১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সোনালী মুরগির ডিম উৎপাদনে যা করবেন
পোলট্রি

আমাদের দেশে মুরগির মাংস এবং ডিমের চাহিদা ব্যাপক। এই মুরগির মাংস এবং ডিমের চাহিদা পূরণে গড়ে উঠেছে নানান মুরগির খামার। আর এসব খামারের মধ্যে অন্যতম হলো সোনালি মুরগির খামার। যা অনেক আগ থেকেই আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলে পালন করা হচ্ছে। এরমধ্যে অনেকে কেবল ডিমের চাহিদা পূরণেও এই সোনালি মুরগির খামার করে থাকেন।

ডিম উৎপাদনের জন্য সোনালী মুরগি পালনে যা করা জরুরীঃ

১। সোনালি মুরগি পালনের ক্ষেত্রে শুরুতেই মনে রাখতে হবে এটি একটি ব্যবসা। আর ব্যবসাকে হেলার চোখে দেখার কিছু নেই। সোনালী মুরগি পালনে উদাসীনতা দেখালে মুরগি পালনে লোকসান দেখা দিতে পারে। সেজন্য সোনালি মুরগি পালনের প্রতিটি পদক্ষেপ গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।

২। সোনালীর ক্ষেত্রে ব্রূডিং এর সময় “এস্পারজিলোসিস” হবার অনেক সম্ভবনা থাকে। সেজন্য মুরগির ব্রূডিং কালে লিটারে তুঁতের পানি ছিটিয়ে ব্রূডিং করাতে হবে। এতে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৩। সোনালি মুরগি পালনের ক্ষেত্রে অনেক খামারিরা ভ্যাকসিন প্রদান নিয়ে অনেকটা উদাসীনতা দেখায়। সময়মতো মুরগিকে ভ্যাকসিন দিনে না পারলে অনেক সময় খামারিদের লোকসানে পড়তে হয়। আর সেজন্য ভ্যাকসিনসূচী অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে।

৪। সোনালি মুরগি পালনের ক্ষেত্রে লেয়ার মুরগির মতোই আলোকসূচি মেনে চলতে হবে। লেয়ার মুরগির মতোই সোনালি মুরগিতে আলোক নিয়ম মানলে সবচেয়ে ভাল হয়।

৫। সোনালি মুরগি পালনের ক্ষেত্রে মুরগির বয়স ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ হলে পুরুষ ও স্ত্রী সোনালী মুরগীগুলোকে পৃথক করতে হবে। সাধারনত মুরগী গুলোর ঝুটি ও পালক দেখেই পুরুষ ও স্ত্রী সোনালী মুরগী চেনা যায়। যেহেতু আপনার উদ্দেশ্য ডিম উৎপাদন তাই পুরুষ গুলো রাখার কোন প্রয়োজন নেই।

৬। সোনালী মুরগি সাধারনত দিনে ৮০ থেকে ১০০ গ্রাম খাবার গ্রহন করে। অতিরিক্ত বা কম খাবার দেয়া কোনটিই ঠিক না। এক্ষেত্রে মোট খাদ্যের ৬০% সকালে দিয়ে দিতে হবে। আর বাকি ৪০% খাবার ২০% -২০% করে দুপুরে ও বিকেলে দিতে হবে।

৭। খামারের মুরগিগুলোর বয়স ১৪ থেকে ১৬ সপ্তাহ হলে মুরগীগুলোকে খাঁচায় তুলতে হবে। মেঝেতে মুরগিগুলোকে না রেখে খাঁচায় রাখলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ১২:৩১ অপরাহ্ন
সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে দেড়গুণ
পোলট্রি

বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেলের পর এবার মুরগির মাংসের দামও বাড়ছে। গত ১০-১২ দিন ধরে সব ধরনের মুরগি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। দেশের মানুষের আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস মুরগির মাংস। কিন্তু কিছুদিন ধরে মুরগির দাম ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতির কারণে তা চলে যাচ্ছে নিম্ন বা মধ্য আয়ের মানুষেরই ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। বেশি বেড়েছে সবচেয়ে জনপ্রিয় সোনালি বা কক মুরগির দাম।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়।

জানা যায়, আগে এই মুরগির দাম ছিল কেজিপ্রতি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে তা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকার বেশি। ব্রয়লার মুরগির দাম ১২০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৫ বা ১৬০ টাকায়। বেড়েছে লেয়ার ও দেশি মুরগির দামও।

একজন মুরগি বিক্রেতা (৩৫) জানান, ‘মুরগির ছোট ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেছে। এখন বড় বড় কোম্পানি পাঁয়তারা করছে। তারা মাল ছাড়ছে না। ওরা টাকাটা কামায় নিতাছে। মালটা বন্ধ করে দিছে। এই ব্যবসা নিয়া সিন্ডিকেট করে ফেলছে।’

এদিকে গরু বা খাসির মাংস আগের দামে বিক্রি হলেও, বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি চালের দামে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ৮:৪৫ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২৬/০২/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৭.০০, সাদা ডিম=৬.২০, লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪৫, সাদা ডিম=৫.৫০ টাকা।

গাজীপুর: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০, সাদা ডিম=৫.৪৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১২৮ কেজি, কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি, কালবার্ড সাদা=১৩৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি টাকা। বাচ্চার দর: লেয়ার লাল =৪০-৪৫, লেয়ার সাদা=৪০-৪২, ব্রয়লার=৫০-৫২ টাকা।

চট্টগ্রাম: ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৩০কেজি, কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/২৭৫ কেজি টাকা।

রাজশাহী: লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০, সাদা ডিম=৫.৩০ টাকা।

খুলনা: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৫০, সাদা ডিম=৬.৩০ টাকা।

বরিশাল: লাল (বাদামী) ডিম=৬.২০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি টাকা। বাচ্চার দর: লেয়ার লাল =৪৬, লেয়ার সাদা =৪৫, ব্রয়লার=৫৫ টাকা।

ময়মনসিংহ: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি টাকা।

সিলেট: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি টাকা।

রংপুর: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০ টাকা। বাচ্চার দর: লেয়ার লাল =৪২, ব্রয়লার =৫১, সোনালী হাইব্রিড =৩১, সোনালী রেগুলার =২৫ টাকা।

বগুড়া: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৫০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি টাকা।

টাংগাইল: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৩৫, ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি, সোনালী মুরগী =২৫০/২৬০কেজি টাকা।

কিশোরগঞ্জ: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৩৫ টাকা।

নরসিংদী” লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০ টাকা।

সিরাজগঞ্জ: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৬০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি টাকা।

ফরিদপুর :লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি,
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি টাকা।
পাবনা : লাল (বাদামী)ডিম=৬.৩০, সাদা ডিম=৬.১০ টাকা।

নোয়াখালী: লাল (বাদামী)ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি টাকা।
বাচ্চার দর: লেয়ার লাল =৪৮, ব্রয়লার=৪৪ টাকা।

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী: লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০, সাদা ডিম=৫.৯০ টাকা।

যশোর :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০ টাকা।

কুমিল্লা: লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৮০/কেজি টাকা।
কক্সবাজার : লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০, সাদা ডিম=৫.৮০ টাকা।

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২১ ৮:০১ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২৫/০২/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.০০

ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
সাদা ডিম=৫.৪০

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
সাদা ডিম=৫.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১৩৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪০-৪৫
লেয়ার সাদা=৪০-৪২
ব্রয়লার=৫০-৫২

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৩০কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/২৭৫ কেজি

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সাদা ডিম=৫.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম=৬.৩০

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪৬
লেয়ার সাদা =৪৫
ব্রয়লার=৫৫

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৮১

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪২
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪২
ব্রয়লার =৫১
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩২

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১৫
ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী =২৫০/২৬০কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=৩৩০/পিছ

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬৭
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
সাদা ডিম=৬.০০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৪

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০
সাদা ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৭/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৭২/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৯০
সাদা ডিম=৫.৭০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশের খামারিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম নিচে তুলে ধরা হলো।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৬.৬০, সাদা ডিম=৬.০০, ডাম্পিং মার্কেট=, লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫, সাদা ডিম=৫.৪০ টাকা।

গাজীপুর:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০, সাদা ডিম=৫.৩৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি, কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি, কালবার্ড সাদা=১৩৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল =৪৭-৪৮, লেয়ার সাদা=৪৪-৪৮, ব্রয়লার=৫০-৫২ টাকা।

খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০, সাদা ডিম=৬.১০ টাকা।

চট্টগ্রাম:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫ কেজি, কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৬৫/২৭৫ কেজি টাকা
রাজশাহী:-লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০, সাদা ডিম=৫.৩০, সোনালী =কেজি টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।

বরিশাল:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৪৬, লেয়ার সাদা =৪৫, ব্রয়লার=৫৫ টাকা

ময়মনসিংহ:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫ কেজি, সোনালী মুরগী=২৬০ কেজি টাকা।

সিলেট= লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি, কাজী(সিলেট) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৫ টাকা।

আরোও পড়ুন: মুরগি খাবার কম খেলে খামারিদের যা যা করণীয়

রংপুর:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা, কাজী(রংপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.২২ টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৪৭, ব্রয়লার =৫০, সোনালী হাইব্রিড =৩১, সোনালী রেগুলার =২৫ টাকা।

বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০ কেজি টাকা।

টাংগাইল :- লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১২৮ কেজি টাকা, সোনালী মুরগী =২৫০/২৬০ কেজি টাকা।

কিশোরগঞ্জ:– লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫ টাকা।

নরসিংদী :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা, কালবার্ড লাল=৩৩০/পিছ।

সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি টাকা।

ফরিদপুর :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০ কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি টাকা।

পাবনা :– লাল(বাদামী)ডিম=৫.৯০, সাদা ডিম=৫.৭০ টাকা।

নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০ ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৪৫, ব্রয়লার=৫০ টাকা।
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:– লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০, সাদা ডিম=৫.৯০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি।

যশোর :-লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০, ব্রয়লার মুরগী= কেজি টাকা।

কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি সোনালী মুরগী =২৬৫/কেজি টাকা।

কক্সবাজার :- লাল (বাদামী) ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.৬০, ব্রয়লার মুরগী = কেজি, কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী =/কেজি

পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার পাইকারি দাম প্রকাশ করায় কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ (পিপিবি) এর প্রতি।
ধন্যবাদ মো: শিমুল হক রানাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ৮:১২ অপরাহ্ন
ব্রয়লার খামারে গত ৫ বছরে লসের মুখ দেখেন নি যিনি…
পোলট্রি

শখের বসে মানুষ তো কত কিছুই করে, অনেকেই আবার সেই শখের উপর ভিত্তি করেই হয়ে ওঠেন স্বনির্ভর । এমনই এক যুবক চট্টগ্রাম জেলার পশ্চিম মীরসরাই এর মোঃ ফরহাদ হোসেন । ১ দশক আগে এসএসসি পাশের পর শখের বসে বাবার দেওয়া ১০০ পিস সোনালী মুরগি দিয়ে শুরু করেন খামার, আজ সেই খামারে মুরগির সংখ্যা ২০০০, খামারটি পরিনত হয়েছে নিজের পরিচয়ের অন্যতম মাধ্যম । ১ দিনের বাচ্চা কিংবা রেডি মুরগির বাজার যাই হোক না কেন গত ৫ বছরে একবারের জন্যেও লসের মুখ দেখেন নি তিনি । সর্বশেষ ২০১৫ সালে সোনালী মুরগিতে লস হয়েছিল, এরপর শুরু করেন ব্রয়লার এবং আজ অবধি কোন ব্যাচেই লস হয়নি তার । এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত আলাপচারিতায় উঠে আসে খামারে সাফল্যের রহস্য ।

একাউন্টিং এর ছাত্র ফরহাদ হোসেন হিসেব টা ভালোই বুঝেন । তাই বাজার পরিস্থিতি আর চাহিদার কথা বিবেচনা করে যেমন খামারে মুরগি তোলেন পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব দেন ব্রুডিং এ ।  ফরহাদ হোসেনের ভাষায় – “আমার চিন্তা থাকে ব্রুডিং থেকে শেষ অবধি মুরগির যত্ন নেওয়া, আর ব্রয়লারে মুরগি মারা না গেলে ইনশাআল্লাহ লস হবে না, তাই খামার ম্যানেজমেন্টের উপর জোর দিয়ে থাকি সব সময় ।”

খামার ব্যবসায় সফলতার চাবিকাঠি কি এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি সব সময় খামার এ ভালো ব্রান্ডের এ গ্রেডের বাচ্চা নেই, নিয়মিত ভ্যাকসিনেশন করি-কোন ভ্যাকসিনই বাদ দেই না, মুরগিকে ভালো ফিড ও পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি দেই, সঠিক বায়োসিকিউরিটি অনুসরণ করি; লিটার ম্যানেজমেন্ট,পর্দ্দা ম্যানেজমেন্টের উপর গুরুত্ব দেই এবং যেকোন সমস্যা দেখা দিলে কালক্ষেপন না করে ভেটেরিনারি ডাক্তারের শরণাপন্ন হই, তাই আল্লাহর রহমতে সব সময় ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি এবং মুরগিও কম মারা যায়” ।

২০১১ সালে খামার শুরু করে ১০ বছরে অনেকেই ১০,০০০ মুরগির খামার করে ফেলেন, কেউবা আরোও বেশি । কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ফরহাদ হোসেন । বর্তমানে ২টি শেডে ২০০০ ব্রয়লার মুরগি আছে। খামার বড় না করার কারণ কি জানতে চাইলে তিনি জানান – প্রথমে ১০০ মুরগির খামার, তারপর ৩০০ মুরগীর খামার, তারপর ৭০০ মুরগীর খামার, সর্বশেষ ২০১৫ তে ২ হাজার মুরগির শেড করি। এরপর থেকে আল্লাহর রহমতে কখনও আমার লস হয়নি । তবে সত্যি কথা বলতে তখন ১ হাজার মুরগিতে যে পরিমান লাভ হতো, বর্তমানে ২ হাজার মুরগিতে সেই অনুপাতে লাভ আসে না । ছোট খামার ম্যানেজ করা সহজ বেশি এবং খামারে নিজের সময় দেওয়াটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ । খামারের পাশাপাশি বর্তমানে মুরগির সেল সেন্টার এবং পোল্ট্রি ফিডসের দোকান পরিচালনা করছি । আপাতত ২ হাজার মুরগির শেড নিয়ে ভালোই আছি। আগামীতে পোল্ট্রির সুদিন আবার আসলে আরো শেড বাড়াবো ইনশাআল্লাহ । 

 

ফরহাদ হোসেনের মত দেশের প্রান্তিক খামারিগণ সাফল্য লাভ করবে এমনটাই প্রত্যাশা…

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১ ১১:২২ অপরাহ্ন
Viruses in Animal Feed Need More Attention
পোলট্রি

Animal feed is a part of the food chain and has an impact on both the health and welfare of animals as well as the safety of human food. This article lists possible suggestions to prevent the spread of viruses by feed.

Many hazards may contribute to contaminated feed. Hazards are categorised as biological, chemical or physical. Bacteria, moulds, viruses, prions and parasites are examples of biological hazards. In fact, feed could be a possible source of this type of hazard and special attention has been paid to pathogenic bacteria. Many articles have been published and manufacturing procedures developed related to the control of salmonella as a zoonosis bacterium in feed which is responsible for causing feed/foodborne illness of animals and humans. Bacteria as live organisms can also replicate in feed.

Viruses can potentially exist in feed but they cannot reproduce by themselves. They can only multiply in a suitable host and not in the feed, thus for many years, viral contamination of feed has not been given a lot of attention in feed quality and safety management systems. However, feed is a potential vector to spread viruses to animals and humans. Global feed production is more than 1.1 billion tons annually and many consignments of feeds are transferred from one continent to another by trans-oceanic shipping.

In recent years, many viral diseases outbreaks have infected livestock and other animals. Foot and mouth disease (FMD), Newcastle disease, Avian influenza, Porcine epidemic diarrhoea (PED) and African swine fever (ASF) are recent instances of viral diseases in livestock. Many of the viral diseases do not infect humans but will affect the health of livestock, food supply chain and international trade.

One of the main potential routes of spreading viral diseases in animals within the borders of countries is the transit of live animals. When there is a viral disease outbreak, severe quarantine tasks are implemented preventing the transit of live animals to control animal diseases within the borders. However, these severe controls have not been implemented for feed in the same manner. Many of the viruses responsible for animal diseases are stable in feed and feed ingredients, even during long distance transportation.

 

Suggestions to prevent the spread of viruses through feed:

  • Measures should be taken to prevent contamination from infected areas to the clean areas.
  • Measures to prevent the spread of viruses should be considered in national and international policies, biosecurity protocols for farms and feed mills and feed quality management systems.
  • Early warning systems for infected areas and countries should be considered.
  • More awareness and attention should be given to potentially virus infected feed by government authorities for products that are internationally traded.
  • Suppliers of feeds and feed ingredients should consider the health status of the origin country or region along with price and nutritional value.
  • Feed manufacturers should buy feed ingredients from non-infected areas.
  • Bans on imported feed and ingredients from infected areas and countries should be considered by governments.
  • The use of potential anti-virus treatments in the manufacturing of feeds and feed ingredients such as chemical treatments (feed additives such as organic acids, fatty acids and essential oils), thermal treatments and legal fumigants to reduce or eliminate viruses should be considered.
  • Potentially infected materials should be kept quarantined prior to use to overcome the survival time of livestock pathogens, where possible.
  • Feed safety management systems, feed safety policies and biosecurity plans of feed mills and livestock farms should include risk mitigation protocols for viruses potentially transmitted in feedstuffs.
  • Virus survival time in feeds and feed ingredients are different and some feedstuffs are more high-risk. Products should be evaluated based upon risk and used in risk ranking models.
  • Vehicles that transport feed from feed mills to livestock farms are subjected to virus infection and should be cleaned and disinfected by effective methods between deliveries.
  • Appropriate methods of sampling and rapid detection of important viruses should be used in international trade of feed.
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১২ পূর্বাহ্ন
মানিকগঞ্জে গাজর চাষে বাম্পার ফলন
এগ্রিবিজনেস

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় গাজর চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন মানিকগঞ্জের গাজর চাষিরা। এছাড়া বাজারে পাচ্ছেন গাজরের ভালো দাম।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারের মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ করেছেন চাষিরা। মাটি ও জলবায়ু গাজর চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন ভালো পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

উপজেলার কৃষি অফিসার টিপু সুলতান বলেন, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকরা গাজর চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

কৃষক আবুল কালাম বলেন, একই জমিতে অন্য সবজির জায়গায় গাজর চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া গাজর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবারও ফলন ভালো হওয়ায় পাশাপাশি দামও ভালো পেয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
মাছের উৎপাদন বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘ফিশটেক ল্যাবরেটরি’
এগ্রিবিজনেস

মাছ চাষিদের জন্য সুখবর। এবার মাছ ও চিংড়ির রোগ রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চাষিদের পরামর্শ সেবা দেয়া ও গবেষণার জন্য চালু হয়েছে অ্যাকোয়াটেক অ্যানিমেল হেলথ ল্যাবরেটরি। যার নাম দেয়া হয়েছে ফিশটেক ল্যাবরেটরি। নতুন এ গবেষণাগারটি মৎস্য খাতের সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় এ ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের যৌথ অংশীদারিত্বের এই গবেষণাগারে অর্থায়ন করছে মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড বলে জানা যায়।

জানা যায়, এর মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ির রোগ নির্ণয়, সংশ্লিষ্ট খামারের মাটি-পানি পরীক্ষা, পুকুরের সঠিক সমস্যা নির্ণয়সহ নির্দিষ্ট খরচে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন মাছ চাষিরা।

ওয়ার্ল্ড ফিস জানায়, ২০১৭-১৮ সালে খুলনা জেলায় মাছ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার ২৭৪ টন। মাছ ও চিংড়ির বিভিন্ন রোগের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিনদিন মাছ বিশেষ করে চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে দেশের রফতানি আয় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১০ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে বেড়েছে ছাগল কমেছে গরু
এগ্রিবিজনেস

মৌলভীবাজারে গরুর সংখ্যা না বাড়লেও বেড়েছে ছাগল ভেড়া ও মুরগির সংখ্যা। কর্মকর্তাদের মতে, গরুর কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, মৌলভীবাজারে ২০১৯ সালে মোট গরু ছিল পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৫টি, ছাগল ছিল এক লাখ ৮১ হাজার ৭৬০, ভেড়ার সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৮৯৬ ও ২৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৩টি মুরগি ছিল।

গত বছরের তথ্য মতে গরুর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ২৩৮টি, ছাগল দুই লাখ ১৫ হাজার ২৩৩টি, ভেড়া ছিল ২১ হাজার ৭২৮টি এবং মুরগির সংখ্যা ছিল ৩৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭টি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, করোনা মহামারির কারণে পশু পালনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আগের তুলনায় গরু, ছাগল, মুরগি পালন বেড়েছে। গরু কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরব বাজারের ছাগল বিক্রেতা সাজ্জাদ মিয়া জানান, গত বছরের চেয়ে সরবরাহ বাড়ায় আনুপাতিক হারে ছাগলের দাম আগের তুলনায় কমেছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop