১২:৩০ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১৩, ২০২৫ ৪:৪৯ অপরাহ্ন
এ ওয়ান পলিমার ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং ডিলার সম্মেলন ২০২৫ অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

“সাহস সমৃদ্ধির” –এই স্লোগানে অনুষ্ঠিত হলো এ-ওয়ান পলিমার লিমিটেড ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেড এর ডিলার সম্মেলন-২০২৫। ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (ICCB) তে অনুষ্ঠিত এই ডিলার সম্মেলনে সমগ্র বাংলাদেশের প্রায় ৭০০ ডিলার উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মানোয়ার হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব ওয়াইজ আর. হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ডিভিশন এর সি এম ও জনাব মোহাম্মদ আতিক আকবর, সি এফ ও জনাব বাবলা বসু, লজিস্টিক ডিরেক্টর জনাব মোঃ মফিদুল হক, সিনিয়র জি এম বিজনেস জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মার্কেটিং বিভাগের এ.জি.এম. জনাব মোঃ ফাহিম হোসেন, জি. এম. একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স জনাব মোঃ আফতাব আলম খান এবং হেড অফ বিজনেস অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট জনাব খন্দকার শফিকুল ইসলাম উল্লাস। উক্ত অনুষ্ঠানে এ ওয়ান পলিমার ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং এর সেরা ডিলারদের পুরস্কার প্রদান করা হয়। পরিশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২৫ ২:৩৩ অপরাহ্ন
নানা আয়োজনে শেকৃবিতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৫ পালিত
প্রাণিসম্পদ

“আসুন দুগ্ধশিল্প এবং দুধের প্রভাব উদযাপন করি” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাবিশ্বের ন্যায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস-২০২৫ উদযাপিত হয়েছে। শেকৃবির এএসভিএম অনুষদের ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. মহবুবউজ্জামান ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালির উদ্বোধন করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন শেকৃবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আবুল বাশার, এএসভিএম অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ রজ্জব আলী, ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ নাজমুল হক, ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান সহ শেকবির এএসভিএম অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। র‌্যালি শুরুর পূর্বে স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ বিতরণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দুধের পুষ্টিগুণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। র‍্যালি শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে দুধ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও এএসভিএম অনুষদের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ক্লাসরুমে উপস্থিত সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের পক্ষ থেকে দুধ বিতরণ করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফ বলেন, “দেশের মানুষের কাছে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং দুধ উৎপাদনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করার জন্য আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে। এতে করে মেধাবী জাতিতে পরিণত হবো আমরা। এত সুন্দর আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৫ আয়োজনের জন্য ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই”। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আবুল বাশার তার বক্তব্যে বলেন, “দুধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য। দুধ দিবসের প্রতিপাদ্যে উদ্দীপিত হয়ে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে”।

এএসভিএম অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “দুধ একটি সুপারফুড। দুধে রয়েছে ল্যাক্টোজ, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ পান করা উচিত”। ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “সারা বিশ্বে দুগ্ধশিল্পের অর্থনীতির আকার প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এবারের দুধ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘দ্য পাওয়ার অব ডেইরি’ কথাটিকে সমর্থন করে। দুগ্ধ শিল্পের উপর নির্ভর করে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে। ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ নাজমুল হক বলেন, দুধ শুধু একটি পুষ্টিকর খাদ্যই নয়, দুগ্ধশিল্পের সাথে গ্রামীণ অর্থনীতি, জীবন-জীবিকা ও টেকসই উন্নয়ন নির্ভর করে। এ আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য তিনি শেকৃবি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান এবং দুধ প্রদান করে সহযোগিতা করার জন্য প্রাণ ডেইরি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান।”

এছাড়াও ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে দুপুর ২ ঘটিকায় শেরেবাংলা নগরের আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)র উদ্যোগে সর্বপ্রথম ২০০১ সালে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সাল থেকে বাংলাদেশেও এই দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগ প্রতিবছর এ দিবসটি বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করে থাকে। বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৫ আয়োজনে দুধ প্রদান করে প্রাণ ডেইরি লিমিটেড।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২৫ ৫:৫৭ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে পশুপালন অনুষদের প্রতিষ্ঠাতা ডিন ও তদানীন্তন ভাইস-চ্যান্সেলর এর ম্যুরাল উন্মোচন
প্রাণিসম্পদ

দীন মোহাম্মদ দীনুঃ  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু পালন অনুষদের ডিন অফিস প্রাঙ্গণে ২১ মে ২০২৫, বুধবার দুপুর ২.০০টায় উক্ত অনুষের প্রতিষ্ঠাতা ডিন ও সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর কাজি মো: ফজলুর রহিম এর প্রতিকৃতির ম্যুরাল উন্মোচন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশু পালন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: রুহুল আমীন।

 

অন্যান্যের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: আব্দুল আলীম এবং অনুষদের বিভিন্ন শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। এসময় প্রাক্তন ভাইস-চ্যান্সেলর এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২৫ ৫:৩১ অপরাহ্ন
কোম্পানির মুনাফার জায়গা গোখাদ্য হতে পারে না: মপ্রাম উপদেষ্টা
প্রাণিসম্পদ

কৃষির উন্নতি হয়েছে সত্যি, কিন্তু একই সাথে আমরা গোখাদ্য নষ্ট করেছি। গরুর, তথা প্রাণিকূলের নিজের খাবারের পছন্দ-অপছন্দ আছে। খামারিদের অভিব্যক্তির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আমি বলতে চাই গোখাদ্য কখনও বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোর মুনাফার জায়গা হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে বিএলআরআই যে নেপিয়ার নিয়ে, ঘাসভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আমাদের মাথায় রাখতে হবে, ঘাস উৎপাদনের জায়গা পর্যাপ্ত নয়। তাই আমাদের যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

আজ বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এ আয়োজিত “Strengthening Partnership for Innovation in Livestock Research and Development” শীর্ষক সেমিনার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার একথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, কৃষি ও প্রাণিসম্প আলাদা নয়, বরং অবিচ্ছেদ্য। তাই কৃষকদের মতো প্রাণিসম্পদ লালন-পালনকারীদের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার সকল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যেই প্রাণিসম্পদ খামারিদের জন্য পৃথক ব্যাংক তৈরির বিষয়ে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি খামারিদের স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যেও মন্ত্রণালয় কাজ করছে। দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় আমিষের সরবরাহ নিশ্চিত করা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব। খামারিরা যেভাবে ডিম, দুধ, মাংস উৎপাদন করছে, তবেই আমাদের লক্ষ্য পূরণ হবে। কৃষি কাজ বা প্রাণিসম্পদ পালনকে মর্যাদাপূর্ণ কাজ হিসেবে নিতে হবে।

এসময় তিনি বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের ভালো বিজ্ঞানী আছে, ভালো কর্মকর্তা আছে। বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে আলাদা ভাবা যাবে না, এক ভাবতে হবে।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) ও চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “Feed Based Training for Livestock Services Extension Staff, Co-Operatives and Individual Farmers” শীর্ষক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান এবং “Strengthening Partnership for Innovation in Livestock Research and Development” শীর্ষক সেমিনার আজ ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে বিএলআরআই সম্মেলন কক্ষে (চতুর্থ তলা) অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়াও, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং ডেপুটি ডিরেক্টর গুলবালি ড. ক্যামেরন ক্লার্ক। আর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

সকাল ১০.০০ ঘটিকায় পবিত্র গ্রন্থ হতে পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু্ হয়। শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক ড. এ বি এম মুস্তানুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্যেরে পরে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং ডেপুটি ডিরেক্টর গুলবালি ড. ক্যামেরন ক্লার্ক। তিনি তার প্রবন্ধে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সম্পর্ক জোরদারকরণ এবং যৌথ কর্মকাণ্ড গ্রহণের সফলতা ও সম্ভাবনা এবং স্থানীয় সম্পদ ও জাতসমূহ ব্যবহার করে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসময় তিনি অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ পালনের সাদৃশ্য ও সম্ভবনা নিয়েও আলোচনা করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে প্রবন্ধ সম্পর্কে আলোচনা করেন অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ এর সাউথ এশিয়ান রিজিয়নের রিজিওনাল ম্যানেজার ড. প্রতিভা সিংহ।
এর পরে অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত আলোচনা। উন্মুক্ত আলোচনা অংশ পরিচালনা করেন বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এসময় বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, খামারি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হতে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআরআই এর মধ্যে চমৎকার একটি সম্পর্ক রয়েছে। প্রযুক্তিসমূহ মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পরপরই তা হস্তান্তরের লক্ষ্যে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারকরণের উপরেও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক তার সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মশালাটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সমাপনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএলআরআই এর অনেক সম্ভবনাময় প্রযুক্তি রয়েছে। এসব প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে বিএলআরআই এর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। পাশপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সক্ষমতাও বৃদ্ধি করতে হবে। বিজ্ঞানীদের নিজস্ব কোন ক্ষেত্র নেই, সকল ক্ষেত্রেই তার কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে, সকল ক্ষেত্রেই অবদান রাখতে হবে।

ঘাসভিত্তিক প্রাণিখাদ্যের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং উৎপাদন কৌশল নিয়ে আয়োজিত তিন দিনব্যপী এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা উদ্যমী খামারি ও উদ্যোক্তা। তাদের সাথে ছিলেন বিএলআরআই এর বিভিন্ন পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২৫ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
বিএলআরআই আঞ্চলিক কেন্দ্র, যশোর এ গবেষণায় করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

গত ১২/০৪/২৫ খ্রি. তারিখে বিএলআরআই আঞ্চলিক কেন্দ্র, যশোর এ “গবেষক-সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে গবেষণায় করণীয়” শীর্ষক একটি কর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অনুবিভাগের সম্মানিত অতিরিক্ত সচিব জনাব আমেনা বেগম। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্নসচিব জনাব মো. হেমায়েত হোসেন এবং সম্মানীয় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় দপ্তরের পরিচালক ডা. নুরুল্লাহ মো. আহসান। আর কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর সম্মানিত মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক ড. এ বি এম মুস্তানুর রহমান,বিএলআরআই-এর বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ, অন্যান্য সরকারি দপ্তরের আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ এবং খামারি ও উদ্যোক্তাবৃন্দ।

কর্মশালায় যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রের ইনচার্জ ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হালিমা খাতুন আঞ্চলিক কেন্দ্রের বিগত সময়ে সমাপ্ত ও বর্তমানে চলমান গবেষণা কার্যক্রম সম্পর্কে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে উপস্থিত সকলে গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খুলনা বিভাগের প্রাণিসম্পদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে গ্রুপভিত্তিক আলোচনা করেন এবং উপস্থাপনা করেন।

এছাড়াও কর্মশালা শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রে বৃক্ষরোপণ করেন। পাশাপাশি যশোরের মধুগ্রাম এ অবস্থিত বিএলআরআই প্রযুক্তি পল্লীতে ছাগল ও ভেড়ার কমপ্লিট পিলেট মেশিন এর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি অতিরিক্ত সচিব জনাব আমেনা বেগম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২৫ ১২:০৬ অপরাহ্ন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বিএলআরআই এ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত
প্রাণিসম্পদ

অদ্য ২৬/০৩/২০২৫ খ্রি. তারিখে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান স্বাধীনতা দিবস ২০২৫ উদযাপিত হয়।

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে দিনব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এসময় মহাপরিচালক মহোদয়ের সাথে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, দপ্তর প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকগণসহ ইনস্টিটিউটের সকল পর্যায়ের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।

এছাড়াও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে বাদ আসর ইনস্টিটিউটের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবন ও বিভিন্ন বিভাগীয় ভবনে বর্ণাঢ্য আলোকসজ্জা করা হয়। এছাড়াও গত ২৫/০৩/২০২৫ খ্রি. তারিখ বাদ আসর ২৫ মার্চ কালোরাতে নিহতদের স্মরণে ইনস্টিটিউটের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়

পাশাপাশি বিএলআরআই এর আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহও পতাকা উত্তোলন, আলোকসজ্জাকরণসহ উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে অন্যান্য কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২৫ ৯:০৪ পূর্বাহ্ন
মহিষ পালনে জীবিকা নির্বাহ ভোলার চরাঞ্চলের মানুষের
প্রাণিসম্পদ

দ্বীপ জেলা ভোলায় মহিষ পালন একটি ঐতিহ্যগত পেশা। এখানকার অর্ধশতাধিক চরের মানুষ বংশপরাম্পরায় মহিষ পালন করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। পরিবেশ ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক বিছিন্ন দ্বীপ চরগুলোতো প্রায় দুইশ’ বছর ধরে মহিষ বাতান আকারে পালন করে আসছেন চাষীরা। প্রতিটি মহিষের বাতানে দু’শ থেকে হাজার পর্যন্ত মহিষ পালন হয়ে থাকে। যা ঘরোয়া পরিবেশে একেবারেই অসম্ভব।

কিন্তু বর্তমানে এ মহিষ পালন অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়রা বসত বাড়ির গোয়ালঘরে পালন শুরু করেছেন। মহিষ পালনের ব্যাপকতায় এলাকার দরিদ্র কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। একদিকে মহিষ বিক্রি অন্যদিকে মহিষের দুধ বিক্রিতে লাভবান হয়ে উপকূলের চাষীরা দেখছেন দিন বদলের স্বপ্ন। কালের বিবর্তনে দক্ষিণ উপকূলবাসী আধুনিক নিয়মে উন্নতজাতের মহিষ পালন করে নিজেরা যেমনি স্বাবলম্বী হচ্ছেন, তেমনি এখানকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী তাদের অর্থনৈতিক ভিতকে আরো মজবুত করে গড়ে তুলছেন।

সংশ্লিষ্ট তথ্যসূত্রমতে, জেলা সদর ভোলা, দৌলতখান,বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন, লালমোহন,চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক বিচ্ছিন্ন চর রয়েছে। এসব চরে সরকারি হিসেবে ২ লক্ষ ৬০ হাজার মহিষের হিসেব থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এ সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষাধিক। এখানে ৯৭ টি মহিষের বড় বাতান (খামার) সহ প্রায় ৭০৫ দুগ্ধ খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার দুধ আসে। এসব দুধ ও দুধের তৈরি দই দিয়ে জেলার ২১ লক্ষ মানুষের চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় চাহিদা পূরণ করছে। নদীর মাঝখানে এসব চরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এলাকা জুড়ে সবুজ ঘাসের সমারোহ। আর এসব চরে পালন করা হয় হাজার হাজার মহিষ। সবুজ ঘাস খেয়ে পালিত হয় এসব মহিষ। যুগ যুগ ধরে বংশপরাম্পরায় বহু পরিবার এখানে মহিষ ও দই বিক্রির পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

অনেকে আবার নিজস্ব মহিষের মাধ্যমে দুধ উৎপাদন করে দই তৈরি করেন। দই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চরে গড়ে উঠেছে শত শত মহিষের বিশাল বাতান। প্রতিদিন সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গেএসব বাতান থেকে শত শত লিটার দুধ আসতে শুরু করে শহর ও বাজারগুলোতে। গ্রামাঞ্চলে হাটের দিনে মহিষা দই এর টালির পসরা সাজিয়ে বসেন অনেক বিক্রেতারা। বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হয় মহিষের দুধের দই। নির্ভরযোগ্য তথ্যমতে,প্রায় ১২২০ সালে বঙ্গোপসাগর মোহনায় জেগে উঠে দ্বীপ জেলা ভোলা। এরপর এখানে গত ৪শ’ বছর ধরে ক্রমশই জনবসতি গড়ে ওঠে। ধীরে ধীরে মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হলে তারা মহিষ,গরু, ছাগল,ভেড়াসহ নানা জাতের গবাদিপশু পালন শুরু করেন। ভোলা দ্বীপ জনপদ হওয়াতে এখানকার ছোট বড় অসংখ্য চরে মহিষ পালনে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। বিশেষ করে অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারগুলোর শত শত মহিষ পালন করতে তেমন বেগ পেতে হয়না।

স্থানীয় জানান,প্রায় ২শ’বছর ধরে এ জেলায় মহিষের দুধ থেকে কাঁচা দই উৎপাদন শুরু করে। যা ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান সময়েও জনপ্রিয়। এখানে বিয়ের অনুষ্ঠানসহ এমন কোন সামাজিক অনুষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে দই দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়নি।

মহিষ পালনকারী ভোলার চরের মিন্টু খাঁ বলেন, মাত্র ৫০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ২০০১ সালে চারটি মহিষ নিয়ে যাত্রা শুরু করি। এখন আমার ৪১টি মহিষ। বর্তমানে তার দুই একর জমি হয়েছে। যার বাজার মূল্য ২০ লাখ টাকা। এ মহিষের দুধ বেঁচে তিনি তার সংসারের খরচ মেটান। ভোলায় এখন মহিষ পালনে চরাঞ্চলের সবাই ঝুঁকছে। এতোদিন শুধু বাতানে পালন হলেও এখন তা বাড়িতে বাড়িতে ঘরোয়া পরিবেশেও পালন হচ্ছে। মহিষ পালনে দিন বদলের এ গল্প জেলার অনেক কৃষকের। ভোলার চর বৈরাগিয়ার মহিষের বাতান মালিক জাকির হাওলাদার বলেন, তার ৯৫টি মহিষ রয়েছে। এটা আমার দাদা পালন করেছে। তারপর চাচা,এখন আমি করছি। তবে আগে মহিষ একটু সামান্য রোগেই মরে যেত। তাই অনেকে বেশি পালন করতে চাইতো না। কিন্তু এখন কৃমি নাশক ওষুধও বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন দেয়ার কারণে মহিষ মারা যাওয়ার ঝুঁকি কমেছে। অন্যদিকে মাংস ও দুধের দাম বাড়ার কারণে লাভের পরিমানও বেড়েছে। তাই অনেকের মতো আমারও বেশি মহিষ পালনের আগ্রহ বেড়েছে। আমি এ মহিষ পালন করে প্রায় ৫ একর জমি কিনেছি।

মহিষের বাতানের অপর মালিক মো. ইউনুছ মিয়া বলেন, দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরে তাদের বাতানে প্রায় আড়াই শত মহিষ রয়েছে। যা তারা চার পুরুষ ধরে লালন করে আসছেন। দৈনিক এখান থেকে ১৩০ থেকে ১৫০ কেজি দুধ হয়। জেলায় অনেকেই ঐতিহ্য ধারণ করে মহিষ পালন করে আসছেন। যা তাদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

স্থানীয় দধি বিক্রেতারা বলেন, সাধারণত দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের দই (টালির) চাহিদা বেশি। বর্তমানে দেড় কেজি ওজনের দধি ২৫০ ও দুই কেজি ৩শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ দই থেকে মাখন, ঘি ও ঘোল বানানো হয়। মাখনের কেজি ৯শ’ ও ঘিয়ের কেজি ১৬ শত ১৮ শত টাকায় বিক্রি হয়। এর ভালো দাম পাওয়ায় তাদের লাভও ভালো হয়। তবে দুধের দাম বৃদ্ধি পেলে দইর দামও বেড়ে যায় বলে জানান তিনি।

এ বিষয় ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম খান বাসস’কে বলেন, ভোলায় সরকারী হিসেবে জেলায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মহিষ রয়েছে।

এতে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার দুধ আসে। এগুলো জলা মহিষ নামে পরিচিত। মাংস ও দুধ উৎপাদনের জন্য তারা এসব মহিষ পালন করে থাকে। তিনি বলেন,আমাদের মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের জন্য বাগেরহাট ও টাংগাইলে দু’টি মহিষ প্রজনন খামার রয়েছে। সেখান থেকে ভোলাতে আমরা ১৫০টির মত চেলা মহিষ বিতরণ করেছি । এ চেলা মহিষ দিয়ে বাতানের মহিষগুলোকে কোড়াছ করে উন্নত জাতের মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের জন্য কাজ করছি, যাতে প্রতিটি মহিষ প্রথম থেকেই ১০ থেকে ১৫ কেজি দুধ উৎপাদন করতে পারে। তিনি আরো বলেন, আমরা ভোলা জেলায় ১শ’ একর জমির উপর ডি এল আরই ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রাণালয়ের যৌথ উদ্যোগে উন্নত মুদ্রাজাতের মহিষ উৎপাদনের খামার করার কাজ করে যাচ্ছি, আশা করি ভোলার মহিষের বাতান মালিকরা খুব শীঘ্রই এর সুফল পাবেন। সব মিলিয়ে দ্বীপাঞ্চল ভোলার জনপদে আধুনিক প্রযুক্তিতে মহিষ পালন ও এর ব্যাপক প্রজনন সক্ষমতা

দক্ষিণাঞ্চলবাসীকে ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

(বাসস)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২৫ ৮:৪৩ অপরাহ্ন
মহিষ আমাদের সম্পদ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
প্রাণিসম্পদ

“মহিষ আমাদের সম্পদ। মহিষ পালনকারীরা আমাদের সম্পদ। মহিষের মাংসে কোলেস্টেরল কম, তাই মহিষের মাংসকে জনপ্রিয় করতে হবে। দেশের নানা স্থানে মহিষের দুধ থেকে তৈরি দইয়ের নানা বৈচিত্র্য দেখা যায়। মহিষের দইকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য কাজ করতে হবে। পাশাপাশি মহিষ পালনকারী খামারিদের সকল প্রকার সহাযোগিতা প্রদান করতে হবে। মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, সংগৃহীত তথ্য নিয়ে গবেষণা করতে হবে।”

“মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা কর্মশালা আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটির গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উপদেষ্টা মহোদয় এসময় আরও বলেন, ক্লাইমেট চেঞ্জ এখন বাস্তব। তাই ক্লাইমেট চেঞ্জের সাথে খাই খাইয়ে নিতে পারে এমন প্রাণী হিসেবে মহিষকে অনেক গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে। মহিষ বৈষম্যের শিকার হওয়া একটি প্রাণী। তাই মহিষ পালনকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে কমিউনিটি পর্যায়ে কাজ করতে হবে। অভিজ্ঞ মহিষ খামারিরা মহিষের হিটে আসা শনাক্ত করতে পারেন, মহিষ সংক্রান্ত নানাবিধ জ্ঞান ধারন করেন। তাদের জ্ঞানকে বিজ্ঞানের ভাষায় প্রকাশ করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প শেষে গবেষণা কার্যক্রমগুলোকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেনো কোন গ্যাপ না থাকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমি অতিথি হয়ে নই, বরং সাথে থাকতে চাই। সাথে থাকার সুযোগ হতে বঞ্চিত হতে চাই না। পাশাপাশি তিনি বিএলআরআই এর নানাবিধ সংকট নিরসনে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও ব্যক্ত করেন।

এছাড়াও, উক্ত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, বিএআরসি এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

সকালে প্রকল্পের গবেষণা অর্জনের উপরে পোস্টার প্রদর্শনের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন শুরু হয়। এরপর দুপুরে বেলা ০২.০০ ঘটিকায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হতে পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুরু্ হয়। শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক ড. এ বি এম মুস্তানুর রহমান। এরপর মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, অগ্রগতি ও অর্জন তুলে ধরেন উক্ত প্রকল্পটির প্রকল্প পরিচালক ও বিএলআরআই এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব। এসময় তিনি প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি ও অর্জনসমূহও তুলে ধরেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষজ্ঞ আলোচনা। এসময় আলোচনা করেন বিএলআরআই এর সাবেক মহাপরিচালক ড. তালুকদার নূরুন্নাহার এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এর অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক।

বিশেষজ্ঞ আলোচনার পরে অনুষ্ঠিত হয় কারিগরি সেশন ও উন্মুক্ত আলোচনা। উন্মুক্ত আলোচনা অংশ পরিচালনা করেন বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। এসময় বক্তব্য রাখেন বিএরআরআই এর সাবেক মহাপরিচালকগণ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত অধ্যাপক ও শিক্ষকগণ এবং বিভিন্ন সংগঠন থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক তার সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মশালাটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। সেগুলো যেনো ধরে রাখা যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সদয় দৃষ্টি কামনা করি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১১, ২০২৫ ৭:১৩ অপরাহ্ন
বিএলআরআই উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর
প্রাণিসম্পদ

বিএলআরআই উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়িত “জুনোসিস এবং আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ গবেষণা” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (LSD) ভ্যাকসিন সিড হস্তান্তর অনুষ্ঠান আজ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রি. তারিখে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এর ক্রিস্টাল বল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিএলআরআই কর্তৃক উদ্ভাাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (LSD) ভ্যাকসিনটি বাণিজ্যিকভিত্তিতে উৎপাদন ও খামারি পর্যায়ে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

ভ্যাকসিন সিড হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়াও সম্মানীয় অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। আর উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক।

পবিত্র গ্রন্থ হতে পাঠের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বেলা ১১.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠানটি শুরু্ হয়। শুরুতেই আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক ড. এ বি এম মুস্তানুর রহমান। এরপর ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের পটভূমি, ভ্যাকসিন উদ্ভাবন প্রক্রিয়া, উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের ব্যবহার বিধি ও গুরুত্ব ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএলআরআই এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ট্রান্সবাউন্ডারি এ্যানিমেল ডিজিজ রিসার্চ সেন্টারের দপ্তর প্রধান ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ। এসময় উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনের উপরে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পরে অনুষ্ঠিত হয় বিশেষজ্ঞ আলোচনা। এসময় আলোচনা করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এর ভেটেরিনারি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান এবং বাংলাদেশ সিস্টেমস স্ট্রেন্থেনিং ফর ওয়ান হেলথ এর চীফ অফ পার্টি ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. নিতীশ চন্দ্র দেবনাথ।

বিশেষজ্ঞ আলোচনার পরে অনুষ্ঠিত হয় উন্মুক্ত আলোচনা। উন্মুক্ত আলোচনা অংশে বক্তব্য রাখেন বিএরআরআই এর সাবেক মহাপরিচালকগণ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত অধ্যাপক ও শিক্ষকগণ এবং বিভিন্ন সংগঠন থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিরা একে একে তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের আগে বিএলআরআই উদ্ভাবিত লাম্পি স্কিন ডিজিজ (LSD) ভ্যাকসিন সিডটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আনু্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এসময় ভ্যাকসিন বিষয়ক একটি দ্বিপাক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং ভ্যাকসিনটির প্রোডাকশন ম্যানুয়ালের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, এলএসডি ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের মাধ্যমে সার্ক অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের লিডারশিপ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তবে উদ্ভাবন এবং হস্তান্তর করেই খুশি হলে চলবে না। আরও পথ আমাদের বাকি রয়েছে, সেগুলোও সঠিকভাবে অতিক্রম করতে হবে। মাঠে যাওয়ার আগে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা দেখতে হবে। মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সেই তথ্যের আলোকে প্রয়োজনে ভ্যাকসিনের মানোন্নয়ন করতে হবে।

এসময় তিনি আরও বলেন, ভ্যাকসিনের মান ঠিক থাকলে বিদেশেও রপ্তানি করার সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষ্যতে বিদেশে এলএসডি ভ্যাকসিন রপ্তানি করা হবে।

পাশাপাশি গবেষণার উপরে গুরুত্ব আরোপ করে তিনি আরও বলেন, গবেষণা ও উন্নয়ন (রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট) সক্ষমতা বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। এলএসডি আমাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কতোটা ক্ষতি করছে তা খুঁজে বের করতে হবে। পাশাপাশি রোগাক্রান্ত পশু বিক্রি হচ্ছে কি না তা মনিটরিংয়ের পাশাপাশি রোগাক্রান্ত পশুর মাংস গ্রহণের কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া আছে কি না সেটিও গবেষণা করে দেখতে হবে। নতুন নতুন রোগ আসবেই। সেগুলো মোকাবেলার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও তিনি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, এলএসডি একটি ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় এর প্রতিকারের বিকল্প নেই। সেই ক্ষেত্রে বিএলআরআই উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে। এই ভ্যাকসিন যেনো প্রান্তিক খামারিদের দোঁরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়, সেই লক্ষ্যে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। ভ্যাকসিনের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে যাবতীয় সকল সহযোগিতা বিএলআরআই হতে করা হবে বলেও তিনি অঙ্গীকার করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৫ ১২:৩৯ অপরাহ্ন
রংপুর প্রাইভেট ভেটেরিনারি ডক্টরস এসোসিয়েশন “এর বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

গত ৭ ই ফেব্রুয়ারী “রংপুর প্রাইভেট ভেটেরিনারি ডক্টরস এসোসিয়েশন “এর বার্ষিক বনভোজন ” স্বপ্নপুরি, নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, এ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল।
ঐদিন খুব সকাল বেলা রওনা দিয়ে ১১ টার দিকে ফ্যামিলি এবং স্পন্সর মেম্বার সহ প্রায় ১০০জন স্বপ্নপুরি পৌছায়।নাস্তা সেরে সবাই ফ্যামিলি নিয়ে বিভিন্ন রাইট এ চড়া সহ, স্বপ্নপুরির সৌন্দর্য উপভোগ করে। এদিকে সবার ঘুরাঘুরি চলার ফাঁকে বাবুর্চি দুপুরের খাবার রান্না শেষ হয়ে গেলে সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া সারে।

এ পিকনিকের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ডাঃমাহমুদ এবং সদস্য সচিব হিসেবে ছিলেন ডাঃ বাপ্পী।কমিটির অন্যান্য সদস্য হিসেবে ছিলেন ডাঃশ্যামল সরকার, ডাঃ শাহ আযম, ডা: মিলকান, ডাঃ রাফসান জনি, ডাঃ রাহী এবং ডাঃ জিম। এছাড়াও সবাই সহযোগিতা করেন।

দুপুরের খাওয়ার পরে স্পন্সরদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সন্চালনা করেন ডাঃ মাহমুদ।
শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনটির সেক্রেটারি ডাঃএ এফ এম শামীম। উনি সকল স্পন্সরদের স্বাগত জানান এবং আয়োজক কমিটি এবং ফ্যামিলি মেম্বারদের ধন্যবাদ জানান।অতীতে সংগঠনের বিভিন্ন সেবামূলক কাজের কথা তুলে ধরেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

 

এরপরে সকল স্পন্সরদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্লাটিনাম স্পন্সর হিসেবে এসিআই এনিমেল হেলথ লি. থেকে ক্রেস্ট নেন সেলস্ ম্যানজার কামরুল হুদা, এমএম এগ্রো লি., এর পক্ষ থেকে আরিফ। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে রালস্ এগ্রো লি, এর পক্ষ থেকে ক্রেস্ট নেন ন্যাসনাল সেলস ম্যানেজার মোফাক্কারুল ইসলাম।সিলভার স্পন্সর হিসেবে ইনসেপটার পক্ষ থেকে রিজওনাল ম্যানেজার আর এম রুমান কবির,অপসোনিন এগ্রোভেট এর পক্ষ থেকে রিজিওনাল ম্যানেজার এমডি.ইব্রাহীম , ইমপপাল্স এগ্রিসায়েন্স এর পক্ষ থেকে মো:সাজ্জাদ এবং এসএমজি এর পক্ষ থেকে ম্যানেজার মি.ফারুক হোসেন।

কোম্পানির সকল প্রতিনিধি গণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগি হিসেবে থাকার আশ্বাস দেন।এজন্যে তারা এসোসিয়েশন সকল ডাক্তারদের কাছে সহযোগিতা চান।

এরপরে র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও অংশগ্রহণকারী প্রতিটি পরিবার এবং বাচ্চাদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হয়।

সবশেষে সংগঠনটির সভাপতি ডাঃ ভূবনানন্দ রায়(সবুজ) আয়োজক, স্পন্সর এবং অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সকল স্পন্সরদের এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের বন্ধন যেন আরও মজবুত থাকে, এজন্যে ছোট খাট অনুষ্ঠান আয়োজনের উপর জোর দেন।
এছাড়াও সামনের বছর আরও বড় পরিসরে জমকালো আয়োজন করার আশা ব্যক্ত করেন এবং সবার সুস্হতা কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop