১২:১২ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন বাড়াতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন বাড়াতে বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেছেন, ‘রেকর্ড উৎপাদন ও সর্বকালের সর্বোচ্চ সরকারি মজুদ থাকার পরও দেশে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। চাল আমাদের প্রধান খাদ্য। যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন আমাদেরকে বাড়াতে হবে। এ অবস্থায়, হাওর, উপকূলসহ প্রতিকূল এলাকায় ধানের চাষ সম্প্রসারণ এবং নতুন উদ্ভাবিত উচ্চ উৎপাদনশীল জাতগুলোকে দ্রুত মাঠে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মীসহ সকল কর্মকর্তাদের সমন্বিত ও নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে।’

রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রকল্প পরিচালক হওয়ার জন্য তদবির না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পেশাগত দক্ষতা, যোগ্যতা, নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার সামর্থ্যসহ নানা দিক বিবেচনা করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়। পিডি হয়ে অনিয়ম দুর্নীতি করে অনৈতিক সুযোগসুবিধা নিবেন ও পাবেন- এই আশায় তদবির করে পিডি হবেন না। আর যারা পিডি হয়েছেন, তাদেরকে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে প্রকল্পের অর্থ ব্যয় করতে হবে। সততা, নিষ্ঠা ও সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে।’

এ সময় সরেজমিনে কঠোরভাবে প্রকল্পের কাজ তদারকি করতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন কৃষিমন্ত্রী।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের সংখ্যা ৭১টি। মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ, যা জাতীয় গড় অগ্রগতিরে চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি। এ সময়ে জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ২৪ শতাংশ।

সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আবদুর রৌফ, কমলারঞ্জন দাশ, মো. রুহুল আমিন তালুকদার, বলাই কৃষ্ণ হাজরা, আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধান ও  প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৪:১৮ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে শৈত্যপ্রবাহে বোরো আবাদ ব্যাহতের আশঙ্কা
কৃষি বিভাগ

মাঘের শীতে কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। বিগত ৩ দিন ধরে অঞ্চলটিতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এতে জনজীবনের দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি ও সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, রোববার (৩০ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবারও (২৯ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই ছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সকালে কুয়াশা পড়লেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিলেছে। কিন্তু উত্তরে হিমেল হাওয়ার কারণে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

এ অবস্থায় সেচনির্ভর বোরো আবাদ নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। এ বিষয়ে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের দোয়ালীপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার জানান, ঠান্ডার কারণে বোরো আবাদ পিছিয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এখনো তিন ভাগের এক ভাগ জমিতে বোরোর চার রোপণ করতে পারিনি। কনকনে ঠান্ডার কারণে পানির মধ্যে চারা রোপণ করতে চাচ্ছেন না মজুররা। আগে চারা রোপণে বিঘাপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা মজুরদের দিতে হতো। এখন ২ হাজার টাকা চাইছে। তারপরও মজুর পাওয়া যাচ্ছে না।

শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার সময়ে চারা রোপণের বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন বোরোর চারা রোপণে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কারণ শৈত্যপ্রবাহের সময় রোপণকৃত চারা ‘ট্রান্সপ্লান্ট শক’ সহ্য করতে পারবে না। এতে চারার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের উপপরিচালক মো. আব্দুর রশীদ জানান, ঠান্ডা বেশি হলেও কুয়াশা কম থাকার পাশাপাশি রোদ উঠেছে। ফলে বোরো বীজতলার কোনো ক্ষতি এখন পর্যন্ত হয়নি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের তথ্য মতে, কুড়িগ্রামে এবার এক লাখ ১৫ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ১৪০ হেক্টরে বোরো চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ২:৫০ অপরাহ্ন
বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্তকরণে দ্বন্দ্বে পিটাক-কৃষি মন্ত্রণালয়
কৃষি বিভাগ

বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্তকরণ নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (পিটাক) ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় বলছে, যে কোনো দেশ থেকে বালাইনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের কোনো আইনি বাধা নেই। অথচ সেই সুযোগ বন্ধ রেখেছে পিটাক। এ অবস্থায় দেশীয় উৎপাদকদের জন্য বালাইনাশকের একাধিক উৎস পছন্দের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে বাদ সেধেছে পিটাক। তারা বলছে, উৎস উন্মুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কৃষিতে বেড়েছে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ। এসব মোকাবিলা করে অধিক ফলনের আশায় বালাইনাশক ব্যবহার করছেন কৃষকরা।

চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে বালাইনাশকের চার হাজার কোটির টাকার বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, যার ৮০ ভাগ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের দখলে। আর মাত্র ২০ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে প্রায় ৬০০ এর বেশি আমদানিকারক এবং ২২টি দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠান। উৎপাদকদের অভিযোগ, সরকারের বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির (পিটাক) বৈষম্যমূলক শর্তের কারণে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন তারা।

দেশে ফসলের মাকড় দমনে কার্যকরী বালাইনাশক সালফার। দেশীয় উৎপাদকরা বলছেন, চীনে প্রতি টন সালফারের দাম পড়ে ৭৫০ ডলার। বিপরীতে ভারতে খরচ পড়ে ৬৩৫ ডলার। সাধারণত একই মানের কাঁচামাল যেখানে কম দাম পাবেন ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে আমদানি করবেন। এক্ষেত্রে নেই আইনি বাধাও। অথচ পিটাকের ৭৭তম সভায় শর্ত আরোপ করে দেশীয় উৎপাদকদের উৎস পরিবর্তনের সুযোগ সীমাবদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। তবে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান চাইলে কান্ট্রি অব অরিজিন সার্টিফিকেট নিয়ে যেকোন দেশ থেকে পণ্য বা কাঁচামাল আনতে পারে।

এ বিষয়ে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, শুধু একটি পণ্যের উৎস পরিবর্তন করতে যদি ৪ বছর লাগে। অথচ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ল্যাবরেটরি পরীক্ষা করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই সেই উৎস পরিবর্তন করে চীনের পরিবর্তে ভারত থেকে আনতে পারবে। 

এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, পিটাকের দেওয়া শর্তের আইনি ভিত্তি নেই। তাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরকে বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম বলেন, যেহেতু আমরা চাচ্ছি যে, কৃষিপণ্য দেশের উৎপাদন করব স্থানীয়ভাবে এবং বিদেশে রফতানি করব। সেই সঙ্গে আমরা চাচ্ছি উৎস উন্মুক্ত করা হোক। একটি কমিটি হয়েছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এই বিষয়টি নিয়ে।

অপরদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করছে পিটাক। পিটাক বলছে, বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্ত করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব মো. আব্দুল মাজেদ বলেছেন, সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটিই। কোনো অবস্থাতেই এটিকে উন্মুক্ত করা যাবে না। উৎস পরিবর্তন করা যাবে। 

এদিকে পিটাকের বিরোধিতা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে চায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ১:৪৬ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সরকার
কৃষি বিভাগ

বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য কাজ করছে। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সে জন্য সবকিছু করা হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মন্ত্রী বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে এখন শীত বেশি। শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগের কারণে এ অঞ্চল থেকে মঙ্গা বিদায় নিয়েছে। একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। লালমনিরহাটে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চলছে। যাতে করে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান হয়, মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং মানুষের জীবন যাত্রার পরিবর্তন হয়।

লালমনিহাটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজ চলছে। লালমনিহাটও আজ উন্নয়ন থেকে বাইরে নয়। দেশের গ্রামগুলো এখন শহরে পরিনত হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (২৯ জানুয়ারি) লালমনিহাটের শেখ সফিউদ্দিন কমার্স কলেজ প্রঙ্গনে রোটারি ক্লাব অব লালমনিরহাট আয়োজিত এবং ঢাকার ৫টি রোটারি ক্লাবের সহযোগীতায় লালমনিরহাটের শীতার্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার প্রকপ বাড়ছে। সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে হবে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সকলের প্রচেষ্টা ও আন্তরিক ইচ্ছা ছাড়া এ মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী কলেজ প্রঙ্গনে বৃক্ষ রোপন করেন, মাস্ক বিতরন ও বিনা মূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প এর উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
ভৈরবে বোরো চাষের ব্যস্ততা
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভৈরবের কৃষকরা। চলছে চারা পরিচর্যা ও রোপণের কাজ। এবছর ভালো ফলন ও কাক্সিক্ষত দাম আশা করছেন চাষিরা।

ভৈরবের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ এখন ধানের চারায় ভরপুর। পুরো মাঠ যেন সবুজের গালিচা। চলছে চারা উত্তোলন, রোপন, সেচ ও সার দেয়ার ব্যস্ততা। এবছর ভৈরবের শ্রী-নগর, আগানগর, সাদেকপুর ও জোয়ানশাহী হাওরের প্রায় ৫ হাজার ৮’শ ৫০ হেক্টর জমিতে চাষ করা হচ্ছে বোরো ধান।

এবার ধানের দাম বেশি হওয়ায় বোরো চাষে ঝুঁকছে ভৈরবের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।

চাষীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকলিমা বেগম।

অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত সুবিধা পেলে বোরো চাষ ও ধানের উৎপাদন বাড়বে আশা করছেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ৪:৫৯ অপরাহ্ন
দক্ষ জনবলের অভাবে খাদ্যে ভেজাল বন্ধ হচ্ছে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দক্ষ জনবলের অভাবে খাদ্যে ভেজাল বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার সকালে এফডিসিতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ছায়া সংসদের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, খাদ্যের মান ভালো রাখাসহ ভেজাল মুক্ত করতে উদ্যোগ শুরু হয়েছে। তবে অসংগতি কমাতে সময় আরও প্রয়োজন।’

এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্যে ফরমালিন থাকতেই পারে। সঠিক পরিমাণের ফরমালিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর না। সেভ ফুড অথরিটি সেটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, দিনমজুরের দাম বাড়ায় যান্ত্রিকীকরণের দিকে ঝুঁকছে মানুষ। তাই তিন হাজার কোটি টাকা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মানুষের ক্যান্সার হয়েছে সবই যে ভেজাল খাদ্য খেয়ে হয়েছে তা না। যাদের হয়েছে তারা হয়তো তামাক খায় আরও অন্যান্য কারন তারপরও খাদ্যটাকে আমাদের নিরাপদ করতে হবে। নিরাপদ খাদ্যকে সবসময় গুরুত্ব দিতে হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ৪:২০ অপরাহ্ন
শিমের রাজ্যে চাষিদের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

নোয়াখালীর উপকূলীয় উপজেলা সূবর্ণচরে চলতি শীতে শিমের বাম্পার ফলন হয়েছে। শত শত হেক্টর জমিতে শুধু শিম আর শিম।যেন শিমের রাজ্য সূবর্ণচর! শিমের ভালো বাজার মূল্য পেয়ে খুশি চাষিরা। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় শিম চাষ করে এখন হাজারও চাষির মুখে হাসি ফুটেছে।

শীত মৌসুমের অন্যতম প্রধান সবজি শিম। চলতি মৌসুমে নোয়াখালীর শস্যভাণ্ডার খ্যাত সূবর্ণচরের বিস্তীর্ণ মাঠ, জমি ও ঘেরের আইলে সর্জন পদ্ধতিতে মাচায় শিম চাষ করা হয়েছে। উপজেলার মোহাম্মদপুর ও চরকার্ক ইউনিয়নের যেদিকে দৃষ্টি যায়, সেদিকেই সবুজ-বেগুনী রংয়ের শিমের সৌন্দর্য। চলতি মৌসুমের পুরোটা জুড়ে থাকবে শিমের এই আবাদ। যদিও এ পর্যন্ত কয়েক দফা শিমের ফলন তোলা হয়েছে। তবে এখনও ফুল আসায় ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত প্রায় একইরকম ফলন হবে।

এবার সূর্বণচরে কৃষি অফিস থেকে সরবরাহ করা উচ্চ ফলনশীল জাত হইট্রা, বারি শিম, বিইউ শিম, ইপসা শিমসহ দেশীয় জাতের শিমের আবাদ করা হয়েছে। আগে বৃষ্টির পানিতে অথবা শিশিরে ফুল ভিজে শিম পঁচে যেত। বর্তমানে শিমের উন্নত জাত উদ্ভাবনের কারণে ওই সমস্যা নেই, কোনও ধরনের ঝামেলা ছাড়াই চাষ করা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, সূবর্ণচরে চলতি শীত মৌসুমে দুই হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে শিমের চাষ করেছেন সহস্রাধিক চাষি। প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ২৫ টন করে প্রায় পাঁচ হাজার ২৫০ টন শিম উৎপাদন হবে। বর্তমানে বাজারে শিমের ভালো দাম রয়েছে। মাসখানেক আগে শিমের প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০-১২০ টাকায়, এখন তা নেমেছে ৪০-৫০ টাকায়।

কিছুদিন আগেও বাড়ির আঙ্গিনায় সীমিত পরিসরে শিম চাষ করা হতো। এখন চাহিদা বেড়েছে, ফলনও বেড়েছে। ফলে কৃষি বিভাগের পরামর্শে অনাবাদী পতিত জমিকে আবাদী জমিতে রূপান্তরিত করে শিমের আবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয় শিম চাষিরা জানান, সূবর্ণচরের যে চাষি আগে এক একর জমিতে শিমের আবাদ করতেন, এখন তিনি তিন-চার একর জমিতে শিমের আবাদ করছেন। তারা জানান, কৃষি অফিস থেকে পরামর্শের পাশাপাশি সার ও বীজ পাচ্ছেন তারা। আর এবার শিমের ভালো দাম পেয়েছেন। বাকি মৌসুমেও লাভবান হবেন বলে আশা তাদের।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় চাষিরা শিম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলতি মৌসুমে শুধুমাত্র উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নেই ৯০০ হেক্টর জমিতে শিমের আবাদ হয়েছে। আগামী বছর তা ১২০০-১৫০০ হেক্টর পর্যন্ত বাড়ানের লক্ষ্য রয়েছে। তখন উৎপাদন আরও বাড়বে।

সূবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে সর্জন পদ্ধতিতে শিমের আবাদ হয়েছে। এর সিংহ ভাগ আবাদ হয়েছে চরকার্ক ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে। সর্জন পদ্ধতিতে নিচে মাছ, ওপরে মাচায় শিম। দুর্যোগপ্রবণ ও লবণাক্ত এলাকা হওয়ায় চাষিরা জমিগুলোকে চার ফসলি জমিতে রূপান্তর করেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের কৃষি বান্ধব নীতি ও পরিকল্পনার কারণে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের শিমসহ নানা ধরনের সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে। তারা লাভবানও হচ্ছেন। কৃষিতে থেকে অর্জিত আয় দিয়েই তাদের পরিবার চলছে। পড়ালেখা করছে সন্তানরা। সব ব্যয় মিটিয়ে প্রতিবছর তাদের হাতে পুঁজিও থাকছে। এ কারণেই চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ কৃষকের উন্নয়ন হলেই কৃষির উন্নয়ন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ২:১৯ অপরাহ্ন
নওগাঁর বদলগাছীতে বেড়েছে গম চাষ
কৃষি বিভাগ

বদলগাছীতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে গম চাষাবাদ হয়েছে। উপজেলার মথুরাপুর, বালুভরা, আধাইপুর, পাহাড়পুর, মিঠাপুর কোলা, বিলাশবাড়ী ও বদলগাছী ইউনিয়নের মাঠে ব্যাপক হারে চাষ করা হয়েছে গম। 

উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউনিয়নের হলুদ বিহার গ্রামের মজিদুল, বাবলুসহ অনেক কৃষক বলেন, বর্তমান ফসল উত্তোলনের সময় বাজারে ধানের দাম কম থাকায় ধান উৎপাদন করে খরচের টাকা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে ধানের থেকে গমের দাম বেশি থাকায় ও গম চাষে কম খরচ করে লাভ অনেক বেশি হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা গম চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

আধাইপুর ইউনিয়নের কৃষক ইউনুছার রহমান বলেন, বদলগাছী কৃষি অধিদপ্তর থেকে এলাকার কৃষকদের গম চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধকরণ সভা করছে। বাজারে ধানের দাম অনেক কম। ফলে এলাকায় এবার গম চাষাবাদ অনেক বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮৬০ হেক্টর। অর্জিত হয়েছে ৯০০ হেক্টর।

বদলগাছী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন, গম চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। গম চাষে উদ্বুদ্ধ করতে কৃষকদের নিয়ে কৃষি অধিদপ্তর থেকে উদ্বুদ্ধকরণ সভা চালিয়ে যাচ্ছি। চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গমের বাম্পার ফলন হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১:৩৯ অপরাহ্ন
মাটির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মাটির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত ও বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতে উন্নতদেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে জোরালো কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তাদেরকে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশের পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ‘বার্লিন কৃষিমন্ত্রীদের সম্মেলনে’তিনি এ সব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এ সম্মেলনে যোগ দেন।  জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারের (বিএমইএল) আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী (২৪-২৮ জানুয়ারি) ১৪তম ‘গ্লোবাল ফোরাম ফর ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার (জিএফএফএ)’ এর শেষ দিনে কৃষিমন্ত্রীদের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। করোনার  কারণে এবার ভার্চুয়ালি কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সম্মেলনে বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশের কৃষিমন্ত্রী ও ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা  অংশগ্রহণ করেন।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বাংলাদেশে মাটির টেকসই ব্যবহারের নানা চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই ব্যবহার অনেক চ্যালেঞ্জিং। ক্রমবর্ধমান খাদ্য চাহিদা মেটাতে মাটির অতিরিক্ত ব্যবহার, মাটির অবক্ষয়, দূষণ, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন, মাটির পুষ্টি উপাদানের অবক্ষয়, মাটি ক্ষয় প্রভৃতি সমস্যা রয়েছে। তাছাড়া, নগরায়ন, শিল্পায়নসহ নানা কারণে বছরে কৃষি জমি কমছে ০. ৪৩ শতাংশ হারে। বাংলাদেশ সরকার মাটির টেকসই ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে।

সম্মেলনে জার্মান ফেডারেল মিনিস্টার অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অজদেমির, কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিষয়ক ইইউ কমিশনার জানুস্জ উজসিচোস্কি, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার উপমহাপরিচালক জ্যাঁ মেরি পগাম  ও বিভিন্ন দেশের কৃষিমন্ত্রীরা বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের জানান হয়, বৈশ্বিক খাদ্য উৎপাদনের ৭০ শতাংশ মাটির উপর নির্ভরশীল। সারা বিশ্বের মাটিই আজ হুমকির সম্মুখীন। নগরায়ন, শিল্পায়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, জমির উৎপাদনশীলতা হ্রাস, দূষণ, লবণাক্ততা, মরুকরণ নানা কারণে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে বেশি জমি প্রয়োজন, কারণ খাদ্য চাহিদা বাড়ছে। এ বিষয়কে সামনে রেখে গত পাঁচ দিনে বিভিন্ন দেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা একটি ‘যৌথ ইশতেহার’ প্রস্তুত করেন। মাটির টেকসই ব্যবহার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে যৌথ ইশতেহারে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ২৯টি বিষয়ে (কল ফর অ্যাকশন) একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

সম্মেলনে ৪টা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আলোচনা ও করণীয় নির্ধারিত হয়। প্রথমত, মাটির অবক্ষয়রোধ করণীয়। মৃত্তিকার গুণাগুণ ও বাস্তুতন্ত্রকে কীভাবে রক্ষা করা যায়। কারণ, এক-তৃতীয়াংশ প্রজাতি মাটির নিচে বসবাস করে।

দ্বিতীয়ত, অবক্ষয়সাধিত মাটির উন্নয়ন। এফএওর হিসেবে ইতোমধ্যে  বিশ্বের ৩৩ শতাংশ মাটি অবক্ষয় সাধিত/ডিগ্রেডেড হয়েছে, যা উদ্বেগজনক। কারণ, ১০ সেমি মাটির উন্নয়ন করতে প্রায় ২০০০ বছর লাগে। এছাড়া, মাটির অবক্ষয়ের কারণে আগামী ২৫ বছরে খাদ্যর দাম ৩০ বৃদ্ধির আশংকা করা হচ্ছে।

তৃতীয়ত, সীমিত জমির টেকসই ব্যবহার ও কৃষি জমিকে কীভাবে রক্ষা করা যায়।

চতুর্থত, কৃষকেরা কীভাবে জমির মালিকানা পেতে পারে। প্রকৃত কৃষকের নিকট জমির মালিকানা থাকলেই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব হবে। অথচ, ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ৫ বছরে বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন মানুষ তাদের নিজস্ব জমি থেকে মালিকানা হারাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ১:০৭ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে পেঁয়াজ চাষে কৃষকের মাঝে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে
কৃষি বিভাগ

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে ২০২১-২২ রবি ফসল চাষ মৌসুমে ৮৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। পেঁয়াজ লাগানোর কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে।

বিগত বছর গুলোতে পেঁয়াজ চাষে তেমন আগ্রহ না থাকলেও বর্তমান সময়ে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়া ও বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ার কারনে কৃষকদের মাঝে পেয়াঁজ চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জয়পুরহাট জেলায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৯৯৫ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৮৪৫ হেক্টর, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে এক হাজার ২০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯ শ হেক্টর, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ৯২০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯শ হেক্টর, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৯ শ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয় ৯১০ হেক্টর, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৯১০ হেক্টর লক্ষ্যমার বিপরীতে চাষ হয়েছে ৯৩০ হেক্টরে, ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৯৩০ হেক্টরের বিপরীতে চাষ হয়েছে ৯৩৫ হেক্টর এবং চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৯০০ হেক্টর জমির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বুধবার পর্যন্ত চাষ হয়েছে ৮৫০ হেক্টর।

চলতি মৌসুমের চারা পেঁয়াজের রোপণ কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে বলে জানায়, কৃষি বিভাগ ।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে জেলায় এবার পেঁয়াজ চাষ সফল করতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: কায়ছার ইকবাল বলেন, বাজারে এবার পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঠ পর্যায়ে র্কষকদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop