১:৫৫ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ৯:৪৮ অপরাহ্ন
বরিশালে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (বুধবার) নগরীর ব্রি’র হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের কাজ। তবে দেশের অতিরিক্ত লোকের চাহিদা নিশ্চিত করতে অন্য ফসলের পাশাপাশি ধানের উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য দরকার উন্নত জাত ব্যবহার। আর তা কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানো এ প্রকল্পের মাধ্যমেই সম্ভব। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন।

ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. অলিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন, ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, ডিএই ভোলার উপপরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডিএই ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. রিফাত শিকদার, ভোলার তজুমুদ্দিনের উপজেলা কৃষি অফিসার অপূর্ব লাল সরকার, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার পপি, ভোলার জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোর্শেদা আক্তার মিমি প্রমুখ। কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১ শ’ ১০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা করবে- যুক্তরাজ্য
কৃষি বিভাগ

যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বাজারে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য দেশে আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপন, উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি। এ লক্ষ্যে কৃষিপণ্য রোগজীবাণুমুক্ত ও নিরাপদ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য সনদ (ফাইটোস্যানিটারি) দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সোমবার (১৫ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে দেশটির ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এফএসএ) এবং সরকারি গবেষণাগারের কর্মকর্তা এবং লন্ডন সফররত কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে আমরা বিশ্বমানের আধুনিক ল্যাব স্থাপন ও গ্রহণযোগ্য সার্টিফিকেশন দেওয়ার জন্য কাজ করছি। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের যে সক্ষমতা রয়েছে, তা আমরা কাজে লাগাতে চাই। আমরা যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা কামনা করি। আমাদের নিজস্ব অর্থেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পান রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও ইউকেতে তা এখনো বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে ইউকে প্রতিনিধি দল জানায়, ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে বিল পাস বিবেচনাধীন রয়েছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডে পান রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা নেই।

এ সময় লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম জানান, বাংলাদেশ ও ইউকের মধ্যে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের বিষয়ে যে আলোচনা হচ্ছে। তার মধ্যে ল্যাব ও ফাইটোস্যানিটারি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া ইউকে প্রতিনিধি দল ল্যাব সিস্টেম উন্নয়নে ইউনিডো থেকে অনুদান পাওয়া যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

ইউকে এআইডির চলমান ফান্ডিং সহায়তায় এ বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা, এটিও তারা খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান সাইদা মুনা তাসনিম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউকের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সির চিফ সাইন্টেফিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক রবিন মে, ডেপুটি গভর্নমেন্ট কেমিস্ট সেলভারানি এলাহি, হেড অব ইইউ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি লিজ স্ট্রেটন, এফএসএর সাইন্টেফিক স্যাম্পলিং ও ল্যাবরেটরি পলিসি লিডার ডেভিড ফ্রাঙ্কলিং।

ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি ও সরকারি গবেষণাগারের এক্সপার্টরা এ সময় সেদেশের ল্যাবস স্থাপন, পরিচালনা, টেস্টিং মানদণ্ড, রেগুলেটরি চাহিদা প্রভৃতি বিষয়ে উত্থাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
খাল পুনঃখননে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর আত্রাইয়ের লালপাড়া-পৈঁসাওতা খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। এই খাল পুনঃখনন হওয়ায় উপ-প্রকল্প এলাকার কৃষক-সমিতির সদস্য উপকৃত হয়েছে। খালটির দৈর্ঘ্য চার কি.মি.।

জানা গেছে, আত্রাইয়ে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে, টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে লালপাড়া-পৈঁসাওতা (এসপিনং-২৫৩২৭) পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ। খাল খনন শুরু হয় চলতি বছরের মার্চ মাসে আর শেষ হয় ৩১শে এপ্রিলের মধ্যে। খালটি উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের লালপাড়া স্লুইস গেট থেকে শুরু হয়ে পৈঁসাওতা ব্রিজের পূর্ব প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়েছে। খালটি পুনঃখনন হওয়ায় পৈঁসাওতা, বাহাদুরপুর, দমদত্ত বাড়িয়া, হিঙ্গলকান্দি, উলুবাড়িয়া, লালপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৮ হাজার মানুষ বিভিন্ন উপায়ে সুবিধা ভোগ করছেন। খালটি পুনঃখনন করায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে খাল তীরবর্তী আটশ’ হেক্টর জমিতে সেচ কাজ সহজসাধ্য হয়েছে।

সুবিধাভোগী হিঙ্গলকান্দি গ্রামের কৃষক বাবলু বলেন, লালপাড়া-পৈঁসাওতা উপ-প্রকল্প খালটি পুনঃখনন করায় এলাকার কৃষকরা নতুন করে সোনালি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। আগে বন্যার পানি উপচে ফসল ডুবে যেত খাল পুনঃখনন করায় এখন আর এ সমস্যা নেই। খালের পানি ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষবাদ শুরু করেছি।

লালপাড়া-পৈঁসাওতা (এসপিনং-২৫৩২৭) পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বলেন, খালের পানি ব্যবহার করে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ এবং বীজতলা বপন সহজ হবে। তা ছাড়া এ পানি ব্যবহার করে রবি মৌসুমে গম, সরিষা, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন হবে। যার ফলে একদিক যেমন কৃষকরা লাভবান হবেন পাশাপাশি বেকারত্ব দূর হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. পাভেজ নেওয়াজ খান বলেন, খালের মাটি খালসংলগ্ন রাস্তায় ব্যবহার করে রাস্তা প্রায় ৪.৫ ফিট উচুঁ করা হয়েছে এবং প্রায় ১১০০ মি. রাস্তার শোল্ডার তৈরি করা হয়েছে।

আত্রাই-রাণীনগরের সংসদ সদস্য আলহাজ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির ফলে রাণীনগর ও রক্তদহ বিলে যে রূপ বন্যা সৃষ্টি হয় তা নিষ্কাশনের একমাত্র পথ এই খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। আমি মনে করি এ গুরুত্বপূর্ণ খালটি পুনঃখননের ফলে বিভিন্ন মৌসুমে কৃষকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সুবিধা ভোগ করবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহম্মেদ জানান, খাল খননের ফলে ওই এলাকার কৃষির প্রসার ঘটানো ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ সহজ হবে। তাছাড়া মৎস্য চাষ ও হাঁস পালনসহ অন্যান্য সুবিধা পাবে। এতে করে সমিতির সদস্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে।

অপরদিকে খালের উভয় পাড়কে সুরক্ষিত এবং মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করার একটি রাস্তা হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকরা ১২ মাস সেচ সুবিধা পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১২:৩৩ অপরাহ্ন
কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ হাজার ২৭৫ কৃষক
কৃষি বিভাগ

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ১হাজার ২৭৫ কৃষক।কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি ২০২১-২০২২ মৌসুমে গম, ভূট্টা, সরিষা,সূর্যমূখী, শীতকালীন পেঁয়াজ,মুগ-মসুর ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার ১হাজার ২৭৫ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোলাম ছামদানী জানান, গম ফসলের জন্য ২শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ২০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। ভূট্টা ফসলের জন্য ২শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।সরিষা ফসলের জন্য ৬শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। সূর্যমূখী চাষের জন্য ১০ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।পেঁয়াজ চাষের জন্য ৩৫ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন এবং মুগ-মসুরের চাষের জন্য ২৩০ জন কৃষক জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি সার পাবেন

কৃষকদের বিভিন্ন ফসল আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে এসব কৃষি প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ৩:৪৯ অপরাহ্ন
বরিশালের গৌরনদীতে জিংকসমৃদ্ধ ধানের বীজ বিক্রেতাদের সাথে বাজারজাতকরণ শীর্ষক আলোচনা
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে জিংকসমৃদ্ধ ধানের বীজ বিক্রেতাদের সাথে বাজারজাতকরণ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (সোমবার) জেলার গৌরনদীর বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির হলরুমে হারভেস্ট প্লাস ও সিসিডিবির যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সিসিডিবি’র কো-অর্ডিনেটর দেবাশিষ কুমার দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উপপরিচালক মো. রমিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান। সিসিডিবি’র এরিয়া ম্যানেজার ডেনিস মারান্ডির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হারভেস্ট প্লাসের ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর জাহিদ হোসেন, বীজ ব্যবসায়ী জালাল সর্দার, বীজ উৎপাদনকারী মো. ইসলাম জোয়াদ্দার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মো. রমিজুর রহমান বলেন, মানবদেহে জিংকের চাহিদা অল্প। তবে অত্যাবশ্যকীয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক খাবার গ্রহণে অভাব পূরণ হয় না। কেবল ভাতের মাধ্যমেই এর ঘাটতি দূর করা সহজ। এ জন্য জিংকসমৃদ্ধ ধানের আবাদ বাড়াতে হবে। আর তা সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই বাস্তবায়ন সম্ভব।
সভায় কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কৃষক, বীজ উৎপাদনকারী এবং বীজ ব্যবসায়ীসহ ৩৫ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ২:২৬ অপরাহ্ন
হিলিতে কমেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজ-কাঁচা মরিচের দাম
কৃষি বিভাগ

হিলিতে পাইকারি বাজারে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে কমেছে প্রকারভেদে ৫ থেকে ৬ টাকা। গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ স্থানীয় ও আড়তগুলোতে বিক্রি হয়েছিল। এ ছাড়া ৪০ থেকে ৪২ টাকা আজ আড়তগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে।

এদিকে আমদানি বেশি হওয়াতে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে খুশি সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম অনেকটাই বেশি ছিল। এখন কিছুটা দাম কমেছে। তবে কাঁচা মরিচ ৫০ টাকার নিচে এবং পেঁয়াজ ২০ টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হতো। সেই সঙ্গে বাজার মনিটরিং এর দাবিও জানান তারা।

স্থানীয় বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা কয়েকজন  জানান, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়াতে দাম বৃদ্ধি ছিল। বর্তমানে চলতি সপ্তাহে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়াতে কমতে শুরু করেছে দাম। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বেশি হলে আরও দাম কমতে পারে বলেও জানান বিক্রেতারা।

এদিকে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা কয়েকজন  জানান, দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ভারত থেকে আমদানির অব্যাহত থাকায় কমতে শুরু করেছে দাম।

গত কয়েক দিনের ব্যবধানে ১০ টাকা কমে প্রতি কেজির কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। দাম কমাতে ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহের দুই কর্ম দিবসে ভারতীয় ৩১ ট্রাকে ৮৩২ মেট্রিটন পেঁয়াজ এবং ৪ ট্রাকে ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ১:০৯ অপরাহ্ন
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এক কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের সহায়তা হিসেবে ২০২১-২২ ফসল চাষ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূিচর আওতায় এক কোটি ৬৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের অধিক হারে রবি ফসল উৎপাদনে সহায়তা দানের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করে। চলতি রবি মৌসুমে জেলার পাঁচ উপজেলার কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে ১৭ হাজার ২০০ জন। এরমধ্যে রয়েছে গম চাষের জন্য পাঁচ হাজার কৃষক, ভূট্টার জন্য তিন হাজার কৃষক, সরিষার জন্য ৮ হাজার কৃষক, শীতকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য ৫০০ কৃষক এবং মুগ ডাল চাষের জন্য ২০০ জন ও মসুর ডালের জন্য ৫০০ জন কৃষক । কৃষি প্রণোদনার আওতায় জেলায় পাঁচ হাজার বিঘা জমিতে গম, ভূট্টা তিন হাজার বিঘা, সরিষা ৮ হাজার বিঘা, শীতকালীন পেঁয়াজ ৫শ বিঘা, মুগডাল ২শ বিঘা ও মসুর ডাল ৫শ বিঘা জমি নির্বাচন করা হয়েছে। পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ এক কেজিসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, গম চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন ২০ কেজি বীজসহ ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। ভূট্টা চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন ২ কেজি বীজ , ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, সরিষা চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন এক কেজি বীজসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, মুগডাল চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ ৫ কেজিসহ ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি এবং মসুর ডাল চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ ৫ কেজিসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার ১০ কেজি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রণোদনা আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ে থাকা কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে থাকা কৃষকরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় আগাম রবি ফসল চাষ করতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে বলেও জানান তিনি।

 

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সারাদেশে খাদ্যগুদামগুলো ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে- খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সারা দেশে খাদ্যগুদামগুলো ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে। ফলে অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই কোথায় কোন গুদামে পণ্য ঢুকছে এবং বের হচ্ছে তা জানা সম্ভব। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, এখন পুষ্টিকর খাদ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। নারায়ণগঞ্জ রাইস সাইলো এবং কার্নেল ফ্যাক্টরি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল নারায়ণগঞ্জে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো (সিএসডি) ক্যাম্পাসে রাইস সাইলো এবং প্রিমিক্স কার্নেল ফ্যাক্টরি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে খাদ্যমজুদ বাড়াতে এবং কৃষকের নায্যমূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী তার বক্তব্যে বলেন, সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে বলে কৃষক নায্যমূল্য পান। দেশে যত বেশি সাইলো নির্মাণ হবে কৃষক তত বেশি লাভবান হবেন। এ সময় তিনি বলেন, কৃষকবান্ধব সরকার কৃষকের পাশেই থাকবে।

পরে খাদ্যমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন। নারায়ণগঞ্জ রাইস সাইলোর ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার টন। প্রতিটি চার হাজার টন ক্ষমতার মোট ১২টি সাইলো বিন রয়েছে। এসব সাইলো বিনে কীটনাশক ব্যবহার ব্যতিরেকেই অত্যাধুনিক চিলার যন্ত্রের মাধ্যমে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে মজুদ চাল প্রায় দুই বছর সংরক্ষণ করা যাবে। সড়ক ও নৌপথে এ সাইলোর সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রিমিক্স কার্নেল ফ্যাক্টরি স্থাপনের ফলে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় বিতরণকৃত চালের পুষ্টি বৃদ্ধি পাবে। জন্য কার্নেল ফ্যাক্টরিও নির্মাণ করা হচ্ছে। কার্নেলে মানবদেহের অপরিহার্য ছয়টি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ১২, ফলিক অ্যাসিড, আয়রন (ফেরিক পাইরোফসফেট) এবং জিংক ইত্যাদি বিতরণকৃত চালে ফর্টিফাইড করা হবে। ফলে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচিতে ভালোমানের ও পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ১:২৬ অপরাহ্ন
ভেজাল কীটনাশকে পোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ চাষিরা
কৃষি বিভাগ

শীতকালীন সবজিতে পোকার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না নওগাঁর চাষিরা। তাদের অভিযোগ, ক্ষতিকর পোকামাকড় নিধনে আশপাশে গড়ে উঠেছে কীটনাশকের দোকান। এসব দোকানের ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন চাষিরা।

নওগাঁর বর্ষাইল এলাকার মাঠজুড়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ক্ষেতে শীতকালীন সবজির মহাসমারোহ। প্রায় দেড় মাস নিবিড় পরিচর্যায় মাঠের চার পাশের এসব ক্ষেত সতেজ ফুলে ভরে উঠেছে। হেমন্তের মৃদু বাতাসে শিমের ডগায় লাল সাদা ফুল দৃষ্টিনন্দন শোভা ছড়াচ্ছে। তবে ফসলের ওপরের সৌন্দর্য আলো ছড়ালেও ফলনে নানা রোগবালাইয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা।

চাষিরা জানান, বাজারে সবজির যে দাম আছে, এই দাম থাকলে আমরা কিছুটা লাভবান হয়। অন্য এক চাষি বলেন, আমরা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করি। এতে করেও আমাদের কোনো লাভ হচ্ছে না। সবজিতে পোকার উপদ্রবে আমরা অতিষ্ঠ। এ ছাড়া কীটনাশকের দামের তুলনায় সবজির দামও পাচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন চাষিরা।

বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠা সবজি ক্ষেত টার্গেট করে এলাকায় গড়ে উঠেছে কীটনাশকের ছোট বড় কয়েকশ’ দোকান। চাষিরা এসব দোকান থেকে বাকিতে কীটনাশক কিনে সবজিতে প্রয়োগ করে প্রতারিত হচ্ছেন হরহামেশা। ভেজাল ওষুধে কাজ না হওয়ায় কৃষকের তোপের মুখে পড়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

সার ব্যবসায়ী মো. জিয়াউল হাসান বলেন, আমরা চাষিদের বিভিন্ন কোম্পানির যে ওষুধগুলো দিচ্ছি তা অনেক সময় কাজ করে আবার অনেক সময় কাজ করছে না। এতে আমরা ব্যবসায়ীরা তোপের মুখে পড়ছি।

এ অবস্থায় ফসলে অধিক কীটনাশক প্রয়োগ না করে বালাই মোকাবিলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শ গ্রহণের পরামর্শ দেন নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯১ হাজার হেক্টর জমিতে রবি ফসল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সবজি চাষ করা হয়েছে ৩৭ হাজার হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
কৃষি বিভাগ

চলতি মওসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রযেছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।এ মওসুমে ৬ জেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪লাখ ৫১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আমনের আবাদ হয়েছে ৪লাখ ৫৫ হাজার ৯ হেক্টর জমিতে।লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩হাজার ৪শ’৮৯ হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।ইতোমধ্যে আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে।১৩ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩০ শতাংশ জমির আমন ধান কর্তন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা হচ্ছে-যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা,কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও মাগুরা।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে যশোর জেলায় ১লাখ ২৮ হাজার ৪৪৩ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ৯হাজার ১১৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ১হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।ঝিনাইদহ জেলায় ৯৬ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ৭হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।মাগুরা জেলায় ৫০ হাজার ৫৩৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ১০হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ৯০২ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।কুষ্টিয়া জেলায় ৭৭ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ১০হাজার ৪৭৪ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ১হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩২ হাজার ২৭৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ২হাজার ৬৩৯ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে এবং মেহেরপুর জেলায় ২৬ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো: জাহিদুল আমিন জানান,চলতি আমন মওসুমে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক সহজ শর্তে চাষিদের কৃষি ঋণ প্রদান করেছে। ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলে আমনের চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop