৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ৩:৫০ অপরাহ্ন
সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরের মাঠে মাঠে হলুদের গালিচা। পশ্চিমা শন শন বাতাসে দোল খায় দৃষ্টিনন্দন সূর্যমুখীর। হাওরের চারপাশে হাসি ছড়িয়ে আকাশের দিকে মুখ তোলে নয়নাভিরাম সূর্যমুখীরা। ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা মৌমাছি-ভ্রমরেরা। এ ফুল ও ফুলে উড়াউড়ি। ঘুরে ঘুরে হলুদ পরাগে মুখ রাঙিয়ে মধু আহরণ। কখনোবা সূর্যের দিকে হাত বাড়ায় সূর্যমুখী ফুল। সবুজ পাতার ফাঁক গলিয়ে এক চিলতে আলোর ঝিলিক।

এ যেনো আগুনরাঙা ফাগুনে প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়াতে শৈল্পিক প্রতিযোগিতা! তাইতো ফাগুনবেলা এমন চোখজুড়ানো ক্ষণ উপভোগ করতে সূর্যমুখীর মাঠে মাঠে সৌন্দর্য পিপাসুদের ভিড়। ফুলের সৌন্দর্য চোখ ভরে দেখছে অনেকে। কেউ বা সেলফোনবন্দিতে ব্যস্ত এমন সুন্দর মুহূর্ত।

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় তেলজাত এ ফসলের দিকে ঝুঁকছেন তারা। এবার হাওরে ৩০ একর জমিতে চাষ হয়েছে সূর্যমুখী। উৎপাদর লক্ষ্য ছাড়িয়ে যাওয়ার আশাবাদ কৃষি বিভাগের। এ দিকে বিভিন্ন এলাকায় সূর্যমুখী মাঠে ভিড় করছে সৌন্দর্য পিপাসুরা। সরকারের প্রণোদনায় চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল সূর্যমুখী।আর এর প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।এবার সূর্যমুখীর ফলনও ভালো হয়েছে। এতে খুশি কৃষক।কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

নিকলী উপজেলার পাচরুখী হাওরের কৃষক জালাল উদ্দিন দেড় একর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছেন।তিনি জানান,এবার সূর্যমুখীর ভালো ফলন হয়েছে, এতে তিনি ভালো লাভবান হবার আশা করছেন।একই গ্রামের কৃষক মিয়া হোসেন এবার সূর্যমুখীর ভালো ফলন দেখে মুখে হাসির ঝিলিক।

নিকলী সদর ইউনিয়নের ওই ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিনামূল্যে বীজ দেওয়া থেকে শুরু করে উপজেলা কৃষি বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা করছে। তার ব্লকে সূর্যমুখীর হাসি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত পর্যটক। অনেকে ফুল ছিরে নিয়ে যায়। তবুও খুশি কৃষকরা।

নিকলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, কৃষকদের কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। আগামীতে আরও বেশি জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হবে উল্লেখ করে কৃষি কর্মকর্তা জানালেন, এতে করে বিদেশ থেকে তেল আমদানি আস্তে আস্তে কমে আসবে। নভেম্বরের শেষ দিকে সূর্যমুখীর আবাদ হয়। ফসল ঘরে উঠবে আর কয়েকদিন পরই। এবার উপজেলায় ৩০ একর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ১২:৫৪ অপরাহ্ন
বোরো ধানে স্বপ্ন বুনছেন ফেনীর কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

ফেনীতে রোপা আমনে বাম্পার ফলনের পর এবার বোরো ধানে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন কৃষকরা। বীজতলা তৈরির পর তীব্র শীত উপেক্ষা করে উৎসাহ-উদ্দীপনায় কোমর বেঁধে বোরো ধানের চারা আবাদ করছেন তারা। অনেকে এখনো জমি তৈরি করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। গত ক’দিন ধরে জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

একাধিক কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জমি প্রস্তুত করতে এখন মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজ-চারা উঠানো এবং রোপণ করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলন আসবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এ বছর ৩০ হাজার ১শ ১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ১শ ১৫ হেক্টরে হাইব্রিড ও ২৬ হাজার ৯৫ হেক্টরে উচ্চফলনশীল (উফশী) বীজ আবাদ করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, বোরো আবাদ উপলক্ষ্যে জেলায় ১ হাজার ৪শ ৬৮ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ২শ ১শ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও ১ হাজার ৩শ ৫৩ হেক্টর জমিতে উফশী সহ ১ হাজার ৫শ ৬২ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হবে।

এদিকে কৃষকদের বোরো আবাদে উৎসাহিত করতে জেলায় ১০ হাজার কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রীড বীজ, ৪ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে উফশী বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার, ১০ কেজি করে বিনামূল্যে এমওপি সার দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এ বছর কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। আশা করি সরকার থেকে যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে তার চেয়ে বেশি ফলন আমরা পাব। অন্য জাতের চেয়ে ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা ব্রি-ধান ৮৯, ব্রি-ধান ১২ চাষ করছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর নামে এবার ব্রি-ধান ১০০ ও কিছু পরিমাণ কৃষককে চাষ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২১, ২০২২ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
গত বছরের ক্ষতি এবার পুষিয়ে নিতে চান আম চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এবার এই রাজ্যে ১০টি প্রচলিত জাতের আম বেশি চাষ হচ্ছে। বাগানে আম গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। তাদের প্রত‌্যাশা, এবার যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে তারা গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এবার চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬২২ বিঘা জমিতে আম চাষ হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে ৩০ হাজার ৯১১ বিঘা বেশি জমিতে আম চাষ হচ্ছে এবার। এ বছরে মোট ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৪০টি গাছে আমের ফলন হবে।

জেলার সদর উপজেলায় ৩৮ হাজার ৪৭০ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭০টি গাছ রয়েছে। শিবগঞ্জে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪ বিঘায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ৯ হাজার ৯৫০টি গাছ। গোমস্তাপুরে ৩১ হাজার ৫২৩ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১৩৫টি গাছ। নাচোলের ২ লাখ ৮ হাজার ২৭৩ বিঘাতে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭১০টি গাছ। ভোলাহাট উপজেলায় ২ হাজার ৭৪০ বিঘা জমিতে ৩ লাখ ৭ হাজার ৩৭৫টি আম গাছ রয়েছে।

আম বাগানি মুনিরুল ইসলাম বলেন, গতবারের চেয়ে এবার আম উৎপাদনের জন্য মনোযোগ দিয়ে কাজ করছি। গত বছরে করোনার কারণে আমের দাম পাওয়া যায়নি। তাই অনেক ক্ষতি হয়েছে। এবার করোনার মধ্যে আমের বাজারদর যেন না কমে এদিকে সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন বলে আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এবারের মৌসুমের প্রথম থেকে আবহাওয়া ভালো আছে। ফলে গতবারের চেয়ে এবার আম ভালো ফলন হবে। আমের ফলন ভালো হলে গত বছরের লোকসানের টাকাগুলো উঠিয়ে নেএক্য়াস যাবে।

ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আহসান হাবিব জানান, গত বছরে আমের ভরা মৌসুমের সময় করোনা সংক্রমণ রোধে জেলায় বিশেষ লকডাউন দেওয়া হয়। ফলে আমের ন‌্যায্যমূল্য পাননি চাষি ও ব্যবসায়ীরা। এবার ওমিক্রনের সংক্রমণ রোধে আম বাজারে কড়াকড়ি করলে চাষিরা আম চাষে আরও নিরুৎসাহিত হবে। তবে বাজার মূল্য ঠিক রাখতে আম বহনের মাধ্যম কুরিয়ার সার্ভিসের ভাড়া যাতে না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এবং অনলাইন মার্কেটিং নিরাপদ রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাদ আর রঙের জন্য বহির্বিশ্বে আমাদের জেলার আমের সুনাম রয়েছে। কিন্তু বিমানের ভাড়া বেশি হওয়ায় আমের দামও বেড়ে যায়। এদিকে দাম বাড়লে বাইরের দেশের লোকজন আম কিনতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সরকার যদি বিমানের ভাড়া কমায়, তাহলে বাইরে আমের দামও স্বাভাবিক থাকবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ৩:৪০ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জে প্রথমবারের মতো আনার চাষ
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ষাটকাহন গ্রামের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র আনোয়ার হোসেন ফয়সাল। লেখাপড়ার পাশাপাশি ফলজ গাছের প্রতি ভালোবাসা ছোটকাল থেকেই। এ কারণে নতুন কিছু করার ইচ্ছায় কৃষি অফিসের সহায়তায় বাড়ির পাশে নিজ জমিতে ভিনদেশি ফল আনারের চাষ করেছেন।

এক বিঘা জমিতে চাষ করা আনার বাগানে চারা লাগানোর ৬ মাসের মধ্যেই ফল ধরতে শুরু করেছে। প্রথমে এ ফল চাষে দুশ্চিন্তা থাকলেও বর্তমানে গাছ বড় হওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলন হওয়ায় লাভের আশা ফয়সালের। অপরদিকে তার এ ফলের বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এলাকার অন্য যুবকরাও।

পাকুন্দিয়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ফয়সালের আনার বাগান দেখে বর্তমানে আনার চাষে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

খাদ্য চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক ভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ফয়সালের মতো যুবকদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করলে বেকারত্ব যেমন দূর হবে তেমনি অর্থনৈতিক ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে দেশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ৩:১১ অপরাহ্ন
যশোরে ২১ হাজার ৮৩১ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে জেলার আট উপজেলায় ২১ হাজার ৮৩১ টন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ চাষিরা জমিতে পেঁয়াজের চারা লাগানোর কাজ শেষ করেছেন। আগাম লাগানো নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম প্রতি কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমেছে বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমে জেলার আট উপজেলায় ১ হাজার ৯১০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৮৩১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। উপজেলাওয়ারী: যশোর সদর উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে, মনিরামপুর উপজেলায় ৩৩০ হেক্টর জমিতে, শার্শা উপজেলায় ২১০ হেক্টর জমিতে, ঝিকরগাছা উপজেলায় ৫৪০ হেক্টর জমিতে, চৌগাছা উপজেলায় ৪৬০ হেক্টর জমিতে, কেশবপুর উপজেলায় ১২০ হেক্টর জমিতে, বাঘারপাড়া উপজেলায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে এবং অভয়নগর উপজেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এ জেলায় প্রতি বছর পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়ে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক কৃষকদের পেঁয়াজ চাষের জন্য কৃষি লোন প্রদান করেছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ চাষে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ২:২৩ অপরাহ্ন
কুমিল্লার চান্দিনায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চান্দিনায় আজ সকালে দিনব্যাপী ‘আধুনিক ধান ও বীজ উৎপাদন’ প্রযুক্তির উপর দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এর আয়োজনে চান্দিনা উপজেলা কৃষি অফিস এর সহযোগিতায় ওই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

চান্দিনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ সেন্টারে সকাল ১০টায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লা এর প্রধান এবং চীফ সাইন্টিফিক অফিসার ড. আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. মামুনুর রশীদ, সাইন্টিফিক অফিসার একেএম সালাহউদ্দিন, তাসনিয়া ফেরদৌস এবং চান্দিনা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মনিরুল হক রোমেল। এসময় ৩০ জন কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে আধুনিক ধান জাতের চাষ এবং বীজ উৎপাদনের কলা-কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এ সময়ে ধানের বিভিন্ন জাত, সার ব্যবস্থাপনা, রোগতাত্ত্বিক, পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাপনা, কৃষিতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উপস্থিত কৃষকগণকে ধারনা প্রদান করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন- উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কিরন রানী সরকার, আবদুল কাদের জিলানী, গোলাম সারওয়ার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ১২:০৮ অপরাহ্ন
বোরোর মজুদকৃত আট লাখ টন চাল মানহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা
কৃষি বিভাগ

খাদ্য অধিদপ্তর গত বছর বোরো মৌসুমে উৎপাদিত চাল সংগ্রহ করেছিল ১৪ লাখ টনের কিছু কম। এর মধ্যে আট লাখ টনের কাছাকাছি এখনো মজুদ অবস্থাতেই রয়ে গিয়েছে। খোদ খাদ্য অধিদপ্তর নিজেই এখন দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব চাল মানহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে। এজন্য গত বছর সংগৃহীত বোরো চাল দ্রুত ছাড়করণের নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

সারা দেশে চলতি বছরের বোরো মৌসুমের আবাদ কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। যদিও খাদ্য অধিদপ্তরের গত বছর সংগৃহীত বোরো চালের মজুদ এখনো অর্ধেকও ফুরায়নি। বোরো মৌসুমের চাল দীর্ঘদিন সংগ্রহে রাখা যায় না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে খাদ্য অধিদপ্তরকেও।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বোরো মৌসুমে চাল সংগৃহীত হয়েছিল প্রায় ১৩ লাখ ৮১ হাজার ৫৫২ টন। এর মধ্যে মিলারদের কাছ থেকে কেনা হয়েছিল ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৩ টন। সর্বশেষ ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের এলএসডি ও সিএসডিগুলোয় এখনো গত বছর সংগ্রহ করা ৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৬৯ টন বোরো চাল মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে সেদ্ধ চাল ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭১ টন ও আতপ চাল ১২ হাজার ২৯৮ টন। বোরো চালের সবচেয়ে বেশি মজুদ রয়েছে রাজশাহীতে—১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫৩ টন। এরপর সবচেয়ে বেশি রয়েছে রংপুর বিভাগে। ওই বিভাগের গুদামগুলোয় এখনো ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৭ টন বোরো চালের মজুদ রয়ে গিয়েছে। খুলনা বিভাগে মজুুদ রয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৬ টন। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৮৭ হাজার ৩৩১ টন, ময়মনসিংহে ৭৭ হাজার ৩৯৬, চট্টগ্রামে ৮৬ হাজার ৩৬২, সিলেটে ২ হাজার ৭৪৯ ও বরিশালে ২০ হাজার ৯৪৫ টন বোরো চালের মজুদ রয়ে গিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের আবহাওয়ায় আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বেশি। এ ধরনের আবহাওয়া কীটপতঙ্গ জন্মানোর জন্য আদর্শ। দেশের গুদামগুলো বর্তমানে বেশ পুরনো হয়ে পড়েছে। এ কারণে এসব গুদামে পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেশি। পুরনো এসব খাদ্যগুদামে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের উপযুক্ত পরিবেশের অভাবও রয়েছে। আবার বোরো চালের সংরক্ষণ সক্ষমতা বেশ কম। ফলে দ্রুত বিতরণ করতে না পারলে এসব বোরো চাল দ্রুত মানহীন হয়ে পড়তে পারে। এ অবস্থায় জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ের খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের দ্রুত চাল ছাড় করার বিষয়ে চিঠি দিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে সাবেক খাদ্য সচিব আবদুল লতিফ মন্ডল বলেন, দেশের গুদামের মান খুব বেশি ভালো না। আবহাওয়ার কারণে চালে দ্রুত পোকার আক্রমণ হয়। আবার আমাদের মজুদ ব্যবস্থাপনাও খুব বেশি উন্নত নয়। ফলে চার-ছয় মাসের বেশি মজুদ রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। আবার চালের সংগ্রহের সময়ও চালের মান যাচাই-বাছাই করে নেয়া দরকার। সংগ্রহের সময়ে এমনিতেই বিভিন্ন চাপে মানহীন চাল নেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ফলে সে চাল বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায় না। নিশ্চিত মানহীনতার বিষয় যদি এসে যায় তাহলে বাজারে এ চাল দেয়া যৌক্তিক হবে না। তাই বোরো চালের এ মজুদ খালি করার উদ্যোগ আরো আগেই নেয়া প্রয়োজন ছিল। তাহলে বাজারে চালের দামও আরো নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। আবার দ্রুত গুদাম থেকে চাল ছাড় করতে গিয়ে যাতে গুদামই খালি না হয়ে যায়, সেটিও নজরে রাখতে হবে। অন্যথায় বাজারে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের উদ্দেশে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ মামুন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন মজুদের ফলে বোরো চালের গুণগতমান হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য এসব চাল সংরক্ষণে যথাযথ পরিচর্যার জন্য সংশ্লিষ্টদের অধিকতর যত্নবান হওয়া দরকার। এ পরিস্থিতিতে গুদামগুলোয় সংরক্ষিত বোরো/২১ চাল ওয়ারেন্টি অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে বিলি-বিতরণ করে নিঃশেষ করা প্রয়োজন। যেসব জেলা বা বিভাগের এলএসডি ও সিএসডিগুলোয় গত বছরের বোরো চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে, সেগুলো থেকে ঘাটতিতে থাকা জেলা বা বিভাগের এলএসডি-সিএসডিগুলোয় পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য অভ্যন্তরীণ সড়ক পরিবহন ঠিকাদার (আইআরটিসি), অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ঠিকাদার (আইবিসিসি), বিভাগীয় সড়ক পরিবহন ঠিকাদারের (ডিআরটিসি) মাধ্যমে যথাসময়ে সূচি জারি করে গত বছরের বোরো চাল পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে। এ নির্দেশনা অমান্য করে কোনো এলএসডি ও সিএসডি থেকে গত বছরের বোরো চালের পরিবর্তে সদ্য সংগৃহীত আমন চাল যাতে কোনো অবস্থাতেই বিলি-বিতরণ করা না হয়, সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিটরিং করবেন।

জানা গেছে, দেশের বেশির ভাগ গুদামেরই অবকাঠামো বেশ পুরনো। আবার দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক ব্যবস্থারও ঘাটতি রয়েছে। ফলে এসব খাদ্যগুদামে কীটের আক্রমণের শঙ্কাও থেকে যাচ্ছে। আবার সংরক্ষণের উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় আগেও বিভিন্ন সময়ে গুদামজাত খাবারের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে এখন খাদ্যশস্য মজুদের জন্য সনাতনী পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। সেজন্য আধুনিক সাইলো তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এসব সাইলোয় খাদ্যশস্য মজুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ থাকে। আবার কীটপতঙ্গ প্রতিরোধে স্থাপনা নির্মাণকালে ব্যবহার করা হচ্ছে বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন পদ্ধতি। তাছাড়া বাতাসের আর্দ্রতা ও উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত কারিগরি সক্ষমতার ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম বলেন, প্রথাগত গুদাম ও চাল সংরক্ষণ ব্যবস্থার কারণে চালের মান ধরে রাখাটা একটু কঠিন। তবে চেষ্টা চলছে আধুনিক মানের গুদাম তৈরি করার। বেশকিছু আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির গুদাম নির্মাণাধীন রয়েছে। আবার আমন মৌসুমের জন্য চাল সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য গত বছরের বোরো মৌসুমের সংগৃহীত চাল দ্রুত খালি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে বোরোর মজুদ খালি হলেও আমন মৌসুমের চাল দিয়ে সেটি দ্রুতই পূরণ করা সম্ভব হবে। ফলে মোট মজুদে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২০, ২০২২ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
গোপালগঞ্জে বাড়ছে সরিষার আবাদ
কৃষি বিভাগ

গোপালগঞ্জে এবার বেড়েছে সরিষার চাষ। খরচ কম আর লাভ বেশি হওয়ায়, সরিষা চাষে ঝুঁকছেন জেলার কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাই কম হওয়ায়, গতবছরের তুলনায় এবার সরিষার ফলনও বেশি হবার আশা করছে কৃষি বিভাগ। 

যেদিকে চোখ যায় বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে কেবলই সরিষার চাষ। এমন দৃশ্য গোপালগঞ্জের মাঠে-মাঠে। জেলা সদর, টুঙ্গিপাড়া, কাশিয়ানী, কোটালীপাড়া ও মুকসুদপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বারি ১৪ ও ১৮ জাতের সরিষা চাষ করেছেন কৃষকরা।

তারা জানান, সরিষা চাষে লাভ বেশি। এছাড়া একই জমিতে সরিষার পাশাপাশি মসুরি, মটরসহ অন্যান্য ফসলও ফলছে। তাই এবছর সরিষার আবাদ বেড়েছে।

সরিষা ক্ষেতের এই শোভা আরও বাড়িয়ে তুলেছে মৌমাছির দল। শীত মৌসুমে সরিষা ক্ষেতে বাণিজ্যিকভাবে মধুও চাষ করা হয়। হলুদের এই সমারোহ ঘুরে দেখতে আসছেন অনেকে।

গোপালগঞ্জ  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. অরবিন্দু কুমার রায় জানালেন, সরিষার চাষের অনুকূল পরিবেশ থাকায় এবার বাম্পার ফলন হবে।

এবছর গোপালগঞ্জে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৯, ২০২২ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
বরিশাল এটিআই হতে কৃষিকথার ৫ শতাধিক গ্রাহক সংগ্রহ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (এটিআই) হতে মাসিক কৃষিকথার ৫ শতাধিক গ্রাহক সংগ্রহ করা হয়।

আজ ( বুধবার) প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্তের কাছ থেকে ৫ শ’ ১ জন গ্রাহকের অর্থ বাবদ ২১ হাজার ৪২ টাকা গ্রহণ করেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটিআইর প্রশিক্ষক রুহুল আমিন, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. তাওহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

এটিআইর অধ্যক্ষ বলেন, কৃষি প্রযুক্তি বিস্তারে কৃষিকথা পত্রিকা বেশ জনপ্রিয়। এর মাধ্যমে ঘরে বসে অনেক কিছু জানা যায়। তা মাঠে প্রয়োগ করে চাষিরা হতে পারেন লাভবান। শুধু তাই নয়, কৃষিবিদ এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের কাছেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি গ্রাহকের এ ধারা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। উপজেলা কৃষি অফিসার পদে থাকাকালিন সময়েও তিনি যথেষ্ট গ্রাহক করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কৃষিকথা কৃষি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। ৮১ বছর ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের সেরা কৃষিবিদদের লেখা এ পত্রিকায় স্থান পায়। বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। যেহেতু সরকারি পত্রিকা, তাই ভর্তূকি দিয়ে কৃষকদের সরবরাহ করা হয়। ডাকমাশুলসহ বছরে খরচ ৫০ টাকা। এজেন্ট হলে আরো কম। মাত্র ৪২ টাকা। ২০টি পত্রিকা হলেই এজেন্ট হওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১৯, ২০২২ ৪:২৯ অপরাহ্ন
লালমাই পাহাড়ে কাজু বাদাম চাষ হচ্ছে
কৃষি বিভাগ

দামি ফল হিসেবে কাজু বাদামের পরিচিতি সবার কাছে। আমদানি নির্ভর এ ফলটি নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে। পাহাড়ে কাজু বাদাম চাষ বাড়তে দীর্ঘদিন কাজ করছেন সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুল বাশার চৌধুরী। কথা হলে তিনি বলেন, পাহাড়ি মাটি, আবহাওয়া সবই কাজু বাদাম চাষের বিশেষ উপযোগী। তাছাড়া পরিচর্যা ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় অতিরিক্ত কোনো খরচ নেই। আর আগে দাম না পাওয়ার যে বিষয়টি ছিল সেটি এখন নেই।

বীজ থেকে চারা হয়। চারা লাগানোর তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ফল ধরে। ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফুল ধরে। ফল সংগ্রহ করা হয় মে মাসে। রোগ-বালাইও কম। আর একটি গাছে জাতভেদে ৪ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত বাদাম হয়। সাধারণত পেকে নিচে পড়ে গেলে সংগ্রহ করে শুকানো হয়। আর শুকালে ১ বছর রাখা সম্ভব। কৃষি কর্মকর্তাদের আশাবাদ- কৃষকরা আন্তরিক পরিচর্যা করলে এখানে ভালো কাজু বাদাম উৎপন্ন হবে। লালমাই পাহাড়ে কাজু বাদামের চাষ বাড়লে দেশের কাজু বাদামের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবে।

কৃষি অফিসের সূত্র মতে, কুমিল্লার আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলায় কাজু বাদামের চাষ হচ্ছে। তার মধ্যে আদর্শ সদরে তিনটি স্থানে। সদর দক্ষিণে তথা লালমাই পাহাড় এলাকায় আটটি স্থানে কাজু বাদামের চাষ করা হচ্ছে। গত বছরের জুলাইতে এ বাদামের চাষ শুরু করা হয়।

সরেজমিন লালমাই পাহাড়ের বড় ধর্মপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢালুতে কাজু বাদামের গাছের সারি। শ্রমিকরা আগাছা পরিষ্কার করছেন। গাছের গ্রোথও ভালো। এ বাগানের উদ্যোক্তা তারিকুল ইসলাম মজুমদার বলেন, কৃষি বিভাগের সহযোগিতা কাজু বাদাম চাষ করছি। ফসলের অবস্থা ভালো। লালমাই পাহাড় এ ফসলের উপযোগী।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, লালমাই পাহাড়ে কাজু বাদাম চাষ পরিদর্শন করেছি। ফসলের অবস্থা ভালো। কৃষকরা আন্তরিক পরিচর্যা করলে এখানে ভালো কাজু বাদাম উৎপন্ন হবে। লালমাই পাহাড়ে চাষ বাড়লে দেশে কাজু বাদামের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop