১১:৪২ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৫, ২০২১ ২:৩১ অপরাহ্ন
অসময়ের বৃষ্টিতে জলমগ্ন আখক্ষেত, মাড়াই নিয়ে শঙ্কা
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে চলতি মাসের ৫ ও ৬ ডিসেম্বর বৃষ্টিতে ঝিনাইদহে মাঠঘাট তলিয়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মোবারকগঞ্জ চিনিকল এলাকার দণ্ডায়মান ও রোপণকৃত আখক্ষেত। এখনো অধিকাংশ ক্ষেত পনির নিচে আছে। যেসব জমি থেকে পানি সরে গেছে সেসব জমির মাটি এখনো নরম। ফলে ২৪ ডিসেম্বর নির্ধারিত দিনে চিনিকলটি উদ্বোধন করতে পারবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আখচাষিদের দাবি, পানি জমা জমি থেকে আখ কেটে ফেললে পরবর্তী বছর মুড়ি রাখা যাবে না। ফলে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষকরা। অন্যদিকে আখ পরিবহনের জন্য রাস্তা উপযোগী না হওয়ায় মিলে পৌঁছাতে খরচ বেশি পড়ে যাবে।

মিল এলাকার গোবরডাঙ্গা গ্রামের আখচাষি আব্দুস ছালাম মিন্টু বলেন, চলতি মাড়াই মৌসুমে আমার ৯ বিঘা জমিতে দণ্ডায়মান আখ আছে। কিন্তু অসময়ের বৃষ্টি আমার সব আখের জমিই তলিয়ে যায়। বৃষ্টি হওয়ার সপ্তাহ পার হলে কোনো ক্ষেতই আখ কাটার উপযোগী হয়নি। দুই সপ্তাহ পর দুই থেকে তিন বিঘা জমির আখ কেটে মিলে দেওয়া যাবে।

ঘিঘাটি ইক্ষু ক্রয় কেন্দ্রের কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন, আমি ছয় বিঘা জমিতে আখ রোপণ করেছিলাম। অসময়ের বৃষ্টিতে আখের সব জমি এখন পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে সব আখের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে পানি সরে গেলে আবার আখ রোপণ করতে হবে।

মোবারকগঞ্জ চিনিকল আখচাষি কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মন্টু বলেন, চাষিদের জমির আখ এখনো কাটার উপযোগী হয়নি। মিল ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং আখচাষিরাও যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা বিবেচনায় রেখে মিলের মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধনের দাবি জানাচ্ছি।

মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ডিজিএম (সম্প্রসারণ) গৌতম কুমার মন্ডল বলেন, আমরা মিল এলাকার চাষিদের জমি পরিদর্শন করেছি। অধিকাংশ জমি পানির নিচে আছে। এ মুহূর্তে জমি থেকে আখ কাটলে মুড়ির অনেক ক্ষতি হবে। তাই আখচাষিরা মুড়ি আখের স্বার্থে মিলটি কয়েকদিন দেরিতে মাড়াইয়ের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৫, ২০২১ ১২:৪৬ অপরাহ্ন
ফসলে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ‘অতন্দ্র জরিপ’
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটে বিভিন্ন রোগবালাই থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকদের হাতে-কলমে ‘অতন্দ্র জরিপ’ নামে এক পদ্ধতির প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। ‘অতন্দ্র জরিপ’ নামে এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার আগেই সতর্ক হতে পারছেন চাষীরা। সেইসাথে পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করাও সম্ভব হচ্ছে। ফলে দিন দিন এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। 

রোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় বাগেরহাটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘অতন্দ্র জরিপ’ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রতি ৫০ শতক জমিতে কোনাকুনি ভাবে ধান বা অন্য ফসলের ২০টি করে গোছা নির্বাচন করা হয়। প্রতি গোছায় ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা, এবং পাতার সংখ্যা গণনা করে তা লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। এক সপ্তাহ পর আবারও সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে রোগ ও পোকার আক্রমণ নির্ণয় করা হয়।

এক্ষেত্রে কৃষকরাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানালেন, রোগ-বালাই থেকে ফসল রক্ষায় অতন্দ্র জরিপের মাধ্যমে হাতে-কলমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। যা খুবই কার্যকর পদ্ধতি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাছরুল মিল্লাত জানান, এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহার কমবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
সারের দাম নিয়ন্ত্রণে উপজেলায় মোবাইল কোর্ট- কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশে সারের দাম নিয়ন্ত্রণে আগামী ১৫ দিন উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সার পরিস্থিতি নিয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় ও সার ডিলারদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ তথ্য জানান তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই, পর্যাপ্ত মজুদ আছে। এর পরেও এক শ্রেণির অসাধু ডিলারের যোগসাজশের কারণে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছিল।

তিনি বলেন, কৃত্রিম ঘাটতি সৃষ্টি করে দাম বাড়ালে ডিলারদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। বেশি দামে সার বিক্রি করলে ডিলার ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওযা হবে। এজন্য বৈঠক থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ১৫ দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবো।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা সারের মজুদ পরিস্থিতি বিস্তারিত আলোচনা করলাম। কয়েকটি গণমাধ্যমে এসেছে, অনেক এলাকায় চাষিরা সার পাচ্ছেন না, প্রয়োজনীয় সারের ঘাটতি রয়েছে। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি জানেন এবং আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে। আমরা যেটা দেখলাম, কোনো কোনো এলাকায় এলাকাভিত্তিক পরিবহন সমস্যার কারণে সারগুলো ঠিক মতো যায়নি। ডিলার ও দোকানদাররাও সুযোগটা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, বিভিন্ন উপকরণের দাম বেড়েছে এবং শিপিং কস্ট অস্বাভাবিক বেড়েছে।

কী এমন ঘটেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে ইউরিয়ার দাম তিনগুণ বেড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটা একটা আন্তর্জাতিক চক্র সুপরিকল্পিতভাবে সারের দাম বাড়িয়ে আমাদের শোষণ করছে। এই সুযোগ তারা নিচ্ছে। খুব সহজেই মানুষের মাঝে গুজবটি ছড়ায় যে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম এত বেশি কাজেই সারের দাম বাড়তেই পারে। চাষিরা মনে করেছে, কয়েকদিন পরে হয়তো সার পাওয়া যাবে না তাই তারা আতঙ্কিত হয়ে কিনেছে। এমনিতেও সার্বক্ষণিকভাবে আমরা পরিস্থিতি মনিটরিং করছি। আমাদের মাঠ কর্মকর্তাদেরও নির্দেশ দেওয়া আছে, তারপরেও কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটে থাকে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমাদের একদম ইউনিয়ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ের তারা যেন সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে। যেসব ডিলার ও বিক্রেতা বেশি দামে বিক্রি করবে তাদের তাৎক্ষণিক চিহ্নিত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা একদম চিঠি দিয়ে ডিসি-এসপির সহযোগিতা নিয়ে অব্যাহতভাবে ১৫ দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবো সারের জন্য। অসাধু ডিলার ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুলাই পর্যন্ত ইউরিয়ার লক্ষ্যমাত্রা হলো ২৬ লাখ মেট্রিক টন। জুলাই মাসে আমাদের মজুদ ছিল ৭ দশমিক ৬৯ লাখ মেট্রিক টন। বর্তমানে আমাদের মজুদ আছে ৮ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন। গত বছর এটা ছিল ৯ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন। মজুদ গত বছরে এই সময়ে যা ছিল তার চেয়ে কম। এটা আমাদের বোরো মৌসুম। এ সময়েই সারের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। আমরা এটুকু বলতে পারি, আমরা সতর্ক ছিলাম। মজুদ পরিস্থিতিতে মোটেই বিপর্যয় ঘটেনি। আমরা যেভাবে প্ল্যান করেছিলাম সেভাবেই এগুচ্ছি।

বৈঠকে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ২:৪১ অপরাহ্ন
হাবিপ্রবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও একদল শিক্ষার্থীর যৌথ গবেষণায় একটি নতুন জাতের ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। এই ধান উচ্চ ফলনশীল হওয়ার পাশাপাশি খড়া এবং বন্যা কবলিত অঞ্চলের জন্য বেশ উপযোগি। স্থানীয় ধানের চেয়ে দ্বিগুনেরও বেশি ফলন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ধানের জন্য বিখ্যাত দিনাজপুর জেলা। এই জেলার ঐতিহ্যকে আরো গতিশীল করতে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং একদল তরুণ শিক্ষার্থী নতুন এক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন। চলতি আমন মৌসুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের একটি গবেষণা জমিতে পরীক্ষামূলক এই নতুন ধানের জাতটি রোপন করা হয়।

গবেষনায় দেখা গেছে এটি উচ্চ ফলনশীল এবং ধানের গাছটি শক্ত ও মজবুত। যার কারণে এই জাতটি উত্তরাঞ্চলসহ বন্যা কবলিত অঞ্চলগুলোর জন্য ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ফলনও দ্বিগুণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও শিক্ষকদের সাথে হাতে কলমে গবেষণা করতে পেরে বেশ আনন্দিত।

গবেষকরা জানান, নতুন এই ধানের প্রধান বৈশিষ্ট শীষের একটি গুচ্ছর মধ্যেই ৯টি পর্যন্ত ধান রয়েছে এবং ধান রোপনের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এটি শক্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। যার ফলে কৃষক অনেক লাভবান হবে।

বর্তমানে হাবিপ্রবির এই ধানটি পরীক্ষামূলক গবেষনা চলছে। ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট ও কৃষি মন্ত্রনালয়ের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে খুব দ্রুত কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার আশা করছেন শিক্ষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৪, ২০২১ ১:২০ অপরাহ্ন
মেহেরপুরে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুরে বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে চলছে জমি তৈরির প্রস্তুতি। তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় সেচ কাজসহ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কিত চাষীরা। তারা বলছেন, ধানের পাশাপাশি বেশকিছু ফসলও সেচনির্ভর। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ফসলের উৎপাদন খরচ বাড়বে।

মেহেরপুর সদর উপজেলার চাঁদবিল গ্রামের কৃষক মানিক মিয়া। বোরো ধান চাষের জন্যজমিতে সেচ দেয়ার খরচ নিয়ে চিন্তার ভাজ পড়েছে কপালে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির ফলে জমি চাষ, সেচসহ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় ধান বিক্রি করে সেই টাকার উঠবে কি না তা নিয়েও সংশয়ে তিনি।

কিছুদিনের মধ্যেই বোরো মৌসুমের জন্য ধানের চারা রোপন করবে কৃষকরা। এখন চলছে জমি প্রস্তুুতির কাজ। বোরো ধানের চাষ পুরোপুরি সেচ নির্ভর। ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫টাকা বেড়ে ৮০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে আবাদ করার বাড়তি খরচ নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

জেলা প্রসাশক মনসুর আলম খান জানালেন, কৃষকদের নানাভাবে সহযোগীতা করা হচ্ছে।

কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় সে জন্য কাজ করা হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৪:১১ অপরাহ্ন
২০০৮ সালের বাংলাদেশ আর বর্তমানের বাংলাদেশ সম্পূর্ণ আলাদা- খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন, ২০০৮ সালের বাংলাদেশ আর বর্তমানের বাংলাদেশ সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষের  জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকার কাজ করছেন নিরলসভাবে। বর্তমান সরকারের সময় এদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হয়েছে। জনগণ ১০টাকা কেজি দরে খাদ্যবান্ধব চাল পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নির্বাচনী ওয়াদা পালন করেছেন। পানির জন্য প্রত্যেক গ্রামে সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হয়েছে।

বর্তমান সরকারের অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মান হয়েছে। মেট্রোরেল চালু হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকার সব রকমের সহায়তা দিচ্ছেন। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির ছেলে মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছেন। এ সম্প্রদায়ের আগের ব্যক্তিরা লেখাপড়া করতেন না। কিন্তু বর্তমানে তাদের ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া শিখে চাকুরি করছে।

মন্ত্রী বলেন, করোনা কালে এদেশে না খেয়ে কোন লোক মারা যায়নি। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে। কৃষকরা ফসলের নায্যমুল্য পাচ্ছেন। তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের ভালভাবে লেখাপড়া করতে হবে। এদেশে টাকায় কোন চাকুরি হবেনা। মেধায় চাকুরি হবে। তিনি তার বক্তব্যদান কালে ১৫ আগস্ট শহিদদের আত্নার মাগফেরাত ও করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের আত্নার শান্তি কামনা করেন। এসময় তিনি দলীয় নেতাকর্মী সকলকে একযোগে কাজ করারও আহবান জানান।

সোমবার নওগাঁর পোরশা কাতিপুর কালিনগর হাই স্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে বাস্তবায়নাধীন “বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা” শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও শিক্ষা অনুদান বিতরনের উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে তার দেয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভা শেষে প্রধান অতিথি ৩০ জন প্রাথমিক শিক্ষার্থীর মাঝে প্রত্যেকে ২ হাজার ৪শ’ টাকা, ১৫ জন মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর মাঝে প্রত্যেকে ৬ হাজার টাকা ও ১০ জন মাধ্যমিক নারী শিক্ষার্থীর মাঝে একটি করে বাইসাইকেল এবং প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ৫০জন নৃ-গোষ্ঠির পরিবারের মাঝে ১টি করে বকনা গরু ও উপকরন বিতরণ করেন।

উপজেলা ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর কামারুজ্জামান সরদারের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী।

সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হামিদ রেজা। অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) জাকির হোসেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, শিক্ষা কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলামসহ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিকেল ৩টায় প্রধান অতিথি সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি নিতপুর সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণমেন্টের ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
নওগাঁয় ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁ জেলায় চলতি রবি মৌসুমে মোট ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের নানাভাবে উৎসাহ প্রদানসহ সর্বিক সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখিত পরিমান জমি থেকে চলতি বছর ৫৪ হাজার ২৬৯ মেট্রিকটন পেঁয়াজ উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, প্রান্তিক পেঁয়াজ চাষিদের সরকারী প্রণোদনা প্রদানের আওতায় নেয়া হয়েছে। এসব প্রান্তিক পেঁয়াজ চাষিদের বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদান করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের সুত্রমতে জেলায় উপজেলাভিত্তিক পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৪৫৫ হেক্টর। রানীনগর উপজেলায় ১২৫ হেক্টর। আত্রাই উপজেলায় ১৪৫ হেক্টর। বদলগাছি উপজেলায় ৫৪০ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় ৫১০ হেক্টর। পত্নীতলা উপজেলায় ১৮০ হেক্টর।

ধামইরহাট উপজেলায় ৫৬৫ হেক্টর। সাপাহার উপজেলায় ৫২৫ হেক্টর। পোরশা উপজেলায় ১৪০ হেক্টর। মান্দা উপজেলায় ১১ হাজার ২৫ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৩২০ হেক্টর জমিতে।

এসব পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে ১ হাজার প্রান্তিক চাষির প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির বিপরীতে বিনা মূল্যে ১ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ১২:০৪ অপরাহ্ন
সরিষা ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ
কৃষি বিভাগ

জামালপুরের মেলান্দহে সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ, দৃষ্টিজুড়ে হলুদের অপার সৌন্দর্যের সমারোহ। ভোরে সরিষা ক্ষেতের ওপর ভেসে থাকা কুয়াশা সকালবেলার প্রকৃতি মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। সরিষার ভালো ফলন নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

সোমবার সকালে (১৩ ডিসেম্বর) মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, সরিষার সবুজ গাছের ফুল গুলো শীতের সোনাঝরা রোদে যেন ঝিকিমিকি করছে। এ যেন এক অপরূপ সৌন্দযের দৃশ্য। দেখে যেন মনে হচ্ছে প্রকৃতি কন্যা সেজেছে গায়ে হলুদ বরণ মেখে। মৌমাছির গুন গুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে পদার্পণ এ অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য সত্যিই যেন মনোমুগ্ধকর এক মুহূর্ত।ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে সরিষা মাঠ জুড়ে ভিড় করছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিভিন্ন বয়সের বিনোদন প্রেমিরা। সরিষা খেত ঘুরে ঘুরে দেখছেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ১৬০ হেক্টর জমি। উপজেলায় সরিষা চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৮৬০ হেক্টর জমি।‌ সরিষাবাড়ী চাষে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বেশি চাষ হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলার বীর ঘোষেরপাড়া এলাকার বলেন কৃষক আলম মিয়া , গতবছর থেকে এবার সরিষা বুনছি কম। সরিষা আবাদে খরচ অনেক কম কিন্তু দাম যদি একটু হয় তাহলে আমাদের একটু ভাল হবে।

বাগবাড়ি এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, আমার সরিষা খেত খুবই ভালো হয়েছে। দুইদিন বৃষ্টি হলো, যদি বেশি বৃষ্টি হয় তাহলে ক্ষেতের ক্ষতি হবে। কারণ বৃষ্টি হলে ফুল নষ্ট হয়ে যায়। যদি বৃষ্টি বাদল না হয়, তাহলে একটু লাভের মুখ দেখতে পারবো।

সরিষা খেতে ঘুরতে আসা নাহিদ হাসান নামে একজন বলেন, সরিষা খেতে ঘুরতে এসেছি খুবই ভালো লাগছে, চোখ যতদূর যায় ততদূর শুধু হলুদ আর হলুদ। গতবছরের ঘুরতে এসেছিলাম। গত বারের থেকে এবার একটু বেশি ভালো লাগছে।

এ ব্যাপারে মেলান্দহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর সবচেয়ে সরিষার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে কোন প্রকার ক্ষতি না হলে মেলান্দহ উপজেলায় সরিষা আবাদের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। শুধু তাই নয় সরিষা চাষের জমিগুলো উর্বরতা বেশি থাকায় কৃষকরা এবার বোরো চাষেও এর ভালো সুফল পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
গোপালগঞ্জে বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে গোপালগঞ্জে ১০ হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বৃৃৃষ্টির পানিতে ডুুবে গেছে ইরি-বোরো ধানের বীজতলা। কৃষি বিভাগে জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

গোপালগঞ্জে চলতি রবি মৌসুমে ৭৫ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। সে অনুযায়ী বীজতলাও প্রস্তুত করেছিলেন কৃষক। সম্প্রতি টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে কয়েক হাজার হেক্টর আবাদি জমিও।

চলতি মৌসুমে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় ছিলেন চাষিরা। এর মধ্যে আট হাজার হেক্টর জমির ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে বীজতলার। ৩শ’ ২২ হেক্টর জমির বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দু কুমার রায় জানালেন, তিনদিনের এই বৃষ্টিতে জেলার প্রায় ৫৩ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আর ক্ষতির পরিমাণ ৮০ কোটি টাকা হতে পারে।

তিনি বলেন, ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরি বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়া নিয়েও শঙ্কা রয়েছে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১২, ২০২১ ৫:১৫ অপরাহ্ন
সুগন্ধি ধানের সুবাসে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

সুগন্ধি ধানের সুবাসে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। সুগন্ধি তুলসীমালা ও চিনিগুঁড়া ধানচাষ করে খরচ কম এবং ভালো দাম পাওয়ায় মহাখুশি তারা। সুগন্ধি ধান এ অঞ্চলের একটি ঐতিহ্য হিসেবে জেলা ভিত্তিক ব্র্যান্ডিং পণ্য তুলসীমালাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস ও কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে দেড়হাজার হেক্টর জমিতে তুলসীমালা ও একহাজার হেক্টর জমিতে চিনিগুঁড়া ধানের আবাদ হয়েছে। উপজেলার নালিতাবাড়ী, কলসপাড়, যোগানীয়া, বাঘবেড়, কাকরকান্দি, রামচন্দ্রকুড়া, রুপনারায়নকুড়া ও মরিচপুরান ইউনিয়নে এ ধানের আবাদ বেশি হয়ে থাকে। এক একর জমিতে সুগন্ধি ধান চাষ করতে খরচ হয় ১৫-২০ হাজার টাকা। আর ধান পাওয়া যায় ৩০-৩৫ মন করে। সে হিসাবে কৃষকের লাভ থাকে ২৫-৩০ হাজার টাকা।

এ মৌসুমে খেতে পোকামাকরের আক্রমন ও আবহাওয়া ভালো থাকায় অল্প খরচেই কৃষকরা ফলন ঘরে তুলতে পেরেছেন। উপজেলায় একসপ্তাহ ধরে বাজারে এ ধান উঠতে শুরু করেছে। বর্তমান বাজারে তুলসীমালা ও চিনিগুঁড়া ধান দেড় হাজার টাকার বেশি বিক্রি হচ্ছে। সামনে এ ধানের দাম আরো বাড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। সুগন্ধি ধান নিজেদের সুগন্ধে মাতিয়ে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। তুলসীমালা চাল দেশ জুড়ে বিখ্যাত। অভিজাত শ্রেণির অনুষ্ঠানে, অতিথি আপ্যায়নে পোলাও, বিরিয়ানী, পায়েস, খিচুড়ি, পিঠা ও অন্যান্য খাবার তৈরিতে রসনার তৃপ্তি মেটাচ্ছে তুলসীমালা ও চিনিগুঁড়া চাল। এ চাল চিকন ও সুস্বাদু।

বিন্নিবাড়ী গ্রামের মো. রেজাউল করিম (৬০) বলেন, আমি এ বছর ১৮ কাঠা জমিতে তুলসীমালা ধান আবাদ করেছিলাম। ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে আরো বেশি করে আবাদ করবো। বাজারে এ ধানের দামও ভালো, ১৬৫০ টাকা মন দরে বিক্রি করেছি।

পৌর শহরের ধান ব্যবসায়ী লিটন বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে আমরা ভিজা ধান তুলসীমালা ১৬৫০ টাকা দরে কৃষকের কাছ থেকে কিনছি। আর চিনিগুঁড়া কিনছি ১৫৫০ টাকা দরে। সামনে শুকনা ধানের বাজার আরো বাড়বে। সুগন্ধি এ ধানের চাহিদা সারা দেশের সব যায়গাতেই থাকায় বিক্রি করতে সমস্যা হয় না।

নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আলমগীর কবীর বলেন, ফলন ভালো ও ধানের বাজার দর ভালো হওয়ায় তুলসীমালা ধানে কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। কৃষি বিভাগ তৎপর থাকায় রোগবালাই নেই বললেই চলে। সুগন্ধি ধানের আবাদ বাড়াতে কৃষি বিভাগ সব সময়ই কৃষকদের পাশে আছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop