৫:০০ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ৭:২২ অপরাহ্ন
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে স্বাবলম্বী তারিক
মৎস্য

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ বাংলাদেশের জন্য কিছুটা নতুন হলেও এটি ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও চায়নাতে অনেক আগ থেকে বহু জনপ্রিয়। আর সেই বায়োফ্লক পদ্ধতিতে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনের সন্তান তারিক হাসান প্রথম বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে সাড়া ফেলে জাগিয়েছেন।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিয়া ডাঙ্গী (মুসলিম) গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা তারিক হাসান উপজেলায় প্রথম এই বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করেন। তার এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ দেখে আশেপাশের অন্যান্য যুবকদের মধ্যেও বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে নানা রকম কৌতুহুল ও আগ্রহ বাড়ছে বলে জানা যায়।

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে অল্প জায়গাতে উচ্চ ঘনত্বে মাছ চাষ করা যায় এবং এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ তুলনামূলকভাবে অন্য পদ্ধতি অপেক্ষা খরচ সাশ্রয়ী ও কম ব্যয়বহুল। বাংলাদেশের মতো অধিক জনসংখ্যা ও স্বল্প আয়তনের দেশে এই পদ্ধতিটা ছড়িয়ে পড়া খুবই জরুরি। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে দেশে বেকারত্বের সংখ্যা অনেকাংশেই কমে যাবে।

জানা যায়, তারিক হাসান প্রাথমিকভাবে তার বাড়ির পেছনে ১৫ শতাংশ জায়গার মধ্যে ৬ হাজার লিটারের দুটি ট্যাংকিতে ৫৪ হাজার কৈ মাছ ২ লাখ শিং জাতীয় মাছের চাষ শুরু করছেন।

তারিক জানান, তার এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে প্রায় ১২ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। তিনি আশা করেন এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে সফল হলে ৫ মাস পর সে এই ট্যাংকি থেকে ন্যূনতম তার ১০ হাজার কেজি মাছ উৎপাদিত হবে এবং এবং প্রায় ৬ লাখ টাকার মত লাভ করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর জানান, আমরা উপজেলায় তরুণ উদ্যোক্তা তারিক হাসানের বায়োফ্লক মৎস্য খামারটি এর আগে পরিদর্শন করেছি।

এ ছাড়া তার বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ দেখে আমরা সত্যি খুব আনন্দিত, এটি একটি সফল প্রকল্প বলা চলে। আমরা তার বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে প্রতিনিয়ত পরিদর্শন করার পাশাপাশি আমরা তাকে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা, পরামর্শ ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন বলেও জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ৩:০৬ অপরাহ্ন
জ্যান্ত কৈ মাছ গলায় আটকে যুবকের মৃত্যু!
মৎস্য

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মাছ ধরার সময় গলায় কৈ মাছ আটকে দুই সন্তানের জনক শিমুল (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ পৌরসভার এনায়েতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিমুল ওই গ্রামের ব্রজেন্দ্র ডাক্তার বাড়ির বীরেন্দ্র দাসের ছেলে। শিমুল দুই সন্তানের জনক। তিনি স্থানীয় দোপল্লা বাজারে নরসুন্দরের কাজ করতেন।

শিমুলের খালাতো ভাই সুমন দাস জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে শখের বসে হাত দিয়ে কৈ মাছ ধরতে নিজ বাড়ির পুকুর নামে শিমুল। বেশ কয়েকটি কৈ মাছ পাওয়ার পর একটি কৈ মাছ হাত দিয়ে ধরার মধ্যেই আরেকটি কৈ মাছ তার পায়ের নিচে চাপা পড়ে।

এরপর পায়ের নিচের মাছটি দ্রুত ধরার জন্য হাতের মাছটি মুখ দিয়ে কামড়ে ধরে পায়ের নিচের মাছটি দুই হাত দিয়ে ধরতে গেলেই মুখের মাছটি গলায় গিয়ে আটকে যায়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে পরিস্থিতির অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে কুমিল্লা নেয়ার পথে শিমুল মারা যান।

হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শোয়েব আহম্মদ চিশতী জানান, গলায় কৈ মাছটি আটকে থাকা যুবককে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। কিন্তু পরে শুনেছি যুবকটি মারা গেছেন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ জানান, আমি লোক মুখে খবর পেয়েছি। তবে এই নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেননি বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
পুকুরে বিষ ঢেলেছেন দুর্বৃত্তরা, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা!
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের পিউরী গ্রামে পুকুরে বিষ ঢেলে ২৫ লাখ মাছ মেলে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার রাতে ৪ একরের একটি পুকুরে রাতের আঁধারে এই ঘটনাটি ঘটায় দুর্বৃত্তরা।

জানা গেছে, বাজিতপুর পৌর এলাকার পৈলনপুর গ্রামের ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল (৪০) পিউরী গ্রামের মো. মোখলেছুর রহমানের কাছ থেকে ৪ একরের একটি পুকুর ৫ বছরের জন্য ভাড়া নেন। পুকুরে দেলোয়ার হোসেন উজ্জ্বল পাঙ্গাস, কার্ফু, রুই, কাতলা, মৃগেল, তেলাপিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে পুকুরের মালিক ও চার আনা অংশীদার মোখলেছুর রহমান অনেক রাত পর্যন্ত পাহারা দিয়ে বাড়ি চলে যান। এই সুযোগে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ ঢেলে দেয় বলে ধারণা।

পরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে এসে সব মাছ মরে পানিতে ভাসা অবস্থায় দেখতে পান উজ্জল। এ ব্যাপারে তিনি বাজিতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে উজ্জ্বল জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৮, ২০২১ ২:১৫ অপরাহ্ন
মাছের সঙ্গে শত্রুতা, লক্ষাধিক টাকা ক্ষতি!
মৎস্য

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধায় একটি পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে পোনা মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুধবার (১৭ মার্চ) ভোরে পশ্চিম বিছনদই গ্রামে পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখতে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের খবর দেন।

ওই গ্রামের নুরুজ্জামান হোসেন, কবির ও মনির উদ্দিন যৌথভাবে ওই পুকুরে মৎস্য চাষ করেন বলে জানিয়েছেন।

নুরুজ্জামান বলেন, প্রতিবেশি একটি পক্ষ মাছ চাষের জন্য আমাদের সঙ্গে ওই পুকুরে অংশীদার হতে চেয়েছিল। অংশীদার না করায় ক্ষোভে বসে রাতের আঁধারে পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছে। মাছ চাষ করে মুনাফা অর্জনের স্বপ্ন ছিল। কিন্তু এখন আমরা পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছি। এ ঘটনায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রেজ্জাকুল ইসলাম কায়েদ জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীরা মোবাইল ফোনে আমাকে পুকুরে মাছ মরার ঘটনাটি জানিয়েছে। কারও প্রতি সন্দেহ হলে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ৪:২৭ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে মাছ ধরা নিয়ে জেলেদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত ১
মৎস্য

মেঘনা নদীতে মৎস্য শিকারের উপর বর্তমানে একটি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা সত্বেও সেখানে জাটকা বা ছোট আকারের ইলিশ শিকার করছিলো জেলেরা। আর তাতে বাঁধা দিতে পুলিশের সাথে জেলেদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাসুদ নামে একজন জেলে নিহত হয়েছে।

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে সোমবার রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ মিয়ার (২২) বাড়ি মুন্সীগঞ্জের কালিরচর এলাকায়।

পুলিশ বলছে, ওই এলাকার মেঘনা নদীতে মৎস্য শিকারের উপর বর্তমানে একটি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা সত্বেও সেখানে জাটকা বা ছোট আকারের ইলিশ শিকার করছিলো জেলেরা, এমন খবর পাওয়ার পর নৌ পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, অভিযুক্ত জেলেদের পুলিশ আটক করতে গেলে তারা পুলিশের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালায়। এসময় সংঘর্ষ বেধে গেলে, এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি চালায়।

তিনি আরো জানান ”আত্মরক্ষার্থে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়লে মাসুদ নামের একজনের পায়ে লাগে”, বলেন মি. হোসেন। আহত মাসুদকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য এবং সেখানে আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় দুজন জেলেকে আটক করা হয়েছে বলে জানাচ্ছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ২৫ কেজি জাটকা, ২ হাজার মিটার জাল ও ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, দুটি নৌকায় মোট পাঁচজন জেলে সেখানে ছিল। এদের দুজনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

এ ব্যাপারে নিহত বা আটক হওয়া জেলেদের কারো বক্তব্য পাওয়া এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি।

আরো পড়ুন: চাঁদপুরে চার মেট্রিক টন জাটকা জব্দ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ১:২১ অপরাহ্ন
দেশে মাছ উৎপাদন বাড়লেও কমেছে রফতানি
মৎস্য

দেশে বাড়ছে মাছ উৎপাদন। তবে, এই মাছ উৎপাদনের সাথে সাথে বাড়ছে না রফতানি। যেখানে গত পাঁচ বছর আগেই বাংলাদেশ থেকে মাছ রফতানি হয়েছিল ৮৩ হাজার টন। আর সেখানে গত অর্থবছরে (২০১৯-২০) বাংলাদেশ থেকে ৭০ হাজার ৯৫০ টন মাছ রফতানি হয়েছে।

জানা যায়, গত অর্থবছরে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৪৬ কোটি ৯ লাখ ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে, যা ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল ৬৩ কোটি ২৪ লাখ ডলার।

জানা গেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, রাশিয়া ইত্যাদি দেশ বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যপণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ। এছাড়া কানাডা, মেক্সিকো, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, জর্ডান, ভিয়েতনাম পর্যন্ত বাংলাদেশের মাছ রফতানি হয়েছে নিয়মিত। এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রফতানি করা হয় ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারে। তবে নানা প্রতিবন্ধকতায় তালিকার সবদেশে এখন আর মাছ রফতানি হচ্ছে না।

মৎস্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৮৩ হাজার ৫২৪ টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি করেছিল। এরপর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭৫ হাজার ৩৩৭ টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৬৮ হাজার ৩০৫ টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৬৮ হাজার ৯৩৫ টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৭৩ হাজার ১৭০ টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি হয়েছে।

মৎস্য খাতের মোট রফতানির মধ্যে চিংড়ির পরিমাণই বেশি। চিংড়ি রফতানি কমায় সার্বিক মাছ রফতানি কমার মূল কারণ। এর মধ্যে গত অর্থবছরের তথ্য না মিললেও ২০১৮-১৯ সালে দেশ থেকে ৩৩ হাজার ৩৬৩ টন চিংড়ি রফতানি হয়েছে। ২০১৪-১৫ সালেও ৪৪ হাজার ২৭৮ টন চিংড়ি রফতানি হয়েছিল। তার চেয়ে বেশি চিংড়ি রফতানি হয়েছে বিগত বেশকিছু অর্থবছরে। এর মধ্যে ২০০৬-০৭, ২০০৮-০৯ ও পরের দুই অর্থবছর এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে অর্ধলাখ টনের বেশি চিংড়ি রফতানি হয়েছে।

মাছ রফতানিকারকগণ জানিয়েছেন, এ খাতে কোনো বিদেশি বিনিয়োগ নেই, অথচ বিদেশি বিনিয়োগ আসার সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার বা বেসরকারি খাতের খুব বেশি চেষ্টা নেই। এছাড়া চিংড়ির মান উন্নয়নে ও বিকল্প দেশ খুঁজতে অপ্রতুল সহায়তা পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রফতানিকারক সমিতির (বিএফএফইএ) সভাপতি আমিন উল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, তিনটি কারণে চিংড়ি রফতানি কমেছে।

প্রথমটি হলো, দেশে এখনো চিংড়ি চাষ হচ্ছে সনাতন পদ্ধতিতেই। এতে উৎপাদন খুব কম। তার মধ্যে আবার দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চিংড়ির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সবমিলিয়ে রফতানির জন্য চিংড়ি মিলছে না।

দ্বিতীয়ত, ভেন্নামি নামের এক ধরনের হাইব্রিড চিংড়ি আমাদের রফতানির বাজার ধরে নিয়েছে। যেটা আমাদের দেশে হয় না। ওইসব চিংড়ির উৎপাদন আমাদের চিংড়ি থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত। ফলে ওই চিংড়ি এখন কম দামে বিশ্ব বাজারের ৭৭ শতাংশ দখল করেছে।

আর তৃতীয় কারণ হলো, রফতানি কমার পরও মৎস্য খাত নিয়ে সরকারের সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব রয়েছে। অন্য মাছের জাত সুরক্ষার দোহাই দিয়ে আমাদের উন্নত জাতের চিংড়ি চাষের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে রাখা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
বিলুপ্তির পথে মাগুরায় দেশী প্রজাতির মাছ!
মৎস্য

পূর্বে দেশী প্রজাতির মাছ মাগুরাতে ব্যাপকভাবে পাওয়া গেলেও বর্তমানে আর পাওয়া যায়না। ফলে মৎস্যজীবীরা পড়ছে বিপাকে। অন্যদিকে সাধারণ মানুষও দেশীয় মাছের স্বাদ থেকে হচ্ছে বঞ্চিত। এককথায় বলা চলে, মাগুরাতে দেশীয় প্রজাতির মাছ এখন বিলুপ্তির পথে।

জানাগেছে , জেলার চারটি উপজেলা সদর ,শ্রীপুর , শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলার উপর দিয়ে ফটকি , নবগঙ্গা , কুমার , চিত্রা ও মধুমতি নদী প্রবাহিত । এই সমস্ত এলাকায় রয়েছে বেশ কয়েকটি বিল । পূর্বে নদীতে দেশী প্রজাতির মাছ টেংরা , পুটি , স্ব্রপুটি , বাইম,বেলে, কাকিলা, রয়না , গুতে , পাবদা , চাঁদা , চাপিলা প্রভৃতি মাছ পূর্বে ব্যাপকভাবে পাওয়া গেলেও বর্তমানে আর তেমন পাওয়া যায় না । সারাদিন জ্বাল টেনে একজন জেলে এক কেজিও মাছ পায় না ।

মাগুরার খাল-বিল পর্যন্ত শুকিয়ে এখন মাছশূন্য। এ অঞ্চলে দেশীয় প্রজাতির শৈল, বোয়াল, মাগুর, সিং, পাবদা, মলা, ঢেলা, কৈ, টেংরা, টাকি, পুঁটি, বাতাসি, বাইম, গজারসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ আর দেখতে পাচ্ছেন না বাসিন্দারা।

জেলেপল্লীর মৎস্যজীবীরাও এখন মাছের আকালে পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অতীতে খাল-বিল, নদী-নালায় কোনো রকম পরিচর্যা ছাড়াই জন্ম নিয়ে বেড়ে উঠত নানারকম দেশি প্রজাতির অজস্র মাছ। কিন্তু এখন আর সেই দেশীয় মৎস্য সম্পদের প্রকৃত অভয়ারণ্য নেই কোথাও। তবে মৎস্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় কেবল কাগজপত্রেই বিভিন্ন স্থানে নামকাওয়াস্তের অভয়ারণ্য ঘোষিত হয়। বাস্তবে দেশি প্রজাতির মাছের বংশবৃদ্ধি এবং বেড়ে ওঠার জন্য যে পরিমাণ নদী, জলাশয়, খাল-বিল, হাওরের প্রয়োজন তা ক্রমেই সংকুচিত হয়েছে বলে তারা জানান।

মৎস্যজীবীরা জানান, পূর্বে নদীতে জাল ফেললে যে মাছ পেতাম তা বিক্রি করে ভালো ভাবে সংসার চলে যেত কিন্তু বর্তমানে সারা তিন জাল টেনেও মাছ পাই না । দেশীয় প্রজাতির মাছ নদী ও বিলে একেবারেই কমে গিয়েছে ।

তারা আরো জানান, মাগুরার বাজারে বর্তমানে যে সামান্য দেশীয় মাছ আসে তা সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। প্রতিকেজি পুটি টেংরা ৫/৬ শত টাকা , স্বরপুটি বইম ৪/৫ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে । মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে দেশী প্রেজাতির মাছের আমদানী হয়না । বিদেশী প্রজাতির মাছ বিক্রি হয় বেশী । নদী বিলে দেশী প্রজাতির মাছ পাওয়া যায় না । দেশী প্রজাতির মাছ নেই বললে চলে বলেও তারা জানান।

আরো পড়ুনঃ পেয়ারা চাষে লাভবান মাগুরার কৃষক সুশান্ত

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৫, ২০২১ ৬:১২ অপরাহ্ন
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চট্টগ্রামে এক মাছ চাষির মৃত্যু
মৎস্য

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে শফিউল আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির। মাছের প্রজেক্টে পানিরপাম্প চালু করতে গিয়ে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। শফিউল আলম চরম্বা ইউনিয়নের ওয়াহিদের পাড়া গ্রামের মৃত কবির আহমদের ছেলে।

গতকাল রবিবার (১৪ মার্চ) রাতে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

গণমাধ্যমে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত কর্মকর্তা) রাশেদুল ইসলাম।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ মার্চ, রোববার সন্ধ্যায় শফিউল আলম তার মাছের প্রজেক্টে পানির পাম্প চালু করতে যান। সেখানে প্রথমে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের পরিদর্শক জনাব রাশেদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ একটি তদন্তকারী দল পাঠানো হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীটে এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হবে বলেও তিনি জানান।

আরো পড়ুনঃ মাছ ধরার ট্রলারে বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ৭

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৫, ২০২১ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
কক্সবাজারে মাছ ধরা ট্রলারে রহস্যময় বিস্ফোরণের নেপথ্যে—-
পাঁচমিশালি

বাংলাদেশের কক্সবাজার উপকূলে মাছ ধরার সময় ট্রলারে বিস্ফোরণে শুক্রবার রাত পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে আর ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন আরও চার জন কিন্তু এ ঘটনাটি নিয়ে কৌতুহল ছড়িয়ে পড়েছে জেলে ও ট্রলার মালিকদের মধ্যে।

নিহত ও আহত জেলেদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে

সেখানকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মোমিন বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, নিহতদের পরিবারকে ইতোমধ্যেই জেলা প্রশাসন থেকে বিশ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু এই বিস্ফোরণের কারণ জানা গেছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন জেলেদের যারা সুস্থ হয়ে এসেছে তাদের সাথে কথা বলেছেন কিন্তু তারা কারণ কিছু বলতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে কক্সবাজারে গিয়ে মামলা করার জন্যও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মি. মোমিন।

“মামলা ও তদন্ত হলে জানা যাবে আসলে কি ঘটেছে সেখানে,” বলছিলেন তিনি।

তবে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন এখনো কোন মামলা দায়ের করেনি কেউ। কোস্ট গার্ডের চট্টগ্রাম জোনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন ঘটনাটিও তাদেরকেও জানানো হয়নি।

তবে কোস্ট গার্ড কক্সবাজার ইউনিটে যোগাযোগ করা হলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি উত্থাপনের সাথে সাথে ফোন কেটে দেন এবং পরে কয়েক দফা যোগাযোগ করা হলে পরে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।

তবে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রলারটির মালিক শহিদুল হক সোহেল বলছেন, “এটি একটি রহস্যময় ঘটনা। কারণ জাহাজের ইঞ্জিন, ব্যাটারি, গ্যাস সিলিন্ডার সব অক্ষত। হঠাৎ করে কিছু একটা এসে উপরিভাগের কেবিনে বিধ্বস্ত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটায় যাতে সেখানে থাকা ১২ জন জেলে আহত হয়। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাদের মধ্যে সাত জন মারা গেছে”।

যা ঘটেছিলো
একুশ জন জেলে ট্রলারটি নিয়ে কক্সবাজার উপকূল থেকে রওনা দিয়েছিলো ২৭শে ফেব্রুয়ারি। বাকখালী নদী পেরিয়ে আরও অন্তত ১০/১২ ঘণ্টা ট্রলার চালানোর পর রাত তিনটা থেকে সাগরে জাল ফেলার কাজ করে ২৮শে ফেব্রুয়ারি সকাল দশটা নাগাদ সকালের খাবার খান তারা।

জেলেদের একজন মোঃ শরীফ বিবিসিকে বলেন, মেঘনায় মাছ ধরা নিষেধ এখন তাই তারা কক্সবাজার উপকূলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন সেদিন।

তিনি জানান জেলেদের প্রায় সবাই উপরের অংশের কেবিনে ভেতরে ও বাইরে বসে খাবার খাওয়া মাত্র শেষ করেছিলেন আর একজন নীচে বসে জাল পাহারা দিচ্ছিলেন।

“সকাল সাড়ে এগারটার মতো বাজে। হঠাৎ প্রচণ্ড শব্দ। কেবিন তছনছ হয়ে গেলো। সবাই লাফিয়ে পড়লো পানিতে। পরে যে একজন উপরে ছিলো যে রশি ফেললে আমরা একে একে উঠে আসি। কম বেশি সবাই আহত হল। বেশ কিছুক্ষণ পর কাছাকাছি এলাকা দিয়ে আরেকটি ফিশিং বোট যাচ্ছিলো। তখন আমরা অনুরোধ করলাম মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে এমন এলাকায় এগিয়ে দিয়ে আসতে,” বলছিলেন তিনি।

পরে মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়ার পর ট্রলারের মালিককে ঘটনা জানান আহত জেলেরা এবং তাদের দ্রুত উদ্ধারের অনুরোধ করেন।

মালিক শহিদুল হক সোহেল বলেন, খবর পেয়েই আরেকটা বোট ও দুইটা স্পীড বোট ভাড়া করে তখনি রওনা দিয়ে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করান তিনি।

“তারপর থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত একে একে কয়েকজন মারা গেলো। আরও কয়েকজন চিকিৎসাধীন আছে। কিন্তু ঘটনাটি কেন ঘটলো সেটি বুঝলাম না। কারণ ট্রলারে ইঞ্জিন, গ্যাস সিলিন্ডার বা ব্যাটারি সব ঠিক আছে। মাঝি বা জেলেরাও কিছু বুঝতে পারেননি,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মিস্টার হক।

তিনি জানান আহতদের দ্রুত প্রথমে চট্টগ্রাম ও পরে কয়েকজন ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং পুরো ঘটনা সেখানকার ফিশিং বোট মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।

মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বিবিসিকে বলছেন, “এটা একটা মিরাকল। ট্রলারটি উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী ছিলো। এবং বিস্ফোরক কিছু এসে পাশ থেকে কেবিনে আছড়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। রহস্য উদঘাটনে ঘটনাটি তদন্ত হওয়া দরকার”।

মি. হোসেন বলেন, সাধারণ একজন মাঝির নেতৃত্বে জেলেরা ফিশিং বোট মালিকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী সাগরে যায় মাছ ধরতে।

“ধরুন আমি বোট আর দুই লাখ টাকা অগ্রিম দিলাম। তারা সাগরে যাবে মাছ ধরবে। যা পাবে খরচ বাদ দিয়ে লাভের বাকী অংশ সমান ভাগ হবে। তাই বোট নিয়ে যাওয়ার পর মালিকের এখানে আর করণীয় কিছু থাকে না। কিন্তু এখানে মাঝি ও জেলেরাই হতবাক যে কি হয়ে গেলো”।

যারা মারা গেছেন
রামগতি উপজেলা প্রশাসন ও জেলেদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী যারা মারা গেছেন তারা হলেন: মোঃ বেলাল উদ্দিন, মোঃ মেহেরাজ উদ্দিন, মোঃ রিপন মাঝি, আবুল কাশেম, মোঃ মিলন, মিরাজ উদ্দিন (পিতা সিরাজ উদ্দিন) ও মিরাজ (পিতা: দেলোয়ার হোসেন)। সূত্র- বিবিসি বাংলা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ থেকে মাছ কিনতে আগ্রহী ব্রুনাই
মৎস্য

মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এই দেশের মাছ অনেক সুস্বাদু এবং এখানকার মাছ উৎপাদন পদ্ধতি ইতিবাচক। এ কারণে ব্রুনাই সরকার বাংলাদেশ থেকে মাছ কিনতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুস সালাম’র রাষ্ট্রদূত হাজী হ্যারিস বিন ওথমান।

শনিবার (১৩ মার্চ) রাষ্ট্রদূত হাজী হ্যারিস বিন ওথমান তালা উপজেলার হাজরাকাঠি বিলের বেদতলা মৎস্য খামার পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন,বাংলাদেশের দক্ষ মাছচাষি এবং বিনিয়োগকারীদের প্রতি ব্রুনাই দারুস সালামের দৃষ্টি আকর্ষণে আমাদের হাইকমিশন সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

এসময় হাইকমিশনের কর্মকর্তা এ.কে.এম. সয়েদাদ হোসেন, কানাডা-বাংলাদেশের শিল্প উদ্যোক্তা কাজী দেলোয়ার হোসেন, শফিক আহম্মেদ ও ল্যান্ডমার্কের চেয়ারম্যান আব্দুস সাতক্তার মিল্টন সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

হাইকমিশনের কর্মকর্তা এ.কে. এম. সয়েদাদ হোসেন জানান, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রুনাই সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে পাঁচটি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যার মধ্যে ব্রুনাই সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য চাষে উন্নয়ন সহযোগিতা প্রদানের চুক্তি ছিল। ওই স্মারক চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান হাই কমিশনার হ্যারিস বিন ওথমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। যার ধারাবাহিকতায় তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তালা উপজেলার হাজরাকাাঠি বিলের মৎস্য ঘের পরিদর্শনে আসেন।

তিনি আরও বলেন, মৎস্য খাতে বাংলাদেশের যে অগ্রযাত্রা তা থেকে ব্রুনাই সরকার বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চায়। একই সঙ্গে এ দেশ থেকে মৎস্য আমদানিসহ যদি কোনও বিনিয়োগকারী দক্ষ মাছচাষিকে ব্রুনাইতে নিয়ে যেতে চায় সেক্ষেত্রে ব্রুনাই হাই কমিশন সর্বদা সহযোগিতা প্রদানে তৈরি রয়েছে।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার ফিরোজ হোসেন, খলিল নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার ইমান আলী, ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন, ইউপি সদস্য আ.স.ম. আব্দুর রব, অ্যাড. মুনির সরদার ও তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বি. এম. জুলফিকার রায়হানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিশেষ বাহিনীর সদস্য, এলাকার জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ রাষ্ট্রদূতের সাথে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop