১১:৫০ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২১ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সাতক্ষীরায় কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ৩২ হাজার প্রান্তিক কৃষক
কৃষি বিভাগ

চলতি ২০২১-২২ রবি মৌসুমে সাতক্ষীরার সাত উপজেলায় ৩২ হাজার ৩০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষককে শস্য আবাদের জন্য প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। প্রণোদনা হিসেবে এসব কৃষক পাচ্ছেন ধান, গম, সরিষা, ভুট্টা ও খেসারি বীজ এবং প্রয়োজনীয় সার।

এরই মধ্যে জেলার কয়েকটি উপজেলায় এসব উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে উৎপাদন বাড়াতে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে এ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা বিভিন্ন মৌসুমে ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা পূরণে অবদান রাখবেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামালনগর গ্রামের কৃষক দিলীপ কুমার ঘোষ জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে এক কেজি করে সরিষা বীজ এবং ১০ কেজি করে ড্যাপ ও ১০ কেজি করে পটাশ সার পেয়েছেন। তারা জানান, বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে অনেক উপকৃত হয়েছেন। এরই মধ্যে এক বিঘা করে জমিতে বীজ বপন করেছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষি প্রণোদনার আওতায় জেলায় মোট ৩২ হাজার ৩০০ কৃষককে বীজ ও সার দেয়া হবে। ১০ হাজার কৃষককে বোরো ধানের (উফশী) বীজ ও সার দেয়া হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় দুই হাজার কৃষককে, কলারোয়া উপজেলায় ১ হাজার ৬০০, তালা উপজেলায় ১ হাজার ৮০০, দেবহাটা উপজেলায় এক হাজার, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১ হাজার ৩০০, আশাশুনি উপজেলায় ১ হাজার ৩০০ এবং শ্যামনগর উপজেলায় এক হাজার জনকে এ ধানবীজ দেয়া হবে। প্রত্যেক কৃষক পাঁচ কেজি ধানবীজ, ১০ কেজি ড্যাপ সার ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।

এছাড়া বোরো (হাইব্রিড) ধান বীজ পাবেন জেলার ১৪ হাজার কৃষক। এর মধ্যে সদর উপজেলায় তিন হাজার জন, কলারোয়া উপজেলায় ২ হাজার ৫০০, তালা উপজেলায় তিন হাজার, দেবহাটা উপজেলায় ১ হাজার ৫০০, কালিগঞ্জ উপজেলায় এক হাজার, আশাশুনি উপজেলায় দুই হাজার ও শ্যামনগর উপজেলায় এক হাজার জনকে দুই কেজি হাইব্রিড ধানের বীজ দেয়া হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আরো জানায়, চলতি রবি মৌসুমে দুই হাজার কৃষককে গমের বীজ ও সার দেয়া হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৬৫০ জন, কলারোয়া উপজেলায় ৫০০, তালা উপজেলায় ৪৫০, দেবহাটা উপজেলায় ১০০, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১০০, আশাশুনি উপজেলায় ১০০ ও শ্যামনগর উপজেলায় ১০০ কৃষককে ২০ কেজি করে গমের বীজ, ১০ কেজি ড্যাপ সার ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হবে।

একই মৌসুমে এক হাজার কৃষককে ভুট্টার বীজ ও সার দেয়া হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২৫০ জন, কলারোয়া উপজেলায় ১৫০, তালা উপজেলায় ১৭০, দেবহাটা উপজেলায় ৮০, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৫০, আশাশুনি উপজেলায় ১০০ ও শ্যামনগর উপজেলায় ১০০ কৃষককে দুই কেজি ভুট্টার বীজ, ২০ কেজি ড্যাপ সার ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হবে।

এছাড়াও পাঁচ হাজার কৃষককে সরিষার বীজ ও সার দেয়া হবে। একই মৌসুমে ৩০০ কৃষককে খেসারির বীজ ও সার দেয়া হবে।

সাতক্ষীরার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে উৎপাদন বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন মৌসুমের ফসল উৎপাদনে নিয়মিত প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছেন সরকার। প্রণোদনার বীজ ও সার ব্যবহার করে উপকারভোগী কৃষকরা শস্য উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য চাহিদা পূরণে অবদান রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২০, ২০২১ ৩:৪৫ অপরাহ্ন
নীলফামারীতে আগাম আলুর ব্যাপক ফলনের আশা
কৃষি বিভাগ

দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আগাম আলু চাষ হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। আলু চাষ করে অনেক কৃষক স্বাবলম্বীও হয়েছেন। কিন্তু গত বছরে যারা আগাম আলু চাষ করেছিলেন তারা তেমন লাভবান হতে পারেনি বলে জানা যায়।

তবে এবার আগাম আলু চাষে লাভের আশায় আছেন নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দেশের বাজারে আগাম আলুর জন্য বিখ্যাত এই কিশোরগঞ্জ। কিন্তু হঠাৎ বৈরি আবহওয়ার কারণে কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

বড়ভিটার এলাকার আলু চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, আমি হতাশায় আছি বৈরি আবহাওয়ায় আলুর পাতা-ডাল মরে যাচ্ছে। এতে করে আলুর ক্ষতি হতে পারে। যদি এই সমস্যা কেটে উঠতে পারি তাহলে ভালোমানের আলু বাজারজাত করতে পারবো এবং ভালো দাম পাবো।

আমি ১০ বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি এতে যদি ভালোমানের আলু ধরে তাহলে ১০০ বস্তার মতো আলু আসবে। বাজার মূল্য যদি ৬০ থেকে ৮০ টাকা হয় তাহলে এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, এবছর পুরো উপজেলায় ছয় হাজার পাঁচশত হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে। তবে মাঠে দেখা গেছে বাম্পার ফলন হয়েছে আলুর। ১০ দিনের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন আলু।

৯টি ইউনিয়নে শুধু আলুর সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে। যদি কৃষকেরা সঠিক মূল্য পান ও বাজারজাতের জন্য ভালো কোনো ব্যবস্থা থাকে তাহলে লাভবান হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২০, ২০২১ ২:৩০ অপরাহ্ন
ফুলকপিখেতে পোকার আক্রমণ, কীটনাশকেও রোধ হচ্ছে না
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুরে পোকার আক্রমণে ফুলকপি ও বাঁধাকপির খেত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকেরা জানান, খেতে কালো মাথার পোকা ছড়িয়ে পড়েছে, যা কীটনাশক ছিটিয়ে দমন করা যাচ্ছে না।

তবে কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, কপিখেতে লেদাপোকার আক্রমণ হয়েছে। অনেকে বেশি মাত্রায় ছত্রাক ও কীটনাশক ব্যবহার করায় পোকার সহনশীল ক্ষমতা বেড়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার মেহেরপুরে বাঁধাকপি ও ফুলকপির চাষ হয়েছে আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে পোকার আক্রমণে এক-তৃতীয়াংশ খেত কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত বুধবার সদর উপজেলার কালিগাংনী, হিজলবাড়িয়া, কুতুবপুর, শোলমারি এবং গাংনী উপজেলার কাথুলী, ধলা, নওয়াপাড়া, জোড়পুকুর ও গাড়াবাড়িয়া এলাকার মাঠে গিয়ে দেখা যায়, বেশির ভাগ কপিখেত পোকার আক্রমণ। কপির পাতায় ছিদ্র ও হলুদ আকার ধারণ করেছে। শিকড় পচে গাছ মরে যাচ্ছে।

সদর উপজেলার কুতুবপার গ্রামের হারেজ শেখ এ বছর প্রায় চার বিঘা জমিতে ফুলকপির চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামের অধিকাংশ কৃষকের ফুলকপি ও বাঁধাকপির খেতে কালো মাথা ও উড়া পোকা আক্রমণ করেছে। পোকা দমনের জন্য তাঁরা দানাদার ও তরলজাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করছেন। কিন্তু কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না আক্রমণ। এক বিঘা জমিতে কীটনাশক বাবদ চার-পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এরপরও কোনো কাজ হয়নি।

গাংনী উপজেলার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মোরাদ শেখ সাত-আট বিঘা জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরে আগাম জাতের বাঁধাকপি বিঘাপ্রতি ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলেন। এবার মৌসুমের শুরুতে বাঁধাকপির বিঘাপ্রতি দাম ছিল ৭০-৭৫ হাজার। এলাকায় কপিখেতে দুই ধরনের পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছেন। এতে কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলি খাতুন বলেন, ছত্রাকনাশক ও কীটনাশকের অধিক মাত্রার ব্যবহারের কারণে পোকার সহনশীল ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে কীটনাশক যথাযথভাবে কাজ করতে পারছে না।

পোকার আক্রমণ রোধ করতে উপজেলা সহকারী মাঠকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ। তিনি বলেন, পরিমাণমতো কীটনাশক ব্যবহার করলে পোকার আক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২০, ২০২১ ১:১৩ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দর কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম
কৃষি বিভাগ

এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কমেছে ৪০ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ ৪০ টাকা ও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা কেজি দরে। ভারত থেকে আমদানি বৃদ্ধি হওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমে গেছে, আবার দেশে কাঁচামরিচের ভাল ফলন ও উৎপাদন বেশি হওয়ায় ভারতীয় কাঁচামরিচের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে, বলেছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (২০ নভেম্বর) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে কাঁচামরিচ ৬৬ টাকা কেজি দরে ক্রয় করে তা খুচরা বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা কেজি দরে। আজ সেই কাঁচামরিচ ৩৬ টাকা দরে পাইকারি ক্রয় করে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে।
এদিকে, গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ ৩৬ টাকা কেজি দরে পাইকারি ক্রয় করে বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা কেজি দরে। আজ সেই ভারতীয় পেঁয়াজ ২৬ টাকা পাইকারি ক্রয় করে তা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

হিলি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মিঠু মিয়া জানান, এক সপ্তাহের মধ্যে কাঁচামরিচ ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম অনেক কমে গেছে। আজ কাঁচামরিচ ৩৬ টাকা পাইকারি নিয়ে তা ৪০ টাকা করে খুচরা বিক্রি করছি। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ২৬ থেকে ২৭ টাকা পাইকারি নিয়ে তা বিক্রি করছি ৩০ টাকা কেজি দরে। দাম কমে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে অনেক স্বস্তি ফিরছে এবং আমাদের বেচা-বিক্রিও ভাল হচ্ছে।

হিলি বাজারে পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফরিদুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে বর্তমান পেঁয়াজের আমদানি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে দামও কমে গেছে। ২৫ টাকা কেজি দরে আমদানিকারকদের নিকট ক্রয় করে তা ২৬ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি করছি। আশা করছি পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ২:১৮ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

আগাম আমন ও উফশী জাতের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো। কৃষকরা বলছেন, বাজারে ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ মনে করছে, জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত চাল দেওয়া যাবে দেশের খাদ্যভাণ্ডারে।

চলছে ব্রি-৯০ ও ৩৪ আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ভালো ফলন এবং ভালো দর পেয়ে লাভবান তারা।

 আমনের বাম্পার ফলন হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত চাল দেশের খাদ্যভাণ্ডারে দেওয়া যাবে বলে আশা স্থানীয় কৃষি বিভাগের।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ বলেন, ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমি থেকে আমরা প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মেট্রিক টন চাল পাবে, যা জেলার চাহিদা মিটিয়েও দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে যোগ করতে পারব বলে আমরা আশা করি।
 
দিনাজপুরে আমন মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বরিশালে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরগুনা সদরের বাইনসামের্ত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রে (এআইসিসি) বিনামূল্যে আইসিটি মালামাল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) উপজেলার পরীরখালে কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে সংগঠনের সদস্যদের সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস এম নাহিদ বিন রফিক। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. কবির মিয়া, এআইসিসির সভাপতি মো. জালাল মাহমুদ, সহ-সভাপতি মো. জালাল আহমেদ প্রমুখ।


প্রধান অতিথি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্বায়নের যুগে দেশকে এগিয়ে নিতে আইসিটি ব্যবহারের বিকল্প নেই। আর তা বাস্তবায়নের জন্যই আপনাদের মাঝে এসব আইসটি সামগ্রি বিতরণের ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে নিজেদের জীবনমান উন্নয়ন হবে। দেশ হবে কৃষিতে সমৃদ্ধ।

উল্লেখ্য, কৃষি তথ্য সার্ভিস আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, রঙিন প্রিন্টার, সাউন্ড সিস্টেম, স্মার্ট ফোন, জেনারেটর এবং স্কানার বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:২৮ অপরাহ্ন
বাগেরহাটের শরণখোলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ তুলে দেন শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত।

বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওয়াসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো. মোস্তফা মশিউল আলম,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান, শেখ আলাউদ্দিন মজুমদার প্রমুখ।

এসময় শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের দুইশত প্রান্তিক কৃষকদের মঝে এ সার ও বীজ তুলে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহের ভালুকায় আখ চাষে লাভবান কৃষক
কৃষি বিভাগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় কৃষকরা আখ চাষ শুরু করেছেন। উপজেলার মাটি আখ চাষের উপযোগী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত অমৃত, সুন্দরী, রংবিলাশ, বিএসআরআই ৪১/৪২ জাতের আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তারা।

কয়েকজন কৃষক গত কয়েক বছর থেকে আখ চাষ করে এখন তারা স্বাবলম্বী। রোগ বালাইয়ে তেমন একটা ক্ষতি না হলে এক একরে আড়াই লক্ষাধিক টাকার আখ বিক্রয় করা যায়। উৎপাদন খরচ ৫০-৬০ হাজার টাকা বাদে একরে ২ লাখের বেশি টাকা লাভ হয়। এজন্য প্রতি বছর কৃষকদের আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

মল্লিক বাড়ি গ্রামের কৃষক তাজউদ্দিন জানান, লাভজনক ফসল হলেও আখ চাষে তারা অধিক চাষের সাহস করেন না। কারণ হিসেবে তাদের কাছ থেকে জানা যায়, বাণিজ্যিকভাবে চিনিকলগুলো এ জাতের আখ কেনে না। শুধু মুখে চিবিয়ে কিংবা রস করে খাওয়া হয়। চিনিকলগুলোতে কেনা হলে কৃষকরা আখ চাষে অনেক লাভবান হবেন। তবে ৬ বিঘা জমিতে আখ চাষ করে খরচ হয়েছে ২ লাখ টাকা। আমি আশা করছি, ৬ লাখ বিক্রি করতে পারব।

কৃষক মাফিজুল জানান, গত ৩ বছর ধরে আখ চাষ করছি। ২৫ কাঠা জমিতে দেড় লাখ খরচ হয়েছে। আশা করছি ৫ লাখ বিক্রি করব।

আখ চাষি আব্দুল বাতেন বলেন , আখ লাভজনক ফসল। যুব সমাজ যদি এ পেশায় আগ্রহী হয়, তাহলে বেকারত্ব কমে আসবে।

তিনি জানান, স্থানীয় পাইকাররা তাদের ক্ষেত থেকে আখ ক্রয় করে নিয়ে যায়। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবারে তেমন একটা রোগ বালাই দেখা দেয়নি। দামও ভালো আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন জাহান জানান, আখ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটি অন্য ফসলের চেয়ে লাভজনক হওয়ার স্থানীয় কৃষকরা এ চাষে অধিক মনোযোগী হয়েছেন। বর্তমানে ১ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে ৯২ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ফলন আশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটে কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ’উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পর আওতায় যৌথভাবে ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে পাঁচবিবি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা পাট সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ।

বর্তমান সরকারের পাট চাষ সম্প্রসারণে গৃহীত কর্মসূিচ তুলে ধরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মীর্জা আলী আশরাফ। পঁচিবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরমান হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন মন্ডল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফর রহমান। উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট চাষ ও বীজ উৎপাদন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা সামছুল আলম, বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা তামান্না সুলতানা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন ও উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুল হক।

পাঁচবিবি উপজেলার পাট বীজ উৎপাদনকারী নির্বাচিত শতাধিক কৃষক প্রযুক্তি নির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
কৃষকের ৩ হাজার টমেটো গাছ কাটল দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের কচুয়ায় এক কৃষকের তিন হাজার ফলন্ত টমেটো গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলার বিশারখোলা মাঠে কৃষক দাউদ মৃধার ক্ষেতের এসব গাছ কাটে দুর্বৃত্তরা। ভুক্তভোগী কৃষক দাউদ মৃধা দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। গত বছরও দাউদ মৃধা ও তার ভাইয়ের টমেটো গাছ কেটেছিল দুর্বৃত্তরা। শুধু দাউদ মৃধা ও তার ভাই নয়, দুই বছর ধরে বিশারখোলা ও গজালিয়া এলাকার অন্তত ২০ জন কৃষকের টমেটো গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দাউদ মৃধা বলেন, ৭৪ শতক জমি লিজ নিয়ে অনেক কষ্ট করে তিন হাজার গাছ লাগিয়েছি। এতে ২ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। ১৫ দিন পরেই এসব গাছ থেকে টমেটো বিক্রি করতে পারতাম। তিন হাজার গাছে অন্তত ৮ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি হতো।

কে বা কারা কেটেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে দাউদ মৃধা বলেন, এ টমেটোই সব আমার। রাত জেগে পাহারা দিই। শীত লাগার কারণে মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে বাড়িতে যাই। গতকাল সকালে এসে দেখি সব গাছ কাটা। কে কাটছে জানি না। আমাকে আর্থিকভাবে শেষ করে দেয়ার জন্যই এ কাজ করেছে তারা।

স্থানীয় মোস্তফা দরানী ও আলী আকবর দরানী বলেন, শুধু এবার নয়, দুই বছর ধরে গজালিয়া ও বিশারখোলা এলাকার একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন লোকের ফলন্ত গাছ কেটে নষ্ট করছে। গত বছরও দাউদ ও তার ভাই ওয়াদুদ মৃধাসহ অন্তত ২০ জনের টমেটো গাছ কেটেছে চক্রটি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ দুষ্টচক্রকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, একজন কৃষকের টমেটো গাছ কাটার খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop