৬:৫০ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ৪:২৮ অপরাহ্ন
বিনামূল্যে সার ও বীজ পাওয়ায় মৌলভীবাজারে বেড়েছে বোরো ধানের আবাদ
কৃষি বিভাগ

ধানের বাজার দর ভালো থাকায় মৌলভীবাজার জেলার হাওরাঞ্চলে পুরোদমে চলছে বোরো আবাদ। গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় সাড়ে চারশ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ বেড়েছে।

৩৫ হাজার কৃষকদের মধ্যে বিনামুল্যে হাইব্রিড জাতের ধানের বীজ সরবরাহ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তাই চালতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও উৎপাদন বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের।। আমন ধানের মতো বোরো ধানেও যাতে ভালো দাম পাওয়া যায়-এমন প্রত্যাশা দেশের কৃষকদের।

আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় জেলার হাকালুকি কাওয়াদীঘী, হাইল হাওরসহ অন্যান ছোট হাওর ও উপরিভাগে বোরো ফসল চাষাদের রীতিমত মহোৎসব চলছে। দিগন্তজোড়া হাওরের বুকে সবুজের চাষাবাদ। হাওর এলাকার একমাত্র ফসল হওয়ায় এটার ওপর নির্ভরশীল কৃষকরা। সঠিক সময়ে বীজ ও সার পাওয়াতে হাওরের যে সব জায়গায় কোন আবাদ হত না এবার সে সব জায়গায় বোরো আবাদ হচ্ছে। শ্রমিক ও ডিজেলের চড়া দাম সহ নানা সংকট মাথায় নিয়েই শীতের কনকনে ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা।

আমন ধানের মতো বোরো ধানেও যাতে ভালো দাম পাওয়া যায়-এমন প্রত্যাশা তাদের। বলে জানান স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।

সরকারের পক্ষ থেকে সার ও বীজ পাওয়াতে কাউয়াদিঘি এলাকায় ব্যাপক বোরো চাষ বাড়ছে বলে জানান, মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরের ফতেপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নকুল চন্দ্র দাশ।

একইসাথে বিনামুল্যে কৃষকদেরকে বীজ দেওয়াতে বোরো চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে জানান মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী।

চলতি বছর হাওর অধ্যুষিত এ জেলার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫শত ৭৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লক্ষ ৭০ হাজার ৭০২ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ২:৫১ অপরাহ্ন
মুশুদ্দি কৃষকদের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

কঠোর প্ররিশ্রম করে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদ করে সাবলম্বি হয়েছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের সবজি চাষীরা। এ গ্রামটি এখন ‘বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁরা এখন স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছেন। হয়েছে অর্থকুড়ি, বাড়িঘর ও দালান। সবজি আবাদই এমন ভাগ্যের পরিবর্তন এনে দিয়েছে ওই এলাকার কৃষকদের। বছরজুড়ে আবাদি জমিতে বিভিন্ন রকমের সবজি আবাদ করে এমন ভ্যাগের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন তারা। ভালো মানের সবজি আবাদ হওয়ায় উপজেলার পাশাপাশি জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে এই বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানায়, উপজেলায় ৫৫০ হোক্টর সবজি আবাদ হয়েছে। শুধু মুশুদ্দি ইউনিয়নে ১০৩ হোক্টর। সবজি আবাদের জন্য নারী ও পুরুষরা মাঠে সমানভাবে কাজ করে। প্রণোদনা, পরামর্শ ও বিভিন্ন প্রদর্শনীতে কৃষকদের আগ্রহতে বেড়েই চলছে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামটি সবজি প্রধান এলাকা। এই এলাকার কৃষকরা সবজি আবাদের পাশাপাশি কিছু জমিতে ধানও চাষ করে। বছর জুড়েই লাউ, মিষ্টি কুমড়া, করলা, শিম, শসা, চিচিংগা, রবরটি, ঢেঁড়স, পুইশাক, লাউশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ বিভিন্ন রকমে সবজি পর্যায়ক্রমে একের পর এক আবাদ হচ্ছে। দেশের ১০টি মডেল সবজির গ্রামের মধ্যে মুশুদ্দি একটি। রাসায়ানিক সারের পরিবর্তে জৈব সার দিয়ে আবাদ করা হয়ে এই সবজি। পোকা দমনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেক্স ফেরোমিও ও আলোর ফাঁদ। কম্পোষ্ট ও জৈব সার ব্যবহারে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠছে সবজি গাছ।

কামাড়পাড়া গ্রামের কৃষক রাজ্জাক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জাতের সবিজ একের পর এক আবাদ করে আসছি। এই মৌসুমে ৭৫ শতাংশ জমিতে শিম, লাউ, বেগুন, করলা ও পটল আবাদ করেছি। সব খরচ বাদে প্রতি বছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় থাকে।

সবজি চাষী হারুন বলেন, শুধু আমিই না, আমার মতো যারা সবজি আবাদ করে সবারই ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেছে। এক সময় আমরা এই এলাকায় শুধু ধান চাষ করতাম। ধান চাষের চেয়ে সবজি আবাদে পাঁচ গুণ লাভ। কৃষক আসাদ বলেন, বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদ করে আমার ভাগ্যের পরির্বতন হয়েছে। এক সময় অনেক কষ্টে দিন পার করতাম। শুধু আমি না ইউনিয়নের শতশত কৃষক এখন স্বাবলম্বী। কৃষকদল গঠন করে এখানে সবজি আবাদ করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষ অফিস থেকে কর্মকর্তরা মাঠে এসে সব পরামর্শ দিচ্ছে। এখন আমরা অনেক খুশি।

সবজির আড়তদার আব্দুল কাদের বলেন, আমি প্রতিদিন সকালে মুশুদ্দি বাজারে থেকে সরাসরি কৃষকদের নিকট থেকে বিষ ও রাসায়নিক সারমুক্ত সবজি ক্রয় করে পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাঠাই।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া বলেন, ‘ মুশুদ্দি ইউনিয়নটি মূলত সবজি প্রধান এলাকা। এই এলাকায় কৃষকরা বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করে থাকে। আমরা মাঠে গিয়ে সব সময় তাদের পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি। এই এলাকায় বর্তমানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি আবাদ করছেন কৃষকরা।’

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম জানান, মুশুদ্দি ইউনিয়নের সব সবজি চাষীদের কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের পরামর্শ ও প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। সবজি চাষে ওই এলাকার মাটি খুবই উর্বর এবং উপযোগী। তাই কৃষকরা সবজি আবাদে খুবই আগ্রহী। বর্তমানে গ্রামটি এখন ‘বিষমুক্ত নিরাপদ সবজির গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। সবজি আবাদ করে মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষকরা এখন লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ১:৪৮ অপরাহ্ন
বিপর্যয়ের মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভূ-প্রকৃতি
কৃষি বিভাগ

যান্ত্রিক উপায়ে অপরিকল্পিতভাবে পানি উত্তোলনের কারণে ধীরে-ধীরে নিম্নমুখী হচ্ছে পানির স্তর। ভু-গর্ভের বহুস্তরের মাটি কেটেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের উঁচু এলাকাগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না খাবার পানি। পাশাপাশি সেচের পানিরও অভাব দেখা দিয়েছে।

এ কারণে বরেন্দ্র এলাকাখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরসহ জেলার নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট এবং শিবগঞ্জ উপজেলার এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে পানির জন্য মানুষের হাহাকার যেন নিত্যসঙ্গী।

স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভাষ্য মতে, অপরিকল্পিত নলকূপ স্থাপন করে লাগামহীন পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর ক্রমশ নিচে নেমে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক মেশিনে মাটির গভীরে গিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না ব্যবহারযোগ্য পানি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোলাহাট উপজেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ দিতে না পারায় ফাটল ধরেছে জমিতে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গত বছরের চেয়ে আরও নিচে নেমে যাওয়ায় শ্যালো মেশিনে উঠছে না পানি। ড্রামে পানি নিয়ে এসে ধানে স্প্রে করছেন কৃষক।

পশু-পাখির কল-কাকলীতে ভরে থাকতো ভাতিয়ার বিল। কিন্তু হারিয়ে গেছে সেই সৌন্দর্য্য। চেনার উপায় নেই বিল ভাতিয়াকে। পানির অভাবে যৌবন-যৌলুষ কিছুই নেই। যেখানে থৈ-থৈ পানিতে ফুটে থাকতো পদ্ম। হাজার হাজার মানুষ সেই সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে ছুটে আসতেন, সে জায়গাতে আজ এক চিলতে পানিও নেই। প্রচণ্ড দাবদাহে মাটি ফেটে বিলের চারদিক হাহাকার করছে। শুকনা বিলের কোথাও ঘাস নেই।

বিলভাতিয়া মাঠে আসা কৃষক সহিমুদ্দিন জানান, ‘ভাই ত্যাতে পানি ন্যাই। ফলে পদ্মচাক্কা, শাপলা, শালুক, চাকা, মাখনা সিংগারা, ভ্যাটসহ নানা প্রকার জলজ উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।’

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ভোলাহাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওয়ালিউর রহমান জানান, দিনের পর দিন মানুষ মাটি কেটে বিল ভরাট, আবাদি জমি তৈরি এবং স্লুইচ গেট দিয়ে ইচ্ছে মত পানি বের করার কারণে বিলভাতি পানি শূন্য হয়ে গেছে। সরকার যদি প্রকল্প গ্রহণ করে দীঘি তৈরি করে তাহলে পানি সংরক্ষিত হবে, কৃষি, জলজ উদ্ভিদ ও দেশী মাছ পাওয়া যাবে, জানান তিনি।

ভোলাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান খান জানান, ‘জলজ উদ্ভিদ ফিরে পেতে হলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল-বিলভাতিয়ার উপর সরকারকে ব্যাপক প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। খনন করে পানি ধরে রাখলে জলজ উদ্ভিদকে বাঁচানো যাবে। সেই সাথে কৃষি-ফসল উৎপাদনে কৃষকের পানির সমস্যা হবে না। সব চেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, ভারসাম্য আসবে স্থানীয় প্রাকৃতিক পরিবেশে।’

প্রকৃতির বিরুপ প্রভাব শুধু ভোলাহাটের বিলভাতিয়া বিলেই নয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পদ্মার শাখা নদী পাগলা সরু নালায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান জানালেন, বিপর্যস্ত প্রকৃতির বৈরিতায় পাগলা এখন মরা নদী, সরু নালা। দূর-দূরান্তের কৃষিজীবীরা ভারী মেশিনের সাহায্যে পাগলা নদী থেকে পানি নিয়ে যায় আবাদী জমিতে। এর বিরুপ প্রভাব পরেছে পাগলা নদীতে, দাবি এই কর্মকর্তার।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে উঁচু ভূমির বরেন্দ্র এলাকায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রেজা জানান, তার এলাকাটি আর্সেনিক আক্রান্ত এলাকা। পানির সঙ্গে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা দশমিক পাঁচ কিন্তু রানীহাটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকায় আর্সেনিকের মাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে।

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, অপরিকল্পিতভাবে বরেন্দ্র এলাকায় বসানো হয়েছে গভীর নলকূপ। এর কারণে সেচ নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষক। যার বিরূপ প্রভাব পড়েছে প্রকৃতিতেও।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
বরিশালের উজিরপুরে বোরো চাষিদের মাঝে ব্রির সার বিতরণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বোরো চাষিদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার বিতরণ উদ্ভোধন করা হয়েছে। সোমবার
উজিরপুরে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণকক্ষে ব্রির উদ্যোগে এই বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

তিনি বলেন, ধানের সর্বোচ্চ ফলন পেতে নতুন জাত সম্প্রসারণ করা জরুরি। তাই বীজউদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে এসব জাত কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সহজ হবে। তাহলেই বরিশাল অঞ্চলে বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে ধানচাষির জীবনমান হবে উন্নত।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ, ব্রির ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. প্রিয়লাল বিশ্বাস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রশান্ত হাওলাদার প্রমুখ। পরে বাবুগঞ্জে একই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

ব্রির মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন জানান, চলতি বোরো মৌসুমে তালিকাভূক্ত কৃষকের ৪ হাজার বিঘারও অধিক জমির মধ্যে ১ হাজার ৩ শ’ ৫০ বিঘার জন্য বিঘাপ্রতি ইউরিয়া ১ শ’ ২০ কেজি, ডিএপি ৪০ কেজি, এমওপি ৬৫ কেজি, জিপসাম ৪৫ কেজি এবং জিংক ৩ কেজি হারে সার বিতরণ চলমান আছে। ইতোমধ্যেই তাদের চাহিদামতো যেসব ধানবীজ দেওয়া হয়েছে, তা হলো- ব্রি হাইব্রিড ধান৩, ব্রি হাইব্রিড ধান ৫, ব্রি ধান৭৪, ব্রি ধান৮৯ এবং ব্রি ধান৯২। তবে বাকি কৃষকরা কেবল বীজ সহায়তা পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১:৫৯ অপরাহ্ন
ভাসমান কৃষি দুইশ’ বছরের পুরনো- কৃষি সচিব
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): ভাসমান কৃষি দুইশ’ বছরের পুরনো। এই ঐতিহ্য আমাদের ধরে রাখতে হবে। ভাসমান ধাপের সবজি পুরোটাই নিরাপদ। তাই এর উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। আর বিজ্ঞানী এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই তা সম্ভব।

২১ জানুয়ারি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ভাসমান বেডে শীতকালিন সবজি উৎপাদনের আধুনিক কৌশল বিষয়ক মাঠ দিবসে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ, গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহ এবং তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. আকতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং ফরিদপুরের অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মনোজিত কুমার মল্লিক, বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন, ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, খুলনার আঞ্চলিক বেতার কৃষি অফিসার শারমিনা শামীম প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথি বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তার সফরসঙ্গি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ, পিরোজপুরের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী চঞ্চল কুমার মিস্ত্রী, হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতিহা পাঠ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১:৪৩ অপরাহ্ন
হাইব্রিড লাউ চাষে সাফল্য
কৃষি বিভাগ

অধিক ফলনশীল জাতের হাইব্রিড লাউ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন মৌলভীবাজারের এক কৃষক। সুলতানা নামের এই লাউ চাষে তার সফলতা এলাকার অনেক কৃষককে উৎসাহিত করেছে। আর  কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছে জেলার কৃষি বিভাগ।

মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার বনগাঁও গ্রামের কৃষক ইমাম হোসেন তার ৩৩ শতাংশ জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘সুলতানা’ জাতের হাইব্রিড লাউ চাষ করেন।  মাত্র ৫৫ দিনের মাথায় গাছে লাউ আসা শুরু করে। তার জমিতে এখন সারি সারি গাছে ঝুলছে লাউ।

হাইব্রিড লাউগুলোর ওজন হয় ৩ থেকে ৪ কেজি। টানা তিন মাস গাছে লাউ মিলে। ইমাম হোসেন জানালেন, তার লাউ চাষে খরচ হয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাকা। এখন প্রতি পিস লাউ বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়।

তার দেখাদেখি এই লাউ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন এলাকার অনেক কৃষক। অল্প জায়গা এই জাতের লাউ চাষ করে কৃষকরা অধিক লাভবান হতে পারবে বলে জানালেন, শ্রীমঙ্গলের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কংকন মল্লিক। লাউ চাষে আগ্রহীদের নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ন
নাটোরে কমছে সবজির দাম
কৃষি বিভাগ

নাটোরে টানা কয়েক সপ্তাহ সবজির দাম চড়া থাকার পর চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমেছে সবজির দাম। দাম নিয়ন্ত্রণে আসায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। আর বর্তমান দামে কৃষকরা লোকসান না গুনলেও দরপতন ঠেকাতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান কৃষকরা।

সরবরাহ কম থাকায় গত সপ্তাহ সবজির দাম চড়া থাকলেও চলতি সপ্তাহে দাম কমছে। এ সপ্তাহে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমে এসেছে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) সকালে শহরের বৃহত্তম সবজির পাইকারি বাজার স্টেশন বাজারে ফুলকপি ২৫ থেকে ২৮ টাকা কেজি, শিম ২৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি, ব্রোকলি ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজি, মুলা ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি, আলু ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি, টমেটো ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি, বেগুন ২২ থেকে ২৫ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ১২ থেকে ১৫ টাকা পিস ও লাউ ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস বিক্রি হয়।

সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে আসায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। ক্রেতাদের দাবি, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও অন্য বছরের তুলনায় এ বছর সবজির দাম বেশি। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর প্রায় ভাগ দাম বেশি দাবি করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি করে ক্রেতারা।

কৃষকরা জানান, সবজির দাম কমলেও উৎপাদন ভালো থাকায় বর্তমান দামেও লাভবান হচ্ছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তাদের। তাই আগামীতে দাম কমে আসলে লোকসান গুনতে হবে বলে জানান কৃষকরা।

প্রতিদিন নাটোর জেলায় ৫২০ মেট্রিক টন সবজির চাহিদা থাকলেও বর্তমানে বাজারে সরবরাহ ৭ থেকে সাড়ে ৭০০ মেট্রিক টন সরবরা হচ্ছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন দেড় থেকে ২০০ মেট্রিক টন সবজি সরবরাহ হয় রাজধানীতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২২ ৪:৫০ অপরাহ্ন
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে কমেছে চাষাবাদ
কৃষি বিভাগ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ কৃষিতে খরচ বাড়ায় বরেন্দ্র এলাকায় এবার বোরো মৌসুমে অন্তত ২০ ভাগ কম জমিতে ধান চাষাবাদ হচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন, বাড়তি খরচের বোঝা আর অসামঞ্জস্য বাজার ব্যবস্থায় ধান চাষাবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা।

এ অবস্থায় কম খরচে অধিক লাভ পাওয়া যায় এমন ফসল চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

পৌষের প্রথম সপ্তাহে নওগাঁর বরেন্দ্র এলাকার মাঠে ধান রোপণে ব্যস্ততা বাড়ে। কিন্তু এবার পাল্টে গেছে সেই চিত্র। পৌষ পেরিয়ে মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহে বিস্তীর্ণ মাঠ ফাঁকা। জ্বালানি তেলসহ কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এ অঞ্চলের কৃষকের মধ্যে। তাই বোরো আবাদের ভরা মৌসুমেও অনেক কৃষক মাঠমুখী না হয়ে লাভ লোকসানের অঙ্ক কষছেন এখনো।

জমি প্রস্তুত করে ধান রোপণে নামা কৃষকেরা ফসলের কাঙ্ক্ষিত দর পাওয়া নিয়ে আছেন শঙ্কায়। কৃষকরা বলছেন, ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই ধান লাগানো হয়ে যেত। অথচ বাড়তি খরচের কারণে অনেকেই ধান লাগাচ্ছে না। ডিজেলের দাম বাড়তি হওয়ায় ধান লাগানো যাচ্ছে না।

চলতি মৌসুমে জেলার মাঠে জমিতে গভীর নলকূপে সেচ নির্ধারণ করা হয়েছে বিঘা প্রতি ১২শ’ থেকে বাড়িয়ে ১৫শ’ টাকা। আর ব্যক্তিপর্যায়ে ডিজেল চালিত শ্যালো মেশিনে সাড়ে তিন হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বাড়তি দরের সঙ্গে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জনপ্রতিনিধিদের। আর কম খরচের ফসল চাষাবাদে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

নওগাঁর ভীমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী রাম প্রসাদ ভদ্র বলেন, সরকারের উচিত কৃষকদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পাইয়ে দেওয়া। আর যদি ন্যায্য দাম তারা না পায় ভবিষ্যতে বোরো আবাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে এখানকার কৃষকরা।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ বলেন, আমরা কৃষকদের বলি আপনারা প্রয়োজনীয় পরিমাণ ধান আবাদ করে বাকিটুকু অন্যান্য ফসল যদি আবাদ করতে পারি তাহলে বেশি লাভ হবে।

জেলার ১১ উপজেলায় ৪ হাজার ৩০০ গভীর নলকূপ এবং ডিজেলচালিত ৮৪ হাজার শ্যালো মেশিনে চলছে বোরো আবাদে সেচ কাজ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহে বোরো রোপণের ধুম, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়ানোর আশা
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন ময়মনসিংহের কৃষকরা। মাঘের শীত ও ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে তারা মাঠে নেমেছেন। বোরো চাষে লাভবান হওয়ায় আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। এবার বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা স্থানীয় কৃষি বিভাগের।

ময়মনসিংহ সদরের সুহিলা গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, ৬৫ শতক জমিতে বোরো আবাদের জন্য দুই মাস আগে হাইব্রিড সুপার জাতের তিন কেজি ধান বীজ কিনে আনেন। এরপর বীজতলা প্রস্তুত করেছেন। এখন জমি চাষ করে সেচ দিয়ে চারা রোপণ শুরু করেছেন। চারা রোপণে ১০ জন শ্রমিক লাগবে। বর্তমানে প্রতিজন শ্রমিকের মজুরি ৫০০ টাকা। চারা রোপণের পর প্রয়োজনমতো ইউরিয়া, টিএসপি, ফসফরাস ও সালফার সার ব্যবহার করতে হবে।

তিনি আরও জানান, চারা রোপণের সাত দিনের মাথায় আগাছা দমনের জন্য এক ধরনের লিকুইড কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এরপর বোরো আবাদের পরিচর্যা শুরু। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ভালো ফলন হলে বোরো আবাদ থেকে ৩০-৪০ মণ ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন মাসুদ।

গোপালনগর গ্রামের কৃষক আব্দুল বারী জানান, জানুয়ারির শুরু থেকে বোরো রোপণে কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। একসঙ্গে বোরো আবাদ শুরু করায় শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে শ্রমিকের মজুরি অনেকটাই বেশি। তবে লাভবান হওয়ায় বোরো আবাদে অধিকাংশ কৃষক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মতিউজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় দুই লাখ ৬০ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জানুয়ারির শুরুতে থেকে বোরো চারা রোপণ শুরু হয়েছে। গত সোমবার পর্যন্ত জেলায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ করা হয়েছে। বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

সরকার বোরো আবাদের জন্য জেলায় ২৫ হাজার কৃষককে সার ও বীজ এবং ৫২ হাজার কৃষককে বীজ দিয়ে সহায়তা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ৪:১৮ অপরাহ্ন
মেহেরপুরের গাংনীতে কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ সবজি বাজার চালু
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুর জেলার গাংনীতে কীটনাশকমুক্ত নিরাপদ সবজি বাজারে চালু হয়েছে। ওই বাজারে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি বাজারজাত করে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করছেন। ক্রেতারা মুগ্ধ বিষমুক্ত সবজি পেয়ে।

উপজেলা শহরের হাসপাতাল বাজারে এই নিরাপদ সবজি বাজার চালু হয়েছে সম্প্রতি। প্রতিদিন এখানে নির্ধারিত কৃষকরা তাদের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজি বাজারজাত করছে। নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্রে লাউ, কুচা, পুঁইশাক,আলু, বেগুন, করলা, ঝিঙ্গা, পটল, কলা, মুলা, বরবটি, টমেটো, চিচিংঙ্গা, সিম, কুমড়া, ফুলকপি ও বাধাকপি, শসা, গাজরসহ বিভিন্ন সবজি ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

নিরাপদ সবজি ক্রেতা রেজাউল হক বলেন, সাধারণ সবজি বাজারের চেয়ে নিরাপদ সবজি রাজারে দাম একটু বেশি হলেও স্বাস্থ্যকর সবজি পাচ্ছি এটাই বড় কথা। দাম একটু বেশি হলেও সবার উচিৎ নিরাপদ সবজি ক্রয় করে, নিরাপদ সবজি উৎপাদন করার জন্য কৃষকদের উৎসাহ দেয়া প্রয়োজন।

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন বলেন- মেহেরপুর জেলা সবজি চাষে বিখ্যাত। জেলার সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদন হয় গাংনী উপজেলা থেকে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের নিরাপদ সবজি চাষে প্রতি নিয়ত উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। চাষিরা নিরাপদ সবজির যেন সঠিক মূল্য পাই সেজন্য নিরাপদ সবজি বাজার করা হয়েছে।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী খানম বলেন- বর্তমানে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের অবাধ ব্যবহারে নিরাপদ সবজি পাওয়া মুশকিল। নিরাপদ সবজি রাজারের মাধ্যমে মানুষ কীটনাশক ও রোগমুক্ত সবজি পাবে। আবার এই বাজারের মাধ্যমে কৃষকরা সবজির ন্যায্য মূল্য পাবে। এজন্যই নিরাপদ সবজি বিক্রয় কেন্দ্রটি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop