৩:৩৭ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ২৩, ২০২১ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
ফেরত যাচ্ছে হাজার হাজার অবিক্রিত গরু
প্রাণিসম্পদ

দাম ও ক্রেতা কম থাকায় বিক্রি হয়নি উত্তরবঙ্গ থেকে নিয়ে আসা ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটের কয়েক হাজার পশু। এক সপ্তাহ নাগাদ ঢাকাতে অবস্থান করেও বিক্রি না করতে পেরে বিপাকে পড়ছেন খামারিরা।

ঈদুল আজহার দিন সকালে দেখা গেছে, শত শত ট্রাক-পিকআপে হাজার হাজার গরু অবিক্রীত অবস্থায় উত্তরবঙ্গে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকে অসংখ্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা কয়েক হাজার পশু বিক্রির জন্য নিয়েছিলেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাটে। করোনাভাইরাসের প্রভাবে মানুষের কাছে অর্থের সংকট থাকায় অনেকেই এবার কোরবানি দেননি। এজন্য গরুর চাহিদা কম ছিলো। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে নেওয়া অর্ধেক গরুও বিক্রি হয়নি। অনলাইনে গরু বিক্রিকেও কারণ হিসেবে দেখছেন তারা।

ঈদের দিনেও পশুর হাটে রয়ে যাওয়া গরুর বেপারীদের বেশির ভাগ জানান, তাদের লোকসান হয়েছে। কয়েকজন বলছেন, লাভ হয়নি, ক্ষতিও হয়নি। গরু বিক্রি করে শুধু টাকা নগদ করেছেন।শুধু উত্তরবঙ্গেরই অন্তত ১০ হাজার গরু অবিক্রীত রয়ে গেছে বলে জানান তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২২, ২০২১ ১:১৮ অপরাহ্ন
কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

ঈদুল আজহার আর মাত্র ক’দিন বাকি। ঈদুল আজহা মূলত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে। পশু কোরবানির পর নিজের ভাগের অংশের মাংস অনেকে সংগ্রহ করেন। কোরবানির পশুর মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ কমবেশি করতেই হয়।

কোরবানির মাংস গরিবদের এবং আত্মীয়স্বজনদের দেয়ার পরও প্রয়োজন হয় সংরক্ষণের। অনেকেই চিন্তিত থাকেন কত দিন মাংস ফ্রিজে রাখা যায় সেটি নিয়ে। বিভিন্ন উপায়ে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করা যায়। তবে এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে।

আসুন জেনে নেই কীভাবে সংরক্ষণ করবেন কোরবানির মাংস ।

চার থেকে ছয় মাস

গরুর কাঁচা মাংস ফ্রিজে রাখলে চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা ভালো। কারণ, চার-ছয় মাস পর মাংসের পুষ্টিগুণ, গুণগতমান কমতে থাকে। তবে ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটে থাকলে মাংস প্রায় এক বছর পর্যন্ত রাখা যাবে।

অন্যান্য মাংস

ফ্রিজে গরুর মাংস পাঁচ থেকে ছয় মাস, খাসির মাংস চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশি দিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এছাড়া উট, মহিষ তিন থেকে চার মাস রাখা যাবে। আর ভেড়া রাখা যাবে দুই থেকে তিন মাস। আর মুরগির মাংস সর্বোচ্চ এক মাস ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে।

ফ্রিজে রাখার আগে

ফ্রিজের মধ্যে বাক্সের থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগেই মাংস রাখা উচিত। চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখাই ভালো। ফ্রিজে রাখার আগে, ধোয়ার পর পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিন। না হলে অনেক দিন রেখে দিলে মাংস নষ্ট হয়ে যাবে।

ইলেকট্রিসিটি না থাকলে

মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে বাসায় ইলেকট্রিসিটি না থাকলে খুব একটা ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশি দিন ভালো থাকবে না।

৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট

৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার নিচে কাঁচা মাংস ৪ থেকে ৬ দিন রাখা যায়। এছাড়া জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।

প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখুন

মাংস ফ্রিজে রাখার আগে প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখে রাখুন। এতে মাংসগুলো কত দিন সংরক্ষণ করা হয়েছে সেটা সহজেই বোঝা যাবে।

তাপমাত্রা 

ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ‘যেই তাপমাত্রায় মাংস সব সময় বরফ থাকবে সেই তাপমাত্রা সেট করে তারপর মাংস রাখতে হবে।

বড় বড় টুকরো

ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরো করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরোতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে।’

রক্ত, চর্বি, পানি 

মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ‘এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

প্লাস্টিকের ব্যাগ 

মাংস অবশ্যই প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালমোনিয়াম ফয়েলে রাখতে হবে। ‘প্লাস্টিকের ব্যাগ বা অ্যালমোনিয়াম ফুয়েলে রাখলে বাতাস থাকে না। বাতাস ঢুকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।’

রান্না করা ও কাঁচা মাংস

রান্না করা ও কাঁচা উভয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি একরকম। তবে এগুলোও শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটে ডিপ ফ্রিজে এক বছর রাখা যাবে। তবে স্বাদ, পুষ্টিগুণ থাকবে না।

তবে পুষ্টিগুণের কথা চিন্তা করতে হলে অবশ্যই মাংস এক মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২২, ২০২১ ১:০৮ অপরাহ্ন
ট্যানারি গুলোতে চামড়ার সংকট হবে না
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির ঈদের পর সাভারে সরব হয়ে উঠেছে বিসিক শিল্প নগরী ট্যানারি। দূরদূরান্ত থেকে কাঁচা চামড়া আসা শুরু হয়েছে এখানে। গত বারের মতো এবারও ট্যানারি মালিকরা নিজেদের ব্যবস্থাপনাতেই চামড়া কিনছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক সাখওয়াত উল্লাহ জানান, গতকাল (২১ জুলাই) সন্ধ্যা থেকেই ট্যানারি গুলোতে কাঁচা চামড়া আসা শুরু হয়েছে। গত বছরের ন্যায় এবারও ৮০ লাখ গবাদি পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এবারের কোরবানির ঈদে।

তিনি জানান, সরকারের বেঁধে দেয়া দামের মধ্যেই এবার তারা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। চামড়া পরিবহনের বিষয়টি আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনের আওতামুক্ত রাখায় ট্যানারি গুলোতে চামড়ার সংকট হবে না বলেও জানান তিনি।

দেশে প্রতিবছর প্রায় দেড় কোটি গবাদি পশুর চামড়া ক্রয় করা হয়। যার ৮০ ভাগ চামড়াই সংগ্রহ করা হয়ে থাকে কোরবানির ঈদকে ঘিরে।

এদিকে ট্যানারি শিল্প কারখানা ঘিরে সাভারের আমিনবাজার সহ কারখানার আশেপাশে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু চামড়ার আড়ত। মৌসুমি ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের থেকে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে গুণগত মান অনুযায়ী তা লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করছেন তারা। সুবিধাজনক দামে এসব আড়ত থেকেই পরবর্তীতে চামড়া সরবরাহ করা হবে ট্যানারি শিল্প কারখানাগুলোতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৯, ২০২১ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
গবাদিপশু কৃমিমুক্ত রাখার উপায়
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে বর্তমানে গবাদিপশু পালন লাভজনক কাজ। পাশাপাশি বেকার সমস্যা সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তা এ কাজে অনেক শিক্ষিত যুবকরা আগ্রহী হচ্ছেন। কিন্তু আমাদের খামারিরা গবাদিপশু পালন করতে গিয়ে পরজীবী কিংবা কৃমির সমস্যায় পড়ছেন।

কৃমি এক ধরনের পরজীবী। যা পশুর ওপর নির্ভর করে জীবন ধারণ করে। তারা পশুর অন্ত্রে, ফুসফুসে, লিভারে, চোখে, চামড়ায় বাস করে ও পশুর হজমকৃত খাবারে ভাগ বসিয়ে পশুর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। অনেক কৃমি পশুর রক্ত চুষে ও আমিষ খেয়ে পশুকে দুর্বল ও স্বাস্থ্যহীন করে দেয়।

গবাদিপশুর পরজীবী বা কৃমি সাধারণত দুই ধরনের। এগুলো হচ্ছে দেহের ভেতরের পরজীবী ও দেহের বাইরের পরজীবী। কৃমি বা পরজীবী আমাদের গবাদিপশু পালনের প্রধান শত্রু। কৃমি বা পরজীবীগুলো হচ্ছে কলিজাকৃমি, পাতাকৃমি, গোলকৃমি, রক্তকৃমি, ফিতাকৃমি, প্রটোজয়া ও বিভিন্ন ধরনের বহিঃপরজীবী উঁকুন, আঠালী, মাইট ইত্যাদি গবাদিপশুকে আক্রান্ত করে।

কৃমির কারণে গাভীর দুগ্ধ উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায় অস্বাভাবিকভাবে। পাশাপাশি বাছুরগুলো পেট ফুলে গিয়ে স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়ে। ফলে দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর কারণে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস গবাদিপশুকে আক্রান্ত করার পরিবেশ তৈরি করে।

গবাদিপশুকে কৃমি বা পরজীবী থেকে মুক্ত রাখার উপায় জেনে নিন এবার-
গবাদিপশুর বাসস্থানের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটি শুষ্ক ও আশপাশের জমি থেকে উঁচু হওয়া প্রয়োজন। সম্ভব হলে নদীনালা, খালবিল, হাওর-বাঁওড় থেকে দূরে করতে হবে।

পশুর মলমূত্র ও আবর্জনা অল্প সময় পরপর পরিষ্কার করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ঘরে মলমূত্র ও আবর্জনা জমা না থাকে।

তিন মাস অন্তর গবাদিপশুকে কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।

গবাদিপশুর খামারের আশপাশে যেন বৃষ্টির পানি এবং অন্যান্য বর্জ্য জমে না থাকে।

খামারের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটিতে বালির ভাগ বেশি হওয়া প্রয়োজন যেন বর্ষাকালে খামারের মেঝে কর্দমাক্ত না হয়।

খামারের অনেক দূরে পশুর মলমূত্র ও আবর্জনা পুঁতে রাখতে হবে।

গবাদিপশুর বাসস্থান প্রতিদিন আদর্শ ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে এবং জীবাণুনাশক মেশানো পানি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

কলিজাকৃমি, পাতাকৃমি, গোলকৃমি, রক্তকৃমি, ফিতাকৃমি দ্বারা আক্রান্ত পশুকে অ্যালবেনডাজল ইউএসপি ৬০০ মি.গ্রা., হেক্সাক্লোরোফেন ইউএসপি ১ গ্রাম, লিভামিসোল হাইড্রোক্লোরাইড বিপি ৬০০ মি.গ্রা. এবং ট্রাইক্লাবেন্ডাজল আইএনএস ৯০০ মি.গ্রা. জাতীয় ওষুধ ভালো কাজ করে। কর্কসিডিয়াতে সালফোনামাইডস, স্ট্রেপটোমাইসিন ও মেট্রোনিডাজল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ট্রিপানোসোমা ও ব্যাবেসিওসিস তে ব্যাবকপ খাওয়ালে রোগ ভালো হয়।

উঁকুন, আঠালী ও মাইটে আক্রান্ত গবাদিপশুর শরীরে আইভারমেকটিন, সেভিন, নেগুভান ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহার করলে এসব পরজীবী থেকে গবাদিপশুকে রক্ষা করা যায়।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৯, ২০২১ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
গর্ভবতী গাভীকে খাদ্য প্রদানে যেসব বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে
প্রাণিসম্পদ

গাভী গর্ভবতী হলে খাদ্য প্রদানে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে। লাভজনক হওয়ার কারণে দিন দিন গাভী পালনে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। গাভী পালনকালে গর্ভবতী অবস্থায় বেশি যত্ন নিতে হয়। আজকে আমরা জানবো গাভী গর্ভবতী হলে খাদ্য প্রদানে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে সেই সম্পর্কে-

১। গর্ভবতী গাভীকে খাদ্য প্রদানে এমনভাবে খাদ্য প্রদান করতে হবে যাতে গাভীর দৈনিক খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়। সম্ভব হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর গাভীকে খাদ্য প্রদান করতে হবে। এতে গাভী সুস্থ-সবল থাকবে ও বাচ্চাও পরিপুষ্ট হবে।

২।  গাভীকে   যতটা সম্ভব নরম ও তরল জাতীয় খাদ্য বেশি খাওয়াতে হবে। শুকনো খাদ্য প্রদানের পাশাপাশি নরম ও তরল খাদ্য প্রদান করলে গাভীর খাদ্য হজমে সমস্যা দেখা দিবে না এবং গাভী সুস্থ থাকবে।

৩।  গাভীকে খাদ্য প্রদানের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে গাভীর খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদন বিদ্যমান থাকে। গর্ভবতী থাকা অবস্থায় গাভীর শরীরে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির দরকার হয়। এছাড়াও গাভীকে পুষ্টিকর খাদ্য গাভীকে প্রদান করলে গর্ভের বাচ্চা সুস্থ ও সবল থাকে।

৪। গর্ভধারণ করা গাভী বেশি দুর্বল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গাভীর খাদ্য প্রদান করতে হবে। এছাড়াও গাভীকে সবল রাখার জন্য খাদ্যের সাথে অতিরিক্ত উপাদান মিশ্রিত করে গাভীকে খাওয়াতে হবে।

৫। গর্ভবতী গাভীকে কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। গাভীকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে গাভীর প্রয়োজনীয় সকল ভিটামিন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে। এছাড়াও গাভী আরও বেশি শক্তিশালী হবে। ফলে বাচ্চা প্রসবের সময় তেমন কোন জটিলতা দেখা দিবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৮, ২০২১ ৮:৫৬ অপরাহ্ন
কোরবানির পশুর যত্ন যেভাবে নিবেন
প্রাণিসম্পদ

পবিত্র কোরবানির আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি।  এরই মধ্যে পশুর বাজার জমে উঠেছে। অনেকে ঘুরে ঘুরে পছন্দ করছেন আবার কেউ কেউ কিনে ফেলেছেন। কোরবানির পশু আগে ভাগে কেনা ভালো। পশুর যত্ন ও পরিচর্যা নেয়া যায়। এর ফলে পশুর সঙ্গে কোরবানি দাতার একটা হৃদ্যিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। যা ভালোবাসা ও মায়ার রূপ নেয়।

কোরবানির পশুর যত্ন ও পরিচর্যায় কোরবানি দাতার সঙ্গে পশুর একটি হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। পশুর প্রতি কোরবানি দাতার ভালোবাসা ও মায়া জন্ম নেয়। সুতরাং কোরবানির (পশু হাট বা বাড়ি থেকে) কেনা থেকে শুরু করে কোরবানি করার আগ পর্যন্ত নানা ধাপে কষ্ট না দিয়ে পশুর যত্ন ও পরিচর্যা নেয়া আবশ্যক। কারণ এ পশু মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে তারই নামে উৎসর্গ করা হবে।

কেনার সময় থেকে জবাই করা পর্যন্ত নানা ধাপে পশুর যত্ন ও পরিচর্যা নিতে হবে। হাট থেকে পশু কেনার পর বাসা দূরে হলে পিকআপ ভ্যানে করে আনাই ভালো। সাধারণত হাটবাজারে ব্যবসায়ীরা পশুকে পর্যাপ্ত খাদ্য দেয় না। যার কারণে পশু এমনিতেই কিছুটা দুর্বল থাকে। আবার অনেক পশু হাঁটায় অভ্যস্ত থাকে না। এই অবস্থায় হাঁটিয়ে আনা হলে পশুর কষ্ট বেড়ে যায়। তাই পিকআপভ্যানে আনাই উত্তম।

ভুষি, খৈল, গাছের পাতা, ঘাস ও খড় আগে থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রস্তুত রাখতে হবে। এই সময়ে পশু ক্ষুধার্ত থাকে। হাঁটিয়ে আনলে পিপাসা ও ক্ষুধা আরও বৃদ্ধি পায়। তাই বাসায় আনার পরপর পশুকে খাদ্য ও পানীয় দিতে হবে।

পশুর গায়ে ময়লা থাকলে তাই বাসায় আনার পরে গোসল করানো উচিত। পশুর গায়ে হাত বুলিয়ে আদর করা যায়। পশুর প্রতি মমত্ববোধ ইসলামের শিক্ষা। কোরবানির পশুর প্রতি আরও বেশি মমত্ববোধ থাকা জরুরি। এই পশু আল্লাহর নামে উৎসর্গ করা হবে। আল্লাহর সামনে নিজের প্রিয় জিনিস উৎসর্গ করাই উত্তম। কেননা আল্লাহ তায়ালা বান্দার অন্তরের অবস্থা দেখেন।

পশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানে, শান্ত-শীতল পরিবেশে রাখতে হবে। স্যাঁতসেতে, অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা স্থানে না রাখা যাবে না। প্রতিদিন পশুর মলমূত্র ও উচ্ছিষ্ট খাবার পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা। পরিবেশ যেন দূষিত না হয়।

কোরবানির দিন ঈদের জামাতে যাবার আগে সকাল সকাল পশুকে গোসল করানো উচিত। যাতে গায়ে লেগে থাকা ময়লা-গোবর ইত্যাদি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

জবাই করার জন্য পশু শোয়ানোর সময় খুব বেশি ধস্তাধস্তি করা ঠিক নয়। কৌশলে যত্নের সঙ্গে শুইয়ে দেওয়া। শোয়ানোর পর দেরি না করে দ্রুত জবাই করা। পশু জবাই করার ক্ষেত্রেও বিশেষ যত্ন জরুরি। জবাই করার জন্য ধারালো ছুরি ব্যবহার করতে হবে। জবাইয়ের আগেই ছুরি ভালোভাবে ধারিয়ে নিতে হবে।

জবাইয়ের সময় যতটা সম্ভব পশুর প্রতি সহমর্মী থাকা ও সহজে জবাই করার চেষ্টা করা। এক পশুর সামনে অন্য পশুকে জবাই না করা। এতে জীবিত পশুর মধ্যে আতঙ্ক ও ভয় সৃষ্টি হয়। পশু কষ্ট পায়।

জবাই করার সময় মাথাকে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা মাকরুহ। এতে পশুকে অপ্রয়োজনীয় কষ্ট দেওয়া হয়। জবাইয়ের পরপরই চামড়া খসানোর জন্য তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না। পশু নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া খসানো উচিত নয়।

সর্বোপরি কোরবানির পশুকে কোনো প্রকার কষ্ট না দেওয়া। পশুর প্রতি সদয় ও দয়াবান হয়ে আল্লাহর নির্দেশ পালন করা এবং কেবলমাত্র আল্লাহর জন্যই কাজটা করছি তা মনে প্রাণে দৃঢ় রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৮, ২০২১ ২:৪৮ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর উপকারিতা
প্রাণিসম্পদ

গরু-ছাগল পালন এখন একাংশ মানুষ তাদের অর্থনৈতিক চাকা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে নিয়েছেন। বিশেষ করে কম দামে কিনতে পাওয়া যায় ছাগল। যা মোটামুটি গ্রামের প্রতিটা কৃষকের আছে। তারা ছাগল পালনে বড় কিছু করার প্রত্যাশায় এতে শ্রম দিয়ে থাকে। তবে এই শ্রমকে সফল করতে লাগবে অনেকগুলো পদ্ধতি। তম্মধ্যে অন্যতম হলো ছাগলকে খাওয়াতে হবে নিয়মিত কাঁচা ঘাস। কারণ ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। এছাড়াও ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা উপকার পাওয়া যায়।

ছাগলকে কাঁচা ঘাস কেন খাওয়ানো প্রয়োজন:
১। মনে রাখবনে কাঁচা ঘাস কিনতে হয় না। এটি তৈরি হয় প্রাকৃতিক উপায়ে। যার কারণে এতে খরচ নেই বললেই চলে। আর তাই অর্থনৈতিক দিক বিবেচেনায় ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ানো উচিত।

২। নিয়মিত ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ছাগলের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং ছাগল বেশি পরিমাণ দুধ প্রদান করতে সক্ষম হয়ে থাকে।

৩। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় বাচ্চা মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাদ্য হিসেবে ছাগলকে খাওয়ালে বাচ্চার মৃত্যু কম হয়।

৪। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের শরীর সঠিক সময়ে প্রজননে সক্ষম হয়। এর ফলে ছাগলের প্রজননের জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফল হওয়া যায়।

৫। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলকে দানাদার খাদ্য কম দেওয়া লাগে। সেজন্য ছাগলকে দানাদার খাদ্য প্রদান করতে হয় না। তাই ছাগলের জন্য দানাদার খাদ্য কেনার টাকা বেঁচে যায়।

৬। ছাগলকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল যখন বাচ্চা জন্ম দেয় তখন বাচ্চার ওজন সঠিক পাওয়া যায়। বাচ্চা সুস্থ সবল হয়ে জন্ম নেয়।

৭। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়। আর এর ফলে ছাগল অকালে মরা থেকে রক্ষা পায়।

৮। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের চিকিৎসা খরচ অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস খাওয়ার ফলে ছাগল জটিল কোন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়না। এর ফলে ছাগলের চিকিৎসার খরচ বেঁচে যায়।

ঘাস চাষ
ছাগলের জন্য ইপিল ইপিল, কাঁঠাল পাতা, খেসারি, মাসকলাই, দুর্বা, বাকসা ইত্যাদি দেশি ঘাসগুলো বেশ পুষ্টিকর। এছাড়া উচ্চফলনশীল নেপিয়ার, স্পেনডিডা, এন্ড্রোপোগন, পিকাটউলুম ইত্যাদি ঘাস চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৮, ২০২১ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
ট্রেনে চড়ে ঢাকায় আসছে কোরবানির গরু-ছাগল
প্রাণিসম্পদ

ট্রেনে চড়ে ঢাকায় আসছে কোরবানির গরু-ছাগল। কুরবানির পশু পরিবহণের জন্য রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেনে এই গরু-ছাগল আসছে। আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত এই ট্রেন সার্ভিস চলবে।

শনিবার এ ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধন করেন রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ।  রাজশাহী স্টেশন থেকে এই ট্রেনের উদ্বোধন করা হয়। এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে ট্রেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চারটি ওয়াগনে মোট ৮০টি গরু, রাজশাহী স্টেশন থেকে ১টি ওয়াগনে ২০টি গরু এবং বড়াল ব্রিজ স্টেশনে ১টি ওয়াগনে ১০০টি ছাগল বুক হয়েছে। ভাড়া আদায় হয়েছে ৬৮ হাজার ৩৮০ টাকা।

দেওয়ানগঞ্জবাজার স্টেশন ও ইসলামপুর স্টেশন থেকে মোট ৭৩৬টি গরু ও ২০টি ছাগল বুক করে ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেনে পরিবহণ করা হচ্ছে। পশুবাহী ৪৫-৫০টি ওয়াগন রোববার ভোর ৭টার মধ্যে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২১ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
দেশি জাতের গরুতে ভরা হাট
প্রাণিসম্পদ

বাজারগুলোতে ভরা দেশি গরু দিয়ে। মানুষ বেশিরভাগ প্রাধান্য দিচ্ছে এবারের কোরবানিতে দেখি গরু। সেই সুবাদের বিক্রেতাগণও দেশি গরু দিয়েই বসাচ্ছেন হাট। পুরান ঢাকার কয়েকটি কোরবানির পশুর হাটে দেখা মিলে বেশির ভাগই দেশি জাতের গরু । দুয়েকটি বিদেশি গরু দেখা গেলেও তা মিশ্র জাতের।

পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ খেলার মাঠ, হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি মাঠ, ধোলাইখাল এলাকায় বিভিন্ন জাতের দেশি গরু দেখা গেলেও মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম গরু দেখা যায়নি।এসব বাজারে চট্টগ্রামের লাল গরু, নর্থবেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, পাবনা ও কুষ্টিয়ার কিছু দেশি জাতের গরু দেখা গেছে।

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম বাজারে গরু নেই কেন জানতে চাইলে রহমতগঞ্জের বাসিন্দা শহিদুল হক সাবু জানান, এই জাতের গরু ঈদের আগের দিন হাটে উঠে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শেষ হয়ে যায়।

রহমতগঞ্জ হাটে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ১৫টি দেশি জাতের গরু নিয়ে এসেছেন বাবুল বেপারি।

তিনি জানান, বর্তমানে বাজারে দেশি জাতের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় সবগুলো গরুই দেশি। বাজারে সবাই এসে গরু দেখছে কিন্তু কিনছেন না কেউ। ‘রাজা বাবু’ নামে ঝালকাঠি থেকে একটি গরু নিয়ে এসেছেন নাসির; দাম হাঁকাচ্ছেন পাঁচ লাখ টাকা।

ফরিদপুরে সদরপুরের জব্বার এনেছেন চট্টগ্রাম লাল জাতের দেশি ১২টি গরু এনেছেন।ফরিদপুরের আটরশি থেকে ৬ দেশি গরু এনেছেন বাবুল বেপারি। কুষ্টিয়ায় গাংনীর রিপন বেপার দেশি গরুর পাশাপাশি শংকর গরুও এনেছেন।

কোরবানির হাটের নিরাপত্তার বিষয়ে লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার জসিম উদ্দিন জানান, পুলিশ সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছে আর কেউ যাতে প্রতারণার শিকার না হয়। জাল টাকা শনাক্ত করার মেশিনও রয়েছে হাটগুলোতে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
লৌহজংয়ে ৩১টি গরুসহ ট্রলারডুবি!
প্রাণিসম্পদ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের ধহরি খালে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ৩১টি গরু নিয়ে একটি গরুবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। ২৪টি গরু এলাকাবাসীর সহযোগিতায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত উদ্ধার করা হয়েছে একটি। এখনও ছয়টি গরু ও পশু বহনকারী ট্রলারটি নিখোঁজ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর থেকে গরুবোঝাই করে একটি ট্রলার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। লৌহজংয়ের ধহরি খালে আসলে অপরদিক থেকে আসা একটি বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ৩১টি গরু নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।ট্রলারে থাকা লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে ২৪টি গরুর রশি কেটে পারে উঠায়। মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় একটি গরু। এখনও ছয়টি গরু ও পশু বহনকারী ট্রলারটি নিখোঁজ রয়েছে।

এ সময় ট্রলারে থাকা চারজন গরু ব্যবসায়ী আহত হলে তাদেরকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বালিগাঁও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। লৌহজং থানা পুলিশ বালুবাহী বাল্কহেডটি আটক করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্রলারডুবির বিষয়টি নিশ্চিত করে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেওয়ান আমজাদ হোসেন জানান, লৌহজং থানা পুলিশ আমাদের খবর দিলে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজের জন্য ডুবুরি দল পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop