২:০৭ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৯:৪২ পূর্বাহ্ন
কোরবানির গরু প্রস্তুত করতে ব্যস্ত বীরগঞ্জের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মুরারীপুর গ্রামের খামারিরা কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বিক্রির জন্য গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সবার পছন্দের তালিকায় থাকে দেশি গরু। দেশি গরুর চাহিদা মেটাতে জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার শিবরামপুর ইউনিয়নের মুরারীপুর গ্রামের প্রতিটি পরিবারে গরুর খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

এসব গরু সুস্থ-সবল রাখতে ব্যস্ততা বেড়েছে মুরারীপুর গ্রামের গরু খামারিদের। এই গ্রামের ভিন্নতা হল, কম-বেশি সবার বাড়িতে একটি করে গরুর খামার রয়েছে। প্রতিটি বাড়ির খামারিদের সর্বনিম্ন ৩টি থেকে সর্বোচ্চ ৫০টি পর্যন্ত গরু রয়েছে।

এসব গরু স্থানীয় হাটের চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যান। বিশেষ করে কোরবানি ঈদে গরু বিক্রির ধুম পড়ে এই গ্রামে। কে কত টাকার গরু বিক্রি করল, এই নিয়ে চলে গ্রামবাসী খামারিদের মধ্য প্রতিযোগিতা।

জেলার বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহরিয়ার মান্নান জানায়, জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার মুরারীপুর গ্রামে ২০২১ ও ২০২২ অর্থবছরে বীরগঞ্জ প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়নে দ্বিতীয় পর্যায় ২৭ জন খামারিকে গরু মোটা-তাজা করণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।

সূত্রটি জানায়, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত গরু খামারিরা নিজের উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে এক-দু’টা গরু দিয়ে নিজের বাড়িতে গরু মোটা-তাজাকরণ খামার শুরু করেন। ওই গ্রামের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত তরুণ ও যুবকদের পশু পালনের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ সব সময় দেওয়া হয়। ফলে গ্রামটি এখন গরু পালনে খামারের জন্য একটি পরিচিত গ্রাম হিসেবে ওই উপজেলায় ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।ওই গ্রামের এমন কোন বাড়ি নাই, যে বাড়িতে গরু লালন পালন করা হয় না।

বর্তমানে মুরারীপুর গ্রামের ৯৭ ভাগ বাড়িতে গরু মোটা-তাজা করণ খামার তৈরি করে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় তরুণ ও যুবকদের।

খামারিদের বেশির ভাগই গরুর খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। গরুর যে কোনো সমস্যায় উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সহযোগিতা পান বলে জানায় ওই গ্রামের সব খামারিরা।

মুরারীপুর গ্রামের পাঠানপাড়ার গরু খামারি নাজমুল হোসেন(২৮) বলেন, ‘২০২২ সালে বাবার দেওয়া ২৭ হাজার টাকা মূল্যের একটা গরুর বাছুর দিয়ে গরুর খামারের যাত্রা শুরু করেছি। এখন আমার খামারে বিদেশি জাতের ১৪টি গরু আছে। যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকার মতো। আর দেশীয় জাতের ২৩টি ষাড় আছে। এসব গরু কোরবানি ঈদে  বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। গরুর খামার করেই আজ আমি স্বাবলম্বী হয়েছি।

মুরারীপুর গ্রামের আব্দুল বাসেদ বলেন, জেলা প্রাণি সম্পদ ও উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাদের আন্তরিকতায় আমরা গরুর খামার করতে সক্ষম হয়েছি। আজ আমরা কম বেশি সবাই গরুর খামার দিয়েই সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, গরুর খামার হিসেবে ধরতে গেলে মুরারীপুর গ্রাম দেশের মধ্যে একটি মডেল গ্রাম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদফতরের ভেটেনারি সার্জন ডা. আশিকা আখতার তৃষ্ণা জানায়, এ বছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে, আড়িয়া গরু ৫৬ হাজার ৫১৭টি,  বলদ গরু ৩৫ হাজার ৫৪৫টি, গাভী ৩১ হাজার ৩৮৭টি, মহিষ ৭ হাজার  ৫৬২ টি। মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ১১টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে। জেলায় চাহিদা রয়েছে ৯৭ হাজার পশুর।

অপরদিকে ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৭৪২টি আর ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে ৯ হাজার ৭১৮টি।

জেলায় ছাগল ও ভেড়ার চাহিদা রয়েছে মাত্র ৭৮ হাজার। অতিরিক্ত কোরবানির পশু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।

বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মুহিববুর রহমান বলেন, ‘মুরারীপুর গ্রামের মানুষের আগ্রহ এবং আমাদের প্রচেষ্টায় আজকে ওই গ্রামের প্রায় সকল মানুষই গরুর খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। আমরা চাই পুরো উপজেলায় এ রকম খামার ছড়িয়ে দিতে। যাতে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য অন্যের কাছে যেতে না হয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা  ডা. আব্দুর রহিম  জানান, সারা দেশের মধ্যে এমন কোন গ্রাম আছে বলে মনে হয় না। যেখানে সবাই গরুর খামার করেছে। খামারি ও আমাদের কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। এই গ্রামের মত যদি সারা দেশে গরু মোটা-তাজা করণ খামার তৈরি করা যেতো, তাহলে একদিকে যেমন,গরুর মাংসের ঘাটতি মিটতো, অপর দিকে দেশে আর বেকার সমস্যা থাকতো না । কোরবানি ঈদে জেলার বেশির ভাগ গরুর চাহিদা এই গ্রামের খামারিরা পূরণ করেন বলে তিনি ব্যক্ত করেন।

(বাসস)
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২৬ ১০:০২ অপরাহ্ন
খামারির দোরগোড়ায় প্রাণিসেবা পৌঁছে দিতে দেশব্যাপী ব্র্যাকের ‘মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক ২০২৬’ কার্যক্রম শুরু
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে ‘ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন (AI) এন্টারপ্রাইজ’-এর বিশেষ কর্মসূচি। গত ১৯ এপ্রিল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় একযোগে ‘মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক (MVC) ২০২৬’ কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে।

এ কার্যক্রমের আওতায় গতকাল পাবনার চাটমোহর, যশোরের ঝিকরগাছা, কক্সবাজারের চকরিয়া এবং কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে গবাদিপশুর চিকিৎসা, টিকাদান এবং খামারিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালে যাত্রা শুরু করা ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটি উপজেলায় বিস্তৃত। খামারিদের আধুনিক ও উন্নতমানের কৃত্রিম প্রজনন সেবা প্রদানের পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিতভাবে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছে ব্র্যাক।

এই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত দেশব্যাপী মোট ২১০টি ভ্রাম্যমাণ ভেটেরিনারি ক্লিনিক পরিচালনা করা হবে। এছাড়াও গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাফল্য প্রদর্শনে ২৪টি স্থানে ‘প্রোজেনি শো’ বা বাছুর প্রদর্শনী এবং খামারিদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে ২৪টি স্থানে বিশেষ নাটক আয়োজন করা হয়েছে। এই পুরো কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৩০,০০০ খামারির প্রায় ১ লক্ষ ৫ হাজার গবাদিপশুকে নিবন্ধিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে সরাসরি সেবা প্রদান করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্র্যাক কৃত্রিম প্রজনন এন্টারপ্রাইজ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি সুস্থ গবাদিপশুই একটি শক্তিশালী খামারের ভিত্তি। প্রান্তিক খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাণিসম্পদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পর্যায়ক্রমে এই সেবা কার্যক্রম দেশের আরও বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ৯:৪১ পূর্বাহ্ন
Rabies in Canine and Feline: A Bangladesh Perspective
প্রাণিসম্পদ

Introduction

Rabies is a fatal zoonotic disease of global public health importance, caused by a neurotropic virus that affects all warm-blooded animals, including dogs and cats. The disease is characterized by acute encephalitis and is almost invariably fatal once clinical signs appear. According to the World Health Organization, rabies causes approximately 59,000 human deaths annually, with the majority occurring in Asia and Africa.

Bangladesh remains an endemic country for rabies, where the disease continues to pose a serious threat to both human and animal health. Dogs are the principal reservoir and source of infection, while cats also contribute significantly, especially in urban settings.

In veterinary practice, rabies in canine and feline species is of particular concern due to their close association with humans. Understanding the disease dynamics, pathology, and prevention strategies is essential for controlling rabies in Bangladesh.

Causal Agent

Rabies is caused by the rabies virus, a member of the genus Lyssavirus under the family Rhabdoviridae. It is an enveloped, single-stranded, negative-sense RNA virus with a characteristic bullet shape.

The virus is highly neurotropic and spreads primarily through saliva. Transmission occurs when infected saliva is introduced into the body via:

  • Bite wounds (most common)
  • Scratches
  • Licks on broken skin or mucous membranes

In Bangladesh, dogs are responsible for the majority of transmission, while cats account for a smaller but notable proportion.

After entry, the virus replicates locally in muscle tissue and then travels via peripheral nerves to the central nervous system (CNS), where it causes fatal encephalitis.

Epidemiology (Bangladesh Perspective)

Rabies is endemic throughout Bangladesh, particularly in rural and semi-urban areas. Several epidemiological factors contribute to its persistence:

Animal Reservoirs

  • Dogs: Responsible for approximately 81–99% of rabies transmission
  • Cats: Account for around 12% of cases in Bangladesh
  • Other animals: Jackals, mongoose, and livestock (rare cases)

Stray Animal Population

A large population of free-roaming and unvaccinated dogs and cats is the primary driver of rabies transmission. About 85% of biting animals are stray.

Human Factors

  • Poor awareness about rabies
  • Delayed or absent post-exposure prophylaxis (PEP)
  • Dependence on traditional healers (reported in ~78% of cases)
  • Limited access to veterinary and healthcare services in rural areas

Geographical Distribution

Rabies is widespread across Bangladesh, with higher incidence in rural regions where:

  • Dog vaccination coverage is low
  • Animal population control is weak

Trends

Before national control programs, Bangladesh reported approximately 2,000+ deaths annually due to rabies. Mass dog vaccination campaigns have significantly reduced incidence in recent years.

Pathology

Rabies primarily affects the central nervous system (CNS).

Pathogenesis

  1. Virus enters through bite wound
  2. Replicates in muscle tissue
  3. Travels via peripheral nerves to spinal cord and brain
  4. Causes encephalitis
  5. Spreads centrifugally to salivary glands

Gross Lesions

  • Usually minimal or absent
  • Congestion of brain and spinal cord may be observed

Histopathological Findings

  • Negri bodies (intracytoplasmic inclusion bodies) in neurons
  • Neuronal degeneration
  • Perivascular cuffing
  • Gliosis

Target Organs

  • Brain (hippocampus, cerebellum)
  • Spinal cord
  • Salivary glands

Symptoms in Canine and Feline

Rabies in dogs and cats occurs in two main clinical forms:

  1. Furious (Encephalitic) Rabies

More common in dogs.

In Dogs:

  • Aggression and biting behavior
  • Restlessness and irritability
  • Hypersalivation (foaming)
  • Hydrophobia (fear of water)
  • Roaming behavior
  • Seizures

In Cats:

  • Extreme aggression
  • Sudden behavioral changes
  • Attacking objects or humans
  • Vocalization (howling)
  1. Paralytic (Dumb) Rabies

More common in cats.

In Dogs:

  • Progressive paralysis
  • Dropped jaw
  • Inability to swallow
  • Death within a few days

In Cats:

  • Hind limb paralysis
  • Reduced aggression
  • Rapid deterioration

General Clinical Course

  • Incubation period: 2 weeks to several months
  • Clinical phase: 3–7 days
  • Death occurs due to respiratory failure

Shorter incubation periods are observed in bites near the head and neck.

Diagnostic Procedure

  1. Clinical Diagnosis

Based on:

  • History of bite or exposure
  • Behavioral changes
  • Neurological signs
  1. Laboratory Diagnosis

Post-mortem Tests

  • Direct Fluorescent Antibody Test (dFAT) (gold standard)
  • Detection of viral antigen in brain tissue

Other Methods

  • RT-PCR (detects viral RNA)
  • Histopathology (Negri bodies)
  1. Ante-mortem Diagnosis

Rare in animals; may include:

  • Saliva testing
  • Skin biopsy

Challenges in Bangladesh

  • Limited diagnostic facilities in rural areas
  • Underreporting of animal rabies cases
  • Lack of laboratory infrastructure

Treatment

There is no effective treatment for rabies once clinical signs appear in animals or humans.

Management of Suspected Animals

  • Immediate isolation
  • Observation (10 days for dogs/cats)
  • Euthanasia in confirmed cases

Post-Exposure Management (Humans)

  • Immediate wound washing
  • Rabies vaccination
  • Rabies immunoglobulin (RIG)

Timely PEP is highly effective if administered early.

In Bangladesh, lack of awareness and incomplete vaccination are major issues in treatment failure.

 

Prevention

  1. Vaccination

 

  • Mass vaccination of dogs (≥70% coverage required)
  • Regular vaccination of pet dogs and cats

 

Common Rabies Vaccines in Bangladesh (Canine & Feline)

  1. Rabisin®
  • One of the most widely used veterinary rabies vaccines in Bangladesh
  • Used for: Dogs, cats etc.
  • Type: Inactivated rabies vaccine
  • Dose: 1 ml (SC/IM)
  • Booster: Usually annual or as per schedule
  • Locally available through veterinary pharmacies and clinics
  1. Nobivac® Rabies
  • Popular imported vaccine brand
  • Used for both dogs and cats
  • Often available as:
    • Single rabies vaccine
    • Combination vaccines (e.g., DHPPi + Rabies, HCP + Rabies)
  • Provides strong immunity with routine vaccination schedules

 

  1. Dog Population Control
  • Sterilization programs
  • Management of stray animals
  1. Public Awareness
  • Education on rabies transmission
  • Importance of immediate medical care after bites
  1. Post-Exposure Prophylaxis (PEP)
  • Easily accessible vaccines
  • Proper wound management
  1. One Health Approach

Integration of:

  • Veterinary services
  • Human healthcare
  • Environmental management

Bangladesh has implemented a national rabies elimination strategy focusing on:

  • Mass dog vaccination
  • Improved access to PEP
  • Public awareness campaigns

 

 

Conclusion

Rabies remains a critical zoonotic disease in Bangladesh, with dogs serving as the primary reservoir and cats contributing to transmission, particularly in urban areas. Despite being entirely preventable, rabies continues to cause deaths due to gaps in awareness, vaccination, and healthcare access.

Effective control of rabies in canine and feline populations is essential to reduce human cases. Mass dog vaccination, responsible pet ownership, and improved public health infrastructure are key strategies. The integration of veterinary and human health sectors under a One Health approach offers the most sustainable solution for rabies elimination in Bangladesh.

With continued efforts, Bangladesh has the potential to achieve the global goal of eliminating dog-mediated human rabies, ensuring a safer environment for both humans and animals.

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ৯:৫২ পূর্বাহ্ন
Scenarios of Feline Upper Respiratory Infection in the Context of Bangladesh
প্রাণিসম্পদ

In Bangladesh, the domestic cat (Felis catus) has evolved from being primarily a pest-control agent in rural granaries to a cherished family member in urban households. However, as cat ownership surges in cities like Dhaka, Chittagong, and Barishal, so does the prevalence of infectious diseases. Among these, Cat Flu—scientifically known as Feline Upper Respiratory Infection (URI)—stands as the most common respiratory ailment facing the nation’s feline population.

  1. Epidemiology: The Bangladesh Perspective

The epidemiology of cat flu in Bangladesh is heavily influenced by the country’s unique climate and the high density of both pet and “community” (stray) cats.

  • Prevalence: Research conducted in regions like Barishal and Mymensingh indicates an overall prevalence of clinical cat flu at approximately 15% to 18% among presented cases. In shelter environments or crowded “cat cafes,” this number can spike significantly.
  • Seasonal Trends: In Bangladesh, the winter season (November to February) sees the highest spike in cases (accounting for over 60% of annual infections). The lower humidity and cooler temperatures allow viral particles to survive longer in the environment. Conversely, the monsoon season sees fewer cases, though humidity can sometimes complicate secondary bacterial pneumonia.
  • Demographics: Kittens aged 0–6 months are the most vulnerable, representing nearly 41% of all cases in local studies. Local breeds (often referred to as “Deshi” cats) show a high prevalence (83%) in clinical data, likely due to a lack of vaccination compared to imported Persian or Siamese breeds.
  • The “Carrier” Reservoir: A critical epidemiological factor in Bangladesh is the high number of stray cats. Many of these cats are chronic carriers of Feline Herpesvirus, shedding the virus into the environment during stressful events, which then infects unvaccinated household pets.

 

 

 

  1. Causal Agents

Cat flu in Bangladesh is rarely caused by a single pathogen. It is a complex interaction between viruses and bacteria.

 

Viral Agents

  1. Feline Herpesvirus-1 (FHV-1): The primary cause of severe respiratory distress and “Red Eye” (conjunctivitis). Once a cat is infected, the virus stays in the body for life, hiding in the nerves.
  2. Feline Calicivirus (FCV): Highly prevalent in Bangladesh. It is notorious for causing painful mouth ulcers and, in some rare virulent strains, systemic “virulent systemic FCV” which can be fatal.

Bacterial Pathogens

  • Chlamydia felis: Primarily causes severe eye swelling.
  • Bordetella bronchiseptica: Common in cats kept near dogs or in high-stress shelters.
  • Mycoplasma: Often a secondary invader that turns a simple viral sniffle into a thick, purulent infection.
  1. Symptoms and Clinical Signs

The clinical presentation in Bangladeshi cats often starts mildly but can escalate due to environmental dust and heat.

  • Respiratory: Frequent sneezing, coughing, and nasal discharge. The discharge often starts as clear fluid (serous) but progresses to thick, yellow-green pus (purulent).
  • Ocular: Squinting (blepharospasm), red and swollen eyelids, and thick ocular discharge that can “glue” the eyelids shut—a common sight in stray kittens.
  • Oral: Severe drooling and foul breath due to ulcers on the tongue or the roof of the mouth.
  • Systemic: High fever, lethargy, and anorexia. In Bangladesh, cats often stop eating because they cannot smell their food through congested nasal passages.
  1. Pathology

The disease targets the mucosal linings of the head and throat.

  • Epithelial Damage: The viruses destroy the ciliated cells in the nose that act as filters. This leaves the respiratory tract wide open for environmental bacteria.
  • Nasal Turbinate Erosion: In chronic FHV-1 cases, the tiny bones inside the nose can be permanently damaged, leading to lifelong “snuffling.”
  • Corneal Ulceration: FHV-1 specifically attacks the surface of the eye (cornea), leading to branching “dendritic” ulcers that can cause permanent blindness if untreated.

 

 

  1. Diagnostic Procedure

In most Bangladeshi veterinary clinics, diagnosis is primarily clinical.

  • Physical Examination: Vets look for the “hallmark” signs: mouth ulcers (suggesting Calicivirus) or corneal cloudiness (suggesting Herpesvirus).
  • Rapid Antigen Kits: Some modern clinics in Dhaka (e.g., Central Veterinary Hospital or private clinics in Gulshan/Uttara) use commercial rapid test kits (similar to COVID-19 rapid tests) to detect Feline Influenza or other respiratory antigens.
  • Fluorescein Dye Test: A vital diagnostic tool where a green dye is dropped into the eye to highlight ulcers.
  • PCR Testing: While rare and expensive in the local context, some specialized labs can perform PCR to identify the exact strain of the virus.
  1. Treatment Protocols

Since there is no “cure” for the viral component, treatment in Bangladesh focuses on Supportive Care and Secondary Management.

Treatment Category Common Methods in Bangladesh
Antibiotics Ceftriaxone (95% usage) and Amoxicillin are common for secondary infections.
Antivirals Famciclovir (oral) or Idoxuridine (eye drops) for severe Herpes cases.
Fluid Therapy Subcutaneous fluids to treat dehydration in cats that refuse to drink.
Nutritional Support Feeding warmed, strong-smelling food (like boiled fish or sardines).
Home Care Cleaning the nose/eyes with warm saline and “steaming” the cat in a bathroom.

 

  1. Prevention

Prevention is the only sustainable way to manage cat flu in a developing pet care landscape.

  1. Vaccination (The F3/Tri-Cat Vaccine): This is the gold standard. In Bangladesh, brands like Nobivac® Feline 1-HCPCh or Biofel PCH are widely available.
    • Cost: Private clinics charge between 800–1500 BDT, while government veterinary hospitals offer more subsidized rates.
    • Schedule: Kittens should start at 6–8 weeks, with second dose after 3–4 weeks and booster yearly of 1st dose.
  2. Hygiene: Using a 1:32 bleach-to-water solution to clean cages and floors.
  3. Isolation: Keeping newly adopted “Deshi” kittens away from resident cats for at least 14 days.
  1. Conclusion

Cat flu remains a significant hurdle for cat welfare in Bangladesh. The combination of a high “carrier” population and the seasonal peak during the dusty winter months makes it a persistent threat. However, as veterinary services in Dhaka and other major cities modernize, the accessibility of PCR diagnostics and effective vaccines (like the Biofel or Nobivac ranges) provides a roadmap for control. For the average owner, the message is clear: Vaccination is not an option—it is a necessity. By combining early immunization with stress-free home environments, the incidence of this debilitating “flu” can be drastically reduced, ensuring a healthier future for Bangladesh’s growing feline community.

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৬ ৯:০৬ পূর্বাহ্ন
গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য মিশ্রণ তৈরির উপায়
প্রাণিসম্পদ

গরু মোটাতাজাকরণে খাদ্য মিশ্রণ তৈরির উপায় খামারিরা অনেকেই জানেন না। আপনার এলাকায় প্রয়োজনীয় উপকরণের সহজ প্রাপ্যতা এবং দামের বিষয়টি বিবেচনা করে আপনি দানাদার খাদ্যের মিশ্রণের উপকরণ পরিবর্তনও করা যাবে।
প্রথম মিশ্রণঃ

উপকরণ পরিমাণ

১। গমের ভূষি ৫.৪ কেজি

২। খেসারীর ভূষি ২.০ কেজি

৩। তিলের খৈল ১.৮ কেজি

৪। শুটকি মাছের গুড়া ৭০০ গ্রাম

৫। লবন ৫০ গ্রাম

৬। ঝিনুকের গুড়া ৫০ গ্রাম

দ্বিতীয় মিশ্রণঃ

উপকরণ পরিমাণ

১। চাল ভাঙ্গা (খুদ) ২.৫ কেজি

২। গমের ভূষি ১.৫ কেজি

৩। চালের কুড়া ২.০ কেজি

৪। মসুরের ভূষি ১.৯ কেজি গ্রাম

৫। তিলের খৈল ১.৫ কেজি

৬। শুটকি মাছের গুড়া ৫০০ গ্রাম

৭। ঝিনুকের গুড়া ৫০ গ্রাম

৮। লবণ ৫০ গ্রাম

তৃতীয় মিশ্রণঃ

উপকরণ পরিমাণ

১। চাল ভাঙ্গা (খুদ) ১.০ কেজি

২। গমের ভূষি ১.৫ কেজি

৩। চালের কুড়া ৪.০ কেজি

৪। খেসারি ভাঙ্গা ১.০ কেজি গ্রাম

৫। সরিষার খৈল ২.০ কেজি

৬। শুটকি মাছের গুড়া ৪০০ গ্রাম

৭। ঝিনুকের গুড়া ৫০ গ্রাম

৮। লবণ ৫০ গ্রাম

চতুর্থ মিশ্রণঃ

উপকরণ পরিমাণ

১। খেসারীর ভূষি ১.৪ কেজি

২। গমের ভূষি ১.০ কেজি

৩। চালের কুড়া ৫.০ কেজি

৪। মসুরের ভূষি ১.০ কেজি গ্রাম

৫। তিলের খৈল ১.৫ কেজি

৬। ঝিনুকের গুড়া ৫০ গ্রাম

৭। লবণ ৫০ গ্রাম

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
বাছুরের ডায়রিয়া হলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে এখন শহরেও দেখা মিলে অনেক গরুর খামার। আর গরু পালন করতে গিয়ে খামারিরা নানাবিধ সমস্যায় পড়ছেন। অনেক সময় বাছুরের ডায়রিয়া রোগ দেখা দিয়ে থাকে। আর তখন একজন খামারিকে কি করতে হবে সেটা জানা উচিত।

 

বাছুরের তীব্র ডায়রিয়ার কারণ:
বাছুরকে অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত দুধ খাওয়ানো, অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানো বা খেয়ে ফেলা, খাবারের পাত্র এবং ফিডার নোংরা বা ময়লা হলে, বাছুর কৃমিতে আক্রান্ত হলে, শাল দুধের গুণাগুণ ভাল না হলে, বাছুরের থাকার জায়গাটা নোংরা, স্যাঁতসেঁতে হলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে।

বাছুরের এই তীব্র ডায়রিয়ায় খামারি যা করবে:
ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথে আলাদা করে শুকনা পরিষ্কার জায়গায় রাখতে হবে বাছুরকে।খাবারের পাত্র এবং ফিডার বোতল পরিষ্কার করে খাওয়াতে হবে। বাছুরকে তার বড়ি ওয়েটের ১০% দুধ খাওয়াবেন অর্থাৎ ৪০ কেজি ওজনের বাচ্ছাকে দুধ খাওয়াবেন ৪ লিটার। শালদুধের গুণাগুণ পরিমাপ করে দেখতে হবে। ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথেই স্যালাইন খাওয়াতে হবে দিনে ৩ বার ২৫০ মিলি করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২৫ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
সূর্যের রোদে কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কুয়াকাটার জেলেরা
প্রাণিসম্পদ

সূর্যের রোদে কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর কুয়াকাটার জেলেরা। শীত আসতে না আসতেই কুয়াকাটায় শুরু হয়েছে শুঁটকি উৎপাদনের ধুম। শীতের হিমেল হাওয়ায় উপকূলীয় শুঁটকি পল্লীগুলোতে জমে উঠেছে কেমিক্যালমুক্ত ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শুঁটকি প্রস্তুতের কর্মযজ্ঞ। সূর্যের প্রখর রোদে শুঁটকি শুকানোর এই ঐতিহ্যকে ঘিরে এখন স্থানীয় জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত রয়েছেন। বছরের এ মৌসুমে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুয়াকাটার বিভিন্ন শুঁটকি পল্লী কর্মচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে থাকে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ উপকূলজুড়ে সারি সারি বাঁশের মাচায় মাছ বিছানো, আবার কোথাও কোথাও বাশেঁর আড়ায় ঝুলিয়ে বিভিন্ন ধরণের মাছ শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হচ্ছে। কোথাও নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা রোদে মাছ উল্টেপাল্টে দিচ্ছেন, কোথাও আবার নতুন মাচা তৈরির কাজ করছেন পুরোদমে। অনেকেই আবার ট্রলার মেরামত, জাল-দড়ি প্রস্তুত, মাছ রাখার জন্য অস্থায়ী ঘর, দোকান ও ‘চাং’ (মাচা) নির্মাণে ব্যস্ত।

জেলেদের ভাষায়—এ সময়টায় দম ফেলার ফুরসতও থাকে না। শুঁটকি পল্লী গড়ে তুলতে শুধু শ্রমই নয়, প্রয়োজন হয় সময় ও যত্নের।

কুয়াকাটার শুঁটকি পল্লীর জেলে আব্দুল করিম (৪৫) এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের শুটকি কেমিকাল ছাড়া উৎপাদন করি। বিভিন্ন ধরণের মাছ পরিস্কার পরিছন্ন করে শুধু রোদে শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করি। এতে কোনো ধরণের ভেজাল নেই। আমাদের তৈরি শুঁটকি সঠিক পরিবেশে উৎপাদন করা হয়।

আরেক জেলে লতিফ খান (৪০) বলেন, আমাদের শুঁটকি পল্লীতে বিভিন্ন জাতের শুটকি তৈরি করা হয়। সবচেয়ে বেশি চাহিদা লইট্টা শুটকির। এছাড়া সাগরের পোয়া থেকে শুরু করে চিংড়ি পর্যন্ত সব মাছেরই শুটকি করা হয়।

 

 

জেলেদের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, সাগর থেকে আহরিত লইট্টা, ছুরি, লাক্ষ্যা, চাপিলা, রূপচাঁদা, ছোট পোয়া, ছোট চিংড়ি ও ফাইস্যাসহ প্রায় ৩৫ প্রজাতির মাছ স্থানীয় পল্লীগুলোতে শুকানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।

তারা জানান, কুয়াকাটার অধিকাংশ পল্লীতে কেমিক্যাল বা কোনো ধরনের সংরক্ষণকারী পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। সূর্যের রোদ, সাগরের বাতাস এবং পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে উৎপাদিত এসব শুঁটকির দেশজুড়ে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিটি মৌসুমে এখান থেকে কোটি কোটি টাকার শুঁটকি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

স্থানীয় নারী শ্রমিক সেতারা বেগম (৪০) জানান, শীত শুরু হলেই আমাদের কাজের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাচা পরিষ্কার, মাছ ধোয়া, শুঁটকি শুকানোসহ সবকিছু নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটে। একটি শুঁটকি পল্লী তৈরি করতেই প্রায় ১৭-১৮ দিন লেগে যায়। কেমিক্যাল ছাড়া পরিচ্ছন্নভাবে শুঁটকি উৎপাদন কার্যক্রমে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয় শুঁটকি ব্যবসায়ী বিল্লাল মৃধা বলেন, আমরা সম্পূর্ণ কেমিক্যাল ও বিষমুক্ত শুঁটকি তৈরি করি। এ কারণে কুয়াকাটার শুঁটকির সুনাম দেশজুড়ে। আপনাদের মাধ্যমে ক্রেতাদের অনুরোধ—তারা যেন কুয়াকাটায় শুঁটকি উৎপাদনের পুরো প্রক্রিয়া নিজের চোখে দেখতে অন্তত একবার পল্লীতে আসেন। এতে আমাদের প্রতি তাদের আস্থা আরো বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস।

শুঁটকি মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক সোহেল মাহমুদ জানান, মৌসুম শুরুর কারণে সব কিছুর দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতি মণ বড়ো চিংড়ি শুঁটকি ৪০ হাজার টাকা এবং লইট্টা শুঁটকি ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা ভালো থাকায় আমরা আশাবাদী—এবারের মৌসুমে অন্যান্য বছরের তুলনায় লাভবান হবো।

 

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বাসস’কে জানান, নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত শুঁটকি মৌসুম চলে। তিনি বলেন, ‘জেলেদের আমরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিই। পরিচ্ছন্নতা, প্রাকৃতিক উপায়ে শুকানো এবং বাজারজাতকরণ—সবকিছু নিয়েই তাদের নিয়ে কাজ করছি। এবারের মৌসুমে চার হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। তবে আমরা যা আশা করছি, তা ছাড়িয়ে যাবে।

কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক এ বিষয়ে বাসস’কে বলেন, ‘কুয়াকাটার শুঁটকি প্রস্তুতকারীরা বেশ দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তবে বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে শুঁটকি উৎপাদন হওয়ায় কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। তাই সকল উৎপাদনকারীকে একটি ছাতার নিচে এনে নির্দিষ্ট এলাকায় শুঁটকি উৎপাদনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে পরিবেশও সুরক্ষিত থাকবে এবং পর্যটকদেরও অসুবিধা হবে না।’

তিনি জানান, এই উদ্যোগের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।

উপকূলীয় কুয়াকাটা অঞ্চলের শুঁটকি পল্লীগুলোর বর্তমান ব্যস্ততা জানিয়ে দিচ্ছে—শীত এসেছে, আর তার সঙ্গে এসেছে জীবিকা, কর্মসংস্থান ও স্বপ্ন গঠনের মৌসুম। সূর্যের আলোয় কেমিক্যালমুক্ত শুঁটকি তৈরি এখন শুধু পেশাই নয়, উপকূলের মানুষের ঐতিহ্য, গর্ব ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও একটি উজ্জ্বল প্রতীক।

 

(বাসস)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২৫ ৯:২৬ পূর্বাহ্ন
মাছ-মুরগির খামার করে ভাগ্য বদল পটুয়াখালীর রাজিব কর্মকারের
প্রাণিসম্পদ

মাছ-মুরগির খামার করে ভাগ্য বদলেছেন পটুয়াখালীর তরুণ উদ্যোক্তা রাজিব কর্মকার (৩২)। কয়েক বছর আগে বেকারত্বের গঞ্জনা থেকে মুক্তি পেতে নিজ উদ্যোগে নিজের বাড়িতে গড়ে তুলেছেন মুরগির খামার। আর এখন তিনি মাছ, মুরগি ও গাভি পালন করে মাসেই আয় করছেন দুইলাখ টাকা। ইতোমধ্যে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছেন রাজিব। তার এই সাফল্যে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যাপারে আগ্রহী হচ্ছেন স্থানীয় অনেকেই।

সরেজমিনে রাঙ্গাবালী উপজেলার পশুরীবুনিয়া গ্রামের রাজিব কর্মকারের খামারে গিয়ে দেখা যায়, পুকুরের মাঝখানে বাঁশ ও সুপারি গাছের তৈরি মাচায় বেড়ে উঠছে ছোট বড় আকৃতির ব্রয়লার, সোনালী ও লেয়ারসহ বিভিন্ন জাতের মুরগি। মাচার নিচে পুকুরে চাষ হচ্ছে পাঙাশ, দেশীয় প্রজাতির শিং ও মাগুর মাছ। ফার্মে মাছ ও মুরগির সমন্বিত চাষে সফলতার মুখ দেখছেন এই তরুণ উদ্যোক্তা। অনেক পরিশ্রম আর ত্যাগে আজ তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রামে পরিচিতি পেয়েছেন।

রাজিব কর্মকারের সাথে কথা হলে তিনি বাসসকে তার সাফল্যের গল্প শোনালেন। তিনি বলেন, বেকারত্ব ঘোচাতে প্রথমে ছোট্ট পরিসরে মুরগির খামার শুরু করি। পরে দেখলাম বেশ ভালোই লাভবান হচ্ছি। এমন বাস্তবতায় মাছ, মুরগি ও গাভি পালন শুরু করি ধাপে ধাপে। অল্প পুঁজি আর অদম্য ইচ্ছাকে একত্রে মিলিয়ে নেমে পরি ব্যবসায়। আর ব্যবসার পণ্য হিসেবে বেছে নিয়েছি নিজের খামারে উৎপাদিত মুরগি। স্থানীয় বাজারে মুরগির পাশাপাশি বিক্রি করি মাছের ফিড। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যবসায় বাড়তি মাত্রা যোগ করেছি লেয়ার, ব্রয়লার, সোনালী মুরগি ও মাছের ফিডের ডিলার।

রাজিব বলেন, এখান থেকে উপার্জিত অর্থেই দাঁড় করেছি রিতিকা ও রুদ্র খামার বাড়ি। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৬০ শতাংশ জমিতে গড়েছি মাছ, মুরগি ও উন্নত জাতের গাভিসহ নানারকম সবজি ও ফলের বাগান।

মুরগি ও মাছ চাষে এমন সফলতায় তরুণ ও বেকার যুবকসহ এখন অন্যদের কাছেও আদর্শ রাজিব কর্মকার। তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে এলাকার অনেকেই ঝুঁকছেন মাছ ও মুরগি চাষে। তার খামার বাড়ির চারপাশে সজ্জিত সারি সারি সুপারির বাগান, হরেক রকমের ফল ও সবজির বাগান দেখে মনে হচ্ছে যেন কৃষিতেই থেমে নেই রাজিব।

রাজিব আরো বলেন, তিলে তিলে এই খামার গড়ে তুলছি। মাছ, মুরগি, নানান প্রকার সবজি ও ফলমূলের এই প্রজেক্ট করে আমি ভালোই লাভবান হয়েছি। প্রতি মাসে এখান থেকে দুই লাখ টাকা লাভ হয়।

তিনি বলেন, শাহীওয়াল জাতের গরুও পালন করতাম, বিক্রি করে ফেলছি জায়গা সংকটের কারণে। সরকারি সহায়তা পেলে আরো বড় পরিসরে খামার করতে পারবো। তরুণদের চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শও দেন এই সফল উদ্যোক্তা।

এ বিষয়ে খামার ম্যানেজার রাহাত মিয়া বলেন, আমাদের এখানে উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের মুরগি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঠানো হয়। ডিম ও মুরগি আমরা পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে থাকি। এছাড়াও আমাদের এখানে চাষ করা পাঙাশ, শিং ও মাগুর স্থানীয় বাজারে খুচরা বিক্রি করি। আমাদের খামারে উৎপাদিত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় বাজারে বেশ সুনামের সাথে বিক্রি করা হচ্ছে আমাদের খামারে উৎপাদিত পণ্য।

রাজিবের প্রতিবেশী রবিন আহম্মেদ (৩০) বলেন, শূন্য থেকে যে একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব, তার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজিব কর্মকার। আশেপাশের অনেক তরুণদের তিনি এখন আইডল। রাজিবের খামারের মুরগি, মাছ ও গাভির ব্যাপক চাহিদা এই অঞ্চলজুড়ে। স্থানীয় হতাশাগ্রস্ত বেকারদের আশার আলো দেখাচ্ছেন তরুণ উদ্যোক্তা রাজিব।

এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা সামুদ্রিক মৎস্য কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন রাজু বলেন, মৎস্য খামার বেকারদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য অন্যতম উদাহরণ রিতিকা রুদ্র খামার বাড়ি। রাজিবের মৎস্য চাষে যে ধরনের সহায়তা প্রয়োজন আমরা সরকারি বিধি মোতাবেক তা করবো। একইসাথে বলবো-চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের রাজিব কর্মকারের মতো এগিয়ে আসা উচিত।’

এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহজাহান আলী (ভারপ্রাপ্ত) বাসসকে বলেন, ‘যোগাযোগ করে দপ্তরের সকল সুযোগ সুবিধার আওতায় আনা হবে। রাজিব কর্মকারের মত যদি খামার গড়ে তোলা হয় তাহলে বেকার যুবক, যুব মহিলাদের বেকার সমস্যা দূরীকরণ হবে।

তিনি আরো বলেন, এমন সব খামার গড়ে তোলা হলে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশ অনেক এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি বেকার যুবক, যুব মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দারিদ্র্য দূরীকরণ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এসব খামার।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২৫ ৮:০০ অপরাহ্ন
রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায় মহিষ পালনে পুষ্টি, প্রজনন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রযুক্তির ব্যবহার শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলায় “মহিষ পালনে পুষ্টি, প্রজনন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রযুক্তির ব্যবহার” শীর্ষক ৩ (তিন) দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণ রবিবার ১৯ই অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সমাপ্ত হয়েছে। গত শুক্রবার ১৭ই অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকালে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই), সাভার, ঢাকার বাস্তবায়নে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, গংগাচড়া, রংপুরের সহযোগীতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে নির্বাচিত সুফলভোগী ৫০ জন মহিষ খামারীদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী দিনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ, নীলফামারীর উপজেলা প্রাণিস্পদ অফিসার মোঃ নুরুল আজীজ এবং গংগাচড়া, রংপুরের উপজেলা প্রাণিস্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান।

তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের ২য় দিন (১৮ই অক্টেবর, ২০২৫) উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, রংপুর বিভাগের পরিচালক ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই সরকার; বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, রংপুর বিভাগের ডেপুটি চীফ ইপিডেমিওলজিষ্ট ডাঃ মোঃ রফিকুল আলম এবং উক্ত প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও বিএলআরআই এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব। পঁঞ্চাশ (৫০) জন সুফলভোগী মহিষ খামারী এতে অংশগ্রহণ করেছেন।

তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গংগাচড়া উপজেলার মহিষ খামারীগণ লাভজনক পদ্ধতিতে খামারে মহিষ লালন পালন, মহিষের জাত সনাক্তকরণ, মহিষের প্রজনন ব্যবস্থাপনা, স্বল্প খরচে দুধালো মহিষের খাদ্য ব্যবস্থাপনা, হাতে কলমে সাইলেজ, হে এবং ইউএমএস প্রযুক্তির ব্যবহার, গর্ববতী ও দুগ্ধবতী মহিষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, মহিষের রোগ প্রতিরোধে করণীয়, টিকা প্রদান ও কৃমি মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী, কৃমি প্রতিরোধে খামারীদের করণীয় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। বাংলাদেশে প্রাপ্ত মহিষের জাতসমূহ, দুধাল গাভী মহিষ, আদর্শ প্রজনন উপযোগী ষাঁড় মহিষ নির্বাচন সম্পর্কে খামারীরা সুনিপুণ ধারণা অর্জন করেন। খামারীরা ভবিষতে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ (সাইলেজ) করবেন বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। খামারী বাদ্ধব তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের কোর্স কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্বে ছিলেন বিএলআরআই এর মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ কামরুল হাসান মজুমদার।

এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মহিষ খামারীগণ মহিষ পালনে পুষ্টি, প্রজনন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই মহিষ খামার গড়ে তোলার মতামত ব্যক্ত করেন। প্রশিক্ষণ শেষে খামারিরা মহিষের গুরুত্বপূর্ণ রোগের টিকা এবং উন্নত জাতের মহিষের বীজ সরবরাহের জন্য আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২৫ ৮:১৫ অপরাহ্ন
গংগাচড়া, রংপুরে তিন দিনব্যাপী মহিষ পালনে পুষ্টি, প্রজনন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রযুক্তির ব্যবহার শীর্ষক প্রশিক্ষণ
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রংপুরের গংগাচড়াতে মহিষ পালনে পুষ্টি, প্রজনন ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রযুক্তির ব্যবহার শীর্ষক তিন দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত শুক্রবার (১৭ই অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি.) সকাল ১০ টার দিকে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে নির্বাচিত ৫০ জন মহিষ খামারী প্রশিক্ষণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, গংগাচড়া, রংপুরে শুরু হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের আজ ২য় দিন (১৮ই অক্টোবর, ২০২৫খ্রি.) উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই সরকার, পরিচালক, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, রংপুর বিভাগ, রংপুর; ডাঃ মোঃ রফিকুল আলম, ডেপুটি চীফ ইপিডেমিওলজিষ্ট, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, রংপুর বিভাগ, রংপুর; ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, গংগাচড়া, রংপুর এবং মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. গৌতম কুমার দেব, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বিএলআরআই, সাভার, ঢাকা। উক্ত প্রশিক্ষণে ৫০ জন সুফলভোগী মহিষ খামারী অংশগ্রহণ করছেন।


তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষনের মাধ্যমে গংগাচড়া উপজেলার মহিষ খামারীগণ লাভজনক পদ্ধতিতে খামারে মহিষ লালন পালন, মহিষের জাত সনাক্তকরণ, মহিষের প্রজনন ব্যবস্থাপনা, স্বল্প খরচে দুধালো মহিষের খাদ্য ব্যবস্থাপনা, হাতে কলমে সাইলেজ, হে এবং ইউএমএস প্রযুক্তির ব্যবহার, গর্ববতী ও দুগ্ধবতী মহিষের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা, মহিষের রোগ প্রতিরোধে করণীয়, টিকা প্রদান ও কৃমিমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী, কৃমি প্রতিরোধে খামারীদের করনীয় সম্পর্কে সম্মক ধারনা লাভ করবেন।


বাংলাদেশে প্রাপ্ত মহিষের জাতসমূহ, দুধালো গাভী মহিষ, আদর্শ প্রজনন উপযোগি ষাঁড় মহিষ নির্বাচন সম্পর্কে খামারীরা সুনিপুণ ধারণা অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের কোর্স কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্বে আছেন বিএলআরআই এর মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ কামরুল হাসান মজুমদার।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop