেন।

তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে গিয়ে তুরস্কের এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় তার। সেখানেই তিনি ত্বিন ফলের স্বাদ পেয়েছেন। পাশাপাশি চাষ সম্পর্কে অবগত হন। ত্বিন ফলের এখনো বাজার তৈরি হয়নি দেশে। তাই তার উৎপাদিত ত্বিন ফল সিঙ্গাপুরে রপ্তানির চিন্তা করছেন। আগামী রমজান মাস থেকে প্যাকেজিং করে বগুড়া ছাড়াও রাজধানীতে এই ফল বিক্রি করবেন। গাছপাকা এক কেজি ত্বিন ফলের গড় বাজারমূল্য ১ হাজার টাকা। এই ফলের গাছ ১০০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। চারা লাগানোর তিন মাসের মধ্যে গাছে শতভাগ ফল ধরে। প্রথম বছরে ১ কেজি, দ্বিতীয় বছরে ৭-১১ কেজি, তৃতীয় বছরে ২৫ কেজি এভাবে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টানা ৩৪ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে একটি ত্বিনগাছ।

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল আলম জুয়েল বলেন, ত্বিন ফল অত্যন্ত পুষ্টিগুণে ভরা। এই ফল ক্যানসার প্রতিরোধ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য ও হাঁপানি রোগ নিরাময় এবং মানসিক ক্লান্তি দূর করে। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়ামসহ নানা ভেষজ গুণ। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস, হাড়ের রক্ষণাবেক্ষণ, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি, ত্বকের সৌন্দর্যবর্ধন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দুলাল হোসেন বলেন, ত্বিন একটি সম্ভাবনাময় ফসল। ত্বিন ফল চাষকে লাভজনক করতে পারলে বেকার তরুণদের কর্মসংস্হান হবে এবং অর্থনীতিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ফল রপ্তানির মাধ্যমে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনও সম্ভব। কৃষি বিভাগ প্রযুক্তিগত সহায়তাসহ নানাভাবে এই ফল চাষে চাষিদের সহায়তা প্রদান করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১, ২০২২ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
প্রতিকূল আবহাওয়ার পরও ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে
কৃষি বিভাগ

রংপুরে বেড়েছে ফসলের নিবিড়তা। প্রতিকূল আবহাওয়া গেলেও এবার ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দেড় লাখ মেট্রিক টন বেশি হয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে উৎপাদন ব্যয় যেমন কমেছে, তেমনি কমেছে ইঁদুরে কাটা ও মাড়াইয়ের সময় ধানের অপচয়। এ অবস্থায় দাম ভালো থাকায় লাভের আশা করছে কৃষক।

রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় এবার ৬ লাখ ১৪ হাজার ২৯৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়। উৎপাদনের লক্ষ্য ছিল ১৭ লাখ ১৯ হাজার ২৩১ মেট্রিক টন। মাঝপথে উৎকন্ঠায় ফেলে অসময়ের বন্যা আর ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। তারপরও কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মোট জমিতে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন বেশি হয়েছে।

কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের ফলে কমেছে চাষের ব্যয়। রোধ হয়েছে ইঁদুরে কাটা ও মাড়াইয়ের সময় ধানের অপচয়। ২৩৬ শতাংশ থেকে ফসলের নিবিড়তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪০ শতাংশে।

কৃষি বিভাগের দাবি, একই জমিতে বিভিন্ন ফসলের চাষ ও সাথী ফসলের কারণে নিবিড়তা বাড়ছে।

রংপুর অঞ্চল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক তৌহিদুল ইকবাল জানান, দ্রুত ফুল এসে গেছে, আলাদা করে কোন পানি দিতে হয়নি। অনেক সময় আমন ধানে সেচের সংকট হয়, সেই সংকটটাও আমরা পাইনি। কারেন্ট পোকা এবার একেবারে নাই বৃষ্টির কারণে। বৃষ্টির কারণে ইঁদুরও কম।

চলতি আমন মৌসুমে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নীলফামারী ও গাইবান্ধা নিয়ে গঠিত রংপুর কৃষি অঞ্চল থেকে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকার আমন ধান পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২১ ৪:০৫ অপরাহ্ন
হঠাৎ বেড়ে গেল সবজির দাম
কৃষি বিভাগ

হঠাৎ করে নাটোর শহরের পাইকারি বাজারগুলোতে সব ধরনের শীতকালিন সবজির সরবরাহ কমে গেছে।ফলে গত সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে সবজির দাম প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের।

তবে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহ হতে আরও ২ সপ্তাহ  অপেক্ষা করতে হবে বলে দাবি করেছেন কৃষকরা।

শীতে ভরা মৌসুমে নাটোর শহরের পাইকারি সবজির বাজারগুলোতে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে সবজির সরবরাহ কমতে থাকে।

ফলে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, গাজর, কোয়াশ, লাউ ,বেগুনসহ নানা ধরনের সবজির দাম প্রতি কেজিতে চলতি সপ্তাহে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে গেছে। আর সরবারহ স্বাভাবিক থাকায় শুধু আলু ও টমেটোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) শহরের বৃহত্তম পাইকারি সবজির বাজার স্টেশন বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি ২৮ থেকে ৩০ টাকা, বেগুন ৩২ থেকে ৩৫ টাকা,গাজর ২৪ থেকে ২৬ টাকা, শিম ৩৮ থেকে ৫০ টাকা, মূলা ১৮ থেকে ২২ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২২ থেকে ২৫ টাকা, বাঁধাকপি পিস ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হয়।

ক্রেতারা অভিযোগ করেন, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর শুরু থেকেই শীতকালীন সবজির দাম বেশি। তার উপর চলতি সপ্তাহে আবারও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

খুচরা পর্যায়ে ক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে আরও ১০ থেকে ১৫ টাকা অতিরিক্ত দামে বিক্রি হয়। এ ব্যাপারে বাজার মনিটরের দাবি জানান ক্রেতারা।

কৃষকরা জানান, অক্টোবরের রোপণ করা সব ধরনের সবজির উৎপাদন শেষের পর্যায়ে চলে আসায় সরবরাহ কমে এসেছে। ফলে দাম বেড়েছে।

নভেম্বরে রোপণ করা সবজি বাজারে আসতে আরও সপ্তাহখানেক অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

নাটোর জেলায় চলতি বছর ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন শীতকালীন সবজির উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২১ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শেরপুরে সারের কৃত্রিম সংকট
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার শেরপুরে সরকার নিযুক্ত রাসায়নিক সার ডিলারের ঘরে সারের কৃত্রিম সংকট। অবৈধভাবে মজুতকৃত ১ হাজার ৭৩ বস্তা সার কালোবাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রির সময় আটক করা হলেও আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার, ন্যায্যমূল্যে সার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন শেরপুরের কৃষকরা।

জানা য়ায়, শেরপুর উপজেলায় এ বছর সাড়ে ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রাকে টার্গেট করে আগাম সার মজুত করছেন শেরপুরের সার মজুতদার ব্যবসায়ীরা। উপজেলার ৭নং ভবানীপুর ইউনিয়নের সার ব্যবসায়ী আকন্দ ট্রেডার্সের গুদামে অবৈধভাবে মজুতকৃত ১ হাজার ৭৩ বস্তা সার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয় গত ২৭শে ডিসেম্বর।

অবৈধভাবে মজুতকৃত সার উদ্ধার অভিযানে নামে শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) মো. ময়নুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন, বগুড়া-র‌্যাব ১২ সদস্যসহ শেরপুর থানা পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

স্থানীয়রা জানায়, শেরপুরের ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যানের বাসার পাশে আকন্দ ট্রেডার্স এর একাধিক সারের গুদামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরপর ৭নং ওয়ার্ড ভিত্তিক খুচরা সার বিক্রেতা আব্দুল জলিল আকন্দের ছেলে আল মাহমুদ আকন্দ ও তার চাচা কলিম উদ্দিনের ঘরে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৬৩৩ বস্তা (ডিএপি) এবং ৪৪০ বস্তা (এমওপি) সার জব্দ করা হয়।

অবৈধভাবে মজুতকৃত সার শেরপুরে সরকার নিযুক্ত বিসিআইসি’র ১২ জন এবং বিএডিসির ২০ জন ডিলারের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা যায়। এরপর ওই সকল সার কালোবাজারে উচ্চ মূল্যে বিক্রি শুরু হলে সংবাদ পায় শেরপুর উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে উল্লিখিত পরিমাণ সার আটকের পর বিশেষ তদবিরের কারণে সেখানে ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য একটি আইওয়াশ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রধান স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান নিজেও ওই সার ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রকাশ্যে জড়িত আছেন।

এ নিয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, ভবানীপুরের আকন্দ ট্রেডার্স-এর গুদামে অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগে ৫০ কেজি ওজনের ৬৩৩ ডিএপি এবং ৪৪০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। পরে ওই সার সরকারি ডিলার রেটে এলাকায় বিক্রির জন্য কমিটি করে দেয়া হয়।

কৃষকরা জানায়, সার আটকের পর ওই ব্যবসায়ীকে এবারে উচ্চ মূল্যে সার বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এটা স্রেফ আই ওয়াশ। শেরপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আটক সার যশোরের নোয়াপাড়ার চালানে চান্দাইকোনা বাজারের জনৈক কনক ট্রেডার্সের নামে দেখা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:১৪ অপরাহ্ন
জয়পুরহাট চিনিকলে আখ মাড়াই শুরু হবে আগামীকাল
কৃষি বিভাগ

দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাট চিনিকলের ২০২১-২০২২ মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করা হবে আগামীকাল ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবার।

চিনিকল সূত্র জানায়, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার দ্ইুটি চিনিকল এলাকার ৩০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করা হবে দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠা জয়পুরহাট চিনিকলে। এরমধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট এলাকার ২৫ হাজার মেট্রিক টন আখ ও রংপুরের মহিমাগঞ্জ চিনিকল এলাকার ৫ হাজার মেট্রিক টন আখ।

চলতি ২০২১-২২ আখ মাড়াই মৌসুমে দুইটি মিল থেকে সংগৃহীত ৩০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ১ হাজার ৮শ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ। চিনি আহরণের শতকরা হার ধরা হয়েছে ৬ ভাগ। এটি হবে জয়পুরহাট চিনিকলের ৫৯ তম মাড়াই মৌসুম। জয়পুরহাট চিনিকলে প্রতিদিন ১৫শ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করার সক্ষমতা রয়েছে। রংপুরের মহিমাগঞ্জ চিনিকল কর্তৃপক্ষ আখ ক্রয় করে ট্রাকের মাধ্যমে জয়পুরহাট চিনিকলে পাঠাবে। সরকারি ভাবে ওই সব আখের মূল্য পরিশোধ করা হবে। ইতোমধ্যে প্রস্তুতি মূলক কার্যক্রম বিশেষ করে আখ ক্রয় কেন্দ্রের সংস্কার ও মেরামতের পাশাপাশি ফ্যক্টারীর বিভিন্ন যত্রাংশের মেরামত কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আখ না থাকায় এবার ২৫ দিন চিনিকল চালু রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চিনিকল সূত্র আরও জানায়, ২০২১-২২ মাড়াই মৌসুম উদ্বোধনের জন্য অন্যান্য বারের মতো এবারও চিনিকল চত্বরে এক সুধী সমাবেশ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হবে। সংসদ সদস্য এ্যাড: সামছুল আলম দুদু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রবীণ আখচাষিদের সঙ্গে নিয়ে ডোঙ্গায় আখ ফেলে মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসান জানান, গতবারের মতো এবারও আখের মূল্য মিলগেটে প্রতি কুইন্টাল ৩ শ ৫০ টাকা এবং বাইরের আখ ক্রয় কেন্দ্রে থেকে ৩ শ ৪৩ টাকা দরে আখ ক্রয় করা হবে। ই-পূর্জি ও ই-গ্যাজেটের মাধ্যমে পূর্জি বিতরণ ছাড়াও মোবাইল ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে আখচাষিদের আখের মূল্য পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে চিনিকল কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ২:০৭ অপরাহ্ন
গাইবান্ধার চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার চাষ
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধার চরাঞ্চলে বালুর মধ্যে পলিমাটি ফেলে মিষ্টিকুমড়ার চাষ করছেন কৃষকরা। ফলনও হচ্ছে ভালো। বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির তত্ত্বাবধানে চরাঞ্চলে এই মিষ্টিকুমড়ার চাষ চলছে। তবে বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় কৃৃষকরা। 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরগুলোতে এখন শুধুই সবুজের ক্ষেত। চরের বালুর মধ্যে গর্ত করে উর্বর পলিমাটি ফেলে শতশত বিঘা জমিতে হচ্ছে মিষ্টি কুমড়ার চাষ। এসব চরে কাজল, ব্ল্যাক সুইট, কালো মানিক ও বিউটি জাতের মিষ্টিকুমড়ার চাষ করছেন কৃষকরা।

নতুন এই পদ্ধতিতে মিষ্টিকুমড়া চাষ করে বাম্পার ফলন পাচ্ছেন চাষীরা। তবে চরাঞ্চলে অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে মিষ্টিকুমড়ার ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় তারা।

জেলার চারটি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের চরগুলোতে মিষ্টিকুমড়া চাষের এই কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করছে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি।

গাইবান্ধার ১২৫টি ছোট-বড় চরে চলছে এই পদ্ধতির মিষ্টিকুমড়ার চাষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা
কৃষি বিভাগ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় এবারের শীতে ঘন কুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ইরি-বোরো ধানের আবাদ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য প্রায় ৭০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করেছেন কৃষকরা।

গত কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় ডুমুরিয়ায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর উফশি ও ৫ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিডসহ প্রায় ৭০ হেক্টর জমির ইরি বোরো ধানের বীজতলার অধিকাংশই লালচে হলুদ হয়ে গেছে।

ডুমুরিয়ার টিপনা এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, কোথাও কোথাও বীজতলায় ইরি বোরো ধানের চারাগুলে ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। বেশিরভাগ চারা হলুদ হয়ে গেছে। বীজতলার চারা এখন রোপণের অযোগ্য হয়ে গেছে।

কৃষক রাছিদ মোল্লা বলেন, এ বীজতলার চারা জমিতে রোপণ করলে তা এক সপ্তাহও বাঁচিয়ে রাখা যাবে না। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সময় মতো ধানের চারা বীজতলা থেকে তুলে জমিতে রোপণ করা যাচ্ছে না।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষিবিদ মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, রাতের বেলায় বীজতলায় পানি রাখতে হবে এবং দিনের বেলায় পানিটা সরিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে এটি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। বোরো ধানের বীজতলা রক্ষার জন্য ইউরিয়া ও জিপসাম সার প্রয়োগের পাশাপাশি প্রতিদিন বীজতলার কুয়াশা ঝেড়ে দেয়া এবং চারাগুলোকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ৩:১৩ অপরাহ্ন
কালিয়াকৈরে মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ
কৃষি বিভাগ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে সরিষা ফুল। দিগন্ত জোড়া ফসলের মাঠে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। সরিষা ফুলের মৌ-মৌ গন্ধ চারদিকে। প্রতিটি মাঠে সরিষার আবাদ হয়েছে চোখে পড়ার মতো। আর অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই কৃষকের ঘরে উঠবে সরিষা। কম খরচে বেশি লাভের আশায় কৃষকরা আগাম জাতের ও অধিক ফলনশীল এই ফসলের চাষ করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ১৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। ১৪শ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। উন্নত জাতের সরিষা আবাদ করা হয়েছে। স্বল্প সময়, কম খরচ ও কম পরিশ্রমে এ ফসলের আবাদ হয়ে থাকে পরবর্তীতে সরিষার জমিতে কম খরচে বোরো আবাদ করেন চাষিরা। ফলে সরিষার বিক্রির টাকা দিয়ে বোরো আবাদের খরচ কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারেন।

বাহাদুর গ্রামের কৃষক আবুল হাসান জানান, দুই বিঘা জমিতে উন্নত জাতের সরিষার আবাদ করেছেন। আবাদও ভালো হয়েছে। আর কিছু দিনের মধ্যে ফসল ঘরে উঠবে। এখন ভালো দাম পেলেই হয়। দেওয়ার বাজার এলাকায় হাবিবুর রহমান জানান, কিছু দিন পূর্বে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষা ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, উপজেলা ১৪শ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন চাষিরা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop