৪:২৩ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ৩:৪২ অপরাহ্ন
ব্রিতে “আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি” বিষয়ক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) “আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি” বিষয়ে দুই মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো: শাহজাহান কবীর প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করেন।গাজীপুরে ব্রি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ ভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রশিক্ষণ বিভাগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রশিক্ষণ বিভাগের মুখ্যবৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (চ.দা.) ও প্রধান ড. মো:শাহাদাত হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো: আবু বকর ছিদ্দিক। অনুষ্ঠানে ব্রির সকল বিভাগীয় প্রধানগণ এবং ব্রি বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. মো: শাহজাহান কবীর বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব কৃষিবিজ্ঞানীদের হাতধরেই বাস্তবায়ন হবে।আপনাদের হাত ধরেই দেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। সুতরাং এই প্রশিক্ষণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধুনিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তিসম্পর্কে নতুন অনেক জ্ঞান অর্জন করার সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।এই অর্জন ধরে রাখা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান দিয়ে আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আরও সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠানে ব্রির মহাপরিচালক দেশও জাতির কল্যাণে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহবান জানান।এ সময় তিনি প্রশিক্ষণে যারা ভাল ফলাফল করবেন তাদের বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং ডিজি (মহাপরিচালক) এ্যাওয়ার্ড দেয়ার ও ঘোষণা দেন।

প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন ব্রির নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত বিজ্ঞানীসহ মোট ৩৪ জন বিজ্ঞানীর প্রশিক্ষণ চলবে ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২২ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিবচরে শঙ্কা কাটিয়ে ভালো ফলনের আশা সরিষা চাষির
কৃষি বিভাগ

মাদারীপুর শিবচরে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হলুদের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায় হলুদ আর হলুদ। সরিষা ফুলের হলুদ রঙের আভায় ছেয়ে গেছে গোটা ফসলের মাঠ। শিবচর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সরিষার ব্যাপক চাষ হয়েছে।

তবে চলতি মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ জাওয়াদের প্রভাবে কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছেন সরিষা চাষিরা। তবে যথাসময়ে সরিষা ঘরে তুলতে পারলে ও ভালো দাম পেলে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা করছেন শিবচর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

শিবচর উপজেলার সন্যাসীচর, কাদরিপুর, চরজানাজাতইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে শোভা পাচ্ছে সরিষাখেত। দূর থেকে দেখলে মনে হবে বিশাল এক হলুদের চাদরে ঢেকে আছে ফসলের মাঠ।

সরিষাচাষি মিন্টু হাওলাদার বলেন, সরিষা চাষে শ্রম ও খরচ দুই-ই কম। তাই সরিষা চাষ করেছি। তবে এ বছর ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে।

চাষি আলমগীর হোসেন বলেন, সরিষা এবার ভালোই হইছিল। মাঝে টানা বৃষ্টিতে জমিতে পানি মজে অনেক গাছ মরে গেছে। তাই এবার সরিষা কম উৎপাদন হবে।

তবে অনেক চাষিই আশা করছেন শেষ পর্যন্ত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

শিবচর উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। গত বছর এ উপজেলায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ বেশি হয়েছে। একই জমিতে বছরে একাধিক ফসল ফলাতে কৃষিতে সকল ফসলের প্রণোদনার অংশ হিসেবে সরিষা ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপম রায় বলেন, উপজেলার কৃষকদের মাঝে সরকারিভাবে সরিষা বীজ প্রদান করাসহ উপজেলা বিভিন্ন গ্রামে বা ক্ষেত পরিদর্শনসহ ভালো ফলন পেতে কৃষকদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে আসছি। এ বছরে ৩ হাজার ২শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। ফলে শিবচর উপজেলার তৈল জাতীয় শস্য উৎপাদনে নিবিড়তা বৃদ্ধি করতে সরিষা চাষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ৪:৫৯ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলায় খিরা চাষের উপযোগী আবহাওয়া থাকায় এবার সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত । খিরা চাষ করে বাম্পার ফলন ও আশাতীত ভালো দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। প্রতিমণ খিরা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে আটশ’ থেকে এক হাজার টাকায়। যা উৎপাদন খরচের চেয়ে তিন গুণ বেশি। অল্প সময়ে স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় প্রতিবছরই খিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন নতুন নতুন কৃষক।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এ বছর প্রায় ৫শ’ হেক্টর জমিতে খিরা চাষাবাদ করা হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়। উপজেলার মাঠে মাঠে কৃষকরা এখন খিরার জমিতে পরিচর্যায় ব্যস্ত। পরিবারে ছোট থেকে বড় সবাই অবিরাম খিরার জমিতে কেউ পরিচর্যায় ব্যস্ত, কেউবা খিরা তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে।

দাউদকান্দি উপজেলার গঙ্গাপ্রসেদ, বাহেরচর, হাসনাবাদ, গোলাপিরচর, চাঙ্গকান্দি, চরবাউইসা মাঠের পর মাঠ খিরার চাষাবাদ করা হয়েছে। সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত। ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে খিরা উঠতে শুরু করেছে। দামও বেশ ভালো। জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে চাষিদের নিয়ে আসা খিরা ক্রয় করে ব্যাপারীরা ট্রাকযোগে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে তারা লাভবান হচ্ছেন। আগাম শীতকালীন ফসল হিসেবে খিরা চাষাবাদ করে কয়েক হাজার কৃষক এখন সচ্ছল স্বাবলম্বী।

সরেজমিন উপজেলার বাহেরচর, হাসনাবাদ খিরার মাঠে গিয়ে কথা হয় খিরা চাষি জাবেদ মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে অধিক লাভ হওয়ায় এ চাষাবাদের প্রতি তার ঝোঁক। একবিঘা জমিতে খিরার চাষ করতে তার ১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাজারজাত করতে শ্রমিক খরচ আরও ৮ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়েছে। তবে ক্ষুদ্র বর্গাচাষিরা প্রতিবিঘা জমি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বর্গা নিয়ে আবাদ করায় তাদের খরচ আরও বেশি হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০ দিনে তিনি প্রায় ৫৫ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। ক্ষেত থেকে তোলা যাবে আরও প্রায় ৩৫-৪০ হাজার টাকার খিরা।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, খিরা চাষে দ্বিগুন লাভ। আমরা কৃষি অফিস থেকে খিরা চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়ার কারনে এ এলাকায় দিন দিন খিরা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ৪:০৭ অপরাহ্ন
ব্রহ্মপুত্র চরে বাদামের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

ব্রহ্মপুত্র কখনো কেড়ে নেয় ভিটামাটি। কখনো এর পানি ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঘরবাড়ি, দেয় দুঃখ-কষ্ট, করে নিঃস্ব। আবার এর চর কখনো দেখায় সুখের স্বপ্ন, মুখে ফোটায় হাসি। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দুঃখ-কষ্টের পর এবার ব্রহ্মপুত্রের চর কৃষকদের দেখাচ্ছে সুখের স্বপ্ন। ফুটিয়ে তুলেছে কৃষকের মুখে হাসি। ব্রহ্মপুত্রে ধু-ধু বালুচর। চিকচিক বালুকণার বুকে লতানো সবুজ গাছ।

গাছের মুঠি ধরে টান দিলেই উঠে আসে থোঁকা থোঁকা বাদাম। যার রং সোনালি। যেন বালুর নিচে লুকানো মুঠোভরা সোনা। অক্লান্ত পরিশ্রমে ফলানো হয়েছে এই ফসল। এবার বালুচরে এই ফসলের হয়েছে বাম্পার ফলন। হাসি ছড়িয়ে পড়েছে কৃষকের চোখে-মুখে।

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের বালি, পলি দো-আঁশ মাটিতে এ বছর বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। চিনাবাদাম তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে বাদামের দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি।

চিলমারী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র নদীবেষ্টিত চর এলাকায় ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তা ছড়িয়ে ১ হাজার ৪০৬ হেক্টরে ছড়িয়েছে জানান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. জাহিদ হোসেন আনছারী।

চরের বালুতে প্রতি হেক্টর জমিতে বাদাম হচ্ছে ২০-২৫ মণ। আর প্রতিমণ কাঁচা বাদাম ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবং শুকানোর পর ২ থেকে ৩ হাজার টাকা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা ধানের চেয়ে অনেক লাভজনক জানান কৃষকরা। দেশের বিভিন্ন এলাকার বাদাম ব্যবসায়ীরা এখন চিলমারীর চর থেকেই বাদাম কিনছেন। এ বছর চিলমারী, নয়ারহাট, অষ্টমীর চর, পাত্রখাতা চরে বাদামের চাষ করা হয়েছে।

নয়ারহাট, চিলমারী ও অষ্টমীর চরের বাদাম চাষিরা জানান, এ বছর কোনো রোগ বালাই না থাকায় বাদামের গাছ নষ্ট হয়নি। তাই আগাম জাতের চিনাবাদাম অনেক ভালো হয়েছে। দামও বেশ ভালো।

তারা আরও জানায় কিছুদিন আগে এই ব্রহ্মপুত্র ভয়ঙ্কর রূপ কেড়ে নিয়েছে ভিটামাটি, ফসল, ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি আর এখন তার আরেক রূপ আমাদের দিচ্ছে সুখের হাসি।

উপজেলা কৃষি অফিসার কুমার প্রণয় বিষান দাশ বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাদামের ফলন ভালো হয়েছে। এবং ধীরে ধীরে বাদাম চাষ বৃদ্ধিও পাচ্ছে। ইতিমধ্যে চিনাবাদাম তোলা শুরু করেছেন কৃষকরা। এতে চরাঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজার কৃষক পরিবারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ৩:৫০ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে ভারতীয় জাতের পেঁয়াজ চাষ
কৃষি বিভাগ

দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়িয়ে আদমানি নির্ভরতা কমানোর জন্য শুরু হয়েছে এন-ফিফটি থ্রি নামের একটি ভারতীয় জাতের পেঁয়াজের চাষ। দিনাজপুরসহ কয়েকটি জেলায় এবার উচ্চফলনশীল জাতের এই পেঁয়াজের আবাদ শুরু হয়েছে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই উদ্যোগ সফল হলে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন অনেক বাড়বে। পেঁয়াজের নতুন এই জাত নিয়ে আশাবাদী চাষীরাও।

কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী প্রতিবছর দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ৩৫ লাখ মেট্রিক টন। আর দেশে উৎপাদন হয় ২০ থেকে ২২ লাখ মেট্রিক টন, যা চাহিদার ৫৭ শতাংশ। বাকী চাহিদা পূরণের জন্য আমদানির উপরই নির্ভর করতে হয়। ফলে বাজারে কখনও কখনও অস্থিরতা দেখা দেয়।

কৃষি নির্ভর দেশে পেঁয়াজের এমন সংকট কাটাতে এন-ফিফটি থ্রি নামে ভারতীয় একটি উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁয়াজের আবাদ শুরু করেছে কৃষি বিভাগ। পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি জেলায় চলছে আবাদ। তবে সবচেয়ে বেশী হচ্ছে দিনাজপুরে। জেলায় এবার ২২’শ বিঘা জমিতে আবাদ করা হচ্ছে এই পেঁয়াজ। কৃষকরা  বলছেন, অন্যান্য পেঁয়াজের তুলনায় এর ফলন ভালো।

ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে এই পেঁয়াজের আবাদ বাড়বে বলে জানালেন রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত কৃষক মতিউর রহমান।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনজুরুল হক জানালেন, প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ৮০ মণ করে এই পেঁয়াজ উৎপাদিত হবে। যা অন্যান্য পেঁয়াজের তুলনায় দ্বিগুন।

তিনি জানালেন, দিনাজপুরে পরীক্ষামূলকভাবে এই পেঁয়াজ আবাদ করতে জেলার ২২’শ কৃষককে সার ও বীজ দেয়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ৩:৩০ অপরাহ্ন
বগুড়ায় শীত উপেক্ষা করে বোরো রোপণ ও ক্ষেত প্রস্তুত করছেন কৃষক
কৃষি বিভাগ

কনকনে শীত উপেক্ষা করে বগুড়ায় বোরো রোপণ ও ক্ষেত প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। পুরো জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ জুড়ে থাকবে কৃষকদের এ ব্যস্ততা। মাঠ থেকে কৃষক আলু উত্তোলন করে সেই ক্ষেত বোরো চাষের জন্য প্রস্তুতি চলছে। যে সব জমিতে আগাম আলু চাষ হয়েছিল সেখানে বোরা চাষ শুরু হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো: এনামুল হক জানান, মাঠে এখনও বেশীর ভাগ জমিতে আলু ,সরিষা ও ভূট্টা আছে। মাঠের ফসল উঠলে বোরা ধান রোপণ পুরোমাত্রায় শুরু হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্র জানান, এবার জেলায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হযেছে। তা থেকে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে (চাল আকারে) ৮ লাখ ৭ হাজার ৬২৩ মেট্রিকটন । কৃষি বিভাগ আশা করছে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা সম্ভব হবে। এ পর্যন্ত বোরো রোপণ হয়েছে ১০ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে।

তিনি আরো জানান,গত বছর ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে চাষে উৎপাদন পাওয়া গেছে (চাল আকারে) ৮ লাখ ১ লাখ ১২ হাজার ৩৪২ মেট্রিক টন।

এ দিকে জেলায় মোটা চালের চাহিদ কমে যাওয়ায় সরু চালের চাষ বেড়েছে। কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জেলা সরু উচ্চ ফলনশীল ধান শীর্ষ স্থান করে নিয়েছে। জেলায় উচ্চ ফলনশীল কাটারী ভোগ ধান বিঘাতে ২২ থেকে ২৬ মণ কখনও তা ২৮ মণ পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। অন্য ধান বিঘাতে ১৬ থেকে ২০ মণ পাওয়া যায় বলে জানান জেলার কৃষি কর্মকর্তারা।

বোরো চাল এক দিকে সরু ও জনপ্রিয়তা অর্জন করায় এ ধানের চাষ বেড়েছে। জেলায় এবার ১ লাখ ৬৯ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সরু উচ্চ ফলনশীল ধান, ১৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিট (মোটা) ধান, ও স্থানীয় জাত ৮৬৫ হেক্টর জমিতে চাষ হবে বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ১:৩৩ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের মান উন্নয়নে সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক
কৃষি বিভাগ

কৃষিপণ্য ও খাদ্যের গুণগতমান উন্নয়নে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা প্রদান করবে ডেনমার্ক। কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়েও উদ্যোগ নেবে ডেনমার্ক।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের সাথে সাক্ষাৎকালে ঢাকায় যুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন (Winnie Estrup Petersen) এ সহযোগিতার কথা জানান।

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। দেশের আম, আনারস, কলা, টমেটো, আলু ও শাকসবজি প্রভৃতি রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সম্ভাবনা অনেক। এক্ষেত্রে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রয়োজন। উত্তম কৃষিচর্চা (জিএপি) মেনে খাদ্য উৎপাদনেও ডেনমার্কের সহযোগিতা দরকার। এছাড়া, পূর্বাচলের ২ একর জমিতে আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ ও আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে ডেনমার্কের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন কৃষিখাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের গুণগতমান উন্নয়নে ও এগ্রিবিজনেসে ডেনমার্ক সহযোগিতা করবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হলে ডেনমার্কের বিনিয়োগ ও ট্রেড মিশন পাঠানোর বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সাক্ষাৎকালে দুই দেশের কৃষিখাত, ডেইরি, নিরাপদ খাবার, খাদ্য অপচয় কমানো, ফুড ভ্যালু চেইন ও ল্যাব উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, কৃষিখাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের ব্যাপারেও দুই দেশ সম্মত হয়।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মোঃ রুহুল আমিন তালুকদার, উপসচিব এসএম ইমরুল হাসান, ডেনমার্কের ঢাকা দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আলি মুস্তাক বাট উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
সিলেটের কানাইঘাটে নবনির্মিত কৃষক প্রশিক্ষণ ভবনের উদ্ধোধন
কৃষি বিভাগ

কানাইঘাট জকিগঞ্জ (সিলেট-৫) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ড: হাফিজ আহমদ মজুমদার কানাইঘাট উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রের নব নির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করেছেন।

গত সোমবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় উদ্বোধন অনুষ্টানে  তার সাথে উপস্থিত ছিলেন- কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মস্তাক আহমদ পলাশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনা (ভূমি) মুনমুন নাহার আশা, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ চৌধুরী, আওয়ামীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম হারুন, জেলা পরিষদের ১৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আলমাছ উদ্দিন, ১৫নং ওয়ার্ডের সদস্য ইমাম উদ্দিন চৌধুরী, লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওঃ জামাল উদ্দিন, দিঘীরপার ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী, কানাইঘাট সদর ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রভাষক আফসর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, থানার সেকেন্ড অফিসার সোহেল মাহমুদ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হেকিম শামিম, শাহাব উদ্দিন, উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ,আলংগীর হোসেন,আজাদ মিয়া,মূদুল পাল প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৫:২০ অপরাহ্ন
দারিদ্র্য কমাতে নেওয়া হচ্ছে স্মার্ট কৃষি প্রকল্প
কৃষি বিভাগ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়ার অস্বাভাবিক আচরণ চলছে। অতিবৃষ্টি কিংবা অনাবৃষ্টি, আগাম-অকাল বন্যা যেন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বিগড়ে যাওয়া আবহাওয়ার প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষিরা। ১০ বছর আগে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় কৃষির এই ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়। কৃষির ঝুঁকি প্রশমনে অর্থ সহায়তারও প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ্বব্যাংক। সে আলোকে এবং কৃষির মাধ্যমে দারিদ্র্য কমাতে একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার।

প্রকল্পের আওতায় কৃষির বহুমুখীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও কৃষকের জীবিকা উন্নয়নের উদ্যোগ থাকবে। চাষাবাদে সেচসহ অন্যান্য ব্যয় বর্তমানের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যও আছে এতে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের বীজ উৎপাদন করা হবে অন্তত ২০০ টন। দেশের ১৭টি উপজেলার ২৭টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে এ প্রকল্প।

‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট (সিএসএডব্লিউএমপি)’ নামের এই প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ মঙ্গলবার একনেক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। কমিশন বলেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে তা কৃষির বহুমুখীকরণ ও প্রান্তিক চাষির জীবনযাত্রা উন্নয়নের মাধ্যমে সার্বিক দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নেওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। ২০২৬ সালে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা। ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। এই অর্থের ৮৫ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্প প্রস্তাব চূড়ান্ত করার আগে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। ডিএই, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি মাঠ পর্যায়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে।

প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুসারে, প্রকল্প এলাকায় অন্তত ১২টি স্মার্ট প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষিতে প্রয়োজনীয় সেচের পানির ব্যবহার এখনকার তুলনায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। প্রকল্প এলাকায় প্রতিবছর ১২০ টন দানাদার বীজ, ৪০ টন ডাল ও সমপরিমাণ তেলজাতীয় শস্যের বীজ উৎপাদন করা যাবে। দেশে কৃষিতে বীজ সংকট প্রকট। পাটসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় সব বীজই আমদানি করতে হয়। তাই উৎপাদিত এই বীজ খুবই কাজে আসবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে একটি হলো বিভিন্ন ধরনের তিন হাজার ২০০টি যন্ত্রপাতি কৃষকের মাঝে বিতরণ। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে- বারিড পাইপ, সোলার সিস্টেম, কম্বাইন্ড হারভেস্টার, মেইজ সেলার মেশিন, বীজের আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র, বীজ আলাদাকরণ চালুনি, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, বীজ সংরক্ষণ পাত্র ও ডিজিটাল ওয়েট মেশিন ইত্যাদি। ২৩ হাজার সোলার সিস্টেম রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বিষয়ে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সোলার সিস্টেম সেচ এবং কৃষিপণ্য সংগ্রহ কেন্দ্র থাকবে প্রকল্পের অধীনে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে চাষিদের মাঝে ফুটপাম্প ও স্প্রেমেশিন বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাকেরগঞ্জে চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে ফুটপাম্প ও স্প্রেমেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা স্মৃতি হাসনা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষককের মাঝে ১ টি ফুটপাম্প ও ১ টি স্প্রেমেশিন দেওয়া হয়। সেই সাথে ৮ জন পানচাষির প্রত্যেকে ২০ কেজি করে ইউরিয়া, এমওপি, টিএসপি এবং জিপসাম সার বিতরণ করা হয়। এর অংশ হিসেবে চলতিমাসে উজিরপুর, গৌরনদী, ঝালকাঠি সদর এবং নেছারাবাদ উপজেলার ৫২ জন কৃষকের মাঝে একই পরিমাণ সার বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে ৫ ধরনের জৈব বালাইনাশকসহ আঠালো ফাঁদ ও ফেরোমন ফাঁদ।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop