১১:৪১ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৯, ২০২১ ৮:২০ পূর্বাহ্ন
পুকুরে বিষ দিয়ে হাজারও পাঙাশ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা!
মৎস্য

ঢাকার আশুলিয়ায় রাসেল নামের এক মৎস্য খামারির দুটি পুকুরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া বিষে কয়েক হাজার পাঙাশ মাছ মারা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনো জানা যায়নি।

মঙ্গলবার(৮ জুন) সকালে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের মোজার মিল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দুটি পুকুরে এ অবস্থা দেখা যায়।

ভুক্তভোগী খামারি রাসেলের অভিযোগ, বছর খানেক আগেও তাঁর এই পুকুরে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ বিষ দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল। এবার দুটি পুকুরের প্রায় আট থেকে ১০ লাখ টাকার মাছ একই পদ্ধতিতে মেরে ফেলা হয়েছে।

রাসেল জানান, পুকুরগুলো তাঁর বাসা থেকে বেশ খানিকটা দূরে মোজার মিল বাসস্ট্যান্ডের পাশে। পুকুরগুলো আয়তনে প্রায় এক বিঘার মতো হবে। একটিতে ১২ হাজার ও আরেকটিতে ছয় হাজার পাঙাশের পোনা ছাড়া হয়েছিল। একেকটি পাঙাশ সবশেষ এক থেকে দেড় কেজি ওজনের হয়েছিল। এখন বাজারে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা কেজি দরে পাঙাশ বিক্রি হয়। সে হিসেবে তাঁর আট থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

রাসেল আরও জানান,‘মনে হয় সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার দিকে বিষ দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে যখন মাছের খাবার দিতে এসেছি, তখন দেখি মাছ নড়ে না। পরে পুকুরে লোক নামিয়ে দেখি পানির নিচে সব মাছ মরে পড়ে গেছে। সেখান থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ মাছ উঠিয়েছি।’

রাসেল জানান, ‘গেল বন্যায় আমি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। ইপিজেডের বিষাক্ত পানি ঢুকে আমার এক পুকুরের প্রায় কোটি টাকার মাছ মারা যায়। অনেক টাকা ঋণ হয়ে আছি। এখন আবার এই মাছগুলো মেরে ফেলল। অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল আমার।’

সাভার উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান সরকার জানান, ‘এ ধরনের বিষয়গুলোতে ডিপার্টমেন্টালি আমাদের করার মতো তেমন কিছু থাকে না। কারণ যে এখানে বিষ প্রয়োগ করেছে, এটার কোনো সাক্ষী নেই। আবার পানি পরীক্ষা করে বিষ আইডেন্টিফাই করার মতো ব্যবস্থাও আমাদের এখানে নেই। একমাত্র ময়মনসিংহে থাকতে পারে। তবে সেটাও সুনিশ্চিত না।

তিনি বলেন, এখন ভুক্তভোগীর প্রথম করণীয় হচ্ছে, উনি যদি কাউকে সন্দেহ করেন যে, সে বিষ দিয়েছে, তাহলে তিনি তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সুস্পষ্ট কারণ দেখাতে হবে। এ জন্য আমরা তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
রাঙ্গুনিয়ায় পুকুরে মিলল বিরল জাতের মাছ
মৎস্য

রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় পুকুরে পাওয়া গেল ব্যতিক্রমী এক সাকার মাছ। আশেপাশের লোকজন মাছটি দেখার জন্য ভীড় করতে দেখা যায়।

রবিবার হাত জাল দিয়ে পুকুর থেকে মাছটি উঠানো হয়।

অনেকে বলাবলি করছে এমন মাছ জীবনে প্রথম দেখেছেন। বিস্ময় প্রকাশ করে অনেকে ফেসবুকেও শেয়ার করেছে এই মাছের ছবি।

তবে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে জানান, এটি সাকার ফিশ। এটি সাধারণত অ্যাক্যুরিয়ামে থাকে। তবে এটি ইদানিং বিভিন্ন পুকুর কিংবা খালে দেখা যাচ্ছে। এটি মাংসাশী। অন্য মাছ পেলে খেয়ে ফেলে এবং এটি খুব দ্রুত বংশ বৃদ্ধি করতে পারে বলে তিনি জানান।

জানা যায়, এটি সাকার মাউথ ক্যাটফিশ অথবা কমন প্লেকো নামে পরিচিত। ক্যাটফিশ মানে শিং-মাগুর জাতের মাছ। এটির বৈজ্ঞানিক নাম হিপোসটোমাস প্লেকোসটোমাস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৯:১২ পূর্বাহ্ন
নওগাঁর আড়তে মাছ সরবরাহ বাড়লেও কমেছে দাম!
মৎস্য

নওগাঁর আড়তগুলোতে পাইকার কম থাকায় কমেছে সব ধরণের মাছের দর। কেজিপ্রতি কমেছে ২০ থেকে ৩০টাকার মত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে রপ্তানি বন্ধ থাকায় মাছের দাম কমছে। এদিকে, চাষিরা বলছেন, মাছের খাবারের দাম বাড়ায় ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

জানা যায়, সান্তাহার পাইকারি আড়তে মাছের দর: রুই ১২০ টাকা, কাতল ১২৫ টাকা, মৃগেল ১১০ টাকা, সিলভার কার্প ৮৫, পাঙ্গাস ৭৫ টাকা, শিং ও মাগুর ২২০ টাকা, ব্রিগেড ১২০, জাপানি কাপ, ৮৫, তেলাপিয়া, ৭০ টাকা, চাষ করা কৈ ১১৫ টাকা, টাকি ১২০ টাকা।

নওগাঁর সান্তাহারে মাছের এ আড়তগুলোতে ভোর থেকেই জমে উঠে বেচাকেনা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে মাছের সরবরাহ। স্থানীয় চাষিরা পুকুর আর জলাশয় থেকে মাছ নিয়ে আসেন এখানকার আড়তে। গত ক’দিনের তুলনায় এখানকার আড়তগুলোতে মাছের সরবরাহ আরো বেড়েছে। তবে দূরের পাইকার না থাকায় স্থানীয় বেপারীরা কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা কম দরে মাছ কিনছেন। চাষিরা বলছেন, লাগাতার মাছের দর পড়ে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে আছেন তারা।

করোনার কারণে রপ্তানি বন্ধ থাকায় এ সময় মাছের দর কমছে বলে মনে করছেন সান্তাহার পৌর আড়ত কমিটির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক জিয়া।

স্থানীয় মৎস্য অফিস জানায়, ১৮ হাজার নিবন্ধিত মাছ চাষি এ জেলায় বার্ষিক ৭৬ হাজার ৮ শ’ ৮৪ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করে থাকেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ১:১৫ অপরাহ্ন
পদ্মায় ধরা পড়ল বিরাট বাগাড়!
মৎস্য

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ঢল্লাপাড়া এলাকায় পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় ২১ কেজি ওজনের একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি বিক্রি করা হয়েছে ২২ হাজার ৫০ টাকায়।

রোববার (৬ জুন) ভোরে রাজবাড়ীর বানিবহ এলাকার জেলে আশরাফ প্রামাণিকের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা ১ হাজার ৫০ টাকা কেজি দরে মাছটি কিনে নেন।

আশরাফ প্রামাণিকের ছেলে সাদ্দাম প্রামাণিক বলেন, শনিবার দিবাগত রাতে বাবার সঙ্গে পদ্মায় মাছ ধরার জন্য জাল নিয়ে নদীতে আসি। রাতে কোনো মাছের দেখা না পাওয়ায় বাড়ি ফিরে যাওয়ার মুহূর্তে রোববার ভোর ৬টার দিকে জালে জোরে একটা টান অনুভব করি। সে সময় বুঝতে পারি জালে বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে।

পরে একটু সময় নিয়ে জাল তুলে দেখি বিশাল একটি বাগাড় মাছ। দৌলতদিয়ার আড়তে আনলে মাছটির ওজন হয় ২১ কেজি।

দৌলতদিয়া মিলন সরদারের আড়ত থেকে মৎস্য ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা ১০৫০ টাকা কেজি দরে ২২ হাজার ৫০ টাকায় কেজিতে কিনে নেন। এখন ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পরিচিত ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে কেউ দাম করলেই তিনি মাছটি বিক্রি করবেন বলে জানান।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল জানান, বর্তমানে পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে বড় আকৃতির বাগাড় মাছ বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ৯:২৮ অপরাহ্ন
কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার ৯ নৌকা ও ৭ হাজার মিটার জাল জব্দ
মৎস্য

কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে নয়টি নৌকা জব্দ এবং প্রায় সাত হাজার মিটার জাল উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) লংগদু শাখা কার্যালয় ও নৌপুলিশের টহল দল যৌথভাবে এ অভিযান চালায়।

শুক্রবার (৪ জুন) রাতভর কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে এসব নৌকা ও জাল জব্দ করা হয়।

লংগদু উপজেলা বিএফডিসি কর্মকর্তা আকবর হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে উপজেলার কাট্টলী বিল, শীলকাটাছড়া, হাজাছড়া, ৯নং ও ১০নং এলাকায় হ্রদে অভিযান চালিয়ে আটটি সাধারণ নৌকা, একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাসহ তিন হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও চার হাজার মিটার সুতার জাল জব্দ করা হয়।

তিনি আরও জানান, এসব এলাকায় অসাধু ক্ষতিপয় লোকজন সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের আঁধারে মাছ ধরছিল। অভিযান টের পেয়ে লোকজন জাল আর নৌকা ফেলে পালিয়ে যান। জাল আর নৌকার মালিক কাউকে পাওয়া যায়নি। এ কারণে কাউকে আটক করা যায়নি।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে প্রতিবছরই কার্পজাতীয় মাছের বংশবিস্তার ও মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিন মাস মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। এসময়ে হ্রদে সব ধরনের মাছ ধরা, বাজারজাতকরণ এবং পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ২:১১ অপরাহ্ন
ভাগীরথীতে ধরা পড়ল ২০ কেজির বিশাল বিরল প্রজাতির মাছ!
মৎস্য

ভাগীরথী নদী থেকে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়ল প্রায় কুঁড়ি কেজি ওজনের (20 kgs rare species fish) এক বিরল প্রজাতির মাছ! যা দেখে খুবই উচ্ছ্বসিত সকলে৷ ২০ কেজির এত বড় মাছ হালে অনেকদিনই ওঠেনি জালে৷ এত বড় মাছ কোন প্রজাতির তা বুঝে উঠতে পারছেন না এলাকার কোনও মৎসজীবী (rare fish bengal)৷

তাই মাছটির গায়ে ভারতীয় জাওয়ানদের পোশাকের ছাপ থাকায় মৎস্যজীবীরা মাছটির নাম দিয়েছেন মেলেটারি মাছ (spot on fish skin)! আপাতত এই মিলিটারি মাছ (military fish) নিয়ে চলছে নানা জল্পনা এবং সকলেই একবার এসে দেখে যাচ্ছেন এই বিশালাকার মাছটি৷

ঘটনাটি শান্তিপুর স্টিমার ঘাট এলাকার, ভাগীরথী নদীতে৷ বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে জাল পাতেন নদীতে৷ জাল টানার সময় লক্ষ্য করেন একটি ১০ কেজি ওজনের রুই মাছ জালে বেঁধে রয়েছে। এরপরই মৎস্যজীবীদের নজরে পড়ে জালে আটকে রয়েছে বিশাল আকৃতির (Big 20 kg fish)একটি মাছ৷ যা জাল টেনে নৌকায় তুলতেও হিমশিম খায় মৎস্যজীবীরা।

মুখ হা করা এই মাছের প্রজাতি চিনতে পারেননি কেউ৷ তাই মাছের চেহারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাম রাখা হয়েছে মিলিটারি মাছ এবং সেই নামেই এলাকায় সাড়া পড়ে গিয়েছে৷ নৌকায় তোলার পর দেখা যায় মাছটির গায়ে মেলেটারি পোশাকের ছাপ।

মৎস্যজীবীরা জানান মাছটির ওজন প্রায় কুড়ি কেজি৷ স্বভাবতই এই ধরনের মাছ এর আগে কখনও ভাগীরথী নদীতে (Bhagirathi River Fish) দেখা যায়নি বলে দাবি মৎসজীবীদের। মৎসজীবী রায় মোহন বিশ্বাস জানান যে, ‘অনেকদিন এই পেশায় রয়েছি৷ মাছ ধরছি৷

তবে এত বড় মাছ আগে কখনও জালে ওঠেনি৷ অনেক রকম মাছ দেখলেও, এমন মাছ আগে দেখিনি৷ তাই নাম বা কোন প্রজাতির মাছ, সেটাও সঠিক বলতে পারব না৷’ খবর ছড়াতেই স্টিমার ঘাট এলাকার এক বাসিন্দা মাছটি কিনে নেন৷ কেজি প্রতি ২০০ টাকা দামে তিনি মাছটি কেনেন। বিরল প্রজাতির এই মাছটিকে দেখার জন্য স্থানীয়রাও ভিড় জমান ভাগীরথী নদীর ধারে। সূত্র: নিউজ১৮.বাংলা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
পদ্মায় মিলল বিলুপ্তপ্রায় ঢাই মাছ, বিক্রি ২১ হাজার টাকা!
মৎস্য

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনা থেকে সাত কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি বিলুপ্তপ্রায় ঢাই মাছ ধরা পড়েছে। কেজি দুই হাজার ৮০০ টাকা মাছটি বিক্রি করা হয়েছে ২১ হাজার টাকায়। নদীতে বিলুপ্ত হওয়া এতবড় ঢাই মাছ এক নজর দেখার জন্য উৎসুক জনতা ফেরিঘাটে ভিড় করেন।

আজ বৃহস্পতিবার(৩ জুন) ভোরে জেলে নুরুল হালদারের জালে ওই ঢাই মাছটি ধরা পড়ে। পরে দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কের পাশের আড়তে মাছটি আনা হলে জেলে নুরুল হালদারের কাছ থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ২১ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী সম্রাট সাজাহান।

দৌলতদিয়ার মৎস্য ব্যবসায়ী সম্রাট সাজাহান বলেন, ২১ হাজার টাকা দিয়ে মাছটি কিনলেও বিক্রির জন্য ঢাকার কিছু ব্যবসায়ীর সঙ্গে দুই হাজার ৯০০ টাকা কেজি দরে মোবাইল ফোনে বিক্রির জন্য যোগাযোগ করা হচ্ছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল যুগান্তরকে জানান, পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় প্রায়ই জেলেদের জালে বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির সুস্বাদু মাছ ধরা পড়ছে। তবে বিলুপ্তপ্রায় এত বড় ঢাই মাছ নদীতে খুব একটা পাওয়া যায় না ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১২:৪১ পূর্বাহ্ন
বৃষ্টিতে রাজধানীর রাস্তায় উঠেছে মাছ!
মৎস্য

আমাদের এই দেশে নদী মাতৃক দেশ। এই দেশের খাল-বিল, নদী-নালা সব মাছে ভরা। মাছ ছাড়া যেমন এই দেশের মানুষের একদিনও চলে না, তেমনি মাছও আছে এই দেশের সর্বত্র। মুষলধারে বৃষ্টি হওয়াতে ইট-পাথরের রাজধানীর শহরেও মিলেছে মাছ।

রাজধানীতে মঙ্গলবার (১ জুন) সকাল থেকে হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি। সোমবার দিনগত মধ্যরাতে বৃষ্টি হলেও থেমে গিয়ে আবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শুরু হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আজ ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়। আর এতেই তলিয়ে যায় রাজধানীর অনেক অলিগলি। সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা।

সে জলাবদ্ধতায় বৃষ্টির পানির উজানে ডোবা থেকে উঠে এসেছে মাছ। বসুন্ধরার আবাসিক এলাকার রাস্তায় দেখা গেছে এমন চিত্র। সেখানকার একটি সড়কে টাকি এবং খলিসা মাছ দেখা গেছে এই বৃষ্টিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩১, ২০২১ ১০:৪৪ অপরাহ্ন
এবারের বাজেটে মাছ চাষে বাড়তে পারে আয়কর
মৎস্য

আসন্ন বাজেটে মাছ চাষে বাড়তে পারে আয়কর। তবে আগের মতো মাছ চাষের আয়ের প্রথম ১০ লাখ টাকা করমুক্ত থাকবে। পরের ১০ লাখে ৫ শতাংশ এবং এর পরের ১০ লাখে ১০ শতাংশ কর অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে ৩০ লাখ বেশি আয়ে ১৫ শতাংশ হারে কর আরোপ হতে পারে।

আসন্ন বাজেটে অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব করবেন বলে জানা গেছে।

সূত্র বলছে, মাছ চাষ থেকে আয়ের ওপর কর কম থাকায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি তাদের অন্য খাতের আয়কে মৎস্য খাতের আয় হিসাবে দেখান। এতে তাদের আয়কর দিতে হয় কম। কারণ ব্যক্তি আয়করের সর্বোচ্চ হার ২৫ শতাংশ।

এনবিআর থেকে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে মাছ চাষের আয়ের প্রথম ১০ লাখ টাকা করমুক্ত থাকবে। পরের ১০ লাখে ৫ শতাংশ এবং পরের ১০ লাখে ১০ শতাংশ কর অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ৩০ লাখ টাকার পরে কোনো আয় থাকলে সেখানে ১৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। সূত্র: জাগো নিউজ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩১, ২০২১ ৩:১৩ অপরাহ্ন
পদ্মায় ধরা পড়ল ৮ কেজি ওজনের কাতল!
মৎস্য

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার পদ্মা নদী থেকে আট কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। কাতল মাছটি বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ টাকায়।

সোমবার(৩০ মে) ভোরে দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটের অদূরে সাহাদাত মেম্বারপাড়া এলাকার কয়েকশ গজ দূর থেকে এক জেলে মাছটি ধরেন।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রোববার রাতে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে পদ্মায় মাছ শিকার করতে যায় ওই জেলে। সোমবার ভোরের দিকে জাল জোরে একটা টান দিলে বোঝা যায় জালে বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। পরে জাল তুলতেই বড় আকৃতির কাতল মাছটি চোখে পড়ে।

পরে সোমবার সকালের দিকে মাছটি দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের সোহেল সেখের আড়তে তোলা হয়। মাছ ব্যবসায়ী সোহেল সেখ কাতল মাছটি ৬০০ টাকা কেজিতে কিনে নেন।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোহেল সেখ বলেন, ওই জেলের কাছ থেকে ৬০০ টাকা কেজিদরে চার হাজার ৮০০ টাকায় মাছটি কিনে নিই। এখন ৯০০ টাকা কেজিদরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করব বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop