১১:২৫ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১০, ২০২১ ১২:৫৯ অপরাহ্ন
ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে: পাবনায় পেঁয়াজ, ধান,সবজির ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

সদ্য চলে যাওয়া ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে পাবনায় আমন ধান, পেঁয়াজ, শীতকালীন নানা সবজির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবেই মাটিতে নুয়ে পড়ে পাকা আমন ধান। মাঠে কেটে রাখা ধান পানিতে যায় ভেসে। বিশেষ করে পেঁয়াজ খ্যাত এ জেলার সুজানগর, সাঁথিয়া, বেড়াসহ বিভিন্ন উপজেলায় শতশত একর জমির পেঁয়াজের বীজে পচন ধরে নষ্টের আশংকা করছেন চাষিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মুলকাটা পেঁয়াজ ও পেঁয়াজের বীজতলা (দানা) থেকে যে পোয়াল/বেচন(বীজ/ চারা) ফলানো হয়। শত শত বিঘা জমির বেচন এখন দু’দিনের টানা বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে যায়। তাই পেঁয়াজ চাষিরা খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। এই বীজ বাঁচানো না গেলে পেঁয়াজ উৎপাদনে নেমে আসবে চরম বিপর্যয়।

দেশের চাহিদার দুই তৃতীয়াংশ পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য খ্যাত পাবনা। এ জেলার সুজানগর, সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার হাজার হাজার একর জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যে তৈরি বীজ নষ্ট হয়ে গেলে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে মারাত্বভাবে বিঘ্নিত হবে। যদি সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হয়, তবে পেঁয়াজ উৎপাদনে বিপর্যয় ঘটার আশংকা রয়েছে। এছাড়া জেলার সব উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাঠে পাকা ধানের জমিতে পানি জমে গেছে এবং মাঠে কেটে রাখা ধান পানিতে ভাসছে। এখন সেই ধান ঘরে তুলতে চরমভাবে বেগ পেতে হচ্ছে কৃষকের। বিনষ্ট হয়েছে শব্জি খ্যাত পাবনা অঞ্চলের শীতকালীন বিভিন্ন ধরণের শাকসব্জি।

পাবনা সদর উপজেলার মাহমুদপুর-বেরুয়ান এলাকার কৃষক আবুল বাশার জানান, ‘আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকার অধিকাংশ জমিতে কেটে রাখা ধান পানিতে ভাসছে। সব মাঠে পানিবদ্ধতার কারণে পাকা ধান কাটা খুবই অসুবিধার মধ্যে পড়েছে কৃষক। বিভিন্ন উপজেলাতে একই অবস্থা বলে স্থানীয়রা জানান। এটা বড় ধরণের একটা ধাক্কা বলে অভিহিত করছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে পাবনার বিভিন্ন স্থানে ফসল, শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতির খবর আসছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি স্থানে পরিদর্শন করা হয়েছে। তেমন ক্ষতি হয়নি দাবী করে এই কর্মকর্তা বলেন, চারা পেঁয়াজের মাঠে যাতে কোন অসুবিধা না হয় সে জন্য পদ্ধতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। গম ও সরিষা চাষে এই বৃষ্টি বেশ উপযোগী দাবী করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১০, ২০২১ ১২:২৭ অপরাহ্ন
হিলিতে ঊর্ধ্বমুখী চালের বাজার
কৃষি বিভাগ

আমনের ভরা মৌসুমেও দিনাজপুরের হিলিতে সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৩-৪ টাকা করে। ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ। এর মধ্যেই বেড়েছে ধানের দাম। এসব কারণে এমনিতেই বাজার চড়া। তার ওপর চাল মজুদ করে রেখে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছেন মোকাম ও মিল মালিকরা।

হিলির চালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারের সব চালের দোকানেই পর্যাপ্ত চালের মজুদ রয়েছে। তার পরও চিকন ও মোটা—এ দুই জাতের চালের দাম বেড়েছে। মিনিকেট জাতের চাল আগে পাইকারিতে  কেজিপ্রতি ৫৪-৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে ৫৭-৫৮ টাকায় উঠেছে। আটাশ জাতের চাল এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে দাম বেড়ে ৪৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে ২-৩ টাকা করে।

চাল কিনতে আসা উজ্জল হোসেন বলেন, আমরা মনে করেছিলাম আমন ধান উঠলে চালের দাম কমবে। কিন্তু এখন এর উল্টোটা ঘটছে। গত সপ্তাহে চাল কিনেছি ৪০ টাকা কেজি দরে। এখন সে চাল কিনতে হচ্ছে ৪২-৪৩ টাকা কেজি দরে। চালের দাম বাড়লেও আমাদের সেভাবে আয় বাড়ছে না। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে না খেয়ে থাকতে হবে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

হিলি বাজারের চালবিক্রেতা সুব্রত কুণ্ডু বলেন, বাজারে নতুন ধান উঠলেও দাম বেশি। আর চাতাল মালিকরা অনেকেই মিল চালু করেননি। আবার যারা চালু করেছেন, তারা চাল মজুদ করে রেখেছেন। আমদানীকৃত যেসব চাল দেশে ঢুকেছে, বিভিন্ন গুদামে সেসব চাল মজুদ করে রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ সংকটের সুযোগে তারা দাম বাড়াচ্ছেন।

হিলি বাজারের চাল ব্যবসায়ী স্বপন কুমার ও ফিরোজ হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে চিকন ও মোটা—দুই জাতের চালের দাম কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা করে বেড়েছে। এর প্রধান কারণ ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। যাদের গুদামে এখনো চাল মজুদ রয়েছে, তারা কেজিপ্রতি ২-৩ টাকা করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া নতুন ধানের ঊর্ধ্বমুখী দামও বাজারে প্রভাব ফেলেছে। চাল আমদানি শুরু হলে আবারো দাম কমতে পারে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকার চালের আমদানি শুল্ক বাড়ায়। গত ৩০ অক্টোবর থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১০, ২০২১ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
যশোরের চৌগাছায় জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে খেতের ধান
কৃষি বিভাগ

তিন দিনের টানা বর্ষণ ও কালভার্টের মুখ বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে যশোরের চৌগাছায়। পানি নিষ্কাশন বন্ধ থাকায় তলিয়ে রয়েছে প্রায় ২০০ বিঘা পাকা আমন খেত। এতে বিপাকে পড়েছেন তিন শতাধিক কৃষক।

তারা জানায়, খেতের কেটে রাখা ধান ভাসছে পানিতে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে পাকা ধান সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি যশোর-চৌগাছা সড়কের চূড়ামনকাঠি থেকে চৌগাছা পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও প্রশস্তকরণ করা হয়। সংস্কার কাজ করার সময় পুরাতন ছোট ছোট ব্রিজ-কালভার্ট পুনর্নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সড়কের সিংহঝুলি ও কয়ারপাড়া গ্রামের মাঝে অবস্হিত টালিখোলা নামক স্থানের বুড়োর বিলের পানি বের হওয়ার কালভার্টটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতে এসব জমিতে প্রায় তিন-চার ফুট পানি জমে গেছে।

সিংহঝুলি গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গোলাম মোস্তফা, ইমরান খান, সাইফুল ইসলাম, পলাশ, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলি, মফিজুর রহমানসহ অন্তত ৫০ জন কৃষক জানান, যুগ যুগ ধরে যে কালভার্ট দিয়ে পানি নিষ্কাশন হয়, সেটি হঠাৎ করে কীভাবে বন্ধ করে দিল তা আমরা বুঝতে পারছি না।

তারা বলেন, গত আমন মৌসুমেও আমরা একবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, এ বছরও একই অবস্থা। লস্করপুর গ্রামের কৃষক ইয়াকুব আলী জানান, এই মাঠে আমার প্রায় ১২ বিঘা জমি রয়েছে। কালভার্টটি বন্ধ করে দেওয়ায় আমার সমস্ত জমিগুলোতে দুই-তিন ফুট পানি জমে রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমরেন বিশ্বাস বলেন, সম্প্রতি এখানে যোগদান করেছি। কালভার্ট বন্ধ থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলব।

যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, কালভার্ট থাকলে বন্ধ করার কথা নয়| বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ৫:৪৭ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত তেলফসলের আবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত তেলজাতীয় ফসলের জাত পরিচিতি, চাষাবাদ, বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বিনার হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী (ভার্চুয়ালী) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গকেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন।

বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার পপির সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমাদের ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরণে তেল ফসলের আবাদ বাড়াতে হবে। এর অংশ হিসেবে বিনা উদ্ভাবিত জাতগুলো ব্যবহার করলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলনও হবে বেশি।

প্রশিক্ষণে তেল জাতীয় ফসলের বৃদ্ধি প্রকল্পের (বিনা অংগ) আওতাধীন বরিশাল সদর ও বাবুগঞ্জের ২ জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা এবং ৭৫ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ৫:০২ অপরাহ্ন
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রশিক্ষণে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে খাদ্যকর্মী, গৃহিণীসহ খাদ্য চেইনে যারা যুক্ত আছে, তাদের সবাই কে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রাজধানী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রকল্প অবহিতকরণ ও কৌশলগত পরিকল্পনা অবমুক্তকরণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সুস্থ সবল জাতি গঠনে সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও জাইকা কে ধন্যবাদ প্রদান করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পে সহায়তা করার জন্য। এবং তিনি ভেজালকারীদের হুঁশিয়ারি দেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেন, ভোজন রসিক বাঙ্গালির স্বাস্থ্য ও জীবন সুরক্ষায় উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেট পর্যন্ত নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও সঠিকভাবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্যপক্ষ কে কাজ করে যেতে হবে। এবং এ প্রকল্প নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাজ কে আরো বেগবান করবে।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশব্যাপী নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভূমিকা উল্লেখ করেন খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ, পরিদর্শন ও নজরদারি, খাদ্য পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইতো নাওকি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, জাইকা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্প বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জাপানের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার সঙ্গী হয়ে জাপান কাজ করে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ সরকার এবং জাইকার সহায়তায় গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগিত হবে বলে বিশ্বাস করেন- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকার। সমাপনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. রেজাউল করিম এর স্বাগত বক্তব্য শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. লতিফুল বারী। বর্তমান বাংলাদেশে বহাল থাকা খাদ্য নিরাপদতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানকল্পে উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে ৩ হাজার ৯০০ কৃষক পেলেন বীজ-সার
কৃষি বিভাগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় প্রণোদনা পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জানা গেছে, ৩ হাজার ৫০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২ কেজি হাইব্রিড ধানের বীজ, ৪০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি করে উফশী ধানের বীজ এবং ১০ কেজি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি), ১০ কেজি মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (০৯ ডিসেম্বর) বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদ হল কক্ষে সার ও বীজ প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম এর উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. রেখা পারভীন, কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাসসহ উপকারভোগী কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ২:৫৫ অপরাহ্ন
ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজের দাম, কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা
কৃষি বিভাগ

হঠাৎ করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকহারে বেড়ে গেছে। দুদিনেই কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত। দেশি পেঁয়াজের মজুদ ফুরিয়ে আসায় পেঁয়াজের এই দাম বেড়েছে বলে অভিমত ব্যবসায়ীদের।

তারা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের যে মজুদ ছিল তা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এ কারণে এখন পেঁয়াজের দাম বাড়তি। তবে মুড়ি কাটা (পাতাসহ) পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। তাই এবার পেঁয়াজের দাম খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা কম।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা মান অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৭০ থেকে ৮০ টাকা। যা দুদিন আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম বেড়েছে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের। দুদিন আগে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আমদানি করা পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।

পেঁয়াজের এই দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, দুদিন আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৬০ টাকা করে। এখন সেই পেঁয়াজের কেজি ৭৫ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। হঠাৎ করেই পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তাই আমরা বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

খিলগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, গত দুই দিনে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। বাড়তি দামে কেনার কারণে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করছি। দুদিন আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ টাকা, এখন সেই পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ কি- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পাইকাররা বলছেন দেশি পেঁয়াজের মজুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। গোডাউনে খুব বেশি পেঁয়াজ নেই। এ কারণেই দাম বেড়েছে।

এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, আমাদের ধারণা এখন পেঁয়াজের দাম বাড়লেও এবার খুব বেশি বাড়বে না। কারণ ইতোমধ্যেই বাজারে মুড়ি কাটা পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে চলে আসতে পারে।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন বলেন, বাজারে এখন পেঁয়াজের সরবরাহ কম, এ কারণে দাম বেড়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছি ৬২-৬৪ টাকা। আগে এই পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৪৭-৪৮ টাকা। এ হিসাবে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫-১৬ টাকা।

তিনি বলেন, এখন বাজারে পেঁয়াজ কম তাই দাম বেড়েছে। বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে। আমাদের ধারণা পেঁয়াজের দাম খুব বেশিদিন বাড়তি থাকবে না। কারণ অল্পদিনের মধ্যেই বাজারে নতুন পেঁয়াজ চলে আসবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১:৩৯ অপরাহ্ন
সোনাগাজীতে কৃষকদের থেকে ধান সংগ্রহের উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের থেকে সরকার নির্ধারিত দামে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন ধান সংগ্রহের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে সোনাগাজী উপজেলা খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এম জহিরুল হায়াত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিখন বনিক, উপজেলা কৃষি অফিসার সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শফি উদ্দিন আহমেদ, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য, সোনাগাজী উপজেলা খাদ্য গুদামে ১ হাজার ৫০ টন আমন ধান সংগ্রহ করা হবে। একজন কৃষক ২৭ টাকা কেজি ধরে সর্বোচ্চ ৩টন ধান বিক্রি করতে পারবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১২:০২ অপরাহ্ন
যশোরে জাওয়াদের প্রভাবে ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষি বিভাগ

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে যশোর জেলার ৮ উপজেলায় প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।শীতকালীন সবজি, বোরো বীজতলা, পাকা রোপা আমন, সরিষা ও মসুর ডাল ক্ষেতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের তালিকায় রয়েছে শীতকালীন সবজি, বোরো বীজতলা, পাকা রোপা আমন, সরিষা ,আলু, গম, পেঁয়াজ,ভূট্টা,মিষ্টি আলু, চিনাবাদাম,সূর্যমুখী , মটরসুটি,খেসারি, মসুর ডাল, ধনিয়া,আখ, মরিচ ও পান। টানা চারদিনের বৃষ্টিতে মোট ২৪হাজার ৮৪২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৪ হাজার ১৪৮ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান, ২৫৩ হেক্টর জমির বোরো বীজতলা, ২৫৬ হেক্টর জমির আলু, ২০৬ হেক্টর জমির গম, ২১৬ হেক্টর জমির পেঁয়াজ, ৪ হাজার ১৬৩ হেক্টর জমির মসুর, ৯ হাজার ৯১০ হেক্টর জমির সরিষা, ৪ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমির শীতকালীন সবজি, ১৫০ হেক্টর জমির ভুট্টা, ১৫ হেক্টর জমির মিষ্টি আলু, ২৫ হেক্টর জমির চিনাবাদাম, ১০ হেক্টর জমির সূর্যমুখী, ২০০ হেক্টর জমির মটরশুটি, ১৫০ হেক্টর জমির খেসারি, ৭৫ হেক্টর জমির রসুন, ১০ হেক্টর জমির ধনিয়া, ৭৫ হেক্টর জমির আখ, ৩শ’ হেক্টর জমির মরিচ ও ১০ হেক্টর জমির পানের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঘূণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে জেলায় প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের ক্ষতি নিরুপণের কার্যক্ষম চালাচ্ছেন।সামনের দিনে কৃষকরা আবার কিভাবে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেন সে ব্যাপারের কৃষকদেরকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।আবহাওয়া পরিবর্তনসহ দ্রুত পানি নিষ্কাশন হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
মুন্সিগঞ্জে আলু চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

এখন আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মুন্সিগঞ্জের কৃষকেরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শ্রমিক ও পরিবারের লোকজন নিয়ে আলু চাষ করছেন তারা। তবে এবছর সার ও আলু বীজের দাম বেশি বলে তাদের অভিযোগ। এ কারণে জেলায় আলুচাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নাও হতে পারে। 

দেশে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয় মুন্সিগঞ্জে। প্রতিবছর মৌসুম এলেই আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এখানকার কৃষকরা। এবারও একই চিত্র। তবে আলুর আবাদ করতে গিয়ে সার ও বীজের দামের কারণে ক্ষুব্ধ চাষীরা। তারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে ।

তবে আলু বীজের অতিরিক্ত দাম নেয়ার অভিযোগ মানতে নারাজ কৃৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

দাম নিয়ে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও এবছর আলু চাষে আগ্রহ তুলনামূলক কমই দেখা যাচ্ছে। মুন্সিগঞ্জে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৭ হাজার ৯’শ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৯ হাজার ৮’শ ৮০ হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop