১:৩৩ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
সফল খামারী: ৫২০ দিয়ে শুরু করে ৫ বছরে বাচ্চার সংখ্যা ৭ হাজার
পোলট্রি

ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ঘোষপালা গ্রামের খামারি আকাইদ হোসেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি শুরু করেন ব্রয়লারের খামার। আর সেই ব্রয়লার খামার থেকেই লাভ লসের হিসাব কষে শুরু করেন সোনালি মুরগির চাষ। আর এভাবেই ভাগ্যবদল হয় সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আকাইদের। এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে আসে আকাইদের ভাগ্যবদলের গল্প।

পড়া-লেখার পাশাপাশি কেন খামার শুরু করলেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে আকাইদ এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে জানাই, চাকরি না করার নেশা থেকেই মূলত আমার খামার করা। আমার ইচ্ছা হলো চাকরি করবো না। তবে, মানুষকে চাকরি দিবো। আর সেই নেশা থেকেই পেশা হিসাবে নিয়েছি এই খামারকে। আল্লাহর রহমতে দেখেছিও আলোর মুখ।

কিভাবে শুরু করলেন এই খামার? এগ্রিভিউ২৪.কম এর এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার ভাইয়েরা খামার দিয়েছিলো। তবে তখন সেই খামারে তারা তেমন লাভ করতে পারেনি। বরং লস করেছিলো। যার কারণে তারা খামার বন্ধ করে দেয়। তবে আমার ভিতরে খামার করার ছিলো প্রচুর নেশা।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে আমি যখন এসএসসি পাশ করি তখন আবার পরিবারের সহায়তায় শুরু করি ব্রয়লার খামার। ২৫ হাজার ৪৮০টাকা দিয়ে আমি খামার শুরু করি। তখন আমার খামারে ছিলো ৫২০টি বাচ্চা। তবে শুরুতে আমার অভিজ্ঞতা না থাকাই লাভ-লসের হিসাবে আমার লোসের পাল্লাটা ভারি ছিলো। তবে, প্রথমদিকে বাজারে সঠিক দাম পাওয়াতে লাভ হয়েছিলো কিছুটা। আর তাতে করে আমি ৫‘শ থেকে মুরগির খামার আরো বড় করে মুরগির সংখ্যা করি ১ হাজার। আর সর্বশেষ ২০১৬-১৭ সালে আমার লসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিলো প্রায় ২ লাখ টাকার মত।

লস হওয়ার ‍পিছনে কারণ কি বলে আপনি মনে করেন? এমন প্রশ্নে তিনি এগ্রিভিউ২৪‘কে বলেন, আমি প্রাথমিক অবস্থায় অনভিজ্ঞ ছিলাম। সিজনালী বাচ্চাও পাইনি। তারউপর যখন বাচ্চা পেলাম তখন একটি বাচ্চার দাম ছিলো ৭৯ টাকা করে। আর সেই মুরগি আমি বিক্রি করেছি কেজি প্রতি মাত্র ৯৫ টাকা করে। সবমিলিয়ে অনভিজ্ঞতা আর বাজার হিসাব না বুঝাতে আমাকে লসের ভার বহন করতে হয়েছে।

তারপরে কিভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখলেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে এসে আমি পোল্ট্রি খামার বাদ দিয়ে শুরু করি সোনালি মুরগি পালন। আর তাতেই আসে আমার সোনালি দিন। সাথে আছে অভিজ্ঞতাও। আর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সোনালি মুরগিতে ভাগ্যবদল করতে সামর্থ হই।

তিনি বলেন, প্রথমে আমি ২ হাজার বাচ্চা দিয়ে শুরু করে প্রায় ২৪ হাজার লস করি। তারপর ২০১৮‘র শেষের দিকে লস কাটিয়ে ২৬‘শ বাচ্চায় লাভ করি ৭০ হাজার টাকা। ২০১৯ সালে এসে সেড আরো বড় করি। তখন আমার খামারে বাচ্চার সংখ্যা ৫ হাজার।

এরপর ২০২০ সালে এসে ৪৮‘শ বাচ্চার এক চালানে আমার লাভ হয় প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মত। করোনার পরে ৫হাজার বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭ হাজারে। মোটকথা করোনার আগে-পরে আমার লাভ হয় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত। ২০২১ সালে এসে আবার আল্লাহর রহমতে আমার লাভ দিয়ে শুরু হয়। তখন আমি ৪ হাজার বাচ্চায় লাভ করি প্রায় ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। আর এভাবেই চলছে। আল্লাহর রহমতে এখন খামারের ভালো অবস্থা যাচ্ছে বলেও তিনি এগ্রিভিউ২৪.কে জানান।

শেষের দিকে লাভ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, এই ব্যবসায় কখনও হতাশ হওয়া ঠিক না। লেগে থেকে কাজ করতে হবে। আমি প্রথমে অনভিজ্ঞ ছিলাম। আর শেষের অভিজ্ঞতার আর বাজার পলিসি জানার কারণে লসের ভার বহন করতে হচ্ছে না। এখন আমি বাচ্চা কখন কিভাবে কিনতে হবে তা বুঝি। এমনকি খামারের বাচ্চার প্রাথমিক চিকিৎসাও আমি দিয়ে থাকি। একান্ত মারাত্মক কোন সমস্যা না হলে তিনি ডাক্তারের কাছে যান না বলেও এগ্রিভিউ২৪‘কে জানান।

সরকার থেকে কেমন সহযোগিতা আশা করছেন? এমন প্রশ্নে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কে জানান, বাংলাদেশে খামারিদের জন্য এখনও সহজভাবে কোন ঋণ দেয়া হচ্ছে না। আমরা চাই খামারিদের জন্য কম সুদে সরকার ঋণের ব্যবস্থা করুক। তাতে করে আমরা যারা উদ্যোক্তা আছি আরো ভালো করে কাজ করার সুযোগ পাবো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ৩:৫৬ অপরাহ্ন
কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়ে ঝিনাইদহে তিন গরুর মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়েছে তিনটি গরু ও তিনটি বসতঘর পুড়ে গেছে। সংসার চালানোর মত আরো কোন উপক্রম রইলো না কৃষক আব্দুল মান্নানের।

গত ১৩ই মার্চ, শনিবার রাত ১২টার দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ভড়ুয়াপাড়া গ্রামে বসবাসরত কৃষক আবদুল মান্নানের বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবদুল মান্নান সরাসরি এগ্রিভিউ২৪ প্রতিনিধিকে জানান, ‘রাইতে আমরা ঘরে ঘুমে ছিলাম। রাইত ১২ডার আগে-পরে কুনু একডা সুমায় গুয়ালের (গোয়ালঘর) মশার কয়েল থেকে আগুন ধরি যায়। অল্প সুমায়ের মদ্দি আমার গুয়ালঘর, থাকার ঘর আর ভাই লাল্টুর ঘর পুইড়ে যায়।’

মান্নান তার কান্না জড়িত কণ্ঠে আমাদেরকে জানান, ‘আমার আট দিনের এঁড়ে বাছুরসহ তিনডে গরু পুইড়ে মরে গেছে। আশা ছিল গরুর দুধ বেচে সংসার চালাব। আমার এখন সব শ্যাষ ভাই। আমি তো পথে বসে গেলাম।’

ভুক্তভোগী কৃষকের ভাই লাল্টু বলেছেন, আশে পাশের প্রতিবেশীরা টের পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু ততক্ষণে কয়েলের আগুনে দগ্ধ হয়ে পুড়ে যায় সব।

এদিকে রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম শাহিন, পাগলা কানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কে এম নজরুল ইসলাম।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে টিন, শুকনা খাবারসহ আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে বলে এগ্রিভিউ২৪ প্রতিনিধিকে জানান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ।

আরো পড়ুনঃ আগুনে পুড়ে চার গরুর মৃত্যু!

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ১:৫৬ অপরাহ্ন
গবাদিপশুকে কৃমি মুক্ত রাখার উপায়
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গবাদিপশু পালন লাভজনক ও বেকার সমস্যা সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু আমাদের খামারিরা গবাদিপশু পালন করতে গিয়ে একটি সমস্যার সম্মুখীন হয়, তা হলো পরজীবী বা কৃমি। কৃমি এক ধরনের পরজীবী যা পশুর ওপর নির্ভর করে জীবন ধারণ করে। তারা পশুর অন্ত্রে, ফুসফুসে, লিভারে, চোখে, চামড়ায় বাস করে ও পশুর হজমকৃত খাবারে ভাগ বসিয়ে পশুর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। অনেক কৃমি পশুর রক্ত চুষে ও আমিষ খেয়ে পশুকে দুর্বল ও স্বাস্থ্যহীন করে ফেলে।

পরজীবী সাধারণত দুই ধরনের-
১. দেহের ভেতরের পরজীবী
২. দেহের বাইরের পরজীবী।

একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের প্রাণিসম্পদ হাসপাতালগুলোতে গত বছর (২০১০) বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গবাদিপশুর (গরু, ছাগল, ভেড়া) মধ্যে ৫১.৩৬ ভাগ কৃমি বা পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত। এর মধ্যে আক্রান্ত গরুর মধ্যে ৬৮.৯২ ভাগ, আক্রান্ত গাভীর মধ্যে ৪৫.১৬ ভাগ, বাছুরের মধ্যে ৫০.০৭ ভাগ, ভেড়ার মধ্যে ৬১.৬৬ ভাগ এবং আক্রান্ত ছাগলের মধ্যে ৩৪.৭৯ ভাগ বিভিন্ন কৃমি বা পরজীবী দ্বারা আক্রান্ত হয়। সুতরাং কৃমি বা পরজীবী আমাদের গবাদিপশু পালনের প্রধান শত্রু। কৃমি বা পরজীবীগুলো হচ্ছে কলিজাকৃমি, পাতাকৃমি, গোলকৃমি, রক্তকৃমি, ফিতাকৃমি, প্রটোজয়া ও বিভিন্ন ধরনের বহিঃপরজীবী উকুন, আঠালী, মাইট ইত্যাদি গবাদিপশুকে আক্রান্ত করে। কৃমির কারণে গাভীর দুগ্ধ উত্পাদন ক্ষমতা কমে যায় অস্বাভাবিকভাবে এবং বাছুরগুলো পেট ফুলে গিয়ে স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়ে। ফলে দুগ্ধ ও মাংস উত্পাদন ক্ষমতা মারাক্তকভাবে ব্যাহত হয়। এর কারণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস গবাদিপশুকে আক্রান্ত করার পরিবেশ তৈরি করে।

গবাদিপশুকে কৃমি বা পরজীবী থেকে মুক্ত রাখার উপায়গুলো হচ্ছে-
১) গবাদিপশুর বাসস্থানের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটি শুষ্ক ও আশপাশের জমি থেকে উঁচু হওয়া প্রয়োজন। সম্ভব হলে নদীনালা, খালবিল, হাওর-বাঁওড় থেকে দূরে করতে হবে।
২) গবাদিপশুর খামারের আশপাশে যেন বৃষ্টির পানি এবং অন্যান্য বর্জ্য জমে না থাকে ।
৩) খামারের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটিতে বালির ভাগ বেশি হওয়া প্রয়োজন যেন বর্ষাকালে খামারের মেঝে কর্দমাক্ত না হয় ।
৪) পশুর মলমূত্র ও আবর্জনা অল্প সময় পরপর পরিষ্কার করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ঘরে মলমূত্র ও আবর্জনা জমা না থাকে।
৫) খামারের অনেক দূরে পশুর মলমূত্র ও আবর্জনা পুঁতে রাখতে হবে।
৬) গবাদিপশুর বাসস্থান প্রতিদিন আদর্শ ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে এবং জীবাণুনাশক মেশানো পানি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
৭) তিন মাস অন্তর গবাদিপশুকে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।

কলিজাকৃমি, পাতাকৃমি, গোলকৃমি, রক্তকৃমি, ফিতাকৃমি দ্বারা আক্রান্ত পশুকে অ্যালবেনডাজল ইউএসপি ৬০০ মি.গ্রা., হেক্সাক্লোরোফেন ইউএসপি ১ গ্রাম, লিভামিসোল হাইড্রোক্লোরাইড বিপি ৬০০ মি.গ্রা. এবং ট্রাইক্লাবেন্ডাজল আইএনএস ৯০০ মি.গ্রা. জাতীয় ওষুধ ভালো কাজ করে। কর্কসিডিয়াতে সালফোনামাইডস, স্ট্রেপটোমাইসিন ও মেট্রোনিডাজল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।ট্রিপানোসোমা ও ব্যাবেসিওসিস তে ব্যাবকপ খাওয়ালে রোগ ভালো হয়। উঁকুন, আঠালী ও মাইটে আক্রান্ত গবাদিপশুর শরীরে আইভারমেকটিন, সেভিন, নেগুভান ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহার করলে ওইসব পরজীবী থেকে গবাদিপশুকে রক্ষা করা যায়।পরিশেষে আমাদের গবাদিপশুকে কৃমি বা পরজীবীমুক্ত রাখতে পারলে আমরা দুগ্ধ ও মাংস উত্পাদনের লক্ষ্যে পৌঁছাব।

আরও পড়ুনঃ গবাদি পশুর খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পদ্ধতি উদ্ভাবন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ১:২১ অপরাহ্ন
বোয়ালখালীতে ৩ গরু চোরকে আটক করেছে পুলিশ
প্রাণিসম্পদ

এলাকাবাসীর সহায়তায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে তিন গরু চোরকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে একটি চোরাই গরু উদ্ধারের পাশাপাশি গরু চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর-খরনদ্বীপ গুচ্ছগ্রামের ফুতামুরা মাজার এলাকা থেকে গরু চুরি করে সিএনজি অটোরিকশায় তোলার সময় চোরাই গরুসহ তাদের আটক করা হয়। আটক তিনজনের মধ্যে একজন বোয়ালখালী ও অপর দুজন পাশের উপজেলা পটিয়ার বাসিন্দা।

আটককৃতরা হলেন, বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদন্ডী গোয়াজ তালুকদার বাড়ির মো. ইউনুছের ছেলে মো. ইলিয়াছ ও পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও গ্রামের বশির আলমের ছেলে রাশেদুল আলম এবং একই উপজেলার ভাটিখাইনের চিত্ত রঞ্জনের ছেলে বাবুল দে।

জানা যায়, উপজেলার শ্রীপুর-খরনদ্বীপ গুচ্ছগ্রামের পাশে অংসাচিং মার্মার খামার থেকে গরু চুরির খবর পেয়ে এলাকাবাসীরা চারদিক থেকে ছুটে আসে।

এসময় ৩ যুবক খামারের অদুরে থাকা একটি সিএনজি অটোরিকশায় চোরাই গরুটি তুলে পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। পরে বোয়ালখালী থানায় খবর দিলে পুলিশের একটি টিম এসে তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছের বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল করিম।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় আটক তিনজন ও অজ্ঞাত আরো ২/৩ জনের নামে থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন গরুর মালিক অংসাচিং মার্মা। সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজুর পর আদালতের মাধ্যমে তিনজনকে কারাগারে পাঠানো হবে জানায় ওসি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ৭:৫২ অপরাহ্ন
ধারের টাকা না পেয়ে ‘গরু নিয়ে গেল’ সুদখোররা
প্রাণিসম্পদ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রাহুথড় গ্রামে সুদের টাকা দিতে না পারায় দেনাদারের গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে যাওয়া অভিযোগ উঠেছে কৃষ্ণ তালুকদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সুদখোরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাহুথড় গ্রামের লিটন বাইন গত চার বছর আগে ক্যাবল ব্যবসার জন্য পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার বরমপাল্টা গ্রামের সমর তালুকদারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা সুদে নেন। কয়েক মাস লাভের টাকা দেওয়ার পর তিনি আর টাকা দিতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার সকালে সমর তালুকদারের প্রতিবেশী কৃষ্ণ তালুকদার ও রাহুথড় গ্রামের ঠাকুর বাইন হঠাৎ করে লিটন বাইনের বাড়িতে গিয়ে তার গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে চলে যায়।

লিটন বাইন অভিযোগ করে বলেন, আমি সাড়ে তিন বছর আগে বরমপাল্টা গ্রামের সমর তালুকদারের কাছ থেকে মাসিক লাভে ৪০ হাজার টাকা সুদে আনি। কয়েক মাস লাভ দেয়ার পর আর্থিক সমস্যার কারণে আসল-লাভ কোনো টাকাই দিতে পারিনি।

বৃস্পতিবার সকালে সমরের প্রতিবেশী কৃষ্ণ তালুকদার ও তার মামা আমার প্রতিবেশী ঠাকুর বাইন আমার গোয়াল থেকে আমার মায়ের পোষা বকনা গাভীটি নিয়ে চলে যায়। এ সময় আমি বাধা দিতে গেলে আমার বাধা উপেক্ষা করে তারা গরু নিয়ে চলে যায়।

তিনি আরো জানান, আমি গরু আনার চেষ্টা করলে তারা আমার ওপর চড়াও হয় এবং আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলে। পরে বিষয়টি আমি উজানি ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি বোস, ইউপি সদস্য খোকন বালাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য লোককে জানাই। তাদের হস্তক্ষেপে ও সামাজিকভাবে সমঝোতার আশ্বাসে গরু ফেরত দিয়ে যায়।

গোয়াল থেকে গরু নিয়ে আসার কথা স্বীকার করে কৃষ্ণ তালুকদার বলেন, গত ৪ বছর আগে আমার প্রতিবেশী সমর তালুকদারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা সুদে নিয়ে লিটন বাইনকে দেই। অনেক দিন হলেও টাকা ফেরত দেয় না। টাকা চাইলে আজকাল করে নানা টালবাহানা করে। বুধবার টাকাটা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়নি।

তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আমি ও আমার মা লিটনদের বাড়িতে টাকার জন্য গেলে আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। পরে আমার মামা ঠাকুর বাইনের সহযোগিতায় লিটনের বাড়ি থেকে গরু ধরে নিয়ে আসি। রাহুথড় বাজারের কাছে পৌঁছলে লিটন আমাদের দু’জনকে মারধর করে ও কাছে থাকা মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে।

এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ৭:৩৭ অপরাহ্ন
কাঁঠালবাগানে অগ্নিকাণ্ডে গরুর খামার দগ্ধ
প্রাণিসম্পদ

রাজধানীর কাঁঠালবাগানে বক্স কালভার্ট রোডে আব্দুল মোনায়েম ডিস্ট্রিক লিমিটেড ভবনের পেছনে টিনশেড বস্তিতে আগুন লেগে একটি গরুর খামার পুড়ে যায়। অবশেষে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের ২০-২৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১০.০৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টার দিকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

গরুর খামারের ক্ষতিগ্রস্ত নারী ফরিদা জানান, তারা বেশ কয়েকজন দুস্থ নারীরা টিনশেড বস্তিতে গরুর খামার গড়ে তুলেছিলেন। খামারের গরুর দুধ রাজধানীর অনেক এলাকা থেকে মানুষ কিনে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় বস্তির ভিতর থেকে তিনি আগুনের ধোঁয়া দেখতে পান। এরপর হুড়োহুড়ি করে গরুগুলো সবাই উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারি পরিচালক বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, ‘ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট পৌঁছানোর আগেই আশেপাশের লোকজন খামার থেকে গরুগুলো নিরাপদে বের করে নিয়ে আসে। এ সময়ের মধ্যে বস্তির গরুর খামারসহ আনুমানিক ৩০ টি টিনশেড ঘর পুড়ে যায়।

তিনি আরো জানান, আগুন লাগা বস্তিটিতে একটি গরুর খামার ছিলো। সেই সেমি পাকা খামারে গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে গরুর খাবার শুকানো হতো এবং সেই খামারের ভিতর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন ছিলো। এই দুটির যেকোন একটি থেকে আগুন লাগতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক সালেহউদ্দিন ঘটনাস্থলে থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করেছেন বলে বজলুর রশিদ জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ৭:০২ অপরাহ্ন
নিরাপদ খাদ্য এবং পুষ্টিতে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা অর্জনে অবদান রাখতে চাই – আলতাপ হোসেন বিশ্বাস
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ বিগত তিন দশকে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতির টেকসই উন্নতি সাধন করেছে। জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও এই সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের তুলনায় অনেক বেশি ছিল । পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের বিশাল অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে । সাম্প্রতিককালে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে দেশের প্রশংসনীয় অগ্রগতির পরিচয় বহন করে । বাংলাদেশের অর্থনীতি বাজারমুখী, এখানে খাদ্য উৎপাদক, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতের উপরে ন্যস্ত । তাই জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের সোনার বাংলাদেশ ।

 

দেশে পোল্ট্রি, মৎস্য ও গবাদি প্রাণির খাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিকারকদের সহায়তাকারী এবং বিদেশী কোম্পানীর এজেন্ট বিটিসি লিঃ (BTC Limited, Feed Ingredients & Additives Division) । বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকটাই আকর্ষণীয়, ভিন্নধর্মী এবং চ্যালেঞ্জিং কার্যক্রম শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি যার মূল কারিগর বিটিসি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস – যিনি  বাফিটার বর্তমানে সদস্য । এছাড়াও তিনি Bangladesh Indenting Agent Association এর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট, Dutch-Bangla Chamber এর প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল, Canada Ges China- Bangla Chamber এর প্রাক্তন বোর্ড মেম্বার,  Lions Club International Gi Regional Chairman (HQ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । তার প্রতিষ্ঠান বিটিসি লিমিটেড ঢাকা চেম্বারের দীর্ঘদিনের সদস্য ।

প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহে ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ নানা  খু্ঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বলেন এগ্রিভিউ২৪.কম এর সহকারী প্রকাশক তাজুল ইসলাম । সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ নিচে তুলে ধরা হলো-

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: পদার্থ বিজ্ঞানে পড়াশোনা করে বিজ্ঞানী না হয়ে কেন ব্যবসায়ী হওয়া ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়ের প্রতি একটা টান ছিল । পড়াশুনা করেছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে, এরপর কমনওয়েলথ এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করি । চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ব্যবসার প্রতি দুর্বলতা কখনো কমে নি । নিজের সুপ্ত বাসনাই আজ আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: বিটিসি লিমিটেড কখন এবং কিভাবে যাত্রা শুরু করে ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: শুরুতে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করি একটি বিট্রিশ ইন্সপেকশন কোম্পানিতে এবং সেখান থেকেই মূলত আন্তর্জাতিক ব্যবসায় জ্ঞান অর্জন করি এবং পরবতীতে ২০০০ সালে নিজের কোম্পানি বিশ্বাস ট্রেড লিংক কর্পোরেশন লিঃ প্রতিষ্ঠা করি । বিটিসি লিমিটেড মূলত বিদেশী কোম্পানির বাংলাদেশ প্রতিনিধি (Supplier’s Agent) হিসেবে কাজ করে । ব্যবসার শুরুতে মালয়েশিয়ান কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে জাহাজে করে পাম ওয়েল বিক্রি শুরু করি। ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে অবদান স্বরূপ বিদেশি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে ডিএপি, টিএসপি, সার জাহাজে করে আমদানিকারকের কাছে বিক্রি করি। ২০০৮-০৯ সালে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অফিস খোলার মাধ্যমে খাদ্যশস্য, ডাল, ছোলা, ইত্যাদি বিক্রি শুরু করি।গত কয়েক বছর বাংলাদেশ বেসরকারি পর্যায়ে আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি শুরু হলে সে ক্ষেত্রেও বিটিসি লিঃ বিদেশী খ্যাতনামা কোম্পানির বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে জাহাজে করে কয়লা বিক্রি শুরু করেছি । সরাসরি প্রাণিসম্পদ সেক্টরের সাথে কাজ করার খুব বেশি দিন হয়নি, তবে অনেক অনেক বছর সফলতার সাথে কাটাতে চাই এই সেক্টরে ।

এগ্রিভিউ২৪.কম: যেহেতু করোনার মাঝে যাত্রা শুরু, তাই এখন পর্যন্ত আপনাদের কার্যক্রম সম্পর্কে যদি বলতেন…

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: বিশ্বব্যাপী করোনা শুরু হলে বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্যও আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা  বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে Feed Ingredients & Additives এর দাম বাড়তে থাকে, তার প্রভাব বাংলাদেশের Feed Industry Sector পড়তে শুরু করে। সরবরাহে সহযোগিতা করার লক্ষে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনা মূলক কমদামে ও ভাল পন্য বাংলাদেশের আমদানীকারদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিটিসি লিঃ ভুট্টা,সয়াবীন সীড, সয়াবিন মেল, গম জাহাজে করে ৫০-৬০,০০০ টন বিদেশী খ্যাতনামা কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে সরবরাহ করতে সক্ষম। তাছাড়া সয়াবিনসীড, রেপসীড, কটন সিডমেল, সাফ্লওয়ার সিডমেল, সরিষার মেল, গমের ভুষি, ডিডিজিএস, সিজিএম, ডিওআরবি, পোল্ট্রি মিল, ফিশ মিল, ফিশ ওয়েল, হুইট ব্রান, এমসিপি, ডিসিপি, লাইমস্টোন, সোডিয়াম বাই কার্বনেট, কোলিন ক্লোরাইড (৬০%), ও সকল এমাইনো এসিড  তুলনামূলক কমদামে সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছি। পণ্য সরবরাহে আমাদের সবসময় উদ্দেশ্য হচ্ছে ”Quality and Commitment First” । সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: বর্তমানে বিটিসি লিঃ এর কয়টি ডিভিশন আছে ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: বর্তমানে আমাদের ৪ টি ডিভিশন আছে – (01) BTC Feed Ingredients & Additives Division, (02) BTC Foodgrain & Oilseeds Division, (03) BTC Fertilizer & Phosphate Division,  এবং (04) BTC Steam Coal & LPG Division । এছাড়াও বিটিসি গ্রুপের রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ব্রান্ড স্যানিটারি ওয়্যার ও লাইটিং এর শো রুম ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: আপনার প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: গত দুই দশকে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর এর মাধ্যমে অনেক মানুষ চরম দারিদ্র্যতা থেকে বের হয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও এ দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এখনো উচ্চমাত্রার অপুষ্টি ও খাদ্য ঝুঁকিতে আছে। ১৬-১৭ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন কাজ । সবাইকে সাথে নিয়ে সামনের দিনগুলিতে নিরাপদ খাদ্য এবং পুষ্টিতে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা অর্জনে অবদান রাখতে চাই  ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: আপনাকে ধন্যবাদ

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ২:১২ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে যা খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান
গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা
আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৮:৫৭ অপরাহ্ন
খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস
কৃষি বিভাগ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনা বিস্ময়কর রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় আমরা ভালো অবস্থায় আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন জাতিকে জাগ্রত করে রাখেন। বাংলাদেশের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এখন বিশ্বের বিস্ময়। তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা লাগা বাংলাদেশ, দুর্নীতিতে তিনবার ধারাবাহিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ নামে বহির্বিশ্বে পরিচিত বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল বিশ্বে পদার্পন করেছে।”

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহম্মেদ মোল্লার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া খুলনা প্রেসক্লাবের বর্তমান ও প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

দেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এসময় মন্ত্রী বলেন, “দেশে আজ অন্নের অভাবে লঙ্গরখানা খুলতে হয় না। কাউকে বস্ত্রের অভাবে থাকতে হয় না। সরকার নয় লক্ষ গৃহহীন কে বাসস্থান দেয়ার পরিকল্পনা করেছে যার মধ্যে ৭০ হাজারকে বাসস্থান দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর আর কোন দেশ গৃহহীনদের জন্য সরকারিভাবে বিনা পয়সায় শতভাগ গৃহ দেয়ার পরিকল্পনা করতে পারেনি। সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার করছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বই প্রদানের পাশাপাশি উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় ১৩০টি দেশে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পৌঁছেনি। অথচ বাংলাদেশের গ্রামেও ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। আমাদের মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে এবং গড় আয়ু বেড়েছে। এভাবে আমাদের দেশটা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধানে উল্লিখিত নাগরিকদের প্রতিটি মৌলিক অধিকার এখন নিশ্চিত হচ্ছে।”

বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রাসঙ্গিকতায় মন্ত্রী এ সময় বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর জেলখানার গেট খুলে দিয়ে প্রায় ৩৭ হাজার যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এদের কারো জেল হয়েছিল, কারো বিচার চলছিল। পরবর্তীতে এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আর এভাবেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এমন নিকৃষ্টতম আইন বাংলাদেশে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান করে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দৃঢ়চেতা মানসিকতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের, জেল হত্যার, যুদ্ধাপরাধীদের, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের বিচারসহ বড় বড় হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন। এমনকি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ড হয়েছে। শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন যিনি দুর্নীতি করবেন তার কোনো দলীয় পরিচয় নেই। দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না।”

দেশকে স্থিতিশীল রাখতে ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা উন্নয়নের কথা বলুন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলুন। স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পর্কে জাতিকে জাগ্রত করে তুলুন। আর যারা যেনোতেনো উপায়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র করে তাদের বিষয়ে মানুষকে সজাগ করে তুলুন। আমাদের মধ্যে কেউ দুর্নীতি করলেও সামনে নিয়ে আসুন।”

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “গণমাধ্যম এখন অনেক সজাগ ও সক্রিয়। যদিও গণমাধ্যমকর্মীদের অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি আছে। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকদের অনেক বেদনার অধ্যায় আছে। তারা সবসময় যেমন জীবনের নিরাপত্তা পান না তেমনি অনেক সময় আর্থিক সুবিধাও পান না। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ভুঁইফোড় সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের বদনামের শিকার হন। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”

এসময় খুলনা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসও দেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ১:৫১ অপরাহ্ন
গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে
পোলট্রি

প্রাণিজ আমিষের বড় একটা অংশ আসে পোল্ট্রি শিল্প থেকে। প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই এ শিল্পের সুদৃঢ় ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। গরমকাল এ পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়ার খামারের ডিম সংখ্যা। সে কারণেই নিচের টিপসসমূহ জেনে নিন-

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাব

ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম অসহ্য লাগে। এতে উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উৎপাদন হ্রাস পায়। ১৫ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এদের উৎপাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পর থেকে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রি তাপমাত্রার পর থেকে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণ কমে যায়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয় এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

 

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধ

খামারের আশেপাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করে গাছপালা রোপণের প্রতি অনুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডে প্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডের ছাদে বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের নিচে চাটাই বা হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়ে কুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটার দ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। শেড থেকে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের বেশি হলে ভালো হয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধ চলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাসমুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাবার ব্যবস্থাপনা

ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮ থেকে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখের গুড়, ভিটামিন-সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop