৭:১২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শেকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত
ক্যাম্পাস

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভা যাত্রার মাধ্যমে বিশ্ব ডিম দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। শোভাযাত্রা শেষে জনসাধারণের মাঝে সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার(৮ অক্টোবর) পোল্ট্রি প্রোফেশনাল’স বাংলাদেশ (পিপিবি) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে শেকৃবি ক্যাম্পাসে ডিম দিবস উপলক্ষ্যে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডীন এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ, পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের উপদেষ্টা এনিম্যাল প্রোডাকশন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, এনাটমি, হিস্টোলজি ও ফিজিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রাসেল, পিপিবি’র কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার, পিপিবি’র কোর টিম সদস্য এবং ইবোনিক বাংলাদেশ লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ সঞ্জিত চক্রবর্তী, কোর টিম সদস্য ডাঃ আবদুর রহমান রাফি, শেকৃবি ইউনিটের কো-লিডার রূপ কুমার এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উক্ত আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে “Shinil Group”।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিল গ্রুপের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রাজিবুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ লিমা খন্দকার।

No description available.

এছাড়াও পিপিবি ভলান্টিয়ার টিমের হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, “ডিম একটি আদর্শ ও পরিপূর্ণ খাবার। ডিম খেলে হার্টের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

একটি নতুন প্রাণের বিকাশ হয় ডিমের মধ্য থেকে অর্থাৎ ডিমের মধ্যে সকল পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।” উপস্থিত বক্তারা সকলকে ডিম খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন এবং ডিমের পুষ্টিগুণ জনসাধারণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ৫:১৬ অপরাহ্ন
বেড়েই চলছে মুরগি-পেঁয়াজের দাম, অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা!
পাঁচমিশালি

কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজের জন্য কেজি প্রতি ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। এভাবেই গত সপ্তাহ থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে পেঁয়াজ। লাগাতার বাড়ছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। আর সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে।

ব্রয়লার মুরগির মত পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দামও কয়েক দফা বেড়েছে। মাসখানেক আগে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম কয়েক দফা বেড়ে এখন ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাজারগুলোতে দেখা যায়, শীত শুরুর আগেই বাজারে এসে গেছে শীতকালীন সবজি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বস্তি মিলছে না দামে।

কিছুটা দাম কমেছে শিমের। এখন শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মরিচ, গাজর, টমেটোর কেজি ১৫০ টাকা। ঝিঙার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আলুর কেজি ২৫ টাকা, লম্বা বেগুনের কেজি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, গোল বেগুনের ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকা। প্রতিটি লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, জালি-কুমড়ার পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ছোট আকারের ফুলকপির পিস ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চালের কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকা, নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকায়। বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। খুচরা প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, দেশি রসুনের কেজি ৭০ থেকে ৮০, ইন্ডিয়ান রসুনের কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। দেশি আদা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা।

চিংড়ির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। বড় আকারের রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০, মাঝারি আকারের ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, ছোট আকারের ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা কেজি, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি, পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২৮০ টাকা, চাষের সরপুঁটি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
ডিমের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে
প্রাণিসম্পদ

সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে ডিমের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব ডিম ‍দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী জানান, “সমৃদ্ধ জাতি গড়তে হলে পরিপূর্ণ পুষ্টিসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। পুষ্টিসম্মত খাবারের অন্যতম উপাদান ডিম। ডিমের প্রয়োজনীয়তা গ্রামে-গঞ্জেসহ সকল জায়গায় ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন অনুধাবন করতে পারে, খাবারের শ্রেষ্ঠতম একটা উপকরণ ডিম। এই খাদ্য উপাদান যেন ব্যয়বহুল না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যতটুকু ব্যয় হয় সেটা কীভাবে কমানো যায় সেজন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যৌথ পরিকল্পনা নেয়া হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে ব্যয়ের কারণে ডিম যেন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে না যায়। ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে হবে, স্বনির্ভর করতে হবে”।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুণগত উন্নয়নে বিশ্বাস করেন। ‍তিনি দেশের সকল কিছুতে টেকসই উন্নয়নের কথা বলেন। প্রতিবেশী দেশসমূহের তুলনায় বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের এগিয়ে যাওয়া বিস্ময়কর। এ খাতের উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে”।

মন্ত্রী আরো বলেন, “পোল্ট্রি খাতের সমস্যা সমাধানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় তৎপর রয়েছে। করোনার সময় পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বার্ড ফ্লু সংক্রমণ থেকে পোল্ট্রি খাতকে রক্ষার জন্য শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, সে ধারা বজায় রেখে এ খাতকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পোল্ট্রি ও ফিশ ফিডের মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ করার জন্য আমরা তৎপর রয়েছি। আমি আশ্বস্ত করতে চাই পোল্ট্রি খাতকে বিকশিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে যত প্রকার সহযোগিতা, পৃষ্ঠপোষকতা দরকার, সেটা দেওয়া হবে। যাতে বাংলাদেশে এ খাত পিছিয়ে না পড়ে”।
“পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বেশি বেশি ডিম খেতে হবে। ডিম খাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারলে আমাদের আয়ুষ্কাল বাড়বে। আজ দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। মাতৃমৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। এটা এমনি এমনি আসেনি। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের যোগান ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে”-যোগ করেন মন্ত্রী।

বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান ও এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিপিআইসিসি’র সহসভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী এবং বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ মহুয়া। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পোল্ট্রি খাতের বিশেষজ্ঞ, বিপিআইসিসি, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা ও এফএও’র প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডিম খেতে সব বয়সের জনগণকে উৎসাহিত করার জন্য অনুষ্ঠানে প্রতিকী হিসেবে দুজন শিশু ও দুজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে ডিম খাওয়ান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব। উল্লেখ্য, আজ ৮ অক্টোবর ‘প্রতিদিন ডিম খাই, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াই’-এ প্রতিপাদ্যে সারাদেশে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৬, ২০২১ ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
রাণীর রেকর্ড ভাঙতে পারবে কি টুনটুনি?
প্রাণিসম্পদ

গরুর নাম টুনটুনি। দেখতে স্বাভাবিক বাছুরের চেয়ে ছোট। টুনটুনির বয়স চৌদ্দ মাস, ওজন ২৩ কেজি আর উচ্চতা ২২ ইঞ্চি। অন্য সব গরুর থেকে ছোট আর দুরন্তপনার জন্য মালিক নাম তার রেখেছেন টুনটুনি।গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের হায়াতখারচালা গ্রামের কৃষক আবুল কাশেমের খামারে গত বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এক খর্বাকৃতির মাদি বাছুরের জন্ম হয়।

গত ১৯ আগস্ট দুবছর বয়সে মারা যাওয়া খর্বাকৃতির গরু রাণীর উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি আর ওজন ছিল ২৬ কেজি।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় স্থান পাওয়া সাভারের দুই বছর বয়সী খর্বাকৃতির গরু রাণী’র উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি, আর ওজন হয়েছিল ২৬ কেজি। গরুটি গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার খবরের আগেই অসুস্থ হয়ে মারা যায়।

রাণীর চেয়ে টুনটুনির উচ্চতা দুই ইঞ্চি বেশি হলেও ওজন তিন কেজি কম। স্থানীয়দের আশা সাভারের রাণীর রেকর্ড ভেঙে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় নাম উঠবে গাজীপুরের টুনটুনির।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এস.এম উকিল উদ্দিন বলেন, টুনটুনির ওজন ২৩ কেজি এবং উচ্চতা ২২ ইঞ্চি বলে জানা গেছে। জিনগত খনিজ খাটতি ও হরমোনের কারণে এমনটি হতে পারে। আমার কয়েকজন চিকিৎসক বিষয়টি অবজারভেশন করছেন। তবে রেকর্ডের আওতায় যদি পড়ে তাহলে যাবতীয় ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২১ ১০:১৪ অপরাহ্ন
দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ২৫ ছাগল নিহত
প্রাণিসম্পদ

কামরুল হাসান, কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে লাল চাঁন(৩৮) নামে
এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন। এ সময় ট্রাকে করে আনা আনা ২৫টি ছাগলও মারা যায়। নিহত ট্রাক চালক লাল চাঁন নওগা সদর উপজেলার চকরাম চন্দ গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর আনালিয়াবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, চাল বোঝাই ট্রাকের উপরে ২৫টি ছাগল উঠিয়ে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল আনালিয়াবাড়ী নামকস্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি খালি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চাল বোঝাই ট্রাকের চালক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে চাল বোঝাই ট্রাকের উপরে আনা ২৫ টি ছাগল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৫:৩০ অপরাহ্ন
মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে সমন্বিত বিশেষ অভিযান
প্রাণিসম্পদ

চলতি বছর প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমন্বিত বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ৩৮টি জেলায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করবে।

অভিযান বাস্তবায়নকালে ২০টি জেলা তথা ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ও বাগেরহাট জেলার নদ-নদী, মোহনা ও সাগরে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। অপর ১৮টি জেলা তথা নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, জামালপুর, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, কুষ্টিয়া ও নড়াইল জেলার নদ-নদীতে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

রবিবার (০৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে এ সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, যুগ্ম সচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম সভায় অংশগ্রহণ করেন। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সংশ্লিষ্ট ৩৮ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মৎস্য অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, “সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ইলিশ মাছকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। মৎস্য বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন সময় বিবেচনা করে এ বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে”।

তিনি আরো যোগ করেন, “ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকাকালে এ বছর ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইলিশ ধরা বন্ধকালে যাতে পাশ্ববর্তী দেশের জেলেরা অবৈধ মৎস্য আহরণ করতে না পারে সে জন্য কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে”।

সভায় জানানো হয়, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে এ বছর ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। নৌপুলিশ এবছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি গত বছরের চেয়ে বৃদ্ধি করবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। নৌবাহিনী ৯টি জাহাজের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সাথে সমন্বয় করবে অভিযানের পরিচালনা করবে যাতে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরতে না পারে। স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বরফকল বন্ধ রাখা, বাজার মনিটরিং এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে সচেতনতা ও প্রচারনামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোন রকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সভায় জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ অনুযায়ী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উল্লিখিত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দন্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্যকারী কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৩:১৭ অপরাহ্ন
চলেই গেলেন ডাঃ মোঃ ছামিউল বাছির
প্রাণিসম্পদ

ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘদিনের লড়াই শেষে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে চলেন গেলেন জনপ্রিয় ভেটেরিনারিয়ান ডাঃ মোঃ ছামিউল বাছির। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে ভেটেরিনারিয়ান তথা কৃষিবিদদের মাঝে নেমে এসেছে শোক। ডাঃ ছামিউলের অসুস্থতার শুরু থেকেই ভেটেরিনারিয়ান গণ ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছিল, পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এসেছিল ডাঃ ছামিউল কে বাঁচাতে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতেও নেওয়া হয়েছিল। ভারত থেকে এসে দেশেই চিকিৎসা চলছিল। আজ দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে তিনি পাড়ি জমান পরকালের উদ্দেশ্যে।

গত ২২ এপ্রিল, ডাঃ ছামিউল বাছিরের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলোঃ
আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আপনাদের সবার দোয়ায় আল্লাহর রহমতে আমিও ভাল আছি। অপারেশন পরবর্তী ধকল জনিত কারনে কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারিনি। অনেকেই ব্যক্তিগত ভাবে এসএমএস করেছেন, শারিরীক ভাবে এতই দুর্বল যে এসএমএস এর উত্তর দিতে পারিনি। এজন্য সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। সবাই আমার অপারেশনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন, অত্যন্ত দুঃখের সহিত জানাতে হচ্ছে যে এইবারও আমার অপারেশন সফল হয় নাই৷ ক্যান্সারের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। পুরা পেটে অসংখ্য ছোট ছোট টিউমার হয়েছে৷ সেগুলো এতই ছোট যে সিটিস্ক্যান বা এমআরআই করার পরও ধরা পরে নাই। অপারেশন করতে গিয়ে ডাক্তার সেগুলো লক্ষ্য করেছেন, সেজন্য আবারো অপারেশন অসম্পন্ন রাখতে হয়েছে। আল্লাহ যা করেন ভালর জন্যই করেন, হয়ত এর মাঝে আমার কোনো কল্যাণ আছে। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ করে দেন, আর মৃত্যু ত চরম বাস্তবতা, আল্লাহ যদি আমাকে এই অসুস্থতার মাধ্যমে দুনিয়া থেকে নিতে চায় তাহলে যেন ঈমানের সহিত মৃত্যু দেয়। আপনাদের ছোট ভাই, বন্ধু, আত্নীয়, প্রতিবেশী হিসাবে এর চেয়ে বেশি আর কিছু চাওয়ার নাই। সেই সাথে আমার জানা বা আজানায় কারও সাথে কোন রকম বেয়াদবি হলে বা কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন।

আল্লাহ ডাঃ ছামিউলকে বেহেশত নসীব করুন (আমীন)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ১:৪৩ অপরাহ্ন
১৭টি দিয়ে শুরু করে ৬০টি ছাগলের মালিক পলাশবাড়ীর রতন
প্রাণিসম্পদ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমাড়ী গ্রামে গড়ে ওঠা সেভ গট ফার্মের মালিক রতন। বেকার যুবক রতন অনেকটা শখের বসে ১৭ টি ছাগল দিয়ে শুরু করেছিলেন খামার। এখন তার খামারে ছাগলের সংখ্যা ৬০ টি । যার বাজার মূল্য প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা। তার খামারে রয়েছে বিদেশি প্রজাতির ছাগল। রতনের সফলতা দেখে অনেকেই ছাগলের খামার করতে তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন।

জানা যায়, রতন তার বসত বাড়ির পাশেই গড়ে তুলেছেন ছাগলের বিশাল খামার। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় শখের ছাগল পালন এখন তার পেশা। জানাযায়, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে শখের বসে ১৭ টি ছাগল কিনে লালন-পালন শুরু করেন । আড়াই বছরের মধ্যে ছাগল বৃদ্ধি হতে হতে এখন ছাগল দাড়িয়েছে ৬০ টি-তে। যমুনা পাড়ি, তোজাপাড়ি, হরিয়ান ও ব্লাক বেঙ্গল প্রজাতির ছাগল কিনে ম্যাচিং পদ্ধতিতে খামার গড়ে তোলেন তিনি । এখন খামারে ৫ থেকে ৬ প্রজাতির ৬০ টি ছাগল রয়েছে তার। খামারে গিয়ে দেখাযায়, রতন নিজেই ছাগলের খাওয়ানো পরিচর্যা থেকে শুরু করে ছাগলের সবকিছু দেখাশুনা করছেন । তবে এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন তার স্ত্রী । এছাড়াও বাড়ির পাশের পতিত জমিতে আবাদ করেছেন বিদেশী ঘাস । যা ছাগলের জন্য উৎকৃষ্টমানের খাবার। ঘাস দিয়েই ছাগলের খাবারের বেশিরভাগ চাহিদা মেটাচ্ছেন।

রতন জানান, আমি অনেকটা শখের বসেই এই খামার গড়ে তুলি। আড়াই বছর আগে প্রথমে ১৭ টি ছাগল দিয়ে শুরু করি। এখন আমার খামারে ৬০ টি ছাগল রয়েছে। সামনে আরো পরিকল্পনা আছে খামার বৃদ্ধি করার। সহজ শর্তে ব‍্যাংক ঋণ ও সরকারি সাহায্যে সহযোগিতা পেলে আমি আরো বেশি সফলতা লাভ করতাম। উপজেলা পশু হাসপাতালের দুই চারটে ট‍্যাবলেট ছাড়া আমি কিছুই পাইনি। সরকারি প্রণোদনার টাকাও পাইনি। প্রশিক্ষণের জন‍্য কত ঘুরেছি, পাইনি।

রতন আরো জানান, এই একটি মাত্র প্রাণী যার বছরে দু’বার প্রজনন ক্ষমতা রয়েছে। প্রতিবার প্রজননে একাধিক বাচ্চা দেয়। রোগ-বালাইও কম হয়। বছরে একবার পিপিআর, গডপক্স ভ্যাকসিন দিলেই আর কোনও ওষুধ লাগে না। দুই চারটে বড়ি লাগলেও লাগতে পারে। অল্প খরচে বেশি আয় করা সম্ভব।

তিনি বলেন,যেখানে একটি বিদেশি গাভি পালন করলে প্রতিদিন ৩০০ টাকার খাবার খায়। আর সেখানে ৩০০ টাকা হলে প্রতিদিন ৩০টি ছাগলকে খাওয়ানো যায়। ছাগলের খাদ্য হিসেবে খাওয়ানো হয় গম, ভুট্টা ও ছোলা বুটের গুড়ো সেই সঙ্গে সয়াবিন ও খড়ের ছন। যা ছাগলের জন্য খুবই পুষ্টিকর। এছাড়াও দেশের বাজারে ছাগলের বেশ চাহিদার পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই ছাগল রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা সম্ভব।

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন জানান , ছাগল পালন করে মোটামুটিভাবে সফল হয়েছেন রতন । আমরা নিয়মিত তার ওই ছাগলের খামার পরিদর্শনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। এখন অনেকেই ছাগলের খামার গড়ে তুলতে পরামর্শের জন্য আমাদের কাছে আসছেন। তাদেরকে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
খামারে গরুকে সুস্থ রাখতে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়ায় অনেকেই এখন গরুর খামার গড়ে তুলছেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হচ্ছে। তবে গরুর খামার করে অনেকেই লোকসানে পড়ছেন। এর প্রধান কারণ হল গরুর নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়া। খামারের গরুকে সুস্থ রাখতে যেসব কাজ করতে হবে সেগুলো খামারিদের অবশ্যই জেনে খামার পরিচালনা করতে হবে।

খামারের গরুকে সুস্থ রাখতে যেসব কাজ করতে হবে:
খামারের গরুগুলোকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট হারে সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে। নিয়মিত গরুগুলোকে সুষম খাদ্য প্রদান করলে গরুগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পাবে ও রোগের দ্বারা কম আক্রান্ত হবে। খামারের প্রত্যেকটি গরুর জন্য আলাদাভাবে খাদ্য প্রদানের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর খাদ্য প্রদান করতে হবে। খামারের গরুগুলোকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখার জন্য খামারের চারপাশের খোলামেলা পরিবেশের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বাইরের বাতাস ও আলো যাতে ভালোভাবে চলাচল করতে পারে সেদিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা রাখলে গরু সুস্থ থাকবে ও রোগের দ্বারা কম আক্রান্ত হবে।

গরুগুলোকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিক্ষা করাতে হবে। কোন গরু অসুস্থ হয়ে গেলে রোগের ধরণ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।পালন করা গরুগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। গরুকে নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়ালে গরুর শরীর সুস্থ থাকে ও গরু স্বাস্থ্যবান হয়।

খামারের গরুগুলোকে বাইরে বের করে খামার ভালোকরে ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে দিয়ে জীবাণু ধ্বংস করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোন ভাবেই খামার পরিষ্কার করার পানি যাতে জমে না থাকে।

খামারের গরুগুলোকে নিয়মিত গোসল করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। নিয়মিত গরুগুলোকে গোসল করালে গরুর শরীর পরিষ্কার থাকে ও রোগ-জীবাণুর আক্রমণ কম হয়। এছাড়াও নিয়মিত গোসল করালে গরুর ত্বক মসৃণ ও চকচকে থাকে।খামারে কোনভাবেই যাতে বাইরের কোন ব্যক্তি না প্রাণী অবাধে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি প্রবেশ করাতেই হয় তাহলে প্রবেশের আগে জীবাণুমুক্ত করাতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৭:৩৫ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে ৫৬ ভারতীয় গরু-মহিষ আটক
প্রাণিসম্পদ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ৪৭টি মহিষ ও ৯টি গরু আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। রংপুর ৫১ বিজিবির দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ক্যাম্প এবং দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও আনসারদের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এসব গরু-মহিষ আটক করা হয়।

এ সময় পাটগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইমরান, রংপুর ৫১ বিজিবির পানবাড়ি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাহাবুল ইসলাম, দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ নির্মল চন্দ্র মহন্ত উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন প্রজাতির গরু-মহিষ দহগ্রামে আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে টাস্কফোর্স।

এ সময় মহিমপাড়া এলাকার আমিনুর রহমান ফতুর বাড়ির পেছন থেকে ছয়টি ভারতীয় মহিষ, মহিমপাড়া সংলগ্ন নদীর ঘাট থেকে ১৭টি মহিষ ও তিনটি ভারতীয় হরিয়ানা গরু আটক করা হয়। এদিকে দহগ্রাম ইউনিয়নে সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রংপুর ৫১ বিজিবির পানবাড়ি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার জাহাবুল ইসলামের নেতৃত্বে দহগ্রাম ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা মহিমপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৬টি মহিষ ও চারটি গরু আটক করেন।

আঙ্গরপোতা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা আঙ্গরপোতা জিরোপয়েন্ট এলাকায় আটটি মহিষ ও দুটি গরু আটক করেন। আটক গরু ও মহিষগুলো দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন প্রধানের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমান বলেন, গরু-মহিষসহ অন্যান্য অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ করতে টাস্কফোর্সের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটক গরু-মহিষগুলোর বিষয়ে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনা দেবেন। সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop