৮:৪৫ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২১ ৭:০৮ অপরাহ্ন
নিজে আগুনে পুড়েও রক্ষা করতে পারলেন না গোয়ালের গরু!
প্রাণিসম্পদ

মধ্যরাতে গরু পুড়তে দেখে বাঁচাতে কৃষক ঝাঁপ দেন আগুনে। এতে শরীর ঝলসে গেলেও শেষ অবধি রক্ষা হলো না। আগুনে পুড়ে গেলো গরু।গরীব কৃষকের দুই লাখ টাকার হলো ক্ষতি।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে (২৪ ফেব্রুয়ারি) নাটোরের সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের ভাতুরিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাদিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সালামকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সালাম জানান, তিনি বিভিন্ন সমিতি থেকে লোন নিয়ে একটা গরু কিনেছিলেন। তার ভাই মানিকও অপর একটি গরু কিনে লাভের আশায় লালন-পালন করছিলেন। গরু দুটি পাশাপাশি দুই ঘরে রাখা ছিল। মধ্যরাতে হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে তাদের। এসময় তিনি তার গোয়াল ঘরে আগুন দেখতে পান। গরু বাঁচাতে আগুনকে তোয়াক্কা না করে প্রবেশ করেন গরু রাখার ঘরে। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্য ছাড়াও স্থানীয়রা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও গরু দুটো মারা যায়। তারও মুখ-হাত ঝলসে যায়।

এ ঘটনায় দুই লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে দাবি করে সালাম আক্ষেপ করে বলেন, এখন তার স্বপ্নও শেষ, আবার ঋণও টানতে হবে। কীভাবে এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচবেন তা বুঝতে পারছেন না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২১ ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
নাটোরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাঝে ক্রস ব্রীড বকনা গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

সমন্বিত প্রানীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নাটোরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মধ্যে ৫২ জন সুফলভোগীদেরকে উন্নত জাতের ক্রস ব্রীড বকনা গরু ও উপকরন বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে নাটোর সদর উপজেলা প্রানীসম্পদ দফতর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এই গরু এবং উপকরণ বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি।

অপরদিকে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল হতে নাটোর সদর উপজেলা এলাকার বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত দুস্থ্য ও অসুস্থ্য ১৭ জন ব্যাক্তির মাঝে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন তিনি।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি প্রমূখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ৬:২৭ অপরাহ্ন
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাত ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে। এ খাতে কাজের ক্ষেত্র অনেক বেশি সম্প্রসারিত। এর মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ, উদ্যোক্তা তৈরী, বেকারত্ব দূর করা, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল করা এবং মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদার বিশাল যোগান দেওয়া সম্ভব। পাশাপাশি মাংস, ডিমসহ দুধ থেকে উৎপাদিত প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ”

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) আয়োজিত জুনোসিস এবং আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি এসময় বলেন, “একসময় বিদেশ থেকে গবাদিপশু আমদানি না করতে পারলে কোরবানির সময় সংকট সৃষ্টি হতো। বিগত কয়েক বছর আমাদানি ব্যাতিরেকে নিজস্ব উৎপাদনের মাধ্যমে কোরবানির পশুর চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত পশু থেকে যাচ্ছে। প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটা একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এসব কিছুই গবেষণাধর্মী অর্জনের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। বিএলআরআই এর বিজ্ঞানী ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকরা এ সফলতার অংশ। একারণে কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতা থাকতে হবে। নতুন ‍কিছু সৃষ্টির মাধ্যমে কাজকে ব্যাপৃত করতে পারলে, বন্ধ্যাত্ব অবস্থাকে উন্মুক্ত করে দিতে পারলে তা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে পারে।”

ঐকান্তিক ইচ্ছা, নিরলস প্রচেষ্টা, অধ্যাবসায়, গভীর আন্তরিকতা ও সততার সমন্বয় করে নিজেকে নিবিষ্ট রাখতে পারলে গবেষকরা আমাদের অনেক কিছু দিতে পারেন বলেও এসময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এসময় তিনি বলেন, “যাদের অবদানের কারণে এ বাংলাদেশ, তাদের কথা মাথায় রেখে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। সততা ও নীতি-নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। মূল্যবোধের জায়গা ফিরিয়ে আনতে হবে। দুর্নীতি ও অনিয়ম থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে। ক্ষমতার খুব কাছে থেকে নিজেকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখার যে কৃতিত্ব, ক্ষমতা হাতে পেয়ে ক্ষমতা অপব্যাবহারে সে কৃতিত্ব নেই। অর্থ ব্যয় না করে মেধা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাঝেই কৃতিত্ব।”

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য ও আলোচ্য প্রকল্পের কার্যক্রম সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ।

এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানী-গবেষক ও উপকারভোগী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ এবং ইউএসএইড ও এফএও’র প্রতিনিধিগণ কর্মশালায় উপস্থিত থেকে মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বিএলআরআই এর জুনোসিস এবং আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ গবেষণা প্রকল্পের অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হল প্রাণিরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং নিরাপদ প্রাণিজাত খাদ্য তথা দুধ, ডিম এবং মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বায়োসেফটি লেভেল-৩ (বিএসএল-৩) জুনোসিস ও আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগ গবেষণাগার নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে লাগসই ও কার্যকরী প্রযুক্তি এবং অঞ্চলভিত্তিক প্রাণিরোগ নিয়ন্ত্রণ মডেল উদ্ভাবনের মাধ্যমে আর্থিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রধান প্রধান জুনোসিস ও আন্তঃসীমান্তীয় প্রাণিরোগসমূহ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এতে নিরাপদ দুধ, ডিম ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ১২:৪৮ অপরাহ্ন
ভবনে অগ্নিকাণ্ড, ৩০০ কবুতর ও ১৫০ মুরগি পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পাঁচতলা ভবনে আগুন লেগে বিদেশি কবুতরের ফার্মে থাকা ৩০০টি কবুতর ও ১৫০টি মুরগি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। তবে ওই ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংকের শাখা থাকলেও প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো ক্ষতি হয়নি।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কের পাশে মারফত কমপ্লেক্সে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে ভবন মালিক শাহজাহান বলেন, বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মারফত আলী কমপ্লেক্সের ৫তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। হঠাৎ পাঁচতলার ছাদের ওপর আগুন জ্বলতে দেখে লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় সবাই।

পরে ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইলের ফায়ার সার্ভিসের দুটি টিম এসে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণ। তবে, ছাদের ওপরে থাকা বিদেশি কবুতরের ফার্মের ৩০০ কবুতর ও ২০টি বিদেশি পাখি ও ১৫০টি মুরগিসহ প্রায় ৪৭০ প্রাণী পুড়ে ছাই হয়েছে বলে দাবি করেন শাহজাহান।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাখি ও কবুতর দেখভাল করার দায়িত্ব নিয়োজিত আব্দুল হান্নান নামে এক ব্যক্তি। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আনুমানিক ১০ লাখ টাকা ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে, সোনালী ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকের শাখার কোনো ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় একজন আহত আছেন। আহতকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ারসার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট একঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, ভবন মালিকের দাবি করছেন তার ৩০০ কবুতর, ১৫০টি মুরগি ও ২০টির মতো বিদেশি পাখি পুড়ে মারা গেছেন। এ বিষয়গুলো তদন্ত করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
বাছুরের ডায়রিয়া দেখা দিলে খামারির করণীয়
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে এখন শহরেও দেখা মিলে অনেক গরুর খামার। আর গরু পালন করতে গিয়ে খামারিরা নানাবিধ সমস্যায় পড়ছেন। অনেক সময় বাছুরের ডায়রিয়া রোগ দেখা দিয়ে থাকে। আর তখন একজন খামারিকে কি করতে হবে সেটা জানা উচিত।

বাছুরেরডায়রিয়া সমস্যায় খামারিদের করণীয়ঃ

বাছুরের তীব্র ডায়রিয়ার কারণ:
বাছুরকে অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত দুধ খাওয়ানো, অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানো বা খেয়ে ফেলা, খাবারের পাত্র এবং ফিডার নোংরা বা ময়লা হলে, বাছুর কৃমিতে আক্রান্ত হলে, শাল দুধের গুণাগুণ ভাল না হলে, বাছুরের থাকার জায়গাটা নোংরা, স্যাঁতসেঁতে হলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে।

বাছুরের এই তীব্র ডায়রিয়ায় খামারি যা করবে:
ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথে আলাদা করে শুকনা পরিষ্কার জায়গায় রাখতে হবে বাছুরকে।খাবারের পাত্র এবং ফিডার বোতল পরিষ্কার করে খাওয়াতে হবে। বাছুরকে তার বড়ি ওয়েটের ১০% দুধ খাওয়াবেন অর্থাৎ ৪০ কেজি ওজনের বাচ্ছাকে দুধ খাওয়াবেন ৪ লিটার। শালদুধের গুণাগুণ পরিমাপ করে দেখতে হবে। ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথেই স্যালাইন খাওয়াতে হবে দিনে ৩ বার ২৫০ মিলি করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
তেঁতুলিয়ায় অবৈধভাবে আনা ১৫টি ভারতীয় গরু জব্দ
পাঁচমিশালি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার একটি বাড়ি থেকে অবৈধভাবে আনা ১৫টি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে পুলিশ। তবে, গরু পাচারের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ভুতিপুকুর-সিপাইপাড়া এলাকা থেকে গরুগুলো জব্দ করা হয়।

তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সায়েম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা ১৫টি গরু উপজেলার ভুতিপুকুর-সিপাইপাড়া এলাকায় একটি বাড়িতে রাখা হয়েছে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে একজন অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫টি গরু জব্দ করে।

ওসি আবু সায়েম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই গরুগুলো রেখে পাচারকারীরা পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তিনি আরো জানান, মামলা হলে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গরুগুলোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গরু পাচারের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১২ পূর্বাহ্ন
মানিকগঞ্জে গাজর চাষে বাম্পার ফলন
এগ্রিবিজনেস

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় গাজর চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন মানিকগঞ্জের গাজর চাষিরা। এছাড়া বাজারে পাচ্ছেন গাজরের ভালো দাম।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারের মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ করেছেন চাষিরা। মাটি ও জলবায়ু গাজর চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন ভালো পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

উপজেলার কৃষি অফিসার টিপু সুলতান বলেন, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকরা গাজর চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

কৃষক আবুল কালাম বলেন, একই জমিতে অন্য সবজির জায়গায় গাজর চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া গাজর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবারও ফলন ভালো হওয়ায় পাশাপাশি দামও ভালো পেয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
মাছের উৎপাদন বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘ফিশটেক ল্যাবরেটরি’
এগ্রিবিজনেস

মাছ চাষিদের জন্য সুখবর। এবার মাছ ও চিংড়ির রোগ রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চাষিদের পরামর্শ সেবা দেয়া ও গবেষণার জন্য চালু হয়েছে অ্যাকোয়াটেক অ্যানিমেল হেলথ ল্যাবরেটরি। যার নাম দেয়া হয়েছে ফিশটেক ল্যাবরেটরি। নতুন এ গবেষণাগারটি মৎস্য খাতের সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় এ ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের যৌথ অংশীদারিত্বের এই গবেষণাগারে অর্থায়ন করছে মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড বলে জানা যায়।

জানা যায়, এর মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ির রোগ নির্ণয়, সংশ্লিষ্ট খামারের মাটি-পানি পরীক্ষা, পুকুরের সঠিক সমস্যা নির্ণয়সহ নির্দিষ্ট খরচে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন মাছ চাষিরা।

ওয়ার্ল্ড ফিস জানায়, ২০১৭-১৮ সালে খুলনা জেলায় মাছ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার ২৭৪ টন। মাছ ও চিংড়ির বিভিন্ন রোগের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিনদিন মাছ বিশেষ করে চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে দেশের রফতানি আয় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১০ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে বেড়েছে ছাগল কমেছে গরু
এগ্রিবিজনেস

মৌলভীবাজারে গরুর সংখ্যা না বাড়লেও বেড়েছে ছাগল ভেড়া ও মুরগির সংখ্যা। কর্মকর্তাদের মতে, গরুর কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, মৌলভীবাজারে ২০১৯ সালে মোট গরু ছিল পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৫টি, ছাগল ছিল এক লাখ ৮১ হাজার ৭৬০, ভেড়ার সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৮৯৬ ও ২৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৩টি মুরগি ছিল।

গত বছরের তথ্য মতে গরুর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ২৩৮টি, ছাগল দুই লাখ ১৫ হাজার ২৩৩টি, ভেড়া ছিল ২১ হাজার ৭২৮টি এবং মুরগির সংখ্যা ছিল ৩৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭টি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, করোনা মহামারির কারণে পশু পালনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আগের তুলনায় গরু, ছাগল, মুরগি পালন বেড়েছে। গরু কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরব বাজারের ছাগল বিক্রেতা সাজ্জাদ মিয়া জানান, গত বছরের চেয়ে সরবরাহ বাড়ায় আনুপাতিক হারে ছাগলের দাম আগের তুলনায় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ক্যালেন্ডুলা ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন অর্থহীন
এগ্রিবিজনেস

এমনিতেই দেখতে খুবই অসাধরণ লাগে ক্যালেন্ডুলা ফুলকে। তারউপর শীত আসলে এই ফুল যেন সাজে আর অসাধারণ ভঙ্গিমায়। বলা চলে এই ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন একেবারেই অর্থহীন। এই ফুলের বিস্তার এখন রাজধানী ছাড়িয়ে মফস্বলে গিয়েও তার সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। এই ফুলের রয়েছে বহু জান। অনেকে এগুলোকে ভুল করে জার্বেরা বা জিনিয়াও ভেবে থাকেন।

মূলত এরা দক্ষিণ ইউরোপের প্রজাতি। গাছ ঝোপাল, ৩০ থেকে ৬০ সে.মি. পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতা লম্বা, খসখসে, রোমশ এবং কিছুটা আঠালো। বৃন্তের ওপর প্রায় ১০ সে.মি. চওড়া বড়সড় ফুলগুলো চ্যাপ্টা ধরনের, থাকে জোড়ায় জোড়ায়। রং গাঢ় কমলা, ক্যানারি-হলুদ, ঘন হলুদ এবং কমলা লাল।

জোড়া ফুলের পরিচিত জাতগুলো হলো- বল, ক্যাম্পফায়ার, গোল্ডপিঙ্ক গ্রান্ডিফ্লোরা, প্যাসিফিক বিউটি, পার্সিমোন বিউটি, অরেঞ্জ কিং, অরেঞ্জ সান, রেডিও, হলুদ কলোসাল ইত্যাদি। নোভা জাতের ফুলগুলো জার্বেরার মতো একক, রং কমলা, কেন্দ্রের দিকটা গাঢ় একরকম চকলেট বর্ণের হয়ে থাকে।

নতুন জাতের ভোলানেকস ক্রেস্টেড মিক্স ফুলগুলো ভারি সুন্দর। একসারি করে পাপড়ি, কেন্দ্রস্থল সরু সরু নলের ঝুঁটির মতো বা ভাঁজ করা। ক্যালেন্ডুলা (Calandula officinalis) ব্যবহূত হয় ভূমিশয্যায় এবং কলম করার কাজে। টবেও চাষযোগ্য।

ভালো ফলনের জন্য সূর্যের আলো এবং সেচ দুটোই দরকার। বীজ বপনের সময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস। আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে ফুল ফোটে। তবে পাহাড়ি ও বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে সময়ের কিছুটা তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। আমাদের বাগানগুলোতে চারার মাধ্যমেই চাষ। পাতার রস কৃমি দমনে কাজে লাগে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop