৩:০১ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১৮, ২০২১ ২:৪৮ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর উপকারিতা
প্রাণিসম্পদ

গরু-ছাগল পালন এখন একাংশ মানুষ তাদের অর্থনৈতিক চাকা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে নিয়েছেন। বিশেষ করে কম দামে কিনতে পাওয়া যায় ছাগল। যা মোটামুটি গ্রামের প্রতিটা কৃষকের আছে। তারা ছাগল পালনে বড় কিছু করার প্রত্যাশায় এতে শ্রম দিয়ে থাকে। তবে এই শ্রমকে সফল করতে লাগবে অনেকগুলো পদ্ধতি। তম্মধ্যে অন্যতম হলো ছাগলকে খাওয়াতে হবে নিয়মিত কাঁচা ঘাস। কারণ ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। এছাড়াও ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা উপকার পাওয়া যায়।

ছাগলকে কাঁচা ঘাস কেন খাওয়ানো প্রয়োজন:
১। মনে রাখবনে কাঁচা ঘাস কিনতে হয় না। এটি তৈরি হয় প্রাকৃতিক উপায়ে। যার কারণে এতে খরচ নেই বললেই চলে। আর তাই অর্থনৈতিক দিক বিবেচেনায় ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ানো উচিত।

২। নিয়মিত ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ছাগলের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং ছাগল বেশি পরিমাণ দুধ প্রদান করতে সক্ষম হয়ে থাকে।

৩। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় বাচ্চা মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাদ্য হিসেবে ছাগলকে খাওয়ালে বাচ্চার মৃত্যু কম হয়।

৪। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের শরীর সঠিক সময়ে প্রজননে সক্ষম হয়। এর ফলে ছাগলের প্রজননের জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফল হওয়া যায়।

৫। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলকে দানাদার খাদ্য কম দেওয়া লাগে। সেজন্য ছাগলকে দানাদার খাদ্য প্রদান করতে হয় না। তাই ছাগলের জন্য দানাদার খাদ্য কেনার টাকা বেঁচে যায়।

৬। ছাগলকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল যখন বাচ্চা জন্ম দেয় তখন বাচ্চার ওজন সঠিক পাওয়া যায়। বাচ্চা সুস্থ সবল হয়ে জন্ম নেয়।

৭। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়। আর এর ফলে ছাগল অকালে মরা থেকে রক্ষা পায়।

৮। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের চিকিৎসা খরচ অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস খাওয়ার ফলে ছাগল জটিল কোন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়না। এর ফলে ছাগলের চিকিৎসার খরচ বেঁচে যায়।

ঘাস চাষ
ছাগলের জন্য ইপিল ইপিল, কাঁঠাল পাতা, খেসারি, মাসকলাই, দুর্বা, বাকসা ইত্যাদি দেশি ঘাসগুলো বেশ পুষ্টিকর। এছাড়া উচ্চফলনশীল নেপিয়ার, স্পেনডিডা, এন্ড্রোপোগন, পিকাটউলুম ইত্যাদি ঘাস চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৮, ২০২১ ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
ট্রেনে চড়ে ঢাকায় আসছে কোরবানির গরু-ছাগল
প্রাণিসম্পদ

ট্রেনে চড়ে ঢাকায় আসছে কোরবানির গরু-ছাগল। কুরবানির পশু পরিবহণের জন্য রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেনে এই গরু-ছাগল আসছে। আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত এই ট্রেন সার্ভিস চলবে।

শনিবার এ ট্রেন সার্ভিস উদ্বোধন করেন রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মিহির কান্তি গুহ।  রাজশাহী স্টেশন থেকে এই ট্রেনের উদ্বোধন করা হয়। এদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে ট্রেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে চারটি ওয়াগনে মোট ৮০টি গরু, রাজশাহী স্টেশন থেকে ১টি ওয়াগনে ২০টি গরু এবং বড়াল ব্রিজ স্টেশনে ১টি ওয়াগনে ১০০টি ছাগল বুক হয়েছে। ভাড়া আদায় হয়েছে ৬৮ হাজার ৩৮০ টাকা।

দেওয়ানগঞ্জবাজার স্টেশন ও ইসলামপুর স্টেশন থেকে মোট ৭৩৬টি গরু ও ২০টি ছাগল বুক করে ‘ক্যাটল স্পেশাল’ ট্রেনে পরিবহণ করা হচ্ছে। পশুবাহী ৪৫-৫০টি ওয়াগন রোববার ভোর ৭টার মধ্যে কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২১ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
দেশি জাতের গরুতে ভরা হাট
প্রাণিসম্পদ

বাজারগুলোতে ভরা দেশি গরু দিয়ে। মানুষ বেশিরভাগ প্রাধান্য দিচ্ছে এবারের কোরবানিতে দেখি গরু। সেই সুবাদের বিক্রেতাগণও দেশি গরু দিয়েই বসাচ্ছেন হাট। পুরান ঢাকার কয়েকটি কোরবানির পশুর হাটে দেখা মিলে বেশির ভাগই দেশি জাতের গরু । দুয়েকটি বিদেশি গরু দেখা গেলেও তা মিশ্র জাতের।

পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জ খেলার মাঠ, হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি মাঠ, ধোলাইখাল এলাকায় বিভিন্ন জাতের দেশি গরু দেখা গেলেও মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম গরু দেখা যায়নি।এসব বাজারে চট্টগ্রামের লাল গরু, নর্থবেঙ্গল গ্রে ক্যাটল, পাবনা ও কুষ্টিয়ার কিছু দেশি জাতের গরু দেখা গেছে।

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম বাজারে গরু নেই কেন জানতে চাইলে রহমতগঞ্জের বাসিন্দা শহিদুল হক সাবু জানান, এই জাতের গরু ঈদের আগের দিন হাটে উঠে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শেষ হয়ে যায়।

রহমতগঞ্জ হাটে মেহেরপুরের গাংনী থেকে ১৫টি দেশি জাতের গরু নিয়ে এসেছেন বাবুল বেপারি।

তিনি জানান, বর্তমানে বাজারে দেশি জাতের গরুর চাহিদা বেশি থাকায় সবগুলো গরুই দেশি। বাজারে সবাই এসে গরু দেখছে কিন্তু কিনছেন না কেউ। ‘রাজা বাবু’ নামে ঝালকাঠি থেকে একটি গরু নিয়ে এসেছেন নাসির; দাম হাঁকাচ্ছেন পাঁচ লাখ টাকা।

ফরিদপুরে সদরপুরের জব্বার এনেছেন চট্টগ্রাম লাল জাতের দেশি ১২টি গরু এনেছেন।ফরিদপুরের আটরশি থেকে ৬ দেশি গরু এনেছেন বাবুল বেপারি। কুষ্টিয়ায় গাংনীর রিপন বেপার দেশি গরুর পাশাপাশি শংকর গরুও এনেছেন।

কোরবানির হাটের নিরাপত্তার বিষয়ে লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার জসিম উদ্দিন জানান, পুলিশ সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছে আর কেউ যাতে প্রতারণার শিকার না হয়। জাল টাকা শনাক্ত করার মেশিনও রয়েছে হাটগুলোতে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
লৌহজংয়ে ৩১টি গরুসহ ট্রলারডুবি!
প্রাণিসম্পদ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের ধহরি খালে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ৩১টি গরু নিয়ে একটি গরুবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। ২৪টি গরু এলাকাবাসীর সহযোগিতায় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত উদ্ধার করা হয়েছে একটি। এখনও ছয়টি গরু ও পশু বহনকারী ট্রলারটি নিখোঁজ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর থেকে গরুবোঝাই করে একটি ট্রলার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। লৌহজংয়ের ধহরি খালে আসলে অপরদিক থেকে আসা একটি বালুবাহী বাল্কহেডের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ৩১টি গরু নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।ট্রলারে থাকা লোকজনের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে ২৪টি গরুর রশি কেটে পারে উঠায়। মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় একটি গরু। এখনও ছয়টি গরু ও পশু বহনকারী ট্রলারটি নিখোঁজ রয়েছে।

এ সময় ট্রলারে থাকা চারজন গরু ব্যবসায়ী আহত হলে তাদেরকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বালিগাঁও স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। লৌহজং থানা পুলিশ বালুবাহী বাল্কহেডটি আটক করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্রলারডুবির বিষয়টি নিশ্চিত করে মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা দেওয়ান আমজাদ হোসেন জানান, লৌহজং থানা পুলিশ আমাদের খবর দিলে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজের জন্য ডুবুরি দল পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
যার উপর কোরবানি ওয়াজিব
প্রাণিসম্পদ

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলংকার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নেসাবের পরিমাণ হলো সোনার ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে এসবের মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রুপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। আল মুহিতুল বুরহানি : ৮/৪৫৫

আরো পড়ুন : জেনে নিন কোরবানির পশুর বয়সসীমা

নেসাবের মেয়াদ:
কুরবানীর নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কুরবানীর তিন দিন থাকলে এমনকি ১২ তারিখ সূর্যাস্তের কিছু আগে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে গেলেও কুরবানী ওয়াজিব হবে।-বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার ৬/৩১২)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
জেনে নিন কোরবানির পশুর বয়সসীমা
প্রাণিসম্পদ

ইসলাম সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থার নাম। ইসলামে সবকিছুর রয়েছে নির্ভূল এবং শৃঙ্খল সমাধান। কোরবানির পশুর বয়সেরও রয়েছে সঠিক সমাধান। আজ জানবো কোরবানির পশুর বয়সসীমা সম্পর্কে।

কোরবানির পশুর বয়সসীমা:

মাসআলা : উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। আর ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়সের হতে হবে।

উল্লেখ্য, ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কুরবানী জায়েয হবে না। -ফাতাওয়া কাযীখান ৩/৩৪৮; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৫-২০৬

মাসআলা : উট, গরু, মহিষ সাত ভাগে এবং সাতের কমে যেকোনো সংখ্যা যেমন দুই, তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কুরবানী করা জায়েয। অর্থাৎ কুরবানীর পশুতে এক সপ্তমাংশ বা এর অধিক যে কোন অংশে অংশীদার হওয়া জায়েয। এক্ষেত্রে ভগ্নাংশ- যেমন, দেড় ভাগ, আড়াই ভাগ, সাড়ে তিন ভাগ হলেও কোনো সমস্যা নেই। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩১৮; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৭

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
বাসে করে বাড়ি গেল কোরবানির গরু (ভিডিও)
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদ তথা ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪৬টি শর্ত মেনে এবার ঢাকাসহ সারাদেশে কোরবানির গরুর হাট বসেছে৷ ১৭ জুলাইর আগে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু হাটে গরু আনা শুরু হয়েছে ১০ দিন আগেই৷ এই সুযোগে অনেকেই শখের গরু কিনেও ফেলছেন। গরু কিনার পর তা বাড়ি নিয়ে যাওয়া নিয়েও ক্রেতাদের মাঝে দেখা যায় নানা রকম হতাশা। কেউতো আবার গরু বাসে করেই নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ি।

টানা লকডাউনের কারণে রাজধানীতে গরু আনা-নেওয়ায় জন্য পরিবহণ সংকট চলছে। তবুও গরু কিনে বাড়িতে আনার জন্য বিকল্প উপায় অবলম্বন করছেন কেউ কেউ।বৃহস্পতিবার এমনটাই দেখা গেল রাজধানী ঢাকায়। গরু আনার জন্য পরিবহণ না পেয়ে যাত্রীবাহি বাসের যাত্রীর বানিয়ে গরুকে নিয়ে আনলেন ক্রেতা।

ঘটনাটির ভিডিও রীতিমতো ফেসবুকে ভাইরাল। ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা গেছে, গাবতলী থেকে সদরঘাট রুটের ৮ নম্বর বাসে চড়িয়ে গরুকে নিয়ে এলেন ক্রেতা। বাস থেকে গরু নামতে দেখে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। অনেকে ভিডিও করেন। গরুটি বাস থেকে প্রথমে নামতেই চাইছিল না। চার-পাঁচজনের জোরজবরদস্তিতে গলার রশি টেনে, পিঠ চাপড়িয়ে একে বাস থেকে নামানো হয়।

ক্রেতারা জানান, ভ্যানম পিকআপ মেলেনি। তাই বাসেই আনতে হলো। গাবতলী থেকে কিনেছেন তারা। ১ লাখ ১০ হাজার টাকা গরুটির দাম বলে জানান ক্রেতারা।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে: বাসে করে বাড়ি গেল কোরবানির গরু

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ৭:২২ অপরাহ্ন
১৩ দিনে দুই লাখের বেশি পশু বিক্রি অনলাইনে!
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কঠোর বিধিনিষেধের মাঝে চলছে অনলাইনে ক্রয়-বিক্রয়। দেশে এ বছর কোরবানির পশু রয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫টি। গত ২ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ১৩ দিনে দুই লাখের বেশি পশু বিক্রি হয়েছে অনলাইনে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিভিন্ন অনলাইন বাজারে কোরবানির পশুর ছবি আপলোড হয়েছে ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬০টি। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রয় কার্যক্রম অগ্রগতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সূত্র জানায়, বুধবার একদিনেই ২৯ হাজার ৯৭টি পশু বিক্রি হয়েছে ১৮৩ কোটি আট লাখ ৪৬ হাজার ২৮৬ টাকায়। আর গত ১৩ দিনে মোট ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৯৩টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার বাজারমূল্য এক হাজার ৫১১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৮২২ টাকা। মোট বাজারের সংখ্যা এক হাজার ৭৭৮টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের দেওয়া তথ্য থেকৈ জানা যায়, অনলাইনে পশু বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে মোট এক লাখ ২৬ হাজার ৪৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার বাজারদর ৮৯৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

পরের স্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৮৫১টি পশু বিক্রি হয়েছে ২৬১ কোটি ৪২ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৭ টাকায়।

রাজশাহী বিভাগে ২৯ হাজার ৩০০ গবাদি পশু বিক্রি হয়েছে ১৬২ কোটি ২১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৯ টাকায়। খুলনা বিভাগে আট হাজার ১৪৮টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ৫৩ কোটি ৫৪ লাখ এক হাজার ২০০ টাকায়। বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৩৮৭টি গবাদি পশু বিক্রি হয়েছে নয় কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৪০০ টাকায়।

সিলেট বিভাগে দুই হাজার ২৫২টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ১৩ কোটি ৪২ লাখ ৭৩ হাজার ৫২৮ টাকায়। রংপুর বিভাগে ১৯ হাজার ৯২৫টি পশু বিক্রি হয়েছে ১১১ কোটি আট লাখ ৮২ হাজার ৮৫০ টাকায়। ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকায়।

মোট দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৯৩টি পশু বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে গবাদিপশুর সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ৭২৯টি এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৪৬ হাজার ২৬৪টি। সবমিলিয়ে কোরবানির মোট বাজারমূল্য এক হাজার ৫১১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৮২২ টাকা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সম্প্রসারণ শাখার পরিচালক ডা. দেবাশীষ দাশ জানান, সারাদেশে ৪৯৫টি উপজেলায় আমাদের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা অনলাইনে পশু বিক্রির কার্যক্রমে খামারিদের সহায়তা করছেন। কোনো খামারি চাইলে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে তাদের পশু অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
‘এক ক্লিকে হাট থেকে হাতে’
প্রাণিসম্পদ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ডিজিটাল হাট-এর স্লোগান হচ্ছে, ‘এক ক্লিকে হাট থেকে হাতে’। সেখানে বিভিন্ন অনলাইন হাট থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশি-বিদেশি নানা জাতের পশু বাছাই করা যাবে।

ডিজিটাল হাটে যেসব অনলাইন শপ রয়েছে সেগুলো থেকে পশু পছন্দ করে অনলাইনে পেমেন্ট দিয়ে কুরবানির পশু ক্রয় করা যাবে।গরুর পাশাপাশি ছাগল, ভেড়া, উট, দুম্বা, মহিষ-সবই রয়েছে এই ডিজিটাল হাটে। রয়েছে জেলা ভিত্তিক আলাদা হাটের লিংকও।

এছাড়া বাংলাদেশের কোন প্রান্তে কোন হাট কখন বসে সেই তথ্যও পাওয়া যাবে এই হাটে।

এদিকে ডিজিটাল হাট থেকে গরু কেনার পর সেটি ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দেবেন বিক্রেতা। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত গরু বেচা-কেনা হবে এই হাটে। এমনকি এই হাট থেকে গরু কেনার পর সেটি জবাই এবং প্রক্রিয়া ও প্যাকেট জাত করে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি শাহ ইমরান জানান, শুধু ক্রেতার বাসায় নয় বরং মাংস যাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে ঠিকানা দিলে তাদেরও ঘরে পৌঁছে দেয়ার মতো সেবা দিয়ে থাকে তার প্রতিষ্ঠান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ২:১০ অপরাহ্ন
২০টি দিয়ে শুরু করে একবছরে ২৫০ গরু-মহিষের মালিক এরশাদ
প্রাণিসম্পদ

২০টি গরু দিয়ে শুরু করে এক বছরের ব্যবধানে এখন প্রায় ২৫০টি গরু-মহিষের মালিক কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার রৌহা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা এরশাদ উদ্দিন।

জানা যায়, এরশাদ ২০২০ সালে করোনা মহামারি সংক্রমণে ২০টি গরু দিয়ে খামার শুরু করে বর্তমানে ২৫০টির মতো গরু-মহিষের মালিক। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করায় এক বছরের মধ্যেই তার খামারের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ বছর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এরশাদ উদ্দিনের জেসি এগ্রো খামার থেকে এরই মধ্যে দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকায় ১১০টি গরু বিক্রি হয়েছে।

গত মঙ্গলবার এসব গরু ট্রাকে চট্টগ্রামে নেওয়া হয়। আকৃতি অনুযায়ী এখানে দেড় থেকে চার লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে। খামারে আরও ৭০টি বড় আকারের গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত আছে।

খামার মালিক এরশাদ উদ্দিন জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তার খামারের সুনাম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে রুচিশীল ক্রেতা ও পাইকাররা আসছেন। অনেকে ফোনে যোগাযোগ করে ছবিও নিয়েছেন। এরই মধ্যে খামারের ১১০টি গরু বিক্রি হয়েছে।

গরুগুলোর সাইজ বিবেচনায় ৭০ হাজার থেকে চার লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। আরও ৭০ থেকে ৯০টি বড় আকারের গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশা করি, ভালো দাম পাবো।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, খামারটি পরিদর্শন করেছি। খুবই সুন্দর ও পরিপাটিভাবে সাজানো। আমাদের পক্ষ থেকে খামারের সার্বিক খোঁজখবর রাখা হয়। খামারের কর্মীদেরও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অর্গানিক পদ্ধতিতে দেশীয় শংকর জাতের গরু-মহিষ লালনপালন বেশ লাভজনক। এগুলোর মাংসও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop