২:১৬ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ১৮, ২০২২ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
পোল্ট্রি শিল্পের অংশিজনদের সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারণ সভা বিএলআরআইতে অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

দেশের পোল্ট্রি শিল্পের স্বনামধন্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দের অংশগ্রহণে বিএলআরআইতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গত রবিবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর নিজস্ব প্রশাসনিক ভবনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় “স্থানীয় স্ট্রেইন হতে প্রাণিসম্পদের রোগ/বালাই এর টিকাবীজ উদ্ভাবনকল্পে বিএলআরআই ও অংশিজনদের সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারণ”

করা হয়।

সকাল ১০ টায় ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে সভাটি শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই’র বোর্ড অফ ম্যানেজমেন্ট এর  সদস্য বেগম ইয়াসমিন রহমান, মসিউর রহমান, সভাপতি, বিপিআইসিসি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্যারাগন গ্রুপ;  আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আফতাব বহুমুখী ফার্মস লি., ড. এফ এইচ আনসারি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, এসিআই এগ্রিবিজনেস সহ এ শিল্পের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

সভায় স্থানীয় স্ট্রেইন হতে প্রাণিসম্পদের রোগ/বালাই এর টিকাবীজ উদ্ভাবন বিষয়ে আলোচনা হয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণসহ অনতিবিলম্বে একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের এরূপ সম্মিলিত উদ্যোগ এ শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সভার বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৪, ২০২২ ১২:৫০ অপরাহ্ন
মধুখালীর রায়পুর ইউনিয়নে গরু চুরির হিড়িক
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে গরু চুরির ঘটনা বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিন গরু চুরি কিংবা চুরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত চোরদের ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা ছাড়া এলাকাবাসী ও পুলিশ কোনো গরুচোরকে ধরতে পারেনি।

রায়পুর ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা জিন্নাত আলী খান জানান, গত এক সপ্তাহে তার নিজের দুটি এবং তার চাচা আবু বক্করের একটিসহ মোট তিনটি গরু চুরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ইউনিয়নের লক্ষ্মী নারায়ণপুর ও শ্রীরামপুর গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশী।

গ্রামের বাসিন্দা কলেজ শিক্ষার্থী আজম খান বলেন, গত প্রায় তিন মাসের মধ্যে ওই দুটি গ্রাম থেকে মো. হাসমত মোল্লা ও মো. নিয়ামতের ৫টি করে ১০টি সহ অন্তত ১২ জন গৃহস্থের ২৮টি গরুর চুরি হয়েছে। চুরি হওয়ার গরুর বেশির ভাগই গাভী। এ চুরির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

জানা গেছে, গরু চুরির ভয়ে ওই গ্রামের লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। বিশেষত মধুখালী-গোপালদী আঞ্চলিক সড়ক পথে ট্রাক নিয়ে এসে গরুগুলি চুরি করে পালিয়ে যায় চোরের দল। গত বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে মধুখালী-গোপালদী আঞ্চলিক সড়ক পথে লক্ষ্মীনারায়ণপুর চৌরাস্তা এলাকায় একটি ট্রাক যেতে দেখে এলাকাবাসী ধাওয়া দেয়। পরে ট্রাকের চালকসহ লোকজন ট্রাকটির ইঞ্জিন চালু রাখা অবস্থায় পালিয়ে যায়।

পরে বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে ট্রাকটি মধুখালী থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আরও জানা যায়, প্রায়শই গরু চুরি হলেও হয়রানির শঙ্কায় অনেকে থানায় মামলা করেনি। তবে চোর চক্রকে ধরা না গেলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের অন্ত থাকবে না। মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মধুখালীতে সাম্প্রতিক বেশ কিছু গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, চোর ধরতে পুলিশি টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ চুরির ঘটনায় ইতোমধ্যে থানায় দুটি মামলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভোরে চোরদের ব্যবহৃত ট্রাকটি আটক করায় এখন ট্রাকের মালিকসহ চোরচক্রকে ধরা সহজ হবে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৩, ২০২২ ৫:০০ অপরাহ্ন
প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন এবং খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদক :চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী ৫০ জন সুফলভোগী খামারী প্রশিক্ষণ শনিবার সমাপ্ত হয়েছে।

উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে আনোয়ারা উপজেলার মহিষ খামারীগণ মহিষের শ্রেণিবিভাগ, বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্যব্যাবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, প্রজনন ব্যাবস্থাপনা, জীব নিরাপত্তা ব্যাবস্থা এবং লাভজনক পদ্ধতিতে মহিষ খামার লালন পালন সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

উক্ত প্রশিক্ষণের  মাধ্যমে খামারীরা নিজ হাতে ঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ, ইউরিয়া ও চিটাগুড় দ্বারা খড় প্রক্রিয়াজাতকরণ ( ইউএমএস), সুষম দানাদার খাদ্য মিশ্রণ পদ্ধতি সম্পর্কে শিখতে পেরেছেন।

কর্মশালার ৩য় দিনে মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব, ড. মোছাঃ পারভীন মোস্তারী, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বিএলআরআই; ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এই কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিষ খামারীরা অর্জিত জ্ঞান বাস্তবায়ন এবং বিজ্ঞানভিত্তিক খামার ব্যাবস্থাপনা প্রয়োগের মাধ্যমে টেকসই মহিষ খামার গড়ে তোলার মতামত ব্যাক্ত করেন।

কর্মশালা শেষে খামারিরা মহিষের কৃমিনাশক, গুরুত্বপূর্ণ রোগের ভ্যাক্সিন এবং উন্নত জাতের বীজ সরবরাহের জন্য সরকারের নিকট আহব্বান জানান।

প্রশিক্ষণের কোর্স – কো অডিনেটর এর দায়িত্বে ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১২, ২০২২ ৩:২৩ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা জনবান্ধব সরকারপ্রধান- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনবান্ধব সরকারপ্রধান। তিনি এমন সরকারপ্রধান যিনি কাউকে পেছনে ফেলে রাখেন না। তিনি দুস্থ-অসহায় মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। সকল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অবিরাম পরিশ্রম করে চলেছেন। প্রতিবন্ধী, স্বামী পরিত্যাক্তা, দুস্থ, বিধবা, অসহায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে এমন কোন জায়গা নেই যেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যার মমত্বের সহযোগিতা পৌঁছাচ্ছে না। সর্বত্র সকলকে নিয়ে তিনি সামনে এগোতে চান”।

বুধবার (১২ জানুয়ারি) পিরোজপুর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে ক্যান্সার, কিডনী, লিভারসিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীর জন্য আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় ৪৩ জন দরিদ্র রোগীকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন মন্ত্রী।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. হাসনাত ইউসুফ জাকী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার  খায়রুল হাসান, পিরোজপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক ইকবাল কবির ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ চণ্ডীচরণ পাল। এছাড়া পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল বারী, পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান ফুলু, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান খান শামীম, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য রাষ্ট্র নৈতিক দায়িত্বের জায়গা থেকে সকল চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তিনি বিপন্ন, অসহায়, দুস্থ, অনাথসহ সকল শ্রেণির মানুষের অধিকার নিশ্চিত করছেন। আমরা এমন একজন জনবান্ধব প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি যিনি দুঃখী মানুষের কষ্ট বোঝেন। অনুন্নত এলাকার বেদনা তাকে আকৃষ্ট করে। তিনি এমন ব্যতিক্রমধর্মী রাষ্ট্রনায়ক”।

জটিল রোগে আক্রান্তদের জন্য আর্থিক অনুদানের বরাদ্দ বাড়ানোসহ পিরোজপুরের সব খাতের পরিসর বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছেন বলে এসময় জানান মন্ত্রী। একসময় উন্নয়নবঞ্চিত পিরোজপুর দেশের অন্যান্য স্থানের মতো উন্নয়নের সমতার জায়গায় চলে আসবে বলেও এসময় আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরে মন্ত্রী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন হতে অস্বচ্ছল ক্রীড়াবিদদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন। এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সার্কিট হাউসে প্রাঙ্গণে শীতার্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। পরে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্তৃক বাস্তবায়িত পিরোজপুর খেয়াঘাট-হুলারহাট সড়কের ধূপপাশায় ও রানীপুরে ২টি কালভার্ট উদ্বোধন করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১১, ২০২২ ৮:৫৮ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা মানেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “শেখ হাসিনা মানেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এই সময়ের বাংলাদেশ অনেক দিক থেকে এগিয়ে গেছে। এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, ইন্টারনেট সংযোগসহ ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল সবখানে পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিবর্তিত বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করে দিয়েছেন আর আধুনিক বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁর সরকারের সময়ে বাংলাদেশের কোন অঞ্চল উন্নয়নবঞ্চিত থাকবে না”।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নে আলহাজ্ব আব্দুর রহমান ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

আলহাজ্ব আব্দুর রহমান ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. সেলিম হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল হাসান, পিরোজপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার, নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ, বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা রাজনীতিমুক্ত হওয়া দরকার। তা না হলে আদর্শ শিক্ষা ব্যাহত হবে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পঙ্কিল রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের শিক্ষা দিতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবার ও শিক্ষকদের যথার্থ ভূমিকা পালন করতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “সন্ত্রাস-নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের প্রশ্রয় দেয়া যাবেনা। বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস কর। কারণ রাষ্ট্রে সব ধর্মের মানুষের অধিকার আছে। দেশের কোন অঞ্চলে যেন সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প কেউ ছড়াতে না পারে, সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। উন্নয়নের বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বিস্ময়। শেখ হাসিনা না থাকলে আবার উন্নয়ন থেমে যাবে, আবার দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।

বিএনপি-জামায়াতের ভুল প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য এসময় স্থানীয় জনসাধারণকে আহ্বান জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১১, ২০২২ ৬:৪২ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামের আনোয়ারাতে “বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

ডা.অভিরুপ ভূষাণ পালঃ চট্টগ্রামের আনোয়ারাতে বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট এর বাস্তবায়নে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়, আনোয়ারা এর সহযোগীতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হলরুমে সুফলভোগী ৫০ জন মহিষ খামারীদের নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম খান, পরিচালক, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, চট্টগ্রাম। এসময় সভাপতিত্ব করেন ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।

মহিষ পালনের পটভূমি, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক উপযোগীতা সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন পরিচালক, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, চট্টগ্রাম। মহিষের রোগ প্রতিরোধে করণীয়, টিকা পরিচিতি,টিকা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী, কৃমিমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও উপায়, কৃমি প্রতিরোধে খামারীদের করনীয়, মহিষের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রোগসমূহ ও রোগের লক্ষণ সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ডাঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ও ডাঃ নইফা বেগম, ভেটেরিনারি সার্জন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।

মহিষের শ্রেণীবিভাগ ও বাংলাদেশে প্রাপ্ত মহিষের জাতসমূহ,দুধাল গাভী মহিষ,আদর্শ প্রজনন ষাঁড় মহিষ নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট। মহিষের প্রজনন, গাভী মহিষের গরম হোয়ার লক্ষণ, প্রজনন সফল না হোয়ার কারণ ও করণীয় বিষয় সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন ডাঃ সেঁতারা বেগম, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম।

৩ দিনব্যাপী খামারীবান্ধব এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামারীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক মহিষ লালনপালন, উন্নত জাতের ঘাস সংরক্ষণ, কাঁচাঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি, চর ও হাওর এলাকায় কাঁচা ঘাস উৎপাদন পদ্ধতি, আদর্শ দানাদার খাদ্য মিশ্রণ পদ্ধতি, মহিষ হৃস্টপুষ্টকরণ, মহিষের প্রজননস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের কোর্স – কো অডিনেটর এর দায়িত্বে ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১০, ২০২২ ৮:৪৮ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পূর্ণতা পেয়েছিল বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় বরইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

বরইবুনিয়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি প্রনয় কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী বলরাম মন্ডল, গনপূর্ত অধিদপ্তর, পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী তৌহিদুল ইসলাম, নাজিরপুর এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন, পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান ফুলু , পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, “স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে, আমাদের মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধুকে ছাড়া স্বাধীনতা সম্পূর্ণ হতো না। বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাংলাদেশ অসম্পূর্ণ,  মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অসম্পূর্ণ। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে লাল-সবুজের পতাকা কল্পনা করা যায় না, অসম্প্রাদায়িক বাংলাদেশ কখনো কল্পনা করা যায় না। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে আমরা স্বাধীন, সার্বভৌম এটা কখনো কল্পনা করা যায় না। সেজন্য দল-মতের পার্থক্য থাকলেও বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রাখতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন না হলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা পেত না। বঙ্গবন্ধু ফিরে না আসলে পৃথিবীর যে রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছিল সে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব হতো না। বঙ্গবন্ধু ফিরে না আসলে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন সম্ভব হতো না। বঙ্গবন্ধু ফিরে না আসলে  স্বাধীনতাবিরোধীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতো। বঙ্গবন্ধু ফিরে না আসলে তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছেন সেটা সম্ভব হতো না”।

“আজকের বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীদের দাম্ভিকতা নেই। আজকের বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে। আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়ের বাংলাদেশ। আজকে বাংলাদেশে একজন মানুষও না খেয়ে থাকে না। আজকের বাংলাদেশের নিজের টাকায় পদ্মা সেতু হচ্ছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে, মেট্রোরেল হচ্ছে, নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল হচ্ছে”-যোগ করেন মন্ত্রী।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁর বিশ্বাস ও আদর্শ আমাদের মাঝে রয়েছে। তাঁর রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির জন্য আশীর্বাদ হিসেবে রয়েছেন। শেখ হাসিনার মাঝেই আমরা বঙ্গবন্ধুকে খুঁজে পাই। শেখ হাসিনা আছেন বিধায় আজকের বাংলাদেশে এত সমৃদ্ধির চিত্র”।

এর আগে মন্ত্রী নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নে কৃষক সেবা কেন্দ্রের তিন তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং এলাকাবাসীর জন্য  বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে রিভার্স অসমোসিস প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন। পরে নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দুস্থ মানুষদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ, মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় ইলিশ সংরক্ষণ মৌসুমে বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে জেলেদের মাঝে প্রণোদনার গরুর বাছুর বিতরণ ও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সদস্যদের মাঝে ট্রলার বিতরণ এবং সমাজ সেবা অধিদপ্তরের আওতায় প্রতিবন্ধী ও দুস্থদের মাঝে হুইল চেয়ার ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১০, ২০২২ ২:১৯ অপরাহ্ন
রংপুরে “ব্লাক বেঙ্গল” জাতের ছাগল এক্সিভিশন মেলা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

ছাগল বাংলাদেশের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণিসম্পদ। বিশ্বে ছাগল পালনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। দেশে আদিকাল থেকে যে ছাগল পালন হচ্ছে তা ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের। এ দেশের আবহাওয়া ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালনে অত্যন্ত উপযোগী। ব্ল্যাক বেঙ্গল পৃথিবীর পাঁচটি সেরা মাংস উৎপাদন জাতের অন্যতম। এই জাতের ছাগল পালনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর বেকারত্ব দূরীকরণ ও দারিদ্র্য বিমোচন সহজেই সম্ভব।

“ব্লাক বেঙ্গল” ছাগলের জাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে রংপুর সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। উক্ত প্রকল্পটির আওতায় রবিবার (০৯ জানুয়ারী) উপজেলা প্রাণীসম্পদ প্রাঙ্গনে “ব্ল্যাক বেঙ্গল” জাতের ছাগলের মেলা, প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে মেলায় প্রাণীসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি ছাগল পালনকারি খামারিরা ও সাধারন মানুষের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মেলায় রংপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্তিক খামারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

মেলার শুরুতে প্রাণীসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে একটি ্যালির আয়োজন করা হয়। ্যালিতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা ও ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শরিফুল হক, পিপিআর (PPR) নির্মুল ও খুরারোগ (FMD) নিয়ন্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডা. ফজলে রাব্বি মন্ডল, সমতল ভুমিতে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. অসিম কুমার দাস, প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আমজাদ হোসেন ভুইঞা ও অন্যান্য ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ছাড়াও সাধারণ খামারীরা অংশগ্রহন করেন। পরে ্যালিটি উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের আশেপাশের এলাকা ঘুরে পুনরায় উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তরে এসে শেষ হয়।

মেলা শেষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা দর্শনায় অবস্থিত ব্রাক লার্নিং সেন্টারে মেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী স্টলের খামারিদের মাঝে পুরষ্কার প্রদান করেন।

পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর, রংপুর বিভাগ রংপুর এবং জেলা পর্যায়ের অনান্য কর্মকর্তাগণ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১০, ২০২২ ১২:১২ অপরাহ্ন
গাভির ৩ বাছুর প্রসব, দেখতে উৎসুক জনতার ভিড়
প্রাণিসম্পদ

গাভি সাধারণত একটি বাছুর প্রসব করে। কখনো কখনো গাভিকে জমজ বাছুর প্রসবও করতে দেখা যায়। একসঙ্গে তিনটি বাছুর প্রসব সাধারণত দেখা যায় না বললেই চলে।

এরকমই একটি বিরল ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের পোরজনা ইউনিয়নে। একটি ফ্রিজিয়ান গাভী ৩টি বাছুর প্রসব করেছে, আর এই নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের।

জানা যায়, উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বড়-বাচড়া গ্রামের দিনমজুর মোঃ জামাল হোসেনের পালিত একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারী) দুপুরে ৩টি বাছুরের জন্ম দিয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পরলে গাভী ও বাছুর ৩টি দেখার জন্য এলাকার উৎসুক জনতা প্রতিদিন জামাল হোসেনের বাড়িতে ভিড় করছে।

সরেজমিনে পোরজনা ইউনিয়নের বড়-বাচড়া গ্রামের ফকির চাঁদ প্রামাণিকের ছেলে দিনমজুর জামাল হোসেনের (৫০) বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ফ্রিজিয়ান জাতের সদ্য ভুমিষ্ঠ তিনটি বাছুর তাদের গর্ভধারিণী গাভীর পাশে খেলা করছে। মাঝে মধ্যেই তাদের মায়ের কাছে গিয়ে দুধ পান করছে, বাছুরগুলোর পাশে কেউ গেলেই তার গিয়ে গাভীটি তেরে আসছে।

গাভীর মালিক দিনমজুর জামাল হোসেন জানান, আমি কখনও ৩টি বাছুর একসাথে ভুমিষ্ঠ হওয়ার কথা শুনিনি। এখন আমার পালিত গাভীই একে একে ৩টি বাছুর প্রসব করায় আমি খুবই আনন্দিত। প্রায় ৯ মাস পূর্বে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের এইআই টেকনিশিয়ান ওহিদুল ইসলাম আমার গাভীটির কৃত্রিম প্রজনন করে দেন।

তিনি আরও জানান, শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান ও ভেটেরিনারী সার্জন মীর কাউসার হোসেন আমাকে সবসময় প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেছেন। এবং পোরজনা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিল (কমিউনিটি এক্সটেনশন এজেন্ট ফর লাইভস্টক) আব্দুল কুদ্দুস মাঝে মধ্যেই পরিদর্শন করতেন।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান বলেন, একেসঙ্গে ৩টি বাছুরের জন্মদান একটি বিড়ল ঘটনা। বিষয়টি জানার পরই আমি জামাল হোসেনের বাড়িতে গিয়ে বাছুর ৩টি পরিদর্শন করেছি। এবং গাভী ও বাছুর ৩টির স্বাস্থ্য পরিক্ষা করেছি, তাদের শারিরীক অবস্থা বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফ্রিজিয়ান জাতের এই গাভীটির বয়স সাড়ে ৩ বছর। বাছুর ৩টিও ফ্রিজিয়ান জাতের, এই গাভীটি এইবার দিয়ে দ্বিতীয় দফায় বাছুর জন্ম দিয়েছে। গাভীটি ১৩ মাস পূর্বে আরো একটি বাছুরের জন্ম দিয়েছিল। জামাল হোসেনের গাভী ও বাছুর ৩টির সকল প্রকার চিকিৎসা ও ঔষধ উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর থেকে বিনামূল্যে সরবারাহ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৯, ২০২২ ৮:৪৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (০৯ জানুয়ারি) পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় পশ্চিম সোহাগদল শহীদ স্মৃতি বি এম ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

সরকারের সাবেক সচিব এম শামসুল হকের সভাপতিত্বে সুধি সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহ আলম ও নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন। নেছারাবাদ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রিয়াজ হোসেন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার, নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মোহাম্মদ হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান খান শামীম, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, “একজন লোকও যাতে গৃহহীন না থাকে, কোন মানুষ যেন খাদ্যের অভাবে না থাকে, একটি বাড়ি যাতে বিদ্যুৎহীন না থাকে, সেটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার কর্মসূচি। শেখ হাসিনা দেশের প্রান্তিক অঞ্চল পর্যন্ত হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নারী-পুরুষ সকলের জন্য একটা সুন্দর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চান। একজন মানুষও যাতে সরকারের সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত না হন, সেটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের কর্মসূচি। আমাদের সৌভাগ্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “করোনাকালে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বত্র সাহায্য পৌঁছে দেয়া হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়াসহ চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। তিনি দেশের মানুষকে বাঁচাতে অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি কোনো শ্রেণি-পেশার মানুষকে পেছনে রাখেন নি। সকলকে সামনে নিয়ে এগিয়ে গেছেন। মানুষের জীবন ও দেশের উন্নয়নে কোন প্রকল্প তিনি বন্ধ করেন নি”।

খারাপ মানুষরা যাতে সমাজের ও দেশের নেতৃত্বে আসতে না পারে সে বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের সতর্ক থাকার জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এর আগে মন্ত্রী নেছারাবাদের সেহাংগল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দুস্থ মানুষদের মাঝে প্রাধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। পরে তিনি নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদে দুস্থ মানুষদের মাঝে প্রাধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ, ক্যান্সার ও জন্মগত হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধিতে আক্রান্তদের মাঝে সরকারি অনুদানের চেক বিতরণ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য উপকরণ সহায়তা হিসেবে গবাদিপশু বিতরণ করেন। এছাড়াও তিনি স্বরূপকাঠি সরকারি কলেজের ছয়তলাবিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনপূর্বক এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। পরে পশ্চিম সোহাগদল শহীদ স্মৃতি বি এম ডিগ্রী কলেজের নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন ও নতুন আইসিটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop