৬:০১ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ বিনোদন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, নাগরিক ঢাকার সভাপতি এম নাঈম হোসেন, বেসরকারি টেলিভিশন এটিএন বাংলার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তাশিক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক দুলাল খান।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, “যে জাতির নিজস্ব সংস্কৃতি থাকে না, কৃষ্টি থাকে না, যে জাতি ইতিহাস, ঐতিহ্য ধারণ করে না সে জাতি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়। এ জন্য আমাদের বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখতে হবে। বাঙালির অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রয়েছে। যদিও তথাকথিত আকাশ সংস্কৃতি আমাদের অনেক জায়গা বিপন্ন করে দিচ্ছে। সে জায়গা আমাদের শিল্পীদের অভিনয়, গানসহ অন্যান্য নৈপুণ্য দিয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণীজনদের সম্মানিত করা, সমৃদ্ধ করা আমাদের দায়িত্ব”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “যিনি বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে আকৃষ্ট থাকেন না তার স্বকীয়তা বিপন্ন হয়। বাংলাদেশি নাটক-চলচ্চিত্র অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে। তবে একথাও সত্য হঠাৎ করে ব্যবসায়ের নামে, দ্রুততার সাথে জনপ্রিয়তার নামে কিছু অনাকাঙ্খিত শিষ্টাচারবর্জিত সৃষ্টিও দেখা যায়। যদিও এগুলোর আয়ুস্কাল স্বল্পসময়ের। বাঙালিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশেষ করে হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বাংলাদেশ টিকিয়ে রাখতে গেলে সংস্কৃতি বিকাশের, সংস্কৃতির বিপ্লবের কোন বিকল্প নেই। যখনই সংস্কৃতি মুখ থুবড়ে পড়ে তখনই উগ্রতা, জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই দৃশ্যমান শক্তি প্রয়োগ না করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে হবে”।

“প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রসহ সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছেন। যতদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন শেখ হাসিনা দেশে প্রধানমন্ত্রী থাকবেন, ততদিন সংস্কৃতি চর্চার জন্য রাষ্ট্রের সকল পৃষ্ঠপোষকতা থাকবে”-যোগ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও কাহিনীকার ছটকু আহমেদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদকে। এছাড়া সংগীতে অনন্য অবদানের জন্য সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২২ ১২:১৫ অপরাহ্ন
রাজবাড়ীতে ৫৫ কেজি ওজনের বাছুরের জন্ম
প্রাণিসম্পদ

রাজবাড়ী সদর উপজেলায় জন্ম নিয়েছে ৫৫ কেজি ওজনের একটি ষাঁড় বাছুর। গাভী থেকে এত বড় বাছুর জন্ম নেয়ার ঘটনায় আলোড়ন ছড়িয়েছে জেলা জুড়ে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের আহলাদিপুর গ্রামে একটি খামারে হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গাভী জন্ম দেয় বাছুরটির।

বাছুরটিকে দেখতে ভিড় করছেন জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানুষেরা। বাছুরটিকে জন্ম দিতে সহায়তা করেছে খামারের ১৫ জন শ্রমিক। জন্মের পর সুস্থ রয়েছে বাছুর ও তার মা। বাছুরটি প্রতিদিন ৮-১০ লিটার দুধ পান করছে।

খামারের শ্রমিকরা জানায়, আমাদের খামারে কয়েকশ’ গাভী রয়েছে। এর মধ্যে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গাভী বিশাল আকারের এই বাছুরের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ৭টার দিকে গাভী চিৎকার শুরু করে। তখন আমারা বুঝতে পারি যে বাছুরের জন্ম হবে। আমরা খামারে থাকা ১৫ জনের বেশি শ্রমিক প্রায় আধাঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বাছুরের জন্ম দেই। সুন্দর এই ষাঁড় বাছুরটিকে পেয়ে আমারা অনেক আনন্দিত।

এলাকাবাসী বলছেন, গাভী থেকে এত বড় বাছুর জন্ম নেয়ার ঘটনা বিরল। বাছুরটি দেখলে মনে হয় তার বয়স সাত থেকে আট মাস।

এটি একটি বড় সাফল্য জানিয়েছে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. খায়ের উদ্দীন আহমেদ বলেন, গত ৯ মাস আগে কৃত্রিম উপায়ে খামারের একটি হোলস্টাইন প্রিজিয়ান গাভীকে প্রজনন করা হয়। সেই গাভী এই বিশাল আকারের বাছুরের জন্ম দিয়েছে। বাছুরটি সাধারণ বাছুরের তুলনায় অনেক বেশি বড় হয়েছে। আসলে হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড় বৃহৎ আকৃতির হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ১:৫০ অপরাহ্ন
পশুখাদ্যে ভেজাল রোধে ডিসিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

পশুখাদ্যে ভেজাল রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, জেলা প্রশাসকদের আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর সংস্থা সমূহে তদারকির সহযোগিতার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রান্তিক সীমা থেকে শুরু করে ক্যাপিটাল পর্যন্ত মাছ-মাংস, দুধ-ডিম উৎপাদন, বিপণন প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যতো কার্যক্রম আছে সেই কার্যক্রমে তাদের দেখভাল ও তদারকি করার অনুরোধ করেছি। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প যাতে যথাযথ বাস্তবায়ন হয়, কোনো প্রকল্পের অর্থ অপব্যবহার না হয় সে জন্য তাদের অনুরোধ করেছি।

এছাড়া পশুখাদ্যে ভেজাল যাতে কেউ দিতে না পারে, মৎস্য উৎপাদন ও পরিবহনের ক্ষেত্রে সরকারের যেসব পরিকল্পনা আছে সেগুলো বাস্তবায়নে প্রশাসন যাতে সহায়তা করে সে বিষয়ে ডিসিদের নজর রাখতে বলেছেন তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে মাছ-মাংস ও দুধ-ডিম উৎপাদনে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এই ধারাবাহিকতা যাতে অব্যাহত রাখা যায় সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনকে সব প্রকার সহযোগিতার জন্য আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছি। আজ বাংলাদেশ বিশ্বে মিঠাপানির মাছে তৃতীয় স্থানে, ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বের বিস্ময় সৃষ্টি করে সর্বোচ্চ উৎপাদনে। যেসব মাছগুলো হারিয়ে গিয়েছিলে আমরা কৃত্রিম প্রজননের প্রক্রিয়ার মধ্য থেকে সেই মাছগুলোকে ফিরিয়ে এনেছি। এই বিস্ময়কর সাফল্যের জায়গাটা যাতে আমরা ধরে রাখতে পারি সেক্ষেত্রে প্রশাসন যাতে সহায়তা করে সে বিষয়গুলো আমরা তাদের দৃষ্টিতে এনেছি।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের কিছু প্রস্তাব ছিলো। কোনো কোনো এলাকায় আধুনিক শুটকি পল্লী করা যায় কি না সে প্রস্তাব ছিলো। আমরা বলেছি অবশ্যই করা যাবে। এছাড়া তারা যেটা এক্সপেক্ট করেছে তার অধিকাংশগুলো আমাদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে যেটা আইনে নয়, একটা প্রস্তাব ছিলো সব নৌযানকে লাইসেন্স দেওয়া যায় কি না। এখন সব নৌযান বলতে কিন্তু ছোট ছোট নৌযান আছে, তাদের লাইসেন্স দেওয়ার বিধান নাই। আমাদের মৎস্য আইন রয়েছে, সমুদ্র আইন রয়েছে। আইনের বাইরে গিয়ে আমরা কিছু করবো না। তবে আইনে না থাকলেও নীতিগতভাবে, প্রশাসনিকভাবে যেসব বিষয়গুলো প্রয়োজনীয় সে বিষয়গুলো তারা যাতে গ্রহণ করতে পারেন সে বিষয়ে আরা মতামত দিয়েছি।

এক প্রশ্নের জবাবে শ ম রেজাউল করিম বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় যেসব জেলেরা অসুবিধায় পড়তে পারে তাদের জন্য ভিজিএফের ব্যবস্থা করা হয়েছে, টাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অতীতে গতানুগতিক অবস্থা ছিলো। আমি মন্ত্রণালয়ে আসার পর সব কার্ড আপডেট করেছি, এখন থেকে ২০ বছর আগে যিনি মৎস্যজীবী ছিলেন তার মধ্যে অনেকে গার্মেন্টসের মালিক হয়ে গেছে। আবার অনেক অসহায় মৎস্যজীবীর নামটাই তালিকাভুক্ত হয়নি। কন্টিনিউয়াস একটা প্রসেস করেছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৯, ২০২২ ২:০০ অপরাহ্ন
কবুতর পালন করে যুবকের ভাগ্য বদল
প্রাণিসম্পদ

কবুতর পালন করে ভাগ্য ফিরেছে বাগেরহাটের যাত্রাপুরের যুবক আইয়ুব আলীর। দেশী-বিদেশি এক হাজার কবুতর নিয়ে গড়ে তোলা তার খামার থেকে বছরে আয় হয় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। কবুতর পালনে তার এই সাফল্য দেখে এখন আগ্রহী হচ্ছেন আরও অনেকে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে প্রাণীসম্পদ বিভাগ। 

বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মশিদপুর গ্রামের যুবক আইয়ুব আলী শেখ। ১৫ বছর আগে মাসে ১৩ হাজার টাকার চাকরী ছেড়ে দুই জোড়া বিদেশি কবুতর দিয়ে শুরু করেন কবুতর পালন। কিছুদিন যেতেই সাফল্যের দেখা পান। বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করেন কবুতর।

এখন তার খামারে ৮শ’ বিদেশী কবুতরের পাশাপাশি ২শ’ দেশী জাতের কবুতর রয়েছে। বিদেশী জাতের এক জোড়া কবুতরের ছানা ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। আইয়ুব আলী জানান, বছর শেষে সব খরচ খরচ বাদ দিয়ে তার ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা লাভ থাকে।

আইয়ুব আলীর এমন সাফল্য দেখে স্থানীয় অনেকেই এখন কবুতর পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।

কবুতর পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগীতার কথা জানালেন জেলা প্রাণী বাগেরহাট সম্পদ কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান।

কবুতরের খামার করে অনেক লাভ হতে পারে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৯, ২০২২ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
আইন অঙ্গনে পেশাগত মূল্যবোধ যেন নষ্ট না হয়ে যায়- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

আইন অঙ্গনে পেশাগত মূল্যবোধ যেন নষ্ট না হয়ে যায়, সে বিষয়ে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
‌‌
মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী পরিমল চন্দ্র গুহ-এর প্রয়াণে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ এ শোকসভা আয়োজন করে।

বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি বিভাস চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে শোকসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, “পরিমল চন্দ্র গুহ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মানসিকতার একজন মানুষ। আদর্শিক প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। তার মানসিকতার জায়গা ছিল প্রশস্ত। তিনি মুক্তিযুদ্ধ, ছাত্র রাজনীতি, মূলধারার রাজনীতি ও পেশাগত রাজনীতি করেছেন। সেখানে তার নৈতিক স্খলন যেমন ছিল না, মূল্যবোধের জায়গা থেকেও তিনি কখনো আপস করেননি। পরিমল চন্দ্র গুহের মৃত্যুতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির পক্ষে, শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পক্ষে ব্যাপক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “আইন অঙ্গনের শূন্যতা পূরণে পরিমল চন্দ্র গুহদের মতো জীবনচরিত্র সামনে নিয়ে আসা দরকার। তাদের মতো চরিত্ররা আমাদের সামনে প্রতীক হয়ে থাকবেন, চলার পথের পাথেয় হয়ে থাকবেন”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৮, ২০২২ ১:১৪ অপরাহ্ন
সীতাকুণ্ডে “আধুনিক পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ” প্রকল্পের আওতায় খামারি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

“আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ” প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস উৎপাদনে দেশব্যাপী খামারীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস হলরুমে সুফলভোগী খামারিদের অংশগ্রহনে ৩ দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ এই খামারী প্রশিক্ষণে খামারিদের আধুনিক বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কম খরচে গরু হৃষ্টপুষ্টকরনের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন, গবাদিপশুর বাসস্থান, পালন ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করেন। সুফলভোগী ২৫ জন খামারীর অংশগ্রহণে দারুণ এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয় যা থেকে খামারীগণ অনেক কিছু শিখতে পেরেছে।

 

 

 

 

 

 

 

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী এক খামারি জানান, “আগে অন্যের দেখাদেখি গরু পালন করতাম, আধুনিক পদ্ধতিতে কিভাবে লালন পালন করতে হয় তা জানতাম না, ফলে অনেক সমস্যায় পড়তাম । বর্তমানে আমরা আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের নির্দেশনায় গরু পালন করতে গিয়ে খুব কম খরচে ও সঠিক পরিচর্যায় গরু মোটাতাজা করতে সক্ষম হচ্ছি, এই প্রকল্প আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিচ্ছে।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৮, ২০২২ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
পোল্ট্রি শিল্পের অংশিজনদের সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারণ সভা বিএলআরআইতে অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

দেশের পোল্ট্রি শিল্পের স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দের অংশগ্রহণে বিএলআরআইতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গত রবিবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর নিজস্ব প্রশাসনিক ভবনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় “স্থানীয় স্ট্রেইন হতে প্রাণিসম্পদের রোগ/বালাই এর টিকাবীজ উদ্ভাবনকল্পে বিএলআরআই ও অংশিজনদের সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারণ”

করা হয়।

সকাল ১০ টায় ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে সভাটি শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই’র বোর্ড অফ ম্যানেজমেন্ট এর  সদস্য বেগম ইয়াসমিন রহমান, মসিউর রহমান, সভাপতি, বিপিআইসিসি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্যারাগন গ্রুপ;  আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আফতাব বহুমুখী ফার্মস লি., ড. এফ এইচ আনসারি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, এসিআই এগ্রিবিজনেস সহ এ শিল্পের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

সভায় স্থানীয় স্ট্রেইন হতে প্রাণিসম্পদের রোগ/বালাই এর টিকাবীজ উদ্ভাবন বিষয়ে আলোচনা হয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণসহ অনতিবিলম্বে একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের এরূপ সম্মিলিত উদ্যোগ এ শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সভার বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৪, ২০২২ ১২:৫০ অপরাহ্ন
মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে গরু চুরির হিড়িক
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে গরু চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিন গরু চুরি কিংবা চুরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত চোরদের ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা ছাড়া এলাকাবাসী ও পুলিশ কোনো গরুচোরকে ধরতে পারেনি।

রায়পুর ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা জিন্নাত আলী খান জানান, গত এক সপ্তাহে তার নিজের দুটি এবং তার চাচা আবু বক্করের একটিসহ মোট তিনটি গরু চুরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়ণপুর ও শ্রীরামপুর গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশী।

গ্রামের বাসিন্দা কলেজ শিক্ষার্থী আজম খান বলেন, গত প্রায় তিন মাসের মধ্যে ওই দুটি গ্রাম থেকে মো. হাসমত মোল্লা ও মো. নিয়ামতের ৫টি করে ১০টি সহ অন্তত ১২ জন গৃহস্থের ২৮টি গরুর চুরি হয়েছে। চুরি হওয়ার গরুর বেশির ভাগই গাভী। এ চুরির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

জানা গেছে, গরু চুরির ভয়ে ওই গ্রামের লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষত মধুখালী-গোপালদী আঞ্চলিক সড়ক পথে ট্রাক নিয়ে এসে গরুগুলি চুরি করে পালিয়ে যায় চোরের দল। গত বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মধুখালী-গোপালদী আঞ্চলিক সড়ক পথে লক্ষ্মীনারায়ণপুর চৌরাস্তা এলাকায় একটি ট্রাক যেতে দেখে এলাকাবাসী ধাওয়া দেয়। পরে ট্রাকের চালকসহ লোকজন ট্রাকটির ইঞ্জিন চালু রাখা অবস্থায় পালিয়ে যায়।

পরে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে ট্রাকটি মধুখালী থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আরও জানা যায়, প্রায়শই গরু চুরি হলেও হয়রানির শঙ্কায় অনেকে থানায় মামলা করেনি। তবে চোর চক্রকে ধরা না গেলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের অন্ত থাকবে না। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মধুখালীতে সাম্প্রতিক বেশ কিছু গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, চোর ধরতে পুলিশি টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ চুরির ঘটনায় ইতোমধ্যে থানায় দুটি মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভোরে চোরদের ব্যবহৃত ট্রাকটি আটক করায় এখন ট্রাকের মালিকসহ চোরচক্রকে ধরা সহজ হবে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৩, ২০২২ ৫:০০ অপরাহ্ন
প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন এবং খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদক :চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী ৫০ জন সুফলভোগী খামারী প্রশিক্ষণ শনিবার সমাপ্ত হয়েছে।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে আনোয়ারা উপজেলার মহিষ খামারীগণ মহিষের শ্রেণিবিভাগ, বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্যব্যাবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, প্রজনন ব্যাবস্থাপনা, জীব নিরাপত্তা ব্যাবস্থা এবং লাভজনক পদ্ধতিতে মহিষ খামার লালন পালন সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

উক্ত প্রশিক্ষণের  মাধ্যমে খামারীরা নিজ হাতে ঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ, ইউরিয়া ও চিটাগুড় দ্বারা খড় প্রক্রিয়াজাতকরণ ( ইউএমএস), সুষম দানাদার খাদ্য মিশ্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে শিখতে পেরেছেন।

কর্মশালার ৩য় দিনে মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব, ড. মোছাঃ পারভীন মোস্তারী, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বিএলআরআই; ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিষ খামারীরা অর্জিত জ্ঞান বাস্তবায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যাবস্থাপনা প্রয়োগের মাধ্যমে টেকসই মহিষ খামার গড়ে তোলার মতামত ব্যাক্ত করেন।

কর্মশালা শেষে খামারিরা মহিষের কৃমিনাশক, গুরুত্বপূর্ণ রোগের ভ্যাক্সিন এবং উন্নত জাতের বীজ সরবরাহের জন্য সরকারের নিকট আহব্বান জানান।

প্রশিক্ষণের কোর্স – কো অডিনেটর এর দায়িত্বে ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১২, ২০২২ ৩:২৩ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা জনবান্ধব সরকারপ্রধান- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনবান্ধব সরকারপ্রধান। তিনি এমন সরকারপ্রধান যিনি কাউকে পেছনে ফেলে রাখেন না। তিনি দুস্থ-অসহায় মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সকল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অবিরাম পরিশ্রম করে চলেছেন। প্রতিবন্ধী, স্বামী পরিত্যাক্তা, দুস্থ, বিধবা, অসহায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যার মমত্বের সহযোগিতা পৌঁছাচ্ছে না। সর্বত্র সকলকে নিয়ে তিনি সামনে এগোতে চান”।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) পিরোজপুর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ক্যান্সার, কিডনী, লিভারসিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় ৪৩ জন দরিদ্র রোগীকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. হাসনাত ইউসুফ জাকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার  খায়রুল হাসান, পিরোজপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক ইকবাল কবির ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ চণ্ডীচরণ পাল। এছাড়া পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী, পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান ফুলু, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান খান শামীম, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য রাষ্ট্র নৈতিক দায়িত্বের জায়গা থেকে সকল চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তিনি বিপন্ন, অসহায়, দুস্থ, অনাথসহ সকল শ্রেণির মানুষের অধিকার নিশ্চিত করছেন। আমরা এমন একজন জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি যিনি দুঃখী মানুষের কষ্ট বোঝেন। অনুন্নত এলাকার বেদনা তাকে আকৃষ্ট করে। তিনি এমন ব্যতিক্রমধর্মী রাষ্ট্রনায়ক”।

জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্য আর্থিক অনুদানের বরাদ্দ বাড়ানোসহ পিরোজপুরের সব খাতের পরিসর বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছেন বলে এসময় জানান মন্ত্রী। একসময় উন্নয়নবঞ্চিত পিরোজপুর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো উন্নয়নের সমতার জায়গায় চলে আসবে বলেও এসময় আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরে মন্ত্রী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সার্কিট হাউসে প্রাঙ্গণে শীতার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। পরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্তৃক বাস্তবায়িত পিরোজপুর খেয়াঘাট-হুলারহাট সড়কের ধূপপাশায় ও রানীপুরে ২টি কালভার্ট উদ্বোধন করেন তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop