৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ৫ অগাস্ট , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ৭:১৮ অপরাহ্ন
হাঁস-মাছ চাষে বছরে ২৭ লাখ টাকা আয় করেন ইমন
প্রাণিসম্পদ

ইমরুল কাওছার ইমন দৈনিক ভোরের ডাকের নিজস্ব প্রতিবেদক। স্বপ্ন ছিল সফল উদ্যোক্তা হবেন। আর এ স্বপ্ন নিয়েই ২০১৯ সালে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন মাছ চাষ। পাশাপাশি গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গায় মায়ের নামে গড়ে তুলেছেন হাঁসের খামার। হাঁস আর মাছ চাষে বছরে তার আয় হচ্ছে ২৭ লাখ টাকা।

জানা গেছে, স্বল্প পরিসরে ২০১৯ সালে একটি মাত্র পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন ইমন। মাছ চাষে দুই বছরে সফল হওয়ার পর তিনি পরিকল্পনা করেন ‘খাঁকি ক্যাম্পবেল’ জাতের হাঁস পালনের। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি করোনা মহামারির মাঝামাঝি সময়ে গড়ে তোলেন একটি হাঁসের খামার। হাঁসের ডিম বিক্রির টাকায় চার একর জমিতে তিনটি বিশাল পুকুরে পরিকল্পিতভাবে চাষ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। চার মাস পরপর মাছ বিক্রি থেকে তার আয় হচ্ছে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা। এ ছাড়া ডিম বিক্রি করে মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় হচ্ছে।

এর আগে ইমন ২০১৫ সালে ঢাকার গুলিস্তানে নিজের জমানো টাকা দিয়ে শার্ট তৈরির একটি ছোট্ট কারখানা শুরু করেন। প্রথম দিকে মাত্র তিনজন কর্মচারী নিয়ে কারখানা শুরু করলেও বর্তমানে ৫০ জনের বেশি লোক কাজ করছে তার কারখানায়। পাশাপাশি তিনি শান্তিনগরে একটি ট্রাভেল এজেন্সি খুলেছেন। ব্যবসার লাভের টাকায় বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস কেনেন তিনি। রাজধানীতে উবারের সঙ্গে চুক্তি করে যাত্রীসেবা দেয় মাইক্রোবাসগুলো।

একইসঙ্গে নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে দেশের নামকরা অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গড়ে তোলেন সম্পর্ক। এই সুবাদে এসব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ব্যবসার পণ্য প্রসার ঘটাতে ‘ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং’ এর কাজ শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন ক্লাবভিত্তিক টুর্নামেন্টসহ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জার্সি ও গ্যালারিতে ব্র্যান্ডিংয়ের (বিজ্ঞাপন) কাজ করেন তিনি।

তবে চলতি বছরের মার্চে এসে তার জীবনের সব হিসেব এলোমেলো হয়ে যায়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে ক্ষতি হতে থাকে একের পর এক ব্যবসায়। লকডাউনে গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ। উবারের গাড়ির চাকাও ঘোরেনি। সারাবিশ্বে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা ও ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে হাঁস ও মাছ চাষের পরিকল্পনা নেন তিনি। গড়ে তোলেন মায়ের নামে ‘হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্ম’।

স্থানীয়রা জানান, ইমনের ফার্মে বর্তমানে চার-পাঁচজন শ্রমিক রয়েছে। একটি পুকুরে এক পাশে চাষ করছেন মনোসেক্স তেলাপিয়া ও আরেক পাশে চাষ হচ্ছে থাই জাতের পাঙাশ। তার পাশে পানির ওপরে বাঁশ ও টিন দিয়ে মাচা বানিয়ে হাঁসের খামার করেছেন। এ ছাড়া আরেকটি পুকুরে চাষ হচ্ছে ভিয়েতনামি কৈ, হাইব্রিড শিং, বিদেশি মৃগেল, কালিবাউশ ও সরপুঁটি। অন্যটিতে চাষ হচ্ছে দেশি জাতের মাছ।

স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিন মিয়া জানান, ইমরুল কাওছার ইমন মূলত সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বেকার যুবকদের কীভাবে কাজে লাগানো যায় এমন ইচ্ছে ছিল তার অনেক দিনের। সেই ইচ্ছে থেকেই হাঁসের খামার দেন। খামারে ‘খাকি ক্যাম্পবেল’ জাতের এক হাজার হাঁস রয়েছে। এ হাঁস থেকে দৈনিক ৭০০- ৭৫০টি ডিম আসে। হাঁসের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে করছেন মাছ চাষ। ইতোমধ্যে তার খামারটি লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। এ ছাড়া তিন-চারজন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে।

খামারটি দেখভালের দায়িত্বে আছেন ইমনের ছোট ভাই নাহিদ আনসারী। তিনি বলেন, এই খামারের উদ্যোক্তা আমার বড় ভাই ইমরুল কাওছার ইমন। তিনি ঢাকায় থাকেন। মাঝে মাঝে খামারটি পরিদর্শন করার জন্য আসেন। আমি এই খামারটির সার্বিক দেখভাল করি। এ ছাড়া দুইজন কর্মচারী রয়েছে। তারা তিন বেলা হাঁসগুলোকে খাবার দেয়। পাশাপাশি পুকুরগুলোও দেখাশোনা করে। এক হাজার হাঁস থেকে প্রতিদিন ৭০০-৮০০ ডিম আসে। দুই দিন পরপর ডিমগুলো বিক্রি করে থাকি। বর্তমানে খামারটি লাভজনক অবস্থায় আছে।

হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরুল কাওসার ইমন বলেন, মূলত পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা নিয়ে পথচলা শুরু করেছি। বর্তমানে এক হাজার খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস এবং চার একর জমিতে দেশি-বিদেশি প্রজাতির নানা ধরনের মাছ চাষ করছি। বর্তমানে খামার ও পুকুরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১২ জন লোক কাজ করছে। আগামী বছরগুলোতে যা কয়েকগুণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় আরও অনেক খামার গড়ে উঠছে। প্রতিদিনই মানুষ নানা তথ্য নিতে খামারে আসছে। আমাদের অভিজ্ঞ কর্মীরাও বিভিন্ন খামারে গিয়ে বিনামূল্যে নানা ধরনের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে নিজের পাশাপাশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি বলেন, করোনার এই মহামারিতে উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছি। এর সুফল হিসেবে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অন্তত তারা দেশের বোঝা হয়ে থাকছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে, উদ্যোক্তা হতে হবে।

সম্প্রতি খামারটি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনি বলেন ‘প্রজেক্টটি দেখে আমি অভিভূত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ইমন যেভাবে কাজ করছে এটা সত্যিই অকল্পনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান কৃষিতে যেন যুবকরা কাজ করে নিজে স্বাবলম্বী হয় এবং অন্যকে কাজ দিতে পারে। আমি কৃষকলীগের একজন কর্মী হিসেবে, এলাকার এমপি হিসেবে ইমনের এই প্রজেক্টকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহযোগিতা করব।’
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ৬:৫৩ অপরাহ্ন
জালে ধরা পড়ল ১০ মণ ওজনের শাপলাপাতা মাছ
মৎস্য

বাগেরহাটে ১০ মণ ওজনের বিশালাকৃতির এক শাপলাপাতা মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট শহরের কেবি বাজারে জেলেরা মাছটি নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। মাছটি দেখতে অনেকেই বাজারে ভিড় জমান।

জানা যায়, অনুপ কুমার বিশ্বাসের আড়তে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি হয়। মাছ ব্যবসায়ী জাফর ও জাকির সরদার ৪৮ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন। তারা ৩৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি কেটে বিক্রি করবেন বলে জানান। এ জন্য এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে।

শহরের মাজার মোড় সংলগ্ন বাজারে আসা কেরামত আলী বলেন, মাইকে ১০ মণ ওজনের মাছ বিক্রির কথা শুনে বাজারে এসেছি। ২ কেজি কিনলাম, যদিও পুরো মাছটি দেখতে পারিনি।

অনুপ কুমার বিশ্বাস জানান, পাথরঘাটার মাছ ব্যবসায়ী মাসুম কোম্পানির জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় মাছ খুব কম পাওয়া যায়। তাছাড়া শাপলাপাতা মাছ খুবই সুস্বাদু। সাধারণত এক থেকে তিন মণ ওজনের এই মাছ পাওয়া যায়। যেগুলো খুচড়ো বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু
মৎস্য

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা দুইজন সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।

গতকাল সন্ধায় উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নে দুগনুই গ্রামের কাইলানীর হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- দুগনুই গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে রাকিব মিয়া (১৬) ও মুকলিব আলীর ছেলে সাইদুর মিয়া (৩০)।

রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্মল দেন।

স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, বিকেলে উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের দুগনুই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনে কাইলানীর হাওরে মাছ ধরতে যান রাকিব মিয়া ও সাইদুল মিয়া এবং তার কিশোরী মেয়ে। সন্ধ্যায় হালকা বৃষ্টির সাথে আকস্মিক বজ্রপাতে নৌকায় থাকা অবস্থায় দুইজন পানিতে পড়ে যান এবং নিখোঁজ হন।

সাইদুল মিয়ার মেয়ে তাদের দুইজনকে পানিতে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হতে দেখে কান্নাকাটি করে বাড়িতে এসে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। খবর পেয়ে স্বজনরা ও গ্রামবাসী হাওরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাদের লাশ উদ্ধার করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
কারেন্ট জালে মাছ ধরায় জরিমানা
মৎস্য

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অনুমোদনহীন এক করাতকল মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জোবায়ের হোসেন উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নগর ভাতগ্রাম বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন।

এছাড়া একই এলাকায় চায়না কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার অপরাধে একজনকে ২ হাজার টাকা এবং মাস্ক ব্যবহার না করায় তিনজনকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জোবায়ের হোসেন এ বিষয়ে বলেন, ‌‘জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১১:৩৭ অপরাহ্ন
হালদায় মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ
মৎস্য

বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রচুর বড়শি ও নিষিদ্ধ জাল বসানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ অভিযান চালান হাটহাজারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা।

জানা গেছে, হালদা সুরক্ষায় সরকার নদীটি ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করেছে। এর পরও একটি অসাধু চক্র হালদা নদী থেকে মা-মাছ শিকার, বালু উত্তোলন ও হালদার স্বাভাবিক জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয় এমন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সোমবারও একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে হালদায় বড়শি ও নিষিদ্ধ জাল বসিয়ে মাছ শিকার করছে- এমন খবরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও বড় মাছের বড়শি ও জাল বসানোর ভেলা এবং বাঁশ জব্দ করা হয়।

হাটহাজারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা জানান, আজ নদীর গড়দুয়ারা নয়াহাট থেকে শুরু হয়ে মেখল, ছিপাতলী, নাঙ্গলমোড়া, গুমানমর্দ্দন, ধলই ও ফটিকছড়ি অংশের সমিতিরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে আইডিএফ ও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন। প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
পদ্মায় ধরা পড়ল ৬০ কেজির ছুরি মাছ
মৎস্য

পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মায় এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ৬০ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির ছুরি মাছ। মাছটি ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

শনিবার ভোরে পদ্মা নদীর সাঁড়াঘাট এলাকায় মাছটি ধরা পড়ে।

ঈশ্বরদী বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছটি বাজারের আড়ত থেকে ১৭ হাজার টাকায় কিনে নেন রুবেল হোসেন নামে এক মাছ ব্যবসায়ী।

মাছ ব্যবসায়ী রুবেল হোসেন জানান, মাছটি রূপপুর প্রকল্পের গ্রিন সিটি এলাকায় ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি।

ঈশ্বরদী উপজেলা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি আনসারুল ইসলাম বলেন, ছুরি মূলত সামুদ্রিক মাছ। পদ্মা নদীতে পানি বাড়ার কারণে উজান থেকে আসা স্রোতে মাছটি হয়তো ভেসে এসেছে। মাছটি দেখার জন্য অনেক মানুষ ভিড় করেছেন বলেও জানান তিনি। মাছটি স্থানীয়ভাবে পাখি মাছ বলেও পরিচিত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
৩১ আগস্ট পর্যন্ত কাপ্তাই লেকে মাছ ধরা বন্ধ
মৎস্য

রাঙামাটির কাপ্তাই লেকে মাছ ধরার উপর চলমান নিষেধাজ্ঞা আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। ফলে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেলেরা ১ সেপ্টেম্বর থেকে মাছ ধরতে পারবে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার এবং বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) বিপণন ব্যবস্থাপক তৌহিদুল ইসলাম।

শনিবার (২১ আগস্ট) এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, মাছের নিরাপদ প্রজনন এবং পানির স্তর বাড়ানোর জন্য কাপ্তাই লেকে জাল ফেলা, মাছ বিক্রি ও পরিবহনের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল এক বিজ্ঞপ্তিতে স্থানীয় প্রশাসন, ১ মে থেকে কাপ্তাই লেকে জাল ফেলা, মাছ বিক্রি ও পরিবহনের উপর তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।কার্প মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করার জন্য জারি করা এ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ পরবর্তীতে দুই দফায় বাড়ানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
জালে ধরা পড়ল ২৭ কেজি ওজনের পোয়া মাছ
মৎস্য

কক্সবাজারের টেকনাফে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২৭ কেজি ওজনের একটি পোয়া মাছ। শনিবার ভোরে এফভি জোমান নামের একটি মাছ ধরার ট্রলারের জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

ট্রলারের মাঝি হোসেন আহমদ বলেন, সাগরে তিন দিন মাছ শিকারের সময় তেমন একটা মাছ পাওয়া যায়নি। হঠাৎ শনিবার ভোরে জালে একটি কালো পোয়া মাছ ধরা পড়ে। এরপর আমরা ট্রলার নিয়ে ঘাটে ফিরে আসি। এ সময় মাছটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় করেন। মাছটির ওজন ২৭ কেজি।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান, পোয়া মাছের পেটের ভেতর ‘পদনা’ নামে বিশেষ অংশ থাকে। স্থানীয় ভাষায় এটাকে ‘ফুলা’ বলে, যা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ‘পদনা’ শুকিয়ে ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে বিদেশে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হয়। ফলে পোয়া মাছের দাম ও চাহিদা বেশি।

এর আগে ১১ আগস্ট সেন্টমার্টিন দ্বীপে বড়শিতে ধরা পড়ে প্রায় ৮০ কেজি ওজনের একটি ‘ভোল মাছ’; যা ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ১১:১৭ অপরাহ্ন
যমুনায় ধরা পড়ল নয় ফুট লম্বা ৪৬ কেজি ওজনের মাছ
মৎস্য

পিঠে বিশাল আকারের পাখনা থাকায় কেউ বলছেন পাখি মাছ আবার কেউ বলছে গাং চ্যালা। তবে মাছটিকে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সেইল ফিশ বলছেন অনেকে। জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওনা ইউনিয়নের জগন্নাথগঞ্জ পুরাতন ঘাটে যমুনা নদীতে ৪৬ কেজি ওজনের এমন একটি সামুদ্রিক মাছের দেখা মিলেছে। এই মাছটিকে আগে কখনো দেখেনি এ অঞ্চলের মানুষ।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকালে সুরুজ হাওয়ালদার নামে এক ব্যক্তি মাছটি সিরাজগঞ্জের রোড থেকে কিনে নিয়ে আসেন। পরে তিনি স্থানীয়ভাবে এলাকার লোকজনের কাছে ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

প্রায় নয় ফুট লম্বা মাছটি ভোরে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী থেকে ধরা পড়ে বলে জানান সুরুজ হাওলাদার। এই সময় নতুন এই মাছটি দেখে উৎসুক অনেকে ভিড় করেছে।

শাহীন ব্যবসায়ী এত বড় পাখনাওয়ালা মাছ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, মাছটি আগে কখনো দেখিনি। এটি দেখতে পাখির মতো।

ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সেইল ফিশের বৈজ্ঞানিক নাম ‘ইস্টিওফোরাস প্ল্যাটিপটারাস’। সেইল ফিশের আরেকটি জাত রয়েছে আটলান্টিক সেইল ফিশ ‘ইস্টিওফোরাস অ্যালবিক্যানস’। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ন্যাশনাল ওশান সার্ভিসের তথ্যে দেখা যায়, অনেক মৎস্য বিশেষজ্ঞের মতে সেইল ফিশ মহাসাগরের সবচেয়ে দ্রুতগতির প্রাণী। মাছটি ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে, তথ্যসাপেক্ষে যা ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। নৌকার পালের মতো এর পৃষ্ঠীয় পাখনাটি দেখতে হয় বলে একে সেইল (পাল) ফিশ বলা হয়।

সুরুজ হাওলাদার জানান, শুক্রবার ভোররাতে রঞ্জিত নামে এক জেলে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে যান। ২-৩ ঘণ্টা পরে জালে বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে বলে ধারণা করেন তিনি। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার চেষ্টায় জাল টেনে নৌকায় তুলে দেখেন বড় এক পাখি মাছ ধরা পড়েছে। পরে দ্রুত মাছটি নৌকায় তুলে সোজা চলে আসেন মাছ বাজারে।

ঢাকা মৎস্য অধিদপ্তরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এস এম মহিব উল্যাহ ছবি দেখে জানান, মাছটির নাম সেইল ফিশ। সাগরের সবচেয়ে দ্রুতগামী কয়েকটি মাছের মধ্যে এটি একটি। এ মাছ সাড়ে ৩ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। মাছটি ১০০ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়ে থাকে। মাছের একটি পৃষ্ঠীয় পাখনা থাকে, যা অনেক বড় হয়। এতে অন্য কোনো মাছ তাকে দেখতে পায় না। মাছটি সাগর থেকে ভুলক্রমে নদীতে চলে আসতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
দুই গোলপাতা মাছের ওজন ১০৭ কেজি!
মৎস্য

পটুয়াখালীর গলাচিপা বাজারে বৃহস্পতিবার বিরল প্রজাতির ১০৭ কেজি ওজনের দুইটি গোলপাতা মাছ ওঠে। মাছগুলো দেখতে সেখানে উৎসুক মানুষের ভিড় লেগে যায়। জানা গেছে, গলাচিপার জেলে মো. সাগর মাঝি বাজারের বিশিষ্ট বরফ ব্যবসায়ী লিকন তালুকদারের কাছে মাছ বিক্রি করেন।

উপজেলার গোলখালী গ্রামের সাগর মাঝি জানান, উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বৃহস্পতিবার সকালে জেলেদের জালে এই গোলপাতা মাছ ধরা পড়ে। প্রায় সাত ফুট দৈর্ঘ্য ও দুই ফুট প্রস্থের এই মাছটি উপজেলার বিশিষ্ট বরফ ব্যবসায়ী লিকন তালুকদারের কাছে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

গলাচিপা মাছ বাজারের সভাপতি মো. চুন্নূ মৃধা বলেন, বাজারে এর আগে গোলপাতা মাছ এলেও এত বড় মাছ কেউ দেখেনি। এজন্য মাছটি দেখতে উৎসুক মানুষ ভিড় করেন।

গলাচিপা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সুশীল বিশ্বাস বলেন, বাজারে গোলপাতা মাছ আসার খবর পেয়ে আমিও একনজর দেখতে গিয়েছিলাম। এমন মাছ আমাদের এখানে দেখা যায় না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল নবী বলেন, এলাকার মানুষ এটিকে গোলপাতা মাছ নামে চিনলেও এটি এক ধরনের সেইল ফিশ। খেতে খুব সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ মাছ গভীর সমুদ্রে মাঝে মধ্যে দেখা যায়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop